বুনে রাখা তরাই
আমার বড়বেলা
নির্দিষ্ট কোন তারিখ লিখবো না
আর এই গত’র খেলায় মাটি জানালো
সামান্য অভিমান
আদর্শ ইস্কুল আজ না কথায় ডুবে আছে
মেঘের ফাঁক দিয়ে চলে যায় হারানো চারণ
নেমে এলো জিভের অভ্যাস
শুকনো পাতারাই শুধু থাক মুখের চারপাশে
মাড়াতে মাড়াতে খোদাই হোক আলগা
হাঁটার একফালি ফেনা নেমে আসুক
নতুন ছায়ার ওপর
মায়ের কোল ছেড়ে
বুনে রাখা তরাই
মুখোমুখি বসে যাবার সেই যে আনন্দ
তাদের জ্বালালে
খামারবাড়িতে আজ ভেসে আসা ক্যালেণ্ডার
পার করা প্রত্যেক জুলাই তখন
নরমে সাজিয়ে রাখা ধূসর আমি
তিলক দেওয়ালে
অনায়াসে সূচীতে পত্র দিলাম
ভাঁজ খুলতে খুলতে সুতোর ফিসফিস
আমার কিছুই ছিল না কোনদিন ⠀⠀⠀যেমন তুমিও
বৃষ্টি ও তামাকের কাছে
ভাঙা শিশির থেকে
একটা অবাক আর
সেই আমাদের ব্যক্তিগত
রাস্তার গন্ধ
যেমন করে লণ্ঠনের চারপাশে বসেছিল গোটা পাহাড়টা
চুমুর আগে পিছে এখন কেউ নেই
বনেট থেকে নেমে গেছে ওলটানো চাঁদেরাও
আমি তোকে জুলাই দিচ্ছি
দেরীতে আসা মেয়েরা শুধু মনে রেখেছে জিন্স
মনে রেখেছে
হঠাৎ চশমার পাশ দিয়ে নেচে উঠবে মনখারাপ
একটা টিপ
আরেকটা সূর্য দেখ,
⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀ঠাণ্ডা জলের ভেতর
⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀আমাদের ভেতর
তাঁতঘর
জন্মদিনের মেয়ে লিখছি
⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀চুমুকে চুমুকে
খুঁটিনাটি সেরে
শীত ফিরে যাচ্ছে নিজের কামরায়
কাল রাতে মায়ের কপাল থেকে
বুদবুদ নেমেছিল
জ্বরের জন্য
অনেক উঁচুতে যার গোপন
নদীতে জল পালানোর ইশারা
আমাদের কোন পোষাক ছিল না
জলেরও ঢেউ দেখিনি গানের আশেপাশে
তবু জন্মদিনের মেয়েই আসছে
উচ্চারণ নিয়ে ⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀সন্ধ্যার জঙ্গলে
প্রকাশিতব্য
ফাঁকের দুখীগুন এই
আঁচ বরাবর
কোন প্রিয় নেই ছাপার জরিমানায়
শাড়ি
তার মর্তে লেগে আছে কোমড়
পালানো নিদাম নিয়ে
স্টেশন রেখে চলে যাওয়া লাইনের দিকে
পুজো পুজো জানালা বসাতে
ভাঙছে
রুমালিরা ভাঙছে তখন শহরের সমস্ত আলো
কাল থেকে আর সকাল হবে না মেঘলাও না
মেজাজ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসবে একটা মাঠ
আরেকটা নিজের ওপর
[কবিতাগুলি কবির ‘গ্রহণ বরাবর’ (এখন বাংলা কবিতার কাগজ, জানুয়ারি ২০১৬) গ্রন্থ থেকে পুনর্মুদ্রিত হলো]
![]()