Profile Photo

Syed sazzad HossainOffline

  • S-S-Hossain
  • Profile picture of Syed sazzad Hossain

    Syed sazzad Hossain

    3 years, 8 months ago

    তুই মোর হোহপানা

    একটি চাকমা ও বাঙালির অবাধ প্রেমের কাহিনী।

    লেখক পরিচিতি: সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন ‌১৯৮৭ সালে বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের বাগেরহাট জেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের, সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার বাবার চাকুরী সুবাদে শৈশব ও কৈশোর কাটিয়েছেন চট্টগ্রামে। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম ইপিজেডে একটি পোশাক শিল্প কারখানায় কর্মরত আছেন।

    পর্ব ০১
    ২৭ শে মার্চ রোজ রবিবার। সুন্দর একটি সকালের সুর্য দেখে সাব্বীরের ঘুম ভাঙল। রাতে সাব্বীরের ঘুমটাও ভাল হয়েছে, কারণ গতরাতে সুখি সাব্বীরকে ফোন করে ওদের অফিসে চাকরীর জন্য যাওয়ার কথা বলেছে। দীর্ঘ দুই মাস যাবৎ ওর চাকরি নাই, খুব চিন্তিত ছিল। একার উপার্জনের উপর চালাতে হয় পুরো সংসার। ছেলে বউ নিয়ে এই বাজারে চলাই মুশকিল। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ ভালোই চলছে সংসার। যাই হোক অনেক দিন পর চাকরীর খবর পেয়ে সাব্বীর যেন একটু সস্তি পেল। সাব্বীরের স্ত্রী ‌সাব্বীরের সব কাগজ পত্র‌গুছিয়ে ‌ওকে ‌তাড়া দিতে লাগল। সকালের নাস্তা সেরে স্ত্রীর গালে আলতো চুমু দিয়ে সাব্বীর ‌চাকরীর ইন্টারভিউ দিতে বেরিয়ে পড়লো। RSB INDUSTRIAL LTD এর সামনে‌ এসে সাব্বীর দাঁড়ালো,‌সুখি ওকে বলেছিল সকাল সাড়ে সাতটায় অফিসের গেটে এসে দাঁড়াতে। ওর একটু দেরি হয়ে গেল আসতে। খুব নার্ভাস ফিল করছে ও। অনেকক্ষণ হয়ে গেছে কেউ ওকে নিতে গেটে আসছেনা। সুখি কে কয়েকবার কল করা হয়েছে, সুখি শুধু বলে দাড়াও লোক যাবে তোমাকে আনতে। সাব্বীর অফিসের গেটে অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছে, প্রায় ৪৫ মিনিট পর ইমদাদুল নামের একজন এসে ওকে অফিসের ভিতরে নিয়ে HRD বিভাগে বুঝিয়ে দিল। ওনারা ওর কাগজ পত্র চেক করে RSB এর চতুর্থ তালায় পাঠিয়ে দিল। সাব্বীর ‌হাটছে আর ভাবছে, অফিসটা মনে হয় আগের অফিসের তুলনায় ভালো হবে। সুখির কাছে শুনেছিল অফিসে ওভার টাইম কম কিন্তু নিয়ম কানুন নাকি খুব ভালো। দেখলে?? সেই কখন থেকে সুখি, সুখি করছি, সুখির পরিচয়টাও দেওয়া হয় নি। সুখি একটি চাকমা মেয়ে। সুখি আর সাব্বীর অনেক দিন HUMPAL RE LTD এ একসাথে চাকরি করেছে। মেয়েটা খুব ভালো বন্ধুও সাব্বীরের। পরিচয়টা পেয়ে গেলে? তো আবার শুরু করি তুই মোর হোসপানা। সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে সাব্বীর ৪ তলায় পৌঁছে গেছে। ওখানে গিয়ে যে লোকটা ওকে গেট থেকে রিসিভ করেছে, মানে ইমদাদুল ভাইয়ের সাথে গিয়ে দেখা করলো। ওয়াও অফিসের ফ্লোর গুলি খুব সুন্দর। প্রতিটা ফ্লোরে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। সাব্বীর ওর ফাইলটা ইমদাদুল ভাইয়ের হাতে দিয়ে একটি টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। লাইন নংH3। দুপুর ১২ টা পর্যন্ত কাজ করলো সাব্বীর। ইমদাদ ভাই ওর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল কি ভাই কাজ ভাল লাগছে, পারবেন তো? সাব্বীর বলল জ্বী ভাই। ওর কথা শুনে ইমদাদ ভাই বলল ঠিক আছে অনেক কাজ করেছেন এখন চলেন ‌আপনার বেতন ঠিক করার জন্য কোয়ালিটি ম্যানেজার এর কাছে যেতে হবে। সাব্বীর বলল ভাই আমার ফাইল? ইমদাদ ভাই বলল আসেন আমার সাথে। সাব্বীর ইমদাদ ভাইয়ের পিছন পিছন চলল। ইমদাদ ভাই একটি চাকমা মেয়ের সামনে গিয়ে বলল তোমার কাছে যে ফাইল টা রেখেছি ওইটা দাও তো। মেয়েটা সাব্বীর এর ফাইল ইমদাদ ভাই এর হাতে তুলে দিল। এর পর ইমদাদ আর সাব্বীর ম্যানেজারের কাছে চলে গেল। চলবে…………

    7
    2 Comments

Friends

Profile Photo
Humayun Kabir Surjo
@humayunkabir-surjo
Profile Photo
Masum-Azad
@masum-azad
Profile Photo
amdadur rahman
@amdadkhan
Profile Photo
Md Amdadur Rahman Khan
@amdadurrahman
Profile Photo
Sihab-Chowdhury
@sihab-chowdhury
Profile Photo
S M Mahboob Hassan
@smmahboobhassangmail-com
Profile Photo
Mustari-Tarannum
@mustari-tarannum
Profile Photo
Rafeu-Sarkar
@rafeu-sarkar
Skip to toolbar