Profile Photo

মিহির চৌধুরী ইমনOffline

  • mihirChowdhuryEmon
  • কবিতা তখনও কবিতা হয়ে ওঠেনি
    মিহির চৌধুরী ইমন

    কবিতা তখনও কবিতা হয়ে ওঠেনি
    নবজন্মানো শিশুর মতো—
    অক্ষরগুলো কেবলই
    সংসারের আলো-বাতাসে প্রথম পা রেখেছে।

    তখনও
    তার গায়ে
    সভ্যতার কোনো পোশাক ওঠেনি,
    কোনো নামের
    সেলাই লাগেনি শরীরে;

    তাই তার
    অনাবৃত অস্তিত্ব দেখে কেউ কেউ
    লিঙ্গ খুঁজে ফেরে,
    কেউ খুঁজে ফেরে পরিচয়।

    কেউ তাকে ‘কবিতা’ বলে ডাকে,
    কেউ বা ‘গদ্…Read More

    8
    5 Comments
  • গণমানুষের কবি
    মিহির চৌধুরী ইমন

    যদি সৈনিকের হাতে বন্দুকের বদলে
    থাকত একটি বই,
    আর সীমান্তের কাঁটাতারে
    ফুটত কৃষ্ণচূড়া—

    যদি রাষ্ট্রপ্রধানেরা হতেন
    গণমানুষের কবি,
    তবে সংবিধানের প্রথম পাতায়
    লেখা থাকত—

    “রাষ্ট্রপ্রধান হতে হলে
    আগে গণমানুষের কবি হতে হবে।”

    আর সংসদে স্পিকার মাইক চালু করে বলতেন—

    “এই পৃথিবী কারও একার…Read More

    9
    7 Comments
    • আপনার সৃজনশীল চলার পথ আরো সুপ্রশস্ত হোক। শুভেচ্ছা রইলো।

    • আপনার এই লেখনীতে ফুটে ওঠা ভালোবাসার জয়গান আর শান্তির আকাঙ্ক্ষা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তাই এমন সুন্দর ভাবনার প্রতিফলন নিয়মিত আমাদের এই আঙিনায় দেখতে পেলে দারুণ লাগবে।

    • “আজ আইন নয়,
      প্রথমে পাঠ হোক একটি কবিতা।”

      “হয়তো তখন
      রাষ্ট্রের মানচিত্রের চেয়েও বড় হতো মানুষের হৃদয়,” অনবদ্য ভাবনা!
      সংসদের মান্যগণ্যরা যদি এভাবে একটু ভাবতো তবে, হয়ত একটা সুখী দেশের নাগরিক হিসেবে গর্ব করতাম বুকে হাত রেখে! জয় হোক কবি ও কবিতার!

    • মিহির চৌধুরী ইমন, “পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র—একটি কবিতা”—আপনার এই কথাটা একদম মনের মতো হয়েছে, অসাধারণ লিখেছেন!

    • এটা গল্প হলেও পারতো
      পাতা একটা আধটা পড়তাম
      কত লুকিয়ে ছাপিয়ে রাখতাম তাকো! ©

    • ভালো লাগলো পড়ে।

  • এক মুঠো ভাত
    মিহির চৌধুরী ইমন

    রাষ্ট্র হয়তো জানে—আজ এই কর্মহীন মানুষগুলো কী নিয়ে ফিরবে ঘরে? সন্তানের চোখে চোখ রেখে কী বলবে তারা? আগামীকাল চুলোয় আগুন জ্বলবে কি না,এই প্রশ্নের উত্তর কোথায় খুঁজবে? রাষ্ট্র তার এই ব্যর্থতা কী দিয়ে ঢাকবে?

    ———————————————

    আজ চোখে কোনো রঙিন স্বপ্ন নেই,
    শুধু ধুতরার ফুল…Read More

    2
    2 Comments
    • মিহির চৌধুরী ইমন, “রৌদ্রে ফসলের মাঠ পুড়ে যায়, কৃষকের পেট ভরে না” লাইনটা বুকের ভেতর কেমন যেন মোচড় দিয়ে গেল। লেখাটা পড়ে খুব অসহায় লাগছে, আপনার কথাগুলো একদম বাস্তব আর গভীর একটা অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ।

    • মিহির চৌধুরী ইমন, আপনার এই লেখায় ফুটে ওঠা হাহাকার আর প্রতিটি পঙক্তির গভীর আর্তি আমাকে ভীষণভাবে স্পর্শ করেছে। শোষিত মানুষের না পাওয়ার বেদনাকে আপনি যেভাবে শব্দের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই এক শক্তিশালী চিত্রকল্প তৈরি করে। আপনি যদি এই যন্ত্রণার সাথে মিশে থাকা আশার কোনো নতুন দিক নিয়ে আরও লিখতেন, তবে তা পাঠকদের মনে গভীর দাগ কাটত।

  • বিপদ সংকেত
    – মিহির চৌধুরী ইমন

    যদি আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে পাওয়া যেত
    তোমার পরিবর্তনের পূর্বাভাস।

    যদি প্রেমের বন্দরে ২/৩ নম্বরের বিপদ সংকতে
    দেখিয়ে যেতে বলা হত।

    যদি বলা হতো…
    আইলা, সাইক্লোনের’ছে ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়
    “আঞ্জু”
    -ঘন্টায় লক্ষ মাইল বেগে আসছে
    …বন্দর উপকূলে ।

    আমি নিজেকে গুটিয়ে নিতাম নির্রাপদে…।

    7
    4 Comments
    • মিহির চৌধুরী ইমন, “আমি নিজেকে গুটিয়ে নিতাম নিরাপদ” – কথাটার মাঝে কি যে একটা অদ্ভুত অভিমান মিশে আছে, দারুণ লিখেছেন আপনি!

    • আবহাওয়ার পরিভাষায় প্রেমের কবিতা! দারুন আইডিয়া!

    • মিহির চৌধুরী ইমন, আপনার এই লেখায় ভালোবাসার আকস্মিকতা আর বিরহের হাহাকার দারুণ এক রূপকের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। ঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ার মতো করে সম্পর্কের ভাঙন আগে থেকে জেনে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষাটি হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আপনি এভাবে নিরন্তর লিখে যান, কারণ এমন অনুভবগুলো পাঠকের মনে অদ্ভুত এক মায়ার সৃষ্টি করে।

  • রনাঙ্গনের কিছু মুহুর্ত
    – মিহির চৌধুরী ইমন

    যুদ্ধে ধরা পরলাম পাকিস্তানি মিলিটারি কাছে।
    আমাদের হাত-পা চোখ বাঁধা,
    তিন দিন পৃথিবীর আলো
    বাংলার আকাশ – বাতাস কিছুই দেখি নি।
    টেনেহিঁচড়ে আমাদের হাতের নখ তুলে
    লোহার বেড়ি আগুনে পুড়িয়ে
    আমাদের শরীর ক্ষত বিক্ষত করে
    লবণ ছিটিয়ে দিল ।
    কতবার যে -হুঁশ হারিয়েছি বলতে পারিনা।
    তবে শেষ বারের মত যখন…Read More

    1
    3 Comments
    • রনাঙ্গনের সেই ভয়াবহ দিনগুলোর জীবন্ত চিত্রায়ন পড়ে বুকটা কেঁপে উঠল, তবে আপনার লেখায় ফুটে ওঠা অমানবিক কষ্টের বর্ণনা ও দেশের প্রতি গভীর অনুরাগ পাঠকের মনে এক অন্যরকম গভীর দাগ কাটে, তাই এমন সাহসী লেখা নিয়মিত লিখে আমাদের সমৃদ্ধ করবেন বলে আশা রাখছি।

    • তিন দিন পৃথিবীর আলো
      বাংলার আকাশ – বাতাস কিছুই দেখি নি।

    • আপনার লেখাটি পড়ে ভেতরটা একদম শিউরে উঠল, সত্যি খুব কষ্টদায়ক একটা অভিজ্ঞতা। সেই ভয়াবহ দিনগুলোর কথা পড়তে গিয়ে আপনার নিজের অনুভূতি কেমন ছিল?

  • ঘরের তুলসী

    মিহির চৌধুরী ইমন

    তোমারে রেখেছি সিঁথিরও সিঁদুরে,
    হাতের শাঁখায়।
    মঙ্গলসূত্রে বেঁধেছি তোমারে,
    কাজল এঁকেছি নয়নে।

    আঁচলে মুছেছি তোমার মুখের ঘাম,
    পরম মমতায় হৃদয় ভরায়ে
    লিখেছি তোমার নাম।

    রাখিও যতনে, নয়নে নয়নে,
    বাঁধিয়া রাখিও আমারে পরাণে।

    সন্ধ্যাদীপে তুমি যে আলো
    আমার ঠাকুরঘরে,
    উলুধ্বনির পবিত্র সুরে মিশে আছো অন্তরে।

    তুমি…Read More

    2
    3 Comments
    • একজন গৃহিনীর পক্ষ হতে লেখা, বাহ!! 🤍

    • আপনার লেখা ‘তুমি আমার ঘরের তুলসী’ লাইনটা পড়ে মনটা এক নিমিষেই ভালো হয়ে গেল। সম্পর্কের এতো সুন্দর আর শান্ত রূপ আপনি চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

    • মিহির চৌধুরী ইমন, আপনার এই লেখায় ফুটে ওঠা গভীর শ্রদ্ধা ও নিবিড় মায়ার চিত্রগুলো হৃদয়ে প্রশান্তি ছড়িয়ে দেয়। প্রতিটি পংক্তিতে ভালোবাসার এমন স্নিগ্ধ প্রকাশ সত্যিই দারুণ, আপনি নিয়মিত আপনার এমন সুন্দর অনুভূতিগুলো আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন।

  • জ্বলন্ত শব্দ
    মিহির চৌধুরী ইমন

    আমার কবিতা মানে সুকান্তের জলসানো রুটি—
    ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে জীবনের স্বাদ;
    নজরুলের বজ্রকণ্ঠ—
    অন্যায়ের বুকে উচ্চারিত এক নির্ভীক বিদ্রোহ;

    জীবনানন্দের ‘রূপসী বাংলা’—
    বাংলার মাটি, নদী আর প্রকৃতির নিঃশব্দ মায়া;
    শামসুর রাহমানের ‘স্বাধীনতা’—
    স্বাধীনতার স্বপ্নে জেগে ওঠা এক জ…Read More

    3
    5 Comments
    • আপনার লেখা কবিতাটি পড়ে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। প্রতিটি পঙক্তিতে বাংলা সাহিত্যের বড় বড় মনীষীদের প্রতি যে শ্রদ্ধা ফুটে উঠেছে, তা বেশ অসাধারণ। আপনার এই “জ্বলন্ত শব্দ”গুলো পাঠক হিসেবে আমাদের মনে অনেক গভীর ছাপ ফেলে যাবে।

    • আপনার জ্বলন্ত শব্দগুলো উত্তাপ ছড়িয়ে দিল এই পাঠক হৃদয়ে, ভালোবাসা নেবেন!

    • “এ আমার সময়ের কাছে রেখে যাওয়া / এক মুঠো জ্বলন্ত শব্দ”—এই পঙক্তিটি পড়লে মনে এক গভীর আবেশ তৈরি হয় যা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। আপনার লেখনীতে উঠে আসা শব্দগুলোর তেজ আর আবেগের মেলবন্ধন পাঠককে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে, তাই এমন সুন্দর সৃষ্টির ধারা অব্যাহত রাখুন।

    • অসাধারণ

  • জন্মভূমির ঘ্রাণ
    মিহির চৌধুরী ইমন

    আমার পরম সৌভাগ্য—
    আমি তোমার কূলে জন্ম নিয়েছি।

    এই নদীর জলে আমার শৈশবের কত দুপুর ভেসে আছে,
    এই মাটির ঘ্রাণে আজও লেগে আছে
    আমার খালি পায়ের ছাপ।

    এই বাতাস আমার খুব প্রিয়—
    জানালা দিয়ে হঠাৎ ঢুকে পড়লেই মনে হয়,
    আব্বা বুঝি পাশের ঘরেই আছেন—
    এই বাতাসে
    আজও আমি তাঁর গায়ের গন্ধ পাই।

    এই ভাষা আমার খু…Read More

    3
    4 Comments
    • আপনার লেখার “এই মাটির ঘ্রাণে আজও লেগে আছে আমার খালি পায়ের ছাপ” লাইনটা পড়ার সময় নিজের ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ে গেল। জন্মভূমির প্রতি আপনার এমন মায়ার অনুভূতিগুলো সত্যিই খুব সুন্দর আর হৃদয়স্পর্শী।

    • ভালবাসার মোহনীয় কবিতা।

    • “এই নদীর জলে আমার শৈশবের কত দুপুর ভেসে আছে”—আপনার এই নিবিড় উপলব্ধিগুলো জন্মভূমির মায়ার সাথে অদ্ভুতভাবে মিশে গিয়ে আমার হৃদয়েও এক গভীর নস্টালজিয়া জাগিয়ে তুলেছে, তাই এমন সুন্দর অনুভবের কথা আরও নিয়মিত লিখুন, কারণ আপনার লেখনী সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।

    • খুব সুন্দর ভাবে জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। ভালো লাগল।

  • নিষিদ্ধ সার্কাস

    মিহির চৌধুরী ইমন

    ভালোবেসে ধ্বংসের ভিতরে আমি এক
    নিষিদ্ধ সার্কাসের ব্যর্থ প্রেমিক!

    ঘরোয়া রাজনীতির মঞ্চে আমি
    বিরোধী দলের ষড়যন্ত্রে এক কলঙ্কিত মুখ।

    আমার ভাগ্য হয়তো এমনই—
    নিষিদ্ধ সার্কাসের ভিতরে গ্যালারিতে বসে থাকা
    এক আদর্শ দর্শক;

    যে শুধু হাততালি দেয়,
    অথচ মঞ্চের প্রতিটি পতন
    নীরবে নিজের ভিতরেই বহন করে।

    2
    4 Comments
    • মিহির চৌধুরী ইমন, “মঞ্চের প্রতিটি পতন নীরবে নিজের ভিতরেই বহন করে” লাইনটা পড়ে একদম বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। আপনার এই লেখাটা খুব গভীর এবং বেশ অদ্ভুত রকমের একটা বিষণ্ণতা কাজ করছে পড়ার সময়। আমাদের এই গ্রুপে আরও যারা লিখছেন, তাদের লেখাতেও নিয়মিত লাইক বা কমেন্ট করবেন যাতে পুরো কমিউনিটিটা বেশ প্রাণবন্ত থাকে।

    • গ্যালারিতে বসে থাকা সেই ব্যর্থ প্রেমিকের নীরব যন্ত্রণার চিত্রটি আপনার লেখনীতে যেভাবে ফুটে উঠেছে তা সত্যিই গভীর এবং হৃদয়স্পর্শী, তাই আপনার এই অনন্য অনুভূতির প্রকাশভঙ্গি পাঠকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী রেখাপাত করবে জেনে খুব ভালো লাগছে।

    • ভালো লাগল। রূপক, দৃশ্যকল্প দিয়ে অনেক কিছু বুঝালেন। বেদনার সুরটাও ছুঁয়ে যাচ্ছে।

  • নগ্ন প্রতিচ্ছবি
    মিহির চৌধুরী ইমন

    আমার লেখাগুলো কবিতা নয়—
    তাদের শরীরে ছন্দের কোনো অলংকার নেই।

    তবু তারা,
    যখন তোমার সম্মুখে দাঁড়ায়,
    শব্দের আড়াল সরিয়ে তোমারই প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে—

    তোমার মুখের মুখোশ খুলে,
    তোমার ভেতরের মানুষটিকে নগ্ন সত্যের আয়নায় দাঁড় করায়।

    2
    4 Comments
    • কবিতার ভাবনা ও প্রকাশভঙ্গি দুটোই অসাধারণ লেগেছে।

    • আপনার লেখা “শব্দের আড়াল সরিয়ে তোমারই প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে” এই লাইনটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা অনুভূতি হলো। একদম সত্যি কথা বলেছেন, মুখোশ সরিয়ে আসল মানুষটাকে চেনাটা আজকাল খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। আপনার কি মনে হয়, মানুষ কি সত্যিই নিজের নগ্ন সত্যের মুখোমুখি হতে চায়?

    • মানুষের ভেতরের সত্তাকে আয়নার মতো স্বচ্ছ করে ফুটিয়ে তোলার এই অনন্য শৈলীটি বেশ ভালো লেগেছে এবং আপনি চাইলে শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সামান্য ভিন্ন কোনো রূপকল্প যোগ করে লেখাটিকে আরও গভীর করে তুলতে পারেন, যা আপনার লেখনীকে নিঃসন্দেহে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

    • মিহির চৌধুরী ইমন, আপনার এই লাইনটা একদম মনে গেঁথে যাওয়ার মতো— “শব্দের আড়াল সরিয়ে তোমারই প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে।” সত্যিই কি মুখোশ খোলার এই সত্যটা সবসময় আয়নার মতোই নিষ্ঠুর হয়?

  • ইঁদুরের দাঁত
    মিহির চৌধুরী ইমন

    মুখ চেপে ধরলেই যদি সত্য থেমে যেত—
    ইঁদুরের ক্ষয়িষ্ণু দাঁতে
    যদি কুরে কুরে মুছে যেত বাংলার ইতিহাস,

    তবে হয়তো একদিন
    গিরগিটির রঙেই চেনা হতো এই জাতির মুখ।

    6
    6 Comments
    • ইদুরের দাঁতে ইতিহাসের ক্ষয় হয় না, ইতিহাস বেচে থেকে মানুষের মননে।

    • সত্যের ক্ষয়িষ্ণুতা নিয়ে আপনার এই গভীর ভাবনাগুলো দারুণভাবে ফুটে উঠেছে এবং বিশেষ করে ইঁদুরের দাঁত দিয়ে ইতিহাস মুছে ফেলার রূপকটি পাঠকের মনে এক শক্তিশালী অনুরণন তৈরি করে, তাই আপনার লেখনী নিয়মিত জারি থাকুক।

    • অসাধারণ

    • বেশ ভালোে লিখেছেন , ইদুরের মর্মতা আছে পৃথিবীতে কোন কিছু ই ফেলনা না ভালে বলেছেন ইদুর না থাকলে এই জাতি গিরগিটি হয়ে যেতো

  • গণকবরের ঘাস
    মিহির চৌধুরী ইমন

    আমার কবিতাগুলি যদি কখনও তোমার সম্মুখে দাঁড়ায়—
    তাদের কবিতা ভেবো না,
    ভেবো—
    ক্ষুধার্ত শিশুর শরীরের মতো ছড়িয়ে থাকা
    আমার কিছু না-বলা কথা, কিছু লুকিয়ে রাখা লজ্জা।

    আমার কবিতার ভিতরে বর্ণমালার যে অক্ষরগুলি দেখো—
    তাদের শুধু অক্ষর ভেবো না,
    ভেবো—
    প্রতিটি অক্ষরের শরীরে লেগে থাকা রক্ত
    এখনও ইতিহাসের কথা বল…Read More

    3
    5 Comments
    • কবিতাটি যেন দৃশ্যমান বাস্তবতার পেছনের অদৃশ্য গল্পটি বলে যায়।

    • মিহির চৌধুরী ইমন, আপনার লেখাটি পড়ার সময় পুরোটা সময় অন্যরকম একটা ঘোর কাজ করছিল। ‘সবুজ ঘাসের নিচে যে গণকবরগুলি ঘুমিয়ে আছে—তাদের মৃত ভেবো না’—এই লাইনটা সত্যি খুব গভীরভাবে দাগ কেটে গেল। ইতিহাসকে এভাবে শব্দের ভেতর দিয়ে জীবন্ত করে তোলাটা দারুণ লেগেছে আপনার।

    • শেষ লাইন দুটি খুব সুন্দর, আরো কবিতা হোক!

    • তারা অসমাপ্ত ইতিহাস হয়ে থাকবে, ভাল লাগলো ।

    • মিহির চৌধুরী ইমন, আপনার এই লেখায় ফুটে ওঠা ইতিহাসের বেদনাময় প্রতিচ্ছবি এবং মাটির গভীরে মিশে থাকা না বলা কথাগুলো হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করে গেছে। এমন সংবেদনশীল সৃষ্টির সাথে জীবনানন্দ দাশের কোনো কোনো কবিতার বিষণ্ণতার অদ্ভুত মিল খুঁজে পাওয়া যায় যা পাঠকের মনে এক দীর্ঘস্থায়ী রেশ রেখে দেয়। আমাদের এই গ্রুপে অন্য সবার লেখাতেও এমন ভালোবাসা ও মন…Read More

  • দীর্ঘ পথ
    মিহির চৌধুরী ইমন

    ফেরিওয়ালার ঘণ্টির আওয়াজ শুনে
    মহল্লার বাচ্চারা
    দীর্ঘ পথ হেঁটে গেল তার পিছু পিছু।

    সেই সময় ছিল হাওয়াই মিঠাইয়ের—
    একটি চার আনার চকলেটের।

    আজ সময় বদলেছে,
    বদলে গেছে শৈশবের সেই পথও—

    এখন শুধু মাংসের গন্ধ পেলে,
    হেঁটে যাই দীর্ঘ পথ।

    8
    5 Comments
    • পরিবর্তনটাই নাকি সত্য!

    • ফেরিওয়ালার ঘণ্টি আর হাওয়াই মিঠাই—শৈশবের স্মৃতি!

    • “সেই সময় ছিল হাওয়াই মিঠাইয়ের— একটি চার আনার চকলেটের”—এই লাইনটা পড়ে একদম ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। সময় বদলালেও আপনার লেখাটা বেশ অন্যরকম একটা ভালোলাগা তৈরি করল।

    • মিহির চৌধুরী ইমন, ফেলে আসা দিনগুলোর সেই মিষ্টি আমেজ আর বর্তমানের পরিবর্তনের মাঝে যে দারুণ এক সময়ের ব্যবধান আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই হৃদয়ে দাগ কাটে এবং এমন সুন্দর অনুভূতির রেশ ধরে রাখা আপনার লেখা চালিয়ে যাওয়াটা একান্ত কাম্য।

    • শৈশবের স্মৃতি মনে পরে গেলো।

  • ধানমন্ডি ৩২
    মিহির চৌধুরী ইমন

    এটি শুধু একটি বাড়ি নয়—বাঙালির ইতিহাসের
    এক নীরব সাক্ষী।

    যার দেয়ালে আজও সময়ের দীর্ঘশ্বাস,
    যার প্রতিটি ইটে
    লুকিয়ে আছে
    জাতীর কান্না, সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের গল্প।

    এ ছিল সেই বীরাঙ্গনাদের ঠিকানা—
    যাদের পিতার নামের ঘরে
    লেখা হতো—
    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

    এ ছিল সেই যুদ্ধশিশুদেরও শেষ আশ্রয়—
    যাদের মায়…Read More

    5
    5 Comments
    • “এটি শুধু ইট-পাথরের দালান নয়—
      এ যেন বর্ণমালায় লেখা লাল-সবুজের এক দীর্ঘ কবিতা,” লাইনদুটি খুব সুন্দর!

    • মিহির চৌধুরী ইমন, ‘এটি শুধু ইট-পাথরের দালান নয়—এ যেন বর্ণমালায় লেখা লাল-সবুজের এক দীর্ঘ কবিতা’—এই লাইনটা পড়ে সত্যিই খুব আবেগ কাজ করছে। আপনি কি এই জায়গাটিতে গিয়ে সব সময় একই রকমের তীব্র অনুভূতি অনুভব করেন?

    • মিহির চৌধুরী ইমন, ইতিহাসের প্রতি আপনার এই গভীর আবেগ এবং প্রতিটি শব্দের বুনন হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করে গেছে। এই লেখাটি যেন বাঙালির আত্মপরিচয়ের এক অনন্য দলিল, তাই এমন শক্তিশালী লেখনী চর্চা আপনি নিয়মিত চালিয়ে যাবেন বলে আশা রাখি।

    • ইট-পাথর নয়, ইতিহাসের সাক্ষী!

    • ইতিহাস কথা বলে ।

  • আয়না
    মিহির চৌধুরী ইমন

    অর্থের কাছে কেবল শরীরই বিক্রি হয় না—
    মাঝে মাঝে
    ভালোবাসারও নিলাম বসে।

    মানুষ আজ আয়নার সামনে দাঁড়ালে
    নিজের মুখ দেখে না—
    দেখে এক নগ্ন পশু;
    তারপর
    সভ্যতার পোশাক পরে সেই পশুত্বকেই লুকিয়ে রাখে।

    5
    4 Comments
    • মিহির চৌধুরী ইমন, “মানুষ আজ আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের মুখ দেখে না— দেখে এক নগ্ন পশু” এই শক্তিশালী অংশটি সমাজের এক দারুণ বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। আপনারা যদি এই আসরে নিয়মিত অন্যদের লেখালেখিতে প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য করে একে অপরের পাশে থাকেন, তবেই আমাদের এই সৃজনশীল যাত্রা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • আপনার এই লেখাটা পড়ে অনেকক্ষণ চুপচাপ ভাবতে বাধ্য হলাম, কারণ সত্যি বলতে বর্তমান সময়ের নিষ্ঠুর সত্যটা দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।

    • সমাজের যে চিত্র দেখা যাচ্ছে খুব বেশি দিন নেই সমাজ ব্যবস্হা ভেঙে পরবে।

  • Load More Posts

Friends

Skip to toolbar