Profile Photo

Shohag arnobOffline

  • Profile picture of Shohag arnob

    Shohag arnob

    4 years, 1 month ago

    •সূচনায় বিচ্ছেদ
    [লেখক :সোহাগ অর্ণব – ]
    পর্ব :০১

    ‘””হারানো মানুষ ফিরবে না ভেবেও অপেক্ষা করার অনুভূতি কুঁড়ে কুঁড়ে খায় যেভাবে শিকারী বাঘ হরিণকে খায়!!ব্যাপারটা হলো ওই যে হারানো মানুষ পৃথিবীতে একজনই!!তাহলে গল্পের প্রথমে যাওয়া যাক ! দিনটা শীতকাল,কোচিং এ পড়তে বসে হটাৎ নতুন শতাব্দীতে নুতন মানুষের প্রথম দর্শন!তবে তখন ও অনুভূতি জাগ্রত হয়নি! তবে নতুন মানুষের প্রতি সমুদ্র কিছুটা বন্ধুত্বপূর্ন ছিল! সক্ষতা ক্রমে বৃদ্ধি পেতে থাকলো! একদিন সমুদ্র তার বন্ধু তাপসের সঙ্গে কথা বলার মাঝে নতুন মানুষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ করার মতো কান্ড করে বসল!সৌন্দর্য এর বিবৃতি সমুদ্র যেন নিজের অনুভূতি থেকে প্রকাশ করল ! তাপস ও মুগ্ধ হয়ে আকুতি করে অবর্ন কে পেতে চাইলো সমুদ্রর নিকট!!ও বলা হলো না সেই নতুন মানুষটার নাম অবর্ন! চেষ্টা করার কথা বলে সমুদ্র বাসায় ফিরল!পরদিন অবর্ন কে সমুদ্র ব্যাপারটা বলল তাপস আমার বন্ধু ও তোকে ভালোবেসে ফেলেছে!অবর্ন রাজি হল না প্রস্তাবে!কিছু দিন পর অবর্ন নিজেই তাপসের নাম্বার নিল!নাম্বার নেওয়ার পর থেকেই সমুদ্র কেউ হারিয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি পেতে লাগলো!এবং সমুদ্র কিছুদিন কোচিং এ যায় না!ব্যাপারটা অবর্ন কে প্রশ্নবিদ্ধ করল|কিছু দিন পর অবর্ন তাপসের সঙ্গে কথা বলার এক প্রহরে তাপসকে সমুদ্র এর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিতে বলে!তাপস ও সমুদ্রের বাড়ি চলে আসে এবং বলে সমুদ্র অবর্ন তোর সাথে কথা বলবে!যথারীতিতে তারা দুজনে বাইরে গিয়ে তারপর সমুদ্র অবর্ন এর সাথে কথা বলার শুরু করে এবং সূচনায় কুশল বিনিময়!অবর্ন এর কথা তাপস ও সমুদ্র দুজনই লাউড স্পিকার দিয়ে শুনছিলো!এটা অবর্ন জানতো না!কথা বলার এক পর্যয়ে অবর্ন সমুদ্রকে বলে উঠল আমি তোকে ভালোবাসি…….এই কথা সোনা মাত্র ফোনটা সমুদ্রের হাত থেকে পড়ে গেলো এবং হতবাগ দৃষ্টিতে থমকে গেল!তাপস ও পাশে বসে পুরো বেপারটা শুনে মলিন চেহারায় বসে থাকলো!পরদিন কোচিং এ গিয়ে সমুদ্র একটু উত্তেজিত ছিল কি হয়! দূর থেকে চোখে চোখ রাখতেই সমুদ্রের শরীরে কাটা দিতে লাগলো সাথে অতিরিক্ত বুঁকের বাপাশে হার্টবিট দ্বিগুন হতে শুরু হলো! সমুদ্র বাসায় ফিরতে ফিরতে নিজের কাছেই বিভিন্ন প্রশ্নবিদ্ধ!অবর্ন হিন্দু সমুদ্র মুসলিম!
    অবর্ণের বাবার অনেক অর্থ অন্যদিকে সমুদ্র মধ্যেবিত্ত!অনুভূতিকে গলা টিপে মারতে চাইল সমুদ্র!তবু সারারাত সেই অনুভূতির কাছে সব তুচ্ছ মনে হতে লাগলো সমুদ্রের!রাত গড়িয়ে ভোরের পূর্বে ঘটিল নির্বাক প্রহর!যখন অবর্ন নিজের হাত কেটে সমুদ্রকে নিস্তব্ধ করে দিয়েছিলো! দিনশেষে সব হিসাবের অসাদৃশ্য যেন  সমুদ্রকে হারিয়ে ফেলতে লাগলো! উপলদ্ধি করার আগেই সমুদ্র ও প্রমান করতেই চাইলো হাত কেটে! কষ্টকে হারিয়ে দেওয়ার ব্যার্থ প্রচেষ্টা! সত্য অনুভূতি যেমন মরে যায় না!ঠিক তেমনি দুজনের দুর্বলতা প্রকাশ পেলো!শেষমেশ প্রেম শুরুর প্রহর আসিল!দুর্ভাগ্য এই যে যেন যামেলা পিছু ছাড়ে না! এবার আস্তে আস্তে টের পেতে শুরু করলো স্কলের স্যার আর পরিবারের মানুষগুলি! এমনিতেই ভিন্ন ধর্ম আবার অভিযাত্য যেন ধাওয়া করতে লাগলো! বছর পার করে নতুন বছরে বাস্তবতাও ভিন্ন রূপ নিতে শুরু করেছিল! বিশেষ কিছু ঘটনা ও ঘটেছিল ইতিমধ্যে! একদিন সমুদ্র ক্লাসে স্যার মারতেছিল তখনি ক্লাসের অন্য প্রান্ত হতে অবর্ন দাঁড়িয়ে স্যারকে জিজ্ঞাসা করল স্যার মারলেন ক্যান?? জবাবে স্যার দুজনকেই প্রচুর শাস্তি দিলো!ক্লাস শেষে উভয়ই মৃদু হাসছিলো!হাসির প্রসস্তি না পেরুতেই সেই স্যার অবর্ন বাবা কে ক্লাসের বিস্তারিত বলে দেয়!যার পরিনাম কল্পনা ও করা ছিল না!এমনি একদিন স্কুল মাঠে বসে সমুদ্র কর্দমাক্ত মাঠে ফুটবল খেলছিল এমনি সময় অবর্ন সেখানে হাজির এবং সমুদ্রকে নিয়ে গেল সাথে খেল ও অফ হয়ে গেল!কিছু দিন বাদে সমুদ্রর জন্মদিন অবর্ন কে কখনো এর আগে সমুদ্র স্পর্শ করিনি আর জন্মদিনে টিফিন প্রহরে স্কুলের পাশে এক বাসার পাশে দুজনে সময় কাটাতে কাছে থেকে আরো কাছে যেতে লাগলো!দুজনের ঠোঁটের মাঝে সামান্য অন্তরাল তখনি স্যার এর আগমন!এক দৌড়ে দুজনই ক্লাস রুমে!আবারো সেই স্যার দেখলো যে স্যার ইতিপূর্বে অবর্ণের বাবাকে সম্পর্কের ব্যাপারে অবগত করছিল! কিছু দিন পর অবর্ন সাইকেল কিনল সমুদ্র তাহা শুনে হতবাগ!অব্যশই অবর্ন প্রথম সাইকেল ভ্রমন টা সমুদ্রকে নিয়েই করল! অবর্ন সাইকেল চালাচ্ছে আর সমুদ্র পিছনে বসে ভ্রমনে বের হলো!রাস্তায় সমুদ্রের আব্বুর সঙ্গে দেখা! যদিও অবর্ন সমুদ্রের আব্বুকে চিনতো না! দিনশেষে কাচুমাচু হয়ে বাসায় প্রবেশ করল!

    রাত পার হলো ভোরে সমুদ্রের আব্বু গোপনে ছেলেকে বলতেছিল বাবা মেয়েটা কে? দারুন মিষ্টি তো! সমুদ্র হাতবাক মুখ থেকে কেনো কথা বের হলো না! চুপচাপ আবারো অন্যদিকে কাত হয়ে ঘুমের ভাব করল! এইভাবে কিছু দিন পার হলো! স্কুল খোলা হয় আট টায় তবে কোচিং এর জন্য কিছু শিক্ষার্থী সাত টাইও আসে!তবে অবর্ন আর সমুদ্র কোচিং না করেও সাত টাই স্কুলে আসে! ব্যাপার গুলো ক্রমে জানতে জানতে একপ্রকার ঘোলাটে হতে লাগলো! ইতিমধ্যে ব্যাপারটা নিয়ে অবর্ণের ফ্যামিলি দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলো! হটাৎ একদিন অবর্নর ফ্যামিলি অবর্নকে তার মামা বাড়ি পাঠায় !

    8
    7 Comments
•যে অন্যকে সম্মান করে -আর তাকে খুব সহজে অসম্মান করা যায়।

সোহাগ অর্ণব

সোহাগ অর্ণব -সমুদ্র

আমার হৃদয়ের স্পন্দন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

কবি না একজন লেখক 

Skip to toolbar