<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | LABIB | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/la-b-ib/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/la-b-ib/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for LABIB.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 27 Oct 2026 22:04:21 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">043d61dab3e6bc73d64da6ee991282bd</guid>
				<title>প্রজাপতি

বাতাসে উড়ছে বিষণ্ণতা তুমি ভাবলে প্রজাপতি
এবং লিখে ফেললে একটি ফিকে, করুণ কবিতা
আকাশে উড়ছে যুদ্ধবিমান তুমি দেখলে পাখির ঝাঁক
সেই লিখে ফেললে একাধিক উন্মাদ কবিতা
তুমি বুলেটকে ভেবেছ লিপস্টিক
বোমার ধোঁয়াকে মেঘ তাই শিশুদের ছেঁড়া হাত
বুকফুটো মানুষ, বিধ্বস্ত হাসপাতাল কিছুই
পড়েনি তোমার চোখে
তোমাকে গর্ধব বললে পুরোটা বলা হল না
ওয়েস্টপেপার বাস্কেটরাও চিৎকার করে বলছে
তোমার কবিতা তারা নিতে চায় না
পৌড় মজিদ মিয়ার মন আজকে ফুরফুরে। দীর্ঘদিনের স্বপ্নটা আজ পূরণ হতে চলেছে। মনের আনন্দে পেট মোটা স্যুটকেস্টটাতে আরো দুটো লুঙ্গী ঢুকিয়ে সোহাগ করে তার বৌকে ডাকলো। পৌড়ার মনটা অবশ্য বিষণ্ণ আসন্ন অনিশ্চয়তায়। গুড়ে বাচ্চা গুলোর মাথায় পরম মমতায় হাত বুলিয়ে পেট মোটা বাক্স পেটরা আকিজ মিয়ার ভ্যানে তুলল। এককালে জোয়ান ছিলো, গায়ে গতরে খেটে খাইত কিন্তু বুড়ো হওয়ার এক সমস্যা, চ্যাঙড়া পোলাপাইনকে দিয়ে কাজ করাতে হয়। বৌয়ের অনুরোধ সে রাখে নি। গায়ের মুরূক্ষ বেটি মানুষ সে দিন দুনিয়ার কী বোঝে? একবার শেখের দেশে গেলে টাকা আর টাকা, সংসারের অনাটন ঘুচবে, মাইয়াটার ভালো বিয়ে দিতে পারবে, প্রতিবছর হজ করে যাপিত জীবনের নাজাত চাইবে, ওলীর দেশে অনেক রহমত এমনটাই বোঝাইছে বাকের আলী। বেটার অবশ্য দুর্নাম অনেক, পাশের গায়ের আমিনারে যে সৌদি পাঠাইল , বছর ঘুরতেই পেট বাঁধিয়ে বাড়ি ফিরল। স্বামী, ভাই দুইজনই খেদাইল। ঐ মাইয়ারও দোষ আছে, মাগী তুই বিদেশ গেছস, বুক ঢাইকা চলবি না? এসব ১৯-২০ ভাবতে ভাবতেই ভ্যানের চেনটা বাকেরগঞ্জ মুরগী ফার্মের সামনে পড়ল। মজিদ মিয়ার মেজাজ বিগ্রাইল। ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে সদরে না পৌঁছাইলে ঢাকার বাস ছেড়ে যাবে। ‘চুদির বেটা সদরের বাস হারাইলে পেলেনের ভাড়া তোর মাঙ্গের ভাতার দিবে ? ‘ টাইপের একটা গালি গলায় এসে আটকায়। নাহ, আজ কাউরে কিছু বলবে না। চেনটা ঠিক হইছে, আকিজ ভ্যানটা টানবেই এসময় পাগলি আমেনা রাস্তা আটকে পেশাব করতে লাগলো। যাওনের কালে এসব আচোদা কামে মজিদের মেজাজ বিগ্রাইল। আকিজ আমেনারে খানকি মাগী গাল দিয়ে রাস্তার থেকে খেদাইল। চরম বিরক্তি নিয়ে মজিদ ছেড়া পকেটে থাকা পাতার বিড়িটা ধরিয়ে তার বৌ, বাচ্চার কথা ভাবতে ভাবতে সদরে এলো। বাসটা ধরতে পারছে। হেলপারকে বকশিস দিয়ে বাচ্চা হাতিটাকে বাসের মাথায় তুলছে। এরমাঝে সকিনা কল দিয়ে আজমরে ধরায় দিছে। বাচ্চাটারে সকালে উঠতে দেখে নি ও। ছাপড়ি এক ভাতের হোটেলে ৫০ টাকায় ভাত ডাল খেয়ে বোরহান এর বাড়িতে উঠছে মজিদ। কালকে প্লেনটা ধরতে পারলেই তারে আর ঠেকায় কে? 
মাঝরাতে মজিদের বুকটা হটাৎ ভারী হয়ে এলো। কে যেনো ওর চোখটা চেপে মুখে নোংরা জাঙ্গিয়া পুরে দিছে। গলাটা চেপে ধরেছে আরেকটা হাত। যেনো শ্বাসনালিটা ছিড়ে ফেলবে এখুনি। মজিদ প্রাণপণে হাত পা ছুড়তে থাকে কিন্ত প্রচণ্ড ঘুমে সে তলিয়ে যায়। 
পরেরদিন মজিদ ফকফকা রোদে জেগে ওঠে। তার হাত পা বাঁধা। পেছনে একজন নিমের মাজুনি দিয়ে দাঁত ডলে মজিদের ঘাড়ে আঘাত করে বলতে থাকে, কিরে হামুন্দির বেটা, জিগাবি না আমি কে? আমি তোর নানীর হেডা। তোর টুনটুনির নাকি অনেক জোর। আজকে দেখবো। গলার স্বরটা পরিচিত মজিদের। এটা বোরহান্। বোরহান বলতে থাকে ‘ তোর বৌ চুদে খায়েস মেটে না, আমেনারে পোয়াতি করলি কেন?’ 
মজিদের মনে পড়ে বছর ২ আগের আমেনাকে, সকিনা তখন দেমাগে বাপের বাড়ি, মজিদ আর তার পোলা বাকেরগঞ্জ ফার্মে, মজিদ চৌকিদার কাদেরকে মালিকের সাথে দেখা করায় দিতে বলে। দিনটি ছিলো বর্ষাকাল । ঈশান কোনে জটলা দেখে আজমরে বাড়ি পাঠায় দেয় সে। কাদের তার বৌয়ের কথা জিগায়ে যৌবন জ্বালা বাড়িয়ে দেয়। হটাৎ দেখে আমেনাকে আক্কাসের ভ্যানে গ্রাম পার হচ্ছে। মজিদ কাদেরের হাতে একটা ৫০০ টাকার নোট ধরিয়ে ফিসফিসিয়ে কী যেন একটা বলতে থাকে…..
হটাৎ ব্যথায় কুকড়ে ওঠে মজিদ। বোরহান একটা হাতুড়ি দিয়ে মজিদের চোয়াল ভেঙ্গে দিয়েছে। সামনের একটা দাঁত  ছিটকে কয়েকফিট দূরে পড়েছে। জিব্বাটা নোনতা ঠেকে। গলায় রক্ত জমে অসাড় হয়ে আসতে চায়। বোরহান মজিদের প্যানট খুলে ফেলে………
সকিনার ধাক্কা ধাক্কিতে মজিদের ভোরের ঘুম ভেঙ্গে যায়॥ লুঙ্গীটা সামলে উঠতেই পানির কলসিতে উল্টে পড়ে সে। সকিনা শব্দ পেয়ে মজিদকে টেনে ওঠাতে আসে। সকিনার চেহারাটা বদলে যেতে থাকে। সকিনার গায়ে হাত দিতেই রাহেলার থাপ্পড়ে হুশ ফেরে তার। সকিনা সেই কবে বাপের বাড়ি গেছে, এর মাঝে কয় বসন্ত গেছে মজিদ জানে না। গ্রামের হাটটাকোটটা মজিদকেও কেউ ডরায় না। চ্যাংড়া পোলাপাইন তাঁকে খোজা মজিদ ডাকে। এসব ভেবেই মজিদের বেলা পার হয়।

বিকেলে মজিদের উঠোনে এক যুবক এসে রাহেলকে ডাকতে থাকে। রাহেলা উঠোনে গ্রামের ডাক্তার আনিসকে বসিয়ে মজিদকে নিয়ে যায়। আনিস আমেনার ছেলে। বুড়ো মজিদকে দেখে তার কোন প্রতিক্রিয়া হয় না। বরাবরের মতো মজিদের হাতে Equetro, Depakote, Lamictal এর তিনটে পাতা ধরিয়ে যায়। বৃদ্ধ মজিদ একটা পাতার বিড়ি ধরিয়ে আজমের কবরের উপর উড়তে থাকা একটা রঙিন প্রজাপতি দেখে দীর্ঘশাস ছাড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/202507/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Jun 2023 21:59:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রজাপতি</p>
<p>বাতাসে উড়ছে বিষণ্ণতা তুমি ভাবলে প্রজাপতি<br />
এবং লিখে ফেললে একটি ফিকে, করুণ কবিতা<br />
আকাশে উড়ছে যুদ্ধবিমান তুমি দেখলে পাখির ঝাঁক<br />
সেই লিখে ফেললে একাধিক উন্মাদ কবিতা<br />
তুমি বুলেটকে ভেবেছ লিপস্টিক<br />
বোমার ধোঁয়াকে মেঘ তাই শিশুদের ছেঁড়া হাত<br />
বুকফুটো মানুষ, বিধ্বস্ত হাসপাতাল কিছুই<br />
পড়েনি তোমার চোখে<br />
তোমাকে গর্ধব বললে পুরোটা বলা হল না<br />
ওয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-202507"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/202507/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">66d9b662677cae285a6ece2f23ae15b9</guid>
				<title>Old Spring

10 years later, when I confront you again on a distinctive street, you will take a glance at me in bemusement. I also grin at you. Your eyes will then be concealed with sturdy spectacles, and your hair may forfeit a bit of its density. Still, I will perceive you in that mind-blowing smug grin and the somber hair that has turned white. You too may feel me in the fragrance of my cigar, credentialed shirt and half white beard. Then perhaps there won&#039;t be the same simplistic discourse as a classmate. We will not be briefed by hand, &#039;Hey, what’s up?&#039; but we might converse like a guardian. There&#039;ll be an exhilaration of old memories along with the intense pain of losing an era. We&#039;ll then depart once more. But before disappearing, would there be a faint remnant of the nice feeling from before? Will you be glancing toward me with a youthful being&#039;s smirk and a desire to meet again? It certainly will be. And that embarrassing interaction will certainly draw the scars of another old spring in our lives</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/202506/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Jun 2023 21:58:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Old Spring</p>
<p>10 years later, when I confront you again on a distinctive street, you will take a glance at me in bemusement. I also grin at you. Your eyes will then be concealed with sturdy spectacles, and your hair may forfeit a bit of its density. Still, I will perceive you in that mind-blowing smug grin and the somber hair that has turned&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-202506"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/202506/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e9e7e0d01e753c9033ec6821c44e719b</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193781/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Feb 2023 18:41:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f89b0a863611bd7a851090d75d78a2da</guid>
				<title>নোনা গন্ধ

মেয়ে শরীরের প্রতি আমার আকর্ষণ তীব্র। একদম ছোটবেলা থেকে। শরীর যখন থেকে শরীর চেনা শুরু করেছে। সেই তখন থেকেই। সবচে ভাল লাগে ওদের চুলের গন্ধ। গায়ের গন্ধও। এক মাইল দূর থেকেও আমি বুঝতে পারি কার শরীরের গন্ধ গায়ে মাখতে আরাম হবে। একদম কাছে গেলেই আমি মাতাল হয়ে যাই। সব গন্ধ ছাপিয়ে একটা গন্ধই শক্তিশালী হয়ে উঠে। এক টুকরো মাংসের গন্ধ।

গুলশান থানায় বসে আছি। ঘন্টা তিনেক পার হয়ে গেছে। ওসি সাহেব বার বার উঠে গিয়ে সিগারেট খেয়ে আসছেন। বুঝতে পারছেন না কি করবেন। দুইজন এস আই দাঁড়িয়ে আছে। ওদেরকে বলে দেয়া হয়েছে কোনভাবেই যেন বাইরে একটা শব্দও বের না হয়। দরজার বাইরেও একজন এস আই দাঁড়িয়ে আছে। কোন সিপাহী এই রুমে এখন ঢুকতে পারবে না।

আমার সারা গায়ে রক্ত লেগে আছে। ফিনফিনে সাদা শার্ট দেখলে কেউ বুঝবে না এটা সাদা ছিল। আমার গাড়িতেও রক্ত ভরে আছে। গাড়ির রঙটাও সাদা। লোকে আমাকে সাদা মনের মানুষ বলে জানে। মানে। সব সময় সাদা কাপড় পরি। বয়স ষাটের কাছে হলেও শরীর পেটানো। সারা জীবন ব্যায়াম করেছি। নানান ধরণের ব্যায়াম। আমি জানতাম ব্যায়াম না করলে শরীর ঠিক থাকবে না। কোন কিছুই খেয়ে আরাম পাবো না।

ওসি সাহেব এর আগে কবে আইজি সাহেবের সাথে কথা বলেছেন মনে করতে পারছেন না। উনার অবস্থা দেখে আমার সন্দেহ হচ্ছে আদৌ কোনদিন উনি আইজির সাথে কথা বলেছেন কিনা! গুলশান জোনের ডিসি হয়ে ঢাকার পুলিশ কমিশনার পার হয়ে আইজির কাছে খবর চলে গেছে। আইজি সরাসরি ওসিকে কল করে বলেছেন দরকার হলে থানার গেট বন্ধ করে রাখা হোক। তবু এই খবর যেন বাইরে না বের হয়। এক শব্দও না।

আইজি সাহেব প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দেবেন।

দেশটার যে ইদানিং কী হোল! সব ব্যাপারে এদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে হয়। সিদ্ধান্ত যা হওয়ার সেখানই হয়। বাকি সারা দেশ সেই সিদ্ধান্ত পালন করে কেবল। আমার মাঝে মাঝেই মনে হয় এত বড় সরকার যন্ত্র রেখে লাভ কী?

যাই হোক, এই সবকিছুরই উত্তর আমি জানি। বলি না। সব বলতে নেই। এই মন্ত্র শিখে ফেলেছি বলেই আজ আমাকে বাঁচানোর জন্যে থানাও বন্ধ করে দেয়া হয়। যদিও আমি তিনটুকরা তাজা মাংস কেটে যত্ন করে একটা আড়ং এর ব্যাগে ভরে নিয়ে এসেছি। বাসায় অনেক খুঁজেও পলিথিন ব্যাগ পাইনি। সরকার যে কী নিয়ম করল কে জানে! পলিথিন এর ব্যাগ ইদানিং কোন আউটলেট দেয় না।

সবাই দেয় কাগজের ব্যাগ। আরে কাগজের ব্যাগ কি রক্ত আটকে রাখতে পারে? আমার গাড়িটা অযথা রক্তে ভরে গেল। সাদা ল্যান্ড ক্রুজার। সমস্যা নাই যদিও। ওই গাড়িটাই পুড়িয়ে ফেলবে নাকি। ওসি সাহেব বললেন। কোন সূত্র রাখা যাবে না।

বড় হয়েছি গ্রামে। স্কুল গ্রামেই। চেয়ারম্যান এর ছেলে। স্কুলে থাকতেই নারীর শরীর চিনতে শুরু করেছি। স্কুলে একটা রুম ছিল তালা মারা। নানান জিনিস রাখার জন্য। তালার চাবি ছিল পিয়নের কাছে। কেউ জানত না একটা নকল চাবি আমি বানিয়ে নিয়েছিলাম। চেয়ারম্যান এর ছেলে, পিয়ন নিষেধ করে চাকরী খোয়াতে চায়নি। গন্ধ আগেই নিতাম, ক্লাস নাইনে উঠার পর থেকেই গন্ধের মধ্যে নাক আর আমারে ডুবায় রাখতাম। ভাল কথা, আমারে বলতে আমি এখানে আমার শরীরের একটা অংশকেই বুঝিয়েছি। আমার চাওয়া-পাওয়া সব শরীরের ওই অংশের জন্যেই।

আমার সাঙ্গপাঙ্গ ছিল। অনেক। চেয়ারম্যানের ছেলেদের থাকতে হয়। তার উপরে আমি ছোটছেলে। রাতের আঁধারে আমরা কারো কারো বাড়িতে লুকায় থাকতাম। গ্রামের কোন কোন বাড়ির মেয়ে সুন্দর এইটা আমাদের জানা ছিল। গ্রামে টয়লেট ঘরের বাইরে থাকত তখন। অনেক বাড়িতে টয়লেটই থাকত না। মেয়েরা মাঝরাতের দিকে ঘর থেকে বাইর হইলেই আমরা ওদের গায়ের গন্ধ নিয়া নিতাম। গ্রামের অনেকেই জানত। কিন্ত কিছু কইতে পারত না। দুইটা মেয়ে পোয়াতী হইয়া গেছিল। তবু কাউরে কয় নাই। খালাসের খরচা গোপনে আমিই দিছিলাম।

কলেজ পার হয়ে আসলাম ঢাকায়। ভার্সিটিতে। এইসব করার কারণেই কিনা জানি না আমার মাথা ছিল পরিস্কার। লেখাপড়ায় বরাবর ভাল ছিলাম। ভার্সিটিতে এসেই বুঝে গেলাম ক্ষমতা কোন দিকে। যোগ দিলাম। ভাল করলাম। কোন কিছুর অভাব হলো না আর। যন্ত্র-টাকা... সব অঢেল। চাইলে মেয়েদের হলেও ঢুকতে পারতাম। একটু ট্রিক করতে হত যদিও। ঢুকতাম বোরকা পরে। এরপর আচমকা কোন একটা সিঙ্গেল রুমে ঢুকে যেতাম মাঝরাতে। বাইরে পাহারা থাকত। বের হতাম যখন তখন মেঝেতে রক্ত আর রুম জুড়ে নোনা বাস্প থাকত। বহু করেছি... বহু বহু। কোনদিন গুণে শেষ করতে পারব না। ইচ্ছাও নেই।

আমরা পাঁচ ভাই-বোন। আমি ছোট আগেই বলেছি। মনে রাখতে পেরেছেন!? বোন একদম বড়। তারপর ভাই। তারপর বাকি দুইজন বোন। দাদা বণিক ছিলেন। দশ গ্রামের সবচে সুন্দরী মেয়েকেই ঘরে তুলেছিলেন ছেলের বউ করে। আমার বোনদের সুন্দরের কথাও আশপাশের দশগ্রাম জানে। কিন্ত ওদের দিকে চোখ তুলে কেউ চাইতে পারেনি।

সেজো বোনটাকে একবার এক ইতর কলেজে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল। বড়ভাই ফোন করে আমাকে জানাল। ওইদিন বিকেলেই ঢাকা থেকে গিয়ে ওই হারামজাদার চোখ তুলে ফেলেছি। শুনেছি এখন কোথায় যেন ভিক্ষা করে শুয়োরটা। কত্তবড় সাহস আমার বোনের দিকে নজর দেয়!! সবাই জানত মফিজ চেয়ারম্যানের মেয়েরা হল লক্ষ্মী! সাক্ষাৎ!

ভার্সিটির একদম শেষ দিকে বুঝে গেলাম ক্ষমতার বদল হবে। বলেছিলাম না, আমার মাথা পরিষ্কার! দল বদলে ফেললাম।

আমাদের আসনেই আমাকে এমপি নমিনেশান দিয়ে দিল। দেশের সর্বকনিষ্ঠ এমপি হয়ে দেশ সেবার শপথ নিয়ে নিলাম।

দেশের সেবাই করতাম সারা দিন। শুধু রাতের বেলায় অল্প একটু গন্ধ না নিলে আমি শান্তি পেতাম না। আমার অফিসেই ব্যাবস্থা করে ফেললাম। আমার রুমে পাশেই একটা বেগুনী আলোর রুম বানিয়ে নিলাম। বেগুনী আলো প্রিয় আমার। কেমন যেন ঘোর লাগা। গন্ধ আরো তীব্র হয়ে উঠে এই আলোতে।

আমার মেয়েটা ভার্সিটিতে পড়ত। একটাই মেয়ে। আর বাচ্চা হতে পারেনি। মেয়ের মা বাচেনি। সব পত্রিকায় খবর এসেছিল মন্ত্রী সাহেবের বউ উচ্চ রক্তচাপের কারণে মারা গেছে। বালিশ চাপা দিয়েছিলাম আমি। কুত্তিটা আমাকে বলে কিনা, মেয়ে বড় হলে সব বলে দেবে! আমার মেয়ে...

আমার কলিজার টুকরা। আমি-ই ওকে বড় করেছি। ওর বাবা আমি, ওর মা-ও। অনেক আদর আর যত্নে বেড়ে উঠেছে আমার কলিজার টুকরা।

এক বন্ধুর পার্টিতে গিয়েছিল। একটা রেস্টুরেন্টে।

পুলিশ আমার মেয়ের লাশ নিয়ে এসেছিল ফেরত। রক্তাক্ত। সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে পাওয়া গেল দুই হারামজাদা আমার মেয়েটাকে একটা রুমে নিয়ে গেছে। এরপর শুয়োরের বাচ্চাগুলো টলতে টলতে ওই রুম থেকে বের হয়ে গেছে। আমার মেয়েটা বের হতে পারেনি।

আমার মেয়েটাকে ওরা মেরে ফেলেছে। আমার কলিজার টুকরাকে রক্তাক্ত করেছে। আমি ওর লাশের দিকে তাকাতে পারিনি। ওকে কবর দিয়ে এসেই রাস্তায় নেমেছি। আমি পাগল হয়ে গেছি। আমার মেয়েকে ওরা রক্তাক্ত করেছে।

ওদের ধরে এনে আমার বাংলোতে আটকে রেখে পুলিশ আমায় খবর দিয়েছিল। সাথে ওই রেস্টুরেন্টের মালিকটাকেও ধরে আনতে বলেছি। রেস্টুরেন্টে কেন আলাদা রুম থাকতে হবে?? কেন?

তিনটাকে চেয়ারে বসিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। আমার কলিজার টুকরাটা নাকি ওদের হুমকী দিয়েছিল, বলেছিল ওর বাবা মন্ত্রী। ও দুই হারামজাদাকে ছাড়বে না। এজন্য নাকি ওরা ওকে খুন করেছে। না হলে করত না।

আমার মাথা ঠান্ডা এখন। তিনজনের পেট চিরে তিনটা কলিজা আড়ং এর ব্যাগে ভরে থানায় নিয়ে এসেছি।

আমি বিচার চাই।

আমি বিচার চাই সবার, যারা নোনা গন্ধের পেছনে ছুটে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173190/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Nov 2022 11:58:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নোনা গন্ধ</p>
<p>মেয়ে শরীরের প্রতি আমার আকর্ষণ তীব্র। একদম ছোটবেলা থেকে। শরীর যখন থেকে শরীর চেনা শুরু করেছে। সেই তখন থেকেই। সবচে ভাল লাগে ওদের চুলের গন্ধ। গায়ের গন্ধও। এক মাইল দূর থেকেও আমি বুঝতে পারি কার শরীরের গন্ধ গায়ে মাখতে আরাম হবে। একদম কাছে গেলেই আমি মাতাল হয়ে যাই। সব গন্ধ ছাপিয়ে একটা গন্ধই শক্তিশালী হয়ে উঠে। এক টুকরো মাংসের গন্ধ।</p>
<p>গুলশান থ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173190"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173190/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">97417af1ecd4ba615c9559b1809aaed1</guid>
				<title>তিষ্ট ক্ষণকাল

মাঘ মাস
সেকেন্ডের কাঁটা থমকে। জীর্ন মধ্যমায় আক্রানো শেষ টানের ফিল্টারটা পাষাণ বৃদ্ধানগুলির মানচিত্র বদলে দেয়। ছায়া সত্তা বিসর্জন করে। চন্দ্রমাসের শেষ। মেঘের বুকে বিদ্ধ সূচ। প্রাচীর পলেস্তরা কালের গ্রাসের সাক্ষী। ময়ূরাক্ষি বয়ে চলে। বক্ষে তার কঙ্কাক্ষী সচ্ছতা। ফুটো টিনের দেয়াল ভেদ করে হারিকেন আলো আঁধার ঘোচাতে মত্ত। আকাঙ্ক্ষা তীব্র, প্রাচুর্যতা সীমিত। যন্ত্রণার আর্তনাদ অমাবশ্যা নীরবতায় রূপ নেয় দীর্ঘশাসে। পৌড় আপন মনে বাতিল পৃষ্ঠা গুলো দল পাকিয়ে ছুড়ে ফেলতে থাকে। স্মৃতস্বর হওয়ায় ভাসে-

নীল শাড়ি মোহন করি
উচ্ছলিতে দেখি পাশ।
কি আর পরানে সপিনু চরণে
দাস করি মনে আঁশ।

আঁধার ঘোচানোর সঙ্কল্পে আলো পরাজিত। ময়ূরক্ষী তীরে বুনফুলগুলো দমকা বাতাসে দুলে ওঠে। দীর্ঘশাস গুলো অসীম শূন্যতায় বিলীন। আচমকা অজানা আশঙ্কায় পৌড় বুনফুল গুলি মাড়িয়ে দেয়। এক অপরাধ বোধ তাকে গ্রাস করে। পর্ণকুটিরের প্রাচীর ভেদ করে এক নবযৌবনা ঘোমটা টেনে ফিসফিসিয়ে পৌড়কে অনুভূতিহীন অসাড় মানবে পরিণত করে। ঈসান কোণে মেঘ জমেছে। থমকে দীর্ঘশ্বাস গুলি জোড়া লাগতে থাকে। পৌড় কুটিরে প্রবেশ করে। বিষম আধারেও সে পরিষ্কার মুখোচ্ছবিকে হাত বুলিয়ে অনুভব করে। চাঁদের অমাবশ্যা। সেই মেয়েটিই। এক অনাগত অনিশ্চিৎ ভবিষ্যতের দাড়প্রান্তে পৌড় মসাল হাতে ময়ূরক্ষী তীরে বিধ্বস্ত দৃষ্টিতে দেখে, এক ছোট ডিঙ্গি নৌকা ভেসে চলে অজানা গন্তব্যে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/172936/</link>
				<pubDate>Mon, 07 Nov 2022 13:11:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তিষ্ট ক্ষণকাল</p>
<p>মাঘ মাস<br />
সেকেন্ডের কাঁটা থমকে। জীর্ন মধ্যমায় আক্রানো শেষ টানের ফিল্টারটা পাষাণ বৃদ্ধানগুলির মানচিত্র বদলে দেয়। ছায়া সত্তা বিসর্জন করে। চন্দ্রমাসের শেষ। মেঘের বুকে বিদ্ধ সূচ। প্রাচীর পলেস্তরা কালের গ্রাসের সাক্ষী। ময়ূরাক্ষি বয়ে চলে। বক্ষে তার কঙ্কাক্ষী সচ্ছতা। ফুটো টিনের দেয়াল ভেদ করে হারিকেন আলো আঁধার ঘোচাতে মত্ত। আকাঙ্ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-172936"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/172936/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>