<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Ilhaam Binte Ansar | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ilhaambinteansar/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ilhaambinteansar/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Ilhaam Binte Ansar.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Jun 2026 06:02:36 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">8d6d6273c75c552c4dbdf9fbd551fabd</guid>
				<title>Ilhaam Binte Ansar changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165929/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Oct 2022 17:43:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a76ab29906cc3652736eae7021eb08f9</guid>
				<title>যেই মানুষটা সেদিন বলেছিলো, আপনার জন্য কিসের এতো ব্যস্ততা?
আজ সেই মানুষটাই বলছে, এসব তো আপেক্ষিক। 
যেই মানুষটা বলেছিলো, আমি আপনার অন্দরমহলে থাকি।
সেই মানুষটা আমাকে হঠাৎ বললো, আপনাকে আমি বুঝি না।
কথা সব সময় কষ্ট দেয় না।তবে কিছু কথা বাস্তবতা শেখায়।

- ইলহাম বিনতে আনসার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165709/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Oct 2022 10:11:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যেই মানুষটা সেদিন বলেছিলো, আপনার জন্য কিসের এতো ব্যস্ততা?<br />
আজ সেই মানুষটাই বলছে, এসব তো আপেক্ষিক।<br />
যেই মানুষটা বলেছিলো, আমি আপনার অন্দরমহলে থাকি।<br />
সেই মানুষটা আমাকে হঠাৎ বললো, আপনাকে আমি বুঝি না।<br />
কথা সব সময় কষ্ট দেয় না।তবে কিছু কথা বাস্তবতা শেখায়।</p>
<p>&#8211; ইলহাম বিনতে আনসার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2eaf5a327afb6b295472d0e2bee873f1</guid>
				<title>প্রত্যেক বছর কিছু নতুন মানুষের সাথে আমাদের পরিচয় হয়।সবাই আমাদের জীবনে থেকে যায় না।বছর ঘুরে কিছু মানুষ আমাদের ছেড়ে চলে যায়।আর কিছু মানুষ থেকে যায়।
ছোট্ট এই জীবনে কত মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে আর কতো জন আমাকে ছেড়ে গেছেন সেই হিসেব আমি রাখিনি।সবাইকে ভুলেও যাইনি আমি। জানি না আরো কতো মানুষের সাথে পরিচিত হবো আমি।যারা থেকে গেছেন আমার পাশে তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।তারা আমার ভূল,আমার ত্রুটি এক কথায় আমার আমিকে জেনেই পাশে থেকে গেছেন।
মানুষ আসে, অনেক কিছু শিখিয়ে চলে যায়।আমার জীবনের শেষ দিন আমার পাশে কারা থাকবেন আমি জানি না।তবে আমি জানি, আমার জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমার সাথে আমার রব ছিলেন।তিনি আছেন আর আমার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত আমার সাথে থাকবেন।

- ইলহাম বিনতে আনসার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/164650/</link>
				<pubDate>Wed, 19 Oct 2022 15:00:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রত্যেক বছর কিছু নতুন মানুষের সাথে আমাদের পরিচয় হয়।সবাই আমাদের জীবনে থেকে যায় না।বছর ঘুরে কিছু মানুষ আমাদের ছেড়ে চলে যায়।আর কিছু মানুষ থেকে যায়।<br />
ছোট্ট এই জীবনে কত মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে আর কতো জন আমাকে ছেড়ে গেছেন সেই হিসেব আমি রাখিনি।সবাইকে ভুলেও যাইনি আমি। জানি না আরো কতো মানুষের সাথে পরিচিত হবো আমি।যারা থেকে গেছেন আমার পাশে তাদের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-164650"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/164650/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a38ec445c4a7e5f896e006b0b865aad0</guid>
				<title>ক্লাসের অবিবাহিত মেয়েরা অন্যদের (বিবাহিত) নিয়ে খুব মজা করে। এই তো সেদিন ক্লাস চলছে। আমার পাশে বসে থাকা মেয়েটি পেছনে বসে থাকা তিন বিবাহিত নারীর গল্প শুনছে। কি ভেবে জানি না আমিও একটু পেছনে ফিরে তাকালাম। 

তিন জনের মধ্যে একজন হচ্ছে ইতি। খুব বেশি দিন হয়নি বিয়ে করেছে। নতুন বলেই হয়তো চেহারায় কাজের ছাপ পাওয়া যাচ্ছে না। আরেকজন হচ্ছে অদ্রিতা। অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে ওর বিয়ের। ওর একটা ছোট্ট ফুটফুটে মেয়েও আছে। ছোট্ট মেয়েটির কথা যেদিন প্রথম জানতে পেরেছিলাম, সেদিন রাতে একজন আমাকে বলেছিলেন‚ মাতৃত্বের অনুভূতি নাকি এক ভিন্ন ধরনের অনুভূতি। পৃথিবীর কোনো কিছুর সাথে এর তুলনা হয় না। আমিও ভাবছিলাম‚ অদ্রিতা কতো সৌভাগ্যবতী যে ওর কোলে এমন পরীর মতো একটা মেয়ে আছে। মা আর সন্তানের এই সম্পর্ক কতো সুন্দর তাই না। অদ্রিতাকে ওর মা কতো ভালোবাসে সেটা আমরা সবাই জানি। আমি ভেবেছিলাম অদ্রিতা নামের মেয়েটিও হয়তো তার ছোট্ট পরীটাকে অসম্ভব ভালোবাসে যদিও এই (বিবাহিত) জীবন নিয়ে অদ্রিতা কিছুটা বিরক্ত। কিন্তু আমার সব চিন্তায় জল পরলো অদ্রিতার কথা শুনে। 

অদ্রিতা:- এত দ্রুত বাচ্চা নেওয়া যায় নাকি!

পাশে বসে থাকা ইতিও সায় দিলো অদ্রিতার কথায়। এতো দ্রুত বাচ্চা নেওয়াটা তাদের আধুনিক চিন্তাধারার পরিপন্থি। আমি আর আমার পাশেরজন চুপচাপ একে অপরের দিকে তাকালাম। কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করেছিলাম তখন। কিন্তু হঠাৎ ইচ্ছে হলো- আরো শুনি অদ্রিতার কথা। পরবর্তী কথাগুলো শুনেই আমার বুকটা ধক্ করে উঠলো। 

Abortion করতে চেয়েছিল অদ্রিতা। এতো দ্রুত বাচ্চা নিয়ে নিজেকে ঝামেলায় জড়ানোর কোনো ইচ্ছে ওর ছিলো না। কিন্তু অনেকটা সময় পার হয়ে যাওয়ার কারণে আর করেনি। ভেবেছিলো‚ এতো দিন যখন পার হয়ে গেছে তখন আর Abortion করানো ঠিক হবে না। আমি কিছুটা সময় অদ্রিতার মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। কোনো অনুশোচনা বোধ নেই মুখে (!)। যাকে নিয়ে ও কথা বলছে সে এখন একটা মানুষ আর তার নিজের সন্তান। একটা সময় তার দেহেই বেড়ে উঠেছিলো। তবু নির্দ্বিধায় বলে ফেললো অদ্রিতা কথাগুলো। আমি ভাবলাম‚ “ওর খারাপ লাগছে না? কিভাবে নিজের সন্তানকে খুন করা যায় সেই পরিকল্পনা করেছিলো আর এখন তারই বর্ননা দিচ্ছে!”

কথায় কথায়‚ অদ্রিতা জানালো কতো কষ্ট হয় সন্তান জন্মদানে। আমি অবশ্য অনেক কথাই বুঝতে পারিনি। তবে এটা বুঝতে পারছিলাম যে‚ এমন কষ্ট জীবনে অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব না হয়তো। শুনলাম অনেক অভ্যাসও নাকি ছাড়তে হয়েছে ওকে। বিশেষ করে সিগারেট ছাড়ার কথা না বলে আর পারলো না। হয়তো মা হবার আনন্দের চাইতেও বেশি অভ্যাস ছাড়ার কষ্ট রয়েছে ওর মনে। বুঝতে পারছিলাম বাইরে থেকে দায়িত্ব পালন করলেও ভেতর থেকে একটা অবহেলা চলেই আসে ওর। মা হবার পর নিজ পায়ে দাড়ানোর চিন্তাটা সবার আগে বুঝে নিতে চায় ওরা। পুরোনো সিগারেটের অভ্যাস‚ চাকরি আর ক্যারিয়ার তাদের কাছে আসল। সন্তান তো Abortion করার মতো একটা Option মাত্র (!)। 

আমরা যেমন অদ্রিতার কথা শুনছি‚ তেমনি পেছনে বসে থাকা আয়শা নামের একটি মেয়েও খুব মনোযোগ দিয়ে ওর কথাগুলো শুনছিলো। অদ্রিতার কথা শুনতে শুনতে আয়শা কি যেনো আকঁছিলো কাগজে। মুখে হাসি নেই একদম মেয়েটির। আমি ভেবেছিলাম হয়তো আমার মতোই বিষ্ময় আর রাগ নিয়ে কথা শুনছে ও। বেশ কিছুটা সময় ওর সকল নিরবতা যখন ভাঙ্গলো তখন একটা নতুন গল্প জানতে পারলাম। এটা আসলে একটা যন্ত্রনা। কেমন হয় এই যন্ত্রনা সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারবো না। অনেকটা সময় পার হয়ে গেছে আয়শার বিয়ের। তবু আজও আয়শার কোল খালি! মা ডাক শুনতে না পাওয়ার আক্ষেপ ওর চোখে মুখে ফুটে উঠলো। নিজের জীবনের এই কঠিন সত্যিটা বলতে বলতেই মাথা নিচু করে ফেললো আয়শা। 

এপাশে বসে আমি শুকরিয়া আদায় করলাম মনে মনে। আমার মা কখনও ওমন আধুনিক চিন্তাধারার ছিলেন না‚ তাই হয়তো আজ আমি বেঁচে আছি। এতো কষ্ট সহ্য করে আমাকে জন্ম দিয়েছেন বলেই হয়তো আজ আমি তাকে এতোটা ভালোবাসি। আসলে অদ্রিতা আর ওর ছোট্ট পরীটার চাইতেও বেশি সৌভাগ্যবতী আমি। 

ভাবতেও পারিনি যে‚ বাস্তব জীবনে এমন ঘটনার সাক্ষী হবো। তবে সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম‚ মা তার সন্তানকে কতোটা ভালোবাসবেন সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করে একটি মেয়ের শিক্ষা‚ মানসিকতা আর মাতৃত্ববোধের উপর। সন্তান আর মায়ের সম্পর্ক নির্ভর করে মায়ের যত্ন‚ ভালোবাসা‚ শাসন আর কষ্টের উপর। কিন্তু মা যদি ক্যারিয়ারের স্বপ্নে অন্ধ হয়ে যান তবে তার কাছে তার সন্তান হবে দিন শেষে একটা বোঝা। যেসব বাবা মা Abortion-কে স্বাভাবিক বলে বিবেচনা করেন তাদের মধ্যে সন্তানের প্রতি ভালোবাসার অভাব থাকে। এখানে সন্তান তাদের কাছে একটা Option মাত্র (!)। তাদের কাছে সন্তান রবের পক্ষ থেকে আসা কোনো আমানত বা উপহারই নয় বরং তাদের নিজেদের অধিকার বটে। 

একটা ছোট্ট শিশু তার মায়ের কোলে আসলে মা যেই কষ্ট অনুভব করে তার চাইতে বেশি কষ্ট আর যন্ত্রনা থাকে হয়তো সন্তানহীন নিরব মায়ের চিৎকারে।

- ইলহাম বিনতে আনসার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/163390/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Oct 2022 07:56:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্লাসের অবিবাহিত মেয়েরা অন্যদের (বিবাহিত) নিয়ে খুব মজা করে। এই তো সেদিন ক্লাস চলছে। আমার পাশে বসে থাকা মেয়েটি পেছনে বসে থাকা তিন বিবাহিত নারীর গল্প শুনছে। কি ভেবে জানি না আমিও একটু পেছনে ফিরে তাকালাম। </p>
<p>তিন জনের মধ্যে একজন হচ্ছে ইতি। খুব বেশি দিন হয়নি বিয়ে করেছে। নতুন বলেই হয়তো চেহারায় কাজের ছাপ পাওয়া যাচ্ছে না। আরেকজন হচ্ছে অদ্রিতা।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-163390"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/163390/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">50e9fa660e64d39243dd0a8125703028</guid>
				<title>আমি আজও চাঁদকে হিংসে করি।কারন তুমি আজও চাঁদকে দেখতে চাও, তবে তুমি আজ আর আমায় চাও না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/162707/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Oct 2022 02:48:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি আজও চাঁদকে হিংসে করি।কারন তুমি আজও চাঁদকে দেখতে চাও, তবে তুমি আজ আর আমায় চাও না।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ba4c84a70fe35c1df253024f4b8ac7b6</guid>
				<title>মাকে যদি মনের কষ্টগুলো বলতে পারতাম। ছোট বেলায় যেমন কেও বকা দিলে বা একটু আঘাত পেলেই মায়ের কাছে ছুটে যেতাম তেমনি মায়ের কোলো মাথা রেখে একটু কাঁদতে পারলেই যেনো মনটা হালকা হয়ে যাবে। তিনি মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেই বুকের উপর থেকে পাথর নেমে যাবে। কিছু সময়ের জন্য হলেও আমি বুক ভরে নিশ্বাস নিতে পারবো। শত রাত নরম বালিশে মাথা রেখেও যখন ঘুম হয় না তখন হয়তো মায়ের কোলে মাথা রাখলে আমি নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়বো। কিন্তু সবশেষে বুঝতে পারি এটা সম্ভব না। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মা আর আমার মধ্যে একটা অদৃশ্য দেয়াল বেড়ে উঠেছে। ঐ দেয়াল টোপকে কেনো জানি আমি কিছুতেই মায়ের কাছে যেতে পারি না। 


এখন মাঝে মাঝে রাত হলে আমি মায়ের পাশে এসে দাড়াই। মা যেখানে বসেন তার পাশেই মোড়া পেতে বসি। মায়ের দিকে তাকানোর সাহস হয় না আমার। আমি জানালার এক পাশে মাথা রেখে আকাশের দিকে তাকাই। তারপর হঠাৎ মা প্রশ্ন করেন, কি হয়েছে? ঘুমাবি না? আমি হাজারটা চিন্তা মাথায় নিয়ে মুচকি হেসে বলি, কিছু হয়নি মা। ঘুমিয়েছিলাম হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেছে। তারপর মা কিছু বলেন না আর আমিও কিছু বলি না। আমাদের মাঝে এতোটাই নিরবতা বিরাজ করে যে, আমি বাতাসের শব্দটাও স্পষ্ট টের পাই। মেঘ তো আকাশে জমে তবে বৃষ্টি যে আমার চোখে মাকে সেটা আর বুঝতে দিতে চাই না। আমি চুপচাপ উঠে আসি। অদৃশ্য দেয়ালের ওপাশ থেকে মা আমার দীর্ঘনিশ্বাস শুনতে পান না। আমিও একটা বোকা। মনে মনে বলি, “মাকে যদি মনের কষ্টগুলো বলতে পারতাম।”

-ইলহাম বিনতে আনসার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/161745/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Oct 2022 05:20:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাকে যদি মনের কষ্টগুলো বলতে পারতাম। ছোট বেলায় যেমন কেও বকা দিলে বা একটু আঘাত পেলেই মায়ের কাছে ছুটে যেতাম তেমনি মায়ের কোলো মাথা রেখে একটু কাঁদতে পারলেই যেনো মনটা হালকা হয়ে যাবে। তিনি মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেই বুকের উপর থেকে পাথর নেমে যাবে। কিছু সময়ের জন্য হলেও আমি বুক ভরে নিশ্বাস নিতে পারবো। শত রাত নরম বালিশে মাথা রেখেও যখন ঘুম হয় না ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-161745"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/161745/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">897dec12fb09f06874bcc195e9c2ca28</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/161545/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Oct 2022 17:28:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>