<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Ruhullah Arefin (Dipto) | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/dipto/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/dipto/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Ruhullah Arefin (Dipto).</description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Jun 2026 12:03:48 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">44e37725f537ea0f618f02486f64b12a</guid>
				<title>একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর থেকে খুব একটা সম্পের্কর বিচ্ছেদ ঘটে না বল্লেই চলে।  যতই চটাচটি, ঝগড়াঝাটি, মুখ কালাকালি, কানাকানি  হোক না কেন নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে হাই/হ্যালো  চলতেই থাকে....
ঠিক স্কুল জীবনের বন্ধুগুলো যাদের সাথে (কখনো ভোলার চর কখনো কীর্তনখোলার পার দিন রাত এক করে আড্ডাবাজি, মুভি দেখা। 
পক্ষীকূলের প্রায় সবারই তখন অফুরন্ত সময় এবং কর্মচাঞ্চল্য আড্ডাবাজির সাথে কলব্রিজ, টুয়েন্টি নাইন। সারাদিন এর পোস্টে গিয়ে বিটলামি, তো অন্য পোস্টে গিয়ে গুরুগম্ভীর কমেন্ট। তর্ক-বিতর্ক, পচানি-চেচানি-ক্ষ্যাপানি, লেখালেখির কাঁটাছেড়া, বিশ্লেষণ সবই চলতো পুরোদমে।)
একে অপরের বিপরিত হলেও বন্ধুত্বের কোন টানাপোড়নে পরতে হত না তাদের নিয়ে ৷  হাশি,ঠাট্টায় মেতে থাকা  ছন্নছাড়া, সদা উৎফুল্লে থাকা একটা বানরের দল একদিন বড় হয়ে যায় । মোটামুটি মাধ্যমিক টা পার করার পরে, আমরা প্রত্যেকেই  অনেকটা দিক বেদিক  হয়ে পরি;নতুন কলেজ, নতুন বন্ধু, নতুন পরিবেশ , আমদ, আহ্লাদ আর নতুন প্রিয়শী..... 
এখানে কেউ আসে প্রয়োজনে, কেউ বা আবার শ্রোতে ভাসতে ভাসতে এসে মেঘের সাথে মিলিয়ে যায়। 
কলেজ থেকে ভার্সিটির মাঝামাঝি এই সম্পর্কগুলোও সুন্দর থাকে৷  সম্পর্ক গুলোর বিচ্ছেদ ঐ ভাবে হাঁক-ডাক দিয়ে হয় না, সম্পর্কগুলো থেকেই যায়, শুধু এর আষ্টেপৃষ্ঠে লেগে থাকা ভালোবাসা কমতে থাকে ধিরে ধিরে । আর এই বয়সটাতে প্রত্যেকেই যথেষ্ট ম্যাচিউর, তাই আপনি কখনো বুঝতে পারবেন না, কে আপনাকে ভালোবাসে, কার কাছে  আপনার গুরুত্ব কতটুকু । এখানে আমার মত বন্ধুসুলভ মানুষগুলোই সব থেকে বেশী ঠকে।আমারা মাত্র  দু&#039;দিনের ভালো সম্পর্ক গুলোকেও আমাদের  প্রায়োরটি লিস্টের প্রথম সারিতে রাখি। আমাদের ছোটছোট পরিকল্পনা গুলোতেও আমরা তাদের রাখার চেষ্টা করি।  অথচ দিন শেষে দেখা যায় তাদের কাছে আমরা  শুধু মাত্র প্রয়োজন....  
তারা যে আমাদের ভালোবাসে না তা নয়, তারাও আমাদের ভালোবাসে তবে সেটা নিঃস্বার্থ নয়। তারা কখনোই শুধু মাত্র আমাদের জন্যই কোন একটা দিন  হাতে রাখে না। 
এই দুদিনের সম্পর্ক গুলো ভেঙে যাওয়ার মূল কারন হলো আমাদের অতি প্রত্যাশা।  আমাদের ভিত্তি টা অতি প্রত্যাশা নিয়ে গড়াতো তাই আমাদের প্রত্যাশার কোন শেষ থাকে না৷  এক্ষেত্রে জীবনের দ্বিতীয়আর্ধে এসে প্রথম সারিতে যায়গা করে নেয়া আমাদের প্রিয় মানুষগুলো যে একেবারেই আমাদের ডাকে সারা দেয় না, তা কিন্তু নয়।  তবে কোন প্রকার দায়বদ্ধতা ছাড়া যদি কেউ না আসে, যদি মধ্যরাতে ফোন দিয়ে না বলে &quot;চল কাল ভোরে হাঁটতে যাই৷&quot; যাদের  সাথে চলতে গেলে আপনার জামার ভাজের  দিকে নজর রাখতে হয় তারা আপনার আমার প্রিয় হতে পারে কিন্তু  আমরা তাদের কতটুকু প্রিয় হতে পেরেছি, তাদের মনে কতটুকু যায়গা দখল করতে পেরেছি সে ব্যপারে সন্দেহ না থাকলেই নয়৷  
আমরা যারা বন্ধুসুলভ  এবং এক্সট্রোভার্ট মাইনডেড  তারা সব যাগাতেই নিজেকে খাপ খাইয়ে  নিতে পারি। সবখানেই হাসিখুশি থাকি, সবাইকে মাতিয়ে রাখার চেষ্টা করি তাই হয়তো কার জীবনে কতটুকু যায়গা দখল করে আছি তা নিয়ে কোন মাথা বেথা থাকে না৷  
কিন্তু বয়স তো আর কম হলো না, একদম বুড়ো হয়ে গেছি৷  জীবনের হালখাতা এখনো যদি খুলে না দেখি আর কবে?
কিছু কিছু হিসেব নিকেশ  এখন এমনিতেই মাথায় ঘোর পাক খেতে থাকে ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/126141/</link>
				<pubDate>Tue, 26 Jul 2022 19:21:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর থেকে খুব একটা সম্পের্কর বিচ্ছেদ ঘটে না বল্লেই চলে।  যতই চটাচটি, ঝগড়াঝাটি, মুখ কালাকালি, কানাকানি  হোক না কেন নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে হাই/হ্যালো  চলতেই থাকে&#8230;.<br />
ঠিক স্কুল জীবনের বন্ধুগুলো যাদের সাথে (কখনো ভোলার চর কখনো কীর্তনখোলার পার দিন রাত এক করে আড্ডাবাজি, মুভি দেখা।<br />
পক্ষীকূলের প্রায় সবারই তখন অফুরন্ত সময় এবং&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-126141"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/126141/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f71bfcbd6fb5133a40a0bf6634c75544</guid>
				<title>বয়স কত হলো,এই হিসেব রাখার জন্যও একটা পর্যাপ্ত বয়সের দরকার হয়।  
যেই বয়সে পড়ার টেবিলে থেকে মন থাকতো খেলার মাঠে, তখন বয়সের হিসেব কে রাখে?  
&quot;আমি বড় হয়েছি&quot; এটা কি শুধুই একটা বাক্য? 
বার বার বলার পরেও কি কেউ বুঝতে পারে সে বড় হয়েছে? 
ছোট্ট শিশুকে মা কথায় কথায় বলে তুমি বড় হয়ে গেছো, এখন আর দুষ্টুমি করোনা।  শিশুটি তারপরও দুষ্টুমি করেই যায়৷ 
আসলে অনুধাবন করার বিষয় বলে বোঝানো যায় না;দরকার একটা অনুভূতির। 
শৈশবে যে মাঠে খেলা করতে করতে বিকেলের পর বিকেল পেরিয়ে গিয়েছে সেই মাঠের কথা ভাববার অবকাশ নেই আর কারোরই। খোলা আকাশের নীচে আজ সেই মাঠও  নিজের মতো নেই। এখন আর মাঠে সেই ভাবে খেলা হয়না, কংক্রিটের দেয়ালে দেয়ালে ভরে গেছে সেই মাঠ । যে মাঠে হাজার হাজার মানুষের শৈশব কেটেছে আনন্দ উল্লাসে সেই মাঠের বুকের ক্ষত গুলোর দিকে ফিরে তাকানোর সময় কারোরই নেই আজ। 
কিন্তু আমার মাঝেমধ্যেই মনে পরে সেই মাঠের কথা,যেখানে আমি বড় হয়েছি।  
&quot;আমি বড় হয়েছি&quot; আমার কাছে একটা অনুভূতির নাম।  এই নামের সাথে জড়িয়ে আছে আমার স্বত্যা। 
সেই মাঠ থেকে প্রথম শুনেছিলাম পৃথিবীর সবচেয়ে আকাংখিত , প্রচন্ড ভালো লাগার শব্দটি। &quot; ভালোবাসি&quot; । ... আরো কত কি ! জীবনের কঠিনতম  বোধ গুলোর মাঝে বারবার এসে ছুঁয়ে দিচ্ছিলো এক অনুভূতি আর এক মলিন চেহারা ।
যা কিছু ভালো লাগে তাই নিয়ে থাকা । ভাবতে ভালোবাসি। স্বপ্ন দেখি । মেঘের প্রবল বর্ষনে সে স্বপ্ন একসময় ভেসে যায় । তারপর আবারো স্বপ্ন দেখা। এইতো জীবন ! এইতো বেঁচে থাকা ! 
এরকম হযবরল জীবনে পরিবর্তন আসে সেই মলিন চেহারায় তাকিয়ে।  
তখনো হয়তো বুঝতে শিখিনি, প্রেম কাকে বলে, অথচ প্রেম আমাকে গ্রাস করে ফেলেছিলো ততক্ষণে।  
মান্না দে&#039;র &quot; হৃদয় আছে যার সেই তো ভালোবাসে। প্রতিটি মানুষেরই জীবনে প্রেম আসে ।&quot; গানের একটি লাইনও আমার জীবনে মিথ্যে হওয়ার সুযোগ পেলো না৷  
প্রেম এসেছিলো আমারো  দুয়ারে । নিরবে, অতি নিরবে । 
বসন্তের সবটুকু শুভ্রতা আর রং বেরঙের  জানা অজানা ফুলের সুবাস নিয়ে ।
ঘোর অন্ধকার মহাকাশের বিশালতা ঘিরে সে এসেছিলো ; সে এসেছিলো নক্ষত্রের উজ্জ্বল আলো নিয়ে। 
তপ্ত মরুভমির অসহ্য উত্তাপের তৃষিত হৃদয়ে সে এসেছিল একফোটো জল হয়ে। 
বসন্তের নির্মল হাওয়ায় আমার হৃদয় ভেসেছিলো ভালোবাসার প্লাবনে । সেদিন
একরাশ প্রশান্তির আবেশ ছড়িয়ে পড়েছিল দেহ মনে ।
সেদিনই বুঝেছি রবীন্দ্রনাথ হয়তো আমারই জন্য লিখে গেছেন -
&quot;হৃদয় আজি কেমনে গেল খুলি,
জগৎ আসি সেথা করেছে কোলাকুলি ।&quot;
ফুল সহ এক ঠাঁইতে থাকা কাদার মতো,
মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়ানো অথবা পাখির কলকাকলীর মতো সেই মধুর দিনগুলো ছিল স্বর্গীয় ভালোবাসায় ভরপুর ।
সেই প্রথম শুনেছিলাম পৃথিবীর সবচেয়ে আকাংখিত , প্রচন্ড ভালো লাগার শব্দটি। &quot; ভালোবাসি&quot; ।
বলেছিলাম - আমিও যে তোমায় ভালোবাসি ।
-কতটুকু ?
-যতটুকু হলে তোমাকে পাওয়া যায় ।
- তাহলে বলোনি কেন এতদিন ? কেন রেখেছিলে লুকিয়ে ?
- যদি তুমি প্রত্যাখ্যান করো সেই ভয়ে ।
- বোকা ছেলে । এতদিন ধরে দেখ! 
তুমি কি কখনোই বুঝতে পারোনি আমার মনের কথা !
- তুমিও তো আমার হৃদয়ের কথা বুঝতে পারোনি । শুধু তোমার হাসিমুখ দেখব বলে, শুধু তোমার সেই নিষ্পাপ চাহনি দেখার জন্য ছুটে আসি তা কি তুমি বুঝনি?
তুমি কি বঝনি,একটি ছেলে প্রতিদিন খুব ভোরে দাঁড়িয়ে থাকে কেন রাস্তার মোড়ে? 
কেনই বা দেখা হয় প্রতিদিন তোমার সাথে? 
- শুধু আজকের দিনটির জন্য কতদিন অপেক্ষায় রয়েছিলাম। বারবার যে আমি শুধু তোমাকেই চেয়েছি ।
চুপ করে ছিলাম ।  নিজেকে খুব হালকা মনে হচ্ছিল৷  বহুদিন পর ঝেড়ে কাশছিলাম আর কাঁদছিলাম। সুখের কান্না।
গভীর ভালো লাগা আর ভালোবাসায় ছিলাম আচ্ছন্ন । সে আমার চোখে চোখ রাখল । এ এক অন্য রকম চাহনী । যে চাহনীতে সবকিছুই বদলে যায় । আমিও ওর কাজল কালো মায়াবী আঁখিতে মুগ্ধ বিস্বয় নিয়ে চেয়ে রইলাম । কত কথাই যেন সে চোখে জমে রয়েছে । দুচোখ তার নোনা জলে ডুবে গেছে। কত কিছুই না ও দুটি চোখ বলতে চায় । মনে হচ্ছিল আমি সারাটি জীবন সেই মায়া ভরা চোখের দিকে চেয়ে কাটিয়ে দিতে পারব । সেই থেকেই ভেসেছিলাম ভালোবাসার স্বপ্ন সুখের ভেলায় । হৃদয়ের কত আকুলতা , না বলা কথা , কিছু জমানো ব্যথা বিনিময় আর ভালোবাসার রঙ্গীন সব জাল বোনা । সেই ভালোবাসার জাল অনেকদুর বিস্তৃত হয়েছিলো । অনেক দুর ।  
&quot;তোমাকেই যেন ভালোবেসেছি শত রূপে শতবার, জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।&quot;
অনেকতো হল বয়স তো কম হলো না.....  
আমার অভিধানে এখনো বিচ্ছেদ শব্দটা খুঁজে পাই না কেন? 
দুরত্ব যতই বাড়ছে, ভালোবাসার ততোই ছানাপোনা হচ্ছে। তাদের লালন পালন করার দায়িত্ব কি শুধুই আমার? 
অভিমান হতেই পারে, ভালোবাসি বলেই তো অভিমান করি।  
অভিমান তো তুমিও করো, আমি কি মুখ ফিড়িয়ে নেই? 
এখন তো সমান সমান হলো__ ১৪০
ভার্চুয়াল এই দুনিয়ায় নাহয় তুমিই এগিয়ে থাকলে।  
আজ আর  কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ো না..... 
আমার চৌকাঠ, আমার জানালা ;
আমার সিংহাসন, আমার বারামখানা। 
সবকিছুই খোলা আছে।  
ফিরে এসো, শুধু ফিরে এসো আরেকটি বার।
বৈশাখ -১৩
রাহেলি মহলের পাচিলে বসে আছি;
যদি মনে লয়,উঁকি মারতে পারো৷  
শুভ প্রিয়তমা দিবস।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/125957/</link>
				<pubDate>Tue, 26 Jul 2022 08:48:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বয়স কত হলো,এই হিসেব রাখার জন্যও একটা পর্যাপ্ত বয়সের দরকার হয়।<br />
যেই বয়সে পড়ার টেবিলে থেকে মন থাকতো খেলার মাঠে, তখন বয়সের হিসেব কে রাখে?<br />
&#8220;আমি বড় হয়েছি&#8221; এটা কি শুধুই একটা বাক্য?<br />
বার বার বলার পরেও কি কেউ বুঝতে পারে সে বড় হয়েছে?<br />
ছোট্ট শিশুকে মা কথায় কথায় বলে তুমি বড় হয়ে গেছো, এখন আর দুষ্টুমি করোনা।  শিশুটি তারপরও দুষ্টুমি করেই যায়৷<br />
আসলে অনুধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-125957"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/125957/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>