<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মো: ফারহান হাবীব | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/farhan-habib/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/farhan-habib/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মো: ফারহান হাবীব.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 07 Jun 2026 03:30:42 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">699df2672c29ab5717a08af89845a78b</guid>
				<title>মো: ফারহান হাবীব and আয়েশা সিমা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237290/</link>
				<pubDate>Sat, 24 Jan 2026 14:25:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9d95c5b8c39f1c1684cd38718c5e5566</guid>
				<title>সময়টা ছিলো ২ বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অর্থাৎ যুদ্ধ শেষ হবার ১ বছর আগের কথা, প্রায় ৪৪টি দেশের প্রধানবর্গরা বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী উন্নয়ন এবং দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হামশ্যায়ারের ব্রিটেন উডস নামক জায়গায় সমবেত হয়। আমেরিকান ট্রেজারির এর পক্ষে থেকে ছিলেন ড্রাক্সলার হোয়াইট এবং যুক্তরাজ্যের ট্রেজারির পক্ষ থেকে ছিলেন ম্যানিএন্ড কেনি।আজকের বিশ্ব ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সৃষ্টিতে এই ব্যক্তিবর্গের অবদান কখনোই ভুলবার নয়। ১৯৪৪ সালের ১লা থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত চলমান এর সম্মেলনেই এই দুই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। ড্রাক্সলার হোয়াইটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং মেনিএন্ড কিনের মাধ্যমে আইবিআরডি(International Bank of Reconstitution and Development) প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত এই সম্মেলনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল প্রতিষ্ঠিত হবার ব্যাপারে বেশি আলোচনা হয় এবং এই আইবিআরডি পরবর্তীতে বিশ্ব ব্যাংক হয়।এই দুই সংগঠনের সম্মেলন ১৯৪৬ সাল থেকেই প্রতিবছর সেপ্টেম্বর অথবা অক্টোবর মাসেই অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রতি দুই বছর পর পর ওয়াশিংটনে সম্মেলন হওয়ার পরে তৃতীয়বার অন্য কোন জায়গায় হয়। মূলত আজকের আলোচনার বিষয় বিশ্ব ব্যাংক। 
বিশ্ব ব্যাংক  যাত্রা শুরু হয় আইবিআরডি নামে যেটির কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৬ সালে। সংস্থাটি সর্বপ্রথম ফ্রান্সকে লোন প্রদান করে। ১৯৪৭ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিল্ড মার্শাল কর্তৃক মার্শাল জারি করা হয় যেখানে তিনি যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ইউরোপকে ১৩ বিলিয়ন ডলার সাহায্য করতে চান। এটি ছিল আইবিয়ারডি এর নিকট একটি সুবর্ণ সুযোগ।এ সময় সংস্থাটিও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার একটি ক্ষেত্র পায় এবং এই সুযোগ এই সংস্থা তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ করে। ১৯৪৮ সালে এই সংস্থাটি ইউরোপের বাহিরের কোন দেশ হিসেবে চিলি কে সর্বপ্রথম লোন প্রদান করে। ১৯৫৫ সালে এর অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের কে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য উন্নয়নমূলক অর্থনৈতিক ইউনিট প্রতিষ্ঠা করে যাতে করে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। ১৯৫৬ সালে এটি আইএফসি (International Finance Co-orparation) প্রতিষ্ঠা করে যেটি বেসরকারি  উপরে গুরুত্ব আরোপ করে।আইএফসি সর্বপ্রথম ব্রাজিলকে লোন প্রদান করে ব্রাজিলের তড়িৎ যন্ত্র তৈরির জন্য। ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আইডিএ(International Development Association) যা স্বল্পোন্নত দেশসমুহকে বিনামূল্যে লোন প্রদান করে।১৯৬৬ সালে আইসিএসাইডি (International Centre for Settlement of Investment Disputes) যেটি পুঁজি বিনিয়োগ জনিত বিরোধের মীমাংসা করে। ১৯৮৮ সালে এমাইজিএ( Multilateral Investment Guarantee Agency) প্রতিষ্ঠা করে যেটি উন্নয়নশীল দেশে বিনিয়োগ উৎসাহিত করে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করে।অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশগত উন্নয়নের দিকেও বিশ্ব ব্যাংক নজর রাখে।এজন্য ১৯৭১ সালের পরিবেশের উন্নয়নের জন্য সর্বপ্রথম ব্রাজিলকে লোন প্রদান করে। ২০০০ সালে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল এবং ২০১৫ সালে জাতিসংঘের  সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল।বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের বিশ্ব ব্যাংকের যোগদান করে। 
ধন্যবাদ সবাইকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236542/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 07:38:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সময়টা ছিলো ২ বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অর্থাৎ যুদ্ধ শেষ হবার ১ বছর আগের কথা, প্রায় ৪৪টি দেশের প্রধানবর্গরা বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী উন্নয়ন এবং দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হামশ্যায়ারের ব্রিটেন উডস নামক জায়গায় সমবেত হয়। আমেরিকান ট্রেজারির এর পক্ষে থেকে ছিলেন ড্রাক্সলার হোয়াইট এবং যুক্তরাজ্যের ট্রেজারির পক্ষ থেকে ছিলেন ম্যানিএন্ড কেনি।আজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236542"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236542/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">68c0a392414d2a71cf00f706edb05539</guid>
				<title>দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু এই বাংলাদেশের ভূ প্রকৃতি বাংলাদেশের অবস্থান এবং বাংলাদেশের প্রকৃতি বৈচিত্র সম্পর্কে আমরা কজনই বা জানি!! তাই বাংলাদেশের প্রকৃতি এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ নিয়ে আবার আজকের লেখা। 
বাংলাদেশ ২০°৩৪&#039; - ২৪°৩৮&#039; উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১&#039;-৯২°৪১&#039; পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত একটি দেশ। বাংলাদেশের মাঝখান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। কর্কটক্রান্তি দেখা হলো ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা এবং এই রেখার অন্য নাম হলো টপিক অফ ক্যান্সার। আর ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা হলো মকরক্রান্তি রেখা বা টপিক ক্যাপিক্রন।বাংলাদেশের মোট আয়তন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। ২০১৫ সালে ভারতের সাথে সিট মহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের আয়তনে আরো ১০,০০০ একর জমি যোগ হয়। বাংলাদেশ পৃথিবীর একটি বৃহত্তম ব-দ্বীপ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ পাশে একটি বিশাল সমুদ্র রয়েছে যেটি বঙ্গোপসাগর নামে পরিচিত।আন্তর্জাতিক সমুদ্র নীতি অনুসারে  একটি দেশের সমুদ্র অঞ্চলের ওপর তাঁর রাজনৈতিক সীমা ১২ নটিক্যাল মাইল, অর্থনৈতিক সীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল এবং মহীসোপান  অঞ্চল ৩৫০ নটিক্যাল মাইল। তবে বাংলাদেশের মহীসোপান অঞ্চল ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল। 
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত এবং মিয়ানমারের সমুদ্রের সংযোগ রয়েছে অর্থাৎ এই তিনটি দেশ একসঙ্গে এ কারণে সমুদ্র নিয়ে এই তিন দেশের ভেতরে একটি বিরোধ হয়েছিল। ২০০৯ সালের বাংলাদেশ মিয়ানমারের বিপক্ষে (ITLOS:হামবুর্ক, জার্মানি ) এবং ভারতের বিপক্ষে (PCA:হেগ, নেদারল্যান্ডস) এই দুই আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে। এবং ২০১২ সালে মায়ানমারের সঙ্গে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ মামলায় জয়লাভ করে। 
স্থলভাগ সীমানার প্রসঙ্গ যদি আসে তবে সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারত দ্বারা বেষ্টিত একটি দেশ তবে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু অংশ রয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় আসাম, পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মিয়ানমার অবস্থিত। তবে বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪৭১১কিমি যার মধ্যে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমারেখা ৩৭১৫কিমি এবং মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমারেখা ২৮০ কিমি। বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগরের সীমানার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।দক্ষিণ পশ্চিম দিকে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী এবং পূর্ব দিকে মিয়ানমার এর  সঙ্গে বাংলাদেশ নাফ নদী দ্বারা বিভক্ত। 
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি অর্থাৎ বাংলাদেশের স্থলভাগের কথা যদি বলতে হয় তাহলে বাংলাদেশের স্থলভাগকে মোট তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় 
১.টারশিয়ারি যুগের পাহাড় সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব এবং এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের কিছু জেলা বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, সিলেট, ময়মনসিংহ এই অঞ্চলগুলোতে এই পাহাড়গুলো দেখা যায়। এই পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয় অর্থাৎ বান্দরবান রাঙ্গামাটি কক্সবাজার এই তিন অঞ্চল মিলে এক ধরনের পাহাড় দেখা যায় এবং ময়মনসিংহ,  সিলেট এই দুই অঞ্চল মিলে এক ধরনের পাহাড় দেখা যায়। অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এক ধরনের পাহাড় এবং উত্তর পূর্ব দিকে এক ধরনের পাহাড় দেখা যায় এই দুই ভাগেই মোটামুটি ভাগ করা হয় টারশিয়ার যুগের পাহাড় সমূহকে। দক্ষিণ পূর্ব দিকের পাহাড় গুলো সাধারণত ৮০০ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন হয়ে থাকে এবং এই অঞ্চলের বৃহত্তম পাহাড়ের নাম তাজিংড ং পাহাড় যেটি ১২৮০ মিটার এবং এটি বান্দরবানে অবস্থিত। উত্তর পূর্ব দিকে পাহাড় গুলো সাধারণত ২৪৪ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
২.প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ: সাধারণত তিনটি অঞ্চলে পরিলক্ষিত হয়। বরেন্দ্র অঞ্চল, ভাওয়াল ও মধুপুর অঞ্চল এবং কুমিল্লার লালমাই অঞ্চল। অর্থাৎ রাজশাহী টাঙ্গাইল এবং কুমিল্লা এই তিন অঞ্চল।
৩.সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি:এছাড়া বাংলাদেশের যা আছে সবই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি নামেই পরিচিত। এই সমভূমি গুলোর উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ নিম্ন এবং এখানকার মাটি খুবই উর্বর এবং গভীর। এ অঞ্চল পাঁচ ভাগে বিভক্ত 
১ রংপুর ও দিনাজপুর নিয়ে একটি ভূমি (উত্তর)
২ ঢাকা টাঙ্গাইল জামালপুর পাবনা কুমিল্লা সিলেট বন্যা প্লাবন সমভূমি (মধ্য)
৩ কুষ্টিয়া খুলনা যশোর ফরিদপুর ঢাকার কিছু অঞ্চল নিয়ে বদ্বীপ সমভূমি (দক্ষিণপশ্চিম)
৪ নোয়াখালী আর ফেনী কক্সবাজার পর্যন্ত চট্টগ্রাম উপকূলীয় সমভূমি (দক্ষিণপূর্ব) 
৫ খুলনা পটুয়াখালী বরগুনা নিয়ে স্রোতজ ভূমি অর্থাৎ সুন্দরবন সংলগ্ন অঞ্চল। (দক্ষিণ) 
এবার আসি বাংলাদেশের নদনদী বিষয়ে বাংলাদেশের মোট নদীর সংখ্যা ৭০০টি এবং একারনে নদীমাতৃক দেশ বলা হয় এবং আমরা মাছেভাতে বাঙালি। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান নদী গুলো হল 
পদ্মা :পদ্মা নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে। সেখান থেকে উৎপন্ন হয়ে এই নদীটি ভারতের উত্তরপ্রদেশ, বিহার দিয়ে  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের রাজশাহী হয়ে বাংলাদেশের প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশের রাজশাহীতে প্রায় এটি বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে বরাবর ১৪৫ কিলোমিটার সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে পুরোপুরি প্রবেশ করেছে। এটি যমুনা নদীর সঙ্গে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে মিলিত হয়েছে এবং পরবর্তীতে পদ্মা নামে আবারো বঙ্গোপসাগরের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। 
ব্রহ্মপুত্র :এটি কৈলাশ শৃঙ্গের মানব সরোবরের উৎপন্ন হয়ে ভারতের আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।অষ্টাদশ শতাব্দীতে সংঘটিত এক ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের কারণে এই নদী তার গতিপথ এবং যমুনা নদী সৃষ্টি হয় এখান থেকেই। এই যমুনা নদী পরে পদ্মা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে। আর ব্রহ্মপুত্র নদী চলছে তার মত এবং এই চলতে চলতে এক সময় কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব বাজারে মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম নেয়। 
যমুনা :যমুনা নিয়ে নতুন কিছু বলবার দরকার নেই যমুনার উৎপত্তি ১৭৮৭ সালে এবং এ ব্যাপারে ব্রহ্মপুত্র নদের ওখানে আলোচনা করা হয়েছে। 
মেঘনা :মূলত আসামের বরাক নদী সুরমা আর কুশিয়ারা এ দুটি নামে বিভক্ত হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে এই দুটি নদী ও কালনী নামে একটি নদীর সঙ্গে মিলিত হয় হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জ এ।তারপর থেকে এটি মেঘনা নামে এগিয়ে চলে। ব্রহ্মপুত্রের সাথে মেঘনা নদীর দেখা হয় কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব বাজারে এবং পদ্মার সঙ্গে দেখা হয় চাঁদপুরে। সেখানে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম নিয়ে একদম বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। 
কর্ণফুলী :আসামে লুসাইপাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদী রাঙ্গামাটি আর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গপোসাগরের পতিত হয়েছে। এই নদীর দৈর্ঘ্য ২৭৪ কিলোমিটার। 
বাংলাদেশ জলবায়ু: বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ২ মিটার। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান ঋতু ছয়টি যা গ্রীষ্ম বর্ষা ও শীতকাল দিয়ে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে 
গ্রীষ্মকাল:মার্চ এপ্রিল ও মে এই তিন মাস গ্রীষ্মকাল। এ সময় তাপমাত্রা ২১° থেকে ৩৪° পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং গড় তাপমাত্রা ২৮° সেলসিয়াস। এপ্রিল মাস সবচেয়ে উষ্ণতম মাস। এ সময় কালবৈশাখী ঝড় পরিলক্ষিত হয়। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু আর উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল শুষ্ক বায়ুর মাঝে সংঘর্ষ হয় এবং এ কারণে বজ্র বৃষ্টিপাত হয়।বাংলাদেশের বৃষ্টিপাতের ২০ ভাগ গ্রীষ্মকালেই হয় এবং এ সময়কার ঝড় বৃষ্টিপাত থাকে ৫১ সেন্টিমিটার। গ্রীষ্মকালের সময় সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপরে থাকে এবং বাংলাদেশের ওপরে লম্বভাবে কিরণ দেয়। 
বর্ষাকাল :জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত সময় কালকে বর্ষাকাল বলা হয়। বর্ষাকালের সময় সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখা থেকে ধীরে ধীরে মকরক্রান্তি রেখার দিকে যাওয়া শুরু করে। এই অবস্থায়ও সূর্য লম্বভাবে কিরণ দিলেও আকাশে মেঘ থাকার কারণে সূর্যের তাপ অনুভূত হয় কম। গড় তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট। বাংলাদেশের বৃষ্টিপাতের ৮০ ভাগ বর্ষা কালে হয়ে থাকে এবং এই সময়ে শিলাবৃষ্টি দেখা যায়। তবে বর্ষাকাল সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে গেলে আমেরিকার আবহাওয়া বিজ্ঞানী ফেরেলের একটি মতবাদ আমাদের জানা জরুরী। মতবাদটি হল পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ গোলার্ধ নিয়ে। সমুদ্রস্রোত আর বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর আবর্তনের ফলে পরিবর্তিত হয়। উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব দিকে এবং এটি দক্ষিণ পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। তাহলে ফেরেলের সূত্রমতে সেই সে উত্তর-পূর্ব বায়ু বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম আয়ন বায়ু হিসেবে পরিচিত হয়ে বাংলাদেশের প্রবেশ করে এবং বর্ষাকালের সূচনা ঘটে।জলীয় বাষ্পপূর্ণ এই বায়ু হিমালয়ে বাধা পেয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।এবং জলীয় বাষ্প সম্পূর্ণ বায়ু থাকার কারণেই কিন্তু এ সময়ে শিলা বৃষ্টি পরিলক্ষিত হয়। 
শীতকাল :নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত এই সময় শীতকাল। তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে শৈত্যপ্রবাহ  হয়। তাপমাত্রা ১১° সেন্টিগ্রেড - ২৯ ° সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত হতে পারে।জানুয়ারি বাংলাদেশের সবচেয়ে শীতলতম মাস এবং গড় তাপমাত্রা ১৭.৭°সেন্টিগ্রেড।১৯০৫ সালে দিনাজপুরে সর্বনিম্ন এক ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত তাপমাত্রাতেও নেমেছিল।এ সময় উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় অর্থাৎ হিমালয়ের সেই হিম ঠান্ডা বায়ু। উত্তর-পূর্ব কিন্তু ঈশান কোন বা ঈশান দিক নামে পরিচিত এবং হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে ইশান অর্থাৎ পবিত্র দিকে শিব অবস্থান করেন। এ সময় বায়ুর আর্দ্রতা অত্যন্ত কম থাকে আর বৃষ্টিপাত এতই কম যে ১০ সেন্টিমিটার এরও বেশি হয় না। আর উপকূলীয় বা পাহাড়ি এলাকায় এই বৃষ্টিপাত হয় যেটাই এই ১০ সেন্টিমিটার কে বুঝিয়েছে। 
ধন্যবাদ সবাইকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236540/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 07:19:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু এই বাংলাদেশের ভূ প্রকৃতি বাংলাদেশের অবস্থান এবং বাংলাদেশের প্রকৃতি বৈচিত্র সম্পর্কে আমরা কজনই বা জানি!! তাই বাংলাদেশের প্রকৃতি এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ নিয়ে আবার আজকের লেখা।<br />
বাংলাদেশ ২০°৩৪&#8217; &#8211; ২৪°৩৮&#8217; উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১&#8217;-৯২°৪১&#8217; পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236540"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236540/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f0d93518f15ef67253af18a31481a7ae</guid>
				<title>১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই একই বছর ইউরোপের পশ্চিম পাশের দেশগুলো ইউররোপিয়ন কাউন্সিল অথবা কাউন্সিল অফ ইউরোপ নামে একটি সংগঠন গঠন করে। ১৯৫০ সালে ফ্রান্সের একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি একটি প্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাবটা ছিল ইউরোপের সমস্ত স্টিল এবং কয়লা কমিউনিটিকে একত্রিত করা। মূলত এটিই ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার সর্বপ্রথম প্রয়াস। ১৯৫১ সালে এই প্রস্তাবটি সংগঠনের জন্য একটি চুক্তি হয় এবং প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এবং এর মাধ্যমে ইউরোপীয় স্টিল এন্ড কয়লা কমিউনিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।এই চুক্তিতে ছয়টি দেশ অংশগ্রহণ করে এই অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস।
 
১৯৫১ সালে এই কমিউনিটির প্রতিষ্ঠা ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি প্রাথমিক সূচনা হলেও ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে। মূলত রোম চুক্তি ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার চুক্তি।কারণ রোম চুক্তিতে মোট দুইটি সংস্থা খোলার কথা উঠে আসে। সংস্থা দুইটি হল ইইসি অথবা (ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি) এবং ইউরাটম অর্থাৎ (ইউরোপিয়ান এটোমিক এনার্জি কমিউনিটি)। এই সংস্থা দুটি খোলার মাধ্যমে ইউরোপীয়ন ইউনিয়নের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে ইএফটিএ (ইউরোপিয়ন ফ্রি ট্রেড এরিয়া) প্রতিষ্ঠিত হয়। ষাটের এই দশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য &#039;সুইঙ্গিং  সিক্সটি&#039; নামেই পরিচিত কারণ এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। ১৯৬১ সালে পূর্ব  জার্মানির কমিউনিস্ট পার্টির  কমিউনিস্ট সরকার দ্বারা জার্মান দেওয়াল দেওয়া হয় যা জার্মানীকে দুই ভাগে বিভক্ত করে যদিও পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে দুই জার্মানি আবার একত্রিত হয় এবং বার্লিন দেওয়াল ভেঙে দেওয়া হয় ।  ১৯৬৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বপ্রথম একটি অ্যাকশন দেখা যায় যেটি ছিল ইউরোপীয় বলয়ের বাইরে বের হয়ে আফ্রিকা মহাদেশের ১৮টি কলোনিয়াল প্রদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করা এবং এটিই ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বপ্রথম মহৎ পদক্ষেপ। ১৯৬৫ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে (ইউরোপিয়ান স্টিল এবং কয়লা কমিউনিটি, ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি এবং ইউরোপিয়ন আটোমিক এনার্জি কমিউনিটি)  এই তিনটি সংস্থাকে একত্রিত করার ইচ্ছা পোষণ করা হয় এবং মার্জ করা হয় ১৯৬৭ সালে। 

তবে স্নায়ু যুদ্ধ চলাকালীন সময়ের পরবর্তী ১৯৯১ সালে যখন ইউএসএসআর সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায় তখন কিছুটা পরিবর্তন আসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে। এবং এই পরিবর্তনগুলো ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য আরো দ্রুততম প্রয়াস। ১৯৯২ সালে নেদারল্যান্ডসের ম্যাট্রিস চুক্তি ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস কেননা এই চুক্তির মাধ্যমেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা হয় এবং ১৯৯৩ সালে ইউরোপ ইউনিয়ন নামটি উল্লেখিত হয় অর্থাৎ  ইউরোপ ইউনিয়ন নামটি আমরা ১৯৯৩ সাল থেকে দেখতে পাই।এই চুক্তিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকায় বারোটি তারার চিহ্ন পরিলক্ষিত হয় কারণ রোম চুক্তি স্বাক্ষর করার সময় ১২ টি দেশ উপস্থিত ছিল অর্থাৎ ১২ টি দেশের স্বাক্ষরের মাধ্যমে রোম চুক্তি সফল হয়। অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যদিও এর গোড়াপত্তন হয় ১৯৫১  সালের প্রস্তাব  এবং ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তির মাধ্যমে। 

১৯৯৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইইএ অর্থাৎ ইউরোপিয় ইকোনমিক এরিয়া প্রতিষ্ঠিত করে এবং এটিই ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের তৈরি প্রথম কোন প্রতিষ্ঠান যেটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নাম থেকে করা হয়েছে। 

১৯৯৫ সালের সংঘটিত সেনজেন চুক্তি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকায় হয়েছে যেটি বর্তমান ইউরোপের অবস্থা পরিবর্তনে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে অর্থাৎ সেনজেন চুক্তি বর্তমান ইউরোপের পিছনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় । এটি এমন একটি প্রভাবশালী চুক্তি যে এই চুক্তির মাধ্যমে চুক্তিভুক্ত দেশগুলো তাদের বর্ডার ব্যবহার করতে পারে এবং এক দেশ থেকে আরেক দেশের যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে খুবই সুন্দর এবং সহজলভ্য করে ফেলতে পারে যেটা পরবর্তীতে  দেশের অর্থনৈতিক বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং ধনাত্মক প্রভাব ফেলে। অর্থাৎ এই চুক্তি করার ইচ্ছাগুলো পূরণ হয়। এটার প্রমাণ জানতে চাইলে বলা যেতে পারে এই চুক্তি করার সময় উপস্থিত দেশ সংখ্যা ছিল পাচটি(লুক্সেমবার্গ, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, জার্মানি ও ফ্রান্স) এবং মুক্তযোগাযোগ এর ব্যবস্থা ছিল সাতটি দেশের মধ্যে  কিন্তু বর্তমানে এই সংখ্যা ২৬ টিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৯৯ সালে ইউরো মুদ্রা জন্মলাভ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নামক এই প্রতিষ্ঠান মাধ্যমে যে ইউরোম মুদ্রা বর্তমান বিশ্ব বাজারের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুদ্রা হিসেবে পরিচিত। 

এই ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট তবে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সংস্থা সম্পর্কেও জানা আমাদের জরুরী এবং এই সংস্থাগুলো কিভাবে প্রতিষ্ঠান থেকে সুন্দরভাবে টিকিয়ে রেখেছে সে ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলা দরকার। 

তাহলে প্রথমেই বলতে হয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টের কথা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টের সদর দপ্তর লুক্সেমবার্গে অবস্থিত এবং এর কাজ হচ্ছে বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম-নীতি এখান থেকে প্রণীত হয়। 

এর পরে আসবে ইউরোপিয়ান কোর্ট অফ জাস্টিস এবং সংস্থার সদর দপ্তর ও লুক্সেমবার্গে অবস্থিত। এ সংসার এই সংস্থার কাজ হচ্ছে পার্লামেন্ট  দ্বারা প্রণীত আইন  কে মূল্যায়ন  করা বা মূল্যায়ন করা। 

এর পরে আসবে আরেকটি সংস্থা যেটির নাম ইউরোপিয়ান কোর্ট অ্যান্ড অডিটরস এবং এর সংস্থার সদর দপ্তর ও লুক্সেমবার্গ এই অবস্থিত। এ সংস্থার কাজ হচ্ছে বাজেট প্রণয়ন বাজেট চেক এবং ইউরোপের উন্নয়নের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা। 

এর পরবর্তীতে যে সংস্থা সম্পর্কে আমরা বলব সেটি হল ইউরোপিয়ান কাউন্সিল। এটি সাধারণত ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পলিটিক্যাল বা রাজনৈতিক সভা অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এখানে গৃহীত হয়। এই সংস্থাটির সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত । 

এর পরবর্তীতে আসবে ইউরোপিয়ান কমিশন এই সংস্থাটিও অবস্থিত ব্রাসেলসে।এবং এই সংস্থার কাজ ইমপ্লিমেন্ট করা এবং বাজেট। 

সর্বশেষে যেটি বলবো সেটি হলো ইউরোপিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক অথবা ইডিবি।এটি ইউরোপিয়ান ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এবং এটি ইউরোপীয় এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এ ব্যাংকের সদর দপ্তর জার্মানির ফ্রাংকফুর্ট এ অবস্থিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236476/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Dec 2025 10:16:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই একই বছর ইউরোপের পশ্চিম পাশের দেশগুলো ইউররোপিয়ন কাউন্সিল অথবা কাউন্সিল অফ ইউরোপ নামে একটি সংগঠন গঠন করে। ১৯৫০ সালে ফ্রান্সের একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি একটি প্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাবটা ছিল ইউরোপের সমস্ত স্টিল এবং কয়লা কমিউনিটিকে একত্রিত করা।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236476"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236476/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e83bfb516a935aff69a8882ed4883b0c</guid>
				<title>তিনটি আবেগ সাধারণ, কিন্তু অপ্রতিরোধ্য শক্ত -আমার জীবনকে শাসন করে -ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা, জ্ঞানান্বেষণ, মানুষের দুর্দশার প্রতি অসহনীয় কৃপা। এই আবেগগুলো বাতাসের মতো আমাকে এখান ওখানে নিয়ে যায় যেমন প্রহরীর পথ থেকে গভীর দুঃখের সাগরের উপর দিয়ে হতাশার গভীর কই কিনারায় পৌঁছানো।প্রথমত আমি ভালোবাসা চেয়েছি কারণ এটা পরমানন্দ দেয়। পরমানন্দ এতটাই মহান যে আমি বিসর্জন দিতে পারি আমার পুরো জীবন শুধুমাত্র কয়েকটি ঘন্টা সুখের জন্য। পরবর্তীতে আমি এটাই চাই কারণ এটা একাকীত্বকে উপশম করে -এই ভয়ানক একাকীত্ব যেখানে একটি কম্পিত চেতনা দেখে পৃথিবীর পরিধিকে ঠান্ডা জীবনহীন অতলের মধ্যে। সর্বশেষে আমি এটাকেই চাই কারণ আমি দেখেছি স্বর্গের রহস্যময়,ক্ষুদ্র, পূর্ব কল্পিত দৃশ্য যেটা পীর ও কবিরা কল্পনা করেছেন। এটাই আমি চাই এবং যদিও এটাকে মানব জীবনের জন্য খুবই ভালো দেখায়, সবশেষে আমি - এটাই - পেয়েছি। সমান আবেগের সাথে আমি জ্ঞান চেয়েছি মানুষের হৃদয়ের ভাষা বুঝতে। আমি জানতে চেয়েছি তারা গুলো কেন জ্বলে। 
ভালোবাসা ও জ্ঞান যতদূর সম্ভব আমাকে উপরে নিয়ে গেছে স্বর্গের দিকে। কিন্তু কৃপা সব সময় আমাকে পৃথিবীতে ফেরত নিয়ে এসেছে। দুঃখের কান্নার প্রতিধ্বনি আমার হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হয়েছে। 
দুর্ভিক্ষের শিশু, শোষকদের শোষণের বলি, সন্তানদের নিকট ঘৃণিত বোঝা স্বরূপ অসহায় বৃদ্ধ এবং একাকীত্ব ও দারিদ্র্য- দুর্দশার পুরো পৃথিবী মানুষ কি হবে তাকে উপহাস করে। আমি চাই শয়তানকে উপশম করতে কিন্তু আমি তা পারি না, আমিও কষ্ট পাই। 
এটাই আমার জীবন। আমি এখানেই বাঁচার উষ্ণতা পাই এবং সানন্দে  আবারও বাঁচতে চাই যদি আমাকে সুযোগ দেওয়া হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236419/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 18:35:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তিনটি আবেগ সাধারণ, কিন্তু অপ্রতিরোধ্য শক্ত -আমার জীবনকে শাসন করে -ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা, জ্ঞানান্বেষণ, মানুষের দুর্দশার প্রতি অসহনীয় কৃপা। এই আবেগগুলো বাতাসের মতো আমাকে এখান ওখানে নিয়ে যায় যেমন প্রহরীর পথ থেকে গভীর দুঃখের সাগরের উপর দিয়ে হতাশার গভীর কই কিনারায় পৌঁছানো।প্রথমত আমি ভালোবাসা চেয়েছি কারণ এটা পরমানন্দ দেয়। পরমান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236419"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236419/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">914999429fc8d3e6e454b39855e56764</guid>
				<title>মো: ফারহান হাবীব and Jannatul Ferdausi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236356/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 12:09:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">275c79838aef2e49efe6d528d8abfae6</guid>
				<title>মো: ফারহান হাবীব and Kanej-Roksana are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236355/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 12:07:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d44a2673261df14d1a95b748679c979</guid>
				<title>জুয়াড়ি


শিকারি; ওৎ পেতে আছে শিকারি; 
সব শালারাই শিকারি।
এরমধ্যে বার হবু তুই 
আসতো একটা জুয়াড়ি। 
Hunter ; waylaid are Hunter;
every f***** hunter ;
In the midst, you are the
The master gambler.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236344/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 16:52:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জুয়াড়ি</p>
<p>শিকারি; ওৎ পেতে আছে শিকারি;<br />
সব শালারাই শিকারি।<br />
এরমধ্যে বার হবু তুই<br />
আসতো একটা জুয়াড়ি।<br />
Hunter ; waylaid are Hunter;<br />
every f***** hunter ;<br />
In the midst, you are the<br />
The master gambler.</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96610fdc8d764de162e49bf6616e213f</guid>
				<title>সূর্য্যি কেন অস্ত যায়, 
চাঁদনী কেন ফুলে, 
হলুদ কেন সাদায় হারায় 
বেগুনির তলে। 

বিপনমূল্য আকাশছোঁয়ায়, 
দুর্গা যাবেন জলে, 
শুনলাম মিথিলি হানলো প্রলয় 
ব-দ্বীপের উপকূলে। 

বিদ্যুৎ নাকি বৈদ্যশালায়, 
তড়িৎ ইস্তাম্বুলে, 
দ্যা সকরেটস অক্কা পায় 
হেমলোকের গরলে। 

&quot;জ্ঞানীরা নাকি ধারনায়, 
মূর্খরা আদমকূলে, 
সভ্য যায় ঘটনায়। &quot;
সকরেটস বলে। 

মানুষ কি তাই ভাবে যা সে বলে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236319/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 02:17:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সূর্য্যি কেন অস্ত যায়,<br />
চাঁদনী কেন ফুলে,<br />
হলুদ কেন সাদায় হারায়<br />
বেগুনির তলে। </p>
<p>বিপনমূল্য আকাশছোঁয়ায়,<br />
দুর্গা যাবেন জলে,<br />
শুনলাম মিথিলি হানলো প্রলয়<br />
ব-দ্বীপের উপকূলে। </p>
<p>বিদ্যুৎ নাকি বৈদ্যশালায়,<br />
তড়িৎ ইস্তাম্বুলে,<br />
দ্যা সকরেটস অক্কা পায়<br />
হেমলোকের গরলে। </p>
<p>&#8220;জ্ঞানীরা নাকি ধারনায়,<br />
মূর্খরা আদমকূলে,<br />
সভ্য যায় ঘটনায়। &#8220;&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236319"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236319/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bdc9c5f6965302a5d6c59de6215a3902</guid>
				<title>Illumination




&quot;Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
What to do!!!
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
It&#039;s an eternal bestow!!!
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
Please!! Open the door.
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
What&#039;s shining at the shore?
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
Light pierces my mind,
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
Abjects are dying...
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
Dark turns to white,
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
It&#039;s such a delight!!!!!!
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
I can&#039;t stay in the room,
Oh, I&#039;m dazzling, oh, I&#039;m dazzling,
What&#039;s chasing away the boredom?
Oh, I&#039;m dazzling, I&#039;m baffling,
Please!! Take me to the sea,
Oh, I&#039;m dazzling, my inner&#039;s charming,
It’s full of ecstasy!!!!!&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236304/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Dec 2025 18:21:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Illumination</p>
<p>&#8220;Oh, I&#8217;m dazzling, oh, I&#8217;m dazzling,<br />
What to do!!!<br />
Oh, I&#8217;m dazzling, oh, I&#8217;m dazzling,<br />
It&#8217;s an eternal bestow!!!<br />
Oh, I&#8217;m dazzling, oh, I&#8217;m dazzling,<br />
Please!! Open the door.<br />
Oh, I&#8217;m dazzling, oh, I&#8217;m dazzling,<br />
What&#8217;s shining at the shore?<br />
Oh, I&#8217;m dazzling, oh, I&#8217;m dazzling,<br />
Light pierces my mind,<br />
Oh, I&#8217;m dazzling, oh, I&#8217;m&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236304"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236304/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6472a2ff35e788c2754f76cefc2ab91b</guid>
				<title>মো: ফারহান হাবীব and রায়হানা জাকিয়া (নিঃসঙ্গ অ্যালবাট্রস) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236301/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Dec 2025 18:08:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">874540d6deb72fc29df512ac29d4a51e</guid>
				<title>মো: ফারহান হাবীব and রাহেনা বেগম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236263/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 07:12:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9dade399e1487f100aff5ffe2ef216a9</guid>
				<title>মো: ফারহান হাবীব and রিফায়াত নিগার are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236262/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 06:47:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">482ed17213e3631516d06525a9fb5c5e</guid>
				<title>মো: ফারহান হাবীব and Prithula Zaman are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236249/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 06:00:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b27546ba15ca00cb07e98a474b07915f</guid>
				<title>মো: ফারহান হাবীব and প্রদীপ্ত লুব্ধক are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236247/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 05:33:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ddc19398c5634602931718ea461bf05</guid>
				<title>মনে পড়ে জানি কোনো এক প্রাতে
স্তবে নিভৃতে ফরিয়াদিতেছিলো আমোর পিতৃে,
&quot;হে অব্যয়, হে ললাট, হে ঋভু, হে ঋতে এ ভূতে
আমোর পুতে যেনে থাকে দুধে ভাতে।&quot;
&quot;তথাস্ত! তথাস্ত! তথাস্ত!
সতত, নিত্য, আদ্যন্ত!&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236245/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 05:26:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনে পড়ে জানি কোনো এক প্রাতে<br />
স্তবে নিভৃতে ফরিয়াদিতেছিলো আমোর পিতৃে,<br />
&#8220;হে অব্যয়, হে ললাট, হে ঋভু, হে ঋতে এ ভূতে<br />
আমোর পুতে যেনে থাকে দুধে ভাতে।&#8221;<br />
&#8220;তথাস্ত! তথাস্ত! তথাস্ত!<br />
সতত, নিত্য, আদ্যন্ত!&#8221;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>