<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md.Rekayet Hossain Dhrubo | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rekayet45/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rekayet45/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md.Rekayet Hossain Dhrubo.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 04:19:31 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">0165339d4c6e30ed4aba16dc87ba235e</guid>
				<title>সময়টা বিকাল।
পূর্বদিকের জানালা খোলা।কথক বিছানার উপর অর্ধশোয়া অবস্থায়।
জানালা দিয়ে দুইজনকে দেখা যাচ্ছে,খুবই পরিচিত। 
দুইজন ভাইবোন। দুজনের মাঝে ভাই বড়,হাড্ডিসার দেহ,বোন কুঁকড়ানো চুলের অধিকারীনী। ঘুড়ি উড়াতে ব্যস্ত তারা। কাঁচা হাতে তৈরি ঘুড়ি উড়াতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে।ঘুড়ির নাচানাচি দেখতে দেখতে কখন তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পরেছেন তা খেয়াল নেই।
ঘুম ভাঙে একটি প্রশ্নে। চোখে চশমা থাকায় কথক ঘুমন্ত ছিল তা খেয়াল করেনি  প্রশ্নকর্তা। 
এই প্রশ্নটিই একটি নতুন অভিজ্ঞতার জন্ম দেয় কিছুক্ষণ পর।
চা খাবেন???আমি ভালো চা বানাতে পারি।
কথক প্রশ্নকর্তার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করলেন।
প্রশ্নকর্তার চাহনি দেখে মনে হলো তিনি সবসময় যআ করেন তা ভুলে গেছেন।
নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন-মন্দ হয় না।
মিনিট দশেক পর চায়ের কাপ এবং টোষ্ট বিস্কিট নিয়ে হাজির হলেন। টোষ্ট বিস্কিট দেখার পর মনে হলো এই বিস্কিটের  জন্মই মনে হয় চায়ের সাথে পরিবেশনের জন্য।তবে তার মুখখানা বিস্কিটের মতো রুক্ষ ছিলো নাহ।
মুখে হাসি ছিল, চোখে চাঞ্চলতা ছিল,মনে আগ্রহ ছিল যা প্রথমবার কাউকে নিজহাতে বানানো কিছু খাওয়ানোর সময় সবার থাকে।তবে তার আচরণ কি ব্যাতিক্রম  ছিল তা বুঝার ক্ষমতা কথকের ছিলো নাহ। 
আগ্রহ নিয়ে প্রসংশা কাতর দৃষ্টিতে বললঃ-চা কেমন হয়েছে???
কথকঃ ভালোই তবে চিনি কম,আরেক চামচ হলে ভালো হতো।
ইতিমধ্যে হাসি এবং চোখে খানিকটা মলিন ভাব। 
রুম থেকে যাওয়ার আগে শেষ কথা ছিল-আমি ভয়ে চিনি দেই নি,বেশি হলে বলতেন চা না শরবত দিছি আপনাকে।
লেখকঃ চা কি সত্যিই খারাপ ছিলো??? 
কথকঃ এরপর বহু মানুষের পরিপূর্ণ চা খেয়েছি কিন্তু সেই অপূর্ণ চায়ের স্বাদ ভুলতে পারি নি।
গল্প:অপূর্ণ চা।
লেখক:মোঃ রিকায়েত হোসেন ধ্রুব</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156545/</link>
				<pubDate>Tue, 04 Oct 2022 20:48:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সময়টা বিকাল।<br />
পূর্বদিকের জানালা খোলা।কথক বিছানার উপর অর্ধশোয়া অবস্থায়।<br />
জানালা দিয়ে দুইজনকে দেখা যাচ্ছে,খুবই পরিচিত।<br />
দুইজন ভাইবোন। দুজনের মাঝে ভাই বড়,হাড্ডিসার দেহ,বোন কুঁকড়ানো চুলের অধিকারীনী। ঘুড়ি উড়াতে ব্যস্ত তারা। কাঁচা হাতে তৈরি ঘুড়ি উড়াতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে।ঘুড়ির নাচানাচি দেখতে দেখতে কখন তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পরেছেন তা খেয়াল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-156545"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/156545/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">129b3fc5580a4cc50b9524785e1924f4</guid>
				<title>রাত ১২ঃ০৫ মিনিট। গ্রামে এই সময় অধিকাংশ  মানুষ  ঘুমালেও শহরে তার ব্যতিক্রম। তবে বর্তমানে শহরের মানুষও তারাতাড়ি ঘুমায়। বাইরে যাওয়া, আড্ডা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।সবাই অদৃশ্য বস্তুর ভয়ে কাতর।তার নাম নভেল করোনা ভাইরাস।
এই রাতে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে সুরুজ আলী ও তার বড় ছেলে সবুজ।দুইজনের দেহই হাড্ডিসার। সুরুজ আলীর দাঁড়িতে পাক ধরেছে,ছেলের মুখে মাত্র গোঁফের রেখা দৃশমান।দুইজন অতি সাবধানে এবং সুক্ষ্ম দৃষ্টিতে হেঁটে চলেছে। সন্ধানে রয়েছে একটি খালি বাড়ির। 

রাস্তায় দু-একটা কুকুর ছাড়া আর কেউ নেই।
সুরুজ আলীর এই রাস্তা অতি পরিচিত। লকডাউনের আগে গ্রাম থেকে সবজি এনে এই রাস্তায় বিক্রিই ছিল তার আয়ের উৎস। এই প্রথম তার সাথে তার ছেলে এসেছে। সবুজ রাতের শহর দেখেও অবাক।তাদের গ্রামে এমন পাকা রাস্তা, ল্যাম্পপোস্ট নেই।পাকা দালান রয়েছে তবে এতো সুউচ্চ নয়।তাদের গ্রামে ছাদ ওয়ালা দু-তলা বাড়ি শুধু চেয়ারম্যানের রয়েছে। সবুজের অনেকদিনের ইচ্ছে পাকা দালানে থাকার,কিন্তু গরীব বলে তার ইচ্ছে ইচ্ছেই রয়ে গেছে।

অবশেষে একটি খালি বাড়ি পাওয়া গেল।তিন-তলা নীল রঙের বাড়ি।বাড়ি সম্পুর্ন  অন্ধকার  দেখেই সুরুজ আলী ভেবে নিয়েছে বাড়িটা ফাঁকা।
সুরুজ আলীঃ তুই গেইটে খাড়া আমি আইতাছি।
সবুজঃআব্বা আমি ভিতরে যামু।
সুরুজ আলীঃ তুই পাইবি নাহ।ধরা পরলে মাইর খাওন লাগবো।
সবুজঃ নাহ আব্বা আমি পারমু।
সবুজের চুরির থেকেও বড় উদ্দেশ্য ছিল পাকা দালান ভিতর থেকে দেখার।
সুরুজ আলীঃ তুই তালা ভাঙবার পাইবি?
সবুজঃইট দিয়া বারি দিমু আব্বা।
সুরুজ আলীঃ যা তাইলে, তিন-তালাত যাবি।
সবুজ বাড়ির দেয়াল  টপকে ভিতরে ঢুকলো সুরুজ আলী মেইন গেইটে দাঁড়িয়ে। 

সবুজ ইট দিয়ে গোটা পাঁচেক বারি দিতেই তালা ভেঙে যায়। 
সবুজ ঘরে ঢুকার পর অবাক।
ঘরে টিভি, ফ্রিজ, টেলিফোন সবই রয়েছে। টিভি, ফ্রিজের আকার ওদের গ্রামের আকবর মিয়ার দোকানের গুলো থেকে অনেক বড়। সবুজের ইচ্ছে করছে টিভি, ফ্রিজ সাথে নিয়ে নিতে।কিন্তু সুরুজ আলীর কঠিন নির্দেশ রয়েছে শুধু টাকা চুরি করার।
আলমিরা  আর বিছানার তোষকের নিচ থেকে প্রায় বিশ হাজার টাকা পেল।
সব কাজ শেষ তাই সবুজের মুখে হাসি।এখন তাদের বাড়ি ফিরার পালা।

নিচে নামার সময় দেখলো সিড়িতে একটি মেয়ে বসে আছে।সবুজ দেখা মাত্রই আবার উপরে উঠে গেল। 
সবুজের মনে এখন একটিই প্রশ্ন ধরা পড়লে কি হবে?
সবুজ শুনেছে পুলিশ নাকি অনেক মারে।
হঠাৎ  সবুজ কান্নার শব্দ শুনতে পেল।মনে হলো মেয়েটি কান্না করছে।
সবুজ মনে সাহস নিয়ে মেয়েটির কাছে গেল।
সবুজঃতুমি কানতাসো কে?
মেয়েঃআফনি কেডা?
সবুজঃআমি উপরের বাড়িত কাম করি।
মেয়েঃআফনেরে ত আগে দেখছিনা।
সবুজঃআমারে নতুন কামে রাখছে কয়দিন অইলো।তুমি কানতাসো কে আগে এইডা কও।
মেয়েঃআমার মায়ের অসুখ।পেডো বেদনা।ডাক্তর কইছে পেডো পাত্তর অইছে।অপারেশন করানি লাগবো। মালিক বাড়িত নাই এহন আমি টেকা কই পাই।অপারেশন না করাইলে মা মইরা যাইবো।
সবুজের খুব মায়া হলো সবুজের মা চার বছর আগে মারা গেছে।
সবুজঃআমার মালিকের কয়ডা টেকা আমার কাছে আছে।পরে তোমার মালিক আইলে আমার মালিকরে
ফিরত দিয়া দিয়ো।

মেয়েটিকে  টাকাগুলো দিয়ে সবুজ নিচে নেমে এলো।
সুরুজ আলীঃ আইসোস বাজান।এতো দেরি করলি ক্যান?
সবুজঃ আব্বা তালা ভাঙতে দেরি অইয়া গেছিল।অনেক দামি তালা।
সুরুজ আলীঃ তা কি পাইলি ভিতরের তে?
সবুজঃ কিছুই নাহ আব্বা।
সুরুজ আলীঃ হায় হায়।অহন তাইলে কি করমু আমি?কালকার মধ্যে চেয়ারম্যানের ঋণ শোধ করুন লাগবো নাইলে বাড়ি ভিডা তে বাইর কইরা দিবো।
সবুজঃতাইলে আব্বা আও আরেক বাড়িত যাই।

সুরুজ আলী  কি ঋণ  দিতে পেরেছিল নাকি পুলিশের হাতে মার খেয়েছিলো তা আমি জানি নাহ।
গল্পঃ ঋণ
লেখকঃমো: রিকায়েত হোসেন ধ্রুব</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147829/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Sep 2022 12:47:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাত ১২ঃ০৫ মিনিট। গ্রামে এই সময় অধিকাংশ  মানুষ  ঘুমালেও শহরে তার ব্যতিক্রম। তবে বর্তমানে শহরের মানুষও তারাতাড়ি ঘুমায়। বাইরে যাওয়া, আড্ডা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।সবাই অদৃশ্য বস্তুর ভয়ে কাতর।তার নাম নভেল করোনা ভাইরাস।<br />
এই রাতে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে সুরুজ আলী ও তার বড় ছেলে সবুজ।দুইজনের দেহই হাড্ডিসার। সুরুজ আলীর দাঁড়িতে পাক ধরেছে,ছেলের মুখে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-147829"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/147829/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>