<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/farhadlamisa/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/farhadlamisa/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 07 Jun 2026 00:16:28 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">1c8374e0b3dac47a44e23f98ffc750fc</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and Jahin Hashem Chowdhury are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/214010/</link>
				<pubDate>Wed, 08 May 2024 11:40:13 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ad1c1c37d3ce2cf63d1668e62a30660</guid>
				<title>গল্পের নাম : &quot; সেই_রাত &quot;
লেখনীতে : &quot;মুসকান_হিম্রাদিতা&quot;
পর্ব - ১ 


অন্ধকার ঘরের ভঙ্গুর চৌকির উপর নগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে শারমিন।গত তিন ঘন্টা যাবৎ তার সাথে নির্মম অত্যাচার হচ্ছিলো।টিউশনি করিয়ে বাসায় ফিরার পথে আচমকা পিছন থেকে মুখ চেপে ধরে টানতে টানতে রাস্তার পিছনে খালের পাড়ে বন্ধ ঘরে এনে তার সাথে অত্যাচার শুরু করা হয়।যখন খালের পাশ দিয়ে তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো তখন নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করার পর ও শারমিন তার থেকে নিজেকে ছাড়াতে পারেনি।আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছিলো নিজেকে রক্ষা করার।অনবরত মনে মনে আল্লাহ তা&#039;&#039;আলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছিলো যেন কোনো অলৌকিক ঘটনা ঘটে।যেন শেষ মুহূর্তে এসে নিজেকে বাচাতে পারে।কিন্তু না, ঘটেনি কোনো অলৌকিক কিছু।যখন বন্ধ ঘরে এনে শারমিনকে ধাক্কা মেরে চৌকির উপর ছুড়ে ফেলে দরজা কোনো রকম টেনে বন্ধ করে পিছনে ফিরে। জোরে ছুড়ে ফেলার কারনে চৌকির কোনার সাথে কোমরে ব্যাথা লাগে শারমিনের। কিন্তু নিজেকে বাচানোর জন্য আকুতি করেনি।বরং রক্তচক্ষু নিয়ে তাকিয়ে ছিল নরপিশাচের দিকে। ঠোঁট অনবরত কাপছে তার।চোখে পানি আটকে আছে।নরপিশাচ ঝাপিয়ে পড়ে তার শরীরের উপর। কুকুরের মত খুবলে খুবলে নিচ্ছে শরীরটাকে। জোরে জোরে খামচি দেওয়ায় শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে রক্ত জমাট বেধে গেছে।কিন্তু এতকিছুর পর ও শারমিন কোনো প্রতিবাদ করেনি।এমনকি বাধাঁ ও দেয়নি।নিজের শরীরকে সে একজন নরখাদক এর হাতে তুলে দিয়েছে।কিন্তু প্রতিটি সেকেন্ড সে আল্লাহকে ডেকেছে।তার সাথে ঘটা ঘটনার সাক্ষ্য দান করেছে আল্লাহ তা&#039;&#039;আলা কে।টানা তিনঘন্টার পর সেই নরখাদক তার শরীর ছেড়ে দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে নিজেকে পোশাকে আবৃত করে।মুখে পিশাচী হাসি দিয়ে বলে  - &quot;এটা তার ২১ তম ধর্ষন।কিন্তু তুই কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাস নাই,তাই স্বাদটা ঠিকমতো মিটছিলো না।কিন্তু এখন মনপ্রান সব একদম ভরে গেছে &quot; - বলেই উচ্চস্বরে হাসা শুরু করে দিলো।আবার বলতে শুরু করলো - &#039;এখন পুলিশের কাছে যাবি,আমার নামে নালিশ দিবি কিন্তু বিচার পাবি না।কেন জানস?আমি পুলিশ আমার পকেটে নিয়ে ঘুরি।যা যা বাসায় চলি যা।কেউ দেখে ফেললে আবার তোর উপর ক্ষিদা মিটাইতে আসবে।&#039; __হা হা হা___
       একলা সুয়ে আছে শারমিন। এখনো নগ্ন।ভাবছে এই মুহুর্তে কি করা উচিত ___!!পুলিশের কাছে গিয়ে তার সাথে ঘটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে নাকি যা হয়েছে তা নিয়তি ভেবে মেনে নিবে।মাথাটা বড্ড হালকা লাগছে।আজকে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার আগেও জানতো না তার আজ জীবন বদলে যাবে।অসহায়ের ন্যায় এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার জামা-কাপড়ের দিকে।মেয়েদের পোষাক ই তাদের সম্মান রক্ষা করে?যদি তা ই হয় তবে পোশাক এভাবে নিচে না ফেলে সেটা মাথায় বহন করা উচিত। এসব ভাবতে ভাবতেই উঠে দাড়ালো। সারা শরীর  অসহ্যরকম ব্যথা।বাড়ি ফিরতে হবে। তার জন্য পরিবারের কোনো ক্ষতি হতে পারে না। 


১৫ বছর পর_____

-মামা,মাল দুইডারে দেহো!
- হ, সেই মাল! ট্যাহা পাই নাই ত কি হইছে, খাবার ত পাইছি - বলেই উচ্চস্বরে ৪/৫ জনের একটা দল হাসতে হাসতে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দুই নারীর নিকট এগোতে লাগলো।
- আম্মু আমাকে বাচাও,আম্মু!
- ওরে ছেড়ে দেন বলছি,ছাড় শয়তান। 
- আরে তোমার ছেড়ীরে কি বাচাইবা তুমি,তোমারে কে বাচায় হেইডা ভাবো।
- ছাড়েন ভাই, দয়া করে ছাড়েন।আমি কিন্তু... আমি পুলিশে খবর দিবো।১০ বছরের জেল হয়ে যাবে কিন্তু আপনাদের সবার।
- আরে পুলিশের ভয় দেখায় কামাল ভাই।ওরে বাবা আমি ত ভয় পাচ্ছি খুব।হা..হা..হা,পুলিশ আমি পকেটে নিয়ে হাটি বুঝছো - বলেই চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে স্বপ্নাকে বিছানায় ফেলে একটানে শাড়ি বুকের থেকে সরিয়ে সামনে হুইল চেয়ারে বসে থাকা ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে গগন কাপানো হাসি দিলো।
সামনে বসে থাকা ব্যক্তিটি নিজের সাথে চেষ্টা করেও রক্ষা করতে পারেনি তাদের।তারই চোখের সম্মুখে তার স্ত্রী এবং কন্যাকে একদল জানোয়ার এসে হত্যা করে গেলো তাদের সম্মান।স্বপ্না কোনোরকম উঠে শরীরে কাপড় জড়িয়ে তার উলঙ্গ মেয়ের নিকট বসলো।মেয়ে মাকে পেয়ে জড়িয়ে ধরে চোখের পানি দিয়ে নিজের সাথে হওয়া অন্যায়ের ধিক্কার জানাতে লাগলো।

      গত একসপ্তাহ পুলিশের কাছে ঘুরে ও ন্যায় পায়নি স্বপ্না ও রুপা।ন্যায় পাওয়া ত দুরের কথা ধর্ষকদের ধরার জন্য পুলিশের কোনো আগ্রহ প্রকাশ পায়নি।নিরুপায় চোখের জল ফেলা ছাড়া তাদের আর কিছু করার ছিলো না।কত মিডিয়া, কত বিজ্ঞাপন প্রচার হয়েছে।কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।উল্টো ধর্ষিতা হওয়ার কারনে রাস্তায় বের হলে কটুবাক্য শুনতে হয়েছে।কিছু মানুষের কথা শুনে মনে হয়েছিল তারা ইচ্ছা হয়ে ধর্ষিত হতে চেয়েছিলো।তাদের মাথায় ই এলো না মেয়েটার বয়স মাত্র  ১৩ বছর।এত ছোট বয়সে এইরকম ধাক্কা সে সইতে পারছে না।এসব কিছু স্বপ্না তার স্বামীর হাটুর উপর মাথা রেখে চিন্তা করছিলো। হঠাৎ টেলিফোনের শব্দ কানে এলো।স্বপ্না নিজেকে সামলে  নিয়ে টেলিফোনটা রিসিভ করলো।ওপাশে কি নিয়ে কথা হচ্ছে তার কিছুই শুনতে পেলো না তন্ময়।হুট করে স্বপ্নার মুখে হাসি দেখে বেশ অবাক হলো সে। স্বপ্না টেলিফোনটা নামিয়ে রেখে দৌড়ে এসে তন্ময়ের পায়ের কাছে বসে বলল - &quot; ঔ জানোয়ারগুলোকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। &quot; 

-------------------

-আমি তোমার সাথে যেতে চাই।
- কি দরকার বলো তো...
- এমনি
- বেশ,তবে চলো।
 
  গাড়ি থেকে কালো রঙের কোট পরা এক পুরুষের সাথে শাড়ি পরা এক মহিলাকে দেখতে পেলো রুপা।তারা তাদের বাসার নিচে দাঁড়িয়ে আছে। তারা উপরে তাকাতেই ছিটকে দূরে সরে গেলো সে।এখন আর কাউকে নিজের মুখ দেখাতে ইচ্ছা করে না তার।স্কুলে বান্ধুবিদের সাথে মজা করে অনেক কথা বলার কারনে বেশ বুঝতে পারে সেদিন রাতে তার সাথে কি হয়েছিলো।সেদিনের ঘটনার পর থেকে প্রয়োজনে ছাড়া ঘর থেকে বের হয়নি আর কাউকে ঢুকতে ও দেয়না।বাসায় কত লোকজন  এসেছিলো এ কয়দিনে।কিন্তু তাদের সামনে রুপা যায়নি।আজ যে দুইজন নিচে দাঁড়িয়ে আছে তারাও যে তাদের বাসায়ই আসবে সেটা সে ভালোভাবেই জানে।

কলিং বেলের শব্দে দরজা খুলে দিলো স্বপ্না।দেখলো সামনে একজন যুবকের সাথে যুবতী দাঁড়িয়ে আছে।যুবক হাসিমুখে প্রশ্ন করলো - আপনিই কি স্বপ্না?
- জী।কিন্তু... 
- &#039;এডভোকেট আকাশ চৌধুরী আর এই আমার ওয়াইফ মিসেস শারমিন চৌধুরী। &#039;

বাহিরে রোদের খা খা তাপ যেন ঢাকা শহরের সর্বত্রে ছড়িয়ে গেছে।অবশ্য এজন্য মানুষই দায়ী।মানুষ যদি প্রকৃতিকে রক্ষা করতে না পারে  তবে প্রকৃতিই বা কি করার রয়েছে।সূর্যের ফিনকী আলো রুপার চোখের উপর পড়ছে।ছবিতে যে চাঞ্চল্যের আভাস দেখেছিলো সামনা-সামনি দেখে মনে হচ্ছে যেন বহুদিন ধরে গোপন কোনো রোগে আক্রান্ত। চোখের নিচে এই কয়দিনেই প্রচুর কালি জমেছে।চুল উসকোখুসকো। মনে হয়,বহুদিন তেল পড়েনি।চেহারার উপর ও কালো আবরন পড়েছে।শারমিন এতক্ষন খুটিয়ে খুটিয়ে রুপা কে দেখছিলো।এবার সাহস করে কাছে যেতেই রুপা ছিটকে দূরে সরে গেলো।
-ভয় পেয়ো না, আমি তোমার মায়ের বন্ধু।
কথাটা শুনে হয়ত একটু স্বস্তি পেয়েছিলো কিন্তু পরক্ষণেই আবার রেগে বলল - কেনো এসেছো?আমাকে পশুরা কেমন ক্ষতবিক্ষত করেছে তা দেখতে এসেছো।বেরিয়ে যাও।তোমরা পুলিশেরা শুধু ক্ষতের পরিমান জানতে চাও।ক্ষতের চেহারা দেখে সংবাদ করবে তারপর আবার শেষ। এই যাও তো বেরিয়ে যাও এই ঘর থেকে। ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিতে গেলে স্বপ্না এসে দাড়ালে আবার চুপ হয়ে যায় রুপা।
চলবে....


(গল্পটি কেমন লেগেছে জানাবেন।যদি ভালো লাগে তাহলে পরের পর্ব নিয়ে আসবো।যদি গল্প ভালো লাগে তাহলে গল্প শেয়ার করবেন কিন্তু দয়া করে কপি করবেন।ধন্যবাদ সবাইকে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/203980/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Aug 2023 13:55:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পের নাম : &#8221; সেই_রাত &#8221;<br />
লেখনীতে : &#8220;মুসকান_হিম্রাদিতা&#8221;<br />
পর্ব &#8211; ১ </p>
<p>অন্ধকার ঘরের ভঙ্গুর চৌকির উপর নগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে শারমিন।গত তিন ঘন্টা যাবৎ তার সাথে নির্মম অত্যাচার হচ্ছিলো।টিউশনি করিয়ে বাসায় ফিরার পথে আচমকা পিছন থেকে মুখ চেপে ধরে টানতে টানতে রাস্তার পিছনে খালের পাড়ে বন্ধ ঘরে এনে তার সাথে অত্যাচার শুরু করা হয়।যখন খালের পাশ দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-203980"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/203980/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f8a10d177bad5cb8a9dde97cd5c65bd</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and মুহাম্মদ আস্রাফুল আলম সোহেল are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40999/</link>
				<pubDate>Wed, 06 Oct 2021 15:55:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">843f1050b8434ae68234083511c19a1b</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and সাইফুন নেসা সীমা। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40862/</link>
				<pubDate>Wed, 06 Oct 2021 04:30:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed7a6957dfbc6f738ea774cd4f077330</guid>
				<title>গল্পের নাম: &quot;নৈঃশব্দে তোমার পদধ্বনি &quot;
লেখনীতে :  &quot;মুসকান হিম্রাদিতা&quot;
 
মূল অংশ::::

প্রকান্ড ঘরে দাঁড়িয়ে আছে ইহসান।পুরো ঘরে আবছা হলুদ রঙের আলো ছড়িয়ে রয়েছে।কোথাও বেশি বা কম নেই, সব সমান।সেই ঘর থেকে হালকা চন্দন আর গোলাপজল এর ঘ্রান বের হচ্ছে।বিশাল জানালা দুটো পর্দা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।ইহসানের হাতে সোনালি কারুকাজ খচিত একটা সুন্দর শাড়ি।দীর্ঘ ৫ মাস ধরে রাত জেগে সে এই শাড়ি নিজের হাতে তৈরী করেছে তার প্রিয় মানুষের জন্য।একদিন সে নিজের হাতে তাকে এই শাড়ি পরিয়ে দেবে।
ইহসান শাড়ির প্রতিটি কোণায় হাত আলতো করে বুলিয়ে দিচ্ছে।শহরের সেরা ১০ জন ফ্যাশন ডিজাইনারদের মধ্যে ৪ নাম্বার এ অবস্থান তার।কিন্তু তার শাড়ি সম্পকে ধারনা ১ নাম্বার এ।প্রতিটি শাড়ি তিনি একবার দেখেই বলে দিতে পারে সেই শাড়ির কোথায় খুত রয়েছে আর কত দিন টিকবে।
এই ঘরে যে ইহসান একা আছে তা বললে মস্ত ভুল হবে।তার সাথে সবসময় যিনি থাকে সে আজকে ও তার কর্মকান্ড দেখছে।শাড়ির প্রতিটি কোণা যে সুক্ষ্ম হয়েছে তা বুঝতে পেরে মুচকি হেসে কম্পিউটার এর পাশে থাকা রকিং চেয়ারের দিকে তাকায়।যা ইহসানের উলটো দিকে ঘোরানো।ধীর পায়ে সেই দিকে এগোতে থাকে ইহসান।চেয়ারে কাছে গিয়ে তার হাতলে হাত রেখে চেয়ার টা তার দিকে ঘুরাতে যাবে এমন সময়ই দরজায় টোকা পড়লো।
বাহির থেকেই আওয়াজ এলো- মে অ্যাই কামিং স্যার?
মুখ দিয়ে বিরক্তসূচক একটা আওয়াজ করে চেয়ারে হাতল ছেড়ে শাড়ি রাখা জায়গাটায় এসে দাঁড়িয়ে উত্তর দিলো- ইয়েস,কামিং।
এইঘরটাকে সব সময় ই ভয় পায় মানবিকা।কেমন যেন সবসময় ভিতরে আবছা আলো থাকে।এমনকি সূর্যের আলো ও ঠিক মতো ঢুকে ঘরটাকে আলোকিত করতে পারে না।কেমন ভুতুড়ে পরিবেশ।স্যারের অনুমতি পেয়ে বুকে সাহসের জন্য জোরে একটা নিঃশ্বাস নিয়ে নিলো।যদি ও জানে এতে তার একটু ও সাহস বাড়েনি কিন্তু তা ও ওর দাদি বলেছিলো এইভাবে দম নিলে সাহস বাড়ে।তাই সবসময় এমন ই করে মানবিকা।দরজা খোলার সাথে সাথে প্রত্যেকবারের মতোই কেমিক্যাল এর গন্ধ নাকে এলো মানবিকার।সাথে মাটির নিজস্ব গন্ধ ও রয়েছে।শাড়ির কাপড়ে হয়ত কেমিক্যাল মিশানো হয় তাই এর গন্ধ পাওয়া যায় কিন্তু এই সিমেন্টে তৈরী চারতলা দালানে মাটির গন্ধ কিভাবে আসে সেটা কিছুতেই বুঝতে পারে না।ভিতরে ঢুকে একবার রুমে চোখ বুলিয়ে দেখে নিলো।না সব একই রকম আছে।এই ঘরের কিছুই কখনো পরিবর্তন হয় না।ইহসানের দিকে এগোনোর আগে একবার পাশ ফিরে রকিং চেয়ার টা দেখে নিলো।
-স্যার,এই কোম্পানি চারশ কোটি টাকার ডিল করেছে।আপনি যদি সব কিছু একবার সাইন করে দেন তবে কাল থেকেই কারখানায় শাড়ি তৈরীর কাজ শুরু করা যাবে।
ফাইল নেওয়ার জন্য বাম হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল- মিস মানবি,আমার মনে হয় আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলছেন না।
মানবিকা আর বাকি কথা শুনে না।ইহসানের প্রতি মানবিকা একটু দূর্বল।ইহসান বিবাহিত।সে তার বউকে প্রচন্ড ভালবাসে সেটা জানার পর ও কিছুতেই দূর্বলতা কমাতে পারেনি বরং ইহসান তাকে মানবিকার বদলে মানবি বলে ডাকায় মনের ভিতর প্রজাপতির ডানা ঝাপটায়।ইহসান বয়সে মানবিকার চেয়ে অনেক বড়।মানবিকা ২৫ আর ইহসান প্রায় ৪৫ এর কাছাকাছি। তারপর ও মানবিকার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর পুরুষ ইহসান।ড্রেস কালেকশনে ও ইহসান সবার সেরা।যখন যখন এই কোম্পানির জন্য মডেলিং করতে হয় তখন এই ইহসান নিজের হাতে মানবিকার সমস্ত শাড়ি,গহনা এমনকি নিজের হাতে সাজিয়েও দেয়।সে জন্য  অফিসের বাকিরা মাঝে মাঝে বলে ও বসে - ম্যাডাম যদি সব জানতে পারে তবে এই শাড়ির কোম্পানি ই পুড়িয়ে দিবে।কিন্তু মানবিকা তাদের কিছু বলে না।আসলে বলার মত কিছুই নেই।এমন কখন ও মনে হয় নি যে ইহসান ও তার প্রতি দূর্বল।সব মায়া,সব অনুভুতি একান্তই মানবিকার।
ইহসান নিজের প্রশ্নের উত্তর পায় নি মানবিকার দিকে ফিরে দেখে সে একদৃষ্টিতে  তার দিকেই তাকিয়ে আছে।ইহসান হাত দিয়ে একটা তুড়ি বাজাতেই মানবিকার ধ্যানভগ্ন হয়ে গেলো।অপরাধীর মতো ছোটস্বরে আমতা আমতা করে বলল- সরি স্যার।
সেদিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে ইহসান মানবিকার ডান হাত ধরে উপরে তুলে সেই হাতে ফাইল তুলে দিয়ে বলল- কিসের এত চিন্তা মিস মানবি?
এই প্রশ্ন শুনে মানবিকা পিছনে ফিরে কম্পিউটার এর পাশে রকিং চেয়ারের উলটো হয়ে বসে থাকা মানুষটির দিকে তাকায়।মনে মনে বলে - &#039;আমি আপনাকে ভীষন হিংসা করি ম্যাম।শুধুমাত্র এইকারনে আমি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী।&#039;
-পিছন ফিরে কি দেখছো?
-সরি স্যার।কিছু না।
-বেশ,এর আগে যেসব প্রশ্ন করেছি তার উত্তর দিন।
আমতা আমতা করে এদিক ওদিক তাকাতে থাকলো মানবিকা।তা দেখে ইহসান দুই হাত প্যান্টের পকেটে গুজে ছোট নিঃশ্বাস নিয়ে শাড়ির কাছে চলে আসে।এসে বলে - নিয়মের সাথে সাথে আপনি মনে হয় মনোযোগ ও হারিয়েছেন।
-সরি স্যার।
-সরি স্যার এটা কি আপনার মুদ্রা দোষ?(বেশ বিরক্ত হয়েই বললো)
- না মানে শুনতে পাই নি কি বলেছিলেন আপনি সেটা।
-আমার মনে হয় আপনি কিছু নিয়ম ভুলে যাচ্ছেন বা মনের সাথে যুদ্ধ করে ও খুব একটা লাভ করতে পারছেন না।
-কেন স্যার? আমার কাজে এ ক........
- আপনার মান্থলি ইনকাম কত?
-এই প্রশ্ন শুনে বেশ অস্বস্তিতে পড়ে মানবিকা। তবু ও মুখে বলে - সিক্সটি ফাইভ থাউজেন্ট।
-এই পেমেন্ট নিয়ে সব খরচ বাদ দেওয়ার পর ও প্রায় টুয়েন্টি ফাইভ থাউজেন্ট এর মত টাকা বাড়তি থাকে।অথচ একই কোম্পানি তে যারা কাজ করে তোমার চেয়ে উচুতে থেকে ও তাদের ইনকাম ফিফটি অর সামথিং। কোনো প্রশ্ন জাগে নি কেন এত বেশি টাকা এই কোম্পানি তোমাকে দেয়?
 বেশ অপমানবোধ করতে লাগল মানবিকা।আসলেই তার বেতন সবার থেকে বেশি।অথচ তার কাজ শুধু ডিল হওয়া ফাইলগুলো সাইন করিয়ে নেওয়া।আর ও একটা ব্যাপার আছে, সবার বেতন মাসের প্রথম দিন স্যার নিজে সবার  হাতে তুলে দেয় কিন্তু মানবিকার বেতন সবসময় ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করেন।ব্যাপার টা নিয়ে এতদিন মাথায় কিছু আসে নি কিন্তু আজকে স্যারের মুখে শোনার পর মনে হলো নিশ্চয়ই কোনো কারন আছে।তাই প্রশ্ন করলো- এতদিন তেমন গুরুত্ব দেই নেই তবে এইমুহুর্তে আপনি বলায় জানার আগ্রহ জাগলো কেন এমন টা ঘটে।
মুখের হাসির রেখা টা আর ও বড় করে একদম মানবিকার কাছে দাঁড়িয়ে তার ডান হাতের তর্জনী দিয়ে একটা দিক নির্দেশ করলো।মানবিকা সেইদিক লক্ষ্য করতে গিয়ে দেখলো তার চোখকে ইশারা করছে ইহসান।
মানবিকা কিছু বুঝতে না পেরে অবাক হয়ে ইহসানের দিকে তাকিয়ে থাকে।হঠাৎ ই ইহসান মানবিকার কাছ থেকে ছিটকে সরে এসে কম্পিউটার এর সামনে চলে আসে।এতে মানবিকা ভীষন অপমানবোধ করে। তাই সে ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ায়। দরজার কাছে আসার পর পিছন থেকে ইহসান ডাকে- মানবি?
ইহসানের ডাক শুনে পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে সে এখন রকিং চেয়ারের কাছে।
-তোমার চোখগুলো একদম ওসারিসার মত।যখন ও জীবিত ছিলো তখন হুবহু এইরকম ই দেখতে ছিল।তাই তোমার ওই চোখ গুলো আমার চাই।তাই তুমি সবার থেকে আলাদা।
দরজা দিকে বের হয়ে আর পা চালিয়ে হাটতে পারছে না মানবিকা।ইহসানের কাছে ও সবার থেকে আলাদা সেটা জানার পর ওর খুশি হওয়ার কথা কিন্তু ও খুশি হতে পারছে না। ও মনে করার চেষ্টা করে ইহসান কি বলেছিলো - ওর চোখ ওসারিসার মত।সে জীবিতকালে তার মতো চোখ 
ছিলো।তবে কি সে মৃত?কিন্তু তা কি করে হতে পারে?ওসারিসা ত ম্যাডামের নাম যে সবসময় ওই ঘরে রকিং চেয়ারে বসে থাকে।ইহসানের বউ।
আর কিছু ভাবতে পারছে না মানবিকা।বাড়ি ফিরতে হবে তাকে।

************

-আমার কাছে সব কিছু কেমন গোলমেলে লাগছে।
-কিরকম?
-তুমি যা করতে চাইছো তা কি ঠিক হবে?স্যার এর অগোচরে তার সম্পকে অনুসন্ধান করা হবে এটা স্যার জানতে পারলে আমার কি অবস্থা করবে বুঝতে পারছো?
-তুমি কি তোমার চাকরী চলে যাবে ভেবে ভয় পাচ্ছো নাকি তোমার সম্পকে ইহসানের সামনে খারাপ কিছু ধারনা আসবে ভেবে ভয় পাচ্ছো?(ভ্রু নাচিয়ে প্রশ্ন করলো রুনিত)

[পর্ব - ১]

চলবে.......

বিঃদ্রঃ দয়া করে কেউ কপি করবেন না।ভাল লাগলে লাইক,কমেন্ট, শেয়ার করে পাশে করে পাশে থাকবেন।কেমন হয়েছে জানাবেন।অগ্রিম ধন্যবাদ সবাইকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40860/</link>
				<pubDate>Wed, 06 Oct 2021 04:25:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পের নাম: &#8220;নৈঃশব্দে তোমার পদধ্বনি &#8221;<br />
লেখনীতে :  &#8220;মুসকান হিম্রাদিতা&#8221;</p>
<p>মূল অংশ::::</p>
<p>প্রকান্ড ঘরে দাঁড়িয়ে আছে ইহসান।পুরো ঘরে আবছা হলুদ রঙের আলো ছড়িয়ে রয়েছে।কোথাও বেশি বা কম নেই, সব সমান।সেই ঘর থেকে হালকা চন্দন আর গোলাপজল এর ঘ্রান বের হচ্ছে।বিশাল জানালা দুটো পর্দা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।ইহসানের হাতে সোনালি কারুকাজ খচিত একটা সুন্দর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-40860"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/40860/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">19bed0a2851e0195efbed9e07ed999c3</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and Swadhin Ahmed are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40319/</link>
				<pubDate>Sun, 03 Oct 2021 10:23:45 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f956766292e7ca1be1996446f58e059d</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and মাইন উদ্দিন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40277/</link>
				<pubDate>Sun, 03 Oct 2021 03:46:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f5c5b34348598c05f1f6d341d65d551</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and মোহাম্মদ শাহজামান শুভ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40065/</link>
				<pubDate>Sat, 02 Oct 2021 14:19:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6544af197e9d653abd7888215249b105</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and Rejwana Khan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39923/</link>
				<pubDate>Sat, 02 Oct 2021 05:23:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">95e652f744b378ba10de9c5036b3427c</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and তানভীর আলম হীরা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39699/</link>
				<pubDate>Fri, 01 Oct 2021 14:23:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">abdc8ae655707fbe0914fa8f625cbe72</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম and হাসনাত সৌরভ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39212/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 16:53:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5117bd2a2c7934d937b0382ab30bbf1a</guid>
				<title>মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39184/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 14:34:37 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5a55287c227926c2afd2a2becd11ef18</guid>
				<title>-পানপাতাটা মেলে ধরো।আর কতোক্ষন ছেলেটা এইভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে?
-কী রে,সরা,পিড়ি ধরে থাকতে থাকতে যে হাত ব্যথা হয়ে গেছে।
-মুখখানা দেখাও তো বাপু,বউ এর মুখ দেইখা খাইতে বসমু।

সকলের বহুবার বলার পর  মুখ থেকে  পানপাতা সরালো প্রতীমা।গাঢ় খয়েরী রঙের বেনারসীতে বেশ মিষ্টি লাগলে ও শারীরিক গঠনে একটু বেশীই  মোটা সে।গায়ের রঙ তেমন বেশি সাদা নয়।অনেকটা ঘি গলিয়ে নিলে যেমন হয় তেমন।জোড়া ভ্রু,চিকন ঠোট আর ভাঙা গালে তাকে বউ সাজে বেশ মানিয়েছে।কিন্তু সকলে কি সেই সৌন্দর্য স্বীকার করবে?
ছেলেবাড়ির মধ্যে থেকে একজন তো বলেই ফেললো -&#039;এমা বউয়ের রং দেখি চাপা।&#039;বিয়ের কনে এবং কনের আত্বীয়স্বজনের সামনে এইসব কথা যে শোভা পায় না তা বোধহয় এরা জানে না  অথবা জানলে ও হয়ত  গুরুত্ব দিচ্ছে না নিচু জাত বলে।পাত্রীর মুখ দেখার পর  পাত্র একপলক তাকিয়ে মাথা নিচু করে ফেলেছে।বোধহয় বেশি লজ্জাশীল। প্রতীমা মনে মনে ভাবলো- &#039;বেশ ভালোই হলো।ও বেশি বেশি মজার কথা বলবে আর তিনি লজ্জায় মাথা নিচু করে ঘর থেকে বের হয়ে যাবে আর প্রতীমা হাসতে হাসতে কুটিকুটি হবে।
&#039;আচ্ছা, সে ও কি আমার মত বৃষ্টি পছন্দ করে?যখন প্রচন্ড ক্ষিদে পায় তখন কি লবন মরিচ দিয়ে পেয়ারা খায়?গরম কালে কি পুকুরে একঘন্টা ধরে সাতার কাটে?বর্ষাকালে মেঘের জন্য চাঁদ দেখা যায় না।তিনি ও আমার মতো বর্ষাকালে আকাশে চাঁদ খুজার মত পাগলামি করবে?মাঝে মাঝে কি নৌকা করে এই গ্রাম থেকে ওই গ্রামে নিজে মাঝি সেজে ঘুরিয়ে নিয়ে আসবে??তার ভাবনায় ছেদ ঘটিয়ে কমলা রঙের চাদর পেচানো পুরোহিত বলে উঠলো -&#039; লগ্নের সময় আর বেশি নেই।তাড়াতাড়ি মালাবদল করো।&#039;
একে একে মালাবদল,সম্প্রদান,সাতপাক সবকিছুই ভালমতো সম্পন্ন হয়েছে।তবে সাত পাকের সময় প্রতীমা শাড়ী পেঁচিয়ে পড়ে যেতে নিয়েছিলো।কিন্তু সঞ্জয় ধরে ফেলেছিলো।ধরেই মাথা নিচু করে আবার উঠে দাঁড়িয়ে ঘুরা শুরু করেছিলো।সঞ্জয় হচ্ছে বরের নাম।এই কান্ডে আশপাশ থেকে অনেক হাসাহাসির শব্দ শোনা যাচ্ছিলো।সাহস হয়নি সেদিকে তাকানোর।সম্প্রদান করার সময় বাবার মুখ দেখে মনে হয়েছিলো অনেক খুশি তিনি।মনে হয়,ঘাড় থেকে বোঝা কমে যাচ্ছে কিংবা বড় মেয়ে বড়লোকের বউ হচ্ছে তাই।কিন্তু সেই হাসি বেশীক্ষন রইলো না।পুরোহিত যখন পিতলের চামচে সিঁদুর ভরে পাত্রের হাতে তুলে এগিয়ে দিয়েছিলো তখন পাত্রের মা  কয়েকজন মানুষ আর একজন সুন্দরী মেয়েকে সাথে নিয়ে বিয়ের আসরে এসে উপস্থিত হলেন।শাশুড়ি দেখতে সুন্দর,হালকা মোটা,গায়ে স্বর্ণের ভারি গহনা।ওই গহনা দেখে প্রতীমার মনে হলো সেই গহনার টাকা দিয়ে তাদের পুরো বছর চলে যাবে।এত বড়লোক ঘরে বিয়ে হচ্ছে আমার? সামলাতে পারব ত সব কিছু?ছেলের মা এসেই উচ্চস্বরে বলল- &#039;এই বিয়ে হবে না।&#039;মাথা নিচু করে ছিল প্রতীমা।এই কথা শুনে প্রতীমা মাথা তুলে সঞ্জয়ের দিকে তাকালো।কিন্তু তার মার কথা শুনে তার ভিতর যে খুব একটা পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হলো না।তবে মনে মনে যে একটু অবাক হয়েছিলো সেটা মুখ দেখেই বুঝতে পেরেছিল প্রতীমা।পাত্রীর বাবা হরিদাস পাল বললেন- &quot;কেন মা জননী,এইরকম কেন করচ্ছেন?মেয়ে আমার খুব লক্ষী।রাধতে জানে,ঘর গোছাতে জানে।আপনাদের বাড়িতে একবারে শ্রী ফিরে আসবে ওর গোছানোতে।আর যৌতুকের টাকা ও আমি মাস শেষে বেতন থেকে কেটে আস্তে আস্তে দি.....&quot;
-তার কোনো দরকার নেই।আমি তোমার মেয়ে কে আমার ছেলে বউ হিসাবে মেনে নিতে চাই না।
-কেনো.....
-তোমার মেয়ের গায়ের রঙের দিকে তাকাও।দেখতে পেরেছো কি ময়লা।আর যৌতুকের দুই লক্ষ টাকা তুমি হাতে হাতে দিতে পারো নি।তাছাড়া অপেক্ষা করার ধাত নেই আমার আবার।আর তাছাড়া আমার একমাত্র ছেলের বউ হবে সুন্দর,শিক্ষিত,বুদ্ধিমতী। কি দেখে যে সঞ্জয়ের বাবার এই মেয়েকে পছন্দ হলো বুঝতেই পারছি না। এই যে দেখতে পাচ্ছো এই মেয়েকে,ওর নাম পুষ্প।ওর বাবা আমাকে একদম হাতে হাতে নগদ দুই লক্ষ টাকা আর বিয়ের জন্য তিন ভরি গহনা দিচ্ছে।মেয়েকে সাজালেই দেখতে পাবে।আর মেয়ের রুপ  ত দেখতেই পাচ্ছো।
-জননী,আমার মেয়ের কি হবে?ও যে লগ্নভ্রষ্টা হয়ে যাবে।(কাদতে কাদতে বলল হরিদাস পাল)
-তা বাপু তুমি জানো,তোমার মেয়ের কি হবে না হবে তা বলি কি করে।বিয়ে ত এখন ও হয়নি। হলে না হয় আমার একটা দায় ছিলো।দেখেছো গো মেয়ে, এই ছেলে তোমার স্বামীই হবে, না হয় এতক্ষন বিয়ে টিয়ে হয়ে বিদায় অনুষ্টান হয়ে যেত।কথাটা পুষ্পর দিকে ফিরে বলল।
এই কথা শুনে পুষ্প একদম মাথা নিচে নামিয়ে ফেলল।বুঝা যাচ্ছে যে লজ্জা পাচ্ছে ভীষন।আর তার প্রতীক হিসেবে রয়েছে মুখের সেই হাসি।দুই গাল একদম লাল আভা ধারন করেছে লজ্জার কারনে।এই সব কিছু তাকিয়ে দেখছে প্রতীমা।একবার সঞ্জয়ের দিকে তাকালো।দেখলো মুখ নিচে নামানো।এতো টাই নামানো যে পাশ ফিরে দেখা যাচ্ছে না তার মুখের অভিপ্রায়।
-এই কে আছিস?যা, ওকে নিয়ে না।ভালোমত সাজিয়ে আনবি।আর যে গয়না গুলো আছে সবগুলো শরীরে পরাবি।একটা ও যেন বাদ না যায়।
ছেলের দিকে দেখলো যে তার ছেলে এখন ও প্রতীমার সাথেই বসে আছে।তার উদ্দেশ্য বলল- সঞ্জু বাবা বসে আছো কেন?উঠে এসে আমার পাশে বসো। ওর সাজতে যতক্ষন লাগে ততক্ষন অপেক্ষা করবে।না হয় মেয়ের অনেক ভাইবোন আছে তাদের সাথে আলাপ করবে।উঠে এসো।
 প্রতীমা ভেবেছিলো হয়ত সঞ্জয় উঠবে না। বলবে - না মা,আমি প্রতীমাকেই বিয়ে করবো।শুধু তো সিদুরদান বাকি।ওটা হলেই বিবাহসম্পুর্ণ।কিন্তূ না সে কিছুই করলো না।
কি অদ্ভুদ সে উঠে গেলো।কয়েক মিনিট আগেও যার সাথে সাতপাক ঘুরলো,যার সাথে গাঁথছড়া বাধলো সেই গাঁথছড়া ছিন্ন করে চলে গেলো।
সঞ্জয় উঠে মায়ের পাশে গিয়ে বসলো।একবার প্রতীমার দিকে তাকালো।দেখলো প্রতীমা আহত দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে।সে চোখ নামিয়ে আনলো।দোষীদের মাথা উঁচু করার অধিকার নেই।
 
  প্রতীমা সঞ্জয়ের দিকে তাকিয়ে ভাবছে - &#039;একবার কি প্রতিবাদ করতে পারতো না সে?একজন কে বিয়ে করতে এসে অন্যজনকে বিয়ে করে নিচ্ছে।কোনো শৃঙখলা নেই এই সমাজের।
   টানা দুইঘন্টা পর লাল বেনারসি পরে আসলো কনে।কী অর্পূব লাগছে তাকে!এমনিতেই সে সুন্দরী।তার উপর এতো সাজগোজ দেখে মনে হচ্ছে স্বর্গ থেকে কোনো দেবী এসে নেমেছে।কিন্তু তার রুপের বেশিরভাগই তো কৃত্রিম।তার সাদা ধবধবে ত্বকের নিচে প্রতীমার সেই গোলগাল ঘি রঙের ত্বক হেরে গেলো।চোখের সামনে নিজের আধ-স্বামী অন্য মেয়েকে সিঁদুর পরালো অথচ যেটা আমার প্রাপ্য ছিলো।এই কথা ভেবেই কেন জানি হাসি পেলো।পাশে বাবা কান্নাকাটি করছে।বুঝতেই পারছে না কান্নাকাটি করে আর যা ই হোক মানুষের ভাগ্য বদলানো যায় না।যদি যেত তবে সকলে চেষ্টা বাদ দিয়ে দুঃখদেবীর কাছে কান্নাই ভিক্ষা চাইতো।
জীবনে অনেকভাবে পাত্রীবদল হয়েছে কিন্তু এইরকম কি হয়েছে?শুধুমাত্র যৌতুকের টাকা আর মোটা, কালো হওয়ায় বিয়ে হলো না।এই কি তবে সমাজের নিয়ম?টাকা আর রুপের কাছে গুণ কি তুচ্ছ?এই স্থানে এত বড় ঘটনা ঘটে গেলো, অথচ কেউ প্রতিবাদ করলো না।কিন্তু নতুন করে যখন বর-বউ সাতপাক ঘুরছিলো কত ফুলের পাপড়ি, শাখের ধবনি শোনা যাচ্ছিলো।অবশ্য তাদের মতে এটাই ঠিক ছিলো।কিন্তু আজ যে একটা মেয়ের সারাজীবনের সুখ চলে গেলো সেজন্য কি কেউ সহানুভূতি দেখাবে?কেউ কি এই পাত্রীবদল হওয়ার প্রতিবাদ করবে?কে দিবে এইসব প্রশ্নের উত্তর?..কে???.......

 গল্পের নাম : &quot;পাত্রীবদল&quot;
 লেখনীতে  : &quot;মুসকান হিম্রাদিতা - ছদ্মনাম &quot;


[দয়া করে কেউ কপি করবেন না।ভাল লাগলে লাইক,শেয়ার করে পাশে থাকবেন]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39032/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 06:48:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>-পানপাতাটা মেলে ধরো।আর কতোক্ষন ছেলেটা এইভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে?<br />
-কী রে,সরা,পিড়ি ধরে থাকতে থাকতে যে হাত ব্যথা হয়ে গেছে।<br />
-মুখখানা দেখাও তো বাপু,বউ এর মুখ দেইখা খাইতে বসমু।</p>
<p>সকলের বহুবার বলার পর  মুখ থেকে  পানপাতা সরালো প্রতীমা।গাঢ় খয়েরী রঙের বেনারসীতে বেশ মিষ্টি লাগলে ও শারীরিক গঠনে একটু বেশীই  মোটা সে।গায়ের রঙ তেমন বেশি সাদা নয়।অনেকটা ঘি গলিয়ে ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-39032"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/39032/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d1a452fc4c0d47d2f1836017151d58eb</guid>
				<title>#স্বপ্ন
 #ফারহাদ_লামিছা

-আচ্ছা,যে স্বপ্ন মানুষ দেখায়নি,সেই স্বপ্ন মানুষ কিভাবে বলে ভুলে যেতে?
-স্বপ্ন দেখার আগে ত পরিবারের সাথে আলোচনা করা উচিত।
-কেন?স্বপ্ন ত প্রত্যেকের স্বতন্ত্র অধিকার।একজন মানুষের বেচে থাকার জন্য যে যে মৌলিক অধিকার রয়েছে তার মধ্যে স্বপ্নের ও স্থান রয়েছে।
-পরিবারের বড়রা যে যে স্বপ্ন দেখাবে সেটাই ছোটোদের দেখা উচিত।এতে সকলের ভাল হয়।
-নিজ স্বত্তার কি ভালো হয়?

অপরপাশ নিশ্চুপ।
-এই যে তোমরা একপ্রজন্মের স্বপ্ন অন্যপ্রজন্মের উপর চাপিয়ে দেও এতে কি তোমরা সুখী?অন্যের অধিকার কেড়ে নিয়ে জীবন সুন্দর করতে সক্ষম?

        তার থেকে,জীবনকে স্বপ্নবিহীন না করে স্বপ্নময় করে তোলো না!দেখবে জীবন প্রজাপতির ন্যায় রঙিন!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/16531/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Jul 2021 05:48:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23স" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#স</a>্বপ্ন<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ফ" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ফ</a>ারহাদ_লামিছা</p>
<p>-আচ্ছা,যে স্বপ্ন মানুষ দেখায়নি,সেই স্বপ্ন মানুষ কিভাবে বলে ভুলে যেতে?<br />
-স্বপ্ন দেখার আগে ত পরিবারের সাথে আলোচনা করা উচিত।<br />
-কেন?স্বপ্ন ত প্রত্যেকের স্বতন্ত্র অধিকার।একজন মানুষের বেচে থাকার জন্য যে যে মৌলিক অধিকার রয়েছে তার মধ্যে স্বপ্নের ও স্থান রয়েছে।<br />
-পরিবারের বড়রা যে যে স্বপ্ন দেখাবে সেটাই ছোটোদের দেখা উচ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-16531"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/16531/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">35ef53a574f05ce81a1146520bc7df2b</guid>
				<title>#বধূলগ্নে
 #ফারহাদ_লামিছা
     লাল বেনারসি পরে মাথায় সোনালি রঙের জামকালো ওড়না কারুকাজ খচিত সোফায় বসে আছে জাওয়াতা।রিয়াজ সাহেবের বড় মেয়ে সে।বিবিএ পরীক্ষা শেষ করে চাকরীর জন্য সিলেট যেতে চেয়েছিলো কিন্তু তার বাবা যেতে দেয়নি।তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে একা হাতে সংসার সামলে লেখাপড়া করেছে।ছোট বোনকে মানুষ করিয়েছে।তাই সে চায় একজন যোগ্য পাত্রের হাতে মেয়েকে তুলে দিতে।শুধু যে বড় মেয়ে বিয়ে উপযুক্ত বলে বিয়ে দিতে চায় তা নয় তার ছোটো মেয়ে হুমায়রা বেশ দূরন্ত।কখন কি করে বসে তার ঠিক নেই।দু&#039;বার বাসা থেকে পালিয়ে ও গিয়েছিল।কার সাথে পালিয়েছে সেটা বলেনি আর  তিনি জানতে ও চাননি।তার সব স্বপ্ন জাওয়াতাকে নিয়ে।


অনেক খোজাখুজির পর তিনি তার মনের মত পাত্রের সন্ধান পেলেন।ছেলে সরকারি কলেজের শিক্ষক।ব্যবহার ও বেশ সুশীল।পরিবারের একমাত্র ছেলে।তাই সাত পাঁচ না ভেবেই তিনি রাজি হয়ে যান।বিয়ের আগে অবশ্য মেয়ে অনুমতি চেয়েছিলো। সে বলেছে-&quot;বাবা তুমি যা ভাল মনে করবে তা ই করো।আমার কোনো নিজস্ব চাওয়া নেই।&quot;এই কথা শুনে তার বাবা মাথায় হাত রেখে বলেছিলো -&quot;তুই সুখী হবি রে মা।তোর বধূলগ্নই তোর জীবনে সব থেকে সুখের দিন হবে।&quot;আর তার পরিপ্রেক্ষীতে আজ বউ বেশে অপেক্ষা করছে তার সুখের জন্য।


প্রায় তিনঘন্টা পেরিয়ে গেছে বর এখনো আসেনি।এমনকি বরের পরিবারের সকলে উপস্থিত কিন্তু সে নেই।অপেক্ষার বাধঁ ভাঙতে ভাঙতে যখন শেষ পর্যায় উপস্থিত ঠিক তখনি দরজার পাশে বরবেশে একজন সুদর্শন যুবক দাঁড়িয়েছে।পরনে সোনালী কারুকাজে পাথরের শেরওয়ানি। ছবিতে যেমন দেখেছিলাম আজকে তার থেকে বেশি সুন্দর লাগছে আবরারকে।এই ছেলেটা তার সুখের সাথী ভাবতেই নিজ মনে হেসে উঠলো।কিন্তু পরক্ষনেই হাসি মিলিয়ে গেলো আবরারের পাশে কমলা রঙের শাড়ি পরা কনেকে দেখে।

চলবে.......
ভুলক্রটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।ভালো লাগলে শেয়ার করবেন কিন্তু কোনোভাবেই কপি করবেন না!!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/15773/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Jun 2021 16:03:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23বধ" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#বধ</a>ূলগ্নে<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ফ" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ফ</a>ারহাদ_লামিছা<br />
     লাল বেনারসি পরে মাথায় সোনালি রঙের জামকালো ওড়না কারুকাজ খচিত সোফায় বসে আছে জাওয়াতা।রিয়াজ সাহেবের বড় মেয়ে সে।বিবিএ পরীক্ষা শেষ করে চাকরীর জন্য সিলেট যেতে চেয়েছিলো কিন্তু তার বাবা যেতে দেয়নি।তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে একা হাতে সংসার সামলে লেখাপড়া করেছে।ছোট বোনকে মানুষ করিয়েছে।তাই সে চায় একজন যোগ্য পাত্রের হা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-15773"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/15773/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">264fccb3df7c3abc17b5331fe7f6bfe2</guid>
				<title>বিশ্বাস কর ভাই,যদি তোর বউকে আমার স্বামীর হাতে তুলে না দিতাম তবে যে আমি মরে যেতাম।

&quot;হস্তান্তর &quot;
(১৭ শব্দের অনুগল্প)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/15725/</link>
				<pubDate>Wed, 23 Jun 2021 04:24:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিশ্বাস কর ভাই,যদি তোর বউকে আমার স্বামীর হাতে তুলে না দিতাম তবে যে আমি মরে যেতাম।</p>
<p>&#8220;হস্তান্তর &#8221;<br />
(১৭ শব্দের অনুগল্প)</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>