-
ডাবের পানির বিশুদ্ধতা নিয়ে কারোরোই কোন দ্বিমত নাই। ডাক্তাররা বলেন ডাবের পানিতে প্রচুর আইরন আছে। যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে ডাবির পানি শরীরের হাড় শক্ত করে ,কিডনী পরিস্কার করে , কয়েক ফোটা ডাবের পানি যদি আপনি চোখে দেন তাহলে চোখের ময়লা যেমন কেটে যাবে তেমনি চোখের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। আবার মুখে দিলেও ত্বক ফর্সা ও মসৃন হয়।
আমার কাছে অবাক লাগে চতুর্দিকের শক্ত খোলশের ভেতরে এ বিশুদ্ধ পানি আসে কোথা থেকে কিভাবে ? কোন প্রযুক্তি দ্বারাইতো এর ভেতরে পানি দেয়া সম্ভব নয় একমাত্র সৃষ্টিকর্তার কৃপা ছাড়া। মানুষকে যদি এ দায়িত্ব দেয়া হতো তাহলে মানুষ কি আসলেই নিখুত ভাবে এ কাজ করতে পারতো ?
তেমনি ভাবে অবাক হই -হাঁস মুরগীর ডিমের কুসুম ও খোলসের কথা ভেবে। যদি আপনি কোন হাঁস মুরগী জবাই করেন তাহলে ডিমের উপরের শক্ত খোলস পেটের ভেতরে কখনও পাবেন না । অথচ ডিম যখন পাড়ে তখন ঠিকই তার উপরে শক্ত আবরণ তৈরি হয়ে যায় । এটাই হয়তো প্রকৃতির লীলা।
ডিমের আকৃতি উপাধান -রং কিংবা একটা আস্ত ডিম কিভাবে মানুষের পুষ্টিমান তৈরি করে -কখনও কি ভেবেছেন এসব নিয়ে। কিভাবে কোন পর্যায়ে গরুর দুধ মানুষের কল্যানে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ? আদো কি মানুষের পক্ষে সম্ভব ছিল এসব তৈরি করা । এজন্যই আল্লাহ সুরা আর রহমানে বলেছেন -বলো -তোমরা আমার কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার কর ?5 Comments
Friends
Balai-Karmokar
@balai-karmokar
Shafi Hoque
@shafi-hoque
শাহারুখ আহমেদ শান্ত
@shaharukh83
Shubha-Jit-Datta
@shubha-jit-datta
Rokail Diluk
@diluk
nomanur-rahman
@nomanur-rahman
রাহুল চন্দ্র দাস
@rahulchandradas13011994gmail-com
Md-Maruf-Hasan
@md-maruf-hasan
ফারজানা সুলতানা সুরভী
@oddeven



আলহামদুলিল্লাহ! খুবই সুন্দর বিষয়গুলোর অবতারণা করেছেন। স্রষ্ঠার সৃষ্টিকে মানুষ কি করে অস্বীকার করবে? সেতো নিজেই মহানের সৃষ্টি!