-
কাঁদা মাখা চাঁপা কষ্ট
মানিক কুমার সাঁজোয়ালশিশির ভেজা ভোরে ফোটা ওই যে চাঁপা ফুল,
সুবাস বিলিয়ে হাসত সদাই, ছিল না তার ভুল।
হঠাত্ মেঘের আড়াল থেকে নামল পঙ্কিল ধারা,
স্বচ্ছ পাপড়ি ধূলায় মিশে হলো যে দিশেহারা।
পথের কাঁদায় মাখামাখি আজ শুভ্র বরণ কায়া,
কেউ দেখে না বিষণ্ণতায় বিষাদমাখা মায়া।
মখমল কোমল সেই শরীরে কলঙ্ক আজ লাগে,
অভিমানে আজ বনের পাখি একটু আগে জাগে।
মানুষ আসে, মানুষ হাসে, দেখে না তার বুক,
অবহেলায় মলিন হলো চাঁপা ফুলের মুখ।
দলিত হয়ে পড়ে আছে মাটির ধূলোয় মিশে,
দীর্ঘশ্বাসে আকাশ কাঁদে, মুক্তি পাবে কিসে?
নিজের সুবাস হারিয়ে সে আজ গুমরে কেঁদে মরে,
একাকীত্বের তপ্ত অনল হৃদয়ে বাস করে।
তবু কি কেউ মুছিয়ে দেবে কাঁদা মাখা ওই দেহ?
চাঁপার কষ্টে একটু চোখের জল কি ফেলবে কেহ?
ঝড়ের দিনে ছিঁড়ে পড়ে মাটির কাছাকাছি,
কেউ বলে না চাঁপা তুমি থেকো মোদের সাথী।
অনাদরে এই ঝরে যাওয়াই নিয়তি ছিল তার,
চাঁপা কষ্টের অবসান কি হবে না কোনোবার?বিংশতপদী মানে হলো ২০টি পঙক্তি বা চরণের কবিতা। আমি এখানে গুনে গুনে ২০টি চরণ ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করেছি।
4 Comments
Friends
Shahajahan Tapu
@shahajahantapu
Rashed Mahamud Mithun
@rashedmithun
মো আলেফ শরীফ
@alefsharif
Dalia Al Mim
@daliaalmim
তাসনিম শাহরিয়ার
@tasnimmmm
Nazmul Kabir (নাজমুল কবির)
@nazmulkabir
Rabiul Alam Niloy
@yoursdreamachiver
Naimur Rahman
@naimurrahman
Md Jahidul Islam
@mdjahidulislam

চাঁপা ফুলের কষ্টের আড়ালে মানুষের অবহেলার যে ছবি আঁকলেন, সেটা মনে গেঁথে যায়। বিংশতপদীর কাঠামোতে অনুভূতিটা চমৎকারভাবে ফুটিয়েছেন। অনবদ্য!