<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | সামিরা হিমু | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/himu56/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/himu56/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for সামিরা হিমু.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 04 Nov 2026 07:08:14 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">3d62f7f13a5ecd158d9a686d84e6f111</guid>
				<title>“দীর্ঘশ্বাস”
“সামিরা হিমু”



আমার ঘন হয়ে ওঠা দীর্ঘশ্বাস কি তোমার দুয়ারে আছড়ে পড়ে না?
নিভৃতে, গভীর রাতে যখন বুকের ভেতর জমে থাকা কথাগুলো দীর্ঘশ্বাস হয়ে বেরিয়ে আসে, তখন কি তার কোনো শব্দ তোমার জানালার কাঁচে গিয়ে লাগে না? তুমি কি একবারও থমকে দাঁড়িয়ে ভাবো না—কোথাও কেউ একজন হয়তো তোমাকে ভীষণ করে মনে করছে?

আমার অনুপস্থিতি কি তোমাকে দুর্বিষহ করে তোলে না?
আমার না-থাকাটা কি তোমার চারপাশের স্বাভাবিক আলোটুকুও ম্লান করে দেয় না? দিনের ব্যস্ততার মাঝেও হঠাৎ কি আমার কথা মনে পড়ে না তোমার? কোনো অচেনা গানের সুরে, কোনো পরিচিত গন্ধে, কিংবা একেবারে নির্জন কোনো বিকেলে—মনের মধ্যে কি হঠাৎ কালবৈশাখীর জন্ম নেয় না? সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে কি আমার স্মৃতিগুলো তোমার ভেতর তাণ্ডব চালায় না?

আমার অসুস্থতার খবর কি তোমাকে অস্থির করে না?
আমার কষ্টের কথা শুনে কি তোমার বুকের কোথাও অদৃশ্য একটা ব্যথা জন্ম নেয় না? তুমি কি তখন স্বাভাবিক থাকতে পারো? নাকি অজান্তেই বারবার ফোনের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকো, আমার কোনো খবরের অপেক্ষায়? আমার কণ্ঠটা শুনতে ইচ্ছে করে না তোমার? শুধু একবার জানতে ইচ্ছে করে না—আমি কেমন আছি?

অথচ আমার কেন তোমার অসুস্থতায় নিজেকে এত অসহায় লাগে?

তুমি যখন অসুস্থ হও, তখন পৃথিবীর সমস্ত শক্তি যেন হঠাৎ আমার হাত থেকে ফসকে যায়। তোমার কষ্টটুকু নিজের হাতে তুলে নিতে চাই, অথচ পারি না। তোমার ব্যথাটা নিজের শরীরে টেনে নিতে চাই, অথচ সে ক্ষমতাটুকুও আমার নেই। তোমাকে শুধু দূর থেকে কষ্ট পেতে দেখি, আর নিজের ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ি।

তোমাকে সামলে উঠতে না পেরে কেন আমি হতাশায় মুখ লুকাই?
কেন মনে হয়, তোমার পাশে থেকেও যেন তোমার জন্য কিছুই করতে পারছি না? কেন তোমার একটুখানি কষ্ট আমার পুরো পৃথিবীটাকে ভারী করে দেয়? তুমি হয়তো বলো, “আমি ঠিক আছি”—কিন্তু তোমার সেই ‘ঠিক আছি’-এর আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্লান্তিটুকু আমার চোখ এড়ায় না।

তোমাকে পাওয়ার জন্য রোজ এমন আগুনে ঝলসানোর মতো ছটফট কেন করি?

কেন তোমার একটু কাছে আসার আশায় এত দীর্ঘ অপেক্ষা সহ্য করি? কেন তোমার সঙ্গে দুটো কথা বলার জন্য সারাদিনের সমস্ত ব্যস্ততার মাঝেও একটা অদৃশ্য সময় রেখে দিই? কেন তোমার একটি মেসেজ আমার সমস্ত মন খারাপকে মুহূর্তেই ভালো করে দিতে পারে? কেন তোমার নীরবতা আমার ভেতরে এত প্রশ্নের জন্ম দেয়?

হয়তো এটাই ভালোবাসা।

ভালোবাসা বোধহয় এমনই—এখানে নিজের চেয়ে অন্য একজনের হাসি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। নিজের কষ্টকে সহজে সহ্য করা যায়, কিন্তু প্রিয় মানুষটির সামান্য কষ্টও অসহনীয় মনে হয়। তার অসুখে নিজের শরীরটাও যেন ভারী হয়ে আসে, তার নীরবতায় নিজের চারপাশটাও যেন শব্দহীন হয়ে যায়।

তাই কখনো কখনো তোমার কাছে আমার শুধু একটাই প্রশ্ন—

তুমি কি আমার মতো করেই আমাকে অনুভব করো?

আমি যখন তোমাকে ভীষণ মনে করি, তখন কি তোমারও হঠাৎ আমার কথা মনে পড়ে? আমি যখন তোমার জন্য অস্থির হয়ে রাত জাগি, তখন কি তোমারও কোনো এক নির্জন রাতে ঘুম ভেঙে যায়? আমার অনুপস্থিতি যখন আমাকে ভিতর থেকে পোড়ায়, তখন কি তোমার মনেও কোনো অদৃশ্য শূন্যতা তৈরি হয়?

আমি জানি না।

শুধু জানি, তোমাকে ঘিরে আমার অনুভূতিগুলো কোনো নির্দিষ্ট ঋতুর মতো নয় যে সময়ের সঙ্গে বদলে যাবে। এগুলো বরং নদীর মতো—কখনো শান্ত, কখনো উত্তাল; কখনো শব্দহীন, কখনো বুকের ভেতর প্রবল স্রোত হয়ে বয়ে যায়।

তোমাকে কাছে না পেলে আমার ভেতরে যে শূন্যতা তৈরি হয়, সেটার কোনো নাম দিতে পারি না। শুধু অনুভব করতে পারি। আর সেই অনুভূতির ভেতরেই প্রতিদিন একটু একটু করে তোমার কাছে ফিরে যাই।

হয়তো তুমি জানো না—তোমার জন্য আমার অপেক্ষাগুলো কত দীর্ঘ।
হয়তো জানো না—তোমার জন্য জমে থাকা কথাগুলো কত ভারী।
হয়তো জানো না—তোমার একটি “কেমন আছো?” আমার কাছে কতটা আশ্রয়ের মতো।

তবু আমি অপেক্ষা করি।

কারণ কিছু মানুষকে পাওয়া যায় না সহজে, কিছু মানুষকে চাইলেই কাছে পাওয়া যায় না। তাদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, অভিমান জমাতে হয়, চোখের জল লুকাতে হয়, দীর্ঘশ্বাসকে সঙ্গী করতে হয়। তবুও তাদের ভালোবাসতে হয়—কারণ হৃদয় যুক্তির কাছে কখনো কখনো পরাজিত হয়।

আর তুমি?

তুমি হয়তো আমার সেই পরাজয়—যেখানে হেরে গিয়েও আমি জিততে চাই।

তোমার কাছে ফিরে আসার পথটা যতই দীর্ঘ হোক, যতই কাঁটায় ভরা হোক, আমি তবুও হাঁটতে চাই। কারণ আমার সমস্ত ছুটে চলা, সমস্ত অস্থিরতা, সমস্ত দীর্ঘশ্বাসের শেষ ঠিকানাটা যে কোথাও গিয়ে তোমার কাছেই থেমে যায়।

শুধু কোনো একদিন, আমার এই দীর্ঘ অপেক্ষার দিকে ফিরে তাকিয়ে তুমি যেন একবার বলো—

“তোমার কষ্টগুলো আমি বুঝেছি।
তোমার দীর্ঘশ্বাসগুলো আমার দুয়ারে এসে পৌঁছেছিল।
তোমার অনুপস্থিতি আমাকেও দুর্বিষহ করেছিল।
আর তোমার জন্য আমার মনেও ঠিক ততটাই কালবৈশাখী উঠেছিল।”

সেদিন হয়তো আমার সমস্ত অভিমান গলে যাবে।

আর আমি আর কিছু চাইব না—
শুধু তোমার পাশে একটু নীরবে বসে থাকব।
কারণ এতদিনের সমস্ত ছটফটানি, সমস্ত অপেক্ষা, সমস্ত দীর্ঘশ্বাসের পর শেষ পর্যন্ত আমি তো তোমাকেই চেয়েছি। শুধু তোমাকেই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/283640/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Oct 2026 17:36:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“দীর্ঘশ্বাস”<br />
“সামিরা হিমু”</p>
<p>আমার ঘন হয়ে ওঠা দীর্ঘশ্বাস কি তোমার দুয়ারে আছড়ে পড়ে না?<br />
নিভৃতে, গভীর রাতে যখন বুকের ভেতর জমে থাকা কথাগুলো দীর্ঘশ্বাস হয়ে বেরিয়ে আসে, তখন কি তার কোনো শব্দ তোমার জানালার কাঁচে গিয়ে লাগে না? তুমি কি একবারও থমকে দাঁড়িয়ে ভাবো না—কোথাও কেউ একজন হয়তো তোমাকে ভীষণ করে মনে করছে?</p>
<p>আমার অনুপস্থিতি কি তোমাকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-283640"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/283640/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f5bd3bf7c760b7d1c31758ab008e17e</guid>
				<title>—তরপর কি হলো?”
—তারপর! তারপর সবাই একে একে চলে গেলো, যার যাওয়ার কথা ছিলো না সেও চলে গেলো।”
—আটকাওনি?”
—স্বেচ্ছায় যাওয়া মানুষকে আটকে রাখা যায়? একটা উরন্ত পাখিকে ধরে-বেধে কতকাল রাখতে পারবে?”

—চিত্রা!”
—আপনিও এবার যাবেন?”
—হুম!”
—আসুন তবে, কেউই থাকে না চিরকাল, একে একে সবাই চলে যাবে।”
—আমিও তাই করছি।”
—আপনিও মানুষ, তাই চলে যাচ্ছেন ভিন্নতায়। শুধু আমিই মানুষ হইতে পারলাম না, পারলাম না আপনাদের মতো ছেড়ে যেতে, অবহেলা করে দূরে সরে থাকতে, পারলাম না অভিমান করতে রাগ পুষে রাখতে। মানুষ হইলাম না আমিই শুধু।”

“বেলায়-অবেলায়”
লেখায়:— “সামিরা হিমু”

[বিঃদ্রঃ সম্পূর্ণ গল্পটি নিয়ে বেশ অনেক চিন্তা ভাবনা আছে, আশা রাখছি সামনে এটি নিয়ে আগাবো। আমি এও আশা রাখছি যে আপনাদের আমার পাশেই পাবো। ধন্যবাদ।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281272/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 13:55:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>—তরপর কি হলো?”<br />
—তারপর! তারপর সবাই একে একে চলে গেলো, যার যাওয়ার কথা ছিলো না সেও চলে গেলো।”<br />
—আটকাওনি?”<br />
—স্বেচ্ছায় যাওয়া মানুষকে আটকে রাখা যায়? একটা উরন্ত পাখিকে ধরে-বেধে কতকাল রাখতে পারবে?”</p>
<p>—চিত্রা!”<br />
—আপনিও এবার যাবেন?”<br />
—হুম!”<br />
—আসুন তবে, কেউই থাকে না চিরকাল, একে একে সবাই চলে যাবে।”<br />
—আমিও তাই করছি।”<br />
—আপনিও মানুষ, তাই চলে যাচ্ছেন ভি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281272"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281272/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bfc5f348662eeb099473873c6c3ce91d</guid>
				<title>“উন্মুক্ত বিহঙ্গ”
   —সামিরা হিমু


খাঁচার দুয়ার তো একদিন সজোরে ভাঙিয়া ফেলিলাম। যে সংস্কার আর কর্তব্যের নিগড় স্নেহের নাম ধরিয়া এতকাল আমার দুই পায়ে জড়াইয়া ছিল, তাহাও ধূলিসাৎ হইয়া গেল। আমি আজ মুক্ত, নিঃশঙ্ক—এক উন্মুক্ত বিহঙ্গ। ডানা মেলিয়া ভাসিয়া চলিবার জন্য আজ আমার সম্মুখে দিগন্তজোড়া অবারিত আকাশ। 

কিন্তু এই অকূল শূন্যে উঠিয়া আজ একি বিচিত্র বেদনায় বুকের ভিতরটা এমন হু-হু করিয়া উঠিল! 

পিঞ্জরে যখন আবদ্ধ ছিলাম, তখন কেবলই মনে হইত মুক্তির চেয়ে পরম ঐশ্বর্য বুঝি এই সংসারে আর কিছুই হইতে পারে না। আকাশের দিকে চাহিয়া ভাবিতাম, ঐ বুঝি অমৃতের দেশ; সেখানে কোনো শাসন নাই, কোনো কলঙ্কের ভয় নাই, কোনো ঋণ শোধের দায় নাই। অথচ আজ যখন সমস্ত বন্ধন ছিন্ন করিয়া এই অনন্ত শূন্যতার মাঝে ডানা মেলিয়াছি, তখন বুঝিতেছি—উন্মুক্ত হইবার মূল্য বড় কম নয়!

এই নীলিমায় কোনো প্রাচীর নাই সত্য, কিন্তু শ্রান্ত হইলে একটুখানি বসিবার মতো ডালও তো কোথাও নাই। 

বেলা যখন পড়িয়া আসে, দূর নদীর চরে যখন সন্ধ্যার অন্ধকার ধীরে ধীরে নামিতে থাকে, তখন বনের সমস্ত পাখি কলরব করিয়া যে যাহার কুলায়ে ফিরিয়া যায়। ভাঙা হইলেও তাহাদের একটি নীড় থাকে, পাতার আড়াল থাকে, অন্ধকারে ডানা গুঁজিয়া উষ্ণতা পাইবার মতো একটি চেনা ঠাঁই থাকে। 

আর আমার? আমার জন্য কেবল এই অসীম, শীতল বাতাস আর অন্তহীন নিঃসঙ্গতা। মাথার উপরের আকাশটা যতখানি উদার ও সুবিশাল, বুকের ভেতরের রিক্ততাটুকুও যেন ঠিক ততখানিই গভীর, অতলস্পর্শী। 

সংসারের মানুষ যাহাকে মুক্তি বলিয়া ঈর্ষা করে, তাহা আসলে গৃহহীন পথের ধূলি ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি উন্মুক্ত বিহঙ্গ বটে—ঝড় আসিলে আমার বুকেই প্রথম আঘাত হানিবে, কালবৈশাখীর বৃষ্টিতে আমার পালক একাকী ভিজিবে; কিন্তু কোনো গৃহকোণের প্রদীপ আর আমার জন্য মায়ায় জ্বলিয়া উঠিবে না। কোনো চেনা কণ্ঠ ডাকিবে না—‘ফিরিয়া এসো’।

তবু, এই অনন্ত একাকীত্বের দহন বুকে লইয়াই আমাকে উড়িতে হইবে। দাসত্বের সোনার খাঁচায় বসিয়া মেকি আদরের দানাপানি খাওয়ার চেয়ে, এই দিগন্তহীন মহাশূন্যে ডানা মেলিয়া নিঃস্ব হইয়া হারাইয়া যাওয়াও বোধহয় অনেক বেশি শান্তিময়, অনেক বেশি সত্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277674/</link>
				<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 19:05:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“উন্মুক্ত বিহঙ্গ”<br />
   —সামিরা হিমু</p>
<p>খাঁচার দুয়ার তো একদিন সজোরে ভাঙিয়া ফেলিলাম। যে সংস্কার আর কর্তব্যের নিগড় স্নেহের নাম ধরিয়া এতকাল আমার দুই পায়ে জড়াইয়া ছিল, তাহাও ধূলিসাৎ হইয়া গেল। আমি আজ মুক্ত, নিঃশঙ্ক—এক উন্মুক্ত বিহঙ্গ। ডানা মেলিয়া ভাসিয়া চলিবার জন্য আজ আমার সম্মুখে দিগন্তজোড়া অবারিত আকাশ। </p>
<p>কিন্তু এই অকূল শূন্যে উঠিয়া আজ এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277674"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277674/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2a615990156f29eb659e4e70a72080b3</guid>
				<title>সামিরা হিমু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277673/</link>
				<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 19:04:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">43dd0d4708063d31627bc4603f378129</guid>
				<title>”দহন-যাপন”
             —সামিরা হিমু


পিছনে ফিরিয়া চাহিয়া দেখিলে কেবলই একখানা ধূলিমাখা উঠান নজরে পড়ে। সেখানে কোনো এক অলস নিঝুম অপরাহ্ণে আমি আমার প্রথম নির্ভার বেলাটি অসাবধানে হারাইয়া ফেলিয়াছিলাম। আমি যা কিছু ফেলিয়া আসিয়াছি, মূলত তাহার নামই শৈশব কিংবা অতীত। এক টুকরা ভাঙা শ্লেট, বর্ষার জলে ভাসাইয়া দেওয়া কাগজের নাও, আর দূরবর্তী কোনো আমবাগানের ভিজে মাটির গন্ধ—যাহা আজ আর এই ইট-কাঠের নির্দয় শহরে কোথাও খুঁজিয়া পাওয়া যায় না।

সেদিন বুঝিবার সাধ্য ছিল না যে, রোদের তেজ কমিয়া আসিলে কেবল ছায়ার দৈর্ঘ্যই বাড়ে না, নিজের ছায়াটুকুও একসময় অচেনা ও ভারী হইয়া ওঠে। আজ যে বয়সের কাঁটাতারে আমি আটকাইয়া পড়িয়াছি, সমাজ তাহাকে প্রাপ্তি বলে, সমঝদারেরা বলে অভিজ্ঞতা; অথচ আমি কেবল জানি, দিনাবসানে যা কিছু আমি আকণ্ঠ পান করিতেছি, তাহার একমাত্র সত্য নাম তীব্র যন্ত্রণা।

এ যন্ত্রণা কোনো দৃশ্যমান রক্তপাতের নয়। ইহা বুকের নিভৃতে পাথরের মতো চাপিয়া বসা এক নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাস, যাহার ভারে প্রতিটি মধ্যরাত খণ্ডিত হইয়া যায়। দেয়ালঘড়ির খটখট শব্দের সহিত যখন ঘরের প্রতিটি কোণ নিস্তব্ধতায় ঝাঁ ঝাঁ করে, তখন আমি জাগিয়া থাকিয়া এই দহনটুকু উপভোগ করি—যেন ইহাই আমার বেঁচে থাকার একমাত্র শর্ত, আমার অনিচ্ছুক নিয়তি। 

অতীতের সেই খড়খড়ি খোলা জানালা দিয়া যে হাওয়া আসিত, তাহাতে কোনো পাওনা-দেনার হিসাব ছিল না। আর আজকের প্রতিটি নিঃশ্বাস যেন এক-একটি অসমাপ্ত ঋণের দায় শোধ করিতেছে। যাহা হারাইয়া গিয়াছে, তাহা হয়তো খুব সাধারণ ছিল—কাদার ঢেলা আর ভাঙা খেলনার মতোই নগণ্য; অথচ সেই তুচ্ছতার মাঝেই ছিল আস্ত একটি আকাশ। আর আজ চারিপাশে এত আয়োজন, এত সতর্ক পদচারণা, অথচ পাঁজরের ঠিক মধ্যিখানে এমন এক শূন্যতা খুঁড়িয়া রাখা হইয়াছে, যাহার কোনো তল নাই।

আমি হাত বাড়াইয়া আর অতীতকে স্পর্শ করিতে পারি না, অথচ বর্তমানের এই তপ্ত লৌহদণ্ডখানিও বুক হইতে নামাইয়া রাখিবার কোনো ঠাঁই পাই না। যদি এই ক্ষতের নামই পরিপক্বতা হয়, তবে আমি প্রতিনিয়ত তাহার মাশুল গুনিতেছি; আর স্মৃতির কঙ্কালে হেলান দিয়া, এই নির্মম দহনটুকুকেই বড় যত্নে ‘জীবন’ বলিয়া উপভোগ করিয়া যাইতেছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276209/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:30:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>”দহন-যাপন”<br />
             —সামিরা হিমু</p>
<p>পিছনে ফিরিয়া চাহিয়া দেখিলে কেবলই একখানা ধূলিমাখা উঠান নজরে পড়ে। সেখানে কোনো এক অলস নিঝুম অপরাহ্ণে আমি আমার প্রথম নির্ভার বেলাটি অসাবধানে হারাইয়া ফেলিয়াছিলাম। আমি যা কিছু ফেলিয়া আসিয়াছি, মূলত তাহার নামই শৈশব কিংবা অতীত। এক টুকরা ভাঙা শ্লেট, বর্ষার জলে ভাসাইয়া দেওয়া কাগজের নাও, আর দূরবর্তী কোনো আমবাগান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276209"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276209/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e74451092e7ada31664b324d4ca8d3be</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275829/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 09:05:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b0d22ff3c81991380e5331cc0e94d81</guid>
				<title>সামিরা হিমু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275828/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 09:05:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>