<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md. Ariful Islam | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mdarifulislam/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mdarifulislam/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md. Ariful Islam.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 08 Jun 2026 06:48:17 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">48e0346de73aa78bd04e225e5dd7ebf2</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/119470/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Jun 2022 06:58:11 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0102917788c0da9acb8fba861c81d9eb</guid>
				<title>Md. Ariful Islam changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/119466/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Jun 2022 06:46:35 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0d2f03dfd3d67d4a25ab9fe4448464d7</guid>
				<title>Md. Ariful Islam changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/119352/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Jun 2022 22:29:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2171f5457875e2702a4f2add344cede1</guid>
				<title>মনবতার জয় হোক
সীতাকুণ্ডে গত শনিবারে যে ভয়াবহ দূর্ঘটনা ঘটেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিভিন্ন মাধ্যমে যতটুকু জানতে পারলাম বেশির ভাগ কনটেইনার ডিপো গুলো অবৈধ। যা হোক দূর্ঘটনা ঘটার পর বৈধ্য অবৈধ বলে লাভ নেই।  এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে সে শিক্ষা আমাদের নেয়া উচিত।  আদোও শিক্ষা সম্ভব হবে কিনা জানি না। তবুও আশা ছাড়া ঠিক না। শিক্ষা নিলেই ভাল। এত ভয়াবহ দূর্ঘটনা শুনেই শিউরে উঠে শরীর। কিভাবে এত গুলো লোকের জীবন বিপন্ন হয়ে গেল। আরো কত লোক হারিয়ে যাবে জানি না। এমন ভুক্তভোগী আরও আছে যারা বিভিন্ন ভাবে আহত হয়ে পরে আছে।  তাদের দুঃখ কষ্ট কোথায় শেষ হবে একমাত্র আল্লাহ ভাল জানেন। আজ বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা দেখে জানতে পারলাম আগুন লাগার পর অনেকে গেছে ফেইসবুক লাইভ করতে। তারাও অনেকে আহত হয়েছে।  কেউ গেছে দেখতে তারাও আহত হয়েছে। এই দুঃখ কষ্ট কে কাকে দেখাবে। সবাইকে নিরব ভূমিকা পালন করা ছাড়া কিছু করার নাই।  কিন্তু সতর্ক তাকলে হয়ত কিছুটা হলেও কম হত। এই জগতে কেউ কারো নয়। এই কথা অনেকেই বলে। ২০১৬ সালে কিশোরগঞ্জ শোলাকিয়া ঈদগাহে রমজানের ঈদে নামাজে আমি ছিলাম। নামাজ শেষে যখন জানতে পারলাম বিপদ তখন গলা শুকিয়ে যাচ্ছে।  সবারই প্রায় একই অবস্থা। প্রয়োজনীয় রাস্তা ব্লক। অনেক রাস্থা ঘুরে হেটে যেতে হবে। সবাই বাধ্য, কিছু করার নাই। তখন রাস্থার পাশের মানুষ গুলো তাদের সাহাষ্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। যে যেমন পারে  শরবত, সাধারণ পানি দেয়া শুরু করল। সত্যি মানবতা মানুষের মাঝেই।  এই মুহূর্ত গুলো অল্প একটু পানিও অনেক উপকার হয়। যেমন আমার আমার উপকার হয়েছিল। 
আজ বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা দেখে আবার বুঝতে পারলাম সীতাকুণ্ডে ও দূর্ঘটনার পর আশপাশের মানুষ তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।  এখানে শুধু এলাকার লোক নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র,  রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সেচ্ছাসেবী এমন নানা বর্ণের মানুষ যার যার মত এগিয়ে এসেছে। সরকারি সেবকদের কথা কিভাবে বলব? তাদের জীবন দেয়াটা সত্যি আমার মনকে কাদিয়েছ। এটাই মানবতা। যে, যেখানে, যেভাবে পেরেছে সাহায্য করেছে। কেউ উদ্ধার কাজে, কেউ হাসপাতালে, কেউ রক্ত দিয়ে, কেউ ঔষধ দিয়ে, কেউ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে আপন জনের হাতে পৌছিয়ে, কেউ সাহস দিয়ে।  এটা বলে শেষ করার মত নয়। এটাই মানবতা। এটাই মানুষ সত্ব। এই জন্য আমরা মানুষ।  তবে কিছু লোকের জন্য কষ্ট লাগে যাদের নিজেদের স্বার্থের কারণে এমন মানুষ গুলোর জীবন গেল। তবুও বলি বেঁচে থাকুক মানবতা। বেঁচে থাকুক মানুষ সত্ব। বেঁচে থাকি আমরা। বেঁচে থাকুক ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/119351/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Jun 2022 22:25:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনবতার জয় হোক<br />
সীতাকুণ্ডে গত শনিবারে যে ভয়াবহ দূর্ঘটনা ঘটেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিভিন্ন মাধ্যমে যতটুকু জানতে পারলাম বেশির ভাগ কনটেইনার ডিপো গুলো অবৈধ। যা হোক দূর্ঘটনা ঘটার পর বৈধ্য অবৈধ বলে লাভ নেই।  এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে সে শিক্ষা আমাদের নেয়া উচিত।  আদোও শিক্ষা সম্ভব হবে কিনা জানি না। তবুও আশা ছাড়া ঠিক না। শিক্ষা নিলেই ভাল। এত ভয়াবহ দূর্ঘ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-119351"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/119351/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62aa93f38595c1600acff65efaf0c88a</guid>
				<title>গত ১৬ তারিখ সন্ধ্যায় বনশ্রী এলাকায় একজনে সাথে দেখা করার জন্য গেলাম।
গাড়ি থেকে নেমে থাকে ফোন কারার জন্য মোবাইল বের করে ফোন দিলাম। ফোন দিয়ে রাস্তা পার হলাম। রাস্তা পার হওয়ার পর মনে হলে পকেটে ৩ হাজার + টাকা আছে। সাথে সাথে হাত দিয়ে দেখি টাকা নাই।
চিন্তায় পড়লাম, জানামতে রুমে টাকা রাখিনি। পকেটে নাই। অনুমান নির্ভর যেখানে ফোন বের করেছিলাম সেখানে আবার গেলাম। মোবাইলের আলো দিয়ে খুজতেছি দেখে একজন রিক্সা ওয়ালা আমায় জিজ্ঞেস করল কি খুঁজেন?  আমি বললাম মোবাইল বের করার সময় পকেট থেকে টাকা পরে গেছে। তিনি বললেন এই টাকা আর পাবেন না। কে না কে নিয়ে গেছে। মনে মনে আল্লাহ আল্লাহ করছি। টাকা গুলো না পেলে, কেমন ক্ষতি হবে তা আমার চেয়ে বেশি কেউ আমার অবস্থাটা বুঝতে পারবে না। অল্প সময়ে কয়েকজনের সাথে  টাকা খুজছি এ নিয়ে কথা হল। আরেকটা রিক্সা নিয়ে আমার চেয়ে কম বয়সী ছেলে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল কি খুঁজেন?  আমি বললাম আমার টাকা হারিয়ে গেছে। সে রিক্সার সিটে বসেই আমার টাকা গুলো দেখিয়ে দিল। আমি টাকাগুলো পেয়ে কতটুকু খুশি হয়ছি বলতে পারব না। আবেগে তাকে কি বলব বুঝতে পারছি না। তার মাথা শরীর হাত বুলিয়ে দিয়ে চলে গেলাম। তাকে কিছু খাওয়ানো বা তাকে কয়েকটা টাকা দিয়ে সান্ত্বনা দেয়ার মত অবস্থা আমার নেই। আমি দ্রুত এখান থেকে চলে গেলাম। কিছু ক্ষণ পড় মনে পড়ল তাকে কিছু টাকা বা কিছু খাওয়ানোর দরকার ছিল। কি করব তাকে আর আমি চিনতে পারব না। নিরবে ভাবতে আমার অবাক লাগে এই ছেলে আমার কত বড় উপকার করেছে।  ছেলেটা ইচ্ছা করলে টাকাগুলো নিজে নিতে চেষ্টা করতে পারত। তা না করে আমার জন্য রহমত হয়ে আমার উপকার করে গেল। তার অভাব আছে বলেই রিক্সা চালায়। কিন্তু অভাব তাকে লোভী করে না। আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ ভাই।  ভাল থেক অপরিচিত ভাই। আল্লাহ তোমার জীবনে কল্যাণ বয়ে আনুক। আমি এমন বোকার মত মোবাইল টাকা একসাথে না রাখার চেষ্টা করব। তোমার মত এমন উপকারী কাউকে পেলে ১০  টাকার বাদাম হলেও খাওয়ানোর চেষ্টা করব।।
বেচে থাকুক এমন মানবতা আজীবন।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97999/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Feb 2022 04:53:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গত ১৬ তারিখ সন্ধ্যায় বনশ্রী এলাকায় একজনে সাথে দেখা করার জন্য গেলাম।<br />
গাড়ি থেকে নেমে থাকে ফোন কারার জন্য মোবাইল বের করে ফোন দিলাম। ফোন দিয়ে রাস্তা পার হলাম। রাস্তা পার হওয়ার পর মনে হলে পকেটে ৩ হাজার + টাকা আছে। সাথে সাথে হাত দিয়ে দেখি টাকা নাই।<br />
চিন্তায় পড়লাম, জানামতে রুমে টাকা রাখিনি। পকেটে নাই। অনুমান নির্ভর যেখানে ফোন বের করেছিলাম সেখানে আবার গে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-97999"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/97999/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c4e497abf5206484792c6ebab9606524</guid>
				<title>রোগী
যে কোনো মানুষ যে কোনো সময় রোগী হতে পারে। কেউ ইচ্ছে করে রোগী হয় না। মানুষ শখ করে অনেক কিছু হতে চায়। তবে রোগী হবার শখ কারো থাকে না।সবাই চায় সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করতে। সুস্থতা আল্লাহর নিয়ামত। আল্লাহ যাকে যখন খুশি যে কোনো রোগ দিতে পারে। তবে আমরা সচেতন থাকলে জীবন যাপন সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করতে পারি। সাধারণ মানুষ গুলো কিছু জায়গায় বড় অসহায়। যেমনঃ হাসপাতালে,  কোর্টে ইত্যাদি জায়গায়। এই জায়গা গুলোতে মানুষ বড় অসহায়। ইচ্ছা করলেও অনেক কিছু করতে পারে না। কোর্টে গেলে বিচারকের কথা মানতে হয়। হাসপাতালে গেলে ডাক্তারের কথা। আমার বিচারে এই দুই জায়গায় মানুষের বড় অজ্ঞতা রয়েছে। কোর্টে  আপনার না গেলেও চলে। আপনি যদি ভাল মানুষ হন, কেউ আপনাকে বিপদে না ফেলতে চাইলে কোর্টে না গেলেও চলে। কিন্তু ডাক্তারের কাছে কোনো না কোনো সময় যেতেই হবে। অসুস্থতা মানুষের জীবনের একটা অংশ। অন্যান্য দেশে ব্যতিক্রম থাকতে পারে। আমাদের দেশে ভাল একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে অনেক কষ্ট করতে হয়। অনেক দিন আগে থেকে সিরিয়াল, তারপর অপেক্ষা,  ডাক্তারের অল্প সময় দেয়া এমন অনেক সমস্যা বিদ্যমান। সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার দেখানো মানে সময় নষ্ট। দীর্ঘ লাইন, ডাক্তার দেরি করে আসা, রোগীর সাথে বাজে ব্যবহার, প্রয়োজন ছাড়াই একাধিক টেস্টের লিস্ট দেয়া, সময় শেষ হবার আগেই হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়া সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। ভিজিট দিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে অনেক টাকা ভিজিট, এখানেও লম্বা সিরিয়াল, এখানে রোগীর সাথে একটু ভাল ব্যবহার করা হয়, একটু মনযোগ দিয়ে রোগী দেখা হয়, কয়েকদিন পর পুনরায় ভিজিটের ধান্দা, প্রয়োজন ছাড়া একাধিক টেস্ট করার পায়তারা চলে। আমি একজন সাধারণ মানুষ।  আমার দেখায় বাংলাদেশের নিম্ন থেকে মধ্যবিত্ত পরিবার পর্যন্ত 
একজন রোগী থাকলে পরিবারের ধস নেমে আসে।
ধনী কোনো পরিবার সম্পর্কে আমার ধারণা নাই। তবে অনেক অসহায় পরিবার সম্পর্কে আমার ধারণা রয়েছে একজনের জন্য পুরো পরিবার ভিকারী হয়ে গেছে। আমাদের গনবসতি দেশে মানুষের তুলনায় ডাক্তার কম থাকায় এই সমস্যা বেশি। তবু ডাক্তাররা যদি সঠিক ভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করত, ভাল আচার-আচরণ করত মানুষের জীবন যাপন সহজ হত। শুধু ডাক্তার না এখন আমাদের সবারই এই মূল্যবোধ গুলো হারিয়ে ফেলচ্ছি। আমরা আধুনিক হচ্ছি, সাথে আমাদের অপরাধ গুলোকেও আমরা আধুনিক ভাবে গড়ে তুলছি। দিন দিন মানুষের সৌজন্যতা হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি একটা ভাল কাজ করি অন্য জন ভাল কাজটাকে খারাপে পরিনত না করতে পারায় ভাল মানুষ টা খারাপ লোকের কাছে খারাপ হয়ে যায়। এটা এখন জগতের নিয়ম হয়ে গেছে। ভালো লোকের ভালটা খারাপের কাছে খারাপ হয়ে যায়। তিন্নি অর্ধ বয়স্ক মহিলা তার বাবাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেল। ভিজিট দিয়ে ডাক্তার দেখাবে। অনেকক্ষণ বসে রইল ডাক্তারের অপেক্ষায়।  বৃদ্ধ বাবা বসে বসে মোবাইল টিপে, খবর দেখে। মেয়ে বাবার প্রতি বিরক্ত। কেন সাউন্ড দিয়ে মোবাইলের ভিডিও দেখে। অনেকক্ষণ পর তাদের সিরিয়াল আসে তারা ডাক্তারের কাছে যায়।  ডাক্তার সেই পুরাতন কাহিনী লম্বা টেস্ট পুনরায় ভিজিটের ধান্দা ইত্যাদি। মেয়ে বাবা একে অপরের দিকে তাকিয়ে হতাশা প্রকাশ করছে। বৃদ্ধ বাবা রইল নিজে সুস্থ হবার আশায়। মেয়ে রইল তার বাবাকে সুস্থ করার আশায়।।।।।

&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;সুস্থ হোক প্রতিটি রোগী।।&#039;&#039;&#039;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97317/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Feb 2022 17:14:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রোগী<br />
যে কোনো মানুষ যে কোনো সময় রোগী হতে পারে। কেউ ইচ্ছে করে রোগী হয় না। মানুষ শখ করে অনেক কিছু হতে চায়। তবে রোগী হবার শখ কারো থাকে না।সবাই চায় সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করতে। সুস্থতা আল্লাহর নিয়ামত। আল্লাহ যাকে যখন খুশি যে কোনো রোগ দিতে পারে। তবে আমরা সচেতন থাকলে জীবন যাপন সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করতে পারি। সাধারণ মানুষ গু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-97317"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/97317/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">808b01657d19576f9794d481f6450e3f</guid>
				<title>মানুষে মানুষে পার্থক্য!!! 
জন জীবনে কত রকম চাহিদা তা কেউ বলতে পারে না। একেক জনের চাহিদা একেক রকম। কেউ অল্পতেই সন্তুষ্ট আবার কেউ অনেক পাবার পরেও কত অভাব তার সাথে কথা বললে বুঝা যায়। কেউ বিলাসিতা করে মজা পায়। কেউ দান করে মজা পায়। কেউ অপচয় করে মজা পায়। কেউ ভ্রমন করাকে বেহেশত মনে করে। কেউ সময় মত খেতে পায়না। কেউ সামনে খাবার নিয়ে টাল বাহানা করে। খাবার নষ্ট করবে কিন্তু কাউকে দিবে না। বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন রকমের। কেউ ঋণ করে দান করে। কেউ দান না করে ধার দেয়। কিছু লোক মানুষকে কষ্ট দিয়ে মজা পায়। কিছু লোক ভুলে কষ্ট দিলে কাঁদে।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/67325/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Dec 2021 16:25:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>         মানুষে মানুষে পার্থক্য!!!<br />
জন জীবনে কত রকম চাহিদা তা কেউ বলতে পারে না। একেক জনের চাহিদা একেক রকম। কেউ অল্পতেই সন্তুষ্ট আবার কেউ অনেক পাবার পরেও কত অভাব তার সাথে কথা বললে বুঝা যায়। কেউ বিলাসিতা করে মজা পায়। কেউ দান করে মজা পায়। কেউ অপচয় করে মজা পায়। কেউ ভ্রমন করাকে বেহেশত মনে করে। কেউ সময় মত খেতে পায়না। কেউ সামনে খাবার নিয়ে টাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-67325"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/67325/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07a7cd249e4c514a3e94c7149d62a8a2</guid>
				<title>Md. Ariful Islam and Fatema Nahin are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/64657/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Nov 2021 09:44:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f0f195ceda1aafee3c82ed747059a8c9</guid>
				<title>Md. Ariful Islam and Mohammad Hasan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/62195/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Nov 2021 05:12:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d873cc4ca573f425ca18ad5adf77cab8</guid>
				<title>Md. Ariful Islam changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/50759/</link>
				<pubDate>Sun, 31 Oct 2021 16:44:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1ffe8c3bc115c48c3025f2b13c0ad99b</guid>
				<title>Md. Ariful Islam changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/50757/</link>
				<pubDate>Sun, 31 Oct 2021 16:43:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4645fda74a8f6f9cb2dfb3f29f03c3e2</guid>
				<title>Md. Ariful Islam and মোঃ মুহিউদ্দীন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/50735/</link>
				<pubDate>Sun, 31 Oct 2021 15:24:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">031347acf360f119be1d03c759869e6e</guid>
				<title>দিন দিন নতুনত্ব সৃষ্টি হচ্ছে।  মানুষ পুরাতনকে বাদ দিয়ে নতুনকে মানিয়ে নিচ্ছে। সহজ ভাবে নতুনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ফেইসবুক হল এমন একটি। যেটা ব্যাপক হারে মানুষ ব্যবহার করছে। একজন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করতে ফেইসবুক অন্যতম সহজ মাধ্যম হয়ে দাড়িেছে। স্মার্টফোন এটাকে আরও বেগবান করেছে। ফেইসবুকে আমিও আসক্ত হতে থাকলাম। আমার স্মার্টফোন না থাকলেও বাটন মোবাইল দিয়ে ফেইসবুক ব্যবহার শুরু করি। দীর্ঘ দিন লেখাপড়া শেষ করেও কোনো চাকরি না পেয়ে হতাশায় ভোগতে শুরু করি। এভাবে অনেক সময় চলে যায়। বিশ্বে করোনা ভাইরাসের প্রভাব শুরু হয়। পৃথিবী থমকে যায়। অনলাইন ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পায়। যোগাযোগ থেকে শুরু করে অনেক ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। এভাবে নতুন নতুন মানুষের সাথে যোগাযোগ হয়। অন্ধ বিশ্বাস করলে প্রতারণার স্বীকারও হতে হয়। আমি প্রায় অপরিচিত মানুষকে ফেইসবুক মেসেজ করতাম। তেমন কারও সাথে বন্ধুত্ব হত না। আমার পরিচিত ভাল মানুষের ফেইসবুক থেকে তার বন্ধুদের লিস্টে ঢুকে তাদের রিকুয়েস্ট দেই। এভাবে অনেক মানুষকে দিয়ে তাকি। এভাবে কখন যেন শুভ পাল নামের একজনকে রিকুয়েস্ট দিয়েছি তা মনেই না। সম্ভবত আমার এক আত্মীয়র বন্ধুর বন্ধু ছিল শুভ পাল। এভাবেই মনে হয় তাকে রিকুয়েস্ট দিয়েছি। শুভ পাল তিনি গল্প লেখতেন যে গুলো আমি প্রায় পড়তাম। হঠাৎ এক দিন তাকে হাই লেখি। তিনি আমাকে এমন ভাবে সম্বোধন করলেন যেন তিনি আমার অনেক দিনের পরিচিত। এভাবে তার সাথে আমার পরিচিতি শুরু হয়। দ্বিতীয় দিনেই তাকে আমার জন্য চাকরি দেখার কথা বলি। এভাবে দিন যায়। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ গাজীপুর সালনা ব্রিজের পাশে একটা রিসোর্টে ৬৪ জেলার বিশেষ খাবারের আয়োজন করেন।  সেখানে তার সাথে আমার প্রথম দেখা। এই আয়োজনে আমি বাড়ি থেকে সকালে আসি। এখানে প্রায় সব জেলার লোক ছিল। সেখানে কেউ আমার পরিচিত না। শুভ পালের সাথে ফেইসবুকে পরিচিত। তবু সে আমাকে রাতে থাকার কথা বলে। আমার মা বাবা আমাকে বাড়ি ফিরতে বার বার ফোন দেয়। তাই বাধ্য ছেলের মত শুভ পালের বিরুদ্দে আমি বাড়ি চলে যাই। শুভ পালকে আমি শুভ ভাই ডাকি। তিনি বারিধারা dohs এর অন্যন্যা শপিং এ ৪র্থ তলায় শেয়ায় বাজারে শার্প সিকিউরিটি তে চাকরি করে। ঘটনা ক্রমে আমিও  বারিধারা dohs এ ২০০ নাম্বার হাউজে ডাটা এন্টির একটা চাকরি পাই। তার সাথে এই নিয়ে প্রতিনিয়ত মেসেজ হত। ততদিনে আমার বাটন মোবাইল এ আর ফেইসবুক চলে না। তখন তার সাথে আমার এসএমএস করতে হত। ডাটা এন্টির চাকরি হওয়ার পর আমার কাজের বিষয় নিয়ে তার সাথে প্রায় কথা হত। আমার কাজে খুবই কম বেতন আসত। তাই তিনি বলেন চাকরি ছেড়ে দিতে। আমিও ছেড়ে দেই। প্রায় তার বাসায় আসা যাওয়া করতাম। একমাস বেকার তাকার পর একটা ডায়াগনস্টিক এ চাকরি হয়। তখন তার সাথে আমার কাজের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতাম। এই কাজটা আমার ভাল লাগত না। তাকে বলতাম। তিনি আমাকে বুঝাতেন কাজটা করার জন্য। তিনি আমাকে সবসময় টাকা দার দিয়ে সাহায্য করতেন। যে কোন সমস্যায় তিনি আমার পাশে থাকতেন। শুভ ভাই প্রায় বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতেন। আমাকেও বলতেন। আমার কাছে টাকা থাকতনা বলে সব জায়গায় যেতে পারতাম না। প্রথম একদিন তিনি আমাকে নারায়ণগঞ্জ জিন্দা পার্কে যাবার আমন্ত্রণ জানায়। আমিও রাজি হয়ে যাই। পাঁচ জন ঘুরে আসি জিন্দা পার্ক থেকে। ভাল লাগে। তবে রাস্তায় দুলা বালি যে বেহাল দশা তা সব কিছু ছাড়িয়ে। তার অনেক দিন পর তিনি ভোলা চর কুকরি মুকরি যাবার আয়োজন করেন। প্রায় ৬৪ জন একসাথে কুকরি মুকরি ঘুরতে যাই।৷ ২১ তারিখ সন্ধ্যায় সদরঘাট লঞ্চ ঘাট থেকে যাত্রা শুরু করি। কর্ণফুলী ১২ লঞ্চ দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু।  আমার প্রথম নদী, লঞ্চ, ট্যুর এটা। তবে এত মানুষের মাঝে মাত্র কয়েকজনকে ছিনি। তবে সবার সাথে মিশতে খুব একটা সময় লাগে নি। সবাই সবাইকে সাদরে গ্রহণ করে। লঞ্চ থেকে নামার আগেই ফেইসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপে দেখি আরিফ, সোহেল, মিনহাজ, রিপন এক রুমে থাকবে। মিনহাজ ও রিপন কে খুজে পাই। তারা খুব পরিচিত। একই এলাকার। কিন্তু সোহেলকে খুঁজে পাইনি। রাতে ঘুম ভাল হয়নি। ২২ তারিখ ভোরে বেতুয়া লঞ্চ ঘাটে পৌঁছি। লঞ্চ থেকে নামার আগেই সেখানে ফটো সেশন শুরু করে। সেখানে সেন্টু গেঞ্জি ও ছোট লাল গামছা মাথায় বেদে ৩২টা মটর সাইকেলে করে কচ্ছপিয়া ঘাটে যাই। মজার ভ্রমণ শুরু হয়। কচ্ছপিয়া ঘাটে সোহেল মিয়ার সাথে পরিচিতি হই। প্রত্যেকে ছবি তোলার জন্য বেপরোয়া। সেখানে সকালের নাস্তা করে আবার লঞ্চ করে চর কুকরি মুকরি যাত্রা করি। এই ভ্রমণ অনেক মজার। খুব ভাল লাগে এই ভ্রমণ। প্রথমে এক জায়গায় লঞ্চ আটকে যায়।  সেখান থেকে বাধা অতিক্রম করে আবার যাত্রা শুরু হয়েছে।  তার পর এক কাকার হাতে শশা থাকে ঘটনা ক্রমে তিনি দুটি শশা আমাদের লঞ্চে ডিল দেয়। যারা শশা পায় তারা খুব খুশি।  চাচা এটা দেখে পাশেই তার শশা জমি সেখান থেকে আরোও অনেক গুলো শশা আমাদের দেয়। যা খুবই আনন্দের। কিছুক্ষণ পর সায়েম নামের একজন লঞ্চ থেকে পরে যায়। হালকা ব্যাথা পেয়েছে যা আনন্দের মাঝে হারিয়ে গেছে। ভ্রমণ করার মাঝে ছবি তোলা নিয়ে সবাই খুব ব্যস্ত। তার পর নারিকেল জিঞ্জিরা নামে একটা জায়গায় লঞ্চ থামিয়ে অল্প বিরতিতে সমুদ্রের পানিতে গোসল সেরে নেই। যা আমার কাছে স্বপ্ন। সেখানে কি নাকি করে। এত বেশি ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত যে কে কি করবে তার প্রতিটি মুহুর্তে ছবি তুলে। সেখান থেকে আবার সমুদ্র দিয়ে চর কুকরি মুকরি যাত্রা শুরু। কিছু ক্ষণ পরে নামে তুমুল বৃষ্টি। সাথে বাতাস। আমার কি ভয়। জীবনে প্রথম সমুদ্রের কিনারে। এমন বিপদে মনে মনে আল্লাহ আল্লাহ জিকির করছি। অনেকেই মজা করে তবে ঝড় সহ বাতাসে সবার মাঝে আতঙ্ক শুরু হয়। পলিথিন থাকায় সবকিছু ঠিক ছিল। তবে বেশ কয়েকজন বৃষ্টি তে বিজে।  এমন অভিজ্ঞতা আমার প্রথম। আরেক জায়গায় যাবার কথা ছিল।  সময় স্বল্পতার কারনে তা বাতিল হয়। আমাদের গন্তব্যে পৌঁছতে ৩ টা বাজে। আমরা একটা রেস্ট হাউজে উঠি। রুমে গিয়ে দেখি ৩ জন আমার আগে পৌছেছে। তখন মনে হল সোহেল সাহেব আমার রুম ম্যাট। সোহেল ভাই সোনালী ব্যাংকে চাকরি কর।  তার সাথে আমার রাতে থাকতে হবে। মজার বিষয় হল আমার রুমের সবাই নিরব মানুষ। দুপুরের খাবার খেয়ে সবাই কিছু ক্ষণ  ঘুমিয়ে যাই। সন্ধ্যায় সবাই আনন্দ করার জন্য এক সাথে সমবেত হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করেন শুভ ভাই।  অনুষ্ঠান শেষে রাতের খাবার খেয়ে পানি অভাব হয়। সোহেল ভাই পানি কিনে ২ জনে পানি পান করি। রাতে চাঁদের আলোতে সবাই নদীর পাড়ে হাটতে যাবে। আমি সোহেল ভাইকে নিয়ে আগেই চলে যাই। ২ জনে মনের সুখে অনেক আলোচনা করি। সোহেল ভাই বিবাহিত। ভাবি সম্পর্কে অনেক আলোচনা করি। সবার সাথে নদীর পারে মজা করে মধ্য রাতে আবার রুমে আসি। এত অল্প সময়ে সোহেল ভাইয়ের সাথে এত ভালো সম্পর্ক হবে ভাবতে পারিনি। অনেকেই জিজ্ঞেস করে আমরা দুজন ভাই কিনা। উত্তরে আমরা ভাই বলে পরিচিত দেই। সকালে উঠে গভীর জঙ্গলে আবার ৩২ মটর সাইকেলে যাই। জঙ্গল ভ্রমণ করে আবার ফিরে আসি। আসার সময় এক মটর সাইকেলের নিচে হাঁস পরে মারা যায়। সকালে খাবার খেয়ে আবার লঞ্চ দিয়ে কচ্ছপিয়া ঘাটে আসি। সেখানে দুপুরের খাবার খেয়ে চরফ্যাশন জ্যাকব টাওয়ারে আসি। সবাই জ্যাকব টাওয়ারে উঠে বিরক্ত হয়। কিছুই দেখার নাই। টাওয়ারের গ্লাসগুলো অসচ্ছ ছিল। যার কারণে ভাল লাগে নি। সোহেল ভাই কে নিয়ে মহিষের দই কিনতে যাই। ১৫০ টাকা দাম তাই আমি কিনি নাই। সোহেল ভাই ১ টা কিনে। আবার বেতুয়া লঞ্চ ঘাটে যাই।  সেখান থেকে কর্ণফুলী ১৩ দিয়ে ফিরতে শুরু করি। এখানে বেশ কয়েকজন সোহেল ভাই ও আমাকে নিয়ে হাসি তামাশা করে। এতে সোহেল ভাই রাগ পায়। আমি বাধ্য হয়ে তার কাছ থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করি।  তবু অনেকেই মজা করে। আমার খারাপ লাগে না। রাতে লঞ্চের ছাদে গিয়ে আমরা নাচতে শুরু করি। খুব মজা হয় তখন। চাঁদের আলোতে নাচতে আমারও মন চায়। আমিও নাচি। খারাপ বিষয়টা হল রাতের খাবারটা আমরা দেরিতে খাবার ফলে নষ্ট হয়ে যায়। অনেকেই খেতে পারে না। আমি আমার বিছানার চাদর দিয়ে রাতে শুবার জায়গা রাখি। অনেকই মনে করেছে আমি সোহেল ভাইয়ের কেবিনে থাকব। গভীর রাতে যখন ঘুম পাচ্ছে তখন শুবার কোনো উপায় পাচ্ছি না। বাধ্য হয়ে মোবাইল চালানো শুরু করি। আমার কষ্ট দেখে নজরুল ও রবিউল ভাই তাদের মাঝখানে আমাকে শুয়ায়। আমার বেশ ভাল ঘুম হয়। এমন ভ্রমণ আর করতে পারব কিনা জানি না। সুযোগ আসলে অংশ গ্রহণ করতে চেষ্টা করব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/50574/</link>
				<pubDate>Sun, 31 Oct 2021 09:51:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দিন দিন নতুনত্ব সৃষ্টি হচ্ছে।  মানুষ পুরাতনকে বাদ দিয়ে নতুনকে মানিয়ে নিচ্ছে। সহজ ভাবে নতুনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ফেইসবুক হল এমন একটি। যেটা ব্যাপক হারে মানুষ ব্যবহার করছে। একজন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করতে ফেইসবুক অন্যতম সহজ মাধ্যম হয়ে দাড়িেছে। স্মার্টফোন এটাকে আরও বেগবান করেছে। ফেইসবুকে আমিও আসক্ত হতে থাকলাম। আমার স্মার্টফোন না থাকলেও বাটন মোবাইল দিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-50574"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/50574/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c9f758326304d0a5eabf0b0bad30e3b</guid>
				<title>Md. Ariful Islam and জাহিদ বিন হিকমত are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/49701/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Oct 2021 16:14:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b0ec858be40c39e3d78036a72865c95b</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/49700/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Oct 2021 16:10:37 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e2766fd1664b879007309ef9f83c355</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/49699/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Oct 2021 16:05:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>