Profile Photo

সাকেরা মজুমদারOffline

  • shakera
  • বয়স
    রুনু এই রুনু ঘুম থেকে উঠ স্কুলের সময় হয়ে এসেছে। রুনুর স্কুল যেতে ইচ্ছে করে না। তাও অনিচ্ছায় উঠে নাস্তা করে স্কুলের জন্য বের হলো।
    ক্লাসে রুনার কোন বান্ধবী নেই। তার শরীরের বাড়ন্ত রুপের জন্য তাকে বাকিদের থেকে অনেক আলাদা লাগে। তার আড়ালে সবাই তাকে বলে বুড়ি। কারন তাদের লাগে রুনু তাদের থেকে অনেক বড়। রুনু সব বুঝে চুপ করে কাদে। মাকে সে এসব কিছু বলতে পারে না।
    রুনুর অংক ক্লাস একদম ভালো লাগে না। কারন অংক স্যার তাকে কারনে অকারনে গায়ে ধরার চেষ্টা করে,স্যার দেখে সে চুপ করে থাকে। বড় একটা ওড়না পড়ে আসে সে যাতে স্যার তাকে বাজে নজরে না দেখেন।
    রুনুর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা তার মা জানেন না। রুনু চিন্তা করে তাকে শুকাতে হবে তাই সে সারাদিন না খেয়ে থাকতো। মায়ে অগোচরে খাবার ফেলে দিতো। একসময় সে মাথা ঘুরে পড়ে যায়।ডাক্তার এর কাছে যখন রুনু যায় তখন ডাক্তার রুনুর মাকে বকা দেন বাচ্চার দিকে খেয়াল রাখতে পারেন না। কিভাবে এমন হয়। রুনু সুস্থ হয়ে আসলে ডাক্তার তাকে না খাওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করেন সে সব খুলে বলে।
    ডাক্তার তখন বলেন আমরা দেখেতে সবাই আলাদা কেউ কারো মতো নই। আমাদের কাজ হলো আমাদের যোগ্যতা। স্যার তোমাকে গায়ে ধরতে এলে বলবে স্যার আমি কিন্তু সবাইকে বলে দিবো। সাহস রাখতে হবে। তুমি রেজাল্ট ভালো করো, যা ভালো লাগে করবে।
    এরপর রুনুর জীবন বদলে যায়। সে এখন স্কুলের প্রথম সারির ছাত্রী, কবিতা আবৃত্তিতে প্রথম, এখন তার অনেক বান্ধবী। সবাই তার অনেক সুনাম করে।কাজেই মানুষের পরিচয়।

    3
    2 Comments
Skip to toolbar