Profile Photo

mahamuda khaunOffline

  • mahamuda
  • Profile picture of mahamuda khaun

    mahamuda khaun

    3 years, 10 months ago

    পোড়োবাড়ির_রহস্য
    পর্ব_বারো
    তালহা অবাক চোখে তাকিয়ে বলল, কাইয়ুম চৌধুরীর সাথেও দেখা করে আসলি? তোরা দেখি আমার থেকে এক ধাপ এগিয়ে আছিস।
    আপাতত উনি অন্য একটা কেস নিয়ে ব্যস্ত। তাই এই ব্যাপারটা নিয়ে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কিন্তু উনার সহকারী খায়রুল আলমের এই ব্যাপারে খুব আগ্রহ। সব রকম গোয়েন্দা কাজে ওকে নেন না উনি। খায়রুলের গোয়েন্দা হওয়ার ইচ্ছা। তাইতো বাহবা পাওয়ার জন্য পোড়োবাড়ির কাছে গিয়েছিল। তারপর আমাদের পেয়ে ওদের মনে হয়েছিল সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে। কিন্তু পরে যখন আমাদের আসল পরিচয় জানলো তখন মুখের অবস্থা যা হয়েছিলো না! বলেই হেসে দিল যায়িদ। হাসতে হাসতেই বললো, আমাদের যখন ধরেছে তখন মনে হচ্ছিল যেন কতো বড় গোয়েন্দা এসেছে……………কিন্তু অফিসে গিয়ে দেখলাম একদম ভিজে বিড়াল।
    কাইয়ুম চৌধুরীকে কেমন লেগেছে? ভাব গাম্ভীর্য বজায় রেখে তালহা বলল।
    মানুষটাকে বেশ লেগেছে আমার। উনি আমাদেরকে উনার সাহায্য লাগলে বলতে বলেছে। সাধ্যমত সাহায্য করার চেষ্টা করবেন। তবে আমি মনে করি কারো সাহায্য ছাড়াই আমাদের কাজ করা উচিৎ। তুই কি বলিস তালহা? আমাদের কারোর সাহায্য নেওয়া উচিৎ?
    তাতো অবশ্যই না। দৃড়তার সাথে যায়িদের প্রশ্নের উত্তর দিলো তালহা। একটু থেমে বলল, আমার কি মনে হয় জানিস?
    খাইয়রুলের কথা মনে করে যায়িদ আর মুসায়েব দুজনেই খুব হাসছিল, তালহার প্রশ্ন শুনে ওর দিকে তাকালো। অবাক হয়ে দুজনেই একসাথে জিজ্ঞাসা করলো কি মনে হয়?
    আমাকে যারা ধরে নিয়ে গেছে তাদের সাথে এই বাড়িটার কোন যোগসাজশ আছে। নইলে আমাকে ধরে নিয়ে যাবেই বা কেন? সেদিন আমরা যখন ঐ বাড়িতে ঢুকেছিলাম তখন ওরাও ওখানে ছিল। ওরা আমাদেরকে চোখে চোখে রাখছিল। আমি শিওর ঐ ভূতুড়ে শব্দ আর দম বন্ধ হয়ে যাওয়া গন্ধগুলো ওদেরই তৈরি। এসব শব্দ আর গন্ধের কারণে বেশিরভাগ মানুষ ভেতরে ঢোকার সাহস হারিয়ে ফেলে যেমনটি আমরা প্রথমদিন করেছিলাম। সেদিন আমি ভেতরে ঢোকার সাথে সাথে কেউ একজন আমাকে আঘাত করে এবং আমার মনে হচ্ছে সে আমার নাকে কিছু একটা শুকিয়ে আমাকে চেতনাহীন করে ফেলে। তারপর তাদের আস্তানায় নিয়ে যায়।
    যায়িদ বলল, তাহলে আমরা ওখানে গেলেইতো ওদের ধরে ফেলতে পারি।
    মুসায়েব বলল, কিন্তু ঐ ঠিকানাটাইতো জানেনা তালহা।
    কেন তালহা বললোনা ও চোখের কাপড়টা একটু ফাঁক করে দেখেছে জায়গাটা শৈলকূপা। আবার ওর সাথে আসা হাশমতও বলেছে ওকে যেখান থেকে উঠানো হয়েছে সেটাও শৈলকূপা। অতএব আমাদের আপাতত পোড়োবাড়ি না গিয়ে শৈলকূপায় যাওয়া উচিৎ।
    জায়িদের কথাটা শুনে মুসায়েব বলল, কি! স্বাভাবিকের থেকে একটু জোরেই বলল কথাটা। তালহা তো ভালো করে ঠিকানাই জানেনা। তাছাড়া চোখও বন্ধ ছিল। ওখানে গিয়ে কি আমরা অন্ধের মত হাতড়াবো?
    বুদ্ধু গোয়েন্দাগিরি করতে গেলে ছোট খাটো ক্লু নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তোমাকে মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হবে। শৈলকূপা নিশ্চয় খুব বড় কোন জায়গা না যেখানে দশ বারোটা ঘন জঙ্গল থাকবে। তুই কি বলিস তালহা?
    তালহার নানুবাড়ি দুইটা পেপার রাখে। একটা লোকাল পত্রিকা আর অন্যটি জাতীয়। ঝিনেদার লোক্যাল পত্রিকা পড়তে পড়তে কথা বলছিলো তালহা। হঠাৎ লোকাল পত্রিকাটায় একটা খবরে চোখ আঁটকে যায় ওর। যায়িদের প্রশ্নের উত্তরে বলল, তাতো বটেই। আপাতত ঐ আলোচনা বাদ দিয়ে আমি একটা খবর পড়বো সেটা মনযোগ দিয়ে শুনবি। তারপর, বন্ধুদের শুনিয়ে জোরে জোরে খবরটা পড়া শুরু করলো তালহা।
    ঝিনেদায় আবারও স্কুল থেকে বাচ্চা উধাও। আনন্দ বিদ্যাপীঠ থেকে বিভিন্ন ক্লাস মিলে দশ জন ছেলে মেয়ে অপহৃত হয়েছে। দীর্ঘ দুই বছর পর আবার ঘটনাটা ঘটলো। এর আগের অপহরণগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে প্রতি দুই বছর পর পর বিভিন্ন স্কুলে এই অপহরণের ঘটনা গটে। এই ঘটনা যে ঝিনেদা জেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ তা কিন্তু না। সারা বাংলাদেশ জুড়েই ঘটনাটা ঘটছে। তবে ঝিনেদার আশেপাশের শহরগুলোতে ঘটনাটা বেশি ঘটতে দেখা যায়। একটা অপহরণের সাথে অন্যটার যোগসূত্র আছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে তাও এখনও জানা যায়নি।
    খবরটা থেকে মুখ তুলে বন্ধুদের দিকে তাকালো তালহা। যায়িদের উদ্দেশে বলল, ল্যাপটপটা চালু কর। তারপর বিগত দশ বছরের অপহরণের উপর একটা প্রতিবেদন তৈরি কর। আপাতত এটাই তোর কাজ। কাজটা খুব মনযোগের সাথে করতে হবে। এই ফাঁকে আমি আর মুসায়েব একটু আনন্দ স্কুল থেকে ঢুঁ মেরে আসি।
    যায়িদ কম্পিউটারটা নিয়ে বসে গেলো। তালহা আর মুসায়েব আনন্দ স্কুলে যাবে। বের হওয়ার আগে নেট ঘেটে স্কুলটা সম্পর্কে তথ্য জেনে নিলো তালহা।
    কেন? এ ব্যাপারে তথ্য নিতে হবে কেন? এখন পোড়োবাড়ি বাদ দিয়ে আবার নতুন কেস নিয়ে এগোতে চাস নাকি? উৎকণ্ঠার সাথে বলল মুসায়েব।
    আরে না। এ ধরণের অপহরণের কেসগুলো থেকে দেখা গেছে যারা এ কাজে যুক্ত তারা এসব পুরানো বাড়িগুলোকে তাদের আস্তানা হিশাবে ব্যবহার করে। তাই বলে আমি বলছিনা এক্ষেত্রেও তেমনটা হয়েছে। কিন্তু উপেক্ষাও করতে পারছিনা। চল বেরিয়ে পড়ি।
    ঝিনেদা শহরের প্রাণকেন্দ্রে স্কুলটা অবস্থিত। বেশ পুরানো স্কুল। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শোনা যায় এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা একজন মুক্তিযোদ্ধ ছিলেন। সদ্য স্বাধীন দেশের মানুষের মধ্যে শিক্ষার শিখা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বদিউজ্জামান তার পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি সম্পূর্ণটাই স্কুলের জন্য দান করে দেন। ঠিকানাটা নিয়ে স্কুলের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লো। বাড়ির গাড়িটা নিয়েই রওনা হলো তারা দুজন। খুব বেশি সময় লাগলোনা। ২০ মিনিটেই পৌঁছে গেলো। অনেক পুরানো হলেও স্কুলটা তার আভিজাত্য ধরে রেখেছে। প্রধান ফটকটা দেখে রীতিমত অবাক তারা দুজন। সাধারণের তুলনায় বেশ চওড়া ফটকটা। ফটকের বাইরের দিকে একটা টুলের দারোয়ান বসে আছে। লোকটার হাতে একটা মোট লাঠি শোভা পাচ্ছে। তালহারা ভেতরে ঢুকতে চাইলে নাকের নিচের বাহারি গোঁফে হাত বোলাতে বোলাতে বলল, কি চাই?
    প্রধান শিক্ষিকার সাথে দেখা করতে চাই? ঝাঁঝালো কণ্ঠে বললো মুসায়েব।
    এখনতো দেখা হবেনা। খবর জানোনা? গতকাল এই স্কুল থেকে ১০ জন ছেলেমেয়ে অপহৃত হয়েছে। ম্যাডাম তাদের অভিভাবকদের সাথে মিটিং এ আছেন। আজকে আর দেখা হবেনা।
    অপহৃত হল কীভাবে? ওদের অভিভাবকরা ওদের নিতে আসেনা? মুসায়েব জিজ্ঞাসা করলো।
    আপনি অভিভাবক দেখে বাচ্চা বের করেন নি? মুসায়েবের সাথে তালহাও যোগ করলো প্রশ্নটা।
    ছুটির সময় এতো এতো বাচ্চা বের হয়, সবাইকে দেখে দেখে বের করানো কেমন করে সম্ভব?
    এসব বলে,…………………………।
    আচ্ছা ঠিক আছে আমরা ভেতরে গিয়ে অপেক্ষা করি। উনি ফ্রি হলে নাহয় কথা বলবো। মুসায়েব কিছু একটা বলা শুরু করতে যাচ্ছিলো, ওকে থামিয়ে দিয়ে কথাটা বললো তালহা।
    লোকটা কিছু বলছেনা দেখে লোকটাকে একপ্রকার পাত্তা না দিয়ে ওরা ভেতরে ঢুকে পড়লো। আজকে স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী আসেনি। গতকালের ঘটনার কারণে আজকে স্কুল বন্ধ দেয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষিকার সাথে অভিভাবকদের মিটিং চলছে। মাঝে মাঝে বেশ উত্তেজনাপূর্ণ বাক্য শোনা যাচ্ছে। টানা এক ঘণ্টা মিটিং এর পর অভিভাবকরা বিরস বদনে বের হয়ে আসে। এই এক ঘণ্টা তালহারা স্কুলটা ঘুরে ঘুরে দেখেছে। প্রায় ১০০ একর জমির উপর স্কুল ভবনটা দাঁড়িয়ে আছে। সম্পূর্ণ স্কুলের চারিদিকটা নানারকম গাছগাছালিতে ভরপুর। স্কুল ভবনের দুইপাশ জুড়ে আছে দুইটা চওড়া খেলার মাঠ। টি-শেপের স্কুল ভবনটা নিচতলার ডানপাশটায় বিশাল অডিটরিয়াম। অডিটরিয়ামটা স্টেডিয়ামের আদলে করা হয়েছে। অডিটরিয়ামের ভেতরে ঢুকে পড়লো ওরা দুজন। গত সপ্তাহে হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যানার এখনও দেওয়ালে শোভা পাচ্ছে। ছাদ থেকে গুচ্ছ গুচ্ছ বেলুন ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেগুলো এখনও তেমনভাবেই আছে। অবশ্য বেলুনগুলো চুপসে যাচ্ছে। বেঞ্চগুলোও ওলোট পালোট হয়ে আছে। অডিটরিয়াম থেকে বেরিয়ে আসলো ওরা। ততক্ষণে মিটিং শেষ হয়ে গেছে। তালহারা অফিস ভবনের সামনে দাঁড়ালো।
    এখন আমাদের মূল কাজ পুলিশ স্টেশন যাওয়া। স্কুলের নামে জিডি করে আসতে হবে। কথাগুলো বলতে বলতে ওদের সামনে দিয়ে অভিভাবকরা বের হয়ে গেলেন।
    তালহারা প্রধান শিক্ষিকার রুমের দিকে এগোলে পিয়ন দ্বারা বাধাগ্রস্থ হয়। তালহা পকেট থেকে কার্ড বের করে দেখালে বড় চোখে তাকিয়ে বলল, গোয়েন্দা! এইবার তোমরা পালাবে কোথায়? আসেন আসেন, ম্যাডাম আপনাদের আসতে বলছে না?
    তালহারা কিছু না বলে মুচকি হাসি দিয়ে বলল, আমরা উনার সাথে কথা বলবো। ঢুকতে পারি?
    হ্যা হ্যা ঢোকেন।
    অনুমতি পেয়ে কালক্ষেপণ না করে প্রধান শিক্ষিকার রুমের সামনে এসে দাঁড়ালো তালহারা। জামিলা আক্তার, দরজার উপর লাগানো নেমপ্লেটে লেখা নামটার দিকে তাকিয়ে একটু শব্দ করে পড়লো মুসায়েব। তালহাও চট করে নামটা দেখে নিলো। দরজা জুড়ে লাগানো ভারি পর্দাটা সরিয়ে বলল, ম্যাডাম আসতে পারি?
    কিচু একটা ভাবছিলেন জামিলা আক্তার। তালহার কন্ঠ শুনে দরতজার দিকে তাকালেন। চোখে -মুখে বিস্ময় নিয়ে বললেন, আসুন । তারপর কি মনে করে আবার ওদের দিকে তাকালো। ততোক্ষণে ওরা টেবিলের অন্যপাশে মুখোমুখি রাখা চেয়ারগুলোতে বসে পড়লো। মিসেস জামিলা চোখের চশমা নেড়েচেড়ে বললো কোন ক্লাসের ছাত্র তোমরা?
    আমরা এই স্কুলে পড়িনা, বিনয়ের সূরে বলল তালহা। আমরা গোয়েন্দা। বলতে পারেন খুদে গোয়েন্দা। আজকের পত্রিকায় সংবাদটা পড়ে কৌতূহল ধরে রাখতে না পেরে খোঁজ নিতে আসলাম।
    গোয়েন্দা! ও! তা বল তোমদের কি জানার কৌতূহল জেগেছে?
    গতকালের অপহরনের ঘটনাটা সম্পর্কে একটু জানতে চাই।
    ঘটনাটা সবাই যা জানে আমিও তাই জানি।
    আচ্ছা পত্রিকায় পড়লাম মোট দশ জন বাচ্চা অপহৃত হয়েছে। আমাকে যদি কোন সংখ্যা জানাতেন? অর্থাৎ কোন ক্লাসের কয়টা বাচ্চা মিসিং হয়েছে।
    মিসেস জামিলা একটা কাগজ এগিয়ে দিলো তালহার দিকে।
    তালহা কাগজটা নিয়ে সেখানে চোখ বুলিয়ে দেখলো বড় যে চারজন শিক্ষার্থী অপহৃত হয়েছে তারা সবাই ছাত্রী। নবম শ্রেণির একজন আর দশম শ্রেণির তিনজন। বাকি ছয়জনের মধ্য দুইজন মেয়ে ও চারজন ছেলে। এর মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির দুইজন মেয়ে দুইজন ছেলে এবং তৃতীয় শ্রেণির দুইজন ছেলে।
    মুসায়েব বলল, এই হিশাবে দিয়ে কি কোন কাজ হবে?
    তালহা বলল, গোয়েন্দা কাজে কোন কিছুঁই ফেলনা না। তারপর প্রধান শিক্ষাকাকে উদ্দেশ্য করে বলল, এরকম ঘটনা কি আপনাদের স্কুলে প্রথম?
    না, প্রথম না। পাচ বছর আগে একবার হয়েছিলো।
    ও আচ্ছা আপনাদের এখানে কয়দিন আগে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে না? অনুষ্ঠান না ঠিক, একটা কনসার্ট অনুষ্ঠান। রক শিল্পী গোষ্ঠীদের আয়োজনে অনুষ্ঠানটা হয়েছে। প্রতি বছর এই সময় ওরা কোন না কোন স্কুলে কনসার্টের আয়োজন করে।
    এবারের আগে কি ওরা আর কখনোও আপনাদের এখানে কনসার্টের আয়োজন করেছে?
    হ্যা প্রথম আমাদের স্কুলেই করে ২০০৭ এর দিকে।
    তালহা এবের বিজ্ঞের মত করে বলল, মোট দুইবার কনসার্ট করেছে তাইনা? এর আগেরবারও কি রক শিল্পী গোষ্ঠি ছিলো?
    সেটাতো মনে নেই।
    আপনি বলছিলেন, এর আগে একবার বাচ্চা মিসিং হয়েছে সেটা কত সালের ঘটনা?
    সেটা কি আর মনে আছে?
    মুসায়েব ভ্রু কুঁচকে বলল, কেন থানায় জি ডি করেননি?
    হ্যা করা হয়েছিলো।
    সেই জিডির কাগজটা দেখে আমাকে বলেন। আচ্ছা দরকার নেই আমি সার্চ দিয়ে বের করছি।

    কিছুক্ষণ পর তালহা বলল, দূর্ভাগ্যক্রমে অপহরণের ঘটনাটা ঐ সালেই ঘটেছে। আমাকে আর একটা তথ্য দিতে পারবেন? আগের কথার রেশ ধরে তালহা বলল।
    কি তথ্য?
    প্রথমবার অপহৃত সব বাচ্চাকে ফিরে পাওয়া গেছে কি? কতদিন পরে পাওয়া গেছে? প্রথমবার আর এবার এই দুইবার যারা অপহৃত হয়েছে আর্থিকভাবে তারা কি স্বচ্ছল?
    এই স্কুলে যারা পড়ে তারা সবাই স্বচ্ছল পরিবারেরই। তালহার প্রশ্নের উত্তরে বলল মিসেস জামিলা।
    যারা অপহৃত হয়েছে তাদের সব তথ্য আমার দরকার। দয়া করে যদি দিতেন।
    মিসেস জামিলা বললেন, তাহলে তোমরা কালকে এসো। আমি তৈরি করে রাখবো।
    ঠিক আছে বলে তালহারা বের হয়ে গেলো।
    চলবে

    10
    3 Comments
Skip to toolbar