Profile Photo

তোহফাতুর রাব্বি পিয়ালOffline

  • piyalcu
  • তুই কি আমার ক্ষুধার রাতের, আকাশ ছাওয়া চাঁদনি হবি?
    প্রভাত পরশ ঠিক যেভাবে, খুব ব্যথাতেও বাঁচতে শেখায়।
    চৈত্রদিনের ক্লান্ত পথে, তুই কি আমার কদম ধোয়া বর্ষা হবি?
    অঢেল সুখেও কুল ছাপানো, নিখাদ আদর যেমনি কাঁদায়।
    তুই কি আমার ভীষণ জ্বরে, স্নিগ্ধ একটা বিকার হবি?
    অন্ধকারের জলসা ঘরে, পাড় মাতালের ঘোরের ভেতর
    যেমন করে মেঘবালিকার গল্প ছড়ায়।
    তুই কি আমার উঠোন জোড়া, হলুদ শাড়ীর স্পর্শ হবি?
    জীর্ণ ঘরের ভাঙ্গা চালায়, হঠাৎ নামা জ্যোৎস্না প্লাবন
    অচিন সুরের পরাগ মেখে,কাজলা বধূর দুঃখ মোছায়
    দূর পাহাড়ের ওপার থেকে, স্বপ্ন রাঙ্গা পত্র ঠোঁটে।
    তুই কি আমার সোনার বরণ পায়রা হবি?
    মোহন বীণার নিবিড় বেদন, হৃদমাঝারে ঠিক যেরকম
    রঙ্গিন ঘুমের আবির মাখায়।
    তুই কি আমার সব হারানোর, দহন জ্বালার কষ্ট হবি?
    পাঁজর চেরা পরান পাখি, কেমন করে বুকের ভেতর
    গুমড়ে উঠে খুব গোপনে, এত্ত কাঁদায়?
    প্রাঙ্গনের ওই বকুল শাখায়, তুই কি আমার ধুসর চোখের
    উদাস কোমল মায়া হবি?
    খরায় জরায় অবহেলায়, ভগ্ন নীড়ের তিতির পাখি
    আবার ডাকে বাঁচার নেশায়।
    তুই কি আমার কিষাণ মনের, নিরস মাঠের মধ্যখানে
    একটুখানি নরম হবি?
    ঘুঘু ডাকা দুপুর বেলায়, শ্রান্ত রাখাল বটের ছায়ায়
    নিত্ত অভাব, জমাট অসুখ, সবটা ভুলে নিজ খেয়ালে,
    আপন গানের অভিলাষে, চোখ বুঝে রোজ যেমন ঘুমায়।
    তুই কি আমার শান বাধানো পুকুর ঘাটের সন্ধ্যা হবি?
    জানলা জুড়ে ফুরফুরে ভোর,হাল্কা আজান কাঁসর ঘন্টা,
    একসাথে রোজ মিলিয়ে গিয়ে, কেমন যেন শান্তি নামায়।
    শোষণ জ্বালার আর্তনাদে, তুই কি আমার, প্রতিবাদের ভাষা হবি?
    কেউ না জানুক তুই তো জানিস, কোন সে কোণের পুবাল হাওয়া,
    হৃদয়টাকে এমন কাঁপায়।
    তুই কি আমার বাউল মনের, সহজ ব্যথার কাব্য হবি?
    দারুণ ঝড়ের সর্বনাশে, তোর মাখানো ভাতের গেরাশ,
    আজো আমার চোখটা ভেজায়।
    অশ্রু নদীর নির্বাসনে, তুই কি আমার ভুল ঠিকানার,
    ছোট্ট সাদা নৌকা হবি?
    আউলা শীতের জোনাক রাতে, যেমন করে উষ্ণতা দিস,
    পরম সুখের নির্ভরতায়।
    তুই কি আমার টকটকে লাল রক্তচোখে, নীলাভ শান্ত শহর হবি?
    কুসুম দীঘল চুলের চাদর, এখনো সেই আগের মতন,
    যত্ন করে তৃষ্ণা জাগায়।
    যন্ত্রচাকার ঘুর্ণিপাকে, বেনামি এক ভ্রান্ত ভীড়ে, তুই কি হঠাৎ থমকে পরা,
    নিটোল কালো সময় হবি?
    শেষ গোধুলীর অস্তরাগে, সব কাহিনী মিথ্যে করে,
    তোর হাতের ওই শীতল ছোঁয়া, একমাত্র সত্যি হয়ে,
    সাঁঝ প্রদীপের শীর্ণ আলোয়, বিদায় বেলার বাসর সাজায়।তুই কি আমার ক্ষুধার রাতের, আকাশ ছাওয়া চাঁদনি হবি?
    প্রভাত পরশ ঠিক যেভাবে, খুব ব্যথাতেও বাঁচতে শেখায়।
    চৈত্রদিনের ক্লান্ত পথে, তুই কি আমার কদম ধোয়া বর্ষা হবি?
    অঢেল সুখেও কুল ছাপানো, নিখাদ আদর যেমনি কাঁদায়।
    তুই কি আমার ভীষণ জ্বরে, স্নিগ্ধ একটা বিকার হবি?
    অন্ধকারের জলসা ঘরে, পাড় মাতালের ঘোরের ভেতর
    যেমন করে মেঘবালিকার গল্প ছড়ায়।
    তুই কি আমার উঠোন জোড়া, হলুদ শাড়ীর স্পর্শ হবি?
    জীর্ণ ঘরের ভাঙ্গা চালায়, হঠাৎ নামা জ্যোৎস্না প্লাবন
    অচিন সুরের পরাগ মেখে,কাজলা বধূর দুঃখ মোছায়
    দূর পাহাড়ের ওপার থেকে, স্বপ্ন রাঙ্গা পত্র ঠোঁটে।
    তুই কি আমার সোনার বরণ পায়রা হবি?
    মোহন বীণার নিবিড় বেদন, হৃদমাঝারে ঠিক যেরকম
    রঙ্গিন ঘুমের আবির মাখায়।
    তুই কি আমার সব হারানোর, দহন জ্বালার কষ্ট হবি?
    পাঁজর চেরা পরান পাখি, কেমন করে বুকের ভেতর
    গুমড়ে উঠে খুব গোপনে, এত্ত কাঁদায়?
    প্রাঙ্গনের ওই বকুল শাখায়, তুই কি আমার ধুসর চোখের
    উদাস কোমল মায়া হবি?
    খরায় জরায় অবহেলায়, ভগ্ন নীড়ের তিতির পাখি
    আবার ডাকে বাঁচার নেশায়।
    তুই কি আমার কিষাণ মনের, নিরস মাঠের মধ্যখানে
    একটুখানি নরম হবি?
    ঘুঘু ডাকা দুপুর বেলায়, শ্রান্ত রাখাল বটের ছায়ায়
    নিত্ত অভাব, জমাট অসুখ, সবটা ভুলে নিজ খেয়ালে,
    আপন গানের অভিলাষে, চোখ বুঝে রোজ যেমন ঘুমায়।
    তুই কি আমার শান বাধানো পুকুর ঘাটের সন্ধ্যা হবি?
    জানলা জুড়ে ফুরফুরে ভোর,হাল্কা আজান কাঁসর ঘন্টা,
    একসাথে রোজ মিলিয়ে গিয়ে, কেমন যেন শান্তি নামায়।
    শোষণ জ্বালার আর্তনাদে, তুই কি আমার, প্রতিবাদের ভাষা হবি?
    কেউ না জানুক তুই তো জানিস, কোন সে কোণের পুবাল হাওয়া,
    হৃদয়টাকে এমন কাঁপায়।
    তুই কি আমার বাউল মনের, সহজ ব্যথার কাব্য হবি?
    দারুণ ঝড়ের সর্বনাশে, তোর মাখানো ভাতের গেরাশ,
    আজো আমার চোখটা ভেজায়।
    অশ্রু নদীর নির্বাসনে, তুই কি আমার ভুল ঠিকানার,
    ছোট্ট সাদা নৌকা হবি?
    আউলা শীতের জোনাক রাতে, যেমন করে উষ্ণতা দিস,
    পরম সুখের নির্ভরতায়।
    তুই কি আমার টকটকে লাল রক্তচোখে, নীলাভ শান্ত শহর হবি?
    কুসুম দীঘল চুলের চাদর, এখনো সেই আগের মতন,
    যত্ন করে তৃষ্ণা জাগায়।
    যন্ত্রচাকার ঘুর্ণিপাকে, বেনামি এক ভ্রান্ত ভীড়ে, তুই কি হঠাৎ থমকে পরা,
    নিটোল কালো সময় হবি?
    শেষ গোধুলীর অস্তরাগে, সব কাহিনী মিথ্যে করে,
    তোর হাতের ওই শীতল ছোঁয়া, একমাত্র সত্যি হয়ে,
    সাঁঝ প্রদীপের শীর্ণ আলোয়, বিদায় বেলার বাসর সাজায়।

    2
    6 Comments
Skip to toolbar