-
#unsolved_অরূপ(৫)
#শেষ_পর্ব★
আযিয মনে মনে রাতের অপেক্ষায় করছে।
রাত হলেই শুরু হবে তার মৃত্যুর খেলা,
আর রক্ত, অরূপ নামে হিংস্র সত্তা বেরিয়ে আসবে রাতে।
আজ রাতে মনের মতো খু*ন করবে, দুজনকে।
মিযানের চোখ তুলে ফেলে তার চোখের ফাকা অংশে, মাছ ধরা হুক লাগিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে দিবে।পায়ের আঙ্গুল কেটে ফেলে একটা করে সূচ ঢুকিয়ে রাখবে। এরকম অনেক কিছু মনে মনে ভেবে আছে।
আর বেলালকে সে আরো খারাপ ভাবে হত্যা করবে এতোটাই বিভৎস করবে, তা ভাবতেই মন খুশিতে ভরে উঠে।
একটু একটু করে সময় গড়িয়ে দিনের আলো, রাতের অন্ধকারে মিশে যেতে শুরু করতে থাকে।
এ রাত যে শেষ রাত, তা বেলাল সাহেব ভুল ক্রমেও জানতে পারে নি। মিযান আজ সারাদিন একটুও হাসেনি সারাক্ষণ মনমরা হয়ে ছিলো।
অনেকক্ষণ কান্না করতে করতে চোখের পানি মুখের উপরেই শুকিয়ে গেছে। বেলাল সাহেব আর মিযান দুজনেই বারান্দায় বসে, আকাশের পানে চেয়ে আছে।
কোনো কিছুই বলছে না।মাঝে মাঝে বাসার ভিতর এসে দু একজন খোজ খবর নিয়ে যাচ্ছে।
তারপর আবার নিরবতা বিরাজ করতে থাকে চারদিকে।আযিয ছদ্মবেশী অরুপ, আশেপাশে বার বার তাকাচ্ছে সে শুধু সময়ের অপেক্ষা করছে।যখন সবাই ঘুমিয়ে পরবে তখন তার আসল কাজ শুরু হবে।
এভাবে সময় তার নিজ গতিতে চলতে থাকে। রাত্রি ৯ টা বাজে,কিন্তু বেলাল সাহেবের কাছে সময় যেনো থমকে আছে।
সময়ের কথা তার মনেই নেই,তার মনে এখন অতিতের পুরোনো স্মৃতি ঘুরপাক খাচ্ছে।
কয়েকদিনে পুরো ফ্যামিলি এভাবে শুন্য হয়ে যাবে তা কল্পনাতেও ভাবেনি। বেলাল সাহেব
এক মনে নিরব হয়ে খুব গভীর চিন্তায় মগ্ন।
এক এক করে সবাই খু*ন হয়ে যাচ্ছে তার পরিবারের। মাত্র ৩ জন ছাড়া আর কেউ নেই।
এখন তার মৃত্যুর পালা তা খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে।
কিন্তু প্রশ্ন একটাই খুনি কে?আর কেনো খু*ন করছে?
কি উদ্দেশ্য তার?
কেনো জানি বেলালের মনের এক কোনে তার ভাইয়ের ছেলে আযিযের উপর সন্দেহ তৈরি হতে থাকে ।
মন বলছে আযিয নিজে খুনি, কারন বেশ কিছু জিনিষ লক্ষ করছে যা আযিযের থেকে আলাদা
ছোট্ট থেকে আযিযকে দেখে আসছে, কিন্তু কয়েকদিনের আযিয আর আগের আযিযের অনেক অমিল খুজে পেয়েছে।
প্রধানত তার চোখ কেমন জানি আযিযের চোখের মতো দেখায়না !
আর আযিযের ভাবভঙ্গি অন্যরকম, বেলাল সাহেব বেশ কিছুক্ষণ আযিযের দিকে তাকিয়ে তার সবকিছু নজরে আনলো তার চোখে অনেক কিছু অদ্ভুত লাগলো।কেমন জানি টেনশন লাগছে আযিযকে ,আর কপালে ঘাম জমে যাচ্ছে অবিরাম।কোনো কিছু অপেক্ষা করছে যে তা তার মুখের ভাব স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছে।
সবকিছু মিলিয়ে সন্দেহভাজন মনে হচ্ছে খুব,দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তারি পেশায় আছে
আর তাই মানুষের এরকম পরিবর্তন খুব ভালো করেই বুঝতে পারে।
এখন এসব কেনো ভাবছে তা নিজেও জানে না।
আর না ভেবে উপাই কি,বাচঁতে কে না চায়?
বেলাল সাহেব মনকে স্থির করে একটা উপাই বের করে।
বেলাল এটা বুঝতে পারে যে খুনি যাই হোক খুন করতে তো আসবেই, আর তাকে খুন করতে গেলে তার ঘরে প্রবেশ করতেই হবে।
তাই মনে মনে একটা ছক কষে নেয়। তারপর নিজের ঘরে প্রবেশ করে একটা ফাদ তৈরি করে
রুমে আসলেই আটকা পরবে এমন একটা ফাদ তৈরি করে।
যাক এখন মনে মনে অনেক শান্তি পাচ্ছে।
কিন্তু আবার ভয় হচ্ছে মিযানকে নিয়ে কারন যদি খুনি তার ফাদ থেকে মুক্ত হয়ে যায় তখন তো মিযানকে আর বাঁচানো সম্ভব না।
তাই বেলাল সাহেব ভাবে মিযানকে অন্যের বাড়ি নিয়ে যাওয়া ভালো অনেক মানুষ থাকবে, সেখানে মিযানকে খুন করা সম্ভব হবে না।
এই ভেবে মিযানকে মিতুর বাড়ি নিয়ে যায়।
মিতুর বাড়িতে রেখে নিজের রুমে এসে শুয়ে পরে বেলাল সাহেব।
আজ তার খেতে ভালো লাগছে না তাই কোনোকিছু খেলো না।
যদিও খেতে বলছে মিতুর আম্মু, কিন্তু সে আর খায়নি।
ঘরে এসে শুয়ে পরে এতক্ষণ মিযানের কথা ভাবতে ভাবতে আযিযের কথা ভুলেই গেছিলো। যখন আযিযের কথা মনে হলো।
তখন বারান্দায় এসে দেখে আযিয নেই, কোথায় গেছে?
আযিয তো কখনো এভাবে হুট করে চলে যায় না।
এখন তো পুরোপুরি সন্দেহ হয় আযিযের উপরেই।বিছানায় এসে শুয়ে শুয়ে আযিযের কথায় ভাবছে, তাহলে কি আযিয খুনি? আর এসব খুন আযিয খুন করেছে?
কিন্তু আযিয কেনো খুন করবে?
তার খুন করে লাভ কি নিজের ফ্যামিলিকে কেনো খুন করবে সে?
নিজের বাবা মা কে কেউ এভাবে খুন করতে পারবে?
না কিছুই ভাবতে পারছে না আজ আর ঘুম ধরবে না। বার বার চোখ বন্ধ করছে আর চোখ খুলছে
এদিকে আযিয রুপি অরূপ
তার মুখোস খুলে ফেলে হিংস্র সত্তাকে বেরিয়ে নিয়ে আসে
.
সঙ্গে নেয় হাতুরি, ধারালো অস্ত্র তলোয়ার।
আর অজ্ঞান হওয়ার স্প্রে
অরূপ এখন যাচ্ছে মিতুদের বাড়ি
অরূপ খুব ভালো করেই জানে মিতুর বাড়ি যখন মিযানকে রেখেছে তাহলে মিতুর সাথেই ঘুমিয়েছে, কারন মিতু আর তন্ময়া দুজনেই সমবয়সী তাই মিতুকে নিজের বোনের মতো ভেবে তার কাছে শুয়ে পরবে এটাই স্বাভাবিক
তাই আজ ২ জনকে খুন করতে হবে ১ মিতু ২ মিযান।
যখন সবাই ঘুমিয়ে পরেছে, তখন আলতো পায়ে মিতুদের বাসায় যায় অরূপ।
বাসায় প্রবেশ করেই দেখে একটা ঘরের দরজা খোলা। আর বাহিরে মিযানের সেন্ডেল রেখে দেওয়া। এই রুমেই দুজন শুয়ে আছে তা নিশ্চিত। কিন্তু দরজা খুলে রেখেছে কেনো তা বুঝতে পারেনি।
আর বেশি বুঝার ইচ্ছাও নাই,তার শুধু খুন করা নিয়ে কথা ।
আজ সবাইকে খুন করে এই গ্রাম থেকে বিদায় জানানোর সময় হয়ে গেছে।
চারদিকে ভালো করে তাকিয়ে ঘরের ভিতর প্রবেশ করে তারপর মাক্স পরে নেয়।
কারন অজ্ঞান হওয়ার স্প্রে যখন মিযানের মুখের সামনে ধরবে তখন পুরো বাতাসে সে অক্সিজেন মিশে যাবে আর আশেপাশে বেশ কিছু জায়গা তার প্রভাব থাকবে।
একসাথে অনেকগুলাকে অজ্ঞান করার জন্য এটা আবিষ্কার হয়েছে।
প্রথমে ভাবলো অজ্ঞান করে খুন করবে কিন্তু পরে ভাবলো না।
অজ্ঞান করে খুন করলে তো মজা পাওয়া যাবে না।এর চেয়ে জীবন্ত অবস্থায় খুন করা বেশি তৃপ্তি পাবে, এটা ভেবে হাতে তলোয়ার তুলে নিয়ে এক কোপে মিতু আর মিযানের মা*থা শরীর থেকে আলাদা করে দেয়।
মুহুর্তেই ছটফটানি শুরু হয় পুরো দেহে।
চারদিকে রক্ত গড়িয়ে পরতে থাকে বিছানা লাল রক্তে রাজ্ঞিয়ে যায়।
দুজনেই নিজেদের দেহকে ছটফট করতে করতে মাটিতে পরে যায় কিন্তু তাদের ছটফটানি থামে না।
আরূপ খুশি হলেও অতোটা খুশি হয়নি। কারন তার ইচ্ছামতো খুন করতে পারেনি।তার মনের ইচ্ছাগুলো মনেই রয়ে গেলো।
এখন সব ইচ্ছা পুরন করতে হবে বেলাল সাহেবের লাশের সাথে।
তাছারা আর উপাই নেই।
এখানে মিযানকে শুধু তার বুকে একটা আঘাত করে বুক আর শরীর আলাদা করে আরো এক খন্ড করে।
আর মিতুর পায়ের রগ কেটে দেয়
এতে করে রক্তক্ষরণ বেশি হয়।
অরূপ আর অপেক্ষা না করে হন হন হাটতে শুরু করে বেলাল সাহেবের ঘরের দিকে।
তাকে খুন করবে নিজের ইচ্ছা মতো।
বেলাল সাহেবের ঘরে প্রবেশ করতেই একটা সূচের মতো কি যেনো এসে ঘারে এসে আঘাত করে। আর সাথে সাথে মাটিতে পরে যায় অরূপ
পুরো মুখে রক্ত মেখে আছে।
বেলাল বার বার চোখ খুলছিলো আর বন্ধ করছিলো।
অরূপকে এভাবে দেখে থ হয়ে যায় বেলাল সাহেব,
নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতেই পারছে না। কিছুদিন আগে অরূপ কে নিজ হাতে মাটি দিয়েছে। তাহলে এখন কোথা থেকে অরূপ আসলো।
আর তার মুখে রক্ত লেগে আছে কেনো?বেলাল সাহেবের মাথা সম্পূর্ণ ভাবে অকেজো হতে থাকে,কোনোকিছু নিয়ে ভাবতে পারে না।
তার মাথায় নতুন প্রশ্ন উদয় হয় আযিয কোথায়?
আর অরূপের মুখে কার রক্ত লেগে আছে?
মিযানকে খুন করেনিতো আবার
আর ৭/৫ না ভেবে বিছানা থেকে নেমে বাইরের দিকে ছুটতে যাবে তখনি দরজা দিয়ে কেউ ভিতরে প্রবেশ করে।
মুখের দিকে তাকাতেই চমকে যায়।
আরে অরূপ
মাটিতে পরে আছে এক অরূপ আবার আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আরো একজন যা দেখতে অবিকল অরূপের মতো।
কি হচ্ছে আর কি হতে চলেছে কিছুই বুঝতে পারছে না।
এমন পরিস্থিতি মুখোমুখি পরে হতভম্ব হয়ে গেছে।
অরূপ কিছুক্ষণ বেলাল সাহেবের দিকে তাকিয়ে থাকে তারপর মুচকি হেসে বলে “কি ডাক্তার সাহেব কই যাচ্ছেন।
মিযান তো উপরে চলে গেছে।আর এখন আপনার পালা ”
এই বলে মুচকি একটা হাসি দেয়।
বেলাল সাহেবের ঠোট কাপতে কাপতে বলতে থাকে “কে তুমি?আর কি চাও?”
—“রক্ত চাই রক্ত”এই বলে দুইটা ধারালো অস্ত্র চালান করে দেয় বেলাল সাহেবের চোখ বরাবর
বেলাল সাহেব চিৎকার করে দুই হাত দিয়ে চোখ চেপে ধরে। আর তখনি অরূপ আরো একটা ধারালো চৌকা জাতীয় সূচ মুখের ভিতর ঢুকিয়ে দেয়।
.
চিৎকার করতে পারে না মুখ নরাতেই পারে না।
শুধু যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়।
তারপর অরূপ বেলাল সাহেবকে ধাক্কা মেরে মাটিতে শুয়ে ফেলে।
আর পায়ে অনেক বড় ধারালো সুচ পায়ের। এদিক থেকে ওদিক বের করে দিতে থাকে।
যদিও সহজে শরীরে এদিক থেকে ওদিক বের করা যায় না।তার জন্য হাতুরি ব্যবহার করে।
আর পুরো শরীর জুরে এক ইঞ্চি পর পর বড় বড় ধারালো সুচগুলো শরীরে ঢুকিয়ে দেয়।
পুরো শরীর রক্তে ভেসে যেতে থাকে, আর সেই সাথে গোঙ্গানি আওয়াজ বের হতে থাকে বেলালের মুখ থেকে।
বেলাল চাইছে এই মুহুর্ত পুরো শরীর মোচরাতে কিন্তু পারছেনা।
এই সুচগুলো তাকে মাটির সাথে লেপ্টে রেখেছে।
এভাবে সুচ ফুটিয়ে দিতে দিতে যখন সর্ব অঙ্গ এমনকি হাতের নখ পর্যন্ত দেওয়া শেষ হয়ে গেলো। শুধু মাথা টুকু বাকি।
তখন অরূপ ভেবে পাচ্ছে না কিভাবে মাথাটাকে যন্ত্রণা দেওয়া যায়।
কিভাবে আরো বেশি কষ্ট দেওয়া যায়!
৫ মিনিট চুপ করে থেকে ভাবতে থাকে, তারপর একটা বাটাল কোথা থেকে জানি ম্যানেজ করে নিয়ে এসে কপালে আঘাত করে।
আর যখনি মাথায় আঘাত করেছে তখন শরীর সব ব্যাথার চেয়ে এ ব্যাথা বেশি কষ্টদায়ক মনে হয়েছে বেলাল সাহেবের কাছে।
সবগুলো সূচ নিয়ে পুরো শরীর উলটা দিকে মোচড় দেয়।
এতে তার ব্যাথা আরো বারে।এবার উবু হয়ে পরে। যার ফলে সুচগুলো আরো গভীরে যেতে থাকে।
আর অরূপ আরো সুযোগ পেয়ে যায় মাথার খুলির পিছনের অংশ আঘাত করে।
বেলাল নিজেকে আর ধরে রাখতে পারে না।
খুব জোরে একটা গোঙ্গানি দিয়ে চিরতরে বিদায় জানায় এ শরীরকে
রুহ শরীর থেকে আলাদা হয়ে যায়।
কিন্তু অরূপের নেশা কমেনি এখনো তাই সে সমান তালে আঘাত করতেই থাকে, করতেই থাকে।
শেষমেশ খুলি ভেঙ্গেই ফেলে আর মগজ বের করে তা নিজ হাতে নাড়াচাড়া করে।
চোখের সামনে নিয়ে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে মগজের দিকে।
সময়ের কথা ভুলেই গিয়েছিলো এতক্ষনে।
হঠাৎ হাত ঘড়িটার উপর নজর পরাতে সময়ের কথা মনে হলো।
।
ঘড়িটার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে নিজেই বলতে থাকে নাহ আর বেশি দেড়ি করা ঠিক হবে না।
মগজটা একটা ব্যাগে নিয়ে। অজ্ঞান হয়ে থাকে অরূপের কাছে গিয়ে তাকে আযিযের মুখোশ পরিয়ে দিয়ে।
বাসা থেকে বের হয়ে যায়।
***পরেরদিন সকালে***
শার্ট টাই নীল, এশ কালারের কোর্ট আর নৌ বাহিনীর বেশ কয়েকটা ব্যাচ বুকে ঝুলিয়ে হাটতে থাকে নতুন গন্তব্য
নতুন পরিচয়ে নতুন ভাবে খুন করে তার রক্তের পিপাসা মিটাবে।
তাকে দেখে কেউ বুঝতেই পারবে না, গত রাতে বিভৎস খুন করেছে।
নকল দাড়ি আর মোটা কালো ফ্রেমের চশমা ব্যাচে নেমপ্লেটে নতুন নাম মোঃ জায়ান ইসলাম
নতুন নাম নতুন চেহারা
সকালে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বাসের অপেক্ষা করছে, বাস আসতে খুব বেশি সময় লাগলো না।
যথাসময়ে বাস এসে হাজির হয়ে গেলো।
কোথায় যাচ্ছে তা অরূপ ছদ্মবেশী মোঃ জায়ান ইসলাম ছাড়া আর কেউ জানে না।
তবে এবার আবার যে খুনের সাগর বইতে যাচ্ছে তা নিশ্চিত।
বাসে উঠে পেপার বিক্রি করতে এক বাচ্চা বাসে উঠে সেখান থেকে পেপার কিনে প্রথম পাতা। খুলতেই দেখে খুব সুন্দর একটি জায়গা।
চারদিকে অনেক গাছপালা আর সবুজের সমরহ
মনে মনে ভাবে এবার এই জায়গাটাকে শ্মশান করার দায়িত্ব তার। এই বলে মুখের কোনে মুচকি হাসি দিয়ে পেপারটা ভাজ করে জানালা দিয়ে প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য দেখতে থাকে।
শুরু হবে আবার রক্ত খেলা, নতুন নামে নতুন পরিচয়ে।
সমাপ্তি
(আগেই বলছি অমিমাংসিত গল্প তাই অনেক রহস্য রয়েই গিয়েছে। আশা করি #unsolved_অরূপ ২ গল্পে সব রহস্য সমাধান করবো)
ততক্ষণ সুস্থ থাকু সুন্দর থাকুন এই কামনায় বিদায়
আল্লাহ হাফেজ
#লেখা_উইনমি1 Comment
Friends
ভাস্কর
@vaskarchou
Kanej-Roksana
@kanej-roksana
প্রিন্স ঠাকুর
@princetagorebd
Abu Raihan
@aburaihan
মো : দিদারুল ইসলাম
@didarmahmud831
মাওলানা শাকির হাসান ফরাজী
@mawlanashakirhasanfarazi
রোহেনা আক্তার
@ruhena160089
শ ম ফরীদ আহম্মেদ
@sfahmed749gmail-com
সাম্য রায়
@gourabroy

বাসের জানালায় মুখ রেখে অরূপের সেই মুচকি হাসি এবং নতুন শিকারের খোঁজ—এ যেন একটি সার্থক থ্রিলার চলচ্চিত্রের সমাপ্তির মতো।