-
আমার লেখা বাস্তব কিছু কথা যদি ভালো লাগে তো ছড়িয়ে দিন।
আমরা বাঙ্গালী
আজব এই দুনিয়ায় আমাদের মত হিংস্র আর একটা প্রানি ও নাই,আবার আমাদের মত এত দয়া মায়া ও কোন প্রানীর ভিতর দেখা যায় না, নিষ্ঠুরতার এখানে প্রতি পদে পদে আমরা আমাদের নিজেদেরই প্রতিনিয়ত ঠকিয়ে চলেছি, বৃটিশ ভাব গম্ভির্য নিয়ে আমাদের চলা ফেরা আবার ইসলামিক মাইন্ডে সংসার পরিচালনা করতে চাওয়া এ প্রতিটা মানুষের একান্ত কাম্য, সেখানেই ঘটে হিতে বিপরিত, যা আমাদের কাম্য নয়। এখানে একজন কংকাল সার ভ্যানচালক সকালে ঘুম থেকে উঠেই আগে যায় চায়ের দোকানে সেখানে চা,সিগারেট,আর পান এটা বাধ্যতামুলক খেতেই হবে না হলে আবার পায়খানা ক্লিয়ার হবে না,সবে মিলে ১৮ টাকা বিল, যা দিয়ে সে ভাল রকম ১ পিস ডিম খেতে পারতো, সেখানে সমস্যা নাই সমস্যা হলো ডিমের দাম কেন ১ টাকা বেড়ে গেলো এই নিয়ে তার জীবনে আর ডিম খাওয়া হয়না। আবার নিজে যাচ্ছে সকাল,সকাল চায়ের দোকানে আর সপ্ন দেখছে ছেলেটা মক্তবে গেছে বিরাট মাওলানা হয়ে যাবে আসলে সেটা কি সম্ভব?আমারা বাঙ্গালী, আমরা চারা রোপণ করি আমগাছের আর চিন্তা করি কাঠাল খাওয়ার, যে, আমগাছে কাঠাল ধরলে কতই না ভাল হতো! আমরা তো সেই যে কি-না ১৮ টাকা খরচ করে সকালে খালি পেটে চা সিগারেট খাবে, কিন্তু শরীরের ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি পুরুনের জন্য ১ পিছ ডিম কিনে খাবে না। আমরাতো সেই বাঙালী যারা ঘোড়ার পিঠে না চড়ে ঘোড়া দিয়ে হালচাষ করি এর মর্ম কথা কে বুঝবে? বাংলাদেশেরে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে যে চায়ের দোকান আছে সেগুলো বেশির ভাগই গরিব খেটে খাওয়া মানুষের পকেটের টাকায় চলে অথচো তাদের পকেটে বাজার করার পয়সা থাকেনা কে বুঝবে এর মর্ম কথা? কারন আমরা বাঙ্গালী আমাদের একটা স্টাটাস আছে না! এখানে জন্মের পর মায়ের আচল টা শক্ত করে টেনে ধরি ২০ বছর পর্যন্ত সর্বচ্ছ, আমারা আমাদের সংসারে বাবার উপর নির্ভর করে ভাইবোনে একই সাথে কতই না মায়ামমতা নিয়ে বড় হই তারপর একে একে নিজের পায়ের গোড়ালি শক্ত করে মায়ের বুকের উপর পাড়া দিয়ে নিজের সারথী মানে আপন বউকে নিয়ে বাবার বুকটা ফাটিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ি, কারন আমরা বাঙ্গালী। আস্তে আস্তে পরংপরায় আমরা একে একে ভাই,বোন,পাড়া, প্রতিবেশি, আত্মীয় স্বজন,এমন কি শেষ পর্যন্ত গ্রামের বাসঝড়ে পড়ে থাকা বাবা,মায়ের কবর টার কথা ও ভুলে যাই, কারণ আমরা তখন এতটাই ব্যাস্ত হয়ে যাই, যে নিজের সন্তান সন্ততি আর নিজের ঘরের কথা ভাবি, কিন্তু আমারা একটি বারের জন্যও চিন্তা করিনা আমাদের সুন্দর একটি অতিত ছিল আমাদের হাসি কান্ন, সুখ দুঃখ কত না মজার দিন ছিল আর আজ বহুদিন পরে মনে হয় এ জগতে কে আপন আর কে পর সবাই যার যার সার্থের পিছনে আমরা ছুটি, নিজ সার্থের জন্য, আর দিন শেষে হতাশ হয়ে আকাশ পানে চেয়ে বলি আহারে মানুষ কি সার্থপর কারন আমরা বাংগালী আমরা এর চেয়ে বেশি কিছু ভাবতে পারি না।
আজ আমাদের পথ চলা, আচার,আচারন, ভাব, গাম্ভির্য ধরে রাখার জন্য নিজেরা নিজের মানুষদের বুকে ছুরি চালাতে ও দিধা বোধ করছি না কারন আমরা তো সনামধন্য বাংগালী নাহ। আমরা আবার গর্ব করি আমরা নাকি স্বাধীন, আরে স্বাধীন দেশের মানুষ কি স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারে না কাজ করতে পারে? স্বাধীনতার নামে যদি না বালিকা শিশু ধর্ষন,আর গরীব খেটে খাওয়া মানুষদের রক্ত পানি করে ইনকাম করা টাকায় একবেলা দুমুঠো ভাত নিজ বাড়ির আংগিনায় বসে শান্তিতে না খেতে পারার হাহাকারের বদলে দলীয় লোকের পকেট ভরে চাঁদা দেওয়ার নাম হয়, তাহলে এটা কিসের স্বাধীনতা এর চেয়ে কি পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ হয়ে অন্যের দেওয়া ডাল রুটি খাওয়া কি ভাল ছিলনা তাতে অন্তত গরীব এর ঘাম বৃথা ঝরতো না আর নিজ বাড়ির পাশের মানুষের লোভ লালসার শিকার হতে হতোনা আমাদের কোমল মতি শিশুদের, তখন হয়তো মনখুলে বলতে পারতাম, যে বিদেশী হায়নাদের হাতে আমার মা বোন লাঞ্চিত হয়েছে। যাই হোক এটা আসলে আমার মুল প্রতিপাদ্য বিষয় না,কারন আমার মত হত দারিদ্র্য মানুষের পক্ষে এ সমাজ কাঠামো ঠিক করা সম্ভব হবে না।
আজ অনেকদিন পরে এক বুক হতাশা নিয়ে আবারো লিখতে বসেছি,
আমারা কি আসলে এমন জীবন চেয়েছিলাম নাকি আমাদের মত এই হতভাগা জাতির জন্য এরচেয়ে বেশি কিছু আশা করা ঠিক না। আমরা কেন স্বাধীনতার এত বছর পরেও সেই সমস্ত পাষন্ড মানুষ দারা অত্যাচারিত হচ্ছি যারা কিনা পাক হানাদর বাহিনির চেয়ে ও অতি উৎসাহের সহিত আমাদেরি চোখের সামনে আমাদেরি ভাইয়ের বুকে সরা সরি গুলি চালাচ্ছে, মায়ের সামনে মেয়েকে ধর্ষন করছে, স্বামী কে বেধে রেখে স্ত্রীর শীলতা হানি করছে, তাহলে এটাকে আমরা কোন যুগের সাথে তুলনা করবো, আর এ সত্য বানি বোঝার মত বিবেকবান মানুষি বা কোথায় পাবো। কারন আমরা তো বাংগালী নাহ, আমাদের এ সকল কিছু কি দুর্বল করতে পারে, আমরাতো আজ পাশবিকতার চরম শিখরে উঠে গেছি।
গল্পে শুনেছিলাম আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধে পাক বাহিনি এতসব কর্মকান্ড করেছিল আর তাদের নাকি এদেশের কিছু লোক সহযোগিতা করেছিল যারা আজ রাজাকার নামে আক্ষ্যায়িত, তবে আজ এই বিবেকবান জাতির কাছে আমার প্রশ্ন, ঐ সময়ে শুধু মাত্র সহযোগিতা করার কারনে তারা যদি রাজাকার উপাধি পায়, তবে এখন যারা প্রকাশ্যে ঐ কর্মকান্ড গুলো করছে, আর যারা তাদের সহযোগিতা করছে তাদের কি নামে আক্ষ্যায়িত করবেন?। আছে কি? কেউ আমার এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবে। তবু ও আমরা এতকিছুর পরে ও সাচ্ছন্দ বোধ করি কেননা আমরা বাংগালী, আমরা সব দেখে ও না দেখার ভান করি আমাদের মনুষ্যত্ব ভূলন্ঠিত হয়েছে আমাদের বিবেক আজ অন্ধকারের কাঠগোড়ায় আটকা পড়েছে, আমরা শুধু ঠাকুরমার ঝুলির গল্পে আটকে রয়েছি বাস্তবতার গল্প তাই আজ আর কারোর বিবেক কে নাড়া দিতে পারছে না।
আমি জানি না যদি এ লেখা কখনো প্রকাশিত হয় তাতে সমাজ পাল্টাবে কিনা এ দেশের বিবেকবান মানুষের বিবেকের দ্বার খুলবে কিনা, তবু ও আমি বার বার লিখে যাব এ দেশের গরীব খেটে খাওয়া মানুষদের পক্ষ হয়ে, আমাদের বাংলাদেশ স্বাধীনতার এত বছর পর এসেও দুর্নিতী তে বার বার চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে আর দেশে যারা নাকি নামি, দামি, ভি আই পি ব্যাক্তি বর্গ, যারা দেশকে দেশের মানুষকে সঠিক পথ দেখাবে তারা কারা এটা আমার জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন?, নাকি এদেশের বোকা জনগণের মাথায় বার বার কাঁঠাল রেখে সেই সমস্ত মানুষ গুলো শুধুমাত্র রসালো কোয়া গুলো খাওয়ার পায়তারা করে।
তাই আজ অতি দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে কে বা কার নেতৃত্বে এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল আর তাদের উদ্দেশ্যই বা কি ছিল তা আজ ও এদেশের বোকা জনগণের বোধগম্য নয় এখন মনে হচ্ছে কি চেয়েছিলাম আর কি পেলাম।
দেশের পরিস্থিতি কি? ১৯৭১ এর আগে যা ছিলো এখন কি তার থেকে কোন পরিবর্তন হয়েছে নাকি তার থেকে ও বর্বরতার দিকে আমরা হাটছি আমার জন্ম যদি সেই সময়ে হতো তবে বুঝি আরো ভালো লিখতে পারতাম, কেননা আমি তো শুধুমাত্র কল্পনা করে আর বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারসাম্য বোঝানোর চেষ্টা করছি।
আমাদের দেশের সরকার প্রথা,আর দাস প্রথার মধে কোনো পার্থক্য আজ আছে কি না তা ভাবতে হচ্ছে,কেননা যখন দাস প্রথা চালু ছিলো তখন তার মনিব যা বলবে বিনা বাক্যে তার তা পালন করতে হতো আর এখন আমরা যারা সাধারন জনগন তারা যদি আমাদের মনিব বা সরকার এর বিরুদ্ধে কিছু বলতে যাই তবে তার যায়গা নিশ্চিত জেলখানয়, তাহলে আমাদের বাক স্বাধীনতা কোথায়? আমজনতার আজ ঠাই কোথায়? যারা কিনা ভোট প্রথার মাধ্যমে এ দেশের সরকার নির্বাচিত করে তারা আর ভোটের পরে স্বাধীন থাকে না তারা ঐ দাস প্রথার মত সরকারের কেনা গোলাম হয়ে যায়, আর গোলামের কি সত্য কথা বলা সাজে? তাদের কি আর স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়ার ক্ষমতা থাকে? তখন ক্ষমতা চলে যায় দলিয়ো জোরে কিছু দলনেতার, আর অ সাধু পা চাটা কিছু নেকেড়ের হাতে, যারা কি না ঘেউ ঘেউ করে মুরগির মত গরীব জনসাধারণ এর ঘাড় মটকে খাওয়ার জন্য সর্বক্ষন ওতপেতে থাকে। আহারে এটাই বুঝি স্বাধীনতা!।
আর এটাই যখন যানা যাচ্ছে বার বার এ দেশের সরকার কতৃক আমজনতা শোষিত হচ্ছে তখন আপনারা যারা দেশের বুদ্ধিজিবী দের কাতারে বসে আছেন তারা এই জনগণের কি ভরসা দিবেন? নাকি আপনারা ও মেনে নিয়েছেন যে যা হচ্ছে ভালই হচ্ছে আর যা হবে ভালই হবে, তাহলে আপানাদের ঐ কাতারে না বসে ঐ দাস প্রথার মতো দাসের জীবন যাপন যা আমরা অসহায় জনগন করছি তাই করা উচিৎ নয় কি।
আজ এ অসহায় জাতি কোথায় এবং কার কাছে যাবে কোথায় গেলে তারা সঠিক ও ন্যায় বিচার পাবে আছে এমন কোন যায়গা? এটা আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন। দেশের আইন ব্যাবস্থ আজ মুখ থুবড়ে পড়েছে, সাধারণ মানুষ আজ আইনের আশ্রয় নিতে ভয় পায়, যে বাবার সামনে তার মেয়কে ধর্ষন করছে আজ সেই বাবা ও পুলিশের ধারে যেতে ভয় পাচ্ছে, না জানি আবার তার সামনে তার স্ত্রীই ধর্ষিত হয়, ঐ মুনিব নামক একদল নরপশুর হাতে, টাকায় বেচা কেনা হচ্ছে আজ আমাদের আইন ব্যাবস্থা যার টাকা আছে সে বিচার পেলো আর যার টাকার জোর নাই সে মুখ বুঝে সব সহ্য করলো কারন আমরা তো এখন, ঐ আদিম যুগের দাস তাই না!। এই চরম সত্য কথাটা এ দেশের কে জানেনা বলবেন কি একবার ওহে জাতির বিবেকেরা।
থানা, কোর্ট,ব্যাংক,বিমা, ডাক্তার, উকিল,মোক্তার পেশকার,এ জাবতীয় বাংলাদেশের যত ছোট বড়, মাঝারি সরকারি প্রতিস্ঠান আছে বলেন তো কোথায় যেয়ে এদেশের সাধারণ মানুষ একটুর জন্য হলেও সস্তি পায়, যদিও সবি সাধারণ মানুষের জন্য এ প্রতিস্ঠান গুলো তৈরি তবে সুবিধা গুলো কিছু সুবিধাবাদি মানুষের পকেটে যাচ্ছে আর অসুবিধা গুলো ঐ আমজনতার জন্য কঠিন সাজা হয়ে ফিরে আসছে আর এ সত্য গুলো সবাই জানে যদি বিশ্বাস না হয় তবে জনে জনে জিজ্ঞেসা করেন সঠিক উত্তর পাবেন আর এ গুলো সব ভিটামিন ট্যাবলেটের মত গিলে খাচ্ছে আমাদের দেশের ঐ সুসিল সমাজ নামক একদল ব্যাক্তবর্গ, তারা জানে শুধু টিভির পর্দায় বসে ঐ অ সাধু ব্যাক্তিদের নিয়ে সুনাম গাইতে তা না হলে আবার তাদের ও আমাদের সাধারণ মানুষের মত দাস হয়ে জীবন যাপন করতে হবে, তাই নয় কি?।আজ এ পর্যন্ত
1 Comment
Friends
মুহিববুল্লাহ আল মামুন
@muhib
shilpi,Ranisankail
@shilpiranisankail
Md Ashraf Uddin Khan
@mdashrafuddinkhan
Mustafa Nazmus Sakib (Zubair)
@mustafasakib
Nusrat jahan
@shuha
Akash Mondal
@akash508l
jakatul islam
@jakatulislam
Afra Anjum
@afraanjum
Sk Sagor
@sksagor

আমাদের সমাজের মানুষ এখন দাসত্ব করছে ।