Profile Photo

সাখাওয়াতুল আলম চৌধুরীOffline

  • shakawat83
  • ৩০ জুলাই – মানব পাচার প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার

    মানব পাচার—এক ভয়ংকর অপরাধের নাম, যা আমাদের সমাজে এক কলঙ্কের মতো। এটা অনেকটা আধুনিক দাসত্বের মতো, যেখানে একজন মানুষ তার স্বাধীনতা, সম্মান আর বাঁচার সব অধিকার হারায়। সারা বিশ্বে, সব জায়গাতেই এই অনৈতিক কাজ চলে আসছে। নারী, পুরুষ, এমনকি ছোট্ট শিশুরাও প্রতিনিয়ত এই ভয়ংকর ঘটনার শিকার হচ্ছে।

    মানব পাচারের শিকার হওয়া মানেই শারীরিক ও মানসিক কষ্টের সাথে সামাজিক ঘৃণার পাত্র হওয়া। চক্ষুলজ্জা মনে ভয় আর সমাজের চোখে ছোট হয়ে থাকা—এক কথায় জীবনটা অন্ধকার হয়ে যাওয়া। এই অপরাধের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে না, বরং পরিবার, সমাজ এমনকি দেশের জন্যও ক্ষতি বয়ে আনে।

    এই নীরব কিন্তু ভয়ংকর অপরাধের বিরুদ্ধে সারা বিশ্বে মানুষকে সচেতন করতে, যারা পাচারের শিকার হয়েছে তাদের পাশে দাঁড়াতে, আর এই অনৈতিক কাজটা বন্ধ করার জন্য প্রতি বছর ৩০ জুলাই আমরা পালন করি মানব পাচারবিরোধী বিশ্ব দিবস (World Day Against Trafficking in Persons)।

    এই দিনটা শুধু একটা বিশেষ তারিখ নয়, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই দিনে আমরা যারা পাচারের শিকার হয়েছে, তাদের কষ্টের কথা তুলে ধরি এবং তাদের সাহায্য করার জন্য দেশ-বিদেশের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার জন্য উৎসাহ দিই। এই দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মানব পাচার বন্ধ করার জন্য আমাদের সবার একসঙ্গে চেষ্টা করা আর সচেতন হওয়া কতটা জরুরি।
    মানব পাচার কী এবং কেন এটা এত ভয়ঙ্কর?
    সহজভাবে বলতে গেলে, মানব পাচার মানে হলো, কোনো মানুষকে জোর করে, মিথ্যা কথা বলে, ভয় দেখিয়ে, বা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোথাও নিয়ে যাওয়া বা আটকে রাখা, যাতে তাকে শোষণ করা যায়। এই শোষণের ধরন নানা রকম হতে পারে:
    পতিতাবৃত্তি
    এটা পাচারের সবচেয়ে সাধারণ একটা দিক। এখানে নারী আর শিশুদের জোর করে খারাপ কাজ (যেমন পতিতাবৃত্তি) করতে বাধ্য করা হয়।
    জোর করে কাজ করানো
    এখানে একজন মানুষকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে, প্রায় বিনা পয়সায় বা খুব কম টাকায় কাজ করতে বাধ্য করা হয়। যেমন: নির্মাণ কাজ, কৃষিকাজ, পোশাক কারখানায় বা অন্যের বাড়িতে কাজের লোক হিসেবে।
    অঙ্গ পাচার
    কিছু পাচারকারী মানুষকে ধরে তাদের শরীরের অঙ্গ (যেমন কিডনি) অবৈধভাবে বিক্রি করার জন্য পাচার করে।
    অন্যান্য নির্যাতন
    এছাড়াও ভিক্ষাবৃত্তি, জোর করে কোনো অপরাধমূলক কাজ করানো, বা জোর করে বিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেও মানুষকে পাচার করা হয়।
    সারা বিশ্ব ও আমাদের দেশের পরিস্থিতি
    জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) বলছে, প্রতি বছর সারা বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ মানব পাচারের শিকার হয়। এদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী আর শিশু। যুদ্ধ, সংঘাত, গরিবী, আর সমাজের নানা বৈষম্য এই অপরাধকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের বাংলাদেশও মানব পাচারের একটা বড় ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। এখান থেকে মানুষ পাচার হয়, আবার অন্য দেশ থেকে পাচার হয়ে মানুষ এখানে আসে। গরিবী, কম পড়াশোনা আর বিদেশে ভালো চাকরির মিথ্যা আশায় অনেক বাংলাদেশি পাচারকারীদের ফাঁদে পড়ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা দেশের ভেতরে আর বাইরে—দুই জায়গাতেই যৌন শোষণ আর জোর করে কাজের শিকার হচ্ছে। ভারত, নেপাল, পাকিস্তান আর শ্রীলঙ্কার মতো দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোও একই রকম সমস্যায় ভুগছে। এই সমস্যাটা এতটাই জটিল যে, আন্তর্জাতিক সাহায্য ছাড়া এটাকে ঠেকানো খুব কঠিন।

    যারা মানব পাচারের শিকার হয়, তাদের জীবনটা দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। শারীরিক আঘাতে জর্জরিত হয়ে আর ঠিকমতো খেতে না পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে, এবং একসময় বিভিন্ন রোগে ভুগতে থাকে। এর চেয়েও বড় কথা, মনের মধ্যে একটা গভীর আঘাত থেকে যায়। পাচারকারীরা তাদের ভয় দেখায়, হুমকি দেয়, আর তাদের আত্মবিশ্বাস পুরোপুরি ভেঙে দেয়। পাচার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তাদের জীবনে অনেক কঠিন পরিস্থিতি আসে।

    সমাজে ফিরে আসার পর মানুষ তাদের খারাপ চোখে দেখে বা এড়িয়ে চলে, যার কারণে তাদের পক্ষে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকেই হতাশা, দুশ্চিন্তা বা এক ধরনের ভয়ংকর মানসিক সমস্যা (পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার বা PTSD) নিয়ে জীবন কাটায়।
    মানব পাচারবিরোধী বিশ্ব দিবস কেন শুরু হলো?
    মানব পাচার যে একটা আন্তর্জাতিক সমস্যা, এটা সবাই বুঝতে পারছিল। কিন্তু এটাকে একসঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য একটা সমন্বিত পদক্ষেপের দরকার ছিল।
    জাতিসংঘের উদ্যোগ (২০১৩ সাল থেকে পালন)
    মানব পাচার সম্পর্কে মানুষকে আরও ভালোভাবে জানাতে জাতিসংঘ একটা বিশেষ দিনের গুরুত্ব বুঝল। ‘পালেরমো প্রোটোকল’ (Palermo Protocol) নামে মানব পাচার প্রতিরোধের একটা গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি হওয়ার প্রায় দশ বছর পর, ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত নিল যে, ৩০ জুলাই হবে ‘মানব পাচারবিরোধী বিশ্ব দিবস’। ২০১৪ সাল থেকে সারা বিশ্বে এই দিনটা নিয়মিত পালন করা হচ্ছে।
    ৩০ জুলাই পালনের তাৎপর্য
    এই দিনটা বেছে নেওয়ার প্রধান কারণ ছিল, মানব পাচারের বিরুদ্ধে সবাই যেন একজোট হয় আর যারা এর শিকার হয়েছে, তাদের প্রতি সহানুভূতি আর সমর্থন দেখায়। এই দিবসের মূল লক্ষ্যগুলো হলো:
    মানব পাচার সম্পর্কে সারা বিশ্বে মানুষকে জানানো।
    যারা পাচারের শিকার হয়েছে, তাদের অধিকার রক্ষা করতে দেশগুলোকে উৎসাহিত করা।
    এই জঘন্য অপরাধ ঠেকাতে সরকার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সাধারণ মানুষ আর বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে একসঙ্গে কাজ করতে উৎসাহিত করা।
    মানব পাচার যেহেতু অনেক দেশের সমস্যা, তাই এটাকে থামাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো।
    যারা পাচার করে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া আর তাদের বিচার নিশ্চিত করা।
    আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভূমিকা
    মানব পাচার কোনো একটা দেশের একক সমস্যা নয়। প্রায়শই এটা সীমান্ত পেরিয়ে ঘটে, যেখানে অনেক দেশের পাচারকারীরা জড়িত থাকে। তাই, এই অপরাধ ঠেকাতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা খুব জরুরি। মানব পাচারবিরোধী বিশ্ব দিবস দেশগুলোকে তাদের সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করতে, দরকারি তথ্য আদান-প্রদান করতে আর একসঙ্গে অভিযান চালাতে উৎসাহিত করে।
    কেন সচেতনতা এত জরুরি?
    মানব পাচার ঠেকাতে সচেতনতা হলো সবচেয়ে শক্তিশালী একটা হাতিয়ার। এটা প্রতিরোধের প্রথম আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
    পাচারকারীদের কৌশল
    পাচারকারীরা খুব চালাক হয় আর তাদের কৌশলগুলো সব সময় পাল্টাতে থাকে। তারা প্রায়শই লোভনীয় চাকরির কথা বলে, বিদেশে পড়াশোনার দারুণ সুযোগ দেখায়, ভালোবাসার ভান করে বা মানবিক সাহায্যের নামে মানুষকে প্রলুব্ধ করে। সরল মনের মানুষরা তাদের মিষ্টি কথায় বিশ্বাস করে ফাঁদে পড়ে যায়, আর তখনই পাচারকারীরা নিজেদের আসল চেহারা দেখায়। আমরা সচেতন থাকলে এই ধরনের লোভ আর প্রতারণা সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্ক থাকতে পারব।
    অসচেতনতাই পাচারকারী মূল হাতিয়ার
    যখন সমাজের মানুষ মানব পাচার সম্পর্কে ভালোভাবে জানে না, তখন পাচারকারীরা সহজেই তাদের কাজ চালিয়ে যায়। পাচারের লক্ষণগুলো সম্পর্কে না জানা বা এর ভয়াবহতা না বোঝা এই অপরাধকে আরও বাড়তে সাহায্য করে। যদি পাচারের কোনো ঘটনা ঘটেও, অসচেতনতার কারণে অনেকে সেটা পুলিশকে জানায় না বা ভুক্তভোগীদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসে না।
    পরিবারের ভূমিকা
    বাবা-মা হিসেবে আমাদের উচিত শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারের দিকে খেয়াল রাখা, অপরিচিতদের সাথে কথা বলার বিপদ সম্পর্কে জানানো আর তাদের কীভাবে নিরাপদ থাকতে হয়, তা শেখানো।
    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা
    স্কুল, কলেজ আর ইউনিভার্সিটির সিলেবাসে মানব পাচার সম্পর্কে সচেতনতামূলক ক্লাস ও কর্মশালা রাখা উচিত। এতে তরুণরা এই অপরাধের বিপদ আর বাঁচার উপায় সম্পর্কে জানতে পারবে।
    মিডিয়ার ভূমিকা
    টিভি, রেডিও, খবরের কাগজ আর সোশ্যাল মিডিয়া মানব পাচার সম্পর্কে মানুষকে জানাতে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে। ডকুমেন্টারি, বিজ্ঞাপন আর মানুষকে সচেতন করার মতো প্রচারণার মাধ্যমে এই অপরাধের ভয়াবহতা তুলে ধরা জরুরি।
    আইন জানার গুরুত্ব
    সাধারণ মানুষের জন্য মানব পাচারবিরোধী আইন সম্পর্কে কিছু মৌলিক ধারণা থাকা জরুরি। এটা তাদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে জানাবে আর কোনো পাচারের ঘটনা ঘটলে কীভাবে আইনি সাহায্য চাইতে হবে, সে বিষয়েও ধারণা দেবে। আইন সম্পর্কে জানলে পাচারকারীরা সহজে সুযোগ নিতে পারে না।
    মানব পাচার ঠেকাতে আমাদের কী করা উচিত?
    মানব পাচার ঠেকাতে আমাদের প্রত্যেকের কিছু ব্যক্তিগত আর সামাজিক দায়িত্ব আছে। সবাই মিলে চেষ্টা করলেই এই অপরাধ বন্ধ করা সম্ভব।
    সচেতনতা বাড়ানো আর শিক্ষার প্রসার
    মানব পাচার রোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সবার মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো। বিভিন্ন সভা, কর্মশালা, সেমিনার আর খবরের মাধ্যমে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার চালাতে হবে। বিশেষ করে গ্রামের মানুষ, যারা হয়তো বেশি পড়াশোনা করেনি, আর তরুণদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া খুব জরুরি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা সভার আয়োজন করা যেতে পারে।
    ভুক্তভোগীদের সঠিক পথ দেখানো
    যদি কোনো ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার হয় বা এই ধরনের কোনো ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারে, তাহলে তাকে সাহায্যের পথগুলো জানাতে হবে। জাতীয় হেল্পলাইন নম্বরগুলো (যেমন—১০৯, ১০৯৮) ব্যাপকভাবে প্রচার করা প্রয়োজন। স্থানীয় পুলিশ, র‍্যাব আর মানব পাচার ঠেকাতে কাজ করা এনজিওদের সাথে যোগাযোগ করতে উৎসাহিত করা উচিত।
    সঠিক তথ্য দেওয়া
    যেকোনো চাকরির প্রস্তাব, বিশেষ করে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ পেলে, খুব ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। কোনো মিথ্যা বা লোভনীয় বিজ্ঞাপনে না পড়ে, সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে হবে আর বিশ্বস্ত সূত্র থেকে যাচাই করে নিতে হবে। আমাদের সবার উচিত নিজেদের আশেপাশে কোনো সন্দেহজনক কিছু দেখলে বা পাচারের শিকার কাউকে দেখলে তা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানো।
    সরকার আর আন্তর্জাতিক সংস্থার উদ্যোগ
    সরকারের উচিত মানব পাচার প্রতিরোধের জন্য যে আইনগুলো আছে, সেগুলোকে আরও শক্ত করা আর সেগুলো যেন ঠিকমতো কাজ করে, তা নিশ্চিত করা। যারা পাচার করে, তাদের দ্রুত বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে অন্যরা ভয় পায়। যারা পাচার থেকে উদ্ধার পেয়েছে, তাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, খাবার, চিকিৎসা, মানসিক কাউন্সেলিং আর কাজ শেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর (যেমন—UNODC, IOM, ILO) সাথে সহযোগিতা বাড়িয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে পাচার ঠেকানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
    আসুন এখনই সচেতন হই
    মানব পাচার মানবজাতির জন্য এক বড় অভিশাপ। এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের সবার একসঙ্গে চেষ্টা করা খুবই দরকার। আমরা সবাই—ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ আর সরকার—প্রত্যেকেরই যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

    শুধু আইন প্রয়োগ বা কড়া শাস্তির মাধ্যমেই এই অপরাধ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সবার মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা, মানবিকতা আর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া। প্রতিটি মানুষের উচিত পাচারকারীদের কৌশল সম্পর্কে জানতে পারা আর কোনো ফাঁদে পা না দেওয়া। সেই সাথে, যদি কোনো পাচারের শিকার মানুষকে আমরা দেখি, তাহলে তার প্রতি সহানুভূতি দেখানো আর তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসা আমাদের মানবিক দায়িত্ব।

    আসুন, ৩০ জুলাই – মানব পাচারবিরোধী বিশ্ব দিবস-এ আমরা সবাই সচেতনতার শপথ নিই। মনে রাখবেন, আপনার একটি ছোট পদক্ষেপও হাজারো মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করলে এই অন্ধকার দূর হবেই।

    সাখাওয়াতুল আলম চৌধুরী
    লেখক ও সমাজ গবেষক

    3
    1 Comment
    • মানব পাচার বিরোধী বিশ্ব দিবস নিয়ে অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা। এবিষয়ে অনেক কিছু জানলাম, আর জানাটা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পূর্বশর্ত।

Skip to toolbar