<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মুহাম্মদ আবুল হুসাইন | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/muhammad-abul-hussain/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/muhammad-abul-hussain/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মুহাম্মদ আবুল হুসাইন.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 20 Jun 2026 05:45:01 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">b46d8af0158365affefe466e1f28d312</guid>
				<title>আবার কি আসিলো ফিরে সেই অদ্ভুত আঁধার এক

আবার কি আসিলো ফিরে জীবনানন্দের সেই ‘অদ্ভুত আঁধার’; 
নিভে যাওয়া প্রদীপের মতো আকাশের বুক জুড়ে
কোনো এক অচেনা বিষণ্নতা ঝুলে আছে আজ;
শহরের ভাঙা রাস্তায় হাঁটে নীরব মানুষের ছায়া।

ধানক্ষেতে আর শোনা যায় না রাখালের গান,
বকুলের গন্ধে মেশে এক অদৃশ্য ক্লান্তি;
দূরের নদীটি যেন ভুলে গেছে তার স্রোত—
জলের ভেতর কেবল জমে আছে কালো নিঃশ্বাস।

আমি কি তবে ফিরে এসেছি সেই চেনা পৃথিবীতে—
যেখানে রোদ মানে কেবলই ছায়ার দীর্ঘশ্বাস,
আর পাখিরা উড়ে যায় অজানা ভয়ের দিকে
ডানার ভেতর লুকিয়ে রাখে রাতের অশ্রু?

একদিন এই পথেই হেঁটেছিলাম একা,
পায়ের তলায় মাটির ছিল উষ্ণ স্পন্দন;
আজ  সেই মাটি যেন আবেগহীন নিথর শরীর
মনে হয় কেউ সব স্বপ্ন তুলে নিয়ে গেছে গোপনে।

তবু কি ফিরবো আবার, সেই নীল ধানের দেশে?
যেখানে শিশির ভেজা ঘাসে লেগে থাকে জীবনের ঘ্রাণ,
যেখানে অন্ধকারও ছিল মমতার মতো কোমল—
ভয় নয়, ছিল শুধু নিঃশব্দ এক স্নেহের ছায়া।
 হায়, আজ যেন এই আঁধার অন্যরকম;

এখানে ফিরে আসা মানে হারিয়ে যাওয়া আরও গভীরে,
এখানে প্রতিটি নিশ্বাসে জমে ওঠে অচেনা শূন্যতা।
আবার কি আসিলো ফিরে সেই অদ্ভুত আঁধার এক

অচেনা ভয়ে কেউ কথা বলে না 
শুধু রাত বাড়ে, আর দূরে কোথাও
একটি পাখি ডেকে ওঠে
তার ডানায় লেগে থাকে অচেনা আঁধারের
দাগ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254867/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Jun 2026 02:56:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আবার কি আসিলো ফিরে সেই অদ্ভুত আঁধার এক</p>
<p>আবার কি আসিলো ফিরে জীবনানন্দের সেই ‘অদ্ভুত আঁধার’; <br />
নিভে যাওয়া প্রদীপের মতো আকাশের বুক জুড়ে<br />
কোনো এক অচেনা বিষণ্নতা ঝুলে আছে আজ;<br />
শহরের ভাঙা রাস্তায় হাঁটে নীরব মানুষের ছায়া।</p>
<p>ধানক্ষেতে আর শোনা যায় না রাখালের গান,<br />
বকুলের গন্ধে মেশে এক অদৃশ্য ক্লান্তি;<br />
দূরের নদীটি যেন ভুলে গেছে তার স্রো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254867"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254867/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dcfe7e63211a36a3d827a31ba7bae506</guid>
				<title>অদৃশ্য সুতোর টান

রাজধানী থেকে অনেক দূরের একটি জেলা। মানচিত্রে ছোট্ট একটি বিন্দু, কিন্তু সেখানে লুকিয়ে ছিল হাজার কোটি টাকার এক অন্ধকার সাম্রাজ্য।

সাম্রাজ্যের কোনো রাজা ছিল না, কোনো সিংহাসনও ছিল না। ছিল শুধু কিছু ফাইল, কিছু সিলমোহর, কিছু স্বাক্ষর, আর কয়েকজন মানুষ, যারা রাষ্ট্রের পোশাক পরে রাষ্ট্রকেই নিঃস্ব করছিল।

বছরের পর বছর ধরে তারা একই কৌশলে কাজ করেছে।

একজন তালিকা তৈরি করে, আরেকজন অনুমোদন দেয়, তৃতীয়জন বিল ছাড় করে, চতুর্থজন কমিশন ভাগ করে নেয়। বাইরে থেকে সবাই আলাদা মানুষ, কিন্তু ভেতরে তারা ছিল একই জালের গিঁট।

তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল টাকা নয়।

সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল পৃষ্ঠপোষকতা।

প্রতিটি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার পেছনে ছিল আরও শক্তিশালী কেউ। কোনো রাজনৈতিক প্রভাবশালী, কোনো ক্ষমতাধর আমলা, কোনো অদৃশ্য গডফাদার, যার নাম সাধারণ মানুষ জানে না কিন্তু যার একটি ফোনেই বদলি, পদোন্নতি কিংবা শাস্তির সিদ্ধান্ত বদলে যায়।

এই ব্যবস্থার মধ্যেই একদিন যোগ দিলেন একজন নারী কর্মকর্তা।

তিনি ভেবেছিলেন, আইনই হবে তার ঢাল।

কিন্তু অল্পদিনেই বুঝলেন, আইনের বই আর বাস্তবতার বই এক নয়।

ফাইল খুলতেই তিনি দেখলেন অদ্ভুত সব হিসাব। মৃত মানুষের নামে ক্ষতিপূরণ, অস্তিত্বহীন জমির জন্য অর্থ বরাদ্দ, একই সম্পত্তির জন্য একাধিক দাবি।

তিনি তালিকা বাতিল করলেন।

সেদিনই প্রথম সিন্ডিকেটের মধ্যে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে।

কারণ তারা জানত, একজন সৎ কর্মকর্তা শুধু একটি ফাইল আটকে দেন না; তিনি পুরো ব্যবস্থার মুখোশ খুলে দেন।

প্রথমে আসে অনুরোধ।

তারপর আসে তদবির।

তারপর আসে সতর্কবার্তা।

আর শেষে আসে হুমকি।

কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল না এসবের কোনোটি।

সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল সেই মানুষগুলো, যারা কখনো সামনে আসে না।

যারা কোনো সভায় বক্তৃতা দেয় না, কোনো সংবাদে নাম আসে না, কিন্তু পর্দার আড়াল থেকে সুতো টানে।

তারা জানে কাকে কোথায় বদলি করতে হবে।

কোন তদন্তকে ধীর করতে হবে।

কোন ফাইলকে হারিয়ে ফেলতে হবে।

কোন সৎ কর্মকর্তাকে একঘরে করতে হবে।

রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হলো, দুর্নীতিবাজরা সবসময় দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করে না; অনেক সময় তাদের রক্ষা করে সম্মানিত মুখোশ পরা মানুষরা।

দিনের বেলায় তারা নৈতিকতার কথা বলে।

রাতের বেলায় তারা ভাগাভাগির হিসাব মেলায়।

তারা চোর নয়, কিন্তু চোরের প্রহরী।

তারা লুটেরা নয়, কিন্তু লুটেরাদের ছাতা।

তাদের হাত কখনো নোংরা হয় না, কারণ নোংরা কাজ করার জন্য নিচে অসংখ্য লোক থাকে।

একদিন সেই নারী কর্মকর্তা বুঝতে পারলেন, তার বিরুদ্ধে লড়ছে কোনো একক ব্যক্তি নয়।

লড়ছে একটি ব্যবস্থা।

একটি সংস্কৃতি।

একটি অদৃশ্য প্রজাতন্ত্র, যেখানে সততা অপরাধ আর আপস হলো যোগ্যতার প্রমাণ।

বারবার বদলির আদেশ আসছিল।

সহকর্মীরা বলছিলেন, &quot;এভাবে লড়াই করে লাভ কী?&quot;

তিনি মৃদু হেসে বলেছিলেন,

&quot;লাভের জন্য তো লড়ছি না।&quot;

জানালার বাইরে তখন সন্ধ্যা নেমেছে।

দূরে আজানের ধ্বনি ভেসে আসছে।

তার মনে হলো, দুর্নীতির সবচেয়ে বড় শক্তি টাকা নয়, মানুষের নীরবতা।

আর সততার সবচেয়ে বড় শক্তি ক্ষমতা নয়, বিবেক।

সেদিন তিনি বুঝলেন, দুর্নীতিবাজদের হারানো কঠিন।

কিন্তু তাদের সবচেয়ে বড় ভয়ও একজন সৎ মানুষ।

কারণ হাজার দুর্নীতিবাজ মিলে কোটি কোটি টাকা লুট করতে পারে, কিন্তু একজন সৎ কর্মকর্তা একটি স্বাক্ষর না করেই তাদের সাম্রাজ্য কাঁপিয়ে দিতে পারেন।

আর সেই কারণেই ইতিহাসে দুর্নীতিবাজদের নাম খুব কম মানুষ মনে রাখে।

মানুষ মনে রাখে তাদের, যারা ক্ষমতার সামনে মাথা নত করেনি। যারা অদৃশ্য সুতোর টানে নাচেনি। যারা জানত, বদলি হওয়া পরাজয় নয়, বরং কখনো কখনো সেটিই সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর মূল্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254054/</link>
				<pubDate>Fri, 12 Jun 2026 09:14:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অদৃশ্য সুতোর টান</p>
<p>রাজধানী থেকে অনেক দূরের একটি জেলা। মানচিত্রে ছোট্ট একটি বিন্দু, কিন্তু সেখানে লুকিয়ে ছিল হাজার কোটি টাকার এক অন্ধকার সাম্রাজ্য।</p>
<p>সাম্রাজ্যের কোনো রাজা ছিল না, কোনো সিংহাসনও ছিল না। ছিল শুধু কিছু ফাইল, কিছু সিলমোহর, কিছু স্বাক্ষর, আর কয়েকজন মানুষ, যারা রাষ্ট্রের পোশাক পরে রাষ্ট্রকেই নিঃস্ব করছিল।</p>
<p>বছরের পর বছর ধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254054"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254054/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">26414fe3ab59107be6f155bac42169bf</guid>
				<title>এক টুকরো আসমানি রোদ


সকাল থেকেই আসলাম সাহেবের পাঁচতলার ফ্ল্যাটটা বড় বেশি নিস্তব্ধ। ড্রয়িংরুমের কোণায় রাখা বিশাল ফ্রিজটা গোঁ গোঁ শব্দে জানান দিচ্ছে সে আজ পূর্ণগর্ভ। অথচ সত্তরোর্ধ্ব আসলাম সাহেবের বুকের ভেতরটা আজ যেন মরুভূমির মতো খাঁ খাঁ করছে।
রিটায়ার্ড লাইফটা তাঁর কাটছে এক অদ্ভুত যান্ত্রিকতায়। দুই ছেলে আর এক মেয়ে—সবাই বিদেশে থিতু। কেউ কানাডায়, কেউ অস্ট্রেলিয়ায়। ভিডিও কলে ঈদের সালাম বিনিময় হয়েছে ভোরবেলাতেই। বড় ছেলে জাহিদ স্ক্রিনে হাসিমুখে বলেছে, “আব্বা, বড় গরু দিয়েছেন তো? টাকার চিন্তা করবেন না, পাঠিয়ে দিয়েছি।”
টাকা! আসলাম সাহেব দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। টাকার অভাব তাঁর কোনোদিন ছিল না, আজ তো নেই-ই। আজ ভোরে তিনি একাই গিয়ে বিশাল এক গরু কুরবানি দিয়ে এসেছেন। কসাইরা দক্ষ হাতে কাজ শেষ করে দিয়ে গেছে। আসলাম সাহেবের কাজের লোক রফিক তিন ভাগ করে যত্ন করে ফ্রিজে তুলে রেখেছে সব। নিয়ম মেনে তিন ভাগের এক ভাগ প্রতিবেশী আর আত্মীয়দের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে টিফিন ক্যারিয়ারে করে। কিন্তু আসলাম সাহেব জানেন, ওই প্রতিবেশী বা আত্মীয়দের কারও ফ্রিজেই আজ জায়গা নেই। ওটা কেবলই এক যান্ত্রিক লেনদেন।
বিকেল গড়াতেই আসলাম সাহেব ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়ালেন। নিচের রাস্তায় তখন এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। একদল ছিন্নমূল মানুষ, কেউ বস্তা হাতে, কেউ পলিথিন হাতে ভিড় করে আছে ডাস্টবিনের আশেপাশে কিংবা বড় বড় গেটের সামনে। এক টুকরো হাড় বা চর্বির জন্য তাদের কী হাহাকার!
আসলাম সাহেবের হঠাৎ মনে হলো, তাঁর ড্রয়িংরুমের ওই বিশাল ফ্রিজটা যেন একটা ঠান্ডা কবরের মতো। যেখানে দামী গোশতগুলো জমে পাথর হয়ে আছে, অথচ নিচে রক্তমাংসের মানুষগুলো ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করছে। তিনি আর স্থির থাকতে পারলেন না। রফিককে ডাক দিলেন।
“রফিক, ফ্রিজ থেকে সব গোশত বের করো। যতগুলো প্যাকেট করেছো সব নিয়ে নিচে চলো।”
রফিক অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। “স্যার, সব? রাইতের বেলা আপনার মেহমান আসবে না?”
আসলাম সাহেব ম্লান হেসে বললেন, “মেহমানরা পেট ভরে খেয়েই আসবে রফিক। কিন্তু নিচে যাদের দেখছো, তারা আজ না খেলে হয়তো কাল আর ওঠার শক্তি পাবে না।”
নিচে নামার পর আসলাম সাহেব এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন। মানুষগুলো তাঁকে ঘিরে ধরলো। তিনি নিজ হাতে গোশতের প্যাকেটগুলো বিলিয়ে দিচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক বৃদ্ধ লোক রাস্তার এক কোণায় বসে আছে, তার হাতে কোনো ব্যাগ নেই। আসলাম সাহেব তাঁর কাছে গিয়ে এক প্যাকেট ভালো গোশত এগিয়ে দিলেন।
বৃদ্ধ লোকটা গোশত নিলেন না। বরং আসলাম সাহেবের চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন, “বাবা, গোশত তো অনেকেই দিল। কিন্তু কেউ একটু জিরানোর জায়গা দিল না। পা দুটা বড্ড ব্যথা করছে, কেউ একটু জিজ্ঞাসাও করলো না—দাদা, কেমন আছেন?”
কথাটা তীরের মতো আসলাম সাহেবের বুকে বিঁধলো। তিনি বুঝতে পারলেন, এই শহরটা মানুষকে গোশত দিতে শেখেছে, কিন্তু সময় দিতে শেখেনি। ত্যাগের উৎসবে আমরা পশুর রক্ত ঝরিয়েছি ঠিকই, কিন্তু মানুষের প্রতি মমতাটাকে বিসর্জন দিয়ে দিয়েছি অনেক আগেই।
আসলাম সাহেব এক মুহূর্ত ভাবলেন। তারপর বৃদ্ধের হাত ধরে টেনে তুললেন।
“চলেন আমার সাথে।”
“কই যাব বাবা?”
“আমার বাসায়। আজ আমরা সবাই মিলে একসাথে খাব।”
রফিকসহ আরও তিন-চারজন ভিক্ষুক আর ওই বৃদ্ধকে নিয়ে আসলাম সাহেব তাঁর সুসজ্জিত ডাইনিং রুমে বসালেন। দামী ডিনার সেটে গরম গরম খিচুড়ি আর কুরবানির গোশত বেড়ে দিলেন। প্রথম দিকে লোকগুলো খুব আড়ষ্ট ছিল, কিন্তু আসলাম সাহেব যখন নিজে বসে গল্প শুরু করলেন, তখন পরিবেশটা পাল্টে গেল।
ওই বৃদ্ধ লোকটা একসময় পালকিতে মানুষ বইতেন। তাঁর গল্পের ঝুলি যেন এক রূপকথার জগত। রফিক রান্নাঘর থেকে উঁকি দিয়ে দেখছিল—বিগত দশ বছরেও সে আসলাম সাহেবকে এত প্রাণখুলে হাসতে দেখেনি।
খাওয়ার পর বিদায় নেওয়ার সময় বৃদ্ধ লোকটা আসলাম সাহেবের মাথায় হাত রেখে বললেন, “বাবা, আজ পেট ভরে খাইলাম না শুধু, পরানটা ভইরা গেল। আল্লা আপনারে অনেকদিন বাঁচায় রাখুক।”
রাতে আবার ছেলেদের ফোন এলো। আসলাম সাহেব এবার হাসিমুখে বললেন, “জাহিদ রে, আজ আমি সত্যিকারের কুরবানি দিয়েছি। আজ আমার ঘরে উৎসব হয়েছে।”
ছেলেরা হয়তো ওপারে বসে বুঝতেই পারলো না বাবা কিসের কথা বলছেন। কিন্তু আসলাম সাহেব যখন একা ড্রয়িংরুমের লাইটটা নেভালেন, তখন তাঁর মনে হলো—এই প্রথম অন্ধকার ঘরটাতে এক টুকরো আসমানি রোদ ঢুকে পড়েছে। কুরবানির আসল শিক্ষা তো পশু হত্যায় নয়, বরং ত্যাগের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের সংযোগ স্থাপনে। আজ রাতে আসলাম সাহেব অনেকদিন পর খুব নিশ্চিন্তে ঘুমাবেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253964/</link>
				<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 09:04:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক টুকরো আসমানি রোদ</p>
<p>সকাল থেকেই আসলাম সাহেবের পাঁচতলার ফ্ল্যাটটা বড় বেশি নিস্তব্ধ। ড্রয়িংরুমের কোণায় রাখা বিশাল ফ্রিজটা গোঁ গোঁ শব্দে জানান দিচ্ছে সে আজ পূর্ণগর্ভ। অথচ সত্তরোর্ধ্ব আসলাম সাহেবের বুকের ভেতরটা আজ যেন মরুভূমির মতো খাঁ খাঁ করছে।<br />
রিটায়ার্ড লাইফটা তাঁর কাটছে এক অদ্ভুত যান্ত্রিকতায়। দুই ছেলে আর এক মেয়ে—সবাই বিদেশে থিতু। কেউ কানাড&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253964"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253964/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0b65ac4a630d5a64d7f460127f9b1739</guid>
				<title>মহিমা ও মুখোশ


গ্রামের নাম শান্তিপুর হলেও কুরবানির ঈদ আসার মাসখানেক আগে থেকেই সেখানে এক অশান্ত লড়াই শুরু হয়। এই লড়াইয়ের প্রধান দুই নায়ক হলেন ‘হাজী ভিলা’র মালিক আলহাজ্ব মতিন সাহেব এবং তাঁরই খালাতো ভাই, শহরফেরত ব্যবসায়ী আনিস চৌধুরী। তাঁদের লড়াইটা ঠিক শত্রুতার নয়, বরং ‘কার চেয়ে কার দাপট বেশি’ তা প্রমাণের।

ঈদের সাত দিন আগে আনিস চৌধুরী ঢাকা থেকে ট্রাকে করে এক বিশাল ‘ব্রাহমা’ জাতের গরু নিয়ে এলেন। গরুর গলায় ঝোলানো হলো লাল রঙের এক ডিজিটাল বোর্ড, যেখানে তার ওজন এবং দামের অংকটা লাল আলোয় জ্বলজ্বল করছে। গ্রামের মানুষ সেই গরু দেখতে ভিড় জমাল। আনিস চৌধুরী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে দামি চুরুট টানতে টানতে বললেন, “বুঝলে মতিন, ত্যাগের কাজে কোনো কার্পণ্য করতে নেই। সাড়ে দশ লাখ টাকা দিয়ে আনলাম। আল্লাহর রাস্তায় সেরাটা না দিলে কি আর কুরবানি হয়?”

মতিন সাহেবের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেল। তিনি মনে মনে ভাবলেন, ‘আমি গ্রামের বনেদি গৃহস্থ, আমার ইজ্জত কি ওই শহরের নব্য ধনীর কাছে ধুলোয় মিশবে?’ পরদিন ভোরেই তিনি বিশ্বস্ত লোক নিয়ে কুষ্টিয়ার নামকরা খামারে ছুটলেন। অনেক দরদামের পর বারো লাখ টাকায় এক কালো কুচকুচে পাহাড়সম গরু কিনে তবেই শান্ত হলেন। গরুর নাম দিলেন ‘শান্তিপুরের রাজা’।

ঈদের দুই দিন আগে থেকে দুই বাড়িতেই উৎসবের আমেজ। আলোকসজ্জা হয়েছে এমনভাবে যেন ঈদ নয়, বিয়েবাড়ি। সারাদিন মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে দুই গরুর গুণগান। কিন্তু এই শোরগোলের ঠিক মাঝখানেই গ্রামের শেষ সীমানার এক জীর্ণ কুঁড়েঘরে বসে কাঁদছিলেন জমিলা বেওয়া। তাঁর একমাত্র নাতি কালু জ্বরে ধুঁকছে সাত দিন ধরে। হাতে কোনো টাকা নেই। কুরবানি তো দূরের কথা, নাতির মুখে দুমুঠো ভাতের চাল জোগাড় করাই দায়।

জমিলা বেওয়া অনেক আশা নিয়ে মতিন সাহেবের কাছে গেলেন। মতিন সাহেব তখন তাঁর ‘রাজা’কে আপেল খাওয়াচ্ছিলেন। জমিলা কাতর হয়ে বললেন, “হাজী সাব, নাতিটা আমার মইরা যাইতেছে। চিকিৎসার লাইগা কয়েকটা টাকা যদি ধার দিতেন, আমি আপনার ক্ষেতে কাম কইরা শোধ দিয়া দিমু।”

মতিন সাহেব বিরক্ত হয়ে ভ্রু কুঁচকালেন, “দেখো জমিলা, এখন যজ্ঞের সময়। সামনে কুরবানি, কত খরচ বুঝতেই পারছো। আর এই সময়ে ওসব অলুক্ষুণে কথা বলো না তো! যাও, ঈদের পরে আসো।”

জমিলা বেওয়া এরপর গেলেন আনিস চৌধুরীর কাছে। আনিস সাহেব তখন ব্যস্ত গরুর সাথে সেলফি তুলতে। জ্যামিতিক হিসাব আর লৌকিকতার ভিড়ে জমিলার কথা তাঁর কানেই পৌঁছাল না। দারোয়ান দিয়ে বের করে দিলেন তাঁকে।

ঈদের দিন সকালে যখন দুই বাড়িতে রাজকীয় কুরবানি চলছে, তখন গ্রামের হাসপাতালের বারান্দায় একলা বসে ছিলেন জমিলা বেওয়া। তাঁর সেই ছোট্ট নাতি কালু চিরতরে শান্ত হয়ে গেছে। চিকিৎসার অভাবে নয়, বরং তার চেয়েও বড় ‘অভাবের’ বলি হয়েছে সে।

এদিকে মতিন সাহেব আর আনিস সাহেবের বাড়ির সামনে তখন গোশতের পাহাড়। কয়েক শ মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সেখানে চলছে হাড় আর চর্বি দেওয়ার মহোৎসব। ভালো গোশতগুলো প্যাকেট হয়ে বড় বড় ফ্রিজে চলে যাচ্ছে রাতের বড় ভোজের জন্য।

সন্ধ্যায় দুই ভাই একসাথে বসে ডিনার করছিলেন। আনিস চৌধুরী বললেন, “ভাইজান, এবারের কুরবানিটা কিন্তু জমল। সবাই আমার গরুর কথাই বলছে।”

মতিন সাহেব তৃপ্তির ঢেকুর তুলে বললেন, “ঠিকই বলেছো। তবে আমার ‘রাজা’র গোশতটা কিন্তু বেশি নরম হয়েছে। তৃপ্তিই আলাদা!”

ঠিক তখনই জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে মতিন সাহেব দেখলেন, দূরে হাসপাতালের দিক থেকে একটা ছোট খাটিয়া অন্ধকার রাস্তা দিয়ে গোরস্তানের দিকে যাচ্ছে। পেছনে শুধু একজন বুড়ি কুঁজো হয়ে হাঁটছেন।

হঠাৎ করে কেন জানি মতিন সাহেবের গলায় দামী গোশতটা আটকে গেল। তাঁর মনে পড়ল জমিলার সেই করুণ মুখটা। তিনি তাকিয়ে দেখলেন ড্রয়িংরুমে সাজানো সেই গরুর শিং আর ঝকঝকে আলোকসজ্জা। তাঁর মনে হলো, এই ঝকমকে আলো আর দানবীয় পশুর ভিড়ে প্রকৃত ত্যাগের আত্মাটা অনেক আগেই শ্বাসরোধ হয়ে মারা গেছে।

আনিস চৌধুরী আবার হাসিমুখে গোশতের টুকরো এগিয়ে দিলেন, কিন্তু মতিন সাহেব আর হাত বাড়াতে পারলেন না। তিনি বুঝতে পারলেন, তিনি আজ পশুকে কুরবানি দেননি, বরং পশুর মাংস আর নিজের অহংকারের উৎসবে মেতে উঠেছেন মাত্র। ত্যাগ নয়, এ কেবল এক মুখোশধারী বিজয়োল্লাস।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251088/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 20:13:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মহিমা ও মুখোশ</p>
<p>গ্রামের নাম শান্তিপুর হলেও কুরবানির ঈদ আসার মাসখানেক আগে থেকেই সেখানে এক অশান্ত লড়াই শুরু হয়। এই লড়াইয়ের প্রধান দুই নায়ক হলেন ‘হাজী ভিলা’র মালিক আলহাজ্ব মতিন সাহেব এবং তাঁরই খালাতো ভাই, শহরফেরত ব্যবসায়ী আনিস চৌধুরী। তাঁদের লড়াইটা ঠিক শত্রুতার নয়, বরং ‘কার চেয়ে কার দাপট বেশি’ তা প্রমাণের।</p>
<p>ঈদের সাত দিন আগে আনিস চৌধুরী ঢাকা থেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251088"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251088/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8baae051d93a6ce461d20a51b299cbe0</guid>
				<title>দ্রাবিড় পুত্র

কুয়াশার পাড়ে রোদ ঝলমল
মহেঞ্জোদারো-হরপ্পা মেয়ে 
ভালোবাসার খিলিপান সাজে
পূর্ব-পুরুষের খেলনাপাতি কোলাহল করে
বাঙলায়, দ্রাবিড় আঙ্গিনায়।
সাগরের বুকে সাম্পান ভাসে
ভাসে দ্রাবিড় পুরুষ, নূহের পুত্র
দৃষ্টি তার বহুদূর, চিলের মত
সাগর সঙ্গী তার, ডিঙ্গি ভাসায়
বাণিজ্যেতে যায়, দ্রাবিড় পুত্র।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250829/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 03:06:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দ্রাবিড় পুত্র</p>
<p>কুয়াশার পাড়ে রোদ ঝলমল<br />
মহেঞ্জোদারো-হরপ্পা মেয়ে<br />
ভালোবাসার খিলিপান সাজে<br />
পূর্ব-পুরুষের খেলনাপাতি কোলাহল করে<br />
বাঙলায়, দ্রাবিড় আঙ্গিনায়।<br />
সাগরের বুকে সাম্পান ভাসে<br />
ভাসে দ্রাবিড় পুরুষ, নূহের পুত্র<br />
দৃষ্টি তার বহুদূর, চিলের মত<br />
সাগর সঙ্গী তার, ডিঙ্গি ভাসায়<br />
বাণিজ্যেতে যায়, দ্রাবিড় পুত্র।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">294daf3070923e0cc666faf36d342f6c</guid>
				<title>মুহাম্মদ আবুল হুসাইন changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250416/</link>
				<pubDate>Fri, 22 May 2026 19:02:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3191270d92629c9ab2eb2c0c51ae92fc</guid>
				<title>আবার কি আসিলো ফিরে সেই অদ্ভুত আঁধার এক

মুহাম্মদ আবুল হুসাইন 


আবার কি আসিলো ফিরে জীবনানন্দের সেই ‘অদ্ভুত আঁধার’; 
নিভে যাওয়া প্রদীপের মতো আকাশের বুক জুড়ে
কোনো এক অচেনা বিষণ্নতা ঝুলে আছে আজ;
শহরের ভাঙা রাস্তায় হাঁটে নীরব মানুষের ছায়া।

ধানক্ষেতে আর শোনা যায় না রাখালের গান,
বকুলের গন্ধে মেশে এক অদৃশ্য ক্লান্তি;
দূরের নদীটি যেন ভুলে গেছে তার স্রোত—
জলের ভেতর কেবল জমে আছে কালো নিঃশ্বাস।

আমি কি তবে ফিরে এসেছি সেই চেনা পৃথিবীতে—
যেখানে রোদ মানে কেবলই ছায়ার দীর্ঘশ্বাস,
আর পাখিরা উড়ে যায় অজানা ভয়ের দিকে
ডানার ভেতর লুকিয়ে রাখে রাতের অশ্রু?

একদিন এই পথেই হেঁটেছিলাম একা,
পায়ের তলায় মাটির ছিল উষ্ণ স্পন্দন;
আজ  সেই মাটি যেন আবেগহীন নিথর শরীর
মনে হয় কেউ সব স্বপ্ন তুলে নিয়ে গেছে গোপনে।

তবু কি ফিরবো আবার, সেই নীল ধানের দেশে?
যেখানে শিশির ভেজা ঘাসে লেগে থাকে জীবনের ঘ্রাণ,
যেখানে অন্ধকারও ছিল মমতার মতো কোমল—
ভয় নয়, ছিল শুধু নিঃশব্দ এক স্নেহের ছায়া।

 হায়, আজ যেন এই আঁধার অন্যরকম;
এখানে ফিরে আসা মানে হারিয়ে যাওয়া আরও গভীরে,
এখানে প্রতিটি নিশ্বাসে জমে ওঠে অচেনা শূন্যতা।

আবার কি আসিলো ফিরে সেই অদ্ভুত আঁধার এক
অচেনা ভয়ে কেউ কথা বলে না 
শুধু রাত বাড়ে, আর দূরে কোথাও
একটি পাখি ডেকে ওঠে
তার ডানায় লেগে থাকে অচেনা আঁধারের
দাগ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250414/</link>
				<pubDate>Fri, 22 May 2026 18:49:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আবার কি আসিলো ফিরে সেই অদ্ভুত আঁধার এক</p>
<p>মুহাম্মদ আবুল হুসাইন </p>
<p>আবার কি আসিলো ফিরে জীবনানন্দের সেই ‘অদ্ভুত আঁধার’;<br />
নিভে যাওয়া প্রদীপের মতো আকাশের বুক জুড়ে<br />
কোনো এক অচেনা বিষণ্নতা ঝুলে আছে আজ;<br />
শহরের ভাঙা রাস্তায় হাঁটে নীরব মানুষের ছায়া।</p>
<p>ধানক্ষেতে আর শোনা যায় না রাখালের গান,<br />
বকুলের গন্ধে মেশে এক অদৃশ্য ক্লান্তি;<br />
দূরের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250414"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250414/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d3e5b564c099da14126b89887b84dd5</guid>
				<title>কুয়াশার পাড়ে রোদ ঝলমল

কুয়াশার পাড়ে রোদ ঝলমল
মহেঞ্জোদারো- হরপ্পা মেয়ে
ভালোবাসার খিলিপান সাজে
পূর্ব-পুরুষের খেলনাপাতি 
কোলাহল করে
বাংলায়, 
দ্রাবিড় আঙ্গিনায়...
সাগর সঙ্গী তার
দৃষ্টি তার বহুদূর...
চিলের মত....
সমুদ্রেতে যায়
সাম্পান ভাসায়
নূহের পুত্র...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/79612/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Dec 2021 01:49:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কুয়াশার পাড়ে রোদ ঝলমল</p>
<p>কুয়াশার পাড়ে রোদ ঝলমল<br />
মহেঞ্জোদারো- হরপ্পা মেয়ে<br />
ভালোবাসার খিলিপান সাজে<br />
পূর্ব-পুরুষের খেলনাপাতি<br />
কোলাহল করে<br />
বাংলায়,<br />
দ্রাবিড় আঙ্গিনায়&#8230;<br />
সাগর সঙ্গী তার<br />
দৃষ্টি তার বহুদূর&#8230;<br />
চিলের মত&#8230;.<br />
সমুদ্রেতে যায়<br />
সাম্পান ভাসায়<br />
নূহের পুত্র&#8230;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a5bd828f1500aa842363c8691532a012</guid>
				<title>কষ্টের জলপ্রপাত

হাজার বছর ধরে
পাঁজরের বিস্তীর্ণ প্রান্তরে
গহীণ কন্দরে 
কষ্টের জলপ্রপাত।
হাজার বছর ধরেে 
আমার হৃদয় খুড়ে
প্রেমের অশ্রুপাত...
একি আশ্চর্য মানবী তুমি!
তুমি হাসলে পৃথিবী বেহেশত হয়ে যায়
তোমার বিমুখতায়
আমি কোঁকড়ানো পাণ্ডুর পাতা হয়ে যাই...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/79611/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Dec 2021 01:44:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কষ্টের জলপ্রপাত</p>
<p>হাজার বছর ধরে<br />
পাঁজরের বিস্তীর্ণ প্রান্তরে<br />
গহীণ কন্দরে<br />
কষ্টের জলপ্রপাত।<br />
হাজার বছর ধরেে<br />
আমার হৃদয় খুড়ে<br />
প্রেমের অশ্রুপাত&#8230;<br />
একি আশ্চর্য মানবী তুমি!<br />
তুমি হাসলে পৃথিবী বেহেশত হয়ে যায়<br />
তোমার বিমুখতায়<br />
আমি কোঁকড়ানো পাণ্ডুর পাতা হয়ে যাই&#8230;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f560c2d224bee83031357c64f732a3e0</guid>
				<title>১৬ ডিসেম্বর

শীষ ফোটা আনন্দে হেসে ওঠে সময়।
আদর আদর বলে চাঁদমুখে চুমু খায় প্রসূতি মাতা।
প্রসব যন্ত্রণার দুঃস্বপ্ন কেটে যায়।
যেমন ২৫ মার্চের কালোরাত্রি ঢেকে যায়
১৬ ডিসেম্বরের বিজয় পতাকায়।
১৬ ডিসেম্বর...
দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ আর সম্ভাবনার মেঠোপথ জেগে ওঠে।
যেমন একবুক স্বপ্ন আর ফুল ফসলের সম্ভাবনায় ফোটে মানব জমিন।
১৬ ডিসেম্বর...
মায়ের নোলক ধরবে বলে কঁচি হাত শূন্যে ছুড়ে দুষ্টুমিতে মেতে ওঠে দুগ্ধপায়ী শিশু।

&#039;বাঘ&#039;, ‌&#039;বাঘ&#039; বলে কপট ছলনায় মাতে মিথ্যাবাদী রাখাল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/72979/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Dec 2021 08:44:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>১৬ ডিসেম্বর</p>
<p>শীষ ফোটা আনন্দে হেসে ওঠে সময়।<br />
আদর আদর বলে চাঁদমুখে চুমু খায় প্রসূতি মাতা।<br />
প্রসব যন্ত্রণার দুঃস্বপ্ন কেটে যায়।<br />
যেমন ২৫ মার্চের কালোরাত্রি ঢেকে যায়<br />
১৬ ডিসেম্বরের বিজয় পতাকায়।<br />
১৬ ডিসেম্বর&#8230;<br />
দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ আর সম্ভাবনার মেঠোপথ জেগে ওঠে।<br />
যেমন একবুক স্বপ্ন আর ফুল ফসলের সম্ভাবনায় ফোটে মানব জমিন।<br />
১৬ ডিসেম্বর&#8230;<br />
মায়ের নোলক ধরব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-72979"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/72979/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>