Profile Photo

রাহুল চন্দ্র দাসOffline

  • মার্ক্স আসার পরে অর্থনীতির আলাপ যেমন তাকে বাদ দিয়ে বৈঠক
    জীবনানন্দ বাংলা কবিতা লিখার পর তাকে এড়িয়ে যাওয়া বাঙালি যুবার মুশকিল হয়ে উঠতে দেখি
    ফ্রেডারিক এঙ্গেলসের লেখাগুলো এতো বৈপ্লবিক যে মনোযোগ সহকারে পাঠে বিরক্তি আসে না কোনকালে।
    তেমন লেখা তো আমি পারবো না।
    কিছুতেই আয়ত্তে আসে না আমার ছায়ারা।
    গিজার পিরামিড, মায়া সভ্যতার যুদ্ধের দেবতাদের ভাষা
    কোপার্নিকাস, গ্যালিলিওর প্রেসক্রিপশনের হাতের মতো লেখায় অনেক যুগের লিটারেচার আর
    তন্ত্রমন্ত্রের ভাষার মতো প্রোগ্রামিঙের নোটখাতা দেখে
    অধিকন্তু অচিত্রভিত্তিক কিবোর্ডের স্বরলিপিতে এমন ধরি কী করে মহাজীবন?
    সংগীতেও যার রহস্যের কিনারা মেলা দুষ্কর, ভার।
    কী করে ধরি অধুনা জীবনবোধ বৃত্তান্তের মতো?
    দস্তয়ভস্কি কাফকা হেমিংওয়ে বিদ্যাসাগর বাইবেল
    কত কিছুর প্রক্ষিপ্ততা লীন হয়ে আছে এ শতকের
    একজন হৃদয়ের রুদ্ধশ্বাস বায়োবট মাছির তাড়নে।
    সংসারের বয়স তেরো চৌদ্দ বিলিয়ন
    এতো বড় সময় যার সংখ্যার সঙ্কেত থেকে
    কল্পনার বোধগম্য অভিজ্ঞান
    আমি রামানুজন নই তাই আসে না
    শুধু তার মাঝে চৈতন্যের গুটিকয় পল যেন
    মাছির আয়ুর
    ক্ষণ জীবনের আয়োজনের ভেতরে ভগ্নাংশের দশমিকের
    অবহেলায় পড়ে থাকি
    সূর্যের পনেরো কোটি কিলোমিটার দূরের সুনীল পৃথিবীতে।
    আমার এমন কী অভিযোগ, অভিযান থাকতে পারে
    অন্বেষণের যে রহস্যে গোটা মানবজাতি রত
    আবিষ্কার যাদের আন্তঃনাক্ষত্রিক জীব করে তোলে।
    স্মৃতির মেমোরিকার্ড একেকটা মানুষের মৃত্যুর পূর্বাহ্নের সব কবে ব্যাপে।
    দুঃখযাপনের সহমর্মে আবদ্ধ কয়েকজনের জীবনের চেতনার কয়েকটি রাত।
    মরেইতো যাবো
    মরে গেলে পরে কী আর থাকে পড়ে? জনৈক সুহৃদ
    অনৈতিহাসিক দুঃখবোধের কমণ্ডলু থেকে বিষাদে পাজড় ধুয়ে
    ছিটিয়ে দেয় গোরখনকের সাথে হ্যামলেটের
    অস্তিত্বের এলগরিদমের এবসার্ড সংলাপের প্রায়।
    তবু আমি আশা কেন রাখি
    আমার ডুবে যাওয়ার তুচ্ছ তরঙ্গে কেন তবে চাই
    স্পন্দিত হবে না কেন মরণের পূর্বাপর আমার মর্মীরা?

    4
    3 Comments
Skip to toolbar