Profile Photo

মোঃ মুহিউদ্দীনOffline

  • Md.Muhiuddin
  • Profile picture of মোঃ মুহিউদ্দীন

    মোঃ মুহিউদ্দীন

    4 years, 8 months ago

    বই পড়ার আগ্রহ
    আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ন সময় ২০১৬সাল।মাএ উপরের জামাতের দিকে পা বারালাম।মিজান জামাতে পড়ি।নতুন বৎসর নতুন ক্লাস,নতুন বই-পুস্তক কেনার আমেজ।এ আমেজে সবাই মেতে রয়েছে।আমিও এর থেকে খালি না।আমার ও আগ্রহ নতুন কিতাব কিনব।আমার এক বন্ধু ছিল তার নাম বেলাল,ওর সাথে কিতাব কিনতে গেলাম আন্দরকিল্লাহ।এর আগে আমি কখনো আন্দরকিল্লাহ যাইনি। এই প্রথম বার আন্দরকিল্লাহ যাওয়ার জন্য রওয়ানা হলাম,কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বাসে উঠলাম।আমি শহরের রাস্তা-ঘাট তেমন চিনি না।এই প্রথম বার একা শহরে যাওয়া বলা যেতে পারে।বাস চলতে চলতে কখন যানি গন্তভে পৌছে গেলাম টেরও পেলাম না।বাস থেকে নামার পর দেখতে পেলাম এক বিশাল মসজিদ,আমি মসজিদের দিকে তাকিয়ে রয়েছি,আমার বন্ধু বলে উঠলো এটা আন্দরকিল্লা্ শাহী জামে মসজিদ। এ মসজিদের নাম আগে অনেক বার শুনে ছিলাম।কিন্তু কখনো দেখা হয়নি।আমি বললাম,এটাই কি সেই আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদ।ওহ বললো,হ্যাঁ ।আমরা এক পা দু’পা করে লাইব্রেরীর দিকে পা বারালাম।সিড়িঁ দিয়ে দু’তালায় উঠলাম।উঠা মাএ দেখতে পেলাম,হাজার হাজার বইয়ের সমাহার।আমরা একটা লাইব্রেরীতে ঢুকলাম,ঢুকে দোকানদারকে সালাম দিয়ে বললাম,আঙ্গেল আমাকে জামাতে মিজানের দরসি কিতাব গুলো দেখান।হুজুরের মত একজন ব্যক্তিমূখ ভরা দাড়ি তার,আর আছে মূখে পান,তাকে দেখতে বেশ লাগছে।সে আমাদের কিতাব গুলো দেখাতে লাগলো,আমি সে দিকে মনোযোগ না দিয়ে এদিক সেদিক তাকাতে লাগলাম।দেখছি সেখানে কত রকমের বই আর কিতাব।তখন আমার একটি বইয়ের দিকে নজর পরলো, মুসলমানের হাসি।বইটি আমি হাতে নিলাম।খুলে পড়তে শুরে করলাম।হযরত আশরাফ আলী থানবী রহঃ এর মাওয়ায়েয ও মলফুযাতের আলোকে রচিত ‘মুসলমানের হাসি’এর লেখক মুহাম্মদ রাজি নোমানী।বইটি পড়ে আমার বেশ ভালো লাগলো। মনে করে ছিলাম এর মধ্যে মনে হয় মুসলমানরা কত রকম হাসে তা নিয়ে রচিত এই বই,পড়ে দেখি না এর ব্যতিক্রম।বইটি ছিল এিখন্ডিও।আমি তিন খন্ডই কিনে নিলাম।সে থেকে বইয়ের প্রতি ভালো লাগা ভালোবাসা জন্মায়।শুধু বই পড়তে মনে চায়।গল্প পড়তে শুনতে কার না ভালো লাগে। গল্প শুনতে পড়তে আমার ভারি মজা লাগে।বই পড়তে পড়তে বইয়ের প্রতি নেশা জমে যায়।যে নেশা ছাড়ানো কোন ভাবে সম্ভব না।

    6
    2 Comments
Skip to toolbar