Profile Photo

এস এম সজিবুল ইসলামOffline

  • Shojib-Rumman
  • এত মূল্যবান কথা পড়ার বা মন্তব্য করার জন্য আপনাকে সততার প্রমান দিতে হবে নিশ্চিত। তবে একবার হলেও পড়ুন জ্ঞান অর্জন এর সাথে বোধ বুদ্ধিও বাড়বে।
    জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম‍্যান মহোদয়ের সাক্ষাৎকার এবং “দেহ পাবি কিন্তু মন পাবি না” মহোদয়গনের প্রতিবাদ-
    সত‍্যকথা সর্বদাই bitter আর অপছন্দের হয়।জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যানের যে উক্তি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে তা প্রত‍্যক্ষভাবে ৭৫% সত‍্য; প্রত‍্যক্ষ-পরোক্ষ combination -এ ৯৯% স‍ত‍্য।
    যারা সম্মানের জন‍্য সরকারী চাকুরীতে এসেছেন তারা নিজেদের সম্মান রক্ষার্থে অসততা কিংবা অন‍্যায়ের কোন প্রতিবাদ করেন না বরং নির্লিপ্তভাবে থাকেন; এটাও অসততা। যারা প্রতিবাদ করেন তাদের প্রকাশ‍্য কোন সমর্থন করেন না।
    যারা ঘুষ খান না তারাও নিকট অতীতের নির্বাচনে দায়ীত্ব পালন করেছেন কিন্তু বিরত থাকেন নি; এটা কোন ধরনের সততার উদাহরন?
    একজন অতিরিক্ত জেলা ম‍্যাজিস্ট্রেট ছিলেন যিনি সরকারী গাড়ি ব‍্যবহার না করে পায়ে হেটে বাজারে যেতেন। তার আর্থিক সততা নিয়ে বিন্দু পরিমান সন্দেহ নেই। কিন্তু বিভাগীয় কমিশনার যখন একজন নির্দোষ এসি ল‍্যান্ড কে ঘায়েল করার জন‍্য মিথ‍্যা রিপোর্ট চাইলেন তখন ডিসির নির্দেশে সেই ADM absolutely মিথ‍্যা রিপোর্ট দিলেন। এই ধরনের সৎ কর্মকর্তাও দূর্নীতিবাজ। এদের মৃত‍্যুর পর হিসাব আরও কঠিন হবে।
    একজন সৎ উপসিচবকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়; তিনি ১০০% নির্দোষ প্রমান হওয়া সত্বেও ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ‍্যা তদন্ত রিপোর্ট দেন; ঐ কর্মকর্তাকে বলেন “আমার হাত বাধা, আপনি Administrative Tribunal কিংবা কোর্টে সুবিচার চাইতে পারবেন”-এটা কোন ধরনের সততা কিংবা সম্মানের জন‍্য চাকুরী? এরা বরং সমাজের সার্টিফিকেটধারী শয়তান। অসংখ‍্য উদাহরন দিতে পারবো।
    যারা সন্মানের জন‍্য সরকারী চাকুরীতে আসেন তারা ঐ প্রতিষ্ঠানকে কখনও সম্মানহীন হতে দেন না। নিজেদের প্রশ্ন করুন, “আপনারা প্রত‍্যক্ষ কোন প্রতিবাদ করেছেন কি-না ঐ সম্মানজনক পেশাকে অসম্মানের হাত থেকে রক্ষার জন‍্য। আপনারা বরং চাকুরী বজায় রাখার জন‍্য so called leader (in service and/or political) দের সাথে Diplomatic কিংবা অন্নদাতাসূলভ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
    জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম‍্যানের কাছে বরং প্রশ্ন করুন, “আপনরাই তো সরকারী চাকুরীকে অসম্মানের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।” সরকারী চাকুরীকে ঘুষ-দূর্ণীতির আখরা বানানোর জন‍্য সিভিল সার্ভিসের (শুরুথেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত) যু্গ্ম সচিব এবং তদুর্ধ (corresponding ranks of other cadres/services) উল্লেখযোগ‍্য সংখ‍্যক কর্মকর্তা দায়ী”। সংশ্লিষ্ট জুনিয়রদের এক্ষেত্রে দায়ী করার কোন সুযোগ নেই। Senior দের patronization-এর কারনে তারা (Junior) একাজ করার সুযোগ পেয়েছে কিম্বা জুনিয়রদের (স্বার্থের বিনিময়ে) ঘাড়ে বন্দুক রেখে উনারা শিকার করেছেন।প্রশাসন ক‍্যাডার থেকে ম‍্যাজিস্ট্রেসি যে কারনে চলে গেছে ঠিক একই কারনে আজ এই ক‍্যাডার ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ।
    বিশেষ কয়েকটি ক‍্যাডারে গনহারে “রাখাল বালক-বালিকা” নিয়োগ দিয়ে Service-এর Standard -এর ১২ টা বাজানো হয়েছে। Most of the অপকর্মের অংশীদার এবং/অথবা বাস্তবায়নকারী এই “রাখাল persons”।
    এক মেধাবী গভর্নর রাখাল বালক Banking Systems ধ্বংস করেছে ।
    উপসংহারঃ যারা বর্তমানে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম‍্যান মহোদয়ের সাক্ষাৎকারের সমালোচনা করছেন আপনারা “দেহ পাবি কিন্তু মন পাবি না” মার্কা লোক। হিসেব মিলিয়ে দেখুন। সরকারী প্রতিষ্ঠানের standard and honor ধ্বংসের পিছনে আপনাদের নির্লিপ্তাও বহুলাংশে দায়ী।কেউ ব‍্যতিক্রম হলে তিনি অবশিষ্ট ১%-এর অন্তর্ভুক্ত

Skip to toolbar