<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Mahmudul Hasan | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mahmudulhasan1/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mahmudulhasan1/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Mahmudul Hasan.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 27 Oct 2026 22:04:21 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">f13414b9ac1e4c8b78d78902cf9f0554</guid>
				<title>আমি তখন মানুষের ভিড়ে
এক অদৃশ্য মানুষ—
নিজের ভেতরেই হারিয়ে যাওয়া এক নামহীন সত্তা।
মনের দেয়ালে ফাটল ধরেছিল,
বাস্তব আর বিভ্রম হাত ধরাধরি করে
আমাকে নিয়ে যাচ্ছিল অন্ধকারের দিকে।
আমি হাত বাড়িয়েছিলাম—
কারও কাছে নয়, মানুষের কাছে;
বলেছিলাম,
“একটু থামো, আমি পড়ে যাচ্ছি,
আমার হাতটা ধরো…”
কিন্তু তারা তখন ব্যস্ত—
সৌভাগ্যের সিঁড়ি বেয়ে উঠছে,
নিজের স্বপ্নের আকাশ ছুঁতে ছুঁতে
নিচে পড়ে থাকা মানুষটিকে ভুলে গেছে।
আমি দারে দারে গেছি—
ভালোবাসার ভিক্ষুক হয়ে,
এক ফোঁটা সহানুভূতির জন্য
হৃদয় পেতে দিয়েছিলাম।
শুনেছিলাম, মানুষের বুক ভরা প্রেম—
কিন্তু আমার জন্য
সেই দরজাগুলো ছিল বন্ধ, নীরব, অচেনা।
তারা ভালোবাসাকে মেপেছে দামে,
স্পর্শকে বানিয়েছে বাণিজ্য,
অন্ধকারের আড়ালে লেনদেন হয়েছে অনুভূতির—
আর আমি,
সেই বেচাকেনার নিচে চাপা পড়ে
হারিয়ে গেছি নিঃশব্দে।
তবুও আমি বলেছিলাম—
আমার সমস্ত শক্তি, সমস্ত সাধনা দিয়ে—
“আমি তোমাকে ভালোবাসি,
আমাকে বাঁচাও…”
আমার কণ্ঠ কেঁপেছিল,
কিন্তু পৃথিবী কাঁপেনি;
আমার চোখ ভিজেছিল,
কিন্তু কারও চোখে জল আসেনি।
সেদিন আমি দেখেছি—
মানুষের ভেতরের নীরবতা,
সাজানো মানবতার মুখোশ খুলে গেলে
কতটা নির্দয় হয় পৃথিবী।
তাই আজ আমি বলি—
আমি ঘৃণা করি সেই মানবতাকে,
যা শুধু কথায় বেঁচে থাকে,
কাজে নয়।
তবুও—
আমি নিষ্ঠুর নই।
আমার দগ্ধ হৃদয়ের গভীরে
এখনো ভালোবাসা বেঁচে আছে—
অগ্নির ভেতরেও যে নিভে না,
অন্ধকারের মাঝেও
যে আলো হয়ে জ্বলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248688/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 21:30:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি তখন মানুষের ভিড়ে<br />
এক অদৃশ্য মানুষ—<br />
নিজের ভেতরেই হারিয়ে যাওয়া এক নামহীন সত্তা।<br />
মনের দেয়ালে ফাটল ধরেছিল,<br />
বাস্তব আর বিভ্রম হাত ধরাধরি করে<br />
আমাকে নিয়ে যাচ্ছিল অন্ধকারের দিকে।<br />
আমি হাত বাড়িয়েছিলাম—<br />
কারও কাছে নয়, মানুষের কাছে;<br />
বলেছিলাম,<br />
“একটু থামো, আমি পড়ে যাচ্ছি,<br />
আমার হাতটা ধরো…”<br />
কিন্তু তারা তখন ব্যস্ত—<br />
সৌভাগ্যের সিঁড়ি বেয়ে উঠছে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248688"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248688/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17a6811e6195c13f9c9a23020dcf66cc</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248401/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 03:43:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">589a6bc590d0d5743e492d330a4bd3d2</guid>
				<title>শৈশবের স্মৃতিগুলো অমূল্য। আজকের শিশু যে সুখকর মুহূর্তগুলোর মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে, সেগুলোই একদিন হয়ে ওঠে মধুর স্মৃতি। ঘটনা শেষ হয়ে যায়, কিন্তু স্মৃতি মধুর হয়ে বেঁচে থাকে চিরকাল। আজকের ঘটনাটি নগণ্য নয়, এটি আমাকে অনেক ভাবিয়েছে। কোনো আনুষ্ঠান নয়, কোনো উৎসব নয় — তবু আমাদের মাদ্রাসার চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রদের কাছে আজকের এই মুহূর্তটি ছিল আনন্দময়।মাগরিবের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে ছাত্ররা যার যার পড়ার স্থানে যাচ্ছিল। আমি দোতলায় গেলাম বিশেষ জামাতের বাংলা বই আনতে — পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করব বলে। দরজায় গিয়ে শুনলাম ছেলেদের হৈ-হুল্লোড়। তখনো কোনো ওস্তাদ আসেননি। বিশাল কক্ষটিতে একটি পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে।
দৃশ্যটি দেখে মনে পড়ে গেল আমার শৈশবের পাখিময় দিনগুলোর কথা।
এ মুহূর্তটি ধমক দেওয়ার নয়, কিংবা শাসন করার নয়। তারা যে আনন্দ পাচ্ছে, তা কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারো নেই। তাই আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। দেখলাম — পাখিটি এদিক-ওদিক উড়ছে, আর ছেলেগুলো তার পিছু ছুটছে।
আমি শুধু বললাম, &quot;পাখিটাকে বাইরে বের করে দাও। ওটাকে মেরো না।&quot;
কয়েকজন ছাত্র সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, &quot;না স্যার, ওটাকে মারব না। আমরা পাখিটাকে বাঁচাতে চাই।&quot;
কথাগুলো শুনে মন আশ্বস্ত হলো। পাখি বিষয়ে নবীজির (সা.) অনেক শিক্ষা রয়েছে। তারা সেই নববী শিক্ষায় শিক্ষিত — এটা বুঝতে পারলাম। লক্ষ করলাম, কক্ষের সবগুলো পাখা তারা আগেই বন্ধ করে দিয়েছিল — যাতে পাখায় লেগে পাখিটি আহত না হয়।
ছোট ছোট এই ছেলেগুলো কত মানবিক! তারা পাখিটিকে বাইরে বের করে দিতে চাইছে, কিন্তু পাখিটি অবুঝ — সে এদিক-সেদিক ছুটে বেড়াচ্ছে।
আমি দেখলাম তাদের মাঝে মানবতা, আর দেখলাম উপচে পড়া আনন্দ ও হর্ষ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248393/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 23:26:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শৈশবের স্মৃতিগুলো অমূল্য। আজকের শিশু যে সুখকর মুহূর্তগুলোর মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে, সেগুলোই একদিন হয়ে ওঠে মধুর স্মৃতি। ঘটনা শেষ হয়ে যায়, কিন্তু স্মৃতি মধুর হয়ে বেঁচে থাকে চিরকাল। আজকের ঘটনাটি নগণ্য নয়, এটি আমাকে অনেক ভাবিয়েছে। কোনো আনুষ্ঠান নয়, কোনো উৎসব নয় — তবু আমাদের মাদ্রাসার চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রদের কাছে আজকের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248393"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248393/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>