Profile Photo

আবু জাফর মহিউদ্দীনOffline

  • abujafour1985
  • শিরোনাম: শ্রমের জয়

    পরিশ্রমে জীবন গড়ে ওঠে
    আলো জ্বলে প্রাণে,
    থেমে গেলে পথের মাঝে
    হারাবি সব টানে।

    কাজের মাঝে সুখ লুকানো
    ঘামে ভেজা দিন,
    সেই ঘামেরই ফোঁটা শেষে
    হয় যে সোনার ঋণ।

    চল এগিয়ে অবিরাম তুমি
    হাল না ছেড়ে কভু,
    কষ্ট যত আসুক সামনে
    জিতবে শেষে তবু।

    সৎ পথে যা অর্জন করি
    মনে আনে শান্তি,
    অন্য পথে সুখের খোঁজে
    মেলে শুধু ক্লান্ত…Read More

    3
    3 Comments
  • শিরোনাম: মা — জীবনের আলো

    মা যে আমার হৃদয়ভরা
    অমূল্য এক প্রাণ,
    তারই মায়ায় ফুলে ফলে
    এই যে ভুবনখান।

    সন্তান তরে ঐ ভালোবাসা
    ঢেলে দেয় যে মন,
    মা না থাকলে জীবন যেন
    হয় বিরান-বন।

    সূর্যের মতো স্নেহ বিলায়
    আলো ছড়ায় দিনে,
    দুঃখ এলে বুক পেতে দেয়
    রাখে গভীর টানে

    ঘুম পাড়িয়ে দোলায় বুকে
    গায় যে সুরের গান,
    নিজের ঘুম ত্যাগ করে সে
    রাখে সন্তানে…Read More

    3
    3 Comments
    • প্রতিটি সন্তানের হৃদয়ের কথা আপনি শব্দে বন্দি করেছেন। চমৎকার লিখেছেন!

    • যতই বড় হও না কেন মায়ের চোখে শিশু…🤍

    • সারাজীবনের ত্যাগের ছবি এঁকে দেওয়া হয়েছে।
      মা বেঁচে থাকতেই ভালোবাসো

  • শিরোনাম: রক্তে লেখা স্বপ্ন
    ধরণ: ছোটগল্প

    রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামের ছোট্ট কাঁচা ঘরটিতে জন্মেছিল আবু সাঈদ। দরিদ্রতার সাথে লড়াই ছিল তার প্রতিদিনের সঙ্গী। নয় ভাইবোনের ভিড়ে সে ছিল সবার ছোট, কিন্তু বাবা-মায়ের চোখে সে-ই ছিল সবচেয়ে বড় আশা। মকবুল হোসেন দিনের পর দিন পরিশ্রম করতেন, আর মনোয়ারা বেগম সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন…Read More

    4
    3 Comments
    • একটি সত্য ঘটনাকে সাহিত্যের ভাষায় এভাবে ধারণ করা কেবল লেখার দক্ষতা নয়, এটি দায়িত্ববোধও! লেখককে গভীর শ্রদ্ধা!

    • আপনার এই ছোটগল্পটি কেবল একটি রচনা নয়, বরং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের এক জীবন্ত এবং রক্তক্ষয়ী দলিল। আবু সাঈদ আজ আর কেবল একটি নাম নয়, তিনি একটি স্ফুলিঙ্গ—যিনি নিজের বুক চিতিয়ে দিয়ে গোটা জাতির মেরুদণ্ড সোজা করে দিয়েছিলেন। আপনার লেখনীতে সেই বীরত্ব এবং ট্র্যাজেডি অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে ফুটে উঠেছে।

  • শিরোনাম: বাবার স্বপ্ন, তার পথ
    ধরণ: ছোটগল্প

    মহিউদ্দীন, ছোটবেলা থেকেই তার জীবনের পথ যেন এক অদৃশ্য হাতে আগেই লিখে রাখা ছিল—একজন ভালো আলেম হওয়া। নিজের ইচ্ছার চেয়েও এই স্বপ্নটা বেশি ছিল তার বাবা-মায়ের, বিশেষ করে তার বাবার হৃদয়ে গেঁথে থাকা এক নীরব আশা।

    তার বাবা ছিলেন একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত পদার্থে কৃতিত…Read More

    5
    3 Comments
    • অসাধারণ।

    • পড়তে পড়তে চোখের কোণ ভিজে এল। প্রতিটি সফলতার মুহূর্তে বাবার অনুপস্থিতি যে কতটা কষ্টের, তা কেবল যার বাবা নেই সেই বোঝে।

    • বাবার নীরব ভালোবাসাই যে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি… গল্পে এটা এত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন যে নিজের বাবার কথা মনে পড়ে গেল… 💙

  • শিরোনাম: কঠোর পরিশ্রমের ফল
    ধরণ: ছোটগল্প

    এক গ্রামে নুরু নামে এক কৃষক বাস করত। তার ছোট ছেলে ধনু ছিল বোবা। কিন্তু নুরু তার ছেলেকে নিয়ে সবসময় দুঃখী ও চিন্তিত থাকত কারণ নুরুর ছেলের জন্ম থেকেই একটি জন্মগত ত্রুটি ছিল। সে সবসময় ভাবত, ভবিষ্যতে তার ছেলে কীভাবে জীবন কাটাবে, সময়ের প্রতিকূলতার মোকাবিলা কীভাবে করবে। এই যন্ত্রণা নুরুকে ক…Read More

    6
    3 Comments
  • শিরোনাম:পরিবারের সকলেই কুরআনের পাখি।
    ধরন: ছোটগল্প

    ছারছিনা একটি আধ্যাত্মিক পবিত্র স্থান। বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার ছারছিনা গ্রামে অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কামিল মাদরাসা। আমার বাবা ছাত্র জীবন থেকেই ছারছিনা শরীফের পীর মাওলানা আবু জাফর ছালেহ (রহ.) এর ভক্ত ছিলেন। কেন বা ভক্ত হবেন না তিন…Read More

    3
    2 Comments
    • আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া লেগে আছে তাতে।

    • রেল স্টেশনের সেই ভিড়, মাঝরাত আর হঠাৎ বোনকে খুঁজে না পাওয়ার সেই আতঙ্ক—সবকিছু যেন চোখের সামনে ভেসে উঠল। বাবার সেই আকুল দোয়া আর শেষ পর্যন্ত বোনকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ—সব মিলিয়ে এক হৃদয়স্পর্শী সত্য কাহিনী।

  • শিরোনাম: রাজকন্যার যোগ্য সঙ্গী
    ধরন: ছোট গল্প

    এক দেশে এক রাজা ও এক ধনী ব্যক্তি বাস করতেন। রাজার একমাত্র কন্যা ছিল এবং ধনী ব্যক্তির একটি পুত্র ছিল। পুত্রটি তার বাবার সঙ্গে ব্যবসায় সহায়তা করত এবং ঘরের টুকিটাকি কাজে মাকেও সাহায্য করত। সে কিছুটা শিক্ষাও লাভ করেছিল। ধনী ব্যক্তিটি সর্বদা তার পুত্রের জন্য প্রার্থনা করতেন, “হে আল্লাহ! আমার সন…Read More

    4
    3 Comments
    • সুন্দর গল্প মাশাল্লাহ।

    • গল্পের মধ্য দিয়ে জীবনদর্শন, বেশ লাগলো!

    • ছায়াকে কাটা যায় না, আর জ্ঞানকে হারানো যায় না। এক রাজকীয় বুদ্ধির লড়াই আর মানবিকতার জয়ের গল্প। ছোটদের জন্য যেমন সেরা, বড়দের জন্যও ঠিক তেমনই ভাবনার খোরাক।

  • শিরোনাম: মাতৃভাষার উপহার
    ধরণ: ছোটগল্প

    রোদেলা ও মীম দশম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। দুজনেই তাদের ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্রী এবং খুব ভালো বন্ধুও ছিল। তাদের বেশিরভাগ কথাবার্তাই পড়াশোনা নিয়ে হতো কিন্তু তারা প্রায়ই দীর্ঘ আলোচনা করত, বিশেষ করে অন্য ভাষা শেখা, বিশেষত ইংরেজি শেখা ও বলা নিয়ে। সেই আলোচনায় রোদেলা প্রায়ই বলত যে তার স্বপ্ন হলো…Read More

    3
    2 Comments
    • ‘সাফল্য শুধু বিদেশি ভাষায় নয়, মাতৃভাষাতেও সম্ভব’—এই কথাটি আজকের প্রজন্মের জন্য এক অনন্য শিক্ষা।

    • মীমের বক্তৃতার জাদু যে ভাষার শক্তিতেই, সেটা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিলেন লেখকপ্রিয়! আপনার প্রতিটি লেখায় যে সারল্য ও মমতা লুকিয়ে আছে সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়! ভালোবাসা নেবেন!

  • শিরোনাম: ছোট পিঁপড়া
    ধর্ম: ছোট গল্প

    ছোট বন্ধুরা, আমি তোমাদের একটি ছোট্ট পিঁপড়ের গল্প বলব। তোমরা নিশ্চয়ই জানো যে পিঁপড়েরা একে অপরকে ভালোবাসে ও সম্মান করে। তারা সবসময় একসঙ্গে সারিবদ্ধভাবে চলে। যখন তাদের একে অপরের সাথে দেখা হয়, তারা একে অপরকে যেকোনো বিপদের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। তারা একই জায়গায় একসঙ্গে থাকে। তাদের মধ্যে কোনো ধর…Read More

    3
    3 Comments
    • শিশুসাহিত্য খুব জরুরি। আবার মাঝে মাঝে তা বড়দেরও মন ভালো করে দেয়।

    • শিশুদের নৈতিকতা শেখানোর জন্য এমন গল্পের খুব প্রয়োজন। চমৎকার লিখেছেন!

    • আমি নিজেও চেষ্টা করি শিশু সাহিত্য লেখার জন্য , আপনাকে অভিবাদন । আপনার এই প্রয়াস চালিয়ে যান…আরো এমন লিখা চাই !

  • শিরোনাম: বাবার প্রতিশ্রুতি
    ধরণ: ছোটগল্প

    একটি ছোট গ্রামে রহিম নামে এক গরিব দিন মজুরী বাস করত। তার ছোট মেয়ে ছিল—মায়া। মায়া প্রতিদিন তার বাবাকে বলত, “বাবা, তুমি কি আমার জন্য একটা পুতুল এনে দেবে?” রহিম প্রতিদিনই মেয়েকে হাসিমুখে বলত, “অবশ্যই এনে দেব, মা।”
    এই সব ভাবতে ভাবতে সে কাজের উদ্দেশ্যে শ্রমিকদের শিবিরে পৌঁছাল, যেখানে আগের চেয়ে বেশি শ্রমি…Read More

    4
    1 Comment
    • হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এক ছোটগল্প। বাবার দেওয়া কথা আর জীবনের শেষ লড়াই—সবই শব্দে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।

  • শিরোনাম:সাহিত্য মানবতাকে পুনরায় সংযুক্ত করতে পারে

    লেখা ও পড়া মানব সভ্যতার মতোই প্রাচীন। মানব ইতিহাসের পাতায় এর বহু পর্যায় আবিষ্কৃত হয়েছে। সর্বপ্রথম মানুষ গুহার দেয়ালে ছবি আঁকত, তারপর মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) সুমেরীয়রা একটি নিয়মিত লিখন পদ্ধতি শুরু করে এবং তারা মাটির ফলকে লিখতে শুরু করে। ১৪৪০ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রণযন্ত্রের আগমন…Read More

  • Load More Posts
Skip to toolbar