<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Noorjahan Tania | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/noorjahan-tania/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/noorjahan-tania/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Noorjahan Tania.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 12 Jun 2026 21:11:11 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">88049b1a0b0e9adf294d36f9542ba058</guid>
				<title>শিরোনামঃ লাল শাড়ি 
কলমেঃ নূরজাহান তানিয়া 

ছোট্টবেলায় এক পাড়াতো ভাই বলেছিল, 
             বৌ হবি বুড়ি?
কিনে দেবো হাট থেকে তোকে
        টুকটুকে লাল শাড়ি! 

আনন্দে নেচে উঠি আমি 
     কি মজা!  কি মজা! 
আমারও লাল শাড়ি হবে 
   ঠিক পুতুলের মতো! 

মিষ্টি প্রেমের কাব্য লিখে 
 দিয়েছিল কৈশোরে কেউ 
তার লেখা বধূয়া শব্দটি
তুলেছে হৃদয়ে ঢেউ। 

কেমন করে যেন বেহাত হলো সে চিঠি! 
       ছড়ালো প্রেম কাহিনি, 
বোঝাতে পারিনি কাউকে কিছুতে
        প্রেম আসলে হয়নি। 

নতুন জগতে অনুপ্রবেশ হলো
        লাল শাড়ি গায়ে, 
       দুরুদুরু কাঁপা বুকে 
        ভীরু ভীরু পায়ে। 

মলিন হতে শুরু করলো সেদিন হতে 
     আকৈশোর বোনা স্বপ্ন, 
মানিয়ে নিতে আর মেনে নিতে নিতে 
        রোজ হয় অন্তর্দন্দ!

হৃদয়ের রক্তক্ষরণে একটু একটু করে 
         লাল শাড়ি হয় ফিকে,
   স্বপ্নগুলো চোখের কোণ ছেড়ে 
      পালালো কোন দিকে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/82583/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Dec 2021 01:33:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনামঃ লাল শাড়ি<br />
কলমেঃ নূরজাহান তানিয়া </p>
<p>ছোট্টবেলায় এক পাড়াতো ভাই বলেছিল,<br />
             বৌ হবি বুড়ি?<br />
কিনে দেবো হাট থেকে তোকে<br />
        টুকটুকে লাল শাড়ি! </p>
<p>আনন্দে নেচে উঠি আমি<br />
     কি মজা!  কি মজা!<br />
আমারও লাল শাড়ি হবে<br />
   ঠিক পুতুলের মতো! </p>
<p>মিষ্টি প্রেমের কাব্য লিখে<br />
 দিয়েছিল কৈশোরে কেউ<br />
তার লেখা বধূয়া শব্দটি<br />
তুলেছে হৃদয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-82583"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/82583/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6bbfddcf5c064ec921c18244f60bf3c0</guid>
				<title>ছোটগল্প
 মুচকি হাসির অন্তরালে 
নূরজাহান তানিয়া 

কল কেটে দিয়েই রাগে গজগজ করতে লাগলেন আমার শ্বশুর। 
যত্তসব ছোটলোকের দল! বিশ হাজার টাকা পাঠালাম ঈদ করতে, দশ হাজার টাকার ইফতার। তবুও নাকি কম হয়ে গেছে! 
মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন এমন কেন? 
যত কিছুই করি, মন পাওয়া যায় না।
শুনে আমি মুচকি হাসলাম। 
ঈদের পর পরই বাড়ি ভর্তি হলো মেহমানে।টেবিল ভর্তি হরেক পদের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।কোথাও কিছুর কমতি রাখেননি আমার শ্বাশুড়িমা।মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলে কথা! 
তবুও ত্রুটির অন্ত নেই। হাজারটা খুঁত ধরলেন ওনারা। মুখ কালো হয়ে গেল শাশুড়িমায়ের।ওরা কি জন্মেও কিছু খায়নি! এত কিছুর পরও........ 
এবারও মুচকি হাসি। 
অফিস থেকে বাসায় ফিরেই ধপ করে সোফায় বসলেন আমার স্বামী, মুখটা ভীষণ ভার!
মা, শুনেছ? ওরা নাকি তোমার মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়েছে।অথচ বিয়ের আগে কথা দিয়েছিল ওকে পড়াবে। হারামি! 
মুচকি হাসি আবারও। 
ডোরবেল বাজতেই দরজা খুলে দিলাম। দেবর আমার সোজা মায়ের ঘরে চলে গেল। 
কিরে, তুই একা কেন? ওকে আনিসনি?
আসতে দিলে তো!
আমার অসুখের কথা বলিসনি? 
তোমার মেয়ে কি ডাক্তার নাকি? ও এসে তোমার চিকিৎসা করবে? অমানুষ! 
সেই মুচকি হাসি। 
ননদ এলো স্বামীসহ।শ্বশুর-শাশুড়ি সবাই খুশি। 
আম্মা, আপনার মেয়ে অসুস্থ। কিছুদিন এখানে থাক,আমি পরে এসে নিয়ে যাবো।
সব খুশি হাওয়ায় মিলিয়ে গেল যেন!
প্রকৃতি সবার পাওনা মিটিয়ে দেয়।অপেক্ষা শুধু সময়ের।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/73728/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Dec 2021 14:36:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোটগল্প<br />
 মুচকি হাসির অন্তরালে<br />
নূরজাহান তানিয়া </p>
<p>কল কেটে দিয়েই রাগে গজগজ করতে লাগলেন আমার শ্বশুর।<br />
যত্তসব ছোটলোকের দল! বিশ হাজার টাকা পাঠালাম ঈদ করতে, দশ হাজার টাকার ইফতার। তবুও নাকি কম হয়ে গেছে!<br />
মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন এমন কেন?<br />
যত কিছুই করি, মন পাওয়া যায় না।<br />
শুনে আমি মুচকি হাসলাম।<br />
ঈদের পর পরই বাড়ি ভর্তি হলো মেহমানে।টেবিল ভর্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-73728"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/73728/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f5473647c8d8b86d572b28473cd12790</guid>
				<title>শিরোনামঃ অর্পিতার বিয়ে 
নূরজাহান তানিয়া 

আজ অর্পিতার বিয়ে। প্রথম নয়, দ্বিতীয় বিয়ে। 
পরিস্থিতির চাপে সামাজিকতার কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বেও দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হচ্ছে অর্পিতাকে।
একমাত্র সন্তান আয়ানকে ছেড়ে যেতে কলিজা ছিড়ে যাচ্ছে তার। তবুও কিছু করার নেই। ওর হাত-পা যে নিয়তির শিকলে বাধা!
বছর পাঁচেক আগে মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন মিলে খুব ধুমধাম করে বিয়ে দিয়েছিল অর্পিতাকে।কিন্তু সবার কপালে সুখ থাকেনা!
বিয়ের আগে জানতো তার বর ব্যবসা করে। বিয়ের পরেও তাই জেনে এসেছে। ব্যস্ততার কারণে স্বামী তাকে ঠিকমতো সময়ও দেয়নি। 
মন খুলে তার সাথে দুটো কথাও বলতে পারেনি অর্পিতা। 
হোঁচট খেল কয়েকমাস পরে.... 
রান্নাঘরে কাজ করার সময় একদিন তার বড়জা এসে বললো-
শোন অর্পি, তোমাকে কিছু কথা বলে রাখি।তোমার বরকে বল কাজকর্ম কিছু করতে। এভাবে আমাদের ঘাড়ে বসে আর কতদিন গিলবে তোমরা! 
এতদিন একজনকে খাইয়েছি, এখন দুজন। কিছুদিন পরে তিনজন হবে। তোমাদের বিবেক বলে কিচ্ছু নেই! 
একনাগাড়ে কথাগুলো বলে হনহনিয়ে চলে গেল সে।অর্পি তার যাওয়ার পানে চেয়ে রইলো। 
অর্পিতার পায়ের তলার মাটি যেন সরে যাচ্ছে। মাথা চক্কর দিয়ে উঠলো তার। 
বিয়ের আগে অর্পিতার পরিবার ছেলের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য তেমন সময় পায়নি। তুষারের মা অসুস্থ, যায় যায় অবস্থা। মরার আগে ছোট ছেলের বউ দেখে যেতে চান।সেই অযুহাতে খুব তাড়া দিচ্ছিল পাত্রপক্ষ। সবচেয়ে বড় কথা হলো প্রস্তাবটা অর্পিতার কাছের আত্নীয়র মাধ্যমেই এসেছিল। সেই ভরসায় অর্পিতাকে বিয়ে দিয়েছিল তার মা-বাবা। 
বিয়ের পর থেকেই অর্পিতা নতুন পরিবারের সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে চেষ্টা করেছে কিন্তু পারেনি।কোথায় যেন একটা দূরত্ব ছিল বড় জা&#039;এর উপরোক্ত কথায় সেটা বুঝতে পারে সে।
ততদিনে অর্পিতার ঘরে নতুন অতিথি আসতে চলেছে। 
স্বামীকে বলতে গিয়ে উল্টো ঝাড়ি খেতে হয় অর্পিতাকে।
দেখো অর্পিতা, আমি এমনিতেই খুব টেনশনে আছি। এসব আজেবাজে কথা বলে মেজাজটা গরম করোনা তো! তোমাদের মেয়েমানুষের এ-ই একটা বদঅভ্যেস, আজাইরা ঘ্যানঘ্যান প্যানপ্যান!
আচ্ছা, তোমাকে কি না খাইয়ে রেখেছে? মারধর করেছে? গালমন্দ করেছে কেউ? 
একথার কোন জবাব দিতে পারেনা অর্পিতা। 
বিয়ের পর থেকে সবার রুঢ় আচরণে অভ্যস্ত হয়ে গেছে অর্পি।কিন্তু স্বামীও যে এমন করবে সেটা তার ধারণায় ছিলনা!
আস্তে আস্তে দূর্বল হয়ে পড়ায় আগের মতো সাংসারিক কাজকর্ম, সকলের সেবা করতে পারেনা সে। তাই উঠতে বসতে খাওয়ার খোটা, অপমান-লাঞ্ছনা তার নিত্যদিনের রুটিন হয়ে যায়। 
সন্তান প্রসবের জন্য বাবার বাড়ি আনা হয় অর্পিতাকে।তার আর স্বামীর ঘরে ফিরে যাওয়া হয়না। 
ডেলিভারি পেইন শুরু হলে অর্পিতা নিজেই ফোন করে তুষারকে।তুষার মাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবে তাই আসতে পারবেনা বলে জানায়।
অনেক রাতে হাসপাতালে এসে ছেলেকে দেখে যায় তুষার। তারপর আর খোঁজ নেই! 
ডিসচার্জের দিন বারবার তুষারকে ফোন করা হয় কিন্তু সে রিসিভ করেনা।
ছয়মাস পর ডিভোর্স হয়ে যায় তুষার-অর্পিতার।এই ছয়মাসে আয়ানকে একবার দেখতে পর্যন্ত আসেনি। 

আম্মু আম্মু, তুমি আজ সেজেছ কেন? 
আয়ানের কথায় ভাবনায় ছেদ পড়ে অর্পিতার।
এমনিই বাবা- ছেলেকে বুকে জড়িয়ে নেয় অর্পিতা। 
বুক ফেটে কান্না বেড়িয়ে আসতে চায়, কিন্তু কাঁদতে পারেনা সে।
জানালা দিয়ে আকাশের দিকে চেয়ে আছে অর্পিতা। চারদিকে সুনশান নিরবতা। নিশাচর পাখিরাও ঘুমিয়ে গেছে। ঘুম নেই শুধু অর্পিতার চোখে। 
বিছানার দিকে তাকাতেই বুকটা ধক করে ওঠে। আসাদুজ্জামান তার দুই মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে আছে। অথচ আয়ান?
বাবা কি জিনিস জানেনা, এখন মাকেও হারালো! 
এদিকে অর্পিতা আসাদুজ্জামানের দুই মেয়ের মা হতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে অথচ নিজের ছেলেকে একবার দেখতে হলেও একজনের অনুমতি লাগে! 
এ এক সীমাহীন যন্ত্রণা!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/65577/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Nov 2021 09:34:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনামঃ অর্পিতার বিয়ে<br />
নূরজাহান তানিয়া </p>
<p>আজ অর্পিতার বিয়ে। প্রথম নয়, দ্বিতীয় বিয়ে।<br />
পরিস্থিতির চাপে সামাজিকতার কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বেও দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হচ্ছে অর্পিতাকে।<br />
একমাত্র সন্তান আয়ানকে ছেড়ে যেতে কলিজা ছিড়ে যাচ্ছে তার। তবুও কিছু করার নেই। ওর হাত-পা যে নিয়তির শিকলে বাধা!<br />
বছর পাঁচেক আগে মা-বাব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-65577"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/65577/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a4d4dafc6cc43c1919b5c60f8d75004</guid>
				<title>শিরোনামঃ চার দেওয়ালের জীবন 
কলমেঃ নূরজাহান তানিয়া 

এতো বেলায়ও ঘুম ভাঙেনি!
জমিদারের বেটি,
কখন করবে রাঁধাবাড়া 
কখন কাটাকুটি! 

ঝাড়ু দেওয়া বাসন মাজ
সব এখনও বাকি,
পরে পরে ঘুমোচ্ছে সে
কাজে দিয়ে ফাঁকি। 

বাপ-মা কিছু শিক্ষা দেয়নি 
করতে পারেনি মানুষ, 
পরের বাড়ি এসেও দেখো
দায়িত্ব জ্ঞানে বেহুশ! 

চেচামেচি শুনে আমি 
শয্যা ছেড়ে নামি,
টলতে টলতে পায়ে পায়ে
বারান্দায় এসে থামি।

শাশুড়িকে ডেকে বললাম, মাগো
শরীর যে বড়ো মন্দ, 
ঝাঁঝ মাখিয়ে বললো সে যে
খাওয়া কি তবে বন্ধ? 

বুঝতে হবে বউ হয়ে তুমি 
এসেছ পরের বাড়ি, 
ন্যাকা কান্না ছেড়ে এবার 
চাপাও রান্নার হাঁড়ি। 

বড়জা এসে বললো কেশে 
হয়নি এখনও নাস্তা! 
জলদি করো আগে আমায়
বানিয়ে দাও পাস্তা। 

ছেলেকে নিয়ে স্কুলে যাবো 
হয়ে গেল বুঝি দেরি! 
তোমার মতো অকর্মা নিয়ে 
কি যে আমি করি!

আসুক আমার দেবর আমার 
নালিশ জানাবো তায়,
স্বভাবে নবাবী বউ যে তাহার 
খায় আর ঘুমায়! 

পাস্তার সঙ্গে চা করেছি 
কাঁপা কাঁপা হাতে, 
বুঝতেই পারিনি চিনির বদলে 
লবণ দিয়েছি তাতে! 

খেয়ে ননাস ওয়াক থু করে 
ছুড়ে মারলো মুখে, 
মাগো একবার দেখে যাও এসে 
রয়েছি কতটা সুখে!

বলেছিলে তুমি রানী হবি তুই 
কাদিস কেন মিছে, 
রানীর আগে ছোট্ট একটি 
শব্দের যোগ আছে! 

স্বামী আসার পরে আবার 
বাঁধলো তুলকালাম, 
একের পর এক অভিযোগে
অভিযুক্ত হলাম! 

গাঁয়ের মেয়ে তুমি বউ হয়েছ
শহুরে বড়ো ঘরে, 
দস্যিপনা চলবেনা এখানে 
দিলাম সাবধান করে! 

না পারো যদি করতে সেবা 
মা, ভাই, ভাবি বোনের, 
তবে আমার ছেড়ে দাও আশা 
রাস্তা মাপো নিজের। 

ভাতিজা আমার আদরের অতি 
রাখবে মাথায় তুলে, 
মা-বোন, ভাবি বড়ো সম্মানী
তর্ক করোনা ভুলে! 

মাথা চক্কর দিলো আমার
চোখে দেখি অন্ধকার, 
কি হয়েছে তাহার পরে 
মনে নেই কিছু আর!

মা-বাবা আমায় নিতে চাইলো
কিছু দিনের জন্য, 
জবাবে যা বললো ভাসুর 
শুনেই তারা ধন্য!

কে বলেছে আমার উপর 
হচ্ছে অবিচার? 
একটু আধটু শাসন করবে 
নাই কি অধিকার! 

এমনি করেই চলছে জীবন 
চার দেওয়ালের মাঝে, 
চোখের জলে বুক ভেসে যায় 
সকাল দুপুর সাঁঝে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/62972/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 01:47:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনামঃ চার দেওয়ালের জীবন<br />
কলমেঃ নূরজাহান তানিয়া </p>
<p>এতো বেলায়ও ঘুম ভাঙেনি!<br />
জমিদারের বেটি,<br />
কখন করবে রাঁধাবাড়া<br />
কখন কাটাকুটি! </p>
<p>ঝাড়ু দেওয়া বাসন মাজ<br />
সব এখনও বাকি,<br />
পরে পরে ঘুমোচ্ছে সে<br />
কাজে দিয়ে ফাঁকি। </p>
<p>বাপ-মা কিছু শিক্ষা দেয়নি<br />
করতে পারেনি মানুষ,<br />
পরের বাড়ি এসেও দেখো<br />
দায়িত্ব জ্ঞানে বেহুশ! </p>
<p>চেচামেচি শুনে আমি<br />
শয্যা ছেড়ে নামি,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-62972"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/62972/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ef08e9ace3fa62ae6f6f036914cd4135</guid>
				<title>ক্ষমা করো আমায়
নূরজাহান তানিয়া 

নিস্তব্ধ চারিদিকে সুনসান নীরবতা 
আমি একা,
ধূসর এ জীবন প্রান্তরে মোর 
অলিগলি সব ফাঁকা! 

এই অবেলায় দিন কেটে যায় 
ইহজনম গেল বৃথা, 
হারিয়ে ফেলে কৈশোর যৌবন 
কুড়িয়েছি শুধু ব্যর্থতা।

রঙিন দুনিয়ার মোহে পড়েছি
ভুলেছি পরিণাম, 
একবারও ভাবিনি ওপারে আছে 
তৈরি জাহান্নাম! 

বিধাতার দেয়া সকল সামর্থ্য 
ব্যয় করেছি ভুল পথে, 
শুকরিয়া করিনি আদায় আমি 
মেতেছি নাফরমানিতে!

কোথাও একফোঁটা সুখ পাইনি 
ভুগেছি আত্মগ্লানিতে,
এবার আমায় করো গো ক্ষমা
ভরে দাও মেহেরবানিতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/62544/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Nov 2021 13:33:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্ষমা করো আমায়<br />
নূরজাহান তানিয়া </p>
<p>নিস্তব্ধ চারিদিকে সুনসান নীরবতা<br />
আমি একা,<br />
ধূসর এ জীবন প্রান্তরে মোর<br />
অলিগলি সব ফাঁকা! </p>
<p>এই অবেলায় দিন কেটে যায়<br />
ইহজনম গেল বৃথা,<br />
হারিয়ে ফেলে কৈশোর যৌবন<br />
কুড়িয়েছি শুধু ব্যর্থতা।</p>
<p>রঙিন দুনিয়ার মোহে পড়েছি<br />
ভুলেছি পরিণাম,<br />
একবারও ভাবিনি ওপারে আছে<br />
তৈরি জাহান্নাম! </p>
<p>বিধাতার দেয়া সকল সামর্থ্য<br />
ব্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-62544"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/62544/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">12154d1a70dae6a0af5eddda664e449d</guid>
				<title>অধরা
নূরজাহান তানিয়া 
১৯/১১/২০২১

তোর একটা নাম রেখেছিলাম 
সে নামে ডাকা হয়নি, 
তোর জন্য মালা গেঁথেছিলাম 
সেটা তোকে পড়ানো হয়নি। 
তোকে নিয়ে গান লিখেছিলাম 
সুর করে গাওয়া হয়নি 
তোকে নিয়ে রচিত কবিতায় 
ছন্দের মিল ছিলনা ভালো, 
তোকে দেখা সেই সন্ধ্যায়
ছিলনা কোন আলো।
তোর একটা ছবি এঁকেছিলাম 
তাতে রং করা হয়নি। 
তোর নামে চিঠি লিখেছিলাম 
তোকে দেওয়া হয়নি। 
তোকে শোনাতে বাঁশি কিনেছিলাম 
সুর তুলতে পারিনি। 
তোর জন্য বোনা রুমাল 
তোকে পৌঁছাতে পারিনি। 
সাজানো সেই ছোট্ট নৌকোতে
ভেসে যেতে পারিনি। 
এই হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা 
হৃদয়েই বয়ে গেল, 
তোকে নিয়ে দেখা স্বপ্নগুলো
অধরাই রয়ে গেল!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/61441/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Nov 2021 09:13:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অধরা<br />
নূরজাহান তানিয়া<br />
১৯/১১/২০২১</p>
<p>তোর একটা নাম রেখেছিলাম<br />
সে নামে ডাকা হয়নি,<br />
তোর জন্য মালা গেঁথেছিলাম<br />
সেটা তোকে পড়ানো হয়নি।<br />
তোকে নিয়ে গান লিখেছিলাম<br />
সুর করে গাওয়া হয়নি<br />
তোকে নিয়ে রচিত কবিতায়<br />
ছন্দের মিল ছিলনা ভালো,<br />
তোকে দেখা সেই সন্ধ্যায়<br />
ছিলনা কোন আলো।<br />
তোর একটা ছবি এঁকেছিলাম<br />
তাতে রং করা হয়নি।<br />
তোর নামে চিঠি লিখেছিলাম<br />
ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-61441"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/61441/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2f2e6c18be57674d68e2f70b133f5bb7</guid>
				<title>অধরা
নূরজাহান তানিয়া 
১৯/১১/২০২১

তোর একটা নাম রেখেছিলাম 
সে নামে ডাকা হয়নি, 
তোর জন্য মালা গেঁথেছিলাম 
সেটা তোকে পড়ানো হয়নি। 
তোকে নিয়ে গান লিখেছিলাম 
সুর করে গাওয়া হয়নি 
তোকে নিয়ে রচিত কবিতায় 
ছন্দের মিল ছিলনা ভালো, 
তোকে দেখা সেই সন্ধ্যায়
ছিলনা কোন আলো।
তোর একটা ছবি এঁকেছিলাম 
তাতে রং করা হয়নি। 
তোর নামে চিঠি লিখেছিলাম 
তোকে দেওয়া হয়নি। 
তোকে শোনাতে বাঁশি কিনেছিলাম 
সুর তুলতে পারিনি। 
তোর জন্য বোনা রুমাল 
তোকে পৌঁছাতে পারিনি। 
সাজানো সেই ছোট্ট নৌকোতে
ভেসে যেতে পারিনি। 
এই হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা 
হৃদয়েই বয়ে গেল, 
তোকে নিয়ে দেখা স্বপ্নগুলো
অধরাই রয়ে গেল!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/61337/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Nov 2021 03:50:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অধরা<br />
নূরজাহান তানিয়া<br />
১৯/১১/২০২১</p>
<p>তোর একটা নাম রেখেছিলাম<br />
সে নামে ডাকা হয়নি,<br />
তোর জন্য মালা গেঁথেছিলাম<br />
সেটা তোকে পড়ানো হয়নি।<br />
তোকে নিয়ে গান লিখেছিলাম<br />
সুর করে গাওয়া হয়নি<br />
তোকে নিয়ে রচিত কবিতায়<br />
ছন্দের মিল ছিলনা ভালো,<br />
তোকে দেখা সেই সন্ধ্যায়<br />
ছিলনা কোন আলো।<br />
তোর একটা ছবি এঁকেছিলাম<br />
তাতে রং করা হয়নি।<br />
তোর নামে চিঠি লিখেছিলাম<br />
ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-61337"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/61337/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>