<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মোঃ আশেকী এলাহী | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/md-asheki-elahi/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/md-asheki-elahi/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মোঃ আশেকী এলাহী.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 14:29:09 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">e05b062988ab5811b249829ece16a2ca</guid>
				<title>কোন এক নদীর ধারে একটি ছোট্ট গ্রাম ছিল। গ্রামের লোকেরা নদীর স্রোত দেখে মুগ্ধ হত। সেই গ্রামেরই একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি বললেন, &quot;নদীর স্রোত আমাদের জীবনের মতো। এটি কখনো থামে না, শুধু এগিয়ে চলে। বাস্তবতা হলো, সময় আমাদের জন্য থামে না, আমাদের উচিত সময়ের স্রোতের সাথে তাল মিলিয়ে চলা।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/218529/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Aug 2024 04:23:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কোন এক নদীর ধারে একটি ছোট্ট গ্রাম ছিল। গ্রামের লোকেরা নদীর স্রোত দেখে মুগ্ধ হত। সেই গ্রামেরই একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি বললেন, &#8220;নদীর স্রোত আমাদের জীবনের মতো। এটি কখনো থামে না, শুধু এগিয়ে চলে। বাস্তবতা হলো, সময় আমাদের জন্য থামে না, আমাদের উচিত সময়ের স্রোতের সাথে তাল মিলিয়ে চলা।&#8221;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5b98a151c64b85f9c0e713007d628483</guid>
				<title>একবার এক দার্শনিক এবং তার শিষ্য একটি পাহাড়ের উপর বসে ছিল। শিষ্য জিজ্ঞাসা করল, &quot;গুরু, সত্য কোথায়?&quot; গুরু বললেন, &quot;সত্য এখানে রয়েছে, আমাদের চারপাশে, কিন্তু তা অদৃশ্য। আমরা যা দেখি, তা সত্যের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। বাস্তবতা হলো, সত্য সব সময় আমাদের সামনে থাকে, কিন্তু আমাদের চোখ সেটিকে ধরতে পারে না।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/218451/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Aug 2024 06:44:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একবার এক দার্শনিক এবং তার শিষ্য একটি পাহাড়ের উপর বসে ছিল। শিষ্য জিজ্ঞাসা করল, &#8220;গুরু, সত্য কোথায়?&#8221; গুরু বললেন, &#8220;সত্য এখানে রয়েছে, আমাদের চারপাশে, কিন্তু তা অদৃশ্য। আমরা যা দেখি, তা সত্যের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। বাস্তবতা হলো, সত্য সব সময় আমাদের সামনে থাকে, কিন্তু আমাদের চোখ সেটিকে ধরতে পারে না।&#8221;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">40a6397eb044796561eb977e5d7cd1a8</guid>
				<title>লালন ফকির বলেছিলেন, &quot;সবাই বলে লালন কি জাতের ছেলে? লালন বলে জাতের কী রূপ দেখলাম না এই নজরে।&quot; অর্থাৎ, মানুষের মধ্যে বিভেদ, জাত, পেশা বা সম্প্রদায় নিয়ে চিন্তা না করে, আমাদের উচিত মানুষকে মানুষ হিসেবে গ্রহণ করা। বাস্তবতা হলো, আমরা সবাই এক, একেই সবকিছু।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/218450/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Aug 2024 06:36:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লালন ফকির বলেছিলেন, &#8220;সবাই বলে লালন কি জাতের ছেলে? লালন বলে জাতের কী রূপ দেখলাম না এই নজরে।&#8221; অর্থাৎ, মানুষের মধ্যে বিভেদ, জাত, পেশা বা সম্প্রদায় নিয়ে চিন্তা না করে, আমাদের উচিত মানুষকে মানুষ হিসেবে গ্রহণ করা। বাস্তবতা হলো, আমরা সবাই এক, একেই সবকিছু।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b0f07d75c3b8de6caa6bb8bf3058fae1</guid>
				<title>আয়না:
এক রাজা তার প্রাসাদে একটি বিশাল আয়না বসালেন। আয়নাতে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে তিনি খুব খুশি হলেন। কিন্তু এক সময় তিনি বুঝতে পারলেন, আয়নাটি সবকিছু প্রতিফলিত করে, এমনকি তার দুঃখ-কষ্টও। তখন তিনি উপলব্ধি করলেন, জীবনের বাস্তবতা এমনই, যাকে আয়না যেমন প্রতিফলিত করে, বাস্তবতাও তেমনই প্রতিফলিত হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/218414/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Aug 2024 11:28:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আয়না:<br />
এক রাজা তার প্রাসাদে একটি বিশাল আয়না বসালেন। আয়নাতে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে তিনি খুব খুশি হলেন। কিন্তু এক সময় তিনি বুঝতে পারলেন, আয়নাটি সবকিছু প্রতিফলিত করে, এমনকি তার দুঃখ-কষ্টও। তখন তিনি উপলব্ধি করলেন, জীবনের বাস্তবতা এমনই, যাকে আয়না যেমন প্রতিফলিত করে, বাস্তবতাও তেমনই প্রতিফলিত হয়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">926005b320f9485aafde51fcf393d5b5</guid>
				<title>ছায়া ও আলো:

এক ব্যক্তি নিজের ছায়া দেখে খুব চিন্তিত ছিল। সে ভাবছে ছায়া তাকে অনুসরণ করছে। এভাবে চিন্তা করতে করতে সে এক সময় সিদ্ধান্ত নেয় যে ছায়া থেকে পালাতে হবে। সে দৌড়াতে শুরু করে, কিন্তু ছায়া তাকে ছাড়ছে না। তখন সে বুঝতে পারে যে ছায়া থেকে পালাতে চাইলে আলো থেকে দূরে যেতে হবে। অর্থাৎ, সত্যিকার বাস্তবতা থেকে পালাতে চাইলে সবকিছু থেকে পালানো সম্ভব নয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/218395/</link>
				<pubDate>Wed, 31 Jul 2024 20:48:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছায়া ও আলো:</p>
<p>এক ব্যক্তি নিজের ছায়া দেখে খুব চিন্তিত ছিল। সে ভাবছে ছায়া তাকে অনুসরণ করছে। এভাবে চিন্তা করতে করতে সে এক সময় সিদ্ধান্ত নেয় যে ছায়া থেকে পালাতে হবে। সে দৌড়াতে শুরু করে, কিন্তু ছায়া তাকে ছাড়ছে না। তখন সে বুঝতে পারে যে ছায়া থেকে পালাতে চাইলে আলো থেকে দূরে যেতে হবে। অর্থাৎ, সত্যিকার বাস্তবতা থেকে পালাতে চাইলে সবকিছু থেকে পালানো সম্ভব নয়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cb4bb769b2a00dfd8634b9451048333e</guid>
				<title>মোঃ আশেকী এলাহী changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/218371/</link>
				<pubDate>Wed, 31 Jul 2024 11:52:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">03123231036a86917b92a9db428b0c06</guid>
				<title>জীবনে কত শত ঘটনা ঘটে আমরা সব কিছু কি লিখি!!! 
কত কিছু লিখতে ইচ্ছে করে। লিখি আবার মুছে দেই। ফের লেখি। আবার মুছে ফেলি।&#039;অনেক কথায় বলতে ইচ্ছা হয়। কিন্ত বলা হয় না,  মনে হয়, &quot;কি দরকার&quot;! যেমন চলছে চলুক না!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/218369/</link>
				<pubDate>Wed, 31 Jul 2024 11:48:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনে কত শত ঘটনা ঘটে আমরা সব কিছু কি লিখি!!!<br />
কত কিছু লিখতে ইচ্ছে করে। লিখি আবার মুছে দেই। ফের লেখি। আবার মুছে ফেলি।&#8217;অনেক কথায় বলতে ইচ্ছা হয়। কিন্ত বলা হয় না,  মনে হয়, &#8220;কি দরকার&#8221;! যেমন চলছে চলুক না!!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">52db8656eb31298f603e5e5569566403</guid>
				<title>মোঃ আশেকী এলাহী and ঈশিতা ঈরু are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/203241/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Jul 2023 18:56:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">99a7998e3c0f69ef3565593c170f984b</guid>
				<title>&quot;সার্কেল&quot;

ছোট বেলায় একটা জিনিস খুব কমন ছিল, যেই ছেলের ব্যাট/বল থাকবে তাকে খেলতে সবাই নিবে, এমনকি তাকে ক্যাপ্টেন ও বানাতে প্রস্তুত। সে খেলতে পারুক আর না পারুক। অথচ সেই ছেলেটি বাদ পড়ে যার ব্যাট/বল কিছুই নাই। কিন্তু সে অনেক ভালো খেলে। সেই অদক্ষ লোভ দেখানো খেলোয়াড় ঘিরে তৈরী হয় &quot;সার্কেল&quot;। 

আবার দেখা যায়,  আপনার দামি বাইক আছে কিংবা দামি গাড়ি অথবা দামি ক্যামেরা। সেখানেও তৈরী হবে &quot;সার্কেল&quot;। বাইকার সার্কেল, ফটোগ্রাফার সার্কেল। 

আপনার যদি বাইক/গাড়ি/ক্যামেরা না থাকে তাহলে আপনি কোনভাবেই সেই সার্কেল এ ঢুকতেই পারবেন না। কখনোই না।

আবার,

আর একধরনের সার্কেল এর সৃষ্টি হয়, সেটা হল বড় শহর এবং মফস্বল শহর। আপনি যদি মফস্বল শহর থেকে এসে বড় (রাজধানী) শহর এর সার্কেল এ মিশতে চান আপনি পারবেন না। কোনভাবেই না। 

এসব সার্কেল এ মিশতে গেলে আপনাকে লেভেল মেনে চলতে হবে। কত কত সার্কেল যে তৈরী হয় তার হিসাব নাই। অদ্ভুত ব্যাপার। 

এছাড়া আরো একটি সার্কেল আছে সেটি হল এলাকা ভিত্তিক। নিজ নিজ জেলার মধ্যেও গড়ে উঠেছে নানা রকম সার্কেল। কোন কাজের সুযোগ আসলে নিজ সার্কেল এর বাইরে অন্য কেউই ই সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারবে না। তারাই সুযোগ দিবে না।

এবার আছি কর্মক্ষেত্রে, সেটা তো আর এক ব্যপার। যত তেল মারতে পারবেন আপনি তত সমাদৃত হবেন। মূল্যায়ন পাবেন, সে আপনার যোগ্যতা থাকুক আর নাই থাকুক। আপনার বড় যোগ্যতা আপনার তেল মারার ক্ষমতা।  যারা তেল মারতে পারবে না তারা বাতিলের খাতায় লিস্টের প্রথমে থাকে। 

আজ পর্যন্ত আমার কোন সার্কেল হলো না। না শৈশবে, না কৈশোরে, না যৌবনে। সারা জীবন একাই থেকে গেলাম। রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের মত একক ব্যক্তিদের জন্যই হয়তো লিখেছিলেন, 
&quot; যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, 
তবে একলা চলো রে&quot;। 

হ্যাঁ একলাই চলছি আর দূর থেকে এসব সার্কেলগুলো কে দেখছি। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছি, এখনও হচ্ছি।

কিছু মানুষের সার্কেল হয় না। হয় একাকিত্ব। একাকী জীবন যাপন করতে হয়।

এটাই হয়তো তার নিয়তি।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/171632/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Nov 2022 18:59:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;সার্কেল&#8221;</p>
<p>ছোট বেলায় একটা জিনিস খুব কমন ছিল, যেই ছেলের ব্যাট/বল থাকবে তাকে খেলতে সবাই নিবে, এমনকি তাকে ক্যাপ্টেন ও বানাতে প্রস্তুত। সে খেলতে পারুক আর না পারুক। অথচ সেই ছেলেটি বাদ পড়ে যার ব্যাট/বল কিছুই নাই। কিন্তু সে অনেক ভালো খেলে। সেই অদক্ষ লোভ দেখানো খেলোয়াড় ঘিরে তৈরী হয় &#8220;সার্কেল&#8221;। </p>
<p>আবার দেখা যায়,  আপনার দামি বাইক আছে কিংবা দামি গাড়ি অথবা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-171632"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/171632/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">003e856a6d7b23fe6af611e0f83a8faa</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/171279/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Nov 2022 16:47:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5959ea5129dd71346d8db0bb68cab0f5</guid>
				<title>মোঃ আশেকী এলাহী and Kazi Adam are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/169915/</link>
				<pubDate>Mon, 31 Oct 2022 10:10:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">689ff444bb92750df59464f1ff0ca800</guid>
				<title>মোঃ আশেকী এলাহী and শিউলি চক্রবর্তী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/169912/</link>
				<pubDate>Mon, 31 Oct 2022 09:55:48 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a3b1184922c8e06f2b2b505364fd98c</guid>
				<title>কিছু কিছু সম্পর্ক কখনোও কখনোও ভাড়া বাড়ির মতো, যতই সাজানো হোক না কেন, সেটা কখনোই নিজের হবে না!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/169858/</link>
				<pubDate>Mon, 31 Oct 2022 08:26:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু কিছু সম্পর্ক কখনোও কখনোও ভাড়া বাড়ির মতো, যতই সাজানো হোক না কেন, সেটা কখনোই নিজের হবে না!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8d91ca82435180f48a69cc8d693f0b56</guid>
				<title>কিছু জিনিস সবসময় দূর থেকেই সুন্দর। দেখা হওয়াটা জরুরি নয়। ভাল থাকাটাই জরুরি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/169852/</link>
				<pubDate>Mon, 31 Oct 2022 07:50:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু জিনিস সবসময় দূর থেকেই সুন্দর। দেখা হওয়াটা জরুরি নয়। ভাল থাকাটাই জরুরি। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e723175837c71b98864ef3decb2b2b5f</guid>
				<title>দিন শেষে ঘরে ফেরার পথে ছাতিমের মিষ্টি  গন্ধে যখন ফুসফুস প্রচ্ছন্ন হয়ে যায়, ঠিক তখনই হৃদপিণ্ডে তীব্র ব্যাথা হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/169609/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Oct 2022 16:46:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দিন শেষে ঘরে ফেরার পথে ছাতিমের মিষ্টি  গন্ধে যখন ফুসফুস প্রচ্ছন্ন হয়ে যায়, ঠিক তখনই হৃদপিণ্ডে তীব্র ব্যাথা হয়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">afc93fe32fe40c1caec93b44b783d468</guid>
				<title>একজন মানুষ একসাথে অনেক মানুষকে
ভালোবাসতে পারে। পরিবার,
প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধবী সবাইকে
ভালোবাসতে পারে। তার জীবন রংধনুর মত রঙিন।

কিন্তু যখন একাকীত্বকে ভালোবাসে তখন আর কাউকে ভালোবাসতে পারে না।।।
তার জীবনে ঘরের কোনের অন্ধকারই তার একান্ত ভালোলাগা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/169607/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Oct 2022 16:43:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একজন মানুষ একসাথে অনেক মানুষকে<br />
ভালোবাসতে পারে। পরিবার,<br />
প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধবী সবাইকে<br />
ভালোবাসতে পারে। তার জীবন রংধনুর মত রঙিন।</p>
<p>কিন্তু যখন একাকীত্বকে ভালোবাসে তখন আর কাউকে ভালোবাসতে পারে না।।।<br />
তার জীবনে ঘরের কোনের অন্ধকারই তার একান্ত ভালোলাগা।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4b786996968621560c5ad54b4180e043</guid>
				<title>একজন  মা তার গর্ভে সন্তান ৯ মাস বহন করেন, আর বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন।
উভয়ই সমান, তারপরও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা আমরা জানি না। 

মা হয়তো বিনা বেতনে সংসার চালায়, কিন্তু বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য খরচ করেন, দুইজনের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা আমাদের জানা নাই।

আপনার মা আপনার যা পছন্দের খাবার রান্না করেন, আপনার বাবা আপনি যা চান তাই কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।
 
আমরা ফোনে কথা বলার সময় প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলি, কষ্ট পেলে মায়ের কাছে কষ্টের কথা প্রকাশ করি। অথচ বাবার সাথে অনেকের ঠিকমতো কথাই হয় না।

আপনার প্রয়োজনের সময় আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না?

ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।

আলমারি ভর্তি থাকে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব 
কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।
 
মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল।  তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না।  তারপরও প্রশ্ন থেকে যায় কেন বাবা পিছিয়ে।

প্রশ্ন থাকলো আপনাদের কাছে। উত্তরের আশায় থাকলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/162998/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Oct 2022 13:41:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একজন  মা তার গর্ভে সন্তান ৯ মাস বহন করেন, আর বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন।<br />
উভয়ই সমান, তারপরও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা আমরা জানি না। </p>
<p>মা হয়তো বিনা বেতনে সংসার চালায়, কিন্তু বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য খরচ করেন, দুইজনের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা আমাদের জানা নাই।</p>
<p>আপনার মা আপনার যা পছন্দের খাবার রান্না করেন, আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-162998"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/162998/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">679864cce988510348588a15c3520484</guid>
				<title>সাইবার পরিসরে শিশুরা বেশি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে

বিশ্বায়নের এই সময়ে সাইবার দুনিয়ার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত। কিন্তু ইন্টারনেটে অবাধ বিচরণ শিশুর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইডি হ্যাক, তথ্য চুরির মতো সাইবার অপরাধ ঘটছে। এসব অপরাধের শিকার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুরা।

বেসরকারি জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের তথ্য থেকে জানা যায়, ইন্টারনেটে শিশুরাও পর্নোগ্রাফির শিকার থেকে বাদ যাচ্ছে না। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পর্নোগ্রাফির শিকার হয়েছে ১৫ জন মেয়েশিশু।

চলতি বছরের আগস্ট মাসে সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়্যারনেস ফাউন্ডেশনের এক জরিপের তথ্য অনুযায়ী ২০২১ সালের তুলনায় এসব অপরাধ ২০২২ সালে বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৬৪ শতাংশ।

গ্রামীণফোন, টেলিনর ও ইউনিসেফ এর জরিপে দেখা গেছে, ইন্টারনেটে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৯০ শতাংশ অন্তত একবার হলেও পর্নোগ্রাফি দেখেছে। আর ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করে। অন্যদিকে প্রায় ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ১০ থেকে ১৯ বছরের শিশুদের মধ্যে ৭২ শতাংশ ছেলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। মেয়েদের মধ্যে ব্যবহারকারী ৬৩ শতাংশ।

পর্নোগ্রাফি বা অশ্লীল পোস্ট ট্যাগ করা, আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া, ছবি বিকৃত করে নেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, ব্ল্যাকমেইল করে উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা, ফেক আইডি থেকে অশ্লীল মন্তব্যের পাশাপাশি ভিডিও শেয়ার করে শিশুদের হয়রানি করা হচ্ছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) জরিপে উঠে এসেছে, ১৮ বছরের নিচের শিশুদের টার্গেট করে অশালীন কথা বলা, মেসেজ পাঠানো, ছবি কিংবা ভিডিও পাঠানো, প্রেমের সম্পর্কের নামে ব্ল্যাকমেইল করে যৌন হয়রানি বা অর্থ আদায় করা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অপরিচিত লোকদের দ্বারা এসব হয়রানির ঘটনা বেশি ঘটছে। কিছু ক্ষেত্রে পরিচিতজনরাও এমন হয়রানি করে।

ইন্টারনেটে টার্গেট করা হয় ১৮ বছরের নিচের শিশুদের যার মধ্যে ১৩.৫৭ শতাংশ শিশু এরই মধ্যে অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬.৫৫ শতাংশ মেয়েশিশু এবং ৪৩.৪৫ শতাংশ ছেলেশিশু।

গবেষকদেরমতে, শিশুদের সাইবারঝুঁকি থেকে রক্ষায় সচেতনতার কাজটি বেশি করতে হবে অভিভাবকদের। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ‘সাইবার পাঠ’। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ‘সাইবার পাঠ’ বাধ্যতামূলক করা উচিত।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের কন্ট্রোলার অব সার্টিফাইয়িং অথরিটিজের ২০১৭ সালের জরিপ থেকে জানা যায়, অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রীদের ৬৯ শতাংশ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। এদের মধ্যে ৮৩ শতাংশ ফেসবুক, ভাইবার, ইমো, ইনস্টাগ্রামসহ অন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্ত।

ইউনিসেফের জরিপ বলছে, দেশে ৪৫ শতাংশ শিশু অনলাইনে উত্পীড়নের শিকার হয়। ওই জরিপের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইনে উত্পীড়ন ও সহিংসতা বন্ধে দায়িত্ব কার, জানতে চাইলে ৩২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছে, এ দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।  

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের জরিপে দেখা গেছে, সাইবার অপরাধের শিকার ৫ শতাংশের কম শিশু অভিযোগ দায়ের করে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হলেও ডিজিটাল মাধ্যমে শিশুদের নির্যাতনের শিকার প্রতিকারে যে বিধান থাকা প্রয়োজন ছিল সেটি নেই। ডিজিটাল মাধ্যমে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অপরাধ করলে যে শাস্তি দেওয়া হবে, শিশুর জন্যও একই বিধান রাখা হয়েছে।

২০১৩ সালের শিশু আইনে বলা হয়েছে, অন্য আইনে বিচারপ্রক্রিয়া যা-ই থাকুক, একজন শিশুর বিচার করবেন শিশু আদালত। ফলে সাইবার মামলায় শিশু আসামি হলে সে বিষয়ে শিশু আদালতের রায় দেওয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞরা শঙ্কায় রয়েছেন।

ইন্টারনেটে ভুক্তভোগী বেশির ভাগই মেয়ে। অপরাধীর বেশির ভাগ ছেলে। প্রতিবছরই বাড়ছে ভুক্তভোগীর সংখ্যা।

তাই পরিবার থেকেই সচেতনতা শুরু করতে হবে। নিজের সন্তান ইন্টারনেটে কি দেখছে সেগুলিও বাবা মাকেই নিয়ন্ত্রন করতে হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/159228/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Oct 2022 16:29:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাইবার পরিসরে শিশুরা বেশি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে</p>
<p>বিশ্বায়নের এই সময়ে সাইবার দুনিয়ার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত। কিন্তু ইন্টারনেটে অবাধ বিচরণ শিশুর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইডি হ্যাক, তথ্য চুরির মতো সাইবার অপরাধ ঘটছে। এসব অপরাধের শিকার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুরা।</p>
<p>বেসরকারি জাতীয় কন্যাশিশু অ্যা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-159228"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/159228/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f99470ec07856dd74f2a7df07904dfb</guid>
				<title>নারীর রক্তশূন্যতা কি স্বাভাবিক?

আমাদের অনেকেরই ধারণা, মহিলাদের খানিকটা রক্তশূন্যতা সব সময়ই থাকে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু ধারণাটা ঠিক নয়। 

এ কথা ঠিক, নারীদের স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিনের মাত্রা পুরুষদের স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কম। পুরুষের রক্তের হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ১৩.৫ থেকে ১৭.৫ গ্রাম। নারীদের রক্তে তা ১২ থেকে ১৫.৫ গ্রাম। 
কিন্তু এই মাত্রার চেয়ে কম হিমোগ্লোবিন থাকা স্বাভাবিক নয়।

অনেকের ধারণা , নারীর মাসিক চক্রে ও সন্তান জন্মের সময় অনেকখানি রক্ত হারায়। তাই রক্তে ৯-১০ মাত্রার হিমোগ্লোবিন কোনো ব্যাপার নয়, এটাই স্বাভাবিক। 
কিন্তু এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের নিচে (১২ গ্রাম/ডেলি) থাকা মানেই এনিমিয়া বা রক্তশূন্যতা। এ সমস্যার প্রতিকার দরকার।

কোনো নারীর হঠাৎ রক্তশূন্যতা ধরা পড়লে অনেকে ধরেই নেন যে মাসিকের সঙ্গে বেশি রক্ত যাচ্ছে বলে রক্তশূন্যতা হচ্ছে। এটাও সম্পুর্ণ ভুল ধারণা।

 ব্লিডিং পেপটিক আলসার, যকৃতের সমস্যা, পাকস্থলী বা অন্ত্রের কোনো ক্যানসার, পাইলসের মতো রোগ যা রক্তশূন্যতার জন্য দায়ী, তা কেবল পুরুষদের হয়, নারীদের হতে পারে না—এমন ধারণা ঠিক নয়। 
 
বিশেষ করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক নারীদের রক্তশূন্যতা হলে অন্যান্য জটিল রোগের ও ক্যানসারের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।

গর্ভধারণকালে ও স্তন্যপান করানোর সময় আয়রনের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এই চাহিদা পূরণ না হলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। অনেক সময় প্রসবে রক্তক্ষরণ এ জন্য দায়ী। তাই বলে এর কোনো চিকিৎসার দরকার নেই—এই ধারণাও ভুল। মায়ের গর্ভকালীন এনিমিয়া গর্ভস্থ শিশুর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে, মায়ের হার্টেও জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই যথাযথ চিকিৎসা দরকার।

থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত হিমোগ্লোবিনের ত্রুটি অনেকেরই থাকে। এ ধরনের রোগ শৈশবেই ধরা পড়ার কথা। কিন্তু মৃদু ত্রুটি শৈশবে ধরা নাও পড়তে পারে। অনেক সময় গর্ভধারণকালে এই সমস্যা প্রকট আকারে ধরা পড়ে। কেননা এই সময়ই অনেকের জীবনে প্রথম হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করা হয়। তাই সব এনিমিয়াই যে আয়রনের স্বল্পতার জন্য হচ্ছে, এমনটা ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।

রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রাঃ 

পুরুষ
১৩.৫–১৭.৫ গ্রাম/ডেসিলিটার

নারী
১২–১৫.৫ গ্রাম/ডেসিলিটার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/159014/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Oct 2022 08:06:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারীর রক্তশূন্যতা কি স্বাভাবিক?</p>
<p>আমাদের অনেকেরই ধারণা, মহিলাদের খানিকটা রক্তশূন্যতা সব সময়ই থাকে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু ধারণাটা ঠিক নয়। </p>
<p>এ কথা ঠিক, নারীদের স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিনের মাত্রা পুরুষদের স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কম। পুরুষের রক্তের হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ১৩.৫ থেকে ১৭.৫ গ্রাম। নারীদের রক্তে তা ১২ থে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-159014"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/159014/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">122d488b564828714f9aa338a46cbeef</guid>
				<title>সাইবার বুলিং
আমরা বর্তমানে প্রায়শই একটা কথা শুনি &quot;অমুক সাইবার বুলিং এর শিকার&quot;. &quot; তমুক কে সাইবার বুলিং করা হয়েছে। 

তো আসলে কি এই &quot;সাইবার বুলিং&quot;? সেটা নিয়েই আজকের পোস্ট। 

সাইবার বুলিং কি কথাটা জানার আগে অবশ্যই জানতে হবে বুলিং কি? 

বুলিং হলো এক কথায় টিটকারি বা কটু কথা বলা কিংবা হেয় প্রতিপন্ন করা।। আপনি কাউকে কটু কথা বা খারাপ কথা বললেন, হেয় প্রতিপন্ন করলেন তখন সেটি বুলিং হিসাবে বিবেচিত হবে।

এখন আসা যাক সাইবার বুলিং বিষয়টি নিয়ে। যেটি বর্তমানে এক ভয়ংকর বিষয়। 
সাইবার বুলিং এ অনেকের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন তাদের জার্নালে লিখেছে,- 
&quot; সাইবার বুলিং মানে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা উন্মুক্ত কোনো প্ল্যাটফর্মে কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা, ভয় দেখানো কিংবা এমন আচরণ করা যা মানসিক নির্যাতনের পরিস্থিতি তৈরি করে। &quot;

অনলাইনে হয়রানি বা সাইবার বুলিংয়ের কারণে অনেকেই হতাশায় ভোগেন৷ এদের একটি অংশ হতাশা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন৷

একটা সময় বলা হতো, ছুরির আঘাতের চেয়ে মানুষের জিহ্বার আঘাত মারাত্মক। কারণ, ছুরির আঘাতের ক্ষত এক সময় শুকিয়ে যায়। কিন্তু মুখ দিয়ে অন্তরে যে আঘাত করা হয় তার ক্ষত শুকায় না। 

এখন মানুষের মুখের কটু কথার চেয়ে ভয়ঙ্কর ‘সাইবার বুলিং’। এই ধরনের আঘাতে মানুষের শরীরে কাটা-ছেঁড়া কিংবা রক্তাক্ত না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।

সাইবার বুলিংয়ের ফলাফল এতো ভয়াবহ হওয়ার কারণ হলো কেউ কাউকে সরাসরি বা মুখোমুখি কিছু বলে কষ্ট দিলেও পরে কোনো সময় তা দুই পক্ষই ভুলে যেতে পারে। কিন্তু ইন্টারনেটে কাউকে হেয় করে কিছু প্রচার হলে এটি থেকে যায় বছরের পর বছর। বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এরকম কিছু প্রচার হলে তাতে প্রতিক্রিয়া জানানো, লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ারের মাধ্যমে মুহূর্তে ভাইরাল হয়। 

এই ধরনের কনটেন্ট (লেখা, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি) পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকেউ দেখতে পারে এবং সহজেই দ্রুত প্রচার করতে পারে।

বছর ঘুরে এলে আবার একই সময়ের পোস্ট স্মরণও করিয়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এর ফলে বার বার নেতিবাচক একটা বিষয় চোখের সামনে এসে বিরূপ মনোভাব কিংবা অসহ্যকর মানসিক অবস্থা তৈরি করে। 

ঘটনা যদি এমন হয় যে, কাছের কোনো মানুষের সঙ্গেও শেয়ার করা যাচ্ছে না, তখন ভুক্তভোগী ব্যক্তির দমবন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। ক্ষেত্র বিশেষে আত্মহননের পথও বেছে নেওয়ার উদাহরণ আছে অনেক। কিন্তু তারা তখন বুঝতে চায় না যে, আত্মহনন কখনোই এমন পরিস্থিতির সমাধান নয়।

গবেষণা যা বলছেঃ
বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির একটা পরিসংখ্যান বলছে, ইন্টারনেটে হয়রানির শিকার হয়ে বছরে ১১ জনের মৃত্যু হচ্ছে।

সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের ২০১৯ সালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী ১৮-৩০ বছর বয়সীরা। 

বছর চারেক আগে প্রকাশিত &#039;টেলিনর গ্রুপের&#039; এক গবেষণায় দেখা যায়, &quot;শিশুদের ইন্টারনেটে সহজে প্রবেশাধিকারের কারণে বাবা-মায়েদের কাছে আলোচিত ও শঙ্কার একটি বিষয় হচ্ছে, সাইবার বুলিং।&quot;

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪৯ শতাংশ স্কুল শিক্ষার্থীর একই ব্যক্তির দ্বারা উৎপীড়নের শিকার হওয়া অথবা অনলাইনে উত্ত্যক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অথবা তারা নাম প্রকাশ না করে অনলাইনে অন্যকে উত্ত্যক্ত করেছে। 

এ গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অর্ধেকের কম স্কুল শিক্ষার্থী অনলাইনে এ ধরনের সমস্যায় যখন বুঝতে পারে না কীভাবে এর সমাধান করবে, তখন তারা এর সমাধানের জন্য বাবা-মা ও শিক্ষকদের ওপর নির্ভর করে। জরিপকৃত শিক্ষার্থীর মাত্র ৩৮ শতাংশ জানায়, তারা এ ব্যাপারে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত ইউনিসেফের গবেষণা বলছে, 
&quot;বাংলাদেশের ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৩২ শতাংশ সাইবার হয়রানির মুখে পড়ছে৷&quot;

ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ বিভাগের তথ্যমতে, ঢাকায় অনলাইনে হয়রানির শিকার নারীদের ৭০ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে৷ সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, নারী-শিশু ও তরুণরা এ ধরনের অপরাধের বেশি শিকার হচ্ছে।

আপনার আচরণ কাউকে আহত করছে না তো?
আমাদের মনে রাখা উচিত, ইন্টারনেটে আমি ব্যক্তিগতভাবে যাই করছি তার ফলাফল কিন্তু সমষ্টিগত। অর্থাৎ আমার একজনের কাজের প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের যেকোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপর। সেটি ভালো কিংবা মন্দ দুটোই হতে পারে। তাই আমাদের উচিত, ইন্টারনেটে এমন আচরণ বজায় রাখা যা আমার বেলায় অন্য কেউ করলেও আমি পছন্দ করব।

কাউকে আহত করে কোথাও প্রকাশ্যে মন্তব্য করা, যেকোনো কিছু পেলেই হুট করে যাচাই ছাড়া শেয়ার দেয়া, কারো মানসিক চাপ তৈরি হয়- এমন কিছু ব্যক্তিগতভাবে কাউকে উল্লেখ করে পোস্ট দেওয়া– এসব থেকে নিজেকে বিরত রাখতে উচিত।

ধরুন, আপনার এলাকায় একটি বিষয় খুবই অস্বাভাবিক। সেটা করা একদম বেমানান। আবার একই বিষয় অন্য কোনো এলাকায় স্বাভাবিক ব্যাপার। 

কিন্তু যে বিষয়টি সব সময় মনে রাখা দরকার ভার্চুয়াল জগত পৃথিবীর সব মানুষকে এক জায়গায় একত্রিত করছে। এখানে কেউ কিছু পোস্ট করল, আর আপনি হুট করে সেটির বিরুদ্ধে উঠে-পড়ে লাগলেন, তাকে তুলোধুনো করছেন? এমনটা মোটেই উচিত নয়।

অন্যের মতামত বা আচরণের প্রতি সহনশীল মনোভাব তৈরির চর্চা করতে হবে আমাদের। কোনো কিছুর সঙ্গে দ্বিমত হলে সেটি যৌক্তিকভাবে তথ্যপ্রমাণ দিয়ে ব্যাখ্যা করে বলুন। তাহলেই আমরা ভার্চুয়াল জগতে বসবাসকারীদের মধ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পারবো।

সাইবার বুলিং এ ভুক্তভোগীদের আইনি প্রতিকারের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। এ ধরনের অপরাধের শিকার হলে সবার আগে পরিবার কিংবা কাছের মানুষের সঙ্গে বিস্তারিত খুলে বলুন। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘটনা যেমনই হোক না কেন আপনি আপনার নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন। এমনকি প্রাথমিকভাবে আপনার বিষয়টি সমাধান হয়ে গেলেও সমাধানের কথা উল্লেখ করে একটি জিডি করতেই পারেন। 

এটি ভবিষ্যতে আপনাকে দ্বিতীয়বার ক্ষতির মুখে পড়া থেকে রক্ষায় কাজে দেবে। জিডির আবেদনে বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে বলার চেষ্টা করুন। অপরাধ ও অপরাধীকে শনাক্ত করার বিষয়গুলো যতবেশি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যায় (যেমন: ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বর, ইমেইল ঠিকানা, নির্দিষ্ট সময় ও তারিখ, ওয়েব লিংক, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি)।

প্রয়োজনে সাইবার অপরাধের বিষয়গুলো ভালো বুঝেন এমন কোনো ব্যক্তি বা আইনজীবীর সহযোগিতা নিন।

নিকটস্থ থানায় আশানুরূপ সহযোগিতা না পেলে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/158743/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Oct 2022 21:51:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাইবার বুলিং<br />
আমরা বর্তমানে প্রায়শই একটা কথা শুনি &#8220;অমুক সাইবার বুলিং এর শিকার&#8221;. &#8221; তমুক কে সাইবার বুলিং করা হয়েছে। </p>
<p>তো আসলে কি এই &#8220;সাইবার বুলিং&#8221;? সেটা নিয়েই আজকের পোস্ট। </p>
<p>সাইবার বুলিং কি কথাটা জানার আগে অবশ্যই জানতে হবে বুলিং কি? </p>
<p>বুলিং হলো এক কথায় টিটকারি বা কটু কথা বলা কিংবা হেয় প্রতিপন্ন করা।। আপনি কাউকে কটু কথা বা খারাপ কথা বললেন, হেয় প্রত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-158743"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/158743/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fd6b2b8c0b6fd268cd009b40a8db7ce6</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/158741/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Oct 2022 21:36:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">597aa2464835efaa1adcaf0900f4c95a</guid>
				<title>মোঃ আশেকী এলাহী changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/158738/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Oct 2022 21:03:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>