-
প্রতিটা ইনট্রোভার্টেরই আলাদা একটা জগত থাকে।
আর মূলত একটা ইনট্রোভার্টের মনের ভেতর কি চলছে সেটা আপনি মোটেও ধরতে পারবেন না।আপনি শুধু জানবেন ঠিক ততটা যতটা সে চায় আপনি জানুন।আপনার মনে হতে পারে যে একটু একটু করে আপনি তাকে চিনতে পারছেন কিন্তু তা না। আসলে সে একটু একটু করে আপনাকে একটা ছবির খন্ডাংশগুলো দিচ্ছে।দিন শেষে যে ছবিটা তৈরি হবে সেটা তারই আকা।অনেকেই ইনট্রোভার্টদের দোষ দেয় যে তারা মানুষের সাথে মিশতে পারে না।এই কথাটা একদম ভুল।তারা আসলে চায় না। যত বেশি মানুষ জীবনে আসবে ঠিক তত বেশি মানুষ জীবন থেকে চলে যাবার সম্ভাবনা থাকে।ঠিক ততটাই হার্ট হবার পসিবিলিটি থাকে।ঠিক এই রিস্কটাই সে নিতে চায় না।
নইলে একটা ইনট্রোভার্ট যখন কারো সাথে মিশে যায় ,যখন তার কমফোর্ট জোনের ভেতর চলে আসে তখন দেখা যায় তার আসল রূপ।সেটা মোটেও চুপচাপ লোনলি একটা মানুষ নয়।সেটা হয় এমন একটা চটপটে দূরন্ত স্বভবের ডানপিটে চরিত্র যে রূপটা সে সবার জন্য রাখে না। ইভেন একটা এক্সট্রোভার্টকেও হার মানিয়ে যায়।আমার মতে প্রত্যেকটা ইনট্রোভার্ট আসলে একেকটা হাইলি এক্সট্রোভার্ট।এরা যখন রাতের আড্ডায় হুট করে তাদের এই রুপে চলে যায় কিংবা বাসায় তাদের কথার ফুলঝুরি ছোটায় তখন যেন একেকটা এক্সট্রোভার্টেরও কান ঝালাপালা হতে বাধ্য।
তবে ইনট্রোভার্টরা সোশাল ইন্টার্যাকশনে মাঝে মধ্যে খুব টায়ার্ড হয়ে পড়ে এবং এদের নিজের জগতে ফিরে গিয়ে নিজেদের রিচার্জ করে নিতে হয়।এরা একা হাসতে পারে, নিজেদের সাথে কথা বলতে পারে এবং ঘন্টার পর ঘন্টা একা থেকে কাটিয়ে দিতে পারে যেটা এক্সট্রোভার্টরা কখনোই পারে না।
আবার বোরডোম খুব বড় একটা ইস্যু ইনট্রোভার্টদের জন্য। মাঝে মাঝে তারা এতটাই বোরড হয়ে যায় তাদের লাইফে যে অযাচিত পাগলামী,হেভি মুড সুইংস আর মেজাজ খারাপ হয়ে থাকে। তখন আবার এ থেকে মুক্তি পাবার জন্য নতুন নতুন ওয়ে খুজে নিতে হয়।বেস্ট অপশন হয় পছন্দের জিনিস খাওয়াদাওয়া অথবা ট্রাভেলিং।সব ঠান্ডা হয়ে যায়।
হাই হ্যালো দেয়া,কুশল বিনিময় ইন্ট্রোভার্টদের জন্য মারাত্নক এক সমস্যা। অনেক সময় বাধ্য হয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে করতে হয়।অভ্যাস করে নিতে হয়।পাশ দিয়ে যাবার সময় দেখেও না দেখার ভান করে চলে যেতে পারে কিন্ত তার মানে এই না তাকে ঘৃণা করে।তার মানে জাস্ট এই যে এখন কথা বলতে ইচ্ছা করছে না।দেখাই তো যাচ্ছে ভালো আছে।ভালো আছো কিনার উত্তর আবার খারাপ আছি বলে নাকি কেউ? প্রতিদিন এক কথা বার জিজ্ঞেস করতে হবে কেন?ইন্ট্রোভার্টদের খুব বেশি ট্রাস্ট ইস্যু থাকে। এরা তদেরই বেশি ইরিটেট করে যাদের এরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে।এদের বিশ্বাস প্রকাশ করার ভাষাটা অন্য সবার থেকে আলাদা।
খুব সামন্য একটা পরিবর্তন ,সামান্য একটা ভঙ্গি,খুবই সামান্য একটা কারণ একটা ইনট্রোভার্টের সারাদিন কে নষ্ট করে দিতে পারে। আপাতদৃষ্টিতে বাইরে থেকে এদের খুব রুড এবং স্ট্রং মনে হয় কিন্ত ভেতর থেকে এরা ঠিক ততটাই নরম।সামান্যতে মন খারাপ হয়ে যায়।নিজের ফিলিংস খুব ভালোভাবে লুকিয়ে রাখতে পারে এবং সেটা খুব বেশি অভিয়াস না হলে কারো চোখেই পড়ে না।চোখের পানি সহজে আসে না এদের আবার মাঝে মাঝে নির্জনে ঠিকই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।
কষ্ট পেয়ে হাসতে পারে। সুন্দর করে বলতে পারে “কিছু হয়নি,ইটস ওকে।” এরা ভীড়ের মাঝেও একা হয়ে যায়। সবার মাঝখানে থেকেও যেন সবার চোখের অন্তরালে।চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারাটা হার্ড এদের জন্য।প্রতিটা চোখের ইশারা এদের মস্তিষ্কে প্রসেস হতে থাকে। সেটা প্রসেস হতে যে ক্ষুদ্র ন্যানো সেকেন্ডের প্রয়োজন হয় সেটা তাকে অন্য ভাবনায় নিয়ে যায়।মুখে একটা বলছেন কিন্ত চোখ দেখে ঠিকই বুঝে ফেলবে আপনি মিথ্যা বলছেন।তবুও সেটা লুকিয়ে দিব্যি হাসি দিয়ে যায়।
একটা মানুষ যখন অল্প বয়সেই আনেক ভালো থাকতে গিয়ে ,মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে গিয়ে পদে পদে হার্ট হয়,বুলিইং এর শিকার হয় এবং গাদা গাদা অভিজ্ঞতা অর্জন করে ভেতর থেকে অনেক বয়সের অধিকারী হয়ে যায়,এবং এত হার্ট হবার পরও নিত্যদিনের ছোট ছোট কষ্ট সহজে ভুলে যেতে না পেরে নিজেকে একটা গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলে এবং নিজের জগতে হারিয়ে যায় তখন তাকে সেখান থেকে বের করে আনার সাধ্য কারো থাকে না।
তখনই সে ইনট্রোভার্ট হয়ে যায়।আর ইনট্রোভার্ট দের পৃথিবীতে মানুষ সব থেকে বেশি ভুল বুঝে।ভুলভাবে তাদের সম্পর্কে ধারণা পোষণ করে। ওইযে কাউকে দেখে হাসি দিয়ে কথা বলতে না পারলে বা গ্রেট ইমপ্রেশন তৈরি করতে না পারলে একটা ট্র্যাডিশনই আছে যেখানে মানুষ তাদের অল্পতে জাজ করে বসে থাকে।তারা ঠিকই অন্যেরটা বুঝে নেয়, কিন্ত তাদের না বলা কথাগুলো বুঝতে পারার ক্ষমতা থাকে খুবই কম মানুষের।
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 17 October 2021 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 26 February 2022 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 20 August 2022 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 25 May 2023 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 04 December 2024 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 28 November 2025 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
Friends
Ekhtiar Uddin
@ekhtiar2003
Mahbub Al Hasan
@mahbubkfdj
G M Harun Rashid
@g-m-harun-or-rashid
Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ]
@md-zaker-hayat-khan
মো দানিয়াল আরাফাত (প্রমিস)
@md-daniel-araphat-promice
Kanej-Roksana
@kanej-roksana
AdabenTatali
@adabentatali
Sharbanam Gupta
@sharbanam-gupta
চাঁদ সদাগর
@chand_sodagor



সুন্দর ! আপনার তিন ধরণের তিনটি লেখা দেখলাম আজ। একটা যেন একটা বড় গল্পের শুরু, একটা হলো ছোটো একটী জীবনদর্শন (তাজমহল) – আর এই লেখাটি – যেটা অনেকটা যেন বিষয়-ওয়ারি একটা আর্টিকেল। তিনটাতেই সুন্দর মননশীল ও পরিষ্কার গদ্য। ভালো লাগল বেশ। আরও আরও লেখা চালিয়ে যাবেন।
ইন্ট্রোভার্ট প্রসঙ্গে মনে হ্লো, ইন্ট্রোভার্ট সবসময় কিন্তু ইন্ট্রোভার্ট না, অনেকসময় দেখা যায়, নিজের ভাবনার সাথে মিলে এমন লোকদের সাথে সে এক্সট্রোভার্ট। ফলে, তাদেরকে ইন্ট্রোভার্ট না বলে চুজি বলা যায়।
আবার মননশিলতায় ধাপে ধাপে উতোওরণ করতে করতেও মানুষ একা হয়ে যেতে থাকে – এমনও অনেকে বলে
যাই হোক, আশা করি আরো আরো লিখতে থাকবেন।