-
কবিতা
শিরোনামঃ নাফের তীরে পরীর দ্বীপ।
কলমেঃ আব্দুল্লাহ আল আমিন।আহা কী রঙিন দিন কাটাইতাম শাহ পরীর দ্বীপে,
নাফ নদী বাঁকে বাঁকে হাসে রূপের প্রদীপে।
প্রভাত-কুয়াশা কেটে সোনা ঝরে জলে,
জেলে মাঝি পাল তোলে মধুর কোলাহলে।
গাঙচিল কিচিরমিচির করে তীর ঘেঁষে উড়ে,
তাদের ডানায় লেখা থাকে নাফের পত্র জুড়ে।
প্রাতঃকালে জেলে আনে রুপালি ইলিশের ভিড়,
মধ্যাহ্নে আনে লইট্যা, অপরাহ্ণে ভোলার নীড়।
চিংড়ি লাফায় নৌকায়, মুক্তো যেন ঝরে,
মৎস্যরাজ্যে নাফ তখন গর্বে কথা বলে।
তটের ধারে সওদাগর শুঁটকি মেলে রৌদ্রে,
সুবাসে ম ম করে বায়ু, প্রাণ জুড়ায় গভীরে।
নাফের মৎস্যের স্বাদ, সে যে মন ভোলানো,
একবার আস্বাদিলে হৃদয় মন মাতানো।
নারিকেলের সারি দোলে নীলাম্বর ছুঁয়ে,
সুপারি পল্লব বাজে যেন নূপুর হয়ে।
রক্তিম কাঁকড়া আঁকে আলপনা বালুচরে,
নববধূর ন্যায় সাজে প্রভাত-সন্ধ্যা ভরে।
কেওড়া কাননে ছায়া, ম্যানগ্রোভের গহন বন,
শ্বেত-কৃষ্ণ বকে ভরা, কী অপরূপ মন।
একই শাখায় বসে তারা, সহোদর হয়ে,
হিংসা ভুলে বাঁচে তারা, প্রেমে রয়ে।
জননী মোর অন্ন দিত, বৃহৎ মৎস্য-খণ্ড তুলে,
স্নেহের পরশে দিত মুখে তুলে।
সেই আস্বাদ ভুলিব কী প্রকারে,
পরীর দ্বীপ ডাকে মোরে বারে বারে।
আজও কর্ণে বাজে নাফের কলতান,
গাঙচিলের ধ্বনিতে খুঁজি ফেলে আসা প্রাণ।
জন্ম আমার পরীর দ্বীপের ক্রোড়ে,
সুখে ছিলাম মোরা জননীর আঁচলে।
হে নাফ, হে জননী, স্মরণে রেখো মোরে,
আমি তোমারই সন্তান, ফিরিব তোমার তীরে।
4 Comments
Friends
MA Rashid
@marashid
Shamim Hossain
@shamimhossain
মোঃ আব্দুল আজিজ রাকীব
@abdulazizcox503gmail-com
CEC for Training
@cecfortraining
ওমর ফারুক আশরাফী
@mdalauddin
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুনির
@almunir
k helal
@khelal
Aziz Helali
@azizhelali
ATM SHAH ALAM SIKDER
@atmshahalamsikder



নাফের তীরের মনোরম দৃশ্য আর স্মৃতিকাতরতা যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আপনি যদি প্রতিটি স্তবকের ছন্দে সামান্য বৈচিত্র্য নিয়ে আসেন, তবে এই বর্ণনাগুলো পাঠকের মনে আরও গভীর দাগ কাটবে। আপনার এই অপূর্ব সৃজনশীলতা বজায় রাখুন এবং নিয়মিত কলম চালিয়ে যান।