<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | ম. জুনাইদ হাসান | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/hasan-tusher/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/hasan-tusher/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for ম. জুনাইদ হাসান.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Jun 2026 09:03:12 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">6fa5921a6bcb3ad0c4b854150e8c1810</guid>
				<title>ম. জুনাইদ হাসান and Md.Emamuzzaman Wahedi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/158118/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Oct 2022 19:58:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">af40f9f108253737e53c6e464ce6f94e</guid>
				<title>(লেখাটি পদ্মসেতু উদ্বোধন পরবর্তী সময়ের ঘটনাবলীকে সামনে রেখে লেখা। এখন সম্ভবত প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে তবুও পোস্ট করলাম)

       &#039;মুত্র বিসর্জন&#039;


       &#039;&#039;যে পাতে খায়, সেই পাতে হাগে&#039;&#039;....

      উপরিউক্ত শব্দবন্ধটি একটা বহুল প্রচলিত বাংলা প্রবচন(proverbs)। প্রত্যেকটি প্রবচন প্রচলিত হওয়ার পিছনে একাধিক গল্প থাকে। ঐ গল্প গুলোকে প্রবচনটির ভাবসম্প্রসারণ বললে ভুল বলা হবে না। আমি জানি ব্যাকরনবীদরা এটা মানবেন না!! কিন্তু আমিতো আম জনতার কাতারে... আমার অত ব্যাকরণ মানার কি দরকার!! 

      উপরের প্রবচনটি সৃষ্টির পিছনে যে অনেকগুলো গল্প  শোনা যায়...তার একটির, খানিকটা বলে নেই... প্রাচীন ভারতবর্ষে ধনী লোকের সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম ছিল, কিন্তু এখনকার তুলনায় তারা উদারতা এবং অতিথি  পরায়নতায় অনেকটা এগিয়ে ছিল। দানবীর হিসাবেও তাদের যথেষ্ট নামডাক ছিল। তখনকার ধনীদের মধ্যে সিংহভাগই, হয় জমিদার না হয়ত বর্গাদার। ঐ সমস্ত জমিদাররা বিভিন্ন পার্বনে(festival) তাদের প্রজাদেরকে ভুঁড়ি ভোজের মাধ্যমে আপ্যায়ন করত। গরীব প্রজারা সারারাত ভুঁড়িভোজ সেরে সকালে গৃহে ফেরার আগে, যে শালপাতায় ভোজ খেয়েছে সেই পাতায় প্রাতঃক্রিয়া(মলত্যাগ) সম্পন্ন করত। দুর্জনেরা বলত-- জমিদারদের সারা বছরের অত্যচারের শোধ নেওয়ার জন্য প্রজারা এরকম অপকর্মে লিপ্ত হত!! ক্রমাগত অপমান ও অপদস্ত হওয়ার প্রতিশোধ হিসাবে ঐ ঘৃনীত কাজটা করতে তাদের লজ্জাবোধ হত না। আর বেচারা জমিদারদের মুখ থেকে অতি দুঃখে ঐ শব্দগুচ্ছটি বের হত, আর সেটাই পরবর্তীতে প্রবচন বাক্য রুপে খ্যাতি লাভ করে।

     ইংরেজি সন ২০২২, বাংলা শ্রাবণমাস। প্রাচীন ভারতবর্ষ অনেকদিন গত হয়েছে। এটা বাংলাদেশ। দেশের প্রজারা প্রানপণ চেষ্টা করছে তার নিজের অবস্হার উন্নতি সেই সাথে দেশের উন্নতি ঘটানোর। একজন জমিদারের আবির্ভাব হয়েছে... যে নিজে এবং তার নিজস্ব গোষ্ঠীও মনে করছে, তিনিই স্বয়ং সেই মহিমান্বিত জমিদার...যে দুঃখী প্রজার মুখে হাসি ফোটাতে পারবে। জমিদারের দাবী, অন্য কারও পক্ষে প্রজাদের কল্যাণ সাধন সম্ভব না...সেই একমাত্র যোগ্য ব্যক্তি। প্রজাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য জমিদার মহাশয় দরিয়ার(river) উপর বিশাল সোপান(bridge) তৈরী করল। শুভদিন দেখে সোপানের দারও উন্মুক্ত করা হল। আর প্রজাদেরকে বলা হল, তোমাদের জিনিষ তোমরা বুঝে নাও। জমিদারতো উদারতা প্রদর্শন করল। কিন্তু ফলাফল......!!

     প্রজাদের কিয়াদংশ সেতু পারাপারের বদলে, সেতুর উপর নর্তনকুর্দন, যান্ত্রিক ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা আর সেটাকে চিত্রায়ণ করার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। কিছু প্রজা সেতুটাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করে, সেতুর নাট-বল্টু পরীক্ষা করেও দেখল। আর এক ধরনের প্রজা আছে, যারা সিংহ রাশির জাতক... সিংহ তার বসবাসের  এলাকার মালিকানা একটা বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে গ্রহন করে…যে এলাকাটি সিংহের শিকার করার জন্য পছন্দ হবে, সেই এলাকার বিভিন্ন স্হানে প্রস্রাব নিঃসরণের  মাধ্যমে সীমানা নির্ধারন করে অন্য সিংহকে সতর্ক করে দেয়......তুমি দুর হট, এই স্হান আমার, আমিই মালিক। সিংহের অনুকরনে কিছু প্রজা সেতুর উপর মুত্র বিসর্জন করে সেতুর মালিকানাকে নিজের করে নেওয়ার চেষ্টাও করল। শেষ পর্যন্ত দুজন প্রজা অতিরিক্ত উচ্ছ্বাসে পরাপারে গমন করল। যোগ্য জমিদারের যোগ্য প্রজারা যথাযোগ্য কর্মের মাধ্যমে, তাদের প্রতি জমিদারের মহানুভবতাকে স্বাগত জানালো... নাকি প্রতিশোধ নিল?

     আামি ভাবছি বেচারা জমিদারের কথা। সে কি ভেবেছিলো আর কি ঘটল!!! বেচারা জমিদারের ঐ প্রবচন বাক্যটি আওড়ানো ছাড়া আর কিইবা করার আছে।

 [এটাকে কেউ ব্যক্তিগত ভাবে নিজের ঘাড়ে না নিলে, বাধিত হব। আশা করছি রম্য রচনা হিসাবে গন্য করবেন।]

 জুনাইদ হাসান (২৮/০৬/২০২২)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137481/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Aug 2022 01:35:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner">
<p>(লেখাটি পদ্মসেতু উদ্বোধন পরবর্তী সময়ের ঘটনাবলীকে সামনে রেখে লেখা। এখন সম্ভবত প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে তবুও পোস্ট করলাম)</p>
<p>       &#8216;মুত্র বিসর্জন&#8217;</p>
<p>       &#8221;যে পাতে খায়, সেই পাতে হাগে&#8221;&#8230;.</p>
<p>      উপরিউক্ত শব্দবন্ধটি একটা বহুল প্রচলিত বাংলা প্রবচন(proverbs)। প্রত্যেকটি প্রবচন প্রচলিত হওয়ার পিছনে একাধিক গল্প থাকে। ঐ গল্প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-137481"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/137481/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">43cafb2db08eb58e7c53638fe3c330a8</guid>
				<title>A plant, change the mind
 
       আমি কয়েকদিন ধরে মনে করার চেষ্টা করছি, ছোটবেলায় আমি কি গাছ নিয়ে কোনো আদিখ্যেতা(show off) করেছি কিনা। মানে গাছের প্রতি আমার কোন আকর্ষণ কিংবা কোন গাছ আমি নিজ হাতে লাগিয়েছি, একদমই মনে পড়ছে না। আমার &#039;মা&#039; তো বেঁচে নেই, বেঁচে থাকলে তার কাছ থেকে নিশ্চয়ই জানা যেত। তবে এটা আমার মনে আছে আমাদের বাড়ির সামনে অথবা আশপাশের বাড়ির সামনের গাছের পাতা অকারনে ছিড়তাম, এখন যেন মনে হচ্ছে এর জন্যে মা&#039;র কাছে বকাঝকা শুনতে হয়েছিল!! মিথ্যে বলব না, গাছ নিয়ে আমি হটাৎ আদিখ্যেতা শুরু করেছি। 

     গাছ নিয়ে সাধারণত মানুষ দুইভাবে ভাবে। এটা আমার কথা না, গুগল ঘেঁটে বের করেছি। একদল মানুষ মনে করে, গাছ একটা প্রাকৃতিক ক্রিয়েচার(creature), যার কাজ হল মানুষের খাদ্যের যোগান দেওয়া। আর একভাগ মানুষ একটু সংবেদনশীল(sensitive), তারা মনে করে গাছের কাজ শুধু খাদ্যের যোগান দেওয়া নয়, গাছ মনের খোরাকে&#039;র যোগানও দেয়। শেষোক্ত মানুষের সংখ্যা নাকি অনেক কম। এদেরকে বলা হয় বৃক্ষপ্রেমী(tree lover)। বৃক্ষ মানে গাছ এটা আমি জানি, কিন্তু প্রেমি শব্দটা দেখে আমার একটু লজ্জা-লজ্জা লাগল, গাছের সাথে প্রেম!!

    আবার গুগল ঘাঁটা শুরু করলাম, একজায়গায় পাওয়া গেল এই কর্মটি কবি/সাহিত্যেক&#039;দের। তাদের মন নাকি প্রেম-পিরীতিতে ভরপুর। সবকিছুর মধ্যে প্রেম বা ভালোবাসা খুজে বেড়ানো তাদের কাজের মধ্যে ফার্স্ট প্রায়োরিটি(priority)। সুতরাং যারা গাছটাছ নিয়ে একটু বাড়তি কৌতুহল দেখায় তাদের নাম যে &#039;বৃক্ষপ্রেমী&#039; এটা তাদেরই দেওয়া। তবে যাই বলেন নামটা শুনতে খারাপ লাগেনা। শুনতে যে রকমই লাগুক, প্রথম দলের লোকেরা কিন্তু দ্বিতীয় দলের লোকেদের পিছনে লাগতে পিছুপা হয় না। আর তাই দ্বিতীয় দলকে-- আদিখ্যেতা,আহ্লাদীপনা, কাজ নেই তো খৈ ভাজ, এসব টিপ্পনী শুনতে হয়। নিজের কথা কি বলব-- কিছুদিন আগ পর্যন্ত আমিও ঔ প্রথম দলের লোক ছিলাম। কেউ গাছ নিয়ে আদিখ্যেতা করলে তার পেছনে কাঠি করতাম।

     কখন থেকে গাছ পছন্দ করতে শুরু করেছি ঠিক সময়টা আমি বলতে পারব না তবে একটা জিনিষ আমার মনে পড়ছে, কিছুদিন আমি কাজের সুত্রে কোরিয়াতে ছিলাম। ওখানে একবার একটা পাহাড়ে উঠেছিলাম। পাহাড়টা উচু থেকে আস্তে আস্তে ঢালু হয়ে নিচে নেমে এসেছে....একেবারে খাড়া পাহাড় না কিংবা ন্যাড়াও না....পুরা পাহাড়টাই গাছপালায় ভরা। একদম উপরে উঠার পর নিচের দিকে তাকিয়ে যেটা দেখলাম সেটা এক কথায় অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল...ঢেউ খেলা সবুজ গাছ আর পাতার নড়াচড়ার শব্দ। আহা!! কবি হলে হয়ত আরও সুন্দর শব্দ দিয়ে বোঝাতে পারতাম। দুর্ভাগ্য বা সৌভাগ্যবশত্বঃ আমি কবি না। এখন মনে হচ্ছে ওটাই ছিল আমার গাছের প্রতি প্রথম ভাললাগা।

     অবচেতনে(subconscious mind) থাকা জিনিষ বের হয়ে আসে। সেটা ভাল কি খারাপ তাতো বুঝতে পারছি না। কিন্তু যেটা হয়েছে আমি এখন দ্বিতীয় দলের লোক হয়ে গেছি, আর প্রথম দল, আমার পেছনে কাঠি করা শুরু করেছে। 

      কিছু জ্ঞান জাহির করার লোভ সামলাতে পারছি না, একটা শিশু জন্মানোর সাথে সাথে একটা গাছ যদি লাগানো যায়, বলা হয়ে থাকে পৃথিবীর জন্য ঐ শিশুর থেকেও গাছটির অবদান বেশি। এটা গবেষনার মাধ্যমে জানা গেছে....কোনো মনগড়া কথা না। কারন গাছ পৃথিবীর কাছে থেকে কিছুই নেয় না, শুধু দিয়ে যায়। গাছ ফুল আর ফল তো দেয় উপরন্তু অক্সিজেনের যোগানদাতাও গাছ... সবচাইতে বড় কথা গাছ কার্বন শোষনকারী....পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের অবদান সবচাইতে বেশি। বিপরীতে শিশুটি যত বড় হবে পৃথিবীর কাছে থেকে শুধু নিতেই থাকবে...আর আমার মত গাছের পাতা ছিড়বে, সেই সাথে দ্বিতীয় দলের লোক যারা গাছ ভালবাসে তাদের পেছনে লাগবে। 

     উপসংহারে আমাদের নবী(সঃ) এর একটা কথা দিয়ে শেষ করি, যদিও আমি কোনো রেফারেন্স দিতে পারব না। এটা আমি শুনেছি বা শোনা কথা। নবী(সঃ) কোনো একসময় বলেছিলেন, কারও যদি দুটি পয়সা থাকে একটি দিয়ে খাবার আর একটি দিয়ে ফুল কিনতে। স্পষ্টতঃ ফুলের সৌন্দর্যের আড়ালে গাছের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন। একজন সংবেদনশীল মানুষই এরকম কথা বলতে পারেন। নবী(সঃ) এর চেয়ে বড় সংবেদনশীল মানুষতো কেউ হতে পারে না।

[লেখার শিরোনামটি ইংরেজিতে, আসলে আমি অনেক সময় পয়সার বিনিময়ে অনলাইনে ফরমায়েশী লেখা লিখি। গাছ বিষয় ছোট একটা লেখা লিখেছিলাম, যেটা ইংরেজিতে ছিল। এই লেখাটির বিষয় কাছকাছি হওয়ায় শিরেনামটা পাল্টাইনি]  

 জুনাইদ হাসান(২১/০৬/২০২২)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/136973/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Aug 2022 06:02:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>A plant, change the mind</p>
<p>       আমি কয়েকদিন ধরে মনে করার চেষ্টা করছি, ছোটবেলায় আমি কি গাছ নিয়ে কোনো আদিখ্যেতা(show off) করেছি কিনা। মানে গাছের প্রতি আমার কোন আকর্ষণ কিংবা কোন গাছ আমি নিজ হাতে লাগিয়েছি, একদমই মনে পড়ছে না। আমার &#8216;মা&#8217; তো বেঁচে নেই, বেঁচে থাকলে তার কাছ থেকে নিশ্চয়ই জানা যেত। তবে এটা আমার মনে আছে আমাদের বাড়ির সামনে অথবা আশপাশের বাড়ি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-136973"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/136973/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>