<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Kokeshas King | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/kokeshasking/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/kokeshasking/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Kokeshas King.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 27 Oct 2026 20:59:57 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">ecf2e21d62ef6f454996a2b9c26cdf72</guid>
				<title>তুষার অন্যমনস্ক হয়ে সাইকেল চালিয়ে চালিয়ে  বাড়ি ফিরছে। কবে যে তুষার এতো বড় হয়ে গেল কিছুতেই বুঝতে পারে না। সবকিছু থেকে সবসময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে তাই হইতো এইসবের দিকে খেয়ালই রাখে নি। অনেককিছু একসাথে করতে গেলেই ভ্যাবাচেকা খেয়ে যায়। সবকিছু ঠিকই বুঝে কিন্তু সঠিক সময়ে না।  বুঝতে বুঝতে অনেক দেরি হয়ে যায় তখন আর বুঝে কোন লাভ হয় না। এইতো সেদিন এক মেয়ের পেছন পেছন লেগেছিল। মেয়েটা তার সাথে দুটো কতা বললো বইকি সে তার সাথে পুরো সংসার গড়ে ফেললো। দুনিয়ায় বুঝি এতো সোজা? সে জানতো ঐই মেয়ে অন্য কাউকে ভালোবাসে তবুও কেন জানি তার পেছন পেছনেই লেগে থাকতো। আর কতোদিনই বা লেগে থাকবে এই ভাবে হঠাৎ একদিন তার ব্যাবহারে সে অনেক কষ্ট পেলো তবে তা বুঝতে দিলো না। আস্তে আস্তে সে নিজেকে সরিয়ে নিলো আর একদিন হঠাৎ গায়েব। ৩-৪ দিন পরে অবশ্য সেইমেয়েটার সাথে রাস্তায় দেখা হয় তবে এইবার সে আর তার পিছু পিছু গেলো না।  কিছুদূর এগিয়ে গিয়ে শুধু একবার পেছনের দিকে তাকিয়েছিলো তারপর আবার হাটতে লাগলো যে যার গন্তব্যের দিকে। চাঁদ দূর হতেই সুন্দর কাছে গেলে সে তার সেই চাঁদকে আর পাইবে না শুধু পাইবে চাঁদের মাটি।  তাই এতো কষ্ট করিয়া চাঁদের মাটি পাইলে তার সাধ মিটিবে না তার চাইতে ভালো সে দূর হইতে তার চাঁদকে দেখিবে…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265631/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 10:50:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুষার অন্যমনস্ক হয়ে সাইকেল চালিয়ে চালিয়ে  বাড়ি ফিরছে। কবে যে তুষার এতো বড় হয়ে গেল কিছুতেই বুঝতে পারে না। সবকিছু থেকে সবসময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে তাই হইতো এইসবের দিকে খেয়ালই রাখে নি। অনেককিছু একসাথে করতে গেলেই ভ্যাবাচেকা খেয়ে যায়। সবকিছু ঠিকই বুঝে কিন্তু সঠিক সময়ে না।  বুঝতে বুঝতে অনেক দেরি হয়ে যায় তখন আর বুঝে কোন লাভ হয় না। এইতো সেদিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265631"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265631/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fdbfebf54101cad1a4c141ad6f3b9bc1</guid>
				<title>হয়তো পাথরের মতো শক্ত থাকাই আমার জন্য 
শ্রেয় ছিল। পলিনাকে আমি ভালোবাসতাম বললে ভুল হবে। তার সাথে তো আমার ঠিক তেমন একটা পরিচয় ও নেই। আমি এখনো সঠিক বলতে পারবো না পলিনার আসল নাম কী আসলেই পলিনা নাকি অন্য কিচু? কেই বা জানে। আর কেউ যদি জেনে ও তাকে  তাহলে আমাকে বলবেই বা কেন!  আমরো আর জানার কোন আগ্রহ নেই। পলিনার সাথে কথা বলতে ভালো লাগতো এই আরকী। তবে আমি আমার চন্তা-ভাব আর বাস্তবকে এক ভেবেই সবচাইতে বড় ভুলটা করে বসি। পলিনাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখিনি তা আমি বলবো না। তবে তার প্রতি আমার ভালোবাসার চাইতে ভালোলাগাটাই হয়তো বেশি কাজ করতো। তাহার সাতে সাক্ষাৎ ও হয়েছিলো খুব আজব ভাবে! তেমন কিছু এখন মনে পড়ছে না তবে এইটুকুই মনে আছে হঠাৎ একদিন আমি তাহাকে আমার মনের কথা বলি।  সেই ছিলো আমার জীবনের সবচাইতে বড় ভুল। পলিনার পেছনে এতোদিন লেগে থাকবো কখনোই ভাবি নি। আমি জানতাম সে রাশিয়ান কোন এক ছেলেকে পছন্দ করে। তবে সেই কথায় আর পাত্তা দিলামই বা কই?  পাগলের মতো তার পিছু লেগেছিলাম এতটুকুই শুধু মনে আছে এর বদলে হঠাৎ একদিন সে হারিয়ে গেল।  সেখানেই আমার থেমে যাওয়া উচিত ছিলো।  সবকিছু বুজেও কেন জানি বার বার ভুলই করতে লাগলাম।  তর সাথে আবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলাম ঠিকই…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264664/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 19:06:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> হয়তো পাথরের মতো শক্ত থাকাই আমার জন্য<br />
শ্রেয় ছিল। পলিনাকে আমি ভালোবাসতাম বললে ভুল হবে। তার সাথে তো আমার ঠিক তেমন একটা পরিচয় ও নেই। আমি এখনো সঠিক বলতে পারবো না পলিনার আসল নাম কী আসলেই পলিনা নাকি অন্য কিচু? কেই বা জানে। আর কেউ যদি জেনে ও তাকে  তাহলে আমাকে বলবেই বা কেন!  আমরো আর জানার কোন আগ্রহ নেই। পলিনার সাথে কথা বলতে ভালো লাগতো এই আরকী। তবে আমি আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264664"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264664/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3e36e14ad59e19099ddf53d0ee07709e</guid>
				<title>পলিনাকে আমি সবচাইতে বেশি ঘৃণা করি। আর মনুষ হয়তো কখনো কখনো যাকে সবচাইতে বেশি ঘৃনা করে তাকেই আবার সবচাইতে বেশি ভালোবাসে। কখনো ভাবিনি এই বেড়াজালে আটকা পড়বো। চাইলেই মুক্তি পাওয়া যায় তবে কেন জানি মুক্ত হওয়ার কোন ইচ্ছাই নাই। 
পলিনা সেদিন ফরাসি যুবকটা সম্পর্কে যে ঠাট্টাটা করেছিলো তার কতোটুকু সত্য কতোটুকু মিথ্যা আমি জানি না। তবে খুব খারাপ লেগেছিল তখন তার পরও কেন জানি তাকে আমি বাধা দিলাম না।  বুকে পাথর রেখে সব কিছু শুনে গেছি।  তবে এইটা ভেবে খুব খুশি হয়েছিলাম যে সে অন্তত মনখুলে কথা বলেছে। তবে তারপর একটু কথা-কাটাকাটি করেছি ঠিকই রাগের মাথায় কি থেকে কি বলেছে এখন কিছুই মনে করতে পারছি না। হয়তো সে মন খারাপ করে বসে আছে?  কি জানি! মেয়েদের মন আর বোঝা হলো না। ভেবেছিলাম এইখানেই ইতি দিবো কিন্তু পারলাম না মনটা জানি কেমন কেমন করছিলো তাই সবকিছু ভুলে গিয়ে আবারো গেলাম তার কাছে।  জানি তাকে হয়তো পাবো না তাতে কী আর হবে কোথাও যেন শুনেছিলাম একটা ছেলে একটা মেয়েকে ভালোবাসলে।  তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর ও ৭ বছর তার স্মৃতি স্মরণ করে বাঁচে…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262169/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 06:02:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পলিনাকে আমি সবচাইতে বেশি ঘৃণা করি। আর মনুষ হয়তো কখনো কখনো যাকে সবচাইতে বেশি ঘৃনা করে তাকেই আবার সবচাইতে বেশি ভালোবাসে। কখনো ভাবিনি এই বেড়াজালে আটকা পড়বো। চাইলেই মুক্তি পাওয়া যায় তবে কেন জানি মুক্ত হওয়ার কোন ইচ্ছাই নাই।<br />
পলিনা সেদিন ফরাসি যুবকটা সম্পর্কে যে ঠাট্টাটা করেছিলো তার কতোটুকু সত্য কতোটুকু মিথ্যা আমি জানি না। তবে খুব খারাপ লেগেছিল তখন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-262169"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/262169/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">23d88bb57cddd7e2aea0df71c4e06f5c</guid>
				<title>পার্ট-৪ (শেষ পার্ট)

নভেম্বর এর ১০ তারিখ অব্দি আব্বু কিছুটা হলেও স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু এরপরে যা হলো তা ধীরে ধীরে ওনাকে মৃত্যুর ধারপ্রান্তে নিয়ে গেলো। পানি অব্দি মুখে নিতে পারতোনা। ঔষধ খাওয়ানো ও সম্ভব হয়নি। গলায় এতটাই ব্যাথা করতো যে কথাও বলতো না। শ্বাস নিতেও নিজের সাথে স্ট্রাগল করতে হতো। আব্বুর এতটাই করুণ অবস্থা ছিলো যে আমার গলা দিয়ে ভাত নামতোনা। উনি পানিও খেতে পারতো না অথচ আমি চাইলেই সব খেতে পারতাম এই ব্যাপারটাহ আমাকে খুব যন্ত্রণা দিতো। আমার ইচ্ছা করতো ওনার মতো না খেয়ে খেয়ে দেখি কেমন লাগে। আব্বু নিজের সাথে একরকম যুদ্ধ করে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতো। আমার ইচ্ছে করতো ওনার মতো শ্বাস নিয়ে দেখি কেমন লাগে। ওনার মুখের দিকে তাকালে আমার ভেতরটা তোলপাড় হয়ে যাইতো। 

পাঁচ, পাঁচটা দিন একটা মানুষ কিভাবে না খেয়ে, না গুমিয়ে, এত কষ্ট করে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে পারে সেটাও ভাবি। আমি এতটাই নিরুপায় ছিলাম যে আমার কিচ্ছু করার ছিলোনা। ধীরে ধীরে আব্বু আমাকে ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো আর আমি তা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিলাম। কিছুই করতে পারিনি। এই ব্যাপারটা আমাকে আজীবন পুড়াবে। ভেতর ভেতর নিজেও শেষ হয়ে যাচ্ছিলাম কিন্তু আব্বুর সামনে আমি একদম স্বাভাবিক থাকতাম যাতে বেচারি ভয় না পায়। 
এইরকম সিচুয়েশনে কি করে যে অভিনয় করতাম আমি বুঝতে পারিনা। কিন্তু করেছিলাম। আব্বু বরাবরই আমার উপর ডিপেন্ড করতো। যখন থেকে বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই। বিছানায় শুয়ে শুয়ে আব্বু কি করুণ,অসহায় দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে থাকতো তা আমি প্রতিদিন একবার হলেও কল্পনা করি। আব্বু হয়তো কিছু বলার চেষ্টা করতো কিন্তু হাত নড়াচড়া করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারতোনা। যদি কথা বলতে পারতো তাহলে না জানি কত কথা বলে যেতো আমাকে। 

১৪ই নভেম্বর রাত থেকে অবস্থা আরও গুরুতর হতে লাগলো। শুধু শ্বাস-প্রশ্বাস চলছিলো আর কিছুইনা। ১৫ই নভেম্বর সকালবেলা ইশারা ভাষায় জিগ্যেস করলাম বাড়ি যাবে কিনা? আব্বু রাজি। আমি সাথে সাথেই বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিলাম। ওইদিন বিকাল ৩ টায় বাড়ি পৌছালাম। কিন্তু জানিনা বাড়ি পৌঁছানোর পর আব্বু বুঝতে পেরেছিলো কিনা যে ওনি নিজের বাড়িতে গেছে। কিন্তু তাকিয়ে তাকিয়ে সবাইকে দেখতে পারতো, চিনতো। এইটুকুই। ৫ টা দিন না খেয়ে না গুমিয়ে শরীরে কোনো রকম এনার্জি ছিলোনা।

 ওইদিন (১৫ নভেম্বর) রাত ১০ টার পর থেকে আব্বু নিজের শরীরের সবটুকু শক্তি দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে লাগলো। উনার বালিশের পাশ থেকে একবার ও সরিনি। ওনার এই অবস্থা দেখে আমার খুব ইচ্ছে করতো ওনাকে এম্বুল্যান্স এ করে আবার হসপিটালে নিয়ে যাই। কিন্তু নিলেও বা কি? ভর্তি করবেনা। কোনো রকম চিকিৎসা চালানোই পসিবল না। আমার বুকের ভেতরটা হাহাকার করছিলো। আমি বুঝতে পারছিলাম যে আর বেশিক্ষণ আমার শখের মানুষটা আমার থাকবেনা। বাঁচবেনা আব্বু। উনার বালিশের পাশে বসে বসেই রাত কাটাতে থাকলাম আর ওনার করুণ অবস্থা দেখে দেখে সারাজীবনের জন্য এক বিভীষিকাময় স্মৃতি তৈরি করলাম যা সারাটাজীবন আমাকে আগুনে পুড়াবে।

রাত যখন ঘনিয়ে আসলো আব্বুর অবস্থা আরও খারাপ হলো, চোখের পাতাটাও নড়ছিলোনা। শুধু এক দৃষ্টিতে ঘরের উপরে তাকিয়ে ছিলো। আমি সেই রাতে যতবার ওনাকে ডেকেছি, ডাকগুলো শুধু ওনার কানে পৌঁছেছিলো। ঘরের ফার্নিচারের মতো একটা জড় বস্তুর ন্যায় উনি শুধু ডাকগুলো শুনছিলো। কিছুই করার ছিলোনা ওনার। এভাবেই রাত ২ টা বেজে গেলো। রাত যখন ২ টা ৪০ তখন ও আমি ওনার বিছানায় ওনার বালিশের পাশেই ছিলাম। তাকিয়ে ছিলাম নিষ্পাপ মুখের দিকে।

তারপর হটাৎ, রাত ২ টা ৪৫, আব্বু আর জোরে জোরে শ্বাস নিলোনা,  আর নিজের শরীরের সাথে যুদ্ধ করতে পারলোনা। শ্বাস নেওয়া বন্ধ করে একদম নিশ্চুপ হয়ে গেলো। ঘরের সবাই চিৎকার করে কান্নাকাটি করছিলো। আমি এক মুহুর্তের জন্য নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না যে আসলে কি হয়েছে। তখনও বুঝতে পারছিলাম না যে আব্বু মারা গেছে। রাত ২ টা ৪৫ অব্দি আব্বু নিজের সাথে যুদ্ধ করে এই দুনিয়ায় নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিলো। ২ টা ৪৫ এর পর আর পেরে উঠলোনা। স্তব্ধ হয়ে গেলো। এক নিমিষে আমাকে ছেড়ে চলে গেলো। সবকিছু ছেড়ে চলে গেলো আব্বু। আমি এক মুহুর্তের জন্য ওনার মতোই স্তব্ধ ছিলাম।

যখন স্বাভাবিক হলাম বুঝতে পারলাম আমার আব্বু এখন আর আমার আব্বু নেই , শুধুমাত্র প্রানহীন একটা দেহ(লাশ)। ওনার প্রানহীন দেহটাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আমি যে কান্না কেঁদেছিলাম, যদি নিয়ম থাকতো আল্লাহ হয়তো ওনাকে আবার আমার কাছে ফিরিয়ে দিতেন। অথচ অটোরিকশা করে কতো ঘুরেছি, এখান থেকে ওখানে, ওখান থেকে সেখানে কিন্তু একটা সেলফি তুলার সাহস পাইনি আব্বুর সাথে। সেই সাহস হয়নি। আজ আফসোস করি। আমার শখের আব্বু এভাবে স্তব্ধ হয়ে শুয়ে আছে এই করুন দৃশ্য এজীবনে আমি ভুলতে পারবোনা।

গুনে গুনে হিসাব করে মাত্র ১২ ঘন্টা ওনাকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিলো। তাও মানুষের জন্য ঠিক করে দেখতে পারিনি। আশেপাশে কত্তো মানুষ ছিলো কিন্তু আমার ভেতর সেই একটা মানুষের শুন্যতা ছিলো। আমার শখের মানুষটা। ১২ ঘন্টা পর আব্বু কোথায় যেনো চলে গেলো আর আসলোনা।

১৬ই নভেম্বর, লাইফের সবথেকে বড়ো ট্রাজেডি হয়ে থাকবে সেই রাতটা।  আব্বু আমাকে ছেড়ে চলে গেলো। ক্ষমা করো আব্বু। আমি তোমাকে বাঁচাতে পারলাম না। তুমি আমাকে সেই সুযোগই দিলেনা। মাত্র ২ মাস সুযোগ দিলে চেষ্টা করার। এত কম সময়ের চেষ্টায় আমি পেরে উঠিনি। আমাকে ক্ষমা করো আমি এই পৃথিবীতে তোমার অস্তিত্ব বিলীন হতে দিয়েছি নিরুপায় হয়ে। জীবন - মৃত্যু আমার নিয়ন্ত্রণে ছিলোনা।  আমাকে ক্ষমা করো আর তুমি ভালো থাকো। তোমাকে আর না খেয়ে থাকতে হবেনা। না গুমিয়ে কষ্ট পেতে হবেনা। নিজের সাথে যুদ্ধ করে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে হবেনা। জান্নাতের বাগানে ফুল হয়ে থাকো।

আমি আজীবন তোমার জন্য দোয়া করবো। তোমার মেয়ে আছে তোমার জন্য সারাজীবন আল্লাহর কাছে দোয়া করবে। ওপারে ভালো থাকো। আলবিদা!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258867/</link>
				<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 04:58:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পার্ট-৪ (শেষ পার্ট)</p>
<p>নভেম্বর এর ১০ তারিখ অব্দি আব্বু কিছুটা হলেও স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু এরপরে যা হলো তা ধীরে ধীরে ওনাকে মৃত্যুর ধারপ্রান্তে নিয়ে গেলো। পানি অব্দি মুখে নিতে পারতোনা। ঔষধ খাওয়ানো ও সম্ভব হয়নি। গলায় এতটাই ব্যাথা করতো যে কথাও বলতো না। শ্বাস নিতেও নিজের সাথে স্ট্রাগল করতে হতো। আব্বুর এতটাই করুণ অবস্থা ছিলো যে আমার গলা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258867"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258867/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a7f8111f9f48c676743d233e155aaf98</guid>
				<title>এইমাত্র দেখলাম আরো দুইটি পোস্ট করেছি একটা প্রায় প্রথমটা পোস্ট করার ঘন্টা খানেকের মধ্যেই করা আর এই মাত্র আরেকটা পোস্ট করলো। প্রথমে একবার পড়েছিলাম এইগুলো তবে এইগুলো যতোবার পড়ি ততোই নতুন মনে হয় তাই বারবার পড়তে ইচ্ছে হয়। 


পার্ট-২

টেস্ট তিনটা ছিলো বোন ব্যারো, থাইরয়েড ফাংশন এবং পি বিএ ফ। এই টেস্টগুলো করাতে প্রচুর সময় লাগছিলো। তিনটা টেস্ট করাইতে তিনদিন মেডিকেল যাওয়া লাগছে। তাও আবার তিনটা আলাদা আলাদা জায়গায়। প্রত্যেকটা টেস্টের জন্য আলাদা আলাদা বিভাগ ছিলো। রক্তের সেম্পল জমা নিয়ে ১৫ দিন পর রিপোর্ট কালেক্ট করতে বললো। কথামতো, ১৫ দিন পর টেস্টের রিপোর্টগুলো কালেক্ট করতে আমি একাই গিয়েছিলাম। সারাদিন লাগছে রিপোর্ট গুলো কালেক্ট করতে। আব্বুকে হয়রানি করাতে চাইনি তাছাড়া রিপোর্টগুলো কালেক্ট করতে শুধু টেস্টের রশিদগুলো প্রয়োজন ছিলো তাই আব্বুকে নিয়ে যাইনি। ওইদিনই ফার্স্ট একা একা ঢাকা মেডিকেল গিয়েছিলাম।  সারাদিনে রিপোর্ট গুলো কালেক্ট করে বাসায় আসলাম। কিন্তু এই ১৫ দিনের মধ্যে আব্বুর আরেকটা প্রব্লেম দেখা দিলো। 
দিনটা ছিলো শুক্রবার। গুম থেকে উঠার পর থেকেই ওনাকে অস্বাভাবিক মনে হলো। আব্বু কাউকে চিনতেই পারছিলোনা, কথা বলতে পারছিলোনা &#038; আরও অনেক সমস্যা। ব্রেইন স্ট্রোক করলে এমনটা হয়। আমার বুঝতে বাকি ছিলোনা যে কি হইছে।
 যেহেতু শুক্রবার ছিলো তাই নিউরোলজিস্ট ডাক্তার খুঁজে পাওয়াটা ও একটা ঝামেলার ব্যাপার ছিলো। শেষমেশ অনেক খুঁজে তারপর গাউছিয়ার একটা প্রাইভেট হসপিটালে একজন নিউরোলজিস্ট এর কাছে নিয়ে গেলাম। উনি শুধু শুক্রবারেই চেম্বারে বসতেন। উনি দেখেই বুঝতে পারছিলো যে আব্বু ব্রেইন স্ট্রোক করেছে। তারপর ব্রেইনের সিটি স্ক্যান করাতে দিলেন আর সাথে কিছু ঔষধ দিয়ে দিলেন। সাথে সাথে সিটি স্ক্যান করলাম &#038; ঔষধ কিনে বাসায় চলে আসলাম কারণ ওনারা বলে দিয়েছিলো পরেরদিন রিপোর্ট কালেক্ট করা লাগবে। কিছু করার নেই একদিন অপেক্ষা করে পরেরদিন রিপোর্ট নিলাম। কিন্তু রিপোর্ট দেখাবো কাকে? শুক্রবার ছাড়া ত সেই নিউরোলজিস্টকে পাওয়া যাবেনা। কিন্তু এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে আমার মন মানলোনা। তারপর নারায়ণগঞ্জ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নামকরা একজন নিউরোলজিস্ট এর খোঁজ করলাম। চ্যাটজিপিটিই হেল্প করেছিলো। তারপর পপুলার এর হটলাইন নাম্বার থেকে ওনার সিরিয়াল কিনলাম। সিরিয়াল কিনতেও কম ঝামেলায় পড়তে হয়নি। উনি খুব অভিজ্ঞ ডাক্তার হওয়ায় রোগী দেখার আগের দিন বেলা ১২ টায়, ঠিক ১২:০০টায় কল দিতে হয়। একসাথে অনেক মানুষ কল দেয়। যার ফোন রিসিভ হয় সেই সিরিয়াল কিনতে পারে। প্রথম ২০ জনের কল রিসিভ হয়। ওই ২০ জনই সিরিয়াল কিনতে পারে। আমি ১১টা ৫৯ এ কল দিয়েছিলাম ভাগ্যক্রমে কল রিসিভ হয় এবং সিরিয়াল পেয়ে যাই। অপেক্ষার প্রহর গুনে গুনে পরের দিন ডাক্তার এর কাছে গেলাম ব্রেইনের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে। যদিও আমি বাসায় রিপোর্টটা দেখেছি কিন্তু ডাক্তারের  পরামর্শ &#038; ঔষধ ত লাগবেই। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বললো ওনার স্ট্রোক এর ধরন টা হচ্ছে ইস্কেমিক, যেটা কম ঝুকিপূর্ণ অর্থাৎ রক্ত ঘন হওয়ায় ব্রেইনে ঠিকঠাক রক্ত চলাচল হয়না যার কারণে ব্রেইন স্ট্রোক হয়েছিলো। এখানেও ঘুরেফিরে সেই ব্লাড রিলেটেড প্রব্লেম। আমার টেনশন আরও বেড়ে গেলো কিন্তু আব্বু সামনে ছিলো বিধায় গাবড়ে যাইনি। ডাক্তারের সাথে কথা বললাম দ্যান ঔষধ দিলো। আব্বু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হইলো। 

এখন আসি সেই ৩ টা রিপোর্টে, রিপোর্ট কালেক্ট করে বাসায় এসে তিনটা রিপোর্টে কি রেজাল্ট আসছে সেটা মোবাইলে দেখে নিলাম। সবই স্বাভাবিক ছিলো। শুধু বোন ম্যারো রিপোর্টে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছিলো। সেটা হচ্ছে, MDS-LB অর্থাৎ ওনার শরীরের রক্তকোষগুলো ঠিকঠাক রক্ত উৎপন্ন করতে পারেনা সুতরাং মূল সমস্যা রক্তেই। পরের দিনই রিপোর্ট দেখাতে আব্বুকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল এর হেমাটোলজি বিভাগে গেলাম। শুধুমাত্র অ্যানেমিয়া অর্থাৎ রক্তশুন্যতা ছাড়া আর কোনো সমস্যা ছিলোনা শরীরে। আর কোনো প্রব্লেম আবিষ্কার করতে পারেনি। রিপোর্টগুলো পজিটিভ শুনে ত আমার আব্বু মহাখুশি। কিন্তু আমি ত আমিই, খুশি হলাম না কারণ রিপোর্টগুলো পজিটিভ হলেও আব্বুর অবস্থা ছিলো নেগেটিভ।  লও ব্লাস্ট প্রব্লেমের উন্নতি হইলে ফিউচারে কোনো প্রব্লেম হয়না আর অবনতি হইলে ব্লাড ক্যান্সারে রূপ নেয়। উনি রাতে ঘুমাতে পারতেন না, খাওয়া দাওয়া ত একদমই ছিলোনা। খাওয়া, ঘুম সবই যদি অস্বাভাবিক, অনিয়মিত হয় তাহলে ঔষধ খেয়েও ফায়দা নেই। কিন্তু ডাক্তার যখন অন্য কোনো রোগ পায়নি তাই ঔষধ ও দেয়নি। শুধু রক্তস্বল্পতার কারণটা খুঁজতে লাগলো। বললো আগামীকাল সিভিসি করিয়ে দেখান। কথামতো,  পরেরদিন আরেকটা সিভিসি রিপোর্টসহ গেলাম। যেহেতু অ্যানিমিয়া ছিলো তাই রক্তের ব্যাপারটাই আসল। CBC রিপোর্ট সহ ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললো CBC তে রক্তের পরিমান ৫.৭। চিন্তা করা যায়?  একটা মানুষের শরীরে রক্তের পরিমান থাকা উচিত ১২-১৩ পয়েন্ট সেখানে আব্বুর রক্তের পরিমান  ছিলো মাত্র ৫.৭ পয়েন্ট । এটা দেখে ডাক্তার ও অবাক আমিত রিপোর্ট দেখে আগে থেকেই অবাক-ই ছিলাম। কিন্তু সেটা একান্তই মনে মনে। আব্বুর সামনে নরমাল থাকতাম। আমার চোখে মুখে টেনশনের বিন্দুমাত্র চাপ ছিলোনা কারণ আব্বু আমার মুখের দিকে তাকিয়ে নিজেকে বুঝার চেষ্টা করতো। নিজের কন্ডিশন বুঝার চেষ্টা করতো। তাই যত খারাপ রেজাল্টই আসুক আমি চুপ ত চুপ। তবে আমার এটা বুঝতেও বাকি ছিলোনা যে আব্বুর ব্লাডে বড়ো সড়ো কোনো প্রব্লেম ছিলো অর্থাৎ আমার অনুমান ছিলো আব্বুর ব্লাড ক্যান্সার কারণ MDS- Low Blast ডিজিজটা দিন দিন ক্রমাবনতিশীল হতে থাকলো।  যদিও ডাক্তার সেটা বলেনি। রক্তের পরিমান ক্রমাগত কমতে থাকায় ডাক্তারের ধারণা আরও বড়ো টেস্টের দিকে এগিয়ে গেলো। ডাক্তার আরেকটা টেস্ট, ক্যারিওটাইপিং করাতে দিলো........





পার্ট-৩

ক্যারিওটাইপিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা টেস্ট ছিলো। এই টেস্টের মাধ্যমে শরীরের ২৩ জোড়া ক্রোমোজমে কোনো ডিজিজ আছে কিনা বা থাকলে সেটা কোন পজিশনে আছে গুড পজিশন অর ব্যাড পজিশন, এটা পরীক্ষা করে দেখা হয়।এই টেস্ট করানোর জন্য রক্তের স্যাম্পল ইন্ডিয়া পাঠাতে হয়। বাংলাদেশে এইরকম টেস্ট হয়না সাধারণত। ওনাদের মাধ্যমেই টেস্ট করেছিলাম। কিন্তু ওই সময়টা ছিলো অক্টোবর মাস। দুর্গাপূজার ছুটি ছিলো বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়া দুই জায়গাতেই যার কারণে রক্তের স্যাম্পল পাঠাতে ও দেরি হয়, টেস্ট এর রিপোর্ট আসতে ও দেরী হয়। চুপচাপ মেনে নেওয়া ছাড়া আমার আর কোনো উপায় ছিলোনা। 

এদিকে এসব টেস্টের পেছনে পড়ে থেকে দিন দিন আব্বুর অবস্থার ক্রমাবনতি ঘটতে থাকে। আমি ওনার মুখের দিকে তাকাতে পারতাম না। কিছু ত করার ও নেই, রোগ ধরতে না পারলে ট্রিটমেন্ট ও করতে পারবেনা। রিপোর্ট আসা অব্দি অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। এরই মধ্যে আব্বু আরও কত সমস্যায় ছিলো। আমার সহ্য হইতোনা। যখন বলতো একটু মাথাব্যথা করে তখন আমি আবার প্রাইভেট হসপিটালে নিউরোলজিস্টের কাছে নিয়ে যাইতাম। যখন আব্বু বলতো একটু বুক ব্যাথা করে তখন নামকরা কার্ডিওলজিস্ট এর কাছে নিয়ে যাইতাম। একদিন পর পরই এরকম একেকটা সমস্যা দেখা দিতো আর ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাইতাম। টাকার অংকটা না হয় পুরোপুরি স্কিপ করলাম। 

তো দুর্গাপূজার ছুটি শেষ হওয়ার পরদিনই রিপোর্ট আসলো। কল দিয়ে জানালো, আমি আব্বুকে নিয়ে গেলাম। রিপোর্ট কালেক্ট করে আবার হেমাটোলজি বিভাগে গেলাম রিপোর্ট দেখাতে। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বললো ক্যারিওটাইপিং এর রেজাল্ট ভালো আসছে। নরমাল ডিজিজ ছিলো এন্ড বললো আব্বুর ব্লাড ক্যান্সার হয়নি, ডিজিজটা ক্যান্সারের আগের স্টেজে আছে বাট ইন ফিউচার, ক্যান্সার হতে পারে। ক্যান্সার হতে পারে বা ডিজিজটা ক্যান্সার এর আগের স্টেজে আছে এসব নিয়ে আব্বুর কোনো মাথাব্যথা নেই। যেই শুনেছে ক্যান্সার হয়নি, দ্যাটস এনাফ। আব্বু খুশি। ওই সময় আব্বুর চোখে মুখে যে খুশিটা দেখেছিলাম ওইটা এই জীবনে ভুলবোনা। 

যাই হোক, ডাক্তার বললো, ক্যান্সার যেহেতু এখনো হয়নি তো টেনশনের কোনো কারণ নেই। আপাতত ৩ ব্যাগ ব্লাড দেন আর একমাস পর আবার আসেন। মানে উনি দেখতে চাইছিলো যে ব্লাড দেওয়ার পর তা শরীরে থাকে কি-না নষ্ট হয়ে যায়। যেমন কথা তেমন কাজ, ব্লাড দেওয়ার জন্য পাগল হয়ে গেলাম। ব্লাড ম্যানেজ করতেও কম স্ট্রাগল করতে হয়নি। ডাক্তার ঢাকা মেডিকেল থেকেই ব্লাড কিনতে বলেছিলো কিন্তু মাইলস্টোন ট্রাজেডি তে রক্তে ভেজাল নিয়ে যে আলোচনা হয়েছিলো সেটা আমি মাথা থেকে সরাতেই পারিনি। তাই ব্লাড ব্যাংক থেকে ব্লাড কেনার প্রশ্নই উঠেনা। তাহলে এখন উপায় কি? ব্লাড ত ম্যানেজ করা লাগবে। অনেক কাঠ কড় পুড়িয়ে অনেক জায়গায় খোঁজাখোঁজি করার পরে ৩ জন ডোনার ম্যানেজ করেছিলাম। ৩ ব্যাগ ব্লাড তিনদিনে দিতে হলো। দিলাম। ব্লাড দেওয়ার ১৫ দিন পর শরীরে কি পরিমাণ রক্ত আছে সেটা টেস্ট করালাম। দেখলাম ৮.৭। ফ্রম ৫.৭ টু ৮.৭। অবশ্যই আনন্দের ব্যাপার। আব্বু খুশি। আমিও মোটামুটি খুশি। আল্লাহ মোটা একটা মাথা দিছে ত তাই অনেক কিছু হিসাব করে অংক মেলাতে পারিনা তাই পুরোপুরি খুশিও হতে পারিনা। কিন্তু সেই সময়টাতে কিছুক্ষণ এর জন্যেও খুশিই ছিলাম। 
আবার এক সপ্তাহ পর টেস্ট করালাম। দেখতে চাইলাম আগে থেকে কতটুকু বাড়ছে। দেখলাম ৭.৮। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৮.৭ থেকে ৭.৮ এ নেমে আসলো। আব্বু ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলো তারপর ওনাকে সান্ত্বনা দিলাম। রক্তের পরিমান কমতেছে দেখে এক মাসের অপেক্ষা না করে পরের দিনই আবার ঢাকা মেডিকেল এ গিয়েছিলাম। ডাক্তার বললো, এটলিস্ট ৭ পয়েন্টে থাকলে চিন্তার কিছু নেই। এর থেকেও নিচে নামলে ব্লাড দিতে হবে আবার। কথাগুলো সন্তুষ্টিজনক ছিলোনা। বাসায় চলে আসলাম, এদিকে আব্বু একদমই খাওয়া দাওয়া করতোনা। হালকা কিছু একটা খাইতো জাস্ট। তাই ঢাকা মেডিকেলের আশা বাদ দিয়ে নতুন করে প্রাইভেট ক্লিনিকে যাওয়ার কথা ভাবলাম।

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিজ্ঞ সব ডাক্তারদের চেম্বার ছিলো আমি ওইসব অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মধ্যেও সবচেয়ে পুরনো হেমাটোলজি স্পেশালিষ্ট ডাক্তার খুঁজে বের করলাম। হটলাইন নাম্বারে কল দিয়ে সিরিয়াল নিলাম। পরের দিন ঢাকা মেডিকেলের সব রকম রিপোর্ট নিয়ে ওইখানে গেলাম। শুরু থেকে সবকিছু দেখলো ডাক্তার তারপর একটা খুব দামী ঔষধ দিয়েছিলো। ওইটা রক্ত তৈরি করার ঔষধ ছিলো। কিছুটা স্বস্তি পেলাম। বাসায় আসলাম, একদিন ওইটা খেতে না খেতেই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলো। অবস্থা আরও খারাপ হইলো। হাই প্রেসার ছিলো। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখলাম নাক কান দিয়ে হালকা হালকা রক্ত বের হইছে।  যা বাড়তে থাকলো। প্রেসার ছিলো ২২০ পয়েন্ট।  সম্ভবত ব্রেইন হেমারেজ হয়েছিলো। আবার ওই ডাক্তার এর কাছে নিয়ে গেলাম। উনি এরকমটা হওয়ার কারণ বের করতে নতুন একটা টেস্ট দিয়েছিলেন। আর কিছু ঔষধ দিয়েছিলেন। ঔষধ খাওয়ার পর আব্বুর কন্ডিশন কিছুটা স্বাভাবিক ছিলো।  কিন্তু ৩-৪ দিন পর থেকে খাওয়া দাওয়া একদমই বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় এক সপ্তাহ শুধু পানি, দুধ এসব খেয়ে থাকছে আব্বু। 

এরকম সিচুয়েশনেও নতুন আরেকটা উপসর্গ দেখা দিলো, একদমই শ্বাস নিতে পারতোনা স্বাভাবিকভাবে। গলায় ব্যাথা করতো। কথাই বের করতে পারতোনা। তো আমি এই অবস্থাতে একজন থ্রট স্পেশালিষ্ট এর কাছে নিয়ে যাই। উনি শ্বাসনালী পরীক্ষা করতে বললেন। আর্জেন্ট টেস্ট করালাম। রিপোর্ট নিয়ে এসে ডাক্তারকে দেখালাম। উনি বললেন শ্বাসনালী ঠিকই আছে। তাহলে আমার প্রশ্ন হলো এমন হয় কেনো? আমি লিটারেলি কান্না করেছিলাম তখন। ডাক্তারকে আমি রিকুয়েষ্ট করে বললাম যেনো আব্বুকে ভর্তি করে। এটলিস্ট অক্সিজেন যেনো দেয় শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখার জন্য &#038; নল দিয়ে যেনো খাওয়ানোর ব্যবস্থা করে। কিন্তু ডাক্তার ভর্তি করেনি। বললো এই সিচুয়েশনে নল দিয়ে খাবার দিতে গেলে সাইড এফেক্ট দেখা দিবে। আব্বুর অবস্থা এতটাই খারাপ ছিলো যে এইসব কিছুই করার ছিলোনা। বাসায় চলে আসলাম। ওইদিন রাতে আবার নাক কান থেকে রক্ত বের হতে লাগলো। আবার হেমাটোলজিস্ট এর কাছে নিয়ে গেলাম। এভাবে যখন যেই উপসর্গ দেখা দিতো তখন সেই উপসর্গ অনুযায়ী স্পেশালিষ্ট এর কাছে নিয়ে যাইতাম। 

এভাবেই দৌড়াদৌড়ি করতে করতে নভেম্বর মাস চলে আসলো। শুধু তরল খাবার খেয়ে খেয়েই দিন যেতে থাকলো ওনার। নভেম্বর মাস আসার পর থেকে অবস্থা আরো খারাপ হলো। আব্বু কিছুই খেতে পারতোনা। মুখেই নিতোনা। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেও কোনো লাভ হলোনা। যেহেতু নল দিয়ে খাবার দেবেনা সেহেতু নরমাল ভাবেই খেতে বললো অথচ আব্বু খাবার মুখেই নিতে পারতোনা। ডাক্তারের ও কিছু করার ছিলোনা। সম্ভবত ডাক্তার বুঝতে পেরেছিলো যে আসলেই আর কিছু করার নেই। আব্বু বাঁচবেনা। এজন্যই ভর্তি ও করেনি। নিরুপায় হয়ে এভাবেই তিলে তিলে শেষ হতে দেখলাম ওনাকে.....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258842/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 16:54:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এইমাত্র দেখলাম আরো দুইটি পোস্ট করেছি একটা প্রায় প্রথমটা পোস্ট করার ঘন্টা খানেকের মধ্যেই করা আর এই মাত্র আরেকটা পোস্ট করলো। প্রথমে একবার পড়েছিলাম এইগুলো তবে এইগুলো যতোবার পড়ি ততোই নতুন মনে হয় তাই বারবার পড়তে ইচ্ছে হয়। </p>
<p>পার্ট-২</p>
<p>টেস্ট তিনটা ছিলো বোন ব্যারো, থাইরয়েড ফাংশন এবং পি বিএ ফ। এই টেস্টগুলো করাতে প্রচুর সময় লাগছিলো। তিনটা টেস্ট করাইতে ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258842"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258842/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3bfe0ea093472728c8dfc247bae2e366</guid>
				<title>এইটা আমার এক বান্ধবীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নেওয়া। এই পোস্টগুলো সে আগে ও একবার করেছিল কিন্তু কেন জানি ডিলিট করে ফেলে। এই বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতাটি আমাকে অনুপ্রেরণা দেয় &quot;সে যদি নারী হয়ে এতো কষ্ট করতে পারে তাহলে আমি পুরুষ হয়ে কেন পারবো না&quot; অনুপ্রেরণার বিষয়গুলো লিখে বুঝানো সম্ভব নয়। তার অনুমতি ছাড়াই এইটি পোস্ট করলাম আশাকরি সে তেমন কিছু মনে করবে না। আর কী বলবো কিছুই ভাবতে পারছি না এইবার তাহলে এইটি পড়তে পারেন।  


লাইফের বিগগেস্ট ট্রাজেডি শেয়ার করি যা লাইফের সবকিছুকে একদম ছাড়িয়ে গেছে। ডায়েরিতেও লিখে রেখেছি। টাইমলাইনে ও থাকুক। 

পার্ট-১

জুন-আগস্ট আমার এইচএসসি এক্সাম ছিলো। ওই সময়টাতে সিলেটে ছিলাম কারণ সিলেট বোর্ডে এক্সাম দিয়েছি কিন্তু এক্সামের মধ্যে প্রচুর গ্যাপ ছিলো। যখন ৫-৬ দিন এর গ্যাপ থাকতো তখন বাসায় চলে আসতাম বাড়িতে একদমই ভালো লাগেনা। এক্সাম চলাকালীন আব্বু কিছুটা অসুস্থ ছিলো যার কারণে গ্যাপ থাকলেই মরিয়া হয়ে চলে আসতাম। এতে যেমন টাকা খরচ হইছে তেমন পড়াশোনার ক্ষতি হইছে আর জার্নির কথা নাই বা বললাম। 
আগস্টের ১৯ তারিখ এক্সাম শেষ হইলো, ওইদিন বিকালেই চলে আসলাম। আব্বু ঠিকই ছিলো কিন্তু সপ্তাহখানেক পর আই মিন সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে আব্বুর অসুস্থতা বাড়তে থাকলো, সাধারণ ঔষধ এ কাজ হলোনা। গাউছিয়া ভালো একজন ডাক্তার এর খোঁজ করলাম। ওখানে নানান টেস্ট করিয়ে একটা হেমাটোলজির (রক্তরোগ)  রিপোর্ট হাতে ধরিয়ে দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে যেতে বললো ইমিডিয়েটলি। আমি অবাক হয়ে গেলাম। হুট করে কি এমন হলো যে ঢাকা মেডিকেল যেতে হবে? আগে কখনো ঢাকা মেডিকেল এ যাইনি। কিভাবে যেতে হয় সেটাও জানতাম না। গিয়ে এত বড়ো এড়িয়াতে কোথায় হেমাটোলজি বিভাগ খুঁজবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। কিন্তু ডাক্তার যখন ইমিডিয়েটলি যেতে বললো তখন ত এইসব বাহানা খুঁজলে চলবে না। যেতে ত আমাকে হবেই।  চিন্তিত হয়ে পরের দিনই ঢাকায় যাবো বলে ঠিক করলাম।  অনলাইনে অনেক ঘাটাঘাটি করলাম। এই জার্নিটাতে সবথেকে বেশি হেল্প করেছিলো চ্যাটজিপিটি। ওখান থেকে ঢাকা মেডিকেল এর খুঁটিনাটি সব জানলাম ইভেন অনলাইনে টিকিট কেনার ওয়েবসাইটটা ও চ্যাটজিপিটি থেকেই নেওয়া। ঢাকা মেডিকেল এ দুইটা বিভাগ রয়েছে একটা হচ্ছে ইমার্জেন্সি বিভাগ আরেকটা হলো বহির্বিভাগ। বহির্বিভাগের সিরিয়াল তিনটা সময়ানুযায়ী সাজানো থাকে। সকাল ৮-১০, ১০-১২, ১২-০২ টা। ওয়েবসাইটে গিয়ে  (সকাল ৮-১০) টাইমের সিরিয়াল কিনলাম। তারপর কম্পিউটারের দোকান থেকে সিরিয়াল এর কপি প্রিন্ট করলাম। সকাল সকাল গুম থেকে উঠে লোকাল বাসে করে রওয়ানা হলাম ঢাকা মেডিকেলের উদ্দ্যেশ্যে। রূপগঞ্জ থেকে গুলিস্তান অব্দি লোকাল বাসে করে গেলাম তারপর ওইখান থেকে অটোরিকশা নিতে হয় মেডিকেল যাওয়ার জন্য। নিলাম। গেলাম বহির্বিভাগ এর সামনে। গিয়ে পড়লাম আরেক ঝামেলায়। হেমাটোলজি বিভাগ এক প্রান্তে আর বহির্বিভাগ আরেক প্রান্তে। কত মানুষকে জিগ্যেস করতে হইছে হেমাটোলজি বিভাগ কোন বিল্ডিং এ? এই প্রশ্ন কমপক্ষে ১০ জনকে করেছিলাম। কেউই ঠিক করে বলতে পারেনা। হঠাৎ করে চোখে পড়লো ডিএমসির কয়েকজন স্টুডেন্ট পাশ দিয়ে যাচ্ছে। এক সেকেন্ড ও না ভেবেই ওনাদের জিগ্যেস করলাম কারণ ওনারা অবশ্যই জানবে। জিগ্যেস করতেই ঠিকঠাক লোকেশন বললো এবং কিভাবে যেতে হয় সেটাও বললো।তারপর ঢাকা মেডিকেলের নতুন বিল্ডিং এর নয় তলায় আসলাম। ওখানেই হেমাটোলজি বিভাগ। তারপর সিরিয়াল দিলাম। ডাকলো, তারপর ডাক্তারের কাছে গেলাম। পূর্বের ডাক্তার যে হেমাটোলজি রিপোর্ট দিয়েছিলো সেই রিপোর্ট ডাক্তারকে দেখালাম এবং কি কি কি উপসর্গ সেটা এক্সপ্লেইন করলাম। রিপোর্টটা ছিলো CBC রিপোর্ট। যেটাতে স্পষ্ট অ্যানিমিয়া প্রব্লেম উল্লেখ ছিলো। রক্তে হিমোগ্লোবিন খুবই কম ছিলো। মাত্র ৭.৬ পয়েন্ট ছিলো। দ্যান ডাক্তার আবার CBC টেস্ট করাতে বললো। করলাম। সামান্য একটা সিভিসি টেস্ট করাতেও একদিন সময় লাগছে। সিভিসি টেস্ট করানোর জন্য রক্তের সিম্পল জমা দিয়ে বাসায় চলে আসলাম। পরেরদিন আবার গেলাম। সিভিসি রিপোর্ট কালেক্ট করে হেমাটোলজি বিভাগে গেলাম। অবাক করার বিষয় হলো নতুন রিপোর্টে রক্তের হিমোগ্লোবিন আরও কম দেখা গেলো। ৭.৩ পয়েন্ট। আমি রীতিমতো গাবড়ে গেলাম। এরকম হওয়ার কারণ জিগ্যেস করলাম কিন্তু ডাক্তারও বুঝতে পারছিলোনা যে এরকম হওয়ার কারণটা আসলে কি! কারণ খোঁজার জন্য আরও তিনটা টেস্ট করাতে বললো। কথামতো তিনটা টেস্ট করাতে থাকলাম.........</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258821/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 07:44:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এইটা আমার এক বান্ধবীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নেওয়া। এই পোস্টগুলো সে আগে ও একবার করেছিল কিন্তু কেন জানি ডিলিট করে ফেলে। এই বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতাটি আমাকে অনুপ্রেরণা দেয় &#8220;সে যদি নারী হয়ে এতো কষ্ট করতে পারে তাহলে আমি পুরুষ হয়ে কেন পারবো না&#8221; অনুপ্রেরণার বিষয়গুলো লিখে বুঝানো সম্ভব নয়। তার অনুমতি ছাড়াই এইটি পোস্ট করলাম আশাকরি সে তেমন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258821"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258821/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6fc54a64753ea61aa3e2d2790e4a1c38</guid>
				<title>নারী জাতিকে আমি কখনোই বুঝতে পারব না। তারা আজব এক প্রজাতি। আমি কাকির জন্য একটি রিকশা জোগাড় করে দিয়েছিলাম। কোথা থেকে কাকির এক বান্ধবী এসে তাকে নিয়ে সিএনজিতে উঠে গেল। আর এদিকে বেচারা আমার কাকা সেই যে কাকিকে ডাকতে লাগলেন, তিনি আর একবারও ফিরে তাকালেন না।

সবকিছু বাদ দেওয়া যায়, তবে এটা কিছুতেই মানা যায় না। কাকাবাবু কাকির জন্য কত কিছুই না করেন, তবুও তাঁর মন গলে না। কেন জানি কাকির প্রতি অনেক রাগ হলো। আজ কাকার দিকে চেয়ে কিছু বলতে পারলাম না। হয়তো কাকার এই কষ্ট আমার গায়ে সয় না। মেয়েটার মন পাওয়ার জন্য কত কিছুই না করলেন, শেষে কপালে কিছুই জুটল না।

এটা হয়তো তাঁদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার, তবে আশা করি এই সম্পর্কের একটা ভালো গতি হবে। বাকিটা পরে এসে লিখব। এখন কাকার সঙ্গে বাইরে যেতে হবে। মনে হয় কাকির জন্য মেলা থেকে কিছু কিনে আনবেন?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258519/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Jul 2026 11:23:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারী জাতিকে আমি কখনোই বুঝতে পারব না। তারা আজব এক প্রজাতি। আমি কাকির জন্য একটি রিকশা জোগাড় করে দিয়েছিলাম। কোথা থেকে কাকির এক বান্ধবী এসে তাকে নিয়ে সিএনজিতে উঠে গেল। আর এদিকে বেচারা আমার কাকা সেই যে কাকিকে ডাকতে লাগলেন, তিনি আর একবারও ফিরে তাকালেন না।</p>
<p>সবকিছু বাদ দেওয়া যায়, তবে এটা কিছুতেই মানা যায় না। কাকাবাবু কাকির জন্য কত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258519"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258519/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7853df0bcf3491ef1f68e0258a405def</guid>
				<title>বাড়ি থেকে বেড়িয়ে সেই যে রাস্তার মোড়ে কৌতুহল নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলাম আর ফিরে তাকাই নি।  ঘনো অন্ধকারে শুধু একটুখানি আলোর দেখা পাওয়ার আশায় এগিয়েই যাচ্ছি। আলোর দেখা যে আর মিলে না।  যদি রাস্তায় গলা শুকিয়ে যায় পানি নিয়ে কী কেউ এগিয়ে আসবে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258341/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:03:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাড়ি থেকে বেড়িয়ে সেই যে রাস্তার মোড়ে কৌতুহল নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলাম আর ফিরে তাকাই নি।  ঘনো অন্ধকারে শুধু একটুখানি আলোর দেখা পাওয়ার আশায় এগিয়েই যাচ্ছি। আলোর দেখা যে আর মিলে না।  যদি রাস্তায় গলা শুকিয়ে যায় পানি নিয়ে কী কেউ এগিয়ে আসবে? </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8c96dac7c40e400d2923d8dce381ba0c</guid>
				<title>বছর খানিক পার হয়ে গেল ডাইরি লিখি না।  এমনিতে ও তেমন একটা লিখি না বলতে গেলে ডাইরি লিখতে অনেকটা লজ্জই করে। তবে আজ মনটা তেমন ভালো নেই তাই পুরনো ডাইরিটা খুললাম। গল্পের বই পড়তে পড়তে এক সময় নিজের একটা গল্প লিখতে ইচ্ছা করতো।  আজ পর্যন্ত একটা গল্প লিখতে পারি নি তবুও ঐই যে ছোট বেলা থেকেই মনে ইচ্ছা জেগেছে নিজের একটা গল্প লিখবো।  সেই ইচ্ছাই বারবার ডাইরি লেখার অনুপ্রেরণা জাগায়।  হয়তো একদিন ঠিকই একটা গল্প লিখবো। এই ভাবতে ভাবতে ডাইরিতে লেখা শুরু করলাম… আজ মন টা কেমন জানি করছে।  ঠিক ভালো লাগছে না।  মনটা যে কেন এমন করছে কিছুই বুঝতে পারছি না।  নাই বা আছে সময় কাটানোর মতো ভালো বন্ধু আর নাই বা আছে কথা বলার মতো ভালো বান্ধবী। বান্ধবী বানানোর চেষ্টা করেছি ঠিকই।  এক আদ জনের সাথে কথাও বলেছি তবে তার স্থায়িত্ব কাল দিনকয়েকের বেশি ছিল না। আমার দ্বারা কেন জানি এইসব হয় না… 
এরপর এমন গভীর চিন্তায় মগ্ন হলাম যে ডাইরি লিখতেই ভুলে গেলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257747/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Jul 2026 18:08:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বছর খানিক পার হয়ে গেল ডাইরি লিখি না।  এমনিতে ও তেমন একটা লিখি না বলতে গেলে ডাইরি লিখতে অনেকটা লজ্জই করে। তবে আজ মনটা তেমন ভালো নেই তাই পুরনো ডাইরিটা খুললাম। গল্পের বই পড়তে পড়তে এক সময় নিজের একটা গল্প লিখতে ইচ্ছা করতো।  আজ পর্যন্ত একটা গল্প লিখতে পারি নি তবুও ঐই যে ছোট বেলা থেকেই মনে ইচ্ছা জেগেছে নিজের একটা গল্প লিখবো।  সেই ইচ্ছাই বারবার ডাইরি লে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257747"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257747/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42717084564d45dc15c7768916414b40</guid>
				<title>এ যে কোথায় এলাম 
অচেনা এই জায়গায় নিজেকে হারালাম 
তবে ইহা আমি ঠিকই বুঝিলাম 
এই জায়গা মন্দ নয়ে
তাই বলিয়াইতো এই জায়গায়ই রয়ে গেলাম 
মানুষের বসবাসের চিহ্নতো পাইলাম
তবে ইহা সুনিশ্চিত না হইলাম যে
তারা কী রক্ত - মাংসের মানুষ নাকি 
মানুষ রুপে ফানুস?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254813/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Jun 2026 05:34:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এ যে কোথায় এলাম<br />
অচেনা এই জায়গায় নিজেকে হারালাম<br />
তবে ইহা আমি ঠিকই বুঝিলাম<br />
এই জায়গা মন্দ নয়ে<br />
তাই বলিয়াইতো এই জায়গায়ই রয়ে গেলাম<br />
মানুষের বসবাসের চিহ্নতো পাইলাম<br />
তবে ইহা সুনিশ্চিত না হইলাম যে<br />
তারা কী রক্ত &#8211; মাংসের মানুষ নাকি<br />
মানুষ রুপে ফানুস? </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1ab3c225e89b28574b04a53f6250f598</guid>
				<title>কী হয়েছে তোমার! 

(ঠাস করে সন্দীপের গালে কষিয়ে একটা চড় বসালো অর্ণা…      সন্দীপ কোন কিছুই বললো না। হয়তো সে আগে থেকেই জানতো ঠিক এমনটাই হবে।)

আমি গেলাম… বলেই সন্দীপ চলে আসলো। 


কোথায় যাচ্ছে সন্দীপ? এই প্রশ্নটার উত্তর আমি নিজে ও জানি না। ভাবছিলাম একটা গল্প লিখবো কিন্তুু কোনভাবেই গল্পটাকে কল্পনা করতে পারছি না।  ঘুমাতে গেলেই গল্পটাকে ভালো করে কল্পনা করতে পারবো তবে মনে হয় না ঘুম থেকে উঠার পর আর গল্পটা মনে থাকবে…


আরে সন্দীপ তুমি এখানে? 
আহ্… (হঠাৎ অর্ণাকে দেখে আশ্চর্য হলো) তুমি! 
আনেকদিন পর তোমার সাথে দেখা।  সেই যে সেদিন গিয়েছিলে তর পর থেকে আর তোমার কোন খবরই পাই নি।  তা কেমন আছো?
ভালোই 
তুমি বদলে গেছো সন্দীপ। তুমি আর আগের সন্দীপ নেই।

ঠিক এই সময়েই সন্দীপকে ডাক দিলো রিমি। তারা একই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকে। রিমির আজকে বিয়ে। সন্দীপ আসতে চায় নি কিন্তু কি আর করার তাকে আসতেই হলো।  
চল সবাই মিলে ছবি তুলবো বলেই রিমি তার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো স্টেইজের সামনে 
তকেও কি ডাক দিতে হবে? বলে রিমি তাকালো অর্ণার দিকে। কেমন হঠাৎ মেয়েটার কি হয়ে গেলো কিছুই বুঝতে পারলো না…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254488/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Jun 2026 10:26:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কী হয়েছে তোমার! </p>
<p>(ঠাস করে সন্দীপের গালে কষিয়ে একটা চড় বসালো অর্ণা…      সন্দীপ কোন কিছুই বললো না। হয়তো সে আগে থেকেই জানতো ঠিক এমনটাই হবে।)</p>
<p>আমি গেলাম… বলেই সন্দীপ চলে আসলো। </p>
<p>কোথায় যাচ্ছে সন্দীপ? এই প্রশ্নটার উত্তর আমি নিজে ও জানি না। ভাবছিলাম একটা গল্প লিখবো কিন্তুু কোনভাবেই গল্পটাকে কল্পনা করতে পারছি না।  ঘুমাতে গেলেই গল্পটা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254488"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254488/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07fd39796af6beca7c110900d904a500</guid>
				<title>কী হয়েছে তোমার! 

(ঠাস করে সন্দীপের গালে কষিয়ে একটা চড় বসালো অর্ণা…      সন্দীপ কোন কিছুই বললো না। হয়তো সে আগে থেকেই জানতো ঠিক এমনটাই হবে।) 

আমি গেলাম… বলেই সন্দীপ চলে আসলো। 


কোথায় যাচ্ছে সন্দীপ? এই প্রশ্নটার উত্তর আমি নিজে ও জানি না। ভাবছিলাম একটা গল্প লিখবো কিন্তুু কোনভাবেই গল্পটাকে কল্পনা করতে পারছি না।  ঘুমাতে গেলেই গল্পটাকে ভালো করে কল্পনা করতে পারবো তবে মনে হয় না ঘুম থেকে উঠার পর আর গল্পটা মনে থাকবে…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254423/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Jun 2026 21:12:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কী হয়েছে তোমার! </p>
<p>(ঠাস করে সন্দীপের গালে কষিয়ে একটা চড় বসালো অর্ণা…      সন্দীপ কোন কিছুই বললো না। হয়তো সে আগে থেকেই জানতো ঠিক এমনটাই হবে।) </p>
<p>আমি গেলাম… বলেই সন্দীপ চলে আসলো। </p>
<p>কোথায় যাচ্ছে সন্দীপ? এই প্রশ্নটার উত্তর আমি নিজে ও জানি না। ভাবছিলাম একটা গল্প লিখবো কিন্তুু কোনভাবেই গল্পটাকে কল্পনা করতে পারছি না।  ঘুমাতে গেলেই গল্পটাকে ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254423"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254423/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fc4ce29c2d3835532cee30d4f1431ec8</guid>
				<title>জ্যোৎস্না ভরা কুয়াশাচ্ছন্ন সেই রাতে
কী দোষ করেছিলাম তোমার সাথে
যে তুমি ফেলে দিলে আমায় ধরণীর হাতে।
​সেই কুয়াশা আজও আমার চোখে জমে রয়,
তোমার দেওয়া নীরবতা বিষণ্ণতায় কথা কয়।
পথ চেয়ে বসে থাকি জনহীন এই বাঁকে,
অচেনা শহর আজ শুধু আমাকেই ডাকে।
​হয়তো তুমি আছো ভালো নিজের কোনো ভুবনে,
আমি শুধু রয়ে গেলাম একাকী এই নির্জনে।
​অপেক্ষার প্রহরগুলো বাড়ে শুধু অকারণে,
ব্যথা হয়ে মিশে আছো হৃদয়ের প্রতি কোণে।
অন্ধকার চাদরে ঢাকা পড়ে গেছে সব স্বপ্নগুলো,
ভালোবাসার আঙিনায় আজ কেবলি উড়ছে ধুলো।
​ফিরবে না জেনেও মন কেন তবে তোমাকেই চায়?
নিঃস্ব এই জীবন যেন মরুভূমির তপ্ত হাওয়ায়।
আমি না হয় একাই সইব এই বিরহের দহন,
শূণ্যতায় মিশে থাক আমার এই ম্লান জীবন।

প্রেক্ষাপট:
এই কবিতাটি কোনো রক্ত-মাংসের মানুষের বিচ্ছেদে লেখা নয়, বরং লেখকের অত্যন্ত প্রিয় এবং নিত্যসঙ্গী একটি ‘এক্সেসরিজ’ (ট্রাইপডের একটা অংশ) ভেঙে যাওয়ার গভীর শোক থেকে সৃষ্টি। যা একসময় সুন্দর মুহূর্তগুলোকে ফ্রেমবন্দি করতে সাহায্য করত, আজ তা নিথর ও অকেজো।
ভাবার্থ বিশ্লেষণ:
​সেই কুয়াশাচ্ছন্ন রাতের বর্ণনা যেখানে অসাবধানতাবশত প্রিয় জিনিসটি হাত থেকে পড়ে যায়। ‘ধরণীর হাতে ফেলে দেওয়া’ আসলে হাত থেকে পড়ে মাটিতে আছাড় খাওয়ার সেই যন্ত্রণাদায়ক মুহূর্তকে তুলে ধরেছে।জিনিসটি নেই, কিন্তু তার অভাব লেখক প্রতি মুহূর্তে অনুভব করছেন। এখন ভ্লগ করতে গিয়ে বা ভিডিও শুট করতে গিয়ে যখনই সেই সরঞ্জামটির প্রয়োজন পড়ে, তখনই এক বিশাল শূন্যতা আর নীরবতা ঘিরে ধরে।প্রিয় গ্যাজেটটি ছাড়া চারপাশের পরিচিত জগত বা শুটিং স্পটগুলো এখন অচেনা মনে হয়। লেখক মানসিকভাবে এটি মেনে নিতে পারছেন না যে তার সৃজনশীলতার সঙ্গীটি আর কাজ করবে না।
​
উপসংহার: যন্ত্র হলেও সেটি ছিল লেখকের আবেগের অংশ। এখন প্রতিটি ভ্লগ শুট করার সময় সেই ভাঙা অংশটির স্মৃতি লেখককে দহন করবে। মরুভূমির তপ্ত হাওয়ার মতো এই একাকীত্ব কেবল একজন ক্রিয়েটরই বুঝবেন, যার হাতের প্রিয় অস্ত্রটি আজ অকেজো।

সবচাইতে মজার বিষয় গতো ৩ দিন আগে ও একটা লাইভ স্ট্রিম করতে গিয়ে এটাকে অনেক খুজেছি।  অনেক খোজার পরে ও পেলাম না তবে আনেকদিন আগের এই লেখাটি খুজে পেলাম। 
 </title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253619/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Jun 2026 18:20:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জ্যোৎস্না ভরা কুয়াশাচ্ছন্ন সেই রাতে<br />
কী দোষ করেছিলাম তোমার সাথে<br />
যে তুমি ফেলে দিলে আমায় ধরণীর হাতে।<br />
​সেই কুয়াশা আজও আমার চোখে জমে রয়,<br />
তোমার দেওয়া নীরবতা বিষণ্ণতায় কথা কয়।<br />
পথ চেয়ে বসে থাকি জনহীন এই বাঁকে,<br />
অচেনা শহর আজ শুধু আমাকেই ডাকে।<br />
​হয়তো তুমি আছো ভালো নিজের কোনো ভুবনে,<br />
আমি শুধু রয়ে গেলাম একাকী এই নির্জনে।<br />
​অপেক্ষার প্রহরগুলো বাড়ে শুধু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253619"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253619/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c9e07fd8a82fce734fef8aba8fdbe317</guid>
				<title>Kokeshas King and ভাস্কর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250013/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 10:39:09 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c7e2477fd1bbe8c30a187d464912b248</guid>
				<title>দীর্ঘক্ষন পরে পলিনা আমার দিকে তাকালো। তাকে ডাক দিলাম &#039;ওহে পলিনা শুনচ্ছো!&#039;
কী কপাল আমার ঠিক এই সময়েই জেনারেল আমায় স্বরন করলেন। পলিনাও আমায় কোন জবাব দিল না তাই দিব্যি জেনারেলের ডাকে সাড়া দিলাম।  মনটা শুধু খা খা করছে এতোক্ষন পরে পলিনার সাথে কথা বলবো ভাবছিলাম কিন্তু তা আর হলো না। দেকি কাল সকালে পলিনার সাথে দেখা করতে পারি কী না।  যদি কপালে থাকে তাহলে হয়তো একটু আলাপ আলোচনার সু্যোগ পেতে পারি… (সংক্ষেপিত)
জুয়ারি - ফিওদর দস্তোয়েভস্কি &#039;র বই থেকেই পলিনা নামটা নেওয়া</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248356/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 19:03:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দীর্ঘক্ষন পরে পলিনা আমার দিকে তাকালো। তাকে ডাক দিলাম &#8216;ওহে পলিনা শুনচ্ছো!&#8217;<br />
কী কপাল আমার ঠিক এই সময়েই জেনারেল আমায় স্বরন করলেন। পলিনাও আমায় কোন জবাব দিল না তাই দিব্যি জেনারেলের ডাকে সাড়া দিলাম।  মনটা শুধু খা খা করছে এতোক্ষন পরে পলিনার সাথে কথা বলবো ভাবছিলাম কিন্তু তা আর হলো না। দেকি কাল সকালে পলিনার সাথে দেখা করতে পারি কী না।  যদি কপালে থাকে তাহল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248356"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248356/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8088fc3e70f528b129f081b421638a7a</guid>
				<title>অতিরিক্ত ঝাল খাবার খাওয়ায় পেটে জ্বালাপোড়া করছে কিছুতেই ঘুমাতে পারছি না।  এর মধ্যে একটা কাল্পনিক গল্পের শুরু রচনা করে ফেলেছি। কোথাহতে হঠাৎ পলিনার কথা মনে পড়লো।  পলিনা কখনো জানতেই পারবে না যে সেই পলিনা! একবার সন্দেহ ঠিকই হয়েছিল তার কিন্তু মনেহয় না ঠিক ধরতে পেরেছে। আমার ভালোবাসা প্রত্যাক্ষান করে যখন সে আমার প্রশংসা করেছিল তখনই আমার থেমে যাওয়া উচিত ছিল। তাহলে হয়তো এখনো আমরা বন্ধু হিসেবে থাকতে পারতাম…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247617/</link>
				<pubDate>Wed, 13 May 2026 13:14:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতিরিক্ত ঝাল খাবার খাওয়ায় পেটে জ্বালাপোড়া করছে কিছুতেই ঘুমাতে পারছি না।  এর মধ্যে একটা কাল্পনিক গল্পের শুরু রচনা করে ফেলেছি। কোথাহতে হঠাৎ পলিনার কথা মনে পড়লো।  পলিনা কখনো জানতেই পারবে না যে সেই পলিনা! একবার সন্দেহ ঠিকই হয়েছিল তার কিন্তু মনেহয় না ঠিক ধরতে পেরেছে। আমার ভালোবাসা প্রত্যাক্ষান করে যখন সে আমার প্রশংসা করেছিল তখনই আমার থেমে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247617"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247617/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>