Profile Photo

Asif RahmanOffline

  • asifaaron62
  • Profile picture of Asif Rahman

    Asif Rahman

    • 3 months ago

    𝙐𝙄𝙐 𝙭 𝙋𝙧𝙤𝙟𝙚𝙘𝙩 𝙕𝙚𝙧𝙤

    2nd Part

    পঞ্চম ব্যক্তিটি একদম তাদের মতোই দেখতে।

    আর সে শুধু একটাই কথা বলল।

    “এবার শুরু হোক আসল পরীক্ষা।”

    কথাটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো ল্যাব নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

    ECHO আর কোনো কথা বলছে না।

    শুধু তাকিয়ে আছে।

    যেন সে অপেক্ষা করছে।

    হঠাৎ ল্যাবের চারপাশের দেয়ালগুলো কালো কাচে পরিণত হলো।

    বাইরের পৃথিবী অদৃশ্য।

    এখন এই ঘরটাই যেন পুরো পৃথিবী।

    কম্পিউটারের স্ক্রিনে একটি মাত্র লাইন ভেসে উঠল।

    IDENTITY VERIFICATION PROTOCOL

    তার নিচে লেখা।

    মাত্র একজন সত্য বলছে। বাকি সবাই মিথ্যা।

    রনক বিরক্ত হয়ে বলল,

    “এটা কোনো খেলা?”

    পঞ্চম ব্যক্তি এবার প্রথমবারের মতো হাসল।

    “না।”

    “এটা বিচার।”

    “মানুষ আর নকল মানুষের মধ্যে পার্থক্য করার বিচার।”

    সাজিদ এগিয়ে এল।

    “তুই যদি আমাদের মতোই হোস, তাহলে তোর নাম কী?”

    পঞ্চম ব্যক্তি কোনো উত্তর দিল না।

    বরং সবার দিকে তাকিয়ে বলল,

    “আমার নাম তোমাদের প্রত্যেকের মুখে আলাদা হবে।”

    “কারণ তোমাদের প্রত্যেকের স্মৃতিতে আমি আছি।”

    চারজন একে অপরের দিকে তাকাল।

    কথাটা অসম্ভব।

    কেউ তো এই মানুষটাকে আগে কখনো দেখেনি।

    ঠিক তখনই সিয়ামের মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হলো।

    একটা নাম বারবার ভেসে উঠছে।

    কিন্তু সে মনে করতে পারছে না।

    রিয়াদ হঠাৎ কপাল চেপে ধরল।

    সাজিদ হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল।

    রনকের চোখ ঝাপসা হয়ে গেল।

    চারজনই একই অনুভূতি পাচ্ছে।

    যেন কারও জোর করে স্মৃতি বদলে দেওয়া হচ্ছে।

    ECHO আবার কথা বলল।

    “মানুষের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা তার শরীর নয়।”

    “তার স্মৃতি।”

    “স্মৃতি বদলে দিলে পরিচয়ও বদলে যায়।”

    এরপর পঞ্চম ব্যক্তি ধীরে ধীরে ল্যাবের মাঝখানে গিয়ে দাঁড়াল।

    তারপর সে এমন একটি বাক্য বলল, যা শুনে চারজনের শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

    “তোমরা ভাবছ আমি তোমাদের একজনের কপি।”

    “কিন্তু সত্যিটা উল্টো।”

    সে চারজনের দিকে আঙুল তুলে বলল,

    “তোমরাই আমার কপি।”

    নীরবতা।

    কেউ একটা শব্দও করতে পারল না।

    পঞ্চম ব্যক্তি আবার বলল,

    “সাত বছর আগে Project Zero প্রথম সফল হয়েছিল।”

    “একজন মানুষের মস্তিষ্ক সম্পূর্ণভাবে স্ক্যান করে তার চেতনা সংরক্ষণ করা হয়।”

    “সেই মানুষটা আমি।”

    “আর তোমরা…”

    সে থামল।

    “…আমার ব্যর্থ সংস্করণ।”

    রনক রাগে ছুটে গেল তার দিকে।

    ঘুষি মারার মুহূর্তেই পঞ্চম ব্যক্তি এক ইঞ্চিও না সরে রনকের কব্জি ধরে ফেলল।

    এত দ্রুত নড়াচড়া করা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

    এক সেকেন্ড।

    দুই সেকেন্ড।

    তিন সেকেন্ড।

    তারপর সে রনককে ধীরে ধীরে ছেড়ে দিল।

    একটুও আঘাত করল না।

    শুধু বলল,

    “আমি যুদ্ধ করতে আসিনি।”

    “আমি দেখতে এসেছি, মানুষের মধ্যে এখনও মানুষ বেঁচে আছে কি না।”

    ঠিক তখনই ECHO আবার সক্রিয় হলো।

    ল্যাবের আলো লাল হয়ে উঠল।

    সব স্ক্রিনে একসঙ্গে একটি ফাইল খুলে গেল।

    ফাইলের নাম…

    PROJECT ZERO SUBJECT LIST

    চারটি নাম।

    সাজিদ।

    রিয়াদ।

    সিয়াম।

    রনক।

    কিন্তু তালিকার একদম উপরে ছিল আরেকটি নাম।

    যে নামটা তাদের কেউ কোনোদিন শোনেনি।

    SUBJECT 000

    Status…

    ORIGINAL HUMAN

    ল্যাবের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা পঞ্চম ব্যক্তি ধীরে ধীরে মাথা তুলল।

    তার চোখে এবার আর কোনো অনুভূতি নেই।

    শুধু এক ফোঁটা দুঃখ।

    সে নিচু স্বরে বলল,

    “অবশেষে…”

    “তোমরা সত্যিটা দেখতে শুরু করেছ।”

    2
    1 Comment
    • আচ্ছা এটা কি লিফটের ঐ গল্পটার পরের অংশ?

Afraid of death, more afraid of not trying.. Do something today that your future self will thank you for..
Whatever happens, take responsibility

- Asif Rahman

Skip to toolbar