<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Mohammad Zahid Hossain Thakur | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/zahidthakur/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/zahidthakur/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Mohammad Zahid Hossain Thakur.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 16 Jun 2026 02:06:20 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">ecf0ac28c7bdb0b4faebd379ea708db8</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/84797/</link>
				<pubDate>Fri, 31 Dec 2021 17:26:37 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1573768f7fd9d1f30475a07f1c6d85c7</guid>
				<title>&#x2666;উদীয়মান কবি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন&#x2666;


আপনাদের সকলের প্রিয়, শতাধিক গ্রুপ থেকে পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং অনলাইন পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্রিকার নিয়মিত সাহিত্যিক লেখক ও কবি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, গত রাত আনুমানিক ২ টার দিকে আকস্মিক আকস্মিক হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। বর্তমানে তিনি  হাসপাতালের ডাক্তারের অধীনে নিবিড় পর্যবেক্ষণে কেন্দ্রে আছেন। তার অবস্থা বর্তমানে সংকটাপন্ন। আপনারা সকলে উনার জন্য দোয়া করবেন, যাতে উনি দ্রুততম সময়ে সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারেন।


পোস্টটি আমি আমার স্বামীর পক্ষ থেকে করলাম।
বিশেষ প্রয়োজনে অথবা সহযোগিতা করতে চাইলে নিচের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করুন।

একটি সোস্যাল একাউন্ট থেকে তার হয়ে তার স্ত্রী বাধ্য হয়ে আজ যে পোস্টটি করেছেন তা এরকমঃ-

০১৮৪৬২২১৫০২ (জাহিদ)

&#x2666;কবি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেনের চিকিৎসার আপডেটঃ &#x2666;

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটেড সি,সি,ইউ,এর ০২ বেডে  দীর্ঘ্য সময় চিকিৎসার পরে ১৮.০০ টার সময় প্রফেসররা সকলে মিলে উপদেশ দেন,যে হাসপাতালে ওপেন হার্ট সার্জারী করানো হয়েছে (ইব্রাহীম কার্ডিয়াকে) সেখানে বর্তামান চিকিৎসাধীন ডাক্টারের অধীনে দ্রুত ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহন করার জন্য ।  

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সি,সি,ইউ,তে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। 

সাথে সাথে তাকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে এনে জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তার দেখানো হয়। ডাক্তার দ্রুততম সময়ে সি,সি,ইউ,ভর্তি করার জন্য বলেন।  

আনেক সময় মৃত্য যন্ত্রনা দেখেও হয়তো সহ্য করা যায় কিন্তু হাসপাতালের ভর্তির টাকা জোগার করা তারচেয়ে ভয়াবহ হয়ে উঠে বিশেষ করে আমাদের মতোন নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে।

শেষ পর্যন্ত হয়তো ওকে হাসপাতালে ভর্তি করার সম্ভাব হবে না। কারন সে সামথ্য আমার নেই।

আপনার সকলে ওর জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন দুটি কণ্যা সন্তানের মুখের দিকে তাঁকায়েও ওকে হায়াত দান করেন।

মিসেস লিভা হোসেন
(মোহাম্মদ জাহিদ হোসেনের স্ত্রী)
জরুরী প্রয়োজনে
জাহিদ-০১৮৪৬২২১৫০২</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/84796/</link>
				<pubDate>Fri, 31 Dec 2021 17:15:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x2666;উদীয়মান কবি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন&#x2666;</p>
<p>আপনাদের সকলের প্রিয়, শতাধিক গ্রুপ থেকে পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং অনলাইন পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্রিকার নিয়মিত সাহিত্যিক লেখক ও কবি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, গত রাত আনুমানিক ২ টার দিকে আকস্মিক আকস্মিক হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। বর্তমানে তিনি  হাসপাতালের ডাক্তারের অধীনে নিবিড় পর্যবেক্ষণে ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-84796"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/84796/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c09b94de487be07b934829c19d229b32</guid>
				<title>সকল সনাতন ধর্মের বন্ধুদের শারদীয় শুভেচ্ছা। 
       &#x2666;দুর্গাপূজা&#x2666;
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
*********************

দুর্গাপূজা বা দুর্গোৎসব হল হিন্দু দেবী দুর্গার পূজাকে কেন্দ্র করে প্রচলিত একটি উৎসব। দুর্গাপূজা সমগ্র হিন্দুসমাজেই প্রচলিত। তবে বাঙালি হিন্দু সমাজে এটি অন্যতম বিশেষ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। আশ্বিন বা চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে দুর্গাপূজা করা হয়। আশ্বিন মাসের দুর্গাপূজা শারদীয়া দুর্গাপূজা এবং চৈত্র মাসের দুর্গাপূজা বাসন্তী দুর্গাপূজা নামে পরিচিত। শারদীয়া দুর্গাপূজারজনপ্রিয়তা বেশি। বাসন্তী দুর্গাপূজা মূলত কয়েকটি পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

শারদীয়া দুর্গাপূজাকে &quot;অকালবোধন&quot; বলা হয়। কালিকা পুরাণ ও বৃহদ্ধর্ম পুরাণ অনুসারে, রাম ও রাবণের যুদ্ধের সময় শরৎকালে দুর্গাকে পূজা করা হয়েছিল। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে, শরৎকালে দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন। তাই এই সময়টি তাঁদের পূজা যথাযথ সময় নয়। অকালের পূজা বলে তাই এই পূজার নাম হয় &quot;অকালবোধন&quot;। এই দুই পুরাণ অনুসারে, রামকে সাহায্য করার জন্য ব্রহ্মা দুর্গার বোধন ও পূজা করেছিলেন। কৃত্তিবাস ওঝা তাঁর রামায়ণে লিখেছেন, রাম স্বয়ং দুর্গার বোধন ও পূজা করেছিলেন। এই জন্য স্মৃতিশাস্ত্রগুলিতে শরৎকালে দুর্গাপূজার বিধান দেওয়া হয়েছে। হংসনারায়ণ ভট্টাচার্যের মতে, &quot;...অকালবোধন শরতে বৈদিক যজ্ঞের আধুনিক রূপায়ণ ছাড়া আর কিছুই না।&quot;

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ-এ কৃষ্ণকে দুর্গাপূজার প্রবর্তক বলা হয়েছে। বিভিন্ন দেবদেবীরা কিভাবে দুর্গাপূজা করেছিলেন, তার একটি তালিকা এই পুরাণে পাওয়া যায়। তবে এই প্রসঙ্গে কোনো পৌরাণিক গল্পের বিস্তারিত বর্ণনা এই পুরাণে দেওয়া হয়নি। বলা হয়েছে:

প্রথমে পূজিতা সা চ কৃষ্ণেন পরমাত্মনা।
বৃন্দাবনে চ সৃষ্ট্যাদ্যৌ গোলকে রাগমণ্ডলে।
মধুকৈটভভীতেন ব্রহ্মণা সা দ্বিতীয়তঃ।
ত্রিপুরপ্রেষিতেনৈব তৃতীয়ে ত্রিপুরারিণা।।
ভ্রষ্টশ্রিয়া মহেন্দ্রেন শাপাদ্দুর্বাসসঃ পুরা। চ
তুর্থে পূজিতা দেবী ভক্ত্যা ভগবতী সতী।।
তদা মুনীন্দ্রৈঃ সিদ্ধেন্দ্রৈর্দেবৈশ্চ মুনিমানবৈঃ।
পূজিতা সর্ববিশ্বেষু বভূব সর্ব্বতঃ সদা।।

অর্থাৎ, সৃষ্টির প্রথম যুগে পরমাত্মা কৃষ্ণ বৈকুণ্ঠের আদি-বৃন্দাবনের মহারাসমণ্ডলে প্রথম দুর্গাপূজা করেন। এরপর মধু ও কৈটভ নামে দুই অসুরের ভয়ে ব্রহ্মা দ্বিতীয় দুর্গাপূজা করেছিলেন। ত্রিপুর নামে এক অসুরের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে শিব বিপদে পড়ে তৃতীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করেন। দুর্বাসা মুনির অভিশাপে লক্ষ্মীকে হারিয়ে ইন্দ্র যে পূজার আয়োজন করেছিলেন, সেটি ছিল চতুর্থ দুর্গাপূজা। এরপর থেকেই পৃথিবীতে মুনিঋষি, সিদ্ধপুরুষ, দেবতা ও মানুষেরা নানা দেশে নানা সময়ে দুর্গাপূজা করে আসছে।

দূর্গা পুষ্পাঞ্জলি দেয়ার মন্ত্র:
“ ঔঁ জয়ন্তি মঙ্গলা কালী, ভদ্র কালী কপালিনী, দূর্গা শিবা ক্ষমা ধাত্রী, স্বাহা স্বধা নমস্তুতে। এস স্ব চন্দন পুষ্প বিল্ব পত্রাঞ্জলী নম ভগবতী দূর্গা দেবী নমহ্। ”

দূর্গা প্রণাম মন্ত্র:
“ সর্ব মঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থ সাধিকে

শরণ্যে ত্রম্বকে গৌরি নারায়নী নমস্তুতে
”
অর্থ: হে দেবী সর্বমঙ্গলা, শিবা, সকল কার্য সাধিকা, শরণযোগ্য, গৌরি ত্রিনয়ণী, নারায়নী তোমাকে নমস্কার।

হিন্দু শাস্ত্রে ‘দুর্গা’ নামটির ব্যাখ্যা নিম্নোক্তরূপে প্রদত্ত হয়েছে :

“ দৈত্যনাশার্থবচনো দকারঃ পরিকীর্তিতঃ।

উকারো বিঘ্ননাশস্য বাচকো বেদসম্মত।।
রেফো রোগঘ্নবচনো গশ্চ পাপঘ্নবাচকঃ।
ভয়শত্রুঘ্নবচনশ্চাকারঃ পরিকীর্তিত।।
”

- ‘দ’ অক্ষর দৈত্যনাশক, উ-কার বিঘ্ননাশক, ‘রেফ’ রোগনাশক, ‘গ’ অক্ষর পাপনাশক ও অ-কার ভয়-শত্রুনাশক। অর্থাৎ, দৈত্য, বিঘ্ন, রোগ, পাপ ও ভয়-শত্রুর হাত থেকে যিনি রক্ষা করেন, তিনিই দুর্গা। অন্যদিকে শব্দকল্পদ্রুম অনুসারে, “দুর্গং নাশয়তি যা নিত্যং সা দুর্গা বা প্রকীর্তিতা” – অর্থাৎ, দুর্গ নামক অসুরকে যিনি বধ করেন তিনিই নিত্য দুর্গা নামে অভিহিতা। আবার শ্রীশ্রীচণ্ডী অনুসারে এই দেবীই ‘নিঃশেষদেবগণশক্তিসমূহমূর্ত্যাঃ’ বা সকল দেবতার সম্মিলিত শক্তির প্রতিমূর্তি।

আচার ও অনুষ্ঠানসমূহ:-
মহালয়া
দুর্গাষষ্ঠীসম্পাদনা
কল্পারম্ভসম্পাদনা
বোধনসম্পাদনা
আমন্ত্রণ ও অধিবাসসম্পাদনা
সপ্তমীপূজাসম্পাদনা
নবপত্রিকা
মহাস্নান
অষ্টমীপূজাসম্পাদনা
কুমারী পূজা
সন্ধিপূজা
নবমীপূজাসম্পাদনা
দশমীপূজাসম্পাদনা
বিসর্জন ও বিজয়া দশমী কৃত্যসম্পাদনা
অপরাজিতা পূজা

তথ্যসূত্র:-
শ্রীশ্রীচণ্ডী, অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ স্বামী জগদীশ্বরানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, কলকাতা, ১৯৬২ সংস্করণ
পূজা-বিজ্ঞান, স্বামী প্রমেয়ানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, কলকাতা, ১৯৯৯
নতুন বাংলার মুখ পত্রিকা, শারদোৎসব সংখ্যা ১৪১৪ বঙ্গাব্দ (২০০৭)
পৌরাণিকা : বিশ্বকোষ হিন্দুধর্ম (প্রথম খণ্ড অ-ন), অমলকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ফার্মা কেএলএম প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ১৯৮৫ সংস্করণ
নিবন্ধ বাংলাদেশে দুর্গাপুজো, ইমদাদুল হক মিলন, বর্তমান (রবিবারের ক্রোড়পত্র), ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
মা দুর্গার কাঠামো, মহানামব্রত ব্রহ্মচারী, মহাউদ্ধারণ মঠ, কলকাতা
দেবদেবী ও তাঁদের বাহন, স্বামী নির্মলানন্দ, প্রণব মঠ, কলকাতা
সাধন-সমর, ব্রহ্মর্ষি শ্রীসত্যদেব, সাধন-সমর কার্যালয়, কলকাতা

লেখক কতৃক@ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/43121/</link>
				<pubDate>Wed, 13 Oct 2021 05:21:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সকল সনাতন ধর্মের বন্ধুদের শারদীয় শুভেচ্ছা।<br />
       &#x2666;দুর্গাপূজা&#x2666;<br />
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন<br />
*********************</p>
<p>দুর্গাপূজা বা দুর্গোৎসব হল হিন্দু দেবী দুর্গার পূজাকে কেন্দ্র করে প্রচলিত একটি উৎসব। দুর্গাপূজা সমগ্র হিন্দুসমাজেই প্রচলিত। তবে বাঙালি হিন্দু সমাজে এটি অন্যতম বিশেষ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। আশ্বিন বা চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে দুর্গাপূজা ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-43121"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/43121/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3d41b85761dfb9d5ed9b17cb0dea06a9</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/43118/</link>
				<pubDate>Wed, 13 Oct 2021 05:17:13 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cfb54964bba2a93347bb6be89b3e2ae0</guid>
				<title>&#x2666;কুমারী পূজা&#x2666;
মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন

***********************

কুমারী পূজা নিয়ে একটু বলা যাক।মহাষ্টমীতে মহাষ্টম্যাদিকল্পারম্ভ, কেবল মহাষ্টমীকল্পারম্ভ, মহাষ্টমীবিহিত পূজা, বীরাষ্টমীব্রত, মহাষ্টমী ব্রতোপবাস, কুমারী পূজা, অর্ধরাত্রবিহিত পূজা, মহাপূজা ও মহোৎসবযাত্রা, সন্ধিপূজা ও বলিদান। বৃহদ্ধর্মপুরাণের মতে, দেবী চন্ডিকা এক কুমারী কন্যারূপেই দেবতাদের সামনে আবির্ভূতা হয়েছিলেন। দেবী ভগবতী কুমারীরূপেই আখ্যায়িত। কুমারী পূজার দিন সকালে পূজার জন্য নির্দিষ্ট কুমারীকে স্নান করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হয় । 

তাকে সাজানো হয় ফুলের গহনা ও নানাবিধ অলঙ্কারে। পায়ে আলতা, কপালে সিঁদুরের তিলক, হাতে ফুলের বাজুবন্ধ, কুমারী মেয়েটি যেন সত্যিই দেবীর প্রতিরুপ। মন্ডপে সুসজ্জিত আসনে বসিয়ে তার পায়ের কাছে রাখা হয় বেলপাতা, ফুল, জল, নৈবেদ্য ও পূজার নানাবিধ উপাচার।
কুমারী দেবীর কাছে ভক্তদের মিনতি,

‘কাত্যায়নায় বিদ্মহে কন্যাকুমারী ধীমহি তন্নো দুর্গিঃ প্রচোদয়াত্’
অর্থাৎ , হে দুর্গা, তুমি কন্যা ও কুমারী। আমরা কাত্যায়নকে জানব। সেজন্য তোমাকে ধ্যান করি। তুমি আমাদের শুভ কাজে প্রেরণা দাও।
ধর্মীয় গ্রন্থে কুমারী পূজার পদ্ধতি এবং মাহাত্ম্য বিশদভাবে বর্ণিত হযে়ছে। বর্ণনানুসারে কুমারী পূজায় কোন জাতি, ধর্ম বা বর্ণভেদ নেই। দেবীজ্ঞানে যে-কোন কুমারীই পূজনীয়, এমনকি বেশ্যাকুলজাত কুমারীও। তবে সাধারণত ব্রাহ্মণ কুমারী কন্যার পূজাই সর্বত্র প্রচলিত। এক্ষেত্রে এক থেকে ষোলো বছর বয়সী যে কোনো কুমারী মেযে়র পূজা করা যায়। বয়সের ক্রমানুসারে পূজাকালে এই সকল কুমারীদের বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়।
এক বছরের কন্যা — সন্ধ্যা
দুই বছরের কন্যা — সরস্বতী
তিন বছরের কন্যা — ত্রিধামূর্তি
চার বছরের কন্যা — কালিকা
পাঁচ বছরের কন্যা — সুভগা
ছয় বছরের কন্যা — উমা
সাত বছরের কন্যা — মালিনী
আট বছরের কন্যা — কুষ্ঠিকা
নয় বছরের কন্যা — কালসন্দর্ভা
দশ বছরের কন্যা — অপরাজিতা
এগারো বছরের কন্যা — রূদ্রাণী
বারো বছরের কন্যা — ভৈরবী
তেরো বছরের কন্যা — মহালপ্তী
চৌদ্দ বছরের কন্যা — পীঠনাযি়কা
পনেরো বছরের কন্যা — ক্ষেত্রজ্ঞা
ষোলো বছরের কন্যা — অন্নদা বা অম্বিকা
কুমারী বা নারীতে দেবীভাব আরোপ করে তার সাধনা করা হয়। এ সাধনপদ্ধতিতে সাধকের নিকট বিশ্বজননী কুমারী নারীমূর্তির রূপ ধারণ করে; তাই তার নিকট নারী ভোগ্যা নয়, পূজ্যা। পৌরাণিক কল্পকাহিনিতে বর্ণিত আছে, এ ভাবনায় ভাবিত হওয়ার মাধ্যমে রামকৃ্প পরমহংসদেব নিজের স্ত্রীকে ষোড়শীজ্ঞানে পূজা করেছিলেন।
তবে সব পূজা মন্ডপে কুমারী পূজার চল নেই। বর্তমান বাংলাদেশে ও ভারতে শুধু রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের পূজামন্ডপগুলোতে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র:-
1.↑ ক খ গ ঘ ঙ দুলাল ভৌমিক (সম্পাদক)। &quot;কুমারী পূজা&quot;। বাংলাপিডিয়া। ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশ।
2.↑ কুমারীপূজাপ্রযে়াগ। ঢাকা: বাংলা একাডেমী সংগ্রহ- ১৫৯। লিপিকাল ১৮৫০।
3.↑ &quot;কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত&quot;। দৈনিক যুগান্তর। অক্টোবর ১৩, ২০১৩। সংগৃহীত জুন ২৫, ২০১৪।

লেখক কতৃক@ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/43116/</link>
				<pubDate>Wed, 13 Oct 2021 05:15:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x2666;কুমারী পূজা&#x2666;<br />
মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন</p>
<p>***********************</p>
<p>কুমারী পূজা নিয়ে একটু বলা যাক।মহাষ্টমীতে মহাষ্টম্যাদিকল্পারম্ভ, কেবল মহাষ্টমীকল্পারম্ভ, মহাষ্টমীবিহিত পূজা, বীরাষ্টমীব্রত, মহাষ্টমী ব্রতোপবাস, কুমারী পূজা, অর্ধরাত্রবিহিত পূজা, মহাপূজা ও মহোৎসবযাত্রা, সন্ধিপূজা ও বলিদান। বৃহদ্ধর্মপুরাণের মতে, দেব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-43116"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/43116/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">79a2e3a736101716057e0c5a46635822</guid>
				<title>&#x2666;অামি মরেছি কখন&#x2666;
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
***********************

অমি ঠিক কখন মরেছি ?
ঘন্টা দুয়েক অাগে,ঠিক যখন ডাক্তার হাতের নাড়ী পরীক্ষা করে দেখবে? তখন? 
নাকি অামি যখন শেষবারের মতোন শ্বাস টেনে দুই চোখ চিরতরে স্থির করবো , তখন?
নাকি ডাক্তার যে সময় মাথা নেড়ে বলবে,&quot;অার কিছু করার নেই&quot;, তখন?
এগুলো সবি অামার প্রকৃত মুত্তুর সময়ের কথা।
কিন্তু এর অাগেও যে অামি মরেছি,
তাহলে অাসলে অামার মৃতুর সময়টা কখন?
অামার  হার্টের অসুখের সময়,নাকি অনেক অনেক আগে? 
নাকি সেই সময়ে অামি মরেছিলাম, যখন অামি ছিলাম পুরোনো বাতিল আসবাবের মতো ঘর জুড়ে মায়াহীন, সকলের অবহেলা সয়ে, তখনই?
ঠিক যখন অামি অামার  জীবন থাকতে অামি মৃত লাশের মতোন ছিলাম , তখনি কি মরেছিলাম অামি ?
সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে  কত মানুষেরা চলে যায় অপ্রেম আঁধারের দিকে।
বেঁচে থাকে , শ্বাস নেয়,
কিন্তু অামার খাওয়াদাওয়া হয়তো বা জোটে কিম্বা জোটে না নিয়মিত,তখনি কি মরে ছিলাম অামি?
শুধু অামার  সুখ বা কাঁন্নাতে আর কারো কিছু যায় আসে না।
বাস্তব সংসারে সব কিছুই চলে অামাকে  বাদ দিয়ে,তখন কি অার অামি বেঁচে ছিলাম?
যখন দুপুরের রোদ্দুর চিলতে জানলার ফাঁক গলে চুপিসাড়ে দেখে,
বিষণ্ণ অামি ম্লান হেসে মুখে তুলে নিচ্ছি সামান্য ভাত অার  অামার থালাটার এক কোণে কুণ্ঠিত হয়ে পড়ে শুনো মরিচ অার পেয়াজ। তখনও কি অামি বেঁচে ছিলাম?
অামি যখন একমনে কেবলি মৃত্ত্যু কামণা করছি , 
সময় বলে,
এই তো হয়েই এলো,
দিন পড়ে আছে আর কটা হাতে গোনা।
সত্যি কি দিন আছে? 
তখনও কি  অামি  মরে নি ?
সমাজের কাছে আজ অার অামাকে  নিয়ে নতুন স্মৃতি তৈরি হয়না,
অামার  স্মৃতিতে নেই নতুন সংযোজন,
বস্তুত অামি আর সমকালে নেই।
তখনও কি অামি মরিনি?
অতীত হাতড়ে চলে সারাদিন মন।
এইবারে ভেবে বলো,
সত্যি অামি মরেছি কখন?

লেখার ধরণঃ গদ্য কবিতা
পোস্টের তারিখঃ ১১-০৭-২০২১</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/23515/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jul 2021 20:35:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x2666;অামি মরেছি কখন&#x2666;<br />
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন<br />
***********************</p>
<p>অমি ঠিক কখন মরেছি ?<br />
ঘন্টা দুয়েক অাগে,ঠিক যখন ডাক্তার হাতের নাড়ী পরীক্ষা করে দেখবে? তখন?<br />
নাকি অামি যখন শেষবারের মতোন শ্বাস টেনে দুই চোখ চিরতরে স্থির করবো , তখন?<br />
নাকি ডাক্তার যে সময় মাথা নেড়ে বলবে,&#8221;অার কিছু করার নেই&#8221;, তখন?<br />
এগুলো সবি অামার প্রকৃত মুত্তুর সময়ের কথা।<br />
কিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-23515"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/23515/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0b8dbabfe69074fffa5d0d83ae861510</guid>
				<title>Mohammad Zahid Hossain Thakur changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/23514/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jul 2021 20:26:49 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">800d9db9be7c3a7328a68bec8df24052</guid>
				<title>&#x2666;কোরবানীর ঈদ&#x2666;
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
**********************-

রোজার ঈদের পরেই অাসে কোরবানীর ঈদ  এটা প্রকৃতির চিরন্তর নিয়ম। আমার মতোন অসুস্থ্য অসহায় মানুষের  জীবনে কোরবানীর ঈদ আসে তার প্রচন্ড তান্ডব নিয়ে। আমার জীবন চলার সময় যখন নুন আন্তে পান্তা ফুরোয় তখন যেন কোরবানীর ঈদের খড়তাপ আরো জ্বালীয়ে দেয় আমার জীবনটাকে। 

সাধারন নিম্নমানের জীবন আমার ,এখানে আমি যেন আছি বিধাতার চরম অবহেলায়। 
মনে পড়ে গেল ,কাজী নজরুল ইসলামের কথাটা,
“হে দারিদ্র তুমি মোরে করিয়াছ মহান ”-এই কথার সাথে আমি কোন দিন এক মত হতে পারলাম না । আমি বুঝতে পারি নাই যে তিনি কি দারিদ্রকে কটাক্ষ করে এই কথা বলেছেন নাকি দারিদ্রতাকে সম্মান জানাতে এই কথা বলেছেন ? -আজও বুঝতে পারলাম না।

ধনীরা দরিদ্র লোককে শান্তনা অথবা গরীব নিজে নিজেকে শান্তনা দেয়ার জন্য অনেক সময় এই শান্তনাবানী উচ্চারন করে থাকে কি না?

আমি আমার দারিদ্রতাকে সবসময়ই ভয় পাই, দারিদ্রতাকে কখনো সম্মান করিনি কারণ এই সময়ে দারিদ্রতাকে একটি অভিশাপ হিসেবে দেখা হয় । দারিদ্রতা আমাকে কখনোই মহান করেনি ।

দারিদ্রতা আমাকে দিয়েছে ক্ষুধার জ্বালা, ঘৃণা, অপমান । 

দারিদ্রতা আমাকে বানিয়েছে পরজীবি প্রাণী । 
দারিদ্রতা আমাকে শিখিয়েছে দিনের পর দিন নিজের সাথে নিজেকে অাপোশ করতে । 
কোন এক লেখক একবার বলে ছিলেন ( নামটা বর্তমানে মনে করতে পারছি না ) “ দারিদ্রতা হলো এমন একটি জিনিস যে খানে আপনি খেতে পারবেন কিন্তু খাওয়ার স্বাদ পাবেন না” । 

এমনি নানা বাস্তবতা মনের মাঝে ভীড় করছে,আর নিজেরে অজান্তে মনের মাঝে উকি দিচ্ছে নানা প্রশ্ন।

“সবার জীবনে সব ইচ্ছাগুলো পূরন হয়না। ভাগ্য থাকা লাগে।

আচ্ছা দরিদ্রদের  ভাগ্য কি খুব খারাপ ? 
দদরিদ্ররা  কি স্বপ্ন দেখতে পারেনা ? 
নাকি তাদের স্বপ্ন দেখা উচিত নয়  ?” 
আমি জানি এসবের কোন উওর কারো কাছে নেই।
নেই আমার কাছেও। 
নেই সেই নিষ্ঠুর দারিদ্রতার কাছেও। 

আস্তে আস্তে শরীরটা কেমন যেন ঘেমে উঠছে। দুদিন পরেই কোরবানীর ঈদ , কোরবানীর ঈদের নিয়মে কদিন ধরেই চলছে পশু কেনা বেচার মহা এক মেলা।
গরুর মাংসের স্বাদ যেন কোরবানীর ঈদের একমাত্র অলিখীত আবশ্যকীয় খাবার।

সারাটা দিন নানা পরিশ্রম করেও নিজেরে আর সংসারের সমান্য চাহিদাও পূরন করতে পারছি না। 

দুটি পা যেন আজও স্বাক্ষ্য দিচ্ছে অনেক অজানা পথ প্ররিক্রমার।নিজেরে জীবনে আজও কোরবানীর ঈদের কোন উপলক্ষ্য অনুভব করতে পারি নাই। 

কালের প্ররিক্রমায় সময় বয়ে যেতে থাকে আমার জীবনেও আসে দুটো কন্যা সন্তান । 

আজ ওরা দেখতে দেখতে বেশ বড় হয়ে গেছে। আজ ওরা প্রতিনিয়তেই শিখছে সমাজের নানা অভিলাশী আনুষ্ঠিকতা। 

ক্লান্ত এ মরা শরীরটা নিয়ে  কাল রাতে যখন বাসায় ফিরলাম আমার ছোট মেয়ে সে সময় হাতে পানি নিয়ে আসলো আমার সামনে।
আস্তে আস্তে আমাকে বল্ল,
&quot;বাবা আমাকে তো নতুন কোন কিছু কিনে দিলে না, নতুন চুড়ি আর সাজার জিনিস এনে দিবে না ? 
আর হ্যা এবার কিন্তু কোরবানীর গরু কিনতে হবে।&quot; 

আমি অপলক দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে ছিলাম,কিছুই বলতে পারছিলাম না ওকে। তবে অনুভব করেছিলাম চোখ থেকে ঝড়ে পড়া দুফোটা চোখের জল।

আজ বিকেলের পরে গেলাম ওর জন্য কিছু কিনতে ,কিন্তু বিধিবাম এ যে আমার সাধ্যের অনেক বাইরে।শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম কোরবানীর ঈদেও কি অদ্ভুত রকমের ভীড় সব জায়গায়, কিছুই করার নেই আমার। 

সামান্য  আয় অার অসুস্থ্যতা যেন আজ আমার জীবনের বড় বাধা। ভাবছি বিধাতা প্রদত্ব ভাগ্য কে, সব যোগ্যতা থাকার পরেও কেবল শুপারিশের অভাবে আমার আজকের এ জীবন।

সামনে পড়লো কোরবানী ঈদের বিশাল হাট  সবাই কেমন যেন দাম না করেই কেবলি কিনছে। আমি পারলাম না ,শুধুই দেখে এলাম। আবারো হাটছি ,দেখছি নানা সাজে সেজেছে তারকা হোটেল গুলো।তারকা হোটেলে কোন দিন যাওয়া হয় নাই,এটাও যে আমার সাধ্যের অতীত।পাশ দিয়ে হাটছিলাম হঠাৎ কে একজন যেন দড়জা খুলে বের হলো আর তার সাথে আমার গায়ে লাগলো হীম শীতল কিছু হাওয়া।মূহুতেই শীতলতায় ছেয়ে গেলো আমার উত্তাপ্ত শরীর।মনে হলো জীবনের জন্য এটায় হয়তো উপযুক্ত জায়গা!

বুকের অপারেশনের পুরানো ব্যাথাটা কেমন যেন মাথা চাড়া দিতে চাচ্ছে,তবুও হাটছি আর হাটছি ,পা গুলো আর চলতে চায়ছে না ।

ল্যাম্পপোষ্টের মৃদু আলোতে দেখলাম রাত প্রায় ১১ টা পেরিয়ে গেছে। যেতে হবে আপন ঠিকানায়। 

অনেক টা বিধ্বস্ত শরীর নিয়ে গেলাম বাড়ীতে। ঘড়ে ঢুকতেই ছোট মেয়েটা কাছে আসলো ,আমার দিকে তাকালো আর কিছু বলল না,
ওর ছল ছল চোখ আর কোরবানীর ঈদের স্বপ্ন ভংগের ব্যাথাটা যে কতটা আমার বুকে লাগলো তা হয়তো মেয়েটা বুঝতেও পারলো। 
নিজেকে আর সামলাতে পালাম না ,অসর হয়ে আসছে আমার সারা শরীর,চারিদিকে কেমন যেন ঝাপসা লাগছে। হঠাৎ শুয়ে পড়লাম । 

ছোট মেয়েটা কাছে এলো মাথায় হতে রাখলো আর বলল, 
&quot;বাবা আমার তো আগের অনেক জামা কাপড় অাছে , ওটা না হয় ঈদের দিন  পরবো। 
বাবা আমার না আবার এ্যালাজি হয়েছে গরুর মাংস খাব না,তোমার তো হার্টে অসুখ তুমিও গরুর মাংস খেও না। &quot;
ওর কথা গুলো যেন সমস্ত পৃথিবী তোলপাড় করে আমার কানে বাজতে থাকলো। 

আস্তে আস্তে অার চোখ দুঠো ভাড়ী হতে লাগলো, কেমন যেন নিজের শরীরটা হালকা হতে লাগলো। বুঝতে বাকি রইলো না সামনে কি হতে যাচ্ছে। তবুও প্রাণ পনে চাইছি কোরবানীর ঈদ অাসুক ,কোরবানীর পশুর রক্তে ধুয়ে যাক সকলের মনের সব অহমিকা। দূর হয়ে যাক সমাজ থেকে ধনী অার দরিদ্রের ব্যবধান। সাজুক আমার মেয়ে পুরনো কাপড় দিয়ে ঈদের দিনের নতুন সাজে।
 

লেখার ধরণঃ- ছোট গল্প
পোস্টের তারিখঃ-১৭-০৭-২০২১</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/23513/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jul 2021 20:17:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x2666;কোরবানীর ঈদ&#x2666;<br />
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন<br />
**********************-</p>
<p>রোজার ঈদের পরেই অাসে কোরবানীর ঈদ  এটা প্রকৃতির চিরন্তর নিয়ম। আমার মতোন অসুস্থ্য অসহায় মানুষের  জীবনে কোরবানীর ঈদ আসে তার প্রচন্ড তান্ডব নিয়ে। আমার জীবন চলার সময় যখন নুন আন্তে পান্তা ফুরোয় তখন যেন কোরবানীর ঈদের খড়তাপ আরো জ্বালীয়ে দেয় আমার জীবনটাকে। </p>
<p>সাধারন নিম্নমানের জীবন আমার ,এখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-23513"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/23513/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f15a6475d9e3d19bac7c62f1c93089be</guid>
				<title>Mohammad Zahid Hossain Thakur and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/23511/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jul 2021 20:14:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f15a6475d9e3d19bac7c62f1c93089be</guid>
				<title>Mohammad Zahid Hossain Thakur and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/23510/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jul 2021 20:14:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f15a6475d9e3d19bac7c62f1c93089be</guid>
				<title>Mohammad Zahid Hossain Thakur and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/23509/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jul 2021 20:14:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f15a6475d9e3d19bac7c62f1c93089be</guid>
				<title>Mohammad Zahid Hossain Thakur and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/23508/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jul 2021 20:14:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>