<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Mahzabin-Shanta | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mahzabin-shanta/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mahzabin-shanta/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Mahzabin-Shanta.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 09:42:42 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">e1fe70604c55e139acb7f685aca51477</guid>
				<title>Mahzabin-Shanta and mr.architect are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/132335/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Aug 2022 11:18:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f62b91fc45b4de8704e531beb0e04d73</guid>
				<title>Mahzabin-Shanta and Halima-Moly are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131013/</link>
				<pubDate>Thu, 11 Aug 2022 02:58:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a1954e6e550a6bbc44d1c31c896b6a91</guid>
				<title>মা
মা যখন শেষবারের মতো হাসপাতালে গেলো,
আমি তখন সবেমাত্র প্রাথমিকের গন্ডি পেরিয়েছি।
শীর্ণ হাতদুটি দিয়ে মা যখন আমায় জড়িয়ে ধরলো নীল শিরাগুলো যেন চামড়া ফুড়ে বেরিয়ে যেতে চাইছিলো।
মা শেষবারের মতো আমার কপালে চুমু এঁকে দিয়েছিলো।
আর চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পুরো বাড়িটা খুব ভালোমত দেখে নিচ্ছিলো যেন আর কোনদিন দেখার সুযোগ পাবেনা।
গেলো বছর শ্রাবণ মাসের এক বর্ষণমুখর দুপুরে মায়ের মুখের হাসি উবে গিয়েছিলো।
বাবা টেষ্ট রিপোর্ট গুলো মায়ের হাতে দিতেই মায়ের মুখে জমেছিলো শ্রাবনের মেঘ আর চোখ দুটিতে জমা হয়েছিলো বৃষ্টির পানির মতোই স্বচ্ছ টলটলে পানি।
এরপর শ্রাবণ ফুরিয়ে ভাদ্র এলো,পৌষ গেলো ,মাঘ এলো,চলেও গেলো কিন্তু মায়ের মুখের মেঘ কাটলো না।
মায়ের শরীর দিন দিন ভেঙ্গে পড়তে লাগলো।
অল্পতেই হাপিয়ে যেত।
আমি দৌড়ে গিয়ে যখন মায়ের বুকে ঝাপিয়ে পড়তাম, মায়ের বুকটা ধড়ফড় করে উঠতো।
শ্বাস পড়তো খুব জোরে জোরে।
আমি অস্থির হয়ে উঠতাম।
বাবা জোর করে আমাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যেত।
দাদীর কাছে যেদিন জানতে পারলাম মায়ের রক্ত নাকি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সেদিন বাবার কাছে গিয়ে খুব অনুরোধ করেছিলাম আমার সব রক্ত নিয়ে মাকে যেন ভালো করে দেয়।
বাবা বলেছিলো আমার রক্ত নিলেও নাকি মা আর ভালো হবেনা!
মায়ের মুখের সেই হাসি ফিরে এসেছিলো ঠিক এক বছর পরে, শ্রাবণ মাসের আরেক বর্ষণমুখর দুপুরে।
সাদা চাদরে ঢাকা আমার মাকে এম্বুলেন্স থেকে নামানো হয়েছিলো।
মাকে যখন কাফন পরিয়ে আনা হলো মায়ের মুখ থেকে যেন হাসি সরছিলোনা।
মা আমাকে বুকে জরিয়ে আদর করার সময় যেরকম মিটিমিটি হাসতো ঠিক সেরকম হাসি।
মায়ের তেলতেলে মুখ থেকে যেন আলো ঠিকরে পড়ছিলো।
কে বলবে যে এই শরীরটাই এতদিন যমের সাথে যুদ্ধ করছিলো?
নিজে কে সামলে নিতে আমার বেশ সময় লাগলো।
মায়ের হাতের মাখা ভাতের অভাবে যে শরীরটা আগেই লিকলিকে হয়ে গিয়েছিলো মায়ের মৃত্যুতে তা আরো ভেঙ্গে পড়লো।
শুনেছি আমি নাকি আবার মায়ের হাতের মাখা ভাত খেতে পারবো।
আমার আবার তরতাজা হবার আশায় সবাই বেশ খুশি।
আচ্ছা,তরতাজা হয় কিভাবে?
শরীরটা প্রস্থে বাড়লে,গালগুলো ফুলে উঠলে,চোখের কালি উবে গেলেই বুঝি মানুষ তরতাজা হয়?
তবে তো পাড়ার মোড়ে বসে বিড়বিড় করে কথা বলা পাগলীটাও বেশ তরতাজা!
লোকে যা খাবার দেয় তা দিব্যি খেয়ে নেয়।
শুনেছি ওর স্বামী নাকি ওর সামনেই ট্রেনে কাটা পড়েছিলো। এরপর থেকেই ওর মনের অসুখ।
দাদীর ধারণা আমারও মনের অসুখ করেছে।
মায়ের গন্ধ পেলেই ভালো হয়ে যাবো।
বাবার এখন আর মায়ের জন্য আগের মতো মন খারাপ করেনা।
বাবা নতুন সঙ্গী পাবে,দাদী পাবে বউমা।
আমিই শুধু আমার মা পাবোনা।
আমার এখন পাড়ার মোড়ে বসে পাগলীটার সাথে খুব ভাব জমাতে ইচ্ছে করে।
আমিও হয়তো তাহলে একদিন পাগলীটার মতো তরতাজা হয়ে যাবো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/130162/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Aug 2022 12:53:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মা<br />
মা যখন শেষবারের মতো হাসপাতালে গেলো,<br />
আমি তখন সবেমাত্র প্রাথমিকের গন্ডি পেরিয়েছি।<br />
শীর্ণ হাতদুটি দিয়ে মা যখন আমায় জড়িয়ে ধরলো নীল শিরাগুলো যেন চামড়া ফুড়ে বেরিয়ে যেতে চাইছিলো।<br />
মা শেষবারের মতো আমার কপালে চুমু এঁকে দিয়েছিলো।<br />
আর চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পুরো বাড়িটা খুব ভালোমত দেখে নিচ্ছিলো যেন আর কোনদিন দেখার সুযোগ পাবেনা।<br />
গেলো বছর শ্রাবণ মাসের এক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-130162"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/130162/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6005760f0e34b8fbf12c8da2746068c2</guid>
				<title>দিদি
আমাদের বাড়ির উঠোনে যে রক্তকরবী গাছটা রয়েছে
দিদি ছিল ঠিক সেইরকম।
রক্তকরবীর মতোই টকটকে সুন্দরী।
ঠাকুমা তাই রক্তকরবীর সাথে মিলিয়ে নাম দিয়েছিলো করবী।
আর বাবা ডাকতো বুড়ি।
আমি যেদিন জন্মালাম সেদিনই মায়ের আয়ু ফুরোলো।
সবাই যখন আমায় অপয়া বলে আতুর ঘরে ফেলে রাখলো দিদি তখন কোলে তুলে নিলো।
তখন দিদি খুব ছোট।
কিন্তু অল্পদিনেই আমার মা হয়ে উঠলো।
ধীরে ধীরে আমি যেন দিদির খেলার পুতুল হয়ে গেলাম।
পুতুল হাসলে দিদির চোখ খুশিতে
চিকচিক করে উঠতো আর কাঁদলে
দিদি ও কেঁদে বুক ভাসাতো।
ঠাকুমা সব দেখতো আর বলতো,”পাগল মেয়ে একটা!দুদিন বাদে যাকে শ্বশুরবাড়ি যেতে হবে তার এতো মায়া বাড়িয়ে কি লাভ?”
দিদির মুখে তখন মেঘ জমতো,চোখ দুটো
হতো আগুন লাল।
আর আমি তারস্বরে চেচিয়ে উঠে বলতাম,”দিদিকে আমি কোথাও যেতে দিবোনা,যে নিয়ে যাবে তাকে গুলি করে মারবো!,তোমার মুখে নিমপাতা পড়ুক!”
কথা শুনে ঠাকুমা হেসে গড়িয়ে পড়তো।
আমি আর দিদি মিলে সারাদিন খুব মজা করতাম।
সারা গ্রামে টইটই করে ঘুরে বেড়াতাম।
পুকুরে স্নানের সময় গামছা দিয়ে ছেঁকে পুটি মাছ ধরতাম।
অন্যের গাছ থেকে কাঁচা আম চুরি করে এনে
নুন মরিচ মেখে খেতাম।
রেলগাড়ি যখন কালো ধোয়া ছেড়ে হুস করে বেড়িয়ে যেত
আমরা তখন রেলগাড়ির সাথে পাল্লা দিয়ে দৌড়াতাম।
কত মধুর ছিলো সেই দিনগুলো!
একদিন বিকেলে দিদি যখন সবে সুগন্ধী তেলের শিশি নিয়ে আমার মাথায় তেল দিতে বসলো,বাবা এক হাড়ি মিষ্টি নিয়ে এসে ঠাকুমার হাতে দিলো।
দিদির নাকি বিয়ে পাকা হয়ে গিয়েছে!
কিন্তু কি আশ্চর্য! দিদির মুখ সেদিন ভার হলোনা,চোখ লাল হলোনা।
তার দিন দশেক পরে এক গোধূলী লগ্নে ঠাকুমার মুখে ফুলচন্দন পড়লো।
দিদি সেদিন লাল বেনারসী তে সাজলো ।
কপাল জুড়ে আঁকা হলো কুমকুমের আল্পনা।
ঠিক যেন সত্যিকারের রক্তকরবী ফুল!
জন পঞ্চাশেক বরযাত্রী নিয়ে পালকিতে চড়ে দিদি শ্বশুরবাড়ি চলে গেল।
তীব্র অভিমানে আমি সেদিন দোর লাগিয়ে অনশন করেছিলাম।
দিদি যাওয়ার সময় বন্ধ দোরের বাইরে থেকে বলে গিয়েছিলো,”খুকু! আমার উপর অভিমান করিসনা।লক্ষী মেয়ে হয়ে থাকবি।আমি কয়েকদিন পরে নাইওর আসবো।”
সেই কয়েকদিন শেষ হলো দেড় বছর পরে।
দিদি সারা জীবনের জন্য বাপের বাড়িতে নাইওর চলে আসলো।
ততদিনে দিদির কোল জুড়ে একটা ছোট্ট পুতুল এসে গেছে।
দিদির মেয়ের যেদিন মুখেভাতের অনুষ্ঠান সেদিন জামাইবাবু গলায় ভাত আটকে ঈশ্বরের কাছে চলে গেলেন।
দিদির শ্বশুর,শ্বাশুড়ী ছেলের শেষকৃত্য শেষ হতে না হতেই বউমা আর নাতনীকে ঘর থেকে নামিয়ে দিলেন।
“যে মেয়ের মুখেভাতের অনুষ্ঠানের দিনই তার বাবা মারা যায় সে অবশ্যই অপয়া,বাকি দিন থাকলে আর কাকে কাকে যে গিলে খাবে তার কি কোন ঠিক আছে!”
দিদি এখন সাদা থান পরে।
শিউলি ফুলের সুবাস মাখানো যেন সে থান।
নিরবতা এখন দিদির প্রিয় সঙ্গী।
ইদানীং ছোট্ট পুতুলটাকেও কাছে ঘেষতে দেয়না।
কি জানি! দিদি ও কি তবে পুতুলটাকে অপয়া ভাবে?
আমার এখন অনেক দায়িত্ব।
পুতুল এখন মাসি বলতে অজ্ঞান।
মাসি ছাড়া একদন্ড ও তার চলেনা।
অনেক বছর আগে অপয়া ভেবে ফেলে রাখা মেয়েটিকে যে কোলে তুলে নিয়েছিল তারই মেয়েকে আমি ফেলে রাখি কি করে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/129702/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Aug 2022 09:38:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দিদি<br />
আমাদের বাড়ির উঠোনে যে রক্তকরবী গাছটা রয়েছে<br />
দিদি ছিল ঠিক সেইরকম।<br />
রক্তকরবীর মতোই টকটকে সুন্দরী।<br />
ঠাকুমা তাই রক্তকরবীর সাথে মিলিয়ে নাম দিয়েছিলো করবী।<br />
আর বাবা ডাকতো বুড়ি।<br />
আমি যেদিন জন্মালাম সেদিনই মায়ের আয়ু ফুরোলো।<br />
সবাই যখন আমায় অপয়া বলে আতুর ঘরে ফেলে রাখলো দিদি তখন কোলে তুলে নিলো।<br />
তখন দিদি খুব ছোট।<br />
কিন্তু অল্পদিনেই আমার মা হয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-129702"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/129702/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>