-
রোজা রাখার আনন্দ
চারদিকে হৈ চৈ মেতে উঠেছে একটু পরেই পশ্চিমাকাশে উঁকে দিবে পবিত্র মাহে রমজানের বার্তা নিয়ে চাঁদ মামা। মাগরিবের নামাজ শেষে চাদঁ দেখার জন্য ভিড় জমিয়েছে ছোট-বড় সকলেই।কে কার আগে চাঁদ দেখবে তা নিয়ে যেন এক বিরাট প্রতিযোগিতা। কেউবা আবার চাঁদ উঠেছে বলে অন্যদের ধোঁকা দিচ্ছে। এদিকে চাঁদমামা যে ভাগ্নেদের সাথে দেখা দেওয়ার অপেক্ষায় আছে। অমনি পশ্চিমাকাশে উঁকি দিলো চাঁদমামা সবাই মিলে একসাথে চিৎকার দিয়ে উঠলো চাঁদ উঠেছে।সবাই আনন্দে উৎফুল্ল।আমি অনেক খুশি এবছর আমিও রোজা রাখবো ।আমি দৌড়ে গিয়ে আম্মুকে বললাম, আমি রোজা রাখব। আম্মু বলল, না তুই এখনো ছোট রোজা রাখতে পারবি না।আমি বললাম, আমি বললাম, আমি রোজা রাখবোই রাখবো। আম্মু বলে না রোজা রাখতে হবে না। আমি নাছোর বান্দা আমিও ছারছিনা।আম্মু আমার সাথে কথায় না পেরে বললো, ঠিক আছে রোজা রাখিস। আমি অনেক খুশি হলাম।কারণ এই প্রথমবার আমি রোজা রাখতে পারব। মনে মনে অনেক খুশি। আম্মু আমাকে সেহেরীর সময় ডেকে দিল। আমি উঠে পরলাম, উঠে সেহেরী খেলাম।সেহরি শেষে মসজিদে গেলাম ফজরের নামাজ আদায় করতে।ফজরের নামাজ আদায় শেষে বাসায় ফিরে এলাম।ফিরে এসে ঘুমিয়ে পরলাম। ঘুম থেকে উঠে গোসল করতে গেলাম। গোসল শেষ করতে না করতে যোহরের সময় হয়ে গেল।মসজিদের মিনার থেকে যোহরের আযান ভেসে আসছে। আমি তৈরি হয়ে যোহরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে গেলাম। যোহরের নামাজ শেষে বাসায় ফিরলাম।যোহরের পর আমার পানির পিয়াসা পেল। আমি আম্মুকে বললাম, আম্মু আমার পানির পিপাসা পেয়েছে। আম্মু বলল, আমি বলে ছিলাম না রোজা রাখতে পারবি না। আমি আম্মুকে বললাম, আমি রোজা রাখবো, ভাঙবো না। সময় চলে যেতে লাগলো।আসরের সময় ঘনিয়ে এলো। যোহরের মত করে মসজিদের মিনার থেকে আসরের আযান ভেসে আসছে। আমি তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে মসজিদের দিকে দৌড় দিলাম।যোহরের মত করে আসরের নামাজ পড়লাম।নামাজ শেষে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে দুষ্টুমি করতে লাগলাম।দুষ্টামি শেষে বাসায় ফিরলাম। এসে ঘড়ির কাটার দিকে তাকালাম ।দেখলাম এখনো অনেক সময় বাকি ইফতারের। আমি ছটফট করছি, অনেক পানির পিপাসা পেয়েছে। কিছুক্ষণ পরপর ঘড়ির কাটার দিকে দেখছি কত হয়েছে।সময় কেন যাচ্ছে না। মুয়াজ্জিন সাহেব কেন স্যাইলেন দিচ্ছে না। আব্বু বলল, কি হয়েছে। এত হতাশ হচ্ছিস কেন? আমি বললাম, মুয়াজ্জিন সাহেব স্যাইলেন দিচ্ছে না।এর মধ্যেই মুয়াজ্জিন সাহেব স্যাইলেন দিলেন। সবার আগে আমি দৌড়ে গিয়ে পানি পান করলাম।পানি পান করার পর মনে হল বুকে প্রাণ ফিরে এসেছে। পানি পান করার পর কি যে শান্তি পেলাম। সেটা বুঝানো সম্ভব নয়। প্রথমবারের মতো রোজা রাখতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত হলাম। প্রথম রোজা রাখার আনন্দটা কখনো ভুলতে পারবো না।কি যে আনন্দ হয়ে ছিল সেদিন বলে বোঝানো সম্ভব নয়।প্রথম রোজা রাখার আনন্দটা অন্যরকম।
3 Comments
Friends
জুবায়ের বি এ এইচ অন্তর
@zubair
Hridoy
@solayman-uddin-hridoy
Israt Lamia
@israt-lamia
sanjida akter jim
@sanjidajim
Farhana Afrose
@farhana-afrose
ফারজানা আক্তার জেমী
@jemi2021
পরিমল রায়
@parimal-roy
Shahria
@shahriar
Lovely Live
@lovely-live


‘অভিনন্দন