Profile Photo

খালেদা আক্তারOffline

  • KhaledaAkhter
  • ইরার সংসার
    বৃদ্ধা মহিলা মারা যাবার পরপরই ওরা দুজন স্বামী স্ত্রী কোথায় উদাও হয়ে গেলো,পুলিশ ওদের তন্নতন্ন করে ও খুঁজে পাচ্ছে না।
    আজকাল কে কার খবর রাখে ।
    সবাই নিজের সংসার নিয়ে ব্যাস্ত , ঔ মহিলার মৃত্যু যেন এক রহস্যের চাদরে ঢাকা পরে গেল। পুলিশের তদন্ত চলছে, ওরা কিছু জানলে, আমরাও জানতে পারবো ।
    যদিও মৃত্যু স্বাভাবিক ভাবেই হয়েছে, শরী…Read More

    3
    4 Comments
    • সবাই নিজের সংসার নিয়ে ব্যাস্ত

    • রহস্যের চাদর যতই ঢাকুক শান্তির খোঁজে মানুষ ঠিকই ছুটে ফেরে শেকড়ের টানে…..🤍🖤

    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম থ্রিলার মুভির মতো রোমাঞ্চ অনুভব করলাম, কিন্তু ওই গোপন কুঠুরির ভেতরে ইরা আর অর্নব আসলে কী দেখেছিল সেটা কি আমাদের একটু খুলে বলবেন?

    • সংসারের মধ্যে থেকেও শান্তি খোঁজা…………… এই যাত্রা খুবই বাস্তব

  • ইরার সংসার
    তিনদিন ধরে ইরা বাইরে ময়লা ফেলতে যায় না, খালা কাজ শেষ করে ময়লা সাথে করে নিয়ে চলে যায়।
    অর্নব কাজে বের হবে, একটুপরে হন্তদন্ত হয়ে ফিরে এলো, ইরা ইরা ডাকছে, ইরা রুম থেকে বের হয়ে বলে কি হলো ফিরে এলে যে, অর্নব বলে তুমি ঠিকই বলেছ, পাশের ফ্ল্যাট থেকে উৎকট গন্ধ বেরুচ্ছে।
    তো আমি কি করবো, একটু রাগান্বিত স্বরে বলে, ঔদিন না বললে পরের কথা না ব…Read More

    6
    8 Comments
  • ইরার সংসার
    কালকে সব মেহমান চলে গেছে, ঘড়িতে তখন আটটা ঝুমঝুম বৃষ্টির শব্দে ড্রয়িংরুমের কাঁচের জানালাগুলো আবছা হয়ে এসেছে ।
    ইরা কিচেনে দাঁড়িয়ে ধোঁয়া ওঠা চা ঢালছিল দুটো কাপে, অর্নব ল্যাপটপ বন্ধ করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে হেলান দিল ।
    ফার্মেসীর সারাদিন খাটাখাটুনির পরে, এই সময়টুকু তাদের আসল জিরোনের জায়গা।
    চা নাও ইরার গলায় হালকা অভ…Read More

    3
    4 Comments
    • ভালোবাসার উষ্ণতায় জমে ওঠে সংসার
      দরজার ওপাশে অপেক্ষা করে অজানা রহস্য…..🤍🖤

    • আপনার লেখাটির ‘সংসারের ছোট্ট মূহুর্তগুলো দিনশেষে একসঙ্গে বসা এক কাপ চা আর ঝুম বৃষ্টি দুই ভাইয়ের মতো সমান্তরালে দৌড়াতে থাকা দুটো জীবনকে এক সূতোয় বেধে ফেলা’ লাইনটা ভীষণ সুন্দর আর ছোঁয়া লেগেছে মনে। পরবর্তী পর্বে কি প্রতিবেশীর ফ্ল্যাট থেকে আসা ওই রহস্যময় গন্ধের কোনো ভয়াবহ সত্য বেরিয়ে আসবে?

    • খুব সুন্দর মিষ্টি বর্ণনা সংসারের। রহস্যের ইঙ্গিত থাকাতে মন শংকায় ভরে উঠল – এই মিষ্টি সংসারের কী হবে …

  • ডায়েরি থেকে নেওয়া ১৯৮৫ সাল
    তখন আমি অনেক চিঠি লিখতাম, বাড়ির বাধা খালা তার চিঠি নিয়মিত লিখতাম।
    তারপর ভাড়াটিয়াদের চিঠি লিখে দিতাম, পাশের বাসার প্রতিবেশিরও চিঠি লিখে দিতাম । একদিন এমন হয়েছে আমার আপন
    চাঁচির এক্স বয়ফ্রেন্ডের চিঠি ও লিখেছি,যদিও আমি জানতাম না,একথা পরে জেনেছি । চাঁচি বলেছেন আমাকে একটি চিঠি লিখে দাও,আমি পরে নাম বসাবো,তে আমি…Read More

    4
    8 Comments
  • ইরার সংসার
    আজ আকাশটা খুব চমকাচ্ছে, আকাশটাকে দেখে মনে হচ্ছে তার সমস্ত ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে, অনেক জোরে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে যেন কান
    বন্ধ হয়ে গেছে ।
    ইরার মেজাজটা সকাল থেকেই খিটখিটে হয়ে আছে, অরন্য একটু দুস্টমি করলেই, ইরা চোখ রাঙাচ্ছে, অরন্য ভয়ে কুঁকড়ে থাকে ।
    অর্নব অনেক কস্টে নিজস্ব একটি ফার্মেসী দিয়েছে,
    ঢাকায় ছোট্ট একটি দু…Read More

    5
    10 Comments
    • এমন ঝড়-বাদলের দিনে আরো জমাট গল্প হোক!

    • সংলাপগুলো এত স্বাভাবিক আর সাবলীল লেখা যে পড়তে পড়তে চরিত্রগুলোর সাথে একাত্ম হয়ে যাচ্ছিলাম। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

    • “ইরা দুচোখ বিস্ফোরিত করে বলে, আরও দুদিন,তুমি জানো এত কাজ করার পরও কোথাও বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা পাইনা”—এই লাইনটিতে একজন মানুষের মনের ক্লান্তি এবং পরিস্থিতির অসহায়ত্ব যেভাবে ফুটে উঠেছে তা সত্যিই দারুণ, তাই আপনার এই লেখার পরবর্তী পর্ব পড়ার অপেক্ষায় রইলাম, আপনি অনেক চমৎকারভাবে বাস্তব জীবনের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তুলেছেন!

    • বাস্তব জীবনের টানাপোড়েন আর দাম্পত্যের ছোট ছোট অভিমান খুব স্বাভাবিকভাবেই ফুটে উঠেছে।
      ইরার ক্লান্তি, অর্নবের অসহায়ত্ব আর আটপৌরে সংসারের চাপ গল্পটাকে বেশ জীবন্ত করে তুলেছে।

    • সংসারের ছোট্ট গণ্ডিতে ক্লান্তি আর অভিমান জমতে জমতে নীরব দূরত্ব হয়ে ওঠে
      দুজনের মাঝে থেকে যায় শুধু ভালোবাসার নিঃশব্দ প্রতীক্ষা….🤍🖤

  • বয়সের রেলগাড়ী

    মুখের উপর বয়সের
    রেলগাড়ী চলে গেছে
    এক স্টেশন থেকে,
    আরেক স্টেশনে ।
    রেলগাড়ী চলছে,
    চলছে, চলছেই ।
    আপাতত থামার
    কোন স্টেশন নেই,
    কোন স্টেশনে
    গিয়ে থামবে,
    এটারও কোন,
    নিশ্চয়তা নেই ।

    ২৭/৮/২০২৬

    4
    4 Comments
    • মুখের উপর বয়সের
      রেলগাড়ী চলে গেছে

    • বয়সের যাত্রাকে রেলগাড়ির সাথে তুলনা করার এই চমৎকার ভাবনাটি মনের গভীরে বেশ ভালো প্রভাব ফেলেছে। আপনি যদি সময়ের গতিপথের সাথে মিলিয়ে স্মৃতির কোনো টুকরো ছবি এতে যোগ করেন, তবে লেখাটি আরও মায়াবী হয়ে উঠবে। আপনার লেখনী সত্যিই দারুণ, তাই নিয়মিত লিখে নিজের ভাবনার জগৎকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলুন।

    • চমৎকার লিখেছেন

    • আপনার এই লেখায় আপনার বোধের স্পষ্টতা ফুটে উঠেছে। আপনার সৃজনশীল চলার পথ উত্তরোত্তর আরো সুপ্রশস্ত হোক এই প্রত্যাশায় শুভকামনা…

  • রোদ বৃষ্টি

    রোদ বৃষ্টির খেলায়
    কখনো রোদ
    কখনোবা বৃষ্টি,
    কি যে অপরুপ সৃষ্টি ।
    বৃষ্টি পরে ঝমঝম
    তারপরে রোদ এসে
    ধরনী করে
    রোদের তাপে গনগন ।
    রোদ বৃষ্টির মিলনমেলা
    এযেন রেলগাড়ীর
    বগির মতো,
    একসাথে চলছেই ।

    ১৯/৮/২০২৬[

    13
    5 Comments
    • খুব সুন্দর…

    • প্রকৃতির এই রূপান্তর ও রোদ-বৃষ্টির এমন ছন্দময় বর্ণনা পড়ার সময় মনে হচ্ছিল যেন চোখের সামনেই মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি খেলা দেখছি। বিষয়বস্তুর সাথে এমন সহজ ছন্দের মেলবন্ধন সত্যিই দারুণ, তাই নিয়মিত লিখে আপনার মনের ভাবগুলো আরও ছড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ রইল।

    • আপনার রোদ বৃষ্টির বর্ণনাটা দারুণ হয়েছে, আচ্ছা আপনার কি রোদ আর বৃষ্টির এই লুকোচুরি খেলাটা বেশি ভালো লাগে নাকি ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়াটা বেশি উপভোগ করেন?

    • ছন্দটা ঠিক বৃষ্টির মত সুমধুর!

    • বাংলার প্রকৃতির চিরায়ত রূপ ___ শ্রাবণের এই রোদ-বৃষ্টির খেলা, এই রোদ-বৃষ্টির মিলনমেলা ফুটে উঠেছে আপনার লেখায়। শুভ কামনা!

  • ছোট গল্প
    নাক ডাকা

    দ্রিমদ্রিম দ্রিম, ভট ভটভট,নাক বন্ধ করে মুখে ঘোঁত ঘোোঁত শব্দ করছে, ইরার
    ঘুম ভেঙে গেল এইসব আজগুবি শব্দের কারণে ।
    ইরার স্বামী অর্নব ঘুমের মধ্যে বিকট শব্দে নাক ডাকছে ।
    ইরার প্রতিদিন এরকম ডিস্টার্ব হয় কিন্তু
    অর্নব আজকে একটু বেশি নাক ডাকছে,
    ঘুম ভেঙে ইরা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে
    অর্নবের দিকে,খানিক পরে সহ্য করতে না…Read More

    5
    11 Comments
    • মজা পেলাম

    • অর্নবের নাক ডাকার শব্দের সেই পরিচিত দৃশ্যটি ফুটিয়ে তোলার ভঙ্গি বেশ উপভোগ্য এবং সবশেষে “দুজনেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন” এই লাইনটিতে স্বামী-স্ত্রীর খুনসুটির এক দারুণ মানবিক রূপ প্রকাশ পেয়েছে, তাই আপনার এই চমৎকার লেখাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো এবং আপনার কলম এভাবেই সবসময় সচল থাকুক।

    • গল্পটা পড়ে খুব হাসি পাচ্ছে, বিশেষ করে শেষ মুহূর্তের টুইস্টটা দারুণ হয়েছে!

    • ‘ইরা’ আর ‘অর্ণব’ ___ আপনার নায়িকা-নায়কের নাম দুটো তো খুব সুন্দর!

    • গল্পে ইরা আর অর্নবের একটা মিষ্টি প্রেমের আভাস আছে, সেই গল্পটা পড়তে চাই মঞ্চবন্ধু!

      • তাই নাকি এখানে মিস্টি প্রেম কোথায় দেখলেন মঞ্চবন্ধু, তবে আরও পর্ব চাইলে চেষ্টা করবো।

      • এইযে, প্রিয় মানুষটার এমন বিরক্তিকর নাক ডাকার বদভ্যাসটা এক সময় নিজের অভ্যসে পরিণত হওয়া এবং এই অভ্যাসগুলো তার কথাই আবার মনে করিয়ে দেয় এসব ভালোবাসা না থাকলে হয় না মঞ্চবন্ধু!আর পরের পর্ব লিখলে পড়ব নিশ্চয়ই!

    • হাস্যরসের আড়ালে দাম্পত্য জীবনের সুন্দর একটি দিক ফুটে উঠেছে। শেষের টুইস্টটা সত্যিই মজার। ছোট গল্প হিসেবে বেশ উপভোগ্য হয়েছে।

    • দাম্পত্য জীবনের দৈনন্দিন খুঁটিনাটি বিরক্তি ও হাস্যরসের এক অপূর্ব মেলবন্ধন এই মিষ্টি গল্পাংশটি। অন্যের দোষ ধরতে গিয়ে অজান্তেই নিজে সেই একই ভুলের অংশীদার হয়ে পড়া এবং দিনশেষে দুজন মিলে ‘ভট ভট করে জাহাজ চালানো’র মধ্য দিয়ে যৌথ জীবনের এক পরম স্বাভাবিক ও আনন্দময় বাস্তবতাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

  • রম্য কবিতা
    ছনছন
    বৃষ্টি পড়ে রিনিকঝিনিক
    ভর্তাটা হয়েছে সেই পিনিক পিনিক
    রেলগাড়ী ঝমঝম,
    নুপুর বাজে ঝনঝন ।
    রুমকির হাতে থালা পরে
    বাজে ঠনঠন ,
    দূরের ঔ ঘন্টি
    বাজে ডংডং ।
    পাশের বাড়ি চাচি
    ঝগড়া করে কনকন,
    খালা এসে বাসন
    মাঝে ঝনাতঝন ।
    রাত বারোটা ভূতের ভয়ে
    বাড়ি করে ছমছম,
    ছোট্ট ঔ ভূতনি
    নাচে ছনছন ।

    ১৬/৮/২০২৬

    10
    9 Comments
  • রম্য কবিতা
    সাকা
    এক যে ছিল সাকা
    পথ চলে বাঁকা,
    দাঁত কেলিয়ে হাসে শুধু,
    বুলি ছাড়ে ফাঁকা ।
    রাস্তা দিয়ে হাঁটে যখন
    মুখ কিলিয়ে দাঁত খিঁচিয়ে
    থুতু ফেলে যত্রতত্র,
    মানুষ তাকিয়ে থাকে তখন ।।।

    5
    13 Comments
  • Load More Posts
Skip to toolbar