<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | নতুন করে শুরু | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/amrin-shimu/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/amrin-shimu/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for নতুন করে শুরু.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Jun 2026 17:04:53 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">2d17276f8fa12354a41141567e58195f</guid>
				<title>মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ, সঞ্চয় আর মুনাফা কেবল একটা জিনিসই &quot;সময়&quot;। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত জীবনকে অনেক সহজ করে দেয়।জীবন এর সকল অনুভূতি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আবদ্ধ। সেটা পরে শুধুই স্মৃতি হয়ে থাকে। যেকোনো কাজেই সময় হাতে রেখে মনোনিবেশ করতে হয়।ভালো রান্না করতে চাইলে সব ধরনের উপকরণ বেশি বেশি দিয়ে কম সময়ে যতটুকু ভালো হয়,পরিমিত উপকরণ দিয়ে একটু সময় নিয়ে রান্না করলে খাবারের আসল স্বাদ বেরিয়ে আসে। আবার অনেক পরিশ্রম আর সময় দিয়েও সাফল্য লাভ করার পর সেই সাফল্যের আনন্দ উপভোগ করার জন্যও সময় প্রয়োজন । এমন অনেক মানুষ এর ব্যাপার এ জানি যারা অনেক পরিশ্রম করে পড়াশোনা ভালো ফলাফল  করেছে, কিন্তু ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার ২ দিন পরই মারা গেছে। এমন অনেক মানুষ এর কথা জানি যারা একটা ভালো চাকরির জন্য দিনরাত এক করেছে, চাকরির সুসংবাদ আসার আগেই মারা গেছে। সাফল্য অর্জন করার পর এর সময়টা অনির্ধারিত।দুনিয়ার জীবন এ যেহেতু কিছুই চিরস্থায়ী নয় তাই সাফল্য শুধু ভবিষ্যতের জন্যই আশা করা ঠিক নয়।বর্তমান সময়কে কাজে লাগিয়েই শান্তি খুঁজে নেওয়া উচিত। একটু বই পড়া,পছন্দের খাবার রান্না করা,গাছ লাগানো, কাছেপিঠে কোথাও ঘুরে আসা এগুলোর জন্যও কিন্তু সময় প্রয়োজন।সেই সময় পাওয়া টাও ভাগ্যের ব্যাপার। তাই সময় পাওয়া গেলে তার সঠিক ব্যবহার করা উচিত। এই সময়টা পরে পাওয়া যাবে কিনা তার নিশ্চয়তা নেই।আমরা অনেক সময়েই ধর্মীয় কাজ গুলোও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জমিয়ে রাখি,কিন্তু আসলে সেইসব কাজের জন্যও আগে থেকে সময় বিনিয়োগ করা উচিত। বেশির ভাগ বাংলাদেশি মুসলিমগণ হজ্ব করেন শেষ বয়স এ।অথচ হজ্বের জন্য যে সময় এবং শারীরিক পরিশ্রম দরকার তা থাকে তরুণ বয়সেই। তাই তরুণ বয়স থেকেই এটার চিন্তা ভাবনা করা,টাকা পয়সা জমানো উচিত। টাকা পয়সা হয়তো তরুণ বয়স এ বেশি থাকে না কিন্তু সময় তো থাকে। একটু সময় বের করে নফল নামাজ পরে আল্লাহর কাছে চাইলে তিনি তো নিয়ত কবুল করবেনই,আমাদের দিতে হবে শুধু সময়।এজন্যই হয়তো আল্লাহ কুরআন এ বলেছেন&quot;হে বান্দাগণ, আমার ইবাদত এর জন্য সময় বের করো&quot;।
#সময়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254233/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Jun 2026 03:39:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ, সঞ্চয় আর মুনাফা কেবল একটা জিনিসই &#8220;সময়&#8221;। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত জীবনকে অনেক সহজ করে দেয়।জীবন এর সকল অনুভূতি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আবদ্ধ। সেটা পরে শুধুই স্মৃতি হয়ে থাকে। যেকোনো কাজেই সময় হাতে রেখে মনোনিবেশ করতে হয়।ভালো রান্না করতে চাইলে সব ধরনের উপকরণ বেশি বেশি দিয়ে কম সময়ে যতটুকু ভালো হয়,পরিমিত উপকরণ দি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254233"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254233/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4601666eec4f8f151c96bcb545a369b9</guid>
				<title>অনেক দিন পর বলতে গেলে কয়েক বছর পর আসলাম। জীবন অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে এখন।ভালো মন্দ সব মিলিয়ে চলে গেছে ৫ বছর। এই প্রোফাইল টার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম প্রায়। মাঝখানে আসতে চেয়েছিলাম কিন্তু ইমেইল পাসওয়ার্ড এ গোলমাল হয়ে গিয়েছিল। আজকে আবার পুরনো ঠিকানা খুঁজে পেলাম মনে হচ্ছে। এই প্রোফাইল টা যখন বানিয়েছিলাম তখন আমার মাইন্ডসেট অনেক পজেটিভ ছিলো। লেখালেখি তেমন না করলেও বলা ভালো তেমন ভালো লিখতে না জানলেও এখানে লিখতে বেশ ভালো লাগতো। আজকে নিজের পুরনো লেখা গুলো দেখে খুব ভালো লাগছে, শান্তি লাগছে।নিজের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন বুঝতে পারছি। আল্লাহ সবার মধ্যেই ইতিবাচক চিন্তা ভাবনার উদয় করুন। আমিন।
@Comeback</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252828/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 15:01:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনেক দিন পর বলতে গেলে কয়েক বছর পর আসলাম। জীবন অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে এখন।ভালো মন্দ সব মিলিয়ে চলে গেছে ৫ বছর। এই প্রোফাইল টার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম প্রায়। মাঝখানে আসতে চেয়েছিলাম কিন্তু ইমেইল পাসওয়ার্ড এ গোলমাল হয়ে গিয়েছিল। আজকে আবার পুরনো ঠিকানা খুঁজে পেলাম মনে হচ্ছে। এই প্রোফাইল টা যখন বানিয়েছিলাম তখন আমার মাইন্ডসেট অনেক পজেটিভ ছিলো।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252828"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252828/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5203a58813ba5d0a351ca39f898d1e83</guid>
				<title>নতুন করে শুরু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252826/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 14:54:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">362e96c36256d71b9b13f81916df7493</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252825/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 14:51:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">892a2f69370789d22ea03d58d87c3db5</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/108139/</link>
				<pubDate>Fri, 06 May 2022 17:00:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">90c8b044d0061958939c08d10b5dc337</guid>
				<title>নতুন করে শুরু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/108138/</link>
				<pubDate>Fri, 06 May 2022 16:59:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4461af4dce8fa04d8becb04efaf55779</guid>
				<title>প্রীতিহর্ষ
একসময়ে ঈদের আনন্দ বলতে বুঝতাম নতুন জামা পড়া,আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী, পরিচিত দের বাসায় যাওয়া,ভালো ভালো খাবার খাওয়া, ঘুরে বেড়ানো, সালামি,ঈদের অনুষ্ঠান দেখা এইসব।কিশোর বয়স পার হওয়ার পর এই ব্যাপার গুলো চলে গেছে। তবে সবার সাথে দেখা হয় অনেক সময়,অনেকে বাসায় আসেন,আত্মীয় স্বজনদের সাথে ফোনে কথা হয়,কিন্তু কোথায় যেন একটা ফাঁক থেকে যায়।এই অবস্থা টা যখন শুরু হয়েছিল তখন মনে হয়েছিল সম্ভবত বয়সের কারণে। তো যাই হোক ঈদের দিন ভাগ্নীকে নিয়ে বের হলাম। সামনের বিল্ডিং এর  দুটি ছোট ছেলে মেয়ে ছিল নিচে।এর আগে একদিন ওদের সাথে পরিচয় হয়েছিল। মেয়েটি বড়,বছর পাঁচেক বয়সের।ছেলে টির বয়স ৩ বছর হবে হয়তো। প্রথম পরিচয় হওয়ার দিন মেয়েটি বলেছিল আমার বাবা ড্রাইভার। শুনে একটু কষ্টই পেয়েছিলাম আমি।মেয়েটিকে ছোট বয়স থেকেই বোঝানো হচ্ছে সমাজ বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত। তো ঈদের দিন দেখা হওয়ার পর আমার ভাগ্নীর সাথে সহজ ভাবেই খেলছিল ওরা।মেয়েটি আমাকে সালাম দিল।নতুন জামা পড়ে আনন্দ ঝলমল করছিল ওর চোখে। কত টাকা সালামি পেয়েছে দেখাচ্ছিল।খুব ভালো লাগছিল আমার ও।তারপর ওরা খেলছিল। আমি শুধু নজর রাখছিলাম যেন ব্যথা না পায়,হারিয়ে না যায়। একসময় ওরা পরিচিত একজন কে দেখে দুষ্টুমী করে তার পিছু নিল।৩ জন একত্রে হাঁটছে,আমি ওদের পিছু পিছু যাচ্ছি। আমার ভাগ্নী আর ওই মেয়েটি তাড়াতাড়ি চলছিল, ছোট ছেলেটা ওদের সাথে তাল মেলাতে পারছিল না।মেয়েটি ওকে বললো &quot;তুই আন্টির হাত ধরে চল &quot;,আমিও বললাম &quot; আসো,আমার সাথে হাঁটো তুমি &quot;।বাচ্চা টা চুপচাপ এসে হাত ধরলো আমার।চলতে শুরু করলাম ওকে নিয়ে।হঠাৎ মনে হলো এই মুহুর্ত টা খুব সুন্দর। একটা ছোট্ট বাচ্চা আপনাকে ভরসা করে আপনার হাত ধরে হাঁটছে,দৃশ্য টা কল্পনা করতেই এত সুখ,যাদের ছোট ছেলেমেয়ে আছে তারা বুঝবেন। আমার অনুভূতি আমি ব্যাখ্যা করতে পারবো না আসলে।কিছুক্ষণ ঘুরে বেড়ানোর পর একটা দোকান এর সামনে থামলো ওরা।সেই দোকান টা বন্ধ কিন্তু তার সামনে অনেকগুলো চিপস এর প্যাকেট ঝোলানো, আমার ভাগ্নী আর ওই মেয়েটি মুখে দুষ্টু হাসি দিয়ে একে অপরকে দেখছে।ওদের মন বুঝতে পেরে আমি বললাম &quot; চুরি করা ভালো নয়,ঈদের দিন তো একদমই না&quot;।আমার ভাগ্নী বললো তার চিপস কিনতে ইচ্ছে করছে। অন্য দোকান এ নিয়ে গেলাম ওদেরকে।আমার ভাগ্নী দুটো চিপস নিলো,মেয়েটিকে একটা কিনে দিলাম। বাচ্চা ছেলে টা পকেট থেকে ছোট করে ভাঁজ করে রাখা একটা দশ টাকার নোট বের করলো। ওকে জিজ্ঞেস করলাম কি নেবে। একটা চকলেট এর প্যাকেট এর দিকে আঙুল দেখালো।তার দাম ৩০ টাকা। কিনে দিলাম। দশ টাকাটা রেখে দিলাম আবার ওর পকেটে। সন্ধ্যায় যখন ওরা বাসায় গেল আর আমার ভাগ্নীকে নিয়ে আমি বাসায় ফিরলাম অনুভব করলাম যে আমার খুব ভালো লাগছে। অন্তর টা প্রশান্তি তে ভরে গেছে। এবার আমি বুঝলাম ঈদের আনন্দ টা কেন আর আগের মতো নেই।কারণ বাসায় মানুষ আসা, খাওয়া দাওয়া, সবার সাথে কথা বলা এটা আমরা লোক দেখানোর জন্য করি।চিত্তের আনন্দ থাকে না তাতে। বাচ্চা টা যখন আমার হাত ধরে চলছিল তখন আমি চিত্তে পুলক অনুভব করেছিলাম। চকলেট পেয়ে চিপস পেয়ে বাচ্চারা খুশি ছিল দেখে আমি খুশি হয়ে ছিলাম।মন থেকেই ওদের জন্য করেছিলাম সব।এটাই তো ঈদের আনন্দ।সম্পূর্ণ কোন উদ্দেশ্য ছাড়া কারও জন্য কিছু করলে যে আনন্দ পাওয়া যায় সেটাই তো সত্যিকারের হর্ষ।মাদার তেরেসা বলেছিলেন, &quot;সবার খুশির কারণ না হতে পারলেও আমরা একজন এর খুশির কারণ তো হতে পারি &quot;।সত্যিকার অর্থ বুঝতে পেরেছিলাম আমি ঈদের দিন এই কথা টার।সামর্থ্য অনুযায়ী অল্প কয়েকজন কে খুশি করা তো যেতেই পারে, যারা আমাদের আশেপাশে থাকে। সবাই একটু একটু করে করলেই সব মানুষ ঈদের আনন্দ পেতে পারে।আমি বলছি না যে ঈদের দিন কারও বাসায় যাওয়া যাবে না,বা খাওয়া দাওয়া করা যাবে না বা কারও সাথে কথা বলা যাবে না। আমি বলছি সবকিছু করতে হবে মনের গভীর থেকে। অন্তরে থাকতে হবে প্রীতি, তাহলেই ঈদের দিন চিত্তে থাকবে প্রকৃত হর্ষ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/108132/</link>
				<pubDate>Fri, 06 May 2022 15:40:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রীতিহর্ষ<br />
একসময়ে ঈদের আনন্দ বলতে বুঝতাম নতুন জামা পড়া,আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী, পরিচিত দের বাসায় যাওয়া,ভালো ভালো খাবার খাওয়া, ঘুরে বেড়ানো, সালামি,ঈদের অনুষ্ঠান দেখা এইসব।কিশোর বয়স পার হওয়ার পর এই ব্যাপার গুলো চলে গেছে। তবে সবার সাথে দেখা হয় অনেক সময়,অনেকে বাসায় আসেন,আত্মীয় স্বজনদের সাথে ফোনে কথা হয়,কিন্তু কোথায় যেন একটা ফাঁক থেকে যায়।এই অবস্থ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-108132"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/108132/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">469a7d05b715ec7149015154be66a7b6</guid>
				<title>কর্মলগ্ন
সময়ের মূল্য রচনার মধ্যে আমরা প্রায় সবাই লিখি যে সময়ের কাজ সময়ে করা উচিত, কাজ ফেলে রাখলে পরে ভুগতে হবে।কিন্তু কোন কাজের জন্য কোন সময় টা সঠিক সেটা বিচার কর&#x200d;তে গেলে আমরাই সবসময় ভুল করে থাকি।গড়পড়তা বাংলাদেশের সব মানুষের জীবনই এমন যেখানে স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি শেষ করে চাকরির কথা ভাবা হয়।পড়াশোনা শেষ না করতে পারলে বা নির্দিষ্ট একটা ঠিক করা সময় না হলে কাউকে আর কাজের যোগ্য ভাবাই হয় না।আবার কারিগরি শিক্ষাসহ অনেক শিক্ষাক্ষেত্র আছে যেখানে হাতেকলমে কাজ শেখানো হয় সেখান থেকে পড়া শিক্ষার্থীদের কাগজে কলমের জ্ঞান স্বল্প থাকে বলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্র ছাড়া তারা অন্য জায়গায় কাজ করতে পারে না। জ্ঞান আর কর্মদক্ষতার যে একটা সুষ্ঠু সংমিশ্রণ প্রয়োজন সেটা বাংলাদেশে নেই বললেই চলে। সবচেয়ে বড় সমস্যা অন্য জায়গায়। সেটা হলো সমাজের লোক দেখানো আত্মসম্মান। কাজের সঠিক মর্ম শুধু যে টাকা আর ডিগ্রি নয় সেটা মানুষ আজ পর্যন্ত বুঝতে পারে নি।&quot;কোন কাজই ছোট নয়&quot; এই কথাটা শুধু বই পুস্তকেই সীমাবদ্ধ। বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগ নেই।রেস্টুরেন্টে ওয়েটার এর কাজ করা বা খাবার ডেলিভারি করা অনেকের কাছেই নিচুস্তর এর কাজ।কিন্তু ভেবে দেখার বিষয় যে রেস্টুরেন্টে ওয়েটার এর কাজ করতে গেলে একজন মানুষকে কাস্টমারদের সাথে ভালো করে কথা বলা শিখতে হবে। আচরণ এ নম্রতা ও ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে। এতে কত কিছু শেখার আছে! খাবার ডেলিভারিতে সময়ের মূল্য যেভাবে বোঝা যায় সেটা আর কোন কাজেই সম্ভব নয়।একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার যেসব বিষয় পড়ে পড়ে বোঝে একজন গ্যারেজের মেকানিক সেটা নিজ হাতে করে বোঝে।কিন্তু সম্মান টা দুইজন এর দুইরকম।কেউ নিজের ভালো লাগা থেকে মেকানিক এর কাজ করলেও মানুষ ভাবে তার অনটন চলছে। ইচ্ছা থাকলেও সব কাজ করা যায় না শুধু মাত্র লোকে কি বলবে এটা ভেবে! দিন  শেষে উপার্জন ই যেখানে মূল লক্ষ্য সেখানে এত লোকের কথা ভাবার কি আছে? পড়াশোনা শেষ করে চাকরির প্রত্যাশা তো মানুষ এইজন্যই করে যেন ভালো ইনকাম করতে পারে।সেটা যদি অল্প বয়স থেকে ছোট ছোট কাজ করে আগে থেকেই শুরু করা যায় তাহলে সমস্যা কি?প্রেসিডেন্ট এর মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও মালিহা ওবামা যদি রেস্টুরেন্টে কাজ করতে পারে শুধু কাজ শেখার জন্য তাহলে বাংলাদেশের মতো স্বল্প আয়ের দেশের মানুষের আর কোন কথা খাটে?
একটা পাখির বাচ্চা যখনই উড়তে শেখে তখনই তার মা বাবা তাকে আলাদা করে দেয়। মাংসাশী প্রাণী শিকার করা শিখে গেলেই বেঁচে থাকার লড়াই তে নেমে যায়।আর মানুষের ই কাজ করতে বছর পার হয়ে যায়!
ছেলে মেয়েরা প্রাপ্ত বয়স্ক হলেই কাজের তাগিদ দেওয়া উচিত। যেটা সম্ভব হয় সেটাই করতে বলা উচিত। মা বাবা ভালো টা ভাবতে গিয়েই দেরি করে ফেলেন বলে কর্মক্ষম মানুষ হতেও দেরি হয়।  ভালো কাজ যতই অল্প টাকার হোক না কেন কিছু না কিছু শিক্ষা তাতে থাকেই।সবার উচিত কর্মের মর্ম বোঝা, টাকার প্রয়োজন সময়ের সাথে সাথে এমনিতেই বোঝা যায়।প্রাপ্তবয়স্ক হলে সবাই সবকিছু বুঝতে পারলেও সবকিছু করতে পারে না কতগুলো ভুল ভাবনার কারণে। এইসকল চিন্তা ভাবনা থেকে বের হয়ে আমাদের বুঝতে হবে যে বোঝার লগ্নই কর্মলগ্ন,সেটা যে কর্মই হোক না কেন।ভাবনা আর কাজের সঠিক প্রসারই পারে সঠিক কর্মলগ্ন চিহ্নিত করতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/107196/</link>
				<pubDate>Sat, 23 Apr 2022 18:10:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কর্মলগ্ন<br />
সময়ের মূল্য রচনার মধ্যে আমরা প্রায় সবাই লিখি যে সময়ের কাজ সময়ে করা উচিত, কাজ ফেলে রাখলে পরে ভুগতে হবে।কিন্তু কোন কাজের জন্য কোন সময় টা সঠিক সেটা বিচার কর&#x200d;তে গেলে আমরাই সবসময় ভুল করে থাকি।গড়পড়তা বাংলাদেশের সব মানুষের জীবনই এমন যেখানে স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি শেষ করে চাকরির কথা ভাবা হয়।পড়াশোনা শেষ না করতে পারলে বা নির্দিষ্ট একটা ঠি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-107196"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/107196/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aa72904cc458b366a6d69e45c6636388</guid>
				<title>প্রচেষ্টা 
চেষ্টা ছেড়ে দেওয়া উচিত না কখনোই,ভালো হওয়ার চেষ্টা করতে হবে সবসময়। সমস্যা থাকে, থাকবেই।কেউ আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করলে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। তাকে পরের বার বিশ্বাস করতে হবে এটা জরুরি না, কিন্তু মনের মধ্যে খারাপ চিন্তা গুলো আনা যাবে না।তাহলে পৃথিবী থেকে বিশ্বাস, ভালোবাসা নামক সুন্দর অনুভূতি গুলো হারিয়ে যাবে। কেউ সাহায্য চাইলে সাহায্য করা উচিত। করতে অপারগ হলে তাকে সরাসরি বলে দিতে হবে। মিথ্যা আশ্বাস দেওয়ার চেয়ে না বলে দেওয়া অনেক ভালো। মানুষ আমাদের নিয়ে কি ভাবে তা ভাবার দরকার নেই।নিজের প্রয়োজন নিজেকেই পূরণ করতে হয়।কেউ যদি শুধু প্রয়োজন এর সম্পর্ক রাখে রাখুক, কষ্ট পাওয়ার দরকার নেই।সবারই তো সবাইকে প্রয়োজন। আমরা কাউকে সাহায্য করলাম, সে যদি পরে আমাদের সাহায্য না করে না করুক,তার সাহায্য ছাড়াই কাজ হয়ে যাবে,  সৃষ্টিকর্তা কাউকেই সারাজীবন কষ্টের মধ্যে রাখেন না।দুনিয়ায় চলতে গেলে ভুল হবে,কষ্ট হবে,বিশ্বাস ভেঙে যাবে, কিন্তু ভেঙে পড়া যাবে না।নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে, নিজের জন্যই।মানসিক শান্তি ভালো চিন্তার মাঝেই থাকে, ভালো কাজের মধ্যেই থাকে। তাই প্রচেষ্টা চলবে সবসময়ই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/101169/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Mar 2022 14:51:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রচেষ্টা<br />
চেষ্টা ছেড়ে দেওয়া উচিত না কখনোই,ভালো হওয়ার চেষ্টা করতে হবে সবসময়। সমস্যা থাকে, থাকবেই।কেউ আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করলে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। তাকে পরের বার বিশ্বাস করতে হবে এটা জরুরি না, কিন্তু মনের মধ্যে খারাপ চিন্তা গুলো আনা যাবে না।তাহলে পৃথিবী থেকে বিশ্বাস, ভালোবাসা নামক সুন্দর অনুভূতি গুলো হারিয়ে যাবে। কেউ সাহায্য চাইলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-101169"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/101169/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7ce41054d4e84d358213d5e39f08b11c</guid>
				<title>সংশোধন 
উপলব্ধির মধ্যেও যে ভুল হতে পারে সেটা বুঝতে পারলাম হঠাৎ করেই। এর আগে একটা লেখা লিখেছিলাম যেখানে বাইরের রুপ সৌন্দর্য এবং গুণ নিয়ে একটা তুলনা করেছিলাম।এক দৃষ্টিকোণ থেকে সেই তুলিনাটা সঠিক হলেও অন্য দিক থেকে একটু ভুল ছিল। সেই ভুলটা ঠিক করতে আসলাম আবার আজ।
নাটক চলছিল টিভিতে।বাবা তার মেয়েকে বলছিলেন বাইরের রুপটা বড় নয়,ভিতর টাই আসল।আমার একজন আপনজন বসেছিলেন পাশে। বললেন,&quot;এই কথাটা বলার কারণ হলো বাইরের রুপ আসলে প্রয়োজন, সেটা যেহেতু নিজেদের হাতে থাকে না তাই ওই কথাটা বলে বিষয় টা ধামাচাপা দেওয়া হয়&quot;।আমি ব্যাপার টা ভাবলাম কিছুক্ষণ।তাই তো।কাজ টা পরে ধরা পড়ে। নজর তো আগে চেহারার দিকেই যায়।তবে কি বাইরের রুপ দেখে মুগ্ধ হওয়াটা মানুষের দোষ? ভেবে দেখলাম আসলে বাইরের রুপ দেখে মুগ্ধ হওয়াটা দোষ নয়,বাইরের রুপ দেখে ভিতর টা বিচার করা দোষ। আসল ভুল টা এখানে। ধরুন আপনি একজন কালো মেয়েকে দেখলেন।তার গায়ের রঙ টা আপনার মনে একটু অন্য চিন্তা আনতেই পারে।একজন ফর্সা সুন্দরী মেয়েকে দেখলে কেউ মুগ্ধ হতেই পারে। অনেক লম্বা মানুষদের মধ্যে একজন বেটে মানুষ চোখে পড়তেই পারে। সেটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমাদের এটাই মনে রাখতে হবে যে বাইরের রুপ টা আমরা বানাই না।সেটা আমাদের হাতে নেই।কিন্তু চরিত্র সংশোধন করা এবং কর্মে উপযুক্ত হওয়াটা আমাদের হাতে আছে। বাইরের রুপ দেখে মনে যেই চিন্তা ই আসুক না কেন সেটা যেন তার স্বভাব এর মাপকাঠি না হয়।তাই দৃষ্টিভংগীর পরিবর্তন টা জরুরি। আগের লেখায় এই ব্যাপার টা আমি ঠিক করে তুলে ধরতে পারি নি। এবারে সেটাই সংশোধন করে গেলাম। আশা রাখি সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সবার জন্য শুভকামনায় লেখা এখানেই শেষ করছি।আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/95258/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Feb 2022 09:29:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সংশোধন<br />
উপলব্ধির মধ্যেও যে ভুল হতে পারে সেটা বুঝতে পারলাম হঠাৎ করেই। এর আগে একটা লেখা লিখেছিলাম যেখানে বাইরের রুপ সৌন্দর্য এবং গুণ নিয়ে একটা তুলনা করেছিলাম।এক দৃষ্টিকোণ থেকে সেই তুলিনাটা সঠিক হলেও অন্য দিক থেকে একটু ভুল ছিল। সেই ভুলটা ঠিক করতে আসলাম আবার আজ।<br />
নাটক চলছিল টিভিতে।বাবা তার মেয়েকে বলছিলেন বাইরের রুপটা বড় নয়,ভিতর টাই আসল।আমার একজন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-95258"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/95258/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec121abf3bb32fa8fd01f28acdc7aae9</guid>
				<title>দর্শনানন্দ ও কর্মতুষ্টি
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা বিষয় খুব আলোচনায় থাকে। বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে বিচার করার ব্যাপার টা অনেক সমালোচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে।এটা খুবই ভালো।যেহেতু বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে সবাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তাই এই আলোচিত বিষয়টি সম্পর্কে সবাই অবগত।কিন্তু আমরা অনলাইনে যতটা সচেতন অফলাইনে ততটাই বিশৃঙ্খল। এখনো &quot;আগে দর্শনধারী পরে গুনবিচারী&quot; ব্যাপার টা পুরোপুরি মুছে যায় নি।আমরা অনলাইনে একটা পোস্ট দেখি,লাইক কমেন্ট শেয়ার করি তারপর ভুলে যাই।বাস্তব জীবনে চেহারার গুরুত্ব আগের মতই আছে।চীন এর একটা এলাকায় মেয়েদের পা ছোট রাখার জন্য পায়ের পাতার হাড় ভেঙ্গে দেওয়া হতো।প্রাচীন গ্রিসের মহিলারা কোমড় এ টাইট বেল্ট পরতেন চিকন কোমড় এর জন্য। মেয়েদের সুন্দরী হওয়ার ঘোর তো সৃষ্টির প্রথম থেকেই আছে।একটা ভিডিও দেখলাম যেখানে একজন অনেক কালো লোকের সাথে একটি সুন্দরী মেয়ের বিয়ে হচ্ছে আর মেয়েটি কেঁদেই চলেছে।সবাই বলছে ছেলে সরকারি চাকরি করে আর চিন্তা কি!সরকারি চাকরির গুরুত্ব বোঝানোর জন্য সেটা একটা ট্রল ভিডিও ছিলো।অনেক হা হা রিয়্যাক্টও ছিলো ভিডিও টিতে। কিন্তু পরোক্ষভাবে যে সেই লোকটির গায়ের রঙ কেও কটাক্ষ করা হলো সেটা ধরা পড়লো না।বাহ্যিক সৌন্দর্য শুধু মেয়েদের ক্ষেত্রেই দেখা হলে নেলসন ম্যান্ডেলা কে নিশ্চয়ই বর্ণবাদ আন্দোলন করতে হতো না।হয়তো এই ব্যাপার গুলো আগের মতো নেই,কিন্তু পুরোপুরি শেষ ও হয়ে যায়নি। শেষ অবধি কাজই থেকে যায় তাই দর্শনানন্দকে বড় করে না দেখে কর্মতুষ্ট হতে শেখা উচিত। কাউকে ছোট করাও উচিত না এবং নিজের ও হীনমন্যতায় ভোগা উচিত নয়।তাহলেই একটি সুন্দর সামাজিক পরিবেশ পাওয়া যাবে, নাহলে সুন্দর অকর্মন্যদের হাতেই ক্ষমতা থেকে যাবে আর কর্মঠ ও রা বিষন্নতাতেই ধ্বংস হয়ে যাবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/93826/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Jan 2022 11:19:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দর্শনানন্দ ও কর্মতুষ্টি<br />
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা বিষয় খুব আলোচনায় থাকে। বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে বিচার করার ব্যাপার টা অনেক সমালোচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে।এটা খুবই ভালো।যেহেতু বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে সবাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তাই এই আলোচিত বিষয়টি সম্পর্কে সবাই অবগত।কিন্তু আমরা অনলাইনে যতটা সচেতন অফলাইনে ততটাই বিশৃঙ্খল।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-93826"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/93826/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e98284903828d692003d54470f431441</guid>
				<title>অবিদিত প্রশান্তি 
ঢাকা যাচ্ছিলাম,বান্ধবী ছিলো সাথে। পাশের দুই সিটে একটা পরিবার যাচ্ছিলেন।মা, বাবা আর ছোট একটা ছেলে বাচ্চা। বাচ্চাটার বয়স ২ বছরের কাছাকাছি, কেবল কথা বলতে শিখেছে এমন।বাচ্চা টা হাসছিল, জানালার বাইরের দৃশ্য দেখে অনেক কথা বলছিল,ওর মা বাবাও হাসছিলেন, কথা বলছিলেন, মাঝে মাঝে এটা সেটা খাইয়ে দিচ্ছিলেন ওকে।যাত্রা টা উপভোগ করছিলেন তারা।একটা হোটেলের সামনে বাস দাড় করানো হলো কিছু সময় যাওয়ার পর। ২০ মিনিট বিরতি পাওয়া গেল।সবাই নামলেন গাড়ি থেকে। খাওয়া দাওয়া আর প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে নিচ্ছেন সবাই।সবার মধ্যেই একটা অস্থিরতা কাজ করছে।গাড়ি যেন ছুটে না যায় তাই সবাই যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি কাজ সেরে ফেলার চেষ্টা করছেন। সেই সময় ওই বাচ্চাটাকে দেখলাম হোটেলের মধ্যে দৌড়াচ্ছে আর হাসছে।কৃত্রিম ঝর্ণা দেখছে, সবসময় তার চোখে মুখে শুধুই আনন্দ। বিরতি শেষ হলে গাড়ি তে উঠলেন সবাই।ঢাকা পৌঁছানোর পর এক জায়গায় জ্যাম পড়ল।বাংলাদেশের মানুষকে ঢাকার জ্যাম সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। মোটামুটি সবাই বিরক্ত তখন। শীতকাল হলেও দুপুরের রোদ,ধুলো আর যানজটের মধ্যে তখন গরম লাগছিলো । আমার বান্ধবী ওই বাচ্চা টাকে ইংগিত করে বললো &quot;ও ই ভালো, সুন্দর চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। &quot; বাচ্চা টার দিকে তাকিয়ে দেখলাম মা বাবার মাঝে দাঁড়িয়ে আশেপাশে তাকাচ্ছে। সামনের সিটে বয়স্ক একজন লোক বসেছিলেন, তার সাথেও কথা বলছে।বয়স্ক লোকটিও বাচ্চাটার সংগ উপভোগ করছেন।আমি সমগ্র যাত্রার দৃশ্যটা একবার কল্পনা করলাম।হোটেলের মধ্যে সবার তাড়া থাকলেও বাচ্চাটা আনন্দ পাচ্ছিল।কারণ গাড়ি ছুটে যাওয়ার অসুবিধার কথা সে জানতই না।জ্যাম এ সবাই বিরক্ত হলেও সে হয় নি কারণ সে জানেই না জ্যাম একটা বিরক্তিকর বিষয়। আমার মনে হলো মাঝে মাঝে কিছু না জানলেই ভালো। কোন কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তার প্রয়োজন হয় না।আবার বাচ্চা টা যখন হোটেলের মধ্যে দৌড়াচ্ছিল ওর মা পাশেই বসেছিলেন। বাচ্চাটা জানত যে মা আছেন, তার কিছু হবেনা। অনেক কিছু উপলব্ধি করলাম আমি এই যাত্রায়।আমরা জানিনা আমাদের ভবিষ্যৎ কি,তাই তা নিয়ে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন, দুশ্চিন্তা করা উচিত নয়।মানুষের জীবন নিয়ন্ত্রন করার জন্য স্রষ্টা আছেন, তাই তার উপর ভরসা করে আমাদের ও নিশ্চিন্ত হওয়া উচিত যেমন সেই বাচ্চা টা তার মা কে দেখে নিশ্চিন্ত ছিল। জ্যাম থাকার কারণে গন্তব্যে পৌঁছাতে একটু দেরি হয়েছে,  কিন্তু আমরা পৌঁছেছি ঠিকই। একইভাবে আমাদের জীবনে বিপদ আপদ থাকবেই কিন্তু যা আমাদের জন্য নির্ধারিত তা আমরা পাবোই। হয়তো সময় টা দীর্ঘ হবে, ধৈর্য্য  ধরতে হবে। তাই আমাদের সব দুশ্চিন্তা জীবন থেকে মুছে ফেলা উচিত। সবকিছু জানার প্রয়োজন নেই, সবকিছু ভাবার প্রয়োজন নেই, যতটা সম্ভব চেষ্টা প্রয়োজন, অন্তরের দৃঢ়তা প্রয়োজন। স্রষ্টাকে বিশ্বাস করা প্রয়োজন, তাহলে ই জীবন এর সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে আর হৃদয়ে থাকবে অনাবিল প্রশান্তি,যা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা থেকে একদম অবিদিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/83860/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Dec 2021 04:47:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অবিদিত প্রশান্তি<br />
ঢাকা যাচ্ছিলাম,বান্ধবী ছিলো সাথে। পাশের দুই সিটে একটা পরিবার যাচ্ছিলেন।মা, বাবা আর ছোট একটা ছেলে বাচ্চা। বাচ্চাটার বয়স ২ বছরের কাছাকাছি, কেবল কথা বলতে শিখেছে এমন।বাচ্চা টা হাসছিল, জানালার বাইরের দৃশ্য দেখে অনেক কথা বলছিল,ওর মা বাবাও হাসছিলেন, কথা বলছিলেন, মাঝে মাঝে এটা সেটা খাইয়ে দিচ্ছিলেন ওকে।যাত্রা টা উপভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-83860"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/83860/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0eb35946cb8965680ed430afc6a568c1</guid>
				<title>নিরেট মন
মাঝে মাঝে নিজেকে একদম অন্তঃসারশূন্য বলে মনে হয়। মনে হয় শুধু বাইরে একটা আবরণ আছে, ভিতরে কিছুই নেই। ঘোর এর মধ্যে থেকে যাই,চারপাশে কি হচ্ছে না হচ্ছে কিছু বুঝতে পারি না।একটা কাজ করা দরকার দেখে হয়তো করছি কিন্তু মনের মধ্যে চলতে থাকে যে কি করছি আমি আসলে। অনেক ভয়ংকর ব্যাপার ঘটলেও মাঝে মাঝে ভয় করে না।কষ্টের ঘটনা তেও কষ্ট হয় না। একটা কাজ হয়তো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করতে হবে কিন্তু করা হয় না,সেটা তে ক্ষতি হয়ে গেলেও কিছু মনে হয় না।মাঝে মধ্যে একলা  বসে ভাবতে থাকি আমি কি অনুভূতিহীন?  আমার মন কি আদৌ আবেগ চালনা করে নাকি একদম নিরেট?....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/46964/</link>
				<pubDate>Fri, 22 Oct 2021 14:16:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিরেট মন<br />
মাঝে মাঝে নিজেকে একদম অন্তঃসারশূন্য বলে মনে হয়। মনে হয় শুধু বাইরে একটা আবরণ আছে, ভিতরে কিছুই নেই। ঘোর এর মধ্যে থেকে যাই,চারপাশে কি হচ্ছে না হচ্ছে কিছু বুঝতে পারি না।একটা কাজ করা দরকার দেখে হয়তো করছি কিন্তু মনের মধ্যে চলতে থাকে যে কি করছি আমি আসলে। অনেক ভয়ংকর ব্যাপার ঘটলেও মাঝে মাঝে ভয় করে না।কষ্টের ঘটনা তেও কষ্ট হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-46964"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/46964/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">abba8db59fb316191ae860d23286e00b</guid>
				<title>এক টুকরো সুখ 
৮/৯ দিন আগের কথা। রিক্সাস্ট্যান্ড এ দাঁড়িয়ে বান্ধবীর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। একটু পর একটা রিকশা সামনে এসে থামলো। মনের অজান্তেই পিছন থেকে চোখ পড়ে গেল রিকশা টার দিকে। আসলে কোন কাজ করার না থাকলে যা হয় আর কি। তো দেখলাম একজন লোক রিকশা থেকে নামলেন। পিছন থেকে দেখে বুঝতে পারলাম রিকশায় তার স্ত্রী আর বাচ্চা আছে। বাচ্চা টা ছেলে না মেয়ে তাও আমি বুঝতে পারছিলাম না।তো লোকটি রিকশা থেকে নেমে ভাড়া মিটিয়ে রিকশা ওয়ালাকে বললেন ওদের পৌঁছে দিও।তখন তার স্ত্রীর কোলে বসা বাচ্চা টা হাত নাড়িয়ে মিষ্টি কন্ঠে বলল,টা টা বাবা &#x1f970;,উনিও হাত নাড়িয়ে তাই বললেন। মুখে মাস্ক থাকার কারণে দেখা যাচ্ছিল না কিন্তু ওনার চোখে খুশি টা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। তারপর উনি অটোতে করে অফিস চলে গেলেন, আর ওনার স্ত্রী আর সন্তান রিকশা তে করে বাসায় ফিরে গেল। এক মুহূর্তের এই টুকু ঘটনা আমার মনে দাগ কেটে রাখল।বাচ্চা টা যখন হাত নাড়িয়ে তার বাবাকে বিদায় জানাচ্ছিল তখন কতটা ভালো লেগেছিল তার বাবার?!&#x1f970;উনি যখন কাজ সেড়ে বাসায় ফিরবেন, বাচ্চাটা বাবা বাবা বলে কোলে আসবে,তখন শত ক্লান্তি থাকলেও তিনি বাচ্চা কে কোলে নেবেন। পৃথিবীর আর কোন কিছুতে কি পাওয়া যাবে এই এক টুকরো সুখ......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/42042/</link>
				<pubDate>Sat, 09 Oct 2021 16:22:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক টুকরো সুখ<br />
৮/৯ দিন আগের কথা। রিক্সাস্ট্যান্ড এ দাঁড়িয়ে বান্ধবীর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। একটু পর একটা রিকশা সামনে এসে থামলো। মনের অজান্তেই পিছন থেকে চোখ পড়ে গেল রিকশা টার দিকে। আসলে কোন কাজ করার না থাকলে যা হয় আর কি। তো দেখলাম একজন লোক রিকশা থেকে নামলেন। পিছন থেকে দেখে বুঝতে পারলাম রিকশায় তার স্ত্রী আর বাচ্চা আছে। বাচ্চা টা ছেলে না মেয়ে তা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-42042"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/42042/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">30be3ef11e1dc438b398a61198570a6c</guid>
				<title>&quot;ভালো  আছি &quot;
আমরা যখন কাউকে জিজ্ঞেস করি কেমন আছো বা কেমন আছেন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উত্তর আসে ভালো আছি। যাকে জিজ্ঞেস করা হয় সে পাল্টা প্রশ্ন করে তুমি কেমন আছো বা আপনি কেমন আছেন, উত্তর সেই একই , ভালো আছি। এরপর অন্য সব কাজের কথাবার্তা শুরু হয়।&quot;ভালো আছি &quot;কথাটা স্বভাবগত ভাবে মানুষ মুখে বলে থাকে।হয়তো দেখা যায় কারো ঘরে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না দেখে দুশ্চিন্তা আবার কারও ঘরে ভাইবোনদের মধ্যে ঝামেলা, কারও ঘরে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ নয়তো স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলহ।কারও ঘরে দেখা যায় মেয়েকে স্বামী ছেড়ে দিয়েছে, সেই মেয়ের পর আরেকটা মেয়ে থাকলে তো মা বাবার দুশ্চিন্তা বাড়ে কয়েক  গুণ, কিন্তু মুখে ওই এক কথা &quot; ভালো আছি &quot;....
কি ভাবছেন, আমি মনস্তত্ত্ব নিয়ে কথা বলছি?বা সমাজ নিয়ে? না, আমি এসব কিছুই বলছি না।আমি একটা সাধারণ কথা বলছি।কারও সাথে দেখা হলে &quot; কেমন আছো &quot;বা &quot; কেমন আছেন &quot;জিজ্ঞেস করাটা ভদ্রতা, সৌজন্য।এবার কথা হলো ভালো না থাকলেও আমরা কেন বলি ভালো আছি?কারণ আমরা জানি যে আমাদের সমস্যার কথা কাউকে বলে লাভ নেই। যে সমস্যার কথা আমি আগে বললাম সেগুলো অন্য কোন মানুষ সমাধান করতে পারে না।সেগুলো হয়তো মানুষ বয়ে বেড়ায় নয়তো ভাগ্য ভালো হলে মিটে যায়। এইখানেই অন্য চমক! সমস্যা যদি কখনো না কখনো মিটেই যায় বা আমরা তার সাথে অভ্যস্ত হয়েই যাই তাহলে বিপদে আমরা ভেঙে পড়ি কেন? আমাদের বুঝতে হবে এটাই দুনিয়া। এখানে শান্তি, অশান্তি, সুখ, দুঃখ, আনন্দ, বেদনা কোন টাই থাকে না।এগুলো তো মানুষের অনুভূতি, মানুষই তো চিরকাল থাকে না,তাহলে অনুভূতির উপস্থিতি ই বা কতটুকু থাকবে?
একটা কথা পড়েছিলাম একটা ফেসবুক পেইজে, &quot; দুনিয়ায় কষ্ট সহ্য না করতে পারলে মরে যাবেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি না পেলে মরার পর কোথায় যাবেন?&quot;এখানে পরকালের কথা বলা হচ্ছে, মুসলিম হিসেবে আমি কথাটা বিশ্বাস করি, কিন্তু এখানে আমি ধর্মের কথা বলছি না,আমি আমাদের কথা বলছি,দুনিয়ার জীবনের কথাই বলছি,আপনি যে ধর্মই পালন করুন না কেন মরণ তো একদিন আপনার হবেই।তাই দুনিয়ায় ভালো থাকলেই বা কি না থাকলেই বা কি?কি ভাবলেন আমি এটাই বলবো?না আমি বলবো আমরা এমন জীবন কাটাই যেন আমরা ভালো থাকি,ইহকালে এবং পরকালেও।
খেলতে গিয়ে ব্যথা পেলেও বাচ্চারা আবার খেলতে চায়,কারণ তারা খেলতে গিয়েই ভালো থাকে, খেলার আনন্দটা তারা উপলব্ধি করে, ব্যথার ক্ষত একসময় শুকিয়ে যায়,সেই শুকিয়ে যাওয়া ক্ষতের দাগ তাদের কে মনে করিয়ে দেয় যে আমরা হেরে যাই নি,তাই মুখে নয়,মন থেকে বলুন &quot;ভালো আছি &quot;......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/41663/</link>
				<pubDate>Fri, 08 Oct 2021 13:40:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;ভালো  আছি &#8221;<br />
আমরা যখন কাউকে জিজ্ঞেস করি কেমন আছো বা কেমন আছেন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উত্তর আসে ভালো আছি। যাকে জিজ্ঞেস করা হয় সে পাল্টা প্রশ্ন করে তুমি কেমন আছো বা আপনি কেমন আছেন, উত্তর সেই একই , ভালো আছি। এরপর অন্য সব কাজের কথাবার্তা শুরু হয়।&#8221;ভালো আছি &#8220;কথাটা স্বভাবগত ভাবে মানুষ মুখে বলে থাকে।হয়তো দেখা যায় কারো ঘরে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না দেখে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-41663"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/41663/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7fb0d6a65aefe6461857d24a47c93411</guid>
				<title>মাঝে মাঝে একটা কথা মনের মধ্যে খুব বেশি করে আসতে থাকে, জানি না যে শুধু আমার মনেই এটা আসে নাকি সবার মনেই আসে,খুব পরিচিত সেই কথাটা, &quot;ভালো লাগছে না&quot;
দেখা গেল সামনে পরীক্ষা, কিন্তু পড়তে ভালো লাগছে না,অনেক খিদে পেয়েছে,রান্না করা দরকার, কিন্তু রান্না করতে ইচ্ছে করছে না,ঘরে রেশন নেই,কিন্তু বাজার এ যেতে ইচ্ছে করছে না  এমন ঘটনা অহরহ।অনেক সময়ই দেখা যায় একটা কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু করতে ভালো লাগছে না, জোর করে সেটা তখন সম্পন্ন করতে হয়।একজন বিসিএস ক্যাডারের একটা লেখা পড়েছিলাম,তিনি লিখেছেন যে পড়াশোনা করতে না ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক, বলতে গেলে যার সব কিছুই করতে ভালো লাগে সে স্বাভাবিক নয়,জীবন এ জয়ী হতে গেলে ভালো না লাগার কাজ গুলোই করতে হবে। আমার মনে ধরেছিল কথাগুলো। কিন্তু এখনো এই ভালো না লাগা থেকে বের হতে পারি নি।মনকে মানিয়ে নিতে হয় বারবার
অদ্ভুত এক রোগ, জোর করে চলে চিকিৎসা যার
&quot;চিকিৎসা &quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40516/</link>
				<pubDate>Mon, 04 Oct 2021 14:01:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাঝে মাঝে একটা কথা মনের মধ্যে খুব বেশি করে আসতে থাকে, জানি না যে শুধু আমার মনেই এটা আসে নাকি সবার মনেই আসে,খুব পরিচিত সেই কথাটা, &#8220;ভালো লাগছে না&#8221;<br />
দেখা গেল সামনে পরীক্ষা, কিন্তু পড়তে ভালো লাগছে না,অনেক খিদে পেয়েছে,রান্না করা দরকার, কিন্তু রান্না করতে ইচ্ছে করছে না,ঘরে রেশন নেই,কিন্তু বাজার এ যেতে ইচ্ছে করছে না  এমন ঘটনা অহরহ।অনেক সময়ই দেখা য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-40516"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/40516/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6ff1f8701c0453298c812aaaa0f5a191</guid>
				<title>দ্বিরুপ
শান্তি মানে কি আসলে 
অশান্তিরই বা কি অর্থ
মন যা চায় তা পাওয়াই  যদি হয় শান্তি 
তবে পাওয়ার পর একসময় কেন ফুরোয় তৃপ্তি
একজীবনে সবকিছু পাওয়াই যদি  শান্তির শর্ত
তবে কেন অপ্রাপ্তিতেও জীবন একই গতিতে হয় আবর্ত
শান্তি হলো যখন কষ্ট হয় শেষ 
দুঃখের সংজ্ঞা ও তো মিলে যায় বেশ 
তাই জীবনের প্রতি কখনো হয়ো না বিরুপ
সুখ আর বেদনা যে অনুভূতিরই দ্বিরুপ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/38627/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Sep 2021 16:32:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দ্বিরুপ<br />
শান্তি মানে কি আসলে<br />
অশান্তিরই বা কি অর্থ<br />
মন যা চায় তা পাওয়াই  যদি হয় শান্তি<br />
তবে পাওয়ার পর একসময় কেন ফুরোয় তৃপ্তি<br />
একজীবনে সবকিছু পাওয়াই যদি  শান্তির শর্ত<br />
তবে কেন অপ্রাপ্তিতেও জীবন একই গতিতে হয় আবর্ত<br />
শান্তি হলো যখন কষ্ট হয় শেষ<br />
দুঃখের সংজ্ঞা ও তো মিলে যায় বেশ<br />
তাই জীবনের প্রতি কখনো হয়ো না বিরুপ<br />
সুখ আর বেদনা যে অনুভূতিরই দ্বিরুপ</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f98e4fe2b20fa1a3636f5ffd9955960</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/38369/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Sep 2021 14:24:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2dc847186c32d58c19ba8b28de63f3cb</guid>
				<title>নতুন করে শুরু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/38368/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Sep 2021 14:24:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a50ca6b577939c52b54b5576ec358c3</guid>
				<title>মাঝে মাঝে খুব দোটানায় পড়ে যাই আমি, ভালো মন্দের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যাই,দ্বন্দ্ব টা আসলে মনেই থেকে যায়,বাইরে কাউকে বলতে গেলেও দ্বিধায় পড়ে যাই,বাইরে অনেক কাজ করি,মন জুড়ে থাকে আলস্য, অলস সময়ে কাজ খুঁজে বেড়াই,সময় কাটানো হয়ে যায় দুরুহু,মাঝে মধ্যে অনেক কিছু করার আকুলতা জাগে,মাঝে মধ্যে সব ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায় মন কোন দূর অচেনা জায়গায়..... 
এরকম দুই নৌকায় পা দিয়ে কি জীবনের নদী পার করা যায়...... 
দোটানা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/38366/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Sep 2021 14:16:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাঝে মাঝে খুব দোটানায় পড়ে যাই আমি, ভালো মন্দের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যাই,দ্বন্দ্ব টা আসলে মনেই থেকে যায়,বাইরে কাউকে বলতে গেলেও দ্বিধায় পড়ে যাই,বাইরে অনেক কাজ করি,মন জুড়ে থাকে আলস্য, অলস সময়ে কাজ খুঁজে বেড়াই,সময় কাটানো হয়ে যায় দুরুহু,মাঝে মধ্যে অনেক কিছু করার আকুলতা জাগে,মাঝে মধ্যে সব ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায় মন কোন দূর অচেনা জায়গায়&#8230;..<br />
এরকম দুই নৌকায় পা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-38366"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/38366/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>