-
রোহিঙ্গা চতুর্থ পর্ব
– শরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানভেসে ওঠে মানুষের লাশ
মানুষই তার হন্তারক এখানে
শিশু যুবা বৃদ্ধ বাদ নাই কেউ
নাফ নদীতে লাশ সর্বস্থানে।মানুষ অমানুষ হলে পরে
মানুষের রক্ত বুঝি খায় রে
আধুনিকতায় এই বর্বরতা
দুনিয়ার শকুন সু চি তুই রে।শকুনের জাত দেখ দুনিয়াবাসি
চিনে রাখ মায়ানমারি বৌদ্ধ রে
এরা অমানুষ ঘৃণ্য হায়েনা সম
এদের মুক্তি কিছুতেই নাই রে।আজ যে ভাসে রক্ত জল নাফের বুকে
হয়ত কালও ভাসবে রক্ত জল ঐ নদীতে
তবে তা রোহিঙ্গা রক্ত নয় যেন ওগো বন্ধু
ঐ শকুন সু চি আর বৌদ্ধগুলোর একসাথে।4 Comments-
শ.ম.ওয়াহিদুজ্জামান, আপনার লেখনীতে ফুটে ওঠা হাহাকার আর তীব্র প্রতিবাদের ভাষা পাঠককে গভীরভাবে নাড়া দেয়। এই গভীর যন্ত্রণাময় অনুভূতির বহিঃপ্রকাশগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রতিটি পঙক্তি যেন এক একটি জীবন্ত দৃশ্যপট তৈরি করেছে। আপনার এই আবেগময় লেখার পাশাপাশি আমাদের এই গ্রুপের অন্য সদস্যদের লেখাতেও লাইক বা কমেন্ট করে সক্রিয় অংশগ্রহণ করলে পুরো পরিবেশটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
শরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান
বহুমাত্রিক লেখক
শরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান। শ.ম.ওয়াহিদুজ্জামান নামেই পরিচিত। জন্ম ১৩ এপ্রিল, বরিশাল জেলার বাবুগন্জ থানার দক্ষিন রাকুদিয়া গ্রামে। পিতা-মো.আবু হোসেন শরীফ, মাতা-মিসেস দেলোয়ারা হোসেন। তিন ভাই এক বোন। তিনি গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন সরকারী বি.এম কলেজ,বরিশাল থেকে। স্কুল জীবনেই লেখালেখির সঙ্গে জড়িয়ে পরেন। দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় প্রথম কবিতা, ছোটগল্প, প্রবন্ধ, শিশুতোষ গল্প, গোয়েন্দা গল্প এবং ভ্রমণ কাহিনী প্রকাশিত হয়েছে। সৃজনশীল ভাবনার সৃষ্টিশীল রুপদানে পাঠকের হৃদয়ে তৃপ্তি প্রদানের নিমিত্তে প্রতিনিয়ত লেখক নিজেকে উজাড় করে দিয়ে অনিন্দ্য সুন্দর সাহিত্য সৃষ্টিতে নিয়োজিত রয়েছেন। একটি সুখি সমৃদ্ধ সুন্দর মায়া মমতায় পরিপূর্ণ বিভেদহীন বাংলাদেশ রয়েছে লেখকের কল্পনায়।প্রকাশিত বই ১৯টি,কাব্যগ্রন্থ- অপরিচিতা নামে,আবু সাঈদ,সাদা মনের মানুষের দলে,লাল সবুজ পতাকা,আমরাও খুনি হব,জয়নালের কিছু স্বপ্ন ছিলো,উপন্যাস-কাশফিয়া, প্রবন্ধ গ্রন্থ-সফলতার উপকরণ,গোয়েন্দা গল্প-সুমন্তর গোয়েন্দা অভিযান,ছায়াপাখি,ভূতের কান্না,লাল মলাট রহস্য, ছোটো গল্প-ধূসর রঙের জীবন,রক্তিম মানচিত্র।



শ.ম.ওয়াহিদুজ্জামান লেখাটা পড়ে মনের ভেতর অনেক কষ্ট হচ্ছে। নাফ নদীর এই করুন দৃশ্যগুলো আপনি চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।