Profile Photo

মো: মাসুম মিয়াOffline

  • mashum007
  • Profile picture of মো: মাসুম মিয়া

    মো: মাসুম মিয়া

    4 years, 11 months ago

    🗽 উদ্বিগ্ন আধার 🗽💌
    📝 – এস. এম. মাসুম
    কত দিন, কত নিশি তোমার কাছে থেকে কাটিয়েছি, যদিও দুরত্ব অনেক ছিলো। কিন্তু কখনোই তুমি তা অনুভব করতে দাওনি। কত চন্দ্র নিশি কেটে গেলো বিক্ষিপ্ত বাঁক বিবরনে,তবুও লন্ঠিতো হয়নি তোমার তরে। কত কথা, কত আলাপ চারিতার যবনিকাপাত ঘটিয়েছি, সব কিছু কি আজ নিস্ফল হয়ে বাঁক রুদ্ধ থেকে যাবে? এ আমার অভিযোগ নয়, এ আমার অনুসূচনা থেকে বলছি।
    যদি কখনো তুমি না থাকো, হয়তো আর এ রকম ভাবে রাত জেগে কথা বলা হবে না, সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন গুলো দেখা হবে না, বাবা-মার সাথে লুকোচুরি ও খেলতে হবে না। হঠাৎ, কোন একদিন চাঁদনী রাতের চাঁদটি ও বলে উঠবে কেনো আসোনা গভীর রাতে আমায় দেখতে, বাঁশ ঝাড়ের জোনাকিপোকা গুলো মিটি মিটি করে আলো দিয়ে বলবে কেনো আসো না। আমার আলোতে তাকে আলোকিতো করতে। অগোচরে থাকা ঝিঁঝি পোকা গুলো আমার দ্বারে অভিযোগ করবে, কেনো আসোনা আমার নিকটে, কেনো শোনাও না আমার গান গুলো তাকে, আমি কি এতটাই কর্কশ কন্ঠে গান গায়? তাদের আমি কি উওর দেবো শুনি? হয়তো সে দিন ম্লানমুখে পথিক এর ন্যায় নির্বাক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকা ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট রবে না মোর হৃদয় মুঞ্জরিতে।
    হয়তো আমার এ রকম ভাবে আর কবিতা লেখা হবে না। আমার কবিতার দ্বিতীয় পাঠক নেই বলে। আমার কবিতার প্রতিটি অক্ষর গুলো তার কন্ঠের পরস পেতে ব্যকুল হয়ে থাকবে। সেই অক্ষর গুলো, সেই লাইন গুলো সেই কবিতা গুলো আমাকে প্রশ্ন করবে কি দরকার ছিল আমাকে সৃষ্টি করার? যেখানে আমার দ্বিতীয় পাঠক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তখন কি উত্তর দেবো আমি? চাঁদনী রাতে, চাঁদের আলো মাখিয়ে হয় তো আর কখনো আবৃত্তি করা হবে না। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অনবদ্য সৃষ্টি, “কেউ কথা রাখে নি”, ” আমি কি রকম ভাবে বেঁচে আছি”, ” যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অংগুরী ছোঁয়াবো, আমি বিষ পান করে মরে যাব”।
    রাতের পর রাত জেগে জেগে উপভোগ করেছি স্নিগ্ধ হিমেল হাওয়া। দুর থেকে ভেসে এসেছে বকুলের গন্ধ, পাগল করে দিয়েছে মোর হৃদয় খানি। স্নিগ্ধ বাতাস আমায় সুধাবে, এখন আর আমি কি তোমার হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দিতে পারি না? তাকে কি উত্তর দেব আমি। সে তো জানে না মোর হৃদয়ে ক্ষতটা কত গভীর। স্নিগ্ধ বাতাস কে তো আমি বলতে পাড়ি না, যে তার স্নিগ্ধতা হৃদয়ের গভীর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না।
    আসে পাশে কত সুবর্ণ কঙ্কণ পরা ফর্সা রমনীরা দৃষ্টিগোচর হয়েছে, কিন্তু তাদের দিকে কখনও দৃষ্টিপাত করার অভাব বোধ করতে দাওনি। রুপে ছিলো এক ঝলক যাদুর কাঠি মাখানো কারুকার্য, কন্ঠে ছিলো মধু মাখানো দুষ্টুমি, অন্তরে ছিলো সুপ্ত ভালোবাসা। যা তোমাকে অন্য দের কাছ থেকে পৃথক করেছিলো। এই রকম ভাবে নিরুর দেশ হয়ে চলে যাবে কখনো ভাবার চেষ্টাও করিনি। চন্দ্রের কাছে থাকা ছোট্ট তাঁরা টাও জানতে চায় ” এতে মোর ভুল ছিলো, না কি মোর ব্যর্থতা”।

    13
    12 Comments
Skip to toolbar