Profile Photo

আর্যOffline

  • Arjo
  • Profile picture of আর্য

    আর্য

    11 months, 1 week ago

    কেউ জানলো না কেন?
    ……………………………
    কেউ জানে না স্কুল থেকে আসার পথে কাল বৈশাখী পথ অবরোধ করে তার ভাগ্যলেখা তাড়াতাড়ি লিখে গেলো।বৃষ্টির বাতাসের ছাট থেকে বাঁচতে বন্ধ দোকানটার পিছনে দাড়ালো সে। আর কালামও তার জীবনে উপহাসের খড়গ নিয়ে ঠিক ওখানেই দাড়ালো সাইকেল থেকে নেমে। কিশোরী মনের ভয় আর ভালো লাগার মিশেলে উচ্চসিত লাবিবা ডাকলো কালাম ভাই।
    কালাম মেধাবী ছেলে। সবাই তার কাছে পড়তে যায়। লাবিবা হক, দশম শ্রেনী সেও যায়।
    একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী সে এখন। গতবার শুনেছে কালাম ভাইয়ের একটা স্কুলে চাকরি হয়েছে। ছুটিতে বাড়ি এসে শুনলো কালাম ভাইয়ের বিয়ে শুক্রবারে। এক বোবা কান্না আর অস্থিরতা তাকে মৌন করল।
    লাবিবা তার মায়ের কাছে আবাদার করল ও মা, আমাকে তোমার বিয়ের শাড়ীখানা দাও না পড়বো। মেয়ের হঠাৎ আবদারে একটু আনন্দিত হয়ে শাড়ী, ছায়া ব্লাউজ আর চুড়ি বের করে দিলো। মেয়ে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা আটকিয়ে নিজের সমস্ত কিছু গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখলো,সবকিছুই সুন্দর, চুল কত লম্বা, তারপরও তার মনে ধরলো না! এবার তার সমস্ত কিছু অভিমানে পরিণত হলো।আমি নাহয় ছোট, সে তো জানতো সবই,আমিও পছন্দ করি,মুখ ফুটে নাহয় না বললাম।সেদিন তো কোন বাঁধা দিই নি।এখনো তার ঠোঁট কেপে ওঠে প্রথম দিনের মত, কালবৈশাখীর মত ঝড় ওঠে ভিতরে, এখনো স্পর্শ গুলো জ্বল জ্বল বুকে আর তার সমস্ত শরীর জুড়ে।
    সে তো ভেবেই নিয়েছিলো যে তাকে এতো কাছে নিলো সে সারাজীবন তাকে নিবেই,তাই সে মন দিয়ে পড়ালেখা নিয়েই পরেছিল। কিন্তু একি হায় সব না হতেই চিরদূরে সরে গেল। বহুবার সে ভেবেছে দেখা করে সব যদি খুলে বলি তাহলে হয়ত সব ঠিক হবে।সে সাহস তার হলো না।
    শুনেছিল যে পোশাকে মারা যায় সে পোশাকে ভূত হয়, তাই তার এজনমের স্বাদ বিয়ের শাড়ী পড়ে সে শূন্য আর পৃথিবীর মাঝে টানটান করে রইলো।

    3
    1 Comment
    • কিশোরী হৃদয়ের অব্যক্ত কথাগুলোও কি শূন্য আর পৃথিবীর মাঝে টানটান করে রইলো? মনটা আর্দ্র হয়ে গেলো

Skip to toolbar