<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Sohel Khondokar | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/sodeshi-sohel/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/sodeshi-sohel/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Sohel Khondokar.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 18:00:48 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">aaed3faa654786d2fc78a6b8487bc455</guid>
				<title>Sohel Khondokar and মোঃ আব্বাস উদ্দীন ধ্রুব। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217018/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Jul 2024 09:29:48 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17d41ad4dadcc29bd26c7d7b7560a31c</guid>
				<title>Sohel Khondokar and Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217000/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Jul 2024 03:18:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">48d12961ed1760b9df6637d9a501b9a4</guid>
				<title>লুটপা‌টের শহ‌রে হা‌রি‌য়ে যা‌চ্ছে  সব মৌ‌লিকতা। লৌ‌কিকতার এই শহ‌রে আজ সবাই ব‌্যস্ত টেক‌নোল‌জি নি‌য়ে। লু‌টে  নেওয়া হ‌য়েছে সকল শিশুর চঞ্চল শৈশব! চু‌রি ক‌রে‌ছে  কি‌শো‌রের দূরন্তপনা! ‌যৌব‌নের ভাবনায় ঢু‌কি‌য়ে দি‌য়েছে শুধু ভোগ বিলাস ও ক‌্যা‌রিয়ার। লুটে নি‌য়ে‌ছে মানবতা!  জীব‌নে লু‌টে‌ছে আত্বীয়তার বন্ধন, ভা‌লোবাসা আর পা‌শে দাড়া‌নোর সেই আকুলতা। নষ্ট করা হ‌য়ে‌ছে সকল মান‌বিক সত্ত্বা। 
হা‌রি‌য়ে যা‌চ্ছে ভা‌লোবাসার বন্ধন, অ‌পেক্ষা করার সেই মধুর স্মৃ‌তি, বাবার দরদ ভরা ডাক, মা‌য়ের আদু‌রে আহবান। 
দাদা দা‌দির সেই মধুর ভা‌লোবাসা, নানা না‌নির সা‌থে কাটা‌নো অসাধারণ  দিনগু‌লো! পু‌জিবাদ লু‌টে‌ছে সবই। 

নতুন বর্গীরা  এসে  এবার লুট‌তে শুরু ক‌রে‌ছে অর্থ সম্পদ আর ক‌ষ্টের রে‌মি‌টেন্সযোদ্ধার ফসল। 
লু‌টে নিয়ে সর্বস্ব হাত দি‌য়েছে সা‌ধে‌র  স্বাধীনতায়। লাল টকট‌কে  স্বাধীনতার সূর্য  আজ ঘন কা‌লো আধা‌রে ঢে‌কে যাওয়ার অ‌পেক্ষায়!

আর আমরা অ‌পেক্ষায়! ক‌বে হ‌বে পু‌জিবা‌দের অবসান!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/216993/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Jul 2024 02:52:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লুটপা‌টের শহ‌রে হা‌রি‌য়ে যা‌চ্ছে  সব মৌ‌লিকতা। লৌ‌কিকতার এই শহ‌রে আজ সবাই ব‌্যস্ত টেক‌নোল‌জি নি‌য়ে। লু‌টে  নেওয়া হ‌য়েছে সকল শিশুর চঞ্চল শৈশব! চু‌রি ক‌রে‌ছে  কি‌শো‌রের দূরন্তপনা! ‌যৌব‌নের ভাবনায় ঢু‌কি‌য়ে দি‌য়েছে শুধু ভোগ বিলাস ও ক‌্যা‌রিয়ার। লুটে নি‌য়ে‌ছে মানবতা!  জীব‌নে লু‌টে‌ছে আত্বীয়তার বন্ধন, ভা‌লোবাসা আর পা‌শে দাড়া‌নোর সেই আকু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-216993"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/216993/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">94c09b70b73e1235247cabcd6f43763b</guid>
				<title>‌ছিলাম না অ‌নেক দিন। ম‌ঞ্চের পাঠা‌নো মেইলে ম‌নে পড়ল আমি‌ও‌তো একসময় ছিলাম  তুল‌টের নিয়‌মিত একজন। 
শব্দ চয়‌নের কিছু রে‌স্টিশন  আমার পছন্দ নয়  তুল‌টের।  
তাই নীরব প্রস্থান আমার। 
জা‌নি না সে সব আগের ম‌তোই আছে না প‌রিবর্তন হ‌য়ে‌ছে, জা‌নি না আমি। তথা‌পি  মেইল করার সম্মা‌নে ফি‌রে আসলাম আবার, য‌দি আগের ম‌তোই সব থা‌কে হয়‌তো  হা‌রি‌য়ে যা‌বো আবার, আমার নি‌জের জগ‌তে!
সবার জন‌্য অ‌ভিনন্দন!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/216700/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Jul 2024 16:33:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>‌ছিলাম না অ‌নেক দিন। ম‌ঞ্চের পাঠা‌নো মেইলে ম‌নে পড়ল আমি‌ও‌তো একসময় ছিলাম  তুল‌টের নিয়‌মিত একজন।<br />
শব্দ চয়‌নের কিছু রে‌স্টিশন  আমার পছন্দ নয়  তুল‌টের।<br />
তাই নীরব প্রস্থান আমার।<br />
জা‌নি না সে সব আগের ম‌তোই আছে না প‌রিবর্তন হ‌য়ে‌ছে, জা‌নি না আমি। তথা‌পি  মেইল করার সম্মা‌নে ফি‌রে আসলাম আবার, য‌দি আগের ম‌তোই সব থা‌কে হয়‌তো  হা‌রি‌য়ে য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-216700"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/216700/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d042b685942f19e13c6d4d8bc8d36bca</guid>
				<title>জীবনে লেখক হতে চাইছিলাম, কিন্তু হয়ে গেলাম লেবার। জীবন সংগ্রামে ঠিকানা কোথায় গিয়ে ঠেকে তা যদি জানা থাকতো তবে কষ্ট অনেক কমে যেতো। 
কপালের লেখনটা যে কি কালি দিয়ে লিখে রাখা হয়েছে তা যদি একবার জানতাম!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148313/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Sep 2022 15:01:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনে লেখক হতে চাইছিলাম, কিন্তু হয়ে গেলাম লেবার। জীবন সংগ্রামে ঠিকানা কোথায় গিয়ে ঠেকে তা যদি জানা থাকতো তবে কষ্ট অনেক কমে যেতো।<br />
কপালের লেখনটা যে কি কালি দিয়ে লিখে রাখা হয়েছে তা যদি একবার জানতাম!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e0187a0d1baeedf7f443ec108aceb991</guid>
				<title>Sohel Khondokar changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/141854/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Sep 2022 05:08:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb232ed55cf5c078395474d8bd19b292</guid>
				<title>লিখতে শেখা খুব সহজ একটি কাজ। কারণ শেখানোর অনেক মানুষ আছে। একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত মা-বাবার অক্লান্ত পরিশ্রম থাকে সন্তানকে লেখা শেখানোর জন্য। ফলে অক্ষর লেখা কোন ব্যাপার না। 
কিন্তু কোথায় কিভাবে কেমন লিখবে সেটা একমা্ত্র প্রতিভা থাকলেই পারা যায়। 
আর প্রতিভা আল্লাহ প্রদত্ত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/141402/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Sep 2022 04:25:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লিখতে শেখা খুব সহজ একটি কাজ। কারণ শেখানোর অনেক মানুষ আছে। একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত মা-বাবার অক্লান্ত পরিশ্রম থাকে সন্তানকে লেখা শেখানোর জন্য। ফলে অক্ষর লেখা কোন ব্যাপার না।<br />
কিন্তু কোথায় কিভাবে কেমন লিখবে সেটা একমা্ত্র প্রতিভা থাকলেই পারা যায়।<br />
আর প্রতিভা আল্লাহ প্রদত্ত। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2b7dad37f1c0ac1087fa74b9e15d209b</guid>
				<title>চা শ্রমিকদের আন্দোলন, দেখার কেউ নেই। 
১৭ দিন পার হয়ে গেলো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে চা দাসেরা (আমার দেওয়া নাম)। নিজের অধিকার আদায়ে ন্যায্য আন্দোলন। ১৬৮ চা বাগানের ৬ লাখের বেশী চা দাসরা আন্দোলনে একাত্ম। ১২০ টাকায় কাজ করা শ্রমিকরা ঠিকমতো খেতেই পারেনা, সেখানে কাজহীন ১৭ দিনে কিভাবে তাদের সংসার চলছে? চলছে না, না খেয়ে-দেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। 
 সারাদেশের মানুষ এ আন্দোলনের খবর রাখলেও প্রশাসন নীরব, নীরব চা বাগান কর্তৃপক্ষ, নীরব দেশের একছত্র অধিপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ( কারণ উনার কোন সিদ্ধান্ত ছাড়া কেউ কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, সব ব্যাপারেই উনাকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। না করলেই সেই বিষয়ে ভজকট লাগিয়ে দেয় সবাই)। 
তাহলে কি এই ৬ লক্ষের উপর মানুষ দেশের নাগরিক নয়? কিসের অপেক্ষায় সবাই? ১৭ দিন ধরে এসব নাঙ্গা-ভূখা মানুষগুলো না খেয়ে আছে তাদের জন্য কেউ নেই কেন? না কি ওরা অস্পৃশ্য বলে কোন অধিকার নেই?
মালিকরা জানে এসব অস্পৃশ্য ভূমিহীনদের যাওয়ার জায়গা নেই, নেই ঘরে কোন ভাত। তো কয়দিন না খেয়ে থাকবে? একসময় কাজে যোগ দিতেই হবে। আলোচনায় বসে বেতন বাড়িয়ে লাভ কি? 
কিন্তু প্রশাসন কেন নীরব? ৬ লক্ষ মানুষ আজ অনাহারে, এই দায় কার? 
প্রশাসনিক লোকজন কিন্তু এই ৬ লাখ মানুষের আয়ের টাকার অংশে কিন্তু বেতন হচ্ছে। হতে পারে এরা ভূখা জনগন, কিন্তু এরা দেশের আইন মেনে চলা মানুষ। এসব শ্রমিকের হাত সচল বিধায় প্রশাসনের কর্তা-কর্মীদের বেতনও সচল। কর্তৃত্ব থাকবে না যদি এসব শ্রমিকের সাথে প্রবাসে থাকা সুবর্ণ শ্রমিক এবং দেশের অন্যান্য শ্রমিকরাও রাস্তায় নাম তবে কিন্তু কর্তাদের কর্তৃত্ব কর্পুরের মতো উবে যাবে। দেশের শ্রমজীবি মানুষকে রাস্তায় নামতে বাধ্য করিয়েন না। তাহলে আর এসি রুম, এসি গাড়ী আর মোটা ভুরি সাথে সুন্দরী নারী সব হাওয়া হয়ে যাবে স্যার! তাই এসব স্যারদের বলছি, সময় আছে তড়িৎ ব্যবস্থা নিন। না হলে একদিন আপনাদেরও এমন নাঙ্গা-ভুখা হতে হবে। চুরির জমানো টাকায় কয়দিন চলবে গো? বেশী দিন চলবে না, একদিন ফুরিয়ে যাবে। তখন বুজবা চান্দু কত পাতায় কত চা?
সব কাজে প্রধানমন্ত্রীকে কেন সিদ্ধান্ত দিতে হবে? তাহলে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বেতন দিয়ে রাখা হয়েছে কেন? তাদের কাজ কি শুধুই দেশের সম্পদ নষ্ট করা? সাধু সাবধান। 
বৃহত্তর সিলেট এলাকার জন প্রতিনিধিগন কিসের অপেক্ষায় আছেন? উনারা চুপ কেন?  এই ৬ লক্ষ জনগন কি আপনাদের ভোট দেয়নি? না কি বিএনপি-জামায়াতের অভিযোগকে প্রমান করতে চান আপনারা ভোটার বিহীন নির্বাচনের জয়ী প্রতিনিধি? বৃটিশরা রক্ত চুষে খেয়েছে মানতে কষ্ট হয়নি, পাকিস্তানীরাও তাই করেছে মেনে নিয়েছি কারণ ওরা সবাই পরদেশী। কিন্তু বাঙ্গালী হয়ে এদের রক্ত খাচ্ছেন কেন? না কি ওরা বাঙ্গালী নয় বলে ওদের রক্ত অনেক মিষ্টি? ওরা অস্পৃশ্য বলে ওদের কথা চিন্তা করার সময় নেই? 
এখনো সময় আছে, আপনারা এসব শ্রমিকদের দাবী মেনে নিন। কষ্ট লাঘব করুন। ওদের দাবী খুব কঠিন কিছু না। এই দূর্মূল্যের বাজারে মাত্র ৩০০ টাকা মজুরী চাইছে। খুব বেশী কিছু নয়। ন্যায্য ও ন্যায় সংগত দাবী। দ্রুতই মেনে নিন। কারো দূর্বলতার সুযোগ নিয়েন না। এটা উনিশ শতক নয়, ২০২২। 
শ্রমিকরা হারিয়ে গেলে হারিয়ে যাবে পুরো চা শিল্প। তাই এসব শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা মেনে নিন। চা শিল্পকে ও শ্রমিকদের বাচিয়ে রাখুন। 
যত দ্রুত শুভ বুদ্ধির উদয় হবে, ততই পুরো জাতির জন্য মঙ্গল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138484/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Aug 2022 05:49:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চা শ্রমিকদের আন্দোলন, দেখার কেউ নেই।<br />
১৭ দিন পার হয়ে গেলো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে চা দাসেরা (আমার দেওয়া নাম)। নিজের অধিকার আদায়ে ন্যায্য আন্দোলন। ১৬৮ চা বাগানের ৬ লাখের বেশী চা দাসরা আন্দোলনে একাত্ম। ১২০ টাকায় কাজ করা শ্রমিকরা ঠিকমতো খেতেই পারেনা, সেখানে কাজহীন ১৭ দিনে কিভাবে তাদের সংসার চলছে? চলছে না, না খেয়ে-দেয়ে আন্দোলন চালিয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138484"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138484/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fc784b6e06124fe201649e69fb59d06a</guid>
				<title>চিকিৎসাহীন জাতি।
ৱগুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন এবং পরিকল্পনা) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা। 
আজকের খবর এটি।
দেশের মানুষের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রনালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা যখন নিজের চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে যান, তখন বুঝে নিতে হবে সেই দেশের চিকিৎস ব্যবস্থা শ্রীলংকা (দেউলিয়া) হয়েগেছে। 
ঢাক-ঢোল পিটানো উন্নয়নের আসর সমূহ গাল-গল্প হিসাবেই মেনে নিতে হবে। 

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা উন্নয়ন ও পরিকল্পনা চমৎকার ভাবে করেছেন এবং সেটাতে সফলও হয়েছেন। তবে সেটা নিজের উন্নয়ন। কারণ সিঙ্গাপুরে ব্যয়বহুল চিকিৎসাই তার প্রমাণ। 
এভাবেই চলছে, আর আমরা সামর্থ্যহীনরা দেশে চিকিৎসার অভাবে কষ্ট পাই। মৃত্যু, সেটা অবধারিত কোন সমস্যা নেই। 
কিন্তু ্‌আমাদের টাকা ধ্বংস করে সিঙ্গাপুরে চিকিসা নেওয়া লোকজনের কষ্ট হয় না ক্যান?
শুধু এই ডা. মীরজাদী নয় দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীপরিষদের সকল মন্ত্রী, সরকারী সকল আমলা, শীর্ষ ব্যবসায়ী, রাজনিতীবিদ সহ সামর্থ্যবান সকলেই দেশের বাহিরে চিকিৎসার জন্য যান। 
দেশের প্রধানগন যখন দেশের বাহিরে চিকিৎসার জন্য যায় তখন প্রমানিত দেশের চিকিৎসা কোন মানুষের জন্য পর্যাপ্ত নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ 
 বছর এর বেশী পার করা প্রশাসন কি করছে? বছর বছর হাজার হাজার কোটি টাকা কোথায় যায়? 
ডা. মীরজাদী এর মতো নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পদের পাহাড় গড়ার জন্য? যেন শেষ জীবনে দেশের বাহিরে চিকিৎসা ও সহজ জীবন পার করতে পারেন?   
স্বাধীনতার ৫২ বছরে আজ বাঙ্গালী চিকিৎসাহীন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন কি এটাই ছিলো? বড়ই অসহায় আমরা বাংলাদেশের জনগন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138317/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Aug 2022 18:03:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চিকিৎসাহীন জাতি।<br />
ৱগুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন এবং পরিকল্পনা) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা।<br />
আজকের খবর এটি।<br />
দেশের মানুষের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রনালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা যখন নিজের চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে যান, তখন বুঝে নিতে হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138317"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138317/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b2ce9a5e9a6ddd6e846b485f756d8712</guid>
				<title>জীবন 

চলছে জীবন
কাটছে সময়
সময় শেষ
আসবে মরণ। 

এখন শিশু
হবে কিশোর
আসবে যৌবন
বার্ধক্যে মরন। 

কাটবে সোনালী দিন
শুধিতে হইবে ঋণ।
আসবে সময়  
তখন সঞ্চয়ের দিন।

বিদায় বেলায় 
কাদিয়া নয়,
যাইবে চলিয়া
হাসিয়া হাসিয়া।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/136068/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 15:28:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন </p>
<p>চলছে জীবন<br />
কাটছে সময়<br />
সময় শেষ<br />
আসবে মরণ। </p>
<p>এখন শিশু<br />
হবে কিশোর<br />
আসবে যৌবন<br />
বার্ধক্যে মরন। </p>
<p>কাটবে সোনালী দিন<br />
শুধিতে হইবে ঋণ।<br />
আসবে সময়<br />
তখন সঞ্চয়ের দিন।</p>
<p>বিদায় বেলায়<br />
কাদিয়া নয়,<br />
যাইবে চলিয়া<br />
হাসিয়া হাসিয়া। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aeb2b89970a04cad809f7e28fce60aeb</guid>
				<title>বন্ধুর অবদান!
ভাদ্র মাসের তীব্র গরমে নদীর পাশ দিয়ে হেটে চলার সময় দেখা গেলো  নদী ভাঙ্গনের প্রভাব। হয়তো  প্রবল স্রোতে ভেঙ্গেছে এই পাড়। কতটুকু ভেঙ্গেছে তা বুঝার উপায় নেই, কারণ কোন চিহ্ন নেই। কত পরিবার যে নিস্ব হয়েছে তার বালাই নেই। কত সম্পদ যে নদী গ্রাস করেছে তার কোন শেষ নেই। নদীর এই রাক্ষুসে ক্ষুধার শেষ নেই। আবারো হয়তো কখনো শুরু হবে এই ভাঙ্গন। পুরো বর্ষাকাল জুড়ে চলে এই অবস্থা। প্রতি বছর ভাঙ্গনের ফলে হাজারো পরিবার হয় নি:স্ব।  ধ্বংস হয় সম্পদ। 

নদীর দিকে তাকিয়ে দেখি অনেক নৌকা। মাঝিরা মাছ ধরতে ব্যস্ত, নদীর বুক চিরে চলছে মৎস্য উৎসব। ছোট বড় অনেক নৌকায় মাছ ধরছে। পাল তোলা কিছু নৌকা ছুটে চলছে তার গন্তব্যে। ইঞ্জিন চালিত নৌকাগুলো পণ্য পরিবহনে ব্যস্ত। 

নদীর আরেকটু গভীরে একটা চর। চরের চতুর্দিকে ফসলেরর মাঠ, মাঝখানে গড়ে উঠেছে বসতি। মোটামুটি অনেক লোকের বাস। টিনের ঘর দেখা যাচ্ছে অনেকগুলো। এক দিকে কিছু গরু মহিষ চড়ে বেড়াচ্ছে। ছোট বড়, বাছুর, ষাড় আর বলদ মিলিয়ে সংখ্যায় অনেক। মহিষের একটি বড় দল নদীতে নেমে ডুব দিয়ে বসে আছে, হয়তো এই গরমে শান্তির পরশ খুজছে। মনে হয় গরু বা মহিষের বাথান আছে আশেপাশে।  বাথানকে কেন্দ্র করেও ব্যস্ত অনেক লোক। কৃষকরা জমিতে চাষ করছে। ফসলে সেচ দিচ্ছে নদী হতে।  তাদের কর্ম চঞ্চল মুখখানা দেখলেই বুঝা যায় অনেক আশা নিয়েই তারা বেচে আছে, সংগ্রাম করে চলেছে। নদীর বুক চিতিয়ে গড়ে উঠা চরের উদর হতে সম্পদ বের করে আনতে বদ্ধ পরিকর তারা। 
নদীর পারে কর্মচঞ্চল গোদারী ঘাট। নৌকা দিয়ে মানুষ ও মালামাল পারাপারে ব্যস্ত ইজারাদার। ঘাটকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ছোট্ট একটা বাজার। বড় একটি বহু বছরের পুরানো বট গাছের নীচে ঘাটের ইজারাদারের ঘর, চায়ের টং দোকান বেশ কয়েকটা, মুদি দোকান, মোবাইল রিচার্জের দোকান সহ অনেক কিছুই আছে। ইজারাদারের লোকেরা ব্যস্ত পারাপার রত লোকজনের নিকট হতে টাকা আদায় করতে। মানুষজনও ব্যস্ত তাড়াহুড়ো ও ভাড়া নিয়ে বচসায়। পারাপার রত মানুষের মাঝে আছে কর্মব্যস্ত কেউ, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, কৃষক-শ্রমিক, মালামাল পারাপার কারী, বেড়াতে যাওয়া কেউ। 
নদীর পারে ব্যস্ত দূরন্ত কিশোর  গোসল সাতার নিয়ে, রাখাল তার গরুকে নিয়ে এসেছে নদীতে গোসল করতে, কেউ ব্যস্ত কাপড় ধোয়ার জন্য কেউ ব্যস্ত গরুর জন্য কেটে আনা ঘাস ধোয়ার জন্য। 
নদীর ভয়ংকর সেই রূপের কথা সবাই আজ ভুলে গেছে তার বদান্যতায়।    
নদীর এখন পিক আওয়ার কানায় কানায় পূর্ন। অফ পিক আওয়ার অর্থাৎ শীতের শুরু হতে বর্ষার পূর্ব পর্যন্ত রবী ঠাকুরের ছোট নদীর মতোই মৃত প্রায় থাকে। তখন খালি হয়ে যায় গোদারা ঘাট, হেটেই পাড় হয় সবাই। জমিতে চাষ করা দুস্কর হয়ে যায় পানির অভাবে, জীবনের স্বাভাবিকতা খায় হোচট। 
প্রমত্তা নদী তখন হয়ে যায় মরুভূমি। 
বন্ধুর আটকিয়ে দেওয়া পানি তখন হয়ে যায় বহু আরাধ্য। তথাপি মিলে না পানি। বর্ষায় যখন নদী তার পূর্ণতা পায় তখন উত্তর হতে বন্ধুর খূলে দেওয়া বাধের কারণে দু কূল উপছে পরে পানি, ডুবে যায় জনপদ, বিধ্বস্ত হয় গ্রাম। 
্গ্রামের পর গ্রাম পানির নীচে তলিয়ে যায়, ধ্বংস হয় সম্পদ, নি:স্ব হয় মানুষ। 
কোন সমস্যা নেই, সবই বন্ধু বরের অবদান। ভুলবো কেমনে? বন্ধু কষ্ট পাবে বলবো কেমনে? বন্ধুর এই ঋণ কবে শোধ হবে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/136063/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 15:13:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধুর অবদান!<br />
ভাদ্র মাসের তীব্র গরমে নদীর পাশ দিয়ে হেটে চলার সময় দেখা গেলো  নদী ভাঙ্গনের প্রভাব। হয়তো  প্রবল স্রোতে ভেঙ্গেছে এই পাড়। কতটুকু ভেঙ্গেছে তা বুঝার উপায় নেই, কারণ কোন চিহ্ন নেই। কত পরিবার যে নিস্ব হয়েছে তার বালাই নেই। কত সম্পদ যে নদী গ্রাস করেছে তার কোন শেষ নেই। নদীর এই রাক্ষুসে ক্ষুধার শেষ নেই। আবারো হয়তো কখনো শুরু হবে এই ভাঙ্গন। পুর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-136063"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/136063/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3258fe641ed3b895ae0b2f44d076d422</guid>
				<title>চা দাস!
চা শিল্প বা চা বাগান সম্পর্কে তেমন কিছু জানা ছিলো না। পত্রিকা মারফত জানতে পারলাম চা শ্রমিকদের দৈনিক বেতন ১২০ টাকা। খটকা লাগলো ভুল দেখলাম নাতো? না ঠিকই দেখলাম ১২০ টাকা। আজ রিকশা চালাতে জানলেওতো ৫০০/৬০০ টাকা ইনকাম করা যায়। ওদের বেতন এতো কম কেন? 
ইতিহাস ঘাটতে গিয়ে জানলাম চা শিল্পের শুরুতে চা শ্রমিকদের ভারতে বিভিন্ন জায়গা হতে নিয়ে আসে বৃটিশ। উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড, বিহার সহ বিভিন্ন জায়গা হতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টিদের জায়গা, বাড়ী ও চাকুরীর লোভ দেখিয়ে নিয়ে আসা হয় আসামে।  ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হাতে সেই শুরু শোষনের, যা আজও  চলছে। চলে গেছে বৃটিশরা, চলে গেছে শোষক ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, কিন্তু রয়ে গেছে শোষন ও শোষিত। বংশানুক্রমিক পেশায় এরা আজও হচ্ছে শোষিত। ১২০ টাকার বেতন ১৪৫ টাকায় উন্নিত হলো আন্দোলনের কারণে। কিন্তু এই টাকায় কি হয়? যখন এক কেজি মোটা চালের দাম ৬০ টাকা, তখন এদের সংসার চলে কি দিয়ে? 
এ যেন এক দাস প্রথা! বংশানুক্রমিক দাস তারা। নেই ভিটে মাটির ও বাড়ীর অধিকার। ক্রীতদাস ছাড়া এরা কি? এরা যেন চা দাস।  
স্বাধীন স্বার্বভৌম একটি দেশে আজও দাস প্রথা আছে এটা জেনে শুধু অবাক হইনি, বিস্ময়ে হতবাক। স্বাধীনতার  ৫০ বছর পার করা দেশ আজও দাস প্রথা শেষ করতে পারেনি কার স্বার্থে? স্বাধীনতার প্রবর্তকরা আজ কোথায়? কোথায় স্বাধীনতার ঘোষক? কোথায় পল্লী বন্ধু? কোথায় দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী? কোথায় আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা?  কোথায় আজ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দেওয়া সবাই? 
সবাই চুপ। কারণ এরা যে চা দাস, এরা অস্পৃশ্য।
এদের বলার কেউ নাই, কেউ চিৎকর দিয়ে বলবে না দুনিয়ার চা দাস এক হও, লড়াই করো, কেউ বলবে না ভাত ও ভোটের অধিকার চাই, নইলে কাজ বন্ধ! কারণ এরা যে অস্পৃশ্য, এদের প্রতিবাদ করতে নেই, এরা প্রতিবাদ করলে মরবে যেমন একবার মরেছিলো ১৯২১ সালের  ২০শে মে। প্রতিবাদ করে মুল্লুকে চল ডাক দিয়ে এই চা শ্রমিকরা ফিরে যাচ্ছিলো তাদের বাড়ীর পথে, যাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাড়ায় বৃটিশ সৈন্যরা। গুলি চালিয়ে কয়েকশো শ্রমিকক হত্যা করে তারা। আবার শৃংখলিত হয় এই চা দাসেরা! 
স্বাধিন একটি দেশে আজও ওরা ক্রীতদাস, ওরা শোষিত জাতি।   দেশে হাজারো এনজিও কাজ করছে গরীব ও অসহায়দের উন্নয়নে। তারা কোথায়? এরাও সেই পুজিবাদের কাছে আটকে গেছে। 
হ্যা, নামে মাত্র কিছু কিছু চা বাগানে চালু আছে প্রাথমিক শিক্ষা, চিকিৎসা ও রেশন পদ্ধতি। যা শুধুমাত্র লোক দেখানো। অধিকাংশ চা বাগানে সেই সব ব্যবস্থাও নাই। 
যে দেশের মন্ত্রী এমপি রা কোটি টাকার গাড়ী ব্যবহার করে, যে দেশের একজন খেলোয়াড়েরর ৭০০ কোটি টাকার সম্পত্তি থাকে, যে দেশের একজন ইউপি চেয়ারম্যানের কোটি কোটি টাকা থাকে, যে দেশের একজন ছাত্র নেতা ব্যাংক-বীমা, শিল্প কারখানার মালিক সেই দেশের জনগন ১৪৫ টাকায় কাজ করে কেন? 
পুজিবাদের এই শোষন কবে শেষ হবে? 
চা শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম লাভজনক ও বৈদেশিক মুদ্র অর্জনের মাধ্যম। সেই পেশার শ্রমিকদের এই অবস্থা কেন? 
কত পরিমান সম্পদ হলে মিটবে এসব পুজিবাদী রাক্ষসদের ক্ষুধা? কত পরিমান লভ্যাংশ হলে শেষ হবে এসব পুজির গোলামী? 
একটি প্রতিষ্ঠানের জরিপে দেখা যায় ভয়াবহ অবস্থা চা শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের, অর্থের কারণে পুষ্টির অভাবে তারা জীর্ণ ও খর্বকায়, ৪৭ ভাগ মেয়েদের বিয়ে হয় ১৮ বছরের আগে এবং তাদের বেশীর ভাগই মা হয় ১৮ বছরের আগেই। কোথায় সেই সব এনজিও যারা বাল্যবিবাহ বন্ধে কাজ করছে? এখানে তারা নীরব, কারণ ওরা অস্পৃশ্য, ওরা দাস।
যারা ১৪৫ টাকা চা দাসদের পাওনা নির্ধারণ করলেন তারা কি মানুষ? তাদের কি মনুষত্ব্য আছে? তারা কি একটি বার চিন্তা করে দেখেছে এই টাকায় কি হয়? নির্ধারণ কারীদের দুই মাস এই টাকায় চাকুরী করার জন্য বাধ্য করা হোক, তাহলে যদি কিছুটা বুঝতে পারে। 
 
চা দাসদের দাসত্ব কবে শেষ হবে? 
পুজিবাদের কাছে কত মার খাবে মনুষত্ব্য?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135598/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 16:11:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চা দাস!<br />
চা শিল্প বা চা বাগান সম্পর্কে তেমন কিছু জানা ছিলো না। পত্রিকা মারফত জানতে পারলাম চা শ্রমিকদের দৈনিক বেতন ১২০ টাকা। খটকা লাগলো ভুল দেখলাম নাতো? না ঠিকই দেখলাম ১২০ টাকা। আজ রিকশা চালাতে জানলেওতো ৫০০/৬০০ টাকা ইনকাম করা যায়। ওদের বেতন এতো কম কেন?<br />
ইতিহাস ঘাটতে গিয়ে জানলাম চা শিল্পের শুরুতে চা শ্রমিকদের ভারতে বিভিন্ন জায়গা হতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135598"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135598/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6f12394a72dca9482e0bafd59224473</guid>
				<title>সাীমান্ত হত্যা। 

বাংলাদেশের সবচেয় কাছে ও বন্ধু প্রতীম দেশ ভারত। তবে দুই দেশের মানুষের আচরণ ও সীমান্তে বিএসএফ এর আচরণ সেটার বিপরীত কথা প্রমাণ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে অদ্যবধি ভারত প্রচুর সাহায্য করে চলেছে । ক্রমবর্ধমান এই সাহায্যের তালিকায় আছে মুক্তিযুদ্ধকালীন সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ, সামরিক সহযোগিতা, সামরিক নেতৃত্ব, বেসামরিক জনগনকে আশ্রয় দেওয়া, যুদ্ধ পরবর্তী পাকিস্তানী সকল সামরিক সমরাস্ত্র ভারতে নিয়ে যাওয়া, যুদ্ধ পরবর্তী সম্পদ নিজের করে নেওয়া, সীমান্তের সকল করিডোর সমূহ দখল করে নেওয়া, সীমান্ত পথে বাংলাদেশে ফেন্সিডিল সহ অন্যান্য মাদক ঢুকিয়ে দেওয়া, নারী ও শিশু পাচারে ভারতীয়দের সহযোগীতা করা, গরু পাচার করে বাংলাদেশে ঢুকানো ও বাঙ্গালী মুসলিমদের অবৈধভাবে পুশ ইন করা, ৫৫ নদীর প্রায় সবগুলোতেই বাধ দিয়ে পানির প্রবাহ ভারতে নেওয়া সহ আরো অনেক কাজ। 
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৪,০৯৬ কিলোমিটার (২,৫৪৬ মাইল) দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রায় তিনদিকই ভারত দ্বারা বেষ্টিত। সীমান্ত হত্যা দ্বারা  দীর্ঘ এই সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী, বিএসএফ কর্তৃক সাধারণ ও বেসামরিক বাংলাদেশি নাগরিকদের উপর সংগঠিত নিয়মিত নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডকে বোঝানো হয়েছে । সীমান্তে চোরাচালান ও বাংলাদেশ থেকে কথিত অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিতর্কিত শ্যূট-অন-সাইট (দেখামাত্র গুলি) নীতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারত কর্তৃক বহাল আছে, যার প্রেক্ষিতে বিএসএফ কারণে কিংবা অকারণে বাংলাদেশি নাগরিককে গুলি করতে পারে। দীর্ঘকালের চলে আসা রেওয়াজ অনুসারে সীমান্তের লোকজন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে যাওয়া, হাট-বাজারে বেচাকেনা করা, এবং কাজ খোঁজার জন্য অনেক মানুষ নিয়মিতভাবে সীমান্ত পারাপার করে। এছাড়াও সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে কৃষিজমিতে কৃষিকাজ কিংবা নদীতটে মৎস্য আহরণের জন্যও অনেক মানুষকে সীমান্তপথ অতিক্রম করতে হয় বা নিজের অজান্তেই করে ফেলে। এর মধ্যে আবার কেউ কেউ বিভিন্ন ছোটখাটো এবং গুরুতর আন্তঃসীমান্ত অপরাধে নিয়োজিত। সীমান্ত রক্ষা বাহিনী অবৈধ কার্যক্রম মোকাবেলায় বাধ্যতামূলক করা হয়, বিশেষ করে মাদক চোরাচালান, যৌন কাজের জন্য মানব পাচার, এবং জাল মুদ্রা ও বিস্ফোরক পরিবহন।
কিন্তু ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের বিরুদ্ধে ২০০০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১,৫০০ সাধারণ ও বেসামরিক বাংলাদেশি হত্যার অভিযোগ আছে।
সীমান্ত হত্যার অন্যতম ও উল্লেখযোগ্য হত্যাকান্ড হলো  ফেলানি হত্যাকান্ড। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর-দিনহাটা সীমান্তের খিতাবেরকুঠি এলাকায় ০৭ জানুয়ারি ২০১১ সালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর সদস্যরা ফেলানী খাতুন (জন্ম:১৯৯৬ সাল) নামের এক কিশোরীকে গুলি করে হত্যা করে লাশ পাঁচ ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে রাখে। বিএসএফ ১৮১ ব্যাটালিয়নের চৌধুরীহাট ক্যাম্পের জওয়ানদের এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়। বিএসএফ নিজস্ব আদালতে এ ঘটনার জন্য দায়ী সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। বাবার সঙ্গে ফেলানী নয়াদিল্লিতে গৃহকর্মীর কাজ করত। বিয়ের উদ্দেশে সে দেশে ফিরছিল।এই ঘটনা বাংলাদেশের জনমনে ব্যাপক আলোড়ন ও ক্ষোভ দেখা দিলেও তেমন একটা সাড়া মেলেনি সরকারী আনুষ্ঠানিকতয়। ২০১৫ সালে ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ভারত সরকারকে ফেলানীর পরিবারকে ৫০০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলে। বাকী তথ্য অজানা। 
বন্ধু প্রতীম  দেশের কাছে এমন আচরণ কতটুকু গ্রহণযোগ্য? বিশ্বের আর কোন বন্ধু! প্রতীম দুই দেশের এমন আচরন আছে বল আমি খুজে পাইনি। 
তারপরও বাংলাদেশ সরকার ক্রমাগত বলেই চলেছে এই সরকার ভারতের সরকারের কাছে  ঋণী। এই ঋণ কবে শোধ হবে? জনগনের এতো রক্ত যাওয়ার পরেও যে ঋণ শোধ হয় না সেই ঋণ কি আসলেই জনগনের না কোন বিশেষ গোষ্ঠীর? 
তথ্য সূত্র : উইকিপিডিয়া ও দৈনিক পত্রিকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135429/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 05:43:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাীমান্ত হত্যা। </p>
<p>বাংলাদেশের সবচেয় কাছে ও বন্ধু প্রতীম দেশ ভারত। তবে দুই দেশের মানুষের আচরণ ও সীমান্তে বিএসএফ এর আচরণ সেটার বিপরীত কথা প্রমাণ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে অদ্যবধি ভারত প্রচুর সাহায্য করে চলেছে । ক্রমবর্ধমান এই সাহায্যের তালিকায় আছে মুক্তিযুদ্ধকালীন সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ, সামরিক সহযোগি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135429"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135429/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f0ace9a5b49d791bee6df8c4093d6574</guid>
				<title>বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক। 
সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তর সূরী বর্তমান রাশিয়া। বিশ্বের এক মহাপরাক্রমশালী সোভিয়েত ইউনিয়নের পূর্বের অবস্থান তৈরি করতে দৃঢ় রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অনেকটাই সফলতার পথে এই এক নায়ক। বাংলাদেশের সাথে সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা বর্তমান রাশিয়ার সম্পর্ক ঐতিহাসিক ভাবেই বিদ্দমান। 
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের পর ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে, এবং ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রদ্বয়ের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। তবে সম্পর্কের বীজ আরো পূর্ব হতেই বপন করা হয়। যা স্বাধীনতা লাভের পর আরো বিকশীত হয়। 
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়ন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যার নিন্দা জানায় এবং গণহত্যা বন্ধ করার জন্য পাকিস্তান সরকারকে আহ্বান জানায়। যুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধাদের বিস্তৃত সামরিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষদিকে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর নিকট প্রায় পরাজিত পাকিস্তানকে সহায়তা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে মার্কিন সপ্তম নৌবহরকে প্রেরণ করে। এর প্রত্যুত্তরে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর প্রতি সম্ভাব্য মার্কিন হুমকি প্রতিহত করার জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর এবং ১৩ ডিসেম্বর ভ্লাডিভোস্তক থেকে সোভিয়েত প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের দুই স্কোয়াড্রন ক্রুজার ও ডেস্ট্রয়ার এবং পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত একটি পারমাণবিক ডুবোজাহাজ প্রেরণ করে। সোভিয়েত নৌবহরটির নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডমিরাল ভ্লাদিমির ক্রুগ্লিয়াকভ। সোভিয়েত নৌবহরের তৎপরতার ফলে মার্কিন নৌবহর পাকিস্তানকে আর সহায়তা করতে পারেনি।  এছাড়া সোভিয়েত নৌবাহিনী গোপনে ভারতীয় নৌবাহিনীকে সহায়তা করে এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে গুপ্ত অভিযান পরিচালনা করে। 

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরবর্তী বছরগুলোতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশেষ সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল।  যুদ্ধের পর সোভিয়েত নৌবাহিনী যুদ্ধবিধ্বস্ত চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে মাইন অপসারণ এবং বন্দরটির কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধারের কাজে ব্যাপক সহযোগীতা করেন। সোভিয়েত প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের ২২টি জাহাজ এ উদ্দেশ্য ১৯৭২ সালের মে মাসে দূর প্রাচ&#x200d;্যের ভ্লাদিভোস্তক বন্দর থেকে চট্টগ্রামে আসে। মাইন অপসারণের কাজটি সম্পন্ন করতে তাদের প্রায় এক বছর সময় লাগে, এবং ইউরি রেদকিন নামক একজন সোভিয়েত মেরিন এসময় মাইন বিস্ফোরণে প্রাণ হারান। বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি প্রাঙ্গণে তার কবর অবস্থিত।

সোভিয়েত সহযোগিতার ফলে চট্টগ্রাম শীঘ্রই একটি প্রধান বন্দর হিসেবে পূর্বের অবস্থান ফিরে পায় এবং ১৯৭৩ সালে এর ধারণক্ষমতা যুদ্ধপূর্ব ধারণক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যায়। এছাড়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন নবপ্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে বিস্তৃত সহায়তা প্রদান করে। বিশেষত সোভিয়েত সরকার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে ১০টি এক-আসনবিশিষ্ট মিগ-২১এমএফ এবং ২টি দুই-আসনবিশিষ্ট মিগ-২১ইউএম যুদ্ধবিমান উপহার প্রদান করে। ১৯৭২ সালের মার্চে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান মস্কো সফর করেন।

বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, পাকিস্তান ও আরব রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে, ফলে স্বাভাবিকভাবে এসব রাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শীতল হয়ে পড়ে। এসময় বাংলাদেশ সক্রিয় সোভিয়েত-বিরোধী পররাষ্ট্রনীতি অবলম্বন করে। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ কম্পুচিয়ায় ভিয়েতনামের আক্রমণে সোভিয়েত সমর্থনের নিন্দা জানায়, এবং ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক আফগানিস্তানে সামরিক হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে। আফগানিস্তানে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বাংলাদেশসহ আরো ৬৪টি রাষ্ট্র ১৯৮০ সালে মস্কোয় অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস বয়কট করে। এছাড়া, ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বরে এবং ১৯৮৪ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সরকার ঢাকা থেকে ৯ জন সোভিয়েত কূটনীতিককে বহিষ্কার করে।

তবে তা সত্ত্বেও সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করতে থাকে। সোভিয়েতরা বিদ্যুৎ উৎপাদন, প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি তেল – এই তিনটি ক্ষেত্রের উন্নয়নে বাংলাদেশকে বিশেষভাবে সহযোগিতা করে। সোভিয়েত অর্থায়নে বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে দাতা দেশগুলোর মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের অবস্থান ছিল ১৪তম। এছাড়া, এসময় সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের সঙ্গে সক্রিয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বজায় রাখে।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় রপ্তানি হয়েছে ৬৬ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য, বিপরীতে আমদানি করা হয়েছে ৪৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের পণ্য। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাশিয়ার ঋণ সহায়তা ১০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি।
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান প্রেক্ষপটে বাংলাদেশ রাশিয়ার মিত্র হিসাবে আবারো তাদের পাশে আছে। এই যুদ্ধে প্রথমে নিরপেক্ষ অবস্থান নিলেও বাংলাদেশ  বর্তমানে রাশিয়ার পক্ষের শক্তি। 
ভারসাম্যহীন বিশ্বের একক মোড়ল আমেরিকার মোড়লত্ব খন্ডন করতে রাশিয়ার ভূমিকাকে সমর্থন করা একান্ত জরুরী। 
তথ্য সূত্র : উইকিপিডিয়া, দৈনিক পত্রিকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135381/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 04:13:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক।<br />
সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তর সূরী বর্তমান রাশিয়া। বিশ্বের এক মহাপরাক্রমশালী সোভিয়েত ইউনিয়নের পূর্বের অবস্থান তৈরি করতে দৃঢ় রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অনেকটাই সফলতার পথে এই এক নায়ক। বাংলাদেশের সাথে সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা বর্তমান রাশিয়ার সম্পর্ক ঐতিহাসিক ভাবেই বিদ্দমান।<br />
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বাং&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135381"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135381/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">16734d49ff6c45c909b4ef1a4e6ad08c</guid>
				<title>প্রচন্ড গরম, ভাদ্র মাসের তীব্র তাপদাহে রাজপথ উত্তপ্ত। রাস্তার পীচের গরমে হেটে চলা দায়। গলির মুখে ঢুকতে একটি ন্যাড়ি কুকুর দৌড়ে গেল লম্বা জ্বিহবা বের করে। তাপদাহে ক্লান্ত পশুটি। দুপুরের গলির রাস্তা প্রায়ই ফাকাই বলা চলে। লোকজনের আনাগোনা খুবই কম। দোকান-পাটও প্রায় সব বন্ধ। বাসাবাড়ীগুলোই প্রায় শান্ত একটা ভাব। সবাই ব্যস্ত এই তীব্র তাপদাহের হাত হতে নিজেকে বাচানোর জন্য। গরমের তীব্রতায় বাড়ী বাড়ী এসির চাহিদা বেড়ে গেছে। 
গাছ-পালারাও পালা করে চুপ হয়ে গেছে, যেন তাদের নড়াচড়া করা অপরাধ। স্তব্ধ হয়ে আছে তারা। বাতাস নেই বললেই চলে, আকাশে পরিস্কার নীল ও সাদা মেঘ। চকচকে সূর্যের উপস্থিতি আরো ঝকঝকে করে তুলেছে পরিবেশকে। 
পাখিরাও নিশচুপ, তাদের কোলাহলও থেমে গেছে। ডানা ঝাপটানো আর গানের সুর হারিয়ে ফেলেছে ভাদ্রের তীব্রতায়। শান্ত হয়ে তাই তারা বসে রয়েছে নিজ নিজ নীড়ে।

সামান্য এই গরমেই আজ এই অবস্থা, আগুন নয় সূর্যের তাপেই নাজেহাল জনপদ। দুনিয়ার আগুনের ৭০গুন দোজখের আগুন। কিভাবে সইব সেই আগুন? কিভাবে থাকবো সেই আগুনে?  কেউ কি চিন্তা করেছি কখনো?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135110/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Aug 2022 16:50:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রচন্ড গরম, ভাদ্র মাসের তীব্র তাপদাহে রাজপথ উত্তপ্ত। রাস্তার পীচের গরমে হেটে চলা দায়। গলির মুখে ঢুকতে একটি ন্যাড়ি কুকুর দৌড়ে গেল লম্বা জ্বিহবা বের করে। তাপদাহে ক্লান্ত পশুটি। দুপুরের গলির রাস্তা প্রায়ই ফাকাই বলা চলে। লোকজনের আনাগোনা খুবই কম। দোকান-পাটও প্রায় সব বন্ধ। বাসাবাড়ীগুলোই প্রায় শান্ত একটা ভাব। সবাই ব্যস্ত এই তীব্র তাপদাহের হাত হতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135110"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135110/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ff7744a08d9330fb1a0239a0576b100</guid>
				<title>মৃত্যু কুপ ঢাকা।
আমাদের রাজধানী শহর ঢাকা। দেশের সব কিছুর কেন্দ্র বিন্দু এই শহর। শত বছরের ঐতিহ্যের ধারক এই রাজধানী শহর। পুরান এই শহরের সবচেয়ে পুরান অংশ হলো পুরান ঢাকা। সেই পুরান ঢাকার সবচেয়ে জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ন অংশ হলো চকবাজার। 
চকবাজার, কাপড়, কসেমটিক, জুয়েলারী, ব্যাগ, কেমিক্যাল সহ অন্যান্য  ববসার পাইকারী বাজার। দেশী ব্যবসার লেনদেনের বিশাল একটা অংশ এখানেই সংগঠিত হয়। সারাদেশ হতে চাকুরী ও ব্যবসার উদ্দেশ্যে আসেন হাজার হাজার মানুষ । কিন্তু এই সব মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
এখানে আগত ও এখানে বসবাসকারী মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই। শত বছরের পুরানো স্টাইলে গড়ে উঠা বিল্ডিং, ছোট ছোট গলির মতো মূল রাস্তা, ঝুকিপূর্ণ বিল্ডিং, আইন না মেনে গড়ে উঠা বিভিন্ন গোডাউন, বিশেষ করে অনুমোদনহীন কেমিক্যাল গোডাউন ও অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা বিল্ডিং এর কারণে চকের পুরো পরিবেশটাই বেশ ঘিঞ্জি। ঘিঞ্জি এই পরিবেশ এর কারনে যখন তখন  ঘটে দুর্ঘটনা। 
এই দুর্ঘটনার একটি হলো অগ্নিকান্ড, প্রায়শই ঘটছে এটা। প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রশস্ত রাস্তা হওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিস সময় মতো ঘটনাস্থলে উপস্থিত হতে পারে না। আবার ঘিঞ্জি পরিবেশের কারণে তরিৎ কোন পদক্ষেপও নিতে পারেনা। সেই সাথে নেই ফায়ার সার্ভিসের আধুনিক কোন সুবিধা। সব মিলিয়ে অগ্নিকান্ডের সময় আসলে তেমন কোন সার্ভিস দিতে পারে না এই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাহিনী। 
কয়েক দিন আগে ঘটে গেলো একটি দুর্ঘটনা। হারিয়ে গেলো তাজা ৬টি প্রাণ। মৃত্যু মানুষের জীবনের অবধারিত। সেটা নিয়ে দু:খ নেই, মানুষ তার রবের ডাকে স্থায়ী ঠিকানায় ফেরত যাবেই। 
কিন্তু সেই জন্য ইচ্ছাকৃত বা আত্মহত্যার মতো মৃত্যু কখনোই কাম্য নয়। চকে যা হচ্ছে এটা আত্মহত্যারই শামিল। তবে এর জন্য দায়ী রাষ্ট্র। রাষ্ট্রের ব্যর্থতায় হারিয়ে যাচ্ছে এসব ব্যক্তিরা। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিছু  পরিবার। দেশের বিভিন্ন জায়গা হতে জীবিকার সন্ধানে আসা মানুষগুলো হারিয়ে যাচ্ছে এই মৃত্যু কুপে। হারিয়ে যাচ্ছে কারো স্বপ্ন, কারো বেচে থাকার অবলম্বন, কারো উপরে উঠার সিড়ি, কারোবা ভাই, বাবা, সন্তান। 
প্রায় একই সময় ঢাকার উত্তরায় গার্ডার পড়ে মারা যান একই পরিবারের ৫ জন। আল্লাহ হায়াত রাখায় নবদম্পতি দুজন বেচে যান। জনবহুল রাস্তায় গাড়ী চলাচল চালু রেখে কিভাবে করে এসব কাজ? কে দিবে এর কৈফিয়ত? ফিরিয়ে দিতে পারবে রাষ্ট্র এই সব পরিবারের আনন্দ? ফিরিয়ে দিতে পারবে রাষ্ট্র অবুঝ দুটি শিশুর জীবন? যাদের জীবন শুরুর আগেই নিভিয়ে দেওয়া হলো? 
এটা দুর্ঘটনা নয়। এটা রাষ্ট্রীয় হত্যা। দুর্ঘটনা একবার দুবার ঘটে, তার ব্যবস্থা নেওয়া হয় যেন আর না ঘটে। কিন্তু  আমাদের দেশে বার বার একই ঘটনা ঘটছে। কোন প্রতিকার নেই, কোন শাস্তি নেই। আছে শুধু লোক দেখানো তদন্ত কমিটি, যার রিপোর্ট কোন দিনই প্রকাশ পায় না। লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে যায় তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্ত। কয়দিন পর যখন সবাই ভুলে যায়, আবার সব আগের মতো। 
এভাবে কতদিন?  আর কত রাষ্ট্রীয় হত্যার শিকার হবে সাধারণ মানুষ? আর কত মানুষ হত্যা করলে প্রশাসনের খুনের নেশা কাটবে? আর কত সাধারণ মানুষের রক্ত পেলে তাদের তৃষ্ণা মিটবে? 
এসব প্রশ্নের কোন উত্তর নেই। দরকারও নেই। চাই শুধু স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি। চাই এইসব সমস্যার প্রতিকার্ এবং যাদের কল্যানে এসব হচ্ছে তাদের শাস্তি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134344/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Aug 2022 15:34:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মৃত্যু কুপ ঢাকা।<br />
আমাদের রাজধানী শহর ঢাকা। দেশের সব কিছুর কেন্দ্র বিন্দু এই শহর। শত বছরের ঐতিহ্যের ধারক এই রাজধানী শহর। পুরান এই শহরের সবচেয়ে পুরান অংশ হলো পুরান ঢাকা। সেই পুরান ঢাকার সবচেয়ে জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ন অংশ হলো চকবাজার।<br />
চকবাজার, কাপড়, কসেমটিক, জুয়েলারী, ব্যাগ, কেমিক্যাল সহ অন্যান্য  ববসার পাইকারী বাজার। দেশী ব্যবসার লেনদেনের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-134344"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/134344/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0911da969d3c425588abc3eaf5ae3bae</guid>
				<title>যৌথ পরিবার হতে একাকি জীবন। 
আজ হতে বহু বছর পর পূর্বে বাংলার ঘরে ঘরে ছিলো যৌথ পরিবার। দাদা, দাদী, জেঠা-চাচা, জেঠী-চাচী, মা-বাবা, ফুফু, ভাই-বোন সবাইকে নিয়ে। সাথে থাকতো পরিবারের গৃহভূত্যগন, যারাও ছিলো একান্ত আত্বীয়ের মতোই। 
সেই প্রথা ভেঙ্গে দিতে প্রচন্ডভাবে আন্দোলন  শুরু করলো নাটক, সিনেমা ও কিছু পরিচিত বুদ্ধীজীবী । 
৭০/৮০ দশকে প্রত্যেকটি নাটক সিনেমার মূল বিষয় ছিলো যৌথ পরিবার ভেঙ্গে কিভাবে সিঙ্গেলতে পরিনত করা যায়। কিভাবে সংসারে সবাইকে ঠকিয়ে নিজে সুখী হতে হয়, প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় পরিবারের বড়দের অপমান করে তাদের কর্তৃত্ব কিভাবে শেষ করতে হয়, শিখানো হয় সবার মঙ্গল বাদ দিয়ে কিভাবে একা থাকা যায়, কিভাবে শুধু নিজেকে ভালো রাখতে হয় সেই সবই শুধু শিখানো হয়। 
এরপরের ধাপ আরোও ভয়ংকর। প্রেম ভালোবাসার দিক্ষা দেওয়া হয় যুবক-যুবতীদের। সেই প্রেমের টানে কিভাবে বাবা-মা সহ পরিবারের বড়দের অপমান অপদস্থকরতে হয় তাই শিখানো শুরু করা হয়। কিভাবে পালিয়ে, বাবা-মাকে না জানিয়ে বিয়ে, তাদের পছন্দকে তোয়াক্কা না করে নিজের পছন্দকে প্রাধান্য দেওয়া, বাবা-মা ও পরিবারের সম্মান, ইচ্ছা, অধিকারকে অস্বিকার করার প্রয়াস। ফলশ্রুতিতে আজ দেশে সর্বত্রই সিঙ্গেল পরিবার ও প্রেমের বিয়ে সর্বত্র। আর আজ বিংশ শতাব্দিতে এসে  বহু বিবাহের জায়গায় দখল করেছে বহু প্রেম। এক এক জন তরুন-তরুনী, যুবক-যুবতী  ডজন ডজন প্রেম করে। ভালোবাসার চেয়ে সেই প্রেম শারীরিক সম্পর্কই বেশী। বর্তমান ট্রেডিশন হচ্ছে কথায় কথায় ব্রেক আপ, আবার কথায় কথায় প্রেমে পরে যাওয়া। প্রেমে পড়তেও বেশী সময় লাগে না, আবার ব্রেক আপ হতেও সময় লাগে না। সকালে প্রেম, বিকালে ব্রেক আপ! হওয়ার মতো অবস্থা চলছে। অন্তত চার পাচটা বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড না থাকলে ইজ্জত থাকে না এখন আর। 
আর এসব অধ:পতনের মূলে আছে নাটক ও সিনেমাগুলো। এসব বাজে কাজে ব্যাপক উৎসাহ যুগিয়েছে তারা, কিছু অভিভাবক নামক জানোয়ার ও অশিক্ষিত সমাজপতিগন। 
কালের বিবর্তনের মতো নাটক সিনেমাগুলোতে প্রেম আর পালিয়ে বিয়ে করা ছাড়া আর কিছু নাই। রঙিন স্বপ্নে বিভোর তরুন তরুণিরা রঙিন পর্দায় এসব দেখে আর মাতোয়ারা হয়ে যায় অবৈধ কাজে। 
এক সময় অভিভাবকদের মুখের দিকে চেয়ে যে বাঙ্গালী যুবকরা কথা বলতে পারতো না, সেই যুবকরা আজ  বাবা-মাকে এসে বলে এ আমার বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড। এই সাহসের পিছনে আছে নাটক ও সিনেমাগুলো। 
আমাদের দেশে কয়েকজন এর সাথে প্রেম করা সাহসের কাজ, কিন্তু বহু বিবাহ পাপের কাজ। 
আমাদের দেশে প্রেমের নামে শারিরীক সম্পর্ক সমস্যা নাই, একই সময় বয়সর অজুহাতে বিবাহ নিষেধ।
আমাদের দেশে বিয়ে বহির্ভূত গর্ভপাত সমস্যা নাই, কিন্তু বিয়ে করে ২ এর অধিক সন্তান নিলে সমস্যা। 
আমাদের দেশে কয়েকজনের সাথে শারীরক সম্পর্ক করলেও কোন অসুবিধা নাই, কিন্তু বিয়ে একটার বেশী করলে মামলা খেতে হয়। 
আর এসব অনৈতিক কাজে অভ্যস্ত কিন্তু এক দিনে করনি, যুগের পর যুগ, বছরের পর বছ, দিনের পর দিন বস্তা পচা প্রেমের নাটক ও সিনেমা খাইয়ে তারা আজ সফল। আর আমরা বিনোদনের নামে জেনার কারখানায় রুপান্তর করেছি দেশটাকে। 
আর আজ শুরু হয়েছে বিয়েহীন একাকি জীবন। নিজের জৈবিক চাহিদ মেটাতে করে লীভ টুগেদার। যে কয়দিন ভালো লাগে, একসাথে চাহিদা শেষতো যে যার পথে। 
আমরাও চলছি ধ্বংসের পথে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/133398/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Aug 2022 14:44:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যৌথ পরিবার হতে একাকি জীবন।<br />
আজ হতে বহু বছর পর পূর্বে বাংলার ঘরে ঘরে ছিলো যৌথ পরিবার। দাদা, দাদী, জেঠা-চাচা, জেঠী-চাচী, মা-বাবা, ফুফু, ভাই-বোন সবাইকে নিয়ে। সাথে থাকতো পরিবারের গৃহভূত্যগন, যারাও ছিলো একান্ত আত্বীয়ের মতোই।<br />
সেই প্রথা ভেঙ্গে দিতে প্রচন্ডভাবে আন্দোলন  শুরু করলো নাটক, সিনেমা ও কিছু পরিচিত বুদ্ধীজীবী ।<br />
৭০/৮০ দশকে প্রত্যেকট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-133398"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/133398/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c62e74f32a6ea14008ac7a462c09651a</guid>
				<title>অনেক দূর যেতে হবে, অর্জন করতে হবে অনেক সম্পদ আর প্রতিপত্তি, হারিয়ে দিতে হবে সবাইকে, সবার আগে এগিয়ে যেতেই হবে, কেউ এগিয়ে যেতে পারবে না, প্রয়োজনে ল্যাং মেরে ফেলে দিতে হবে প্রতিদ্বন্দ্বীকে, নৈতিকা বা সত্য মিথ্যার বালাই নেই, শুধুই এগিয়ে যাওয়া। 
হ্যা,  পুজিবাদের এই থিমের উপর ভিত্তি করে চলছে আজকের দুনিয়ার সমাজ। সবাই ব্যস্ত শুধু এগিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে। কেউ কারো দিকে তাকানোর প্রয়োজনও মনে করে না।
এগিয়ে যাওয়ার পথে আমরা হারিয়েছি আবেগ, মনুষ্যত্ব, বিবেক আর ভ্রাতিত্ব। এসব হারিয়ে আর মানুষের কি থাকে? 
তারপরও আমরা নিজেকে মানুষ হিসাবে জাহির করি। 
এতো কিছুর পরও দুনিয়াতে মানুষ আছে, থাকবে। কারণ দুনিয়াটা মানুষের জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128996/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 16:58:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনেক দূর যেতে হবে, অর্জন করতে হবে অনেক সম্পদ আর প্রতিপত্তি, হারিয়ে দিতে হবে সবাইকে, সবার আগে এগিয়ে যেতেই হবে, কেউ এগিয়ে যেতে পারবে না, প্রয়োজনে ল্যাং মেরে ফেলে দিতে হবে প্রতিদ্বন্দ্বীকে, নৈতিকা বা সত্য মিথ্যার বালাই নেই, শুধুই এগিয়ে যাওয়া।<br />
হ্যা,  পুজিবাদের এই থিমের উপর ভিত্তি করে চলছে আজকের দুনিয়ার সমাজ। সবাই ব্যস্ত শুধু এগিয়ে যাওয়াকে কেন্দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128996"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128996/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f26fa6c2f2091ef8367bfa41d74b3432</guid>
				<title>পুজিবাদের গোলাম আমরা
ছুটছি পুজির পিছে। 
গড়ছি সম্পদ আজ, গড়ছি প্রতিপত্তি
জানি না এসব কোন কাজের নয় শুধুই মিছে। 

মায়া জাল, শুধুই মায়া। 
জগতের কোন লাভ নেই
আছে শুন্যতা, হতাশা শুধুই ।

সম্পদের পিছে ছুটে আজ 
হতাশ জীবন। 
সময়ের দিকে তাকিয়ে দেখি
দরজায় মরণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128349/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Aug 2022 16:28:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুজিবাদের গোলাম আমরা<br />
ছুটছি পুজির পিছে।<br />
গড়ছি সম্পদ আজ, গড়ছি প্রতিপত্তি<br />
জানি না এসব কোন কাজের নয় শুধুই মিছে। </p>
<p>মায়া জাল, শুধুই মায়া।<br />
জগতের কোন লাভ নেই<br />
আছে শুন্যতা, হতাশা শুধুই ।</p>
<p>সম্পদের পিছে ছুটে আজ<br />
হতাশ জীবন।<br />
সময়ের দিকে তাকিয়ে দেখি<br />
দরজায় মরণ। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">77f04f7d9894df43f5d833a1123f1f99</guid>
				<title>জ্বলছে কাশ্মীর, নির্যাতনের চরম সময় অতিক্রান্ত করছে চীনের জিনজিয়াং, আগুনের কুন্ড মিন্দানাও, নিজের সঠিক পরিচয়ও দেয়া যায় না বসনিয়ায়। 
অস্থির সোমালিয়া, উত্তাল মিশর, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক, ঝুকছে ইরান, যুদ্ধবাজ আফগানরাও আজ পরিশ্রান্ত, অস্ত্র কিনতে কিনতে শ্রান্ত সৌদি আরব, ধ্বংস স্তুপে পরিণত আজ সিরিয়া ও লিবিয়া, অগ্নিগর্ভ পাকিস্তান। 
মোটামুটি এমনই বিধ্বস্ত রূপ আজ মুসলিম বিশ্বের। শুধু ব্যতিক্রম সালাহউদ্দিন আয়বীর উত্তর পুরুষ কুর্দিদের দেশ তুরস্ক। পুজিবাদের কেনা গোলামের সারাবিশ্বের দেশগুলোর সামনে বুক চিতিয়ে দাড়িয়ে আছে তারা। এই পুজবাদের কেনা তুরস্কের সেনাবাহীনির রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে আজও এগিয়ে চলেছে বীর দর্পে।  অর্থনৈতিক, সামরিক  ও রাজনৈতিক ভাবে এগিয়ে চলেছে বিশ্বের মোড়লদের উপেক্ষা করে। 
স্নায়ু যুদ্ধের দুই পরাশিক্তর এক পরাশিক্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর একক পরাশক্তি আমেরিকার হাতের পুতুলে পরিনত হয় সারাবিশ্ব। যখন যেভাবে খুশি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল সব রাষ্ট্রকে নাচাতে লাগলো। সেই সাথে একচেটিয়া অস্ত্রের ব্যবসা করতে লাগলো এক রাষ্ট্রকে অন্য রাষ্ট্রের পিছনে লাগিয়ে দিয়ে। 
শক্তিশালী গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক, সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও সামরিক শক্তির কারণে এসব তারা করে চলেছে অনায়াসে। 
এসব কুকর্মে কেউ বাধাতো দেয়নি বরং সহযোগিতা করে আসছে বিশ্বের শক্তিশালী দেশ বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মান ও ভারতের মতো রাষ্ট্রগুলো। 
ইউএসএ, ফ্রান্স ও বৃটেন এরা হলো হায়নার দল। বিশ্বের যে কোন জায়গায় যখন দরকার আমেরিকা  আক্রমন করে বসে, আর অনুগত অনুচরের মতো বৃটেন ও ফ্রান্স সেখানে গিয়ে হাজির সহযোগিতা করার জন্য। 
বিশ্বের এই অবস্থার আজ মনে হয় পরিবর্তন হতে চলেছে। এবার ভুল করে আমেরিকা আহত বাঘের লেজ মারিয়ে দিয়েছে। আর সেই আহত বাঘ হলো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বর্তমান রূপ রাশিয়া। 
পুতিনের হাত ধরে আসবে পুজিবাদের ধ্বজ্বাধারী ইউএসএ এর পরাজয় সেই প্রত্যাশায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128316/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Aug 2022 15:49:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জ্বলছে কাশ্মীর, নির্যাতনের চরম সময় অতিক্রান্ত করছে চীনের জিনজিয়াং, আগুনের কুন্ড মিন্দানাও, নিজের সঠিক পরিচয়ও দেয়া যায় না বসনিয়ায়।<br />
অস্থির সোমালিয়া, উত্তাল মিশর, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক, ঝুকছে ইরান, যুদ্ধবাজ আফগানরাও আজ পরিশ্রান্ত, অস্ত্র কিনতে কিনতে শ্রান্ত সৌদি আরব, ধ্বংস স্তুপে পরিণত আজ সিরিয়া ও লিবিয়া, অগ্নিগর্ভ পাকিস্তান।<br />
মোটামুটি এমনই বিধ্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128316"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128316/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">78a22212d22d3460ee9be3f07d4eefaf</guid>
				<title>হতাশার চাদরে ঢেকে গেছে পরিবার, সমাজ, দেশ ও জাতি। হাহাকার সর্বত্র। রাশি রাশি সম্পত্তি, টাকা, গাড়ী, বাড়ী ও ক্ষমতা প্রচন্ড রকম, তারপরও হাহাকার। আবার যার নেই কিছুই, আকাশের নিচে যার ঠাই সেও আজ হাহারেরর ঢেউ এ ;নিজেকে হারিয়ে ফেলছে। নেই সামাজিক নিরাপত্তার, নেই সম্মান, নেই মূল্যবোধ। 
কেন এমন অবস্থা? আজ পুজিবাদ কেড়ে নিয়েছে সব। কেড়ে নিয়েছ আবেগ, সম্মান, নিরাপত্তা, ভালোবাসা, নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সর্বোপির মনূষ্ত্ব্য। মনুষত্ব্যহীন মানব দেহকে কি মানুষ বলা যায়?  আমার জানা নেই। তবে আমার বলতে ইচ্ছে করে না। 
আজ সম্পদশালীদের হাহাকার কেন তারা আরো সম্পদ বানাতে পারছে না? 
গরীবের হাহাকার কেন সে দু বেলা ঠিক মতো খেতে পারে না। 
মধ্যবিত্তের হাহাকার কেন সে কারো কাছে চাইতে পারে না
আর সরকারের হাহাকার এতোকিছু করার পরও জনগন বলে কিছু নাই। 
আর আমার হাহাকার কেন আমি লেখক হতে পারছি না?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127985/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 17:12:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হতাশার চাদরে ঢেকে গেছে পরিবার, সমাজ, দেশ ও জাতি। হাহাকার সর্বত্র। রাশি রাশি সম্পত্তি, টাকা, গাড়ী, বাড়ী ও ক্ষমতা প্রচন্ড রকম, তারপরও হাহাকার। আবার যার নেই কিছুই, আকাশের নিচে যার ঠাই সেও আজ হাহারেরর ঢেউ এ ;নিজেকে হারিয়ে ফেলছে। নেই সামাজিক নিরাপত্তার, নেই সম্মান, নেই মূল্যবোধ।<br />
কেন এমন অবস্থা? আজ পুজিবাদ কেড়ে নিয়েছে সব। কেড়ে নিয়েছ আবেগ, সম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-127985"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/127985/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">99118c7a91711d53c91e7e478a2fee56</guid>
				<title>পুজিবাদী সমাজ।

পুজির জয় জয়কার সবর্ত্র। পুজি ছাড়া এখন কোথাও কোন দাম নেই কারো। সমাজে মূল্যায়ন হয় কার কতো টাকা ও ম্যাশল পাওয়ার আছে তার উপর। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সর্বত্র আজ একই অবস্থা।
রাজনীতিতে এই অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। টাকা ছাড়া এখানে টিকাই যাবে না।  
সামান্য ইউপি সদস্য নির্বাচনে ৫০-৬০ লাখ টাকা খরচ করতে হয়। নয়তো লড়াইয়ে টিকে থাকা যায় না।  যদি এর উপরে যেতে হয় তবে কি অবস্থা সহজেই অনুমেয়। 
যে লোক সমাজে সবার জন্য টাকা খরচ করতে পারে, সে খুব ভালো লোক। এই ব্যক্তি টাকাটা কিভাবে ইনকাম করলো সেটা কোন ব্যাপার না।   
পুজিবাদী এই সমাজে পুজির গোলাম হয়ে তাই আজ সবাই ছুটছে গাড়ি, বাড়ী, টাকা, প্রতিপত্তির পিছনে। চলতি পথে বিবেক, বিবেচনা, অন্যের জন্য সেক্রিফাইস সব কখন যে বিসর্জন দিয়ে বসে আছে তা নিজেই টেরও পায়নি। আর যখন টের পাচ্ছে তখন আর এসব    নিয়ে ভাবার সময় নেই। তখন শুধুই সামনে এগিয়ে চলা, শুধু সবাইকে হারানোর প্রতিযোগীতায় প্রথম হওয়ার লড়াই। এই লড়াই এমন এক লড়াই যে লড়াই কখনোই শেষ হয় না। এক জনকে হারিয়ে একটু এগোলেই আরেকজনকে হারাতে হয়। চলছে এই লড়াই, চলবে আজীবন। এই চক্রে যারা একবার ঢুকে পড়েছে তাদের আর কোন নিস্তার নেই। দাড়ানোরও  কোন সুযোগ নেই, দাড়িয়ে পড়লেই পিছন থেকে এসে আরেকজন দিবে ধাক্কা, আর ওই ধাক্কায় হারিয়ে যাবে পুজিবাদের সীমাহীন গর্তে। 
 মুক্তি নেই এই চক্র হতে। সমাজে আজ গরীবের কিছু নাই। সব নিত্য পণ্যের  দাম সাধারণের নাগালের বাহিরে, তাতে সমাজের উচ্চবিত্তরা চুপ। কারণ তাদেরতো আর টিসিবির গাড়ীতে লাইন দিয়ে সারা দিন দাড়িয়ে ২ কেজি চিনি, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি সয়াবিন তেল কিন্তে হবে না। তারা অন লাইনে ২০০ টাকা কেজি কিনবে ঘরে বসেই। টাকা পেমেন্ট হবে বিকাশ, নগদ বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে। 
টাকা উৎপাদনের মেশিন আছে সমস্যা কোথায়? মেশিনটা নৈতিকভাবে ঠিক না বেঠিক সেসব নিয়ে ভাবা যাবে না, তাহলে  ক্রেডিট কার্ট দিয়ে প্রোডাক্ট কিনবে কেমনে? 
আজ পুজিবাদের এই গোলামি চলবে কত দিন? আদৌ্ কি শেষ হবে এর?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/111757/</link>
				<pubDate>Mon, 16 May 2022 17:53:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুজিবাদী সমাজ।</p>
<p>পুজির জয় জয়কার সবর্ত্র। পুজি ছাড়া এখন কোথাও কোন দাম নেই কারো। সমাজে মূল্যায়ন হয় কার কতো টাকা ও ম্যাশল পাওয়ার আছে তার উপর। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সর্বত্র আজ একই অবস্থা।<br />
রাজনীতিতে এই অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। টাকা ছাড়া এখানে টিকাই যাবে না।<br />
সামান্য ইউপি সদস্য নির্বাচনে ৫০-৬০ লাখ টাকা খরচ করতে হয়। নয়তো লড়াইয়ে টিকে থাকা যায় না।  যদি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-111757"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/111757/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>