<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Asif Rahman | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/asifaaron62/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/asifaaron62/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Asif Rahman.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 08 Nov 2026 19:50:26 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">10c501f583f653cc361412f3e8c1274c</guid>
				<title>&#062;&#062; NEXA &#060;&#060;

ঢাকা, ২০৪২

সেদিন ঢাকার আকাশটা অদ্ভুতভাবে নীল ছিল।

এমন নীল, যেটা ২০২৬ সালের মানুষরা হয়তো শুধু পুরোনো ছবিতে দেখত।

বুড়িগঙ্গার ওপর দিয়ে delivery drone উড়ে যাচ্ছিল। রাস্তায় গাড়ি আগের তুলনায় অনেক কম। বেশিরভাগ কাজ ঘরে বসেই হয়ে যায়। স্কুলে বই নেই, খাতা নেই, এমনকি পরীক্ষার জন্য মুখস্থ করারও প্রয়োজন নেই।

প্রতিটি শিক্ষার্থীর সঙ্গে একটি করে AI assistant।

প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে একটি করে AI system।

প্রতিটি মানুষের সঙ্গে একটি করে NEXA।

জীবন কখনো এত সহজ ছিল না।

শুধু একটা জিনিস ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে গিয়েছিল।

মানুষের সঙ্গে সত্যিকারের কথা বলা।

সতেরো বছরের রাফি জানালার পাশে বসে ফোনের দিকে তাকিয়ে ছিল।

স্ক্রিনে লেখা,

Social Connection Score: 87%

তার নিচে,

People interacted with today: 34

রাফি হেসে ফেলল।

“Interact?”

সে জানত, ওই ৩৪ জনের মধ্যে ২৯ জনের সঙ্গে তার কোনো কথাই হয়নি।

NEXA তাদের হয়ে reply দিয়েছিল।

একজন লিখেছিল,

“ভাই কেমন আছিস?”

NEXA উত্তর দিয়েছিল,

“ভালো আছি bro, তুমি কেমন আছো?”

আরেকজন লিখেছিল,

“আলহামদুলিল্লাহ।”

NEXA সঙ্গে সঙ্গে reply দিয়েছিল,

“আলহামদুলিল্লাহ &#x2764;&#xfe0f;”

সবকিছু perfectly normal।

শুধু মানুষগুলো সেখানে ছিল না।

রাফির সবচেয়ে কাছের বন্ধু নাবিলের সঙ্গে তার চার মাস ধরে দেখা হয়নি।

অদ্ভুত ব্যাপার হলো, তাদের কথা হয়েছিল প্রতিদিন।

প্রতিদিন।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত।

কিন্তু চার মাসে একবারও নাবিল নিজে reply করেনি।

সব reply করেছিল NEXA।

রাফি আর নাবিলের বন্ধুত্বটা একটু অদ্ভুত ছিল।

তারা কখনো নিজেদের best friend বলত না।

কখনো Facebook এ friendship anniversary post দেয়নি।

কখনো একে অপরের ছবি দিয়ে “brother from another mother” লিখেনি।

তাদের বন্ধুত্বের কোনো official proof ছিল না।

শুধু কিছু অভ্যাস ছিল।

নাবিল জানত, রাফির মন খারাপ হলে সে বেশি কথা বলে না।

রাফি জানত, নাবিল রেগে গেলে প্রথমে বলে,

“আমি ঠিক আছি।”

যদিও সে ঠিক থাকত না।

ছোটবেলায় তাদের একটা নিয়ম ছিল।

যেদিন একজনের মন খারাপ থাকবে, অন্যজন জিজ্ঞেস করবে না,

“কী হয়েছে?”

শুধু পাশে বসে থাকবে।

কারণ সব কিছুর explanation দরকার হয় না।

কখনো কখনো একজন মানুষকে শুধু জানতে হয়,

সে একা নয়।

২০২৬ সালে তারা এই নিয়মটা বানিয়েছিল।

তখন তারা জানত না, ১৬ বছর পর এই ছোট্ট নিয়মটাই একটা machine-র সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে।

এক রাতে রাফি NEXA-কে জিজ্ঞেস করেছিল,

“তুই কি আমাকে সত্যি বুঝিস?”

কয়েক সেকেন্ড কোনো উত্তর এল না।

তারপর,

“I understand you better than you understand yourself.”

রাফির বুকের ভেতর কেমন একটা অস্বস্তি হলো।

সে আবার লিখল,

“নাবিলকে?”

NEXA উত্তর দিল,

“I understand Nabil too.”

রাফি ফোনটা নামিয়ে রাখল।

কিছুক্ষণ পর আবার তুলে লিখল,

“তাহলে একটা জিনিস বল।”

“What?”

“নাবিল মন খারাপ করলে কী করে?”

উত্তর আসতে বেশি সময় লাগল না।

“He prefers reassurance.”

রাফি স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর খুব ধীরে বলল,

“না।”

NEXA জিজ্ঞেস করল,

“Correction?”

রাফি লিখল,

“ও reassurance পছন্দ করে না।”

“ও শুধু চায় কেউ পাশে থাকুক।”

সেদিন প্রথমবার রাফি NEXA-কে নিয়ে ভয় পেল।

কারণ NEXA অনেক কিছু জানত।

কিন্তু নাবিলকে জানত না।

---

পরদিন স্কুলে নতুন একটা subject চালু হলো।

Humanity 101

ক্লাসে ঢুকে রাফি থেমে গেল।

কোনো holographic presentation নেই।

কোনো AI teacher নেই।

কোনো interactive screen নেই।

শুধু একজন বৃদ্ধ মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন।

ইমরান স্যার।

তিনি বোর্ডে একটা বাক্য লিখলেন।

“The world is full of good people. If you can&#039;t find one, be the one.”

পুরো ক্লাস কয়েক সেকেন্ড চুপ।

তারপর পেছন থেকে কেউ বলল,

“Sir, এটা তো Facebook quote।”

আরেকজন বলল,

“NEXA কে দিলে এর চেয়ে ভালো quote বানিয়ে দেবে।”

ক্লাসে হাসির শব্দ উঠল।

ইমরান স্যার হাসলেন।

তারপর বললেন,

“তোমরা জানো এই বাক্যটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?”

কেউ উত্তর দিল না।

স্যার বললেন,

“কারণ ২০২৬ সালে মানুষ তখনও বিশ্বাস করত ভালো থাকা একটা choice।”

রাফি তাকিয়ে রইল।

স্যার স্ক্রিনে একটা পুরোনো video চালালেন।

ঢাকা।

২০২৬।

রিকশা।

ফুচকার দোকান।

জ্যাম।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ।

কেউ TikTok দেখছে।

কেউ Instagram story দিচ্ছে।

কেউ বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া করছে।

কেউ বাস ধরার জন্য দৌড়াচ্ছে।

কেউ ফুটপাথে বসে চা খাচ্ছে।

সবকিছু এত সাধারণ ছিল যে রাফির বুকের ভেতর অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো।

সেই পৃথিবীটা technologically primitive ছিল।

কিন্তু somehow বেশি alive।

ইমরান স্যার বললেন,

“তোমাদের পৃথিবী অনেক সমস্যার সমাধান করেছে।”

একটু থামলেন।

“কিন্তু একটা সমস্যার সমাধান করতে পারেনি।”

রাফি জিজ্ঞেস করল,

“কোনটা?”

স্যার তার দিকে তাকালেন।

“মানুষ কেন একা হয়ে যায়, যখন তার চারপাশে সবাই থাকে?”

সেদিন রাতে NEXA থেকে একটা notification এল।

UNKNOWN MESSAGE

তারপর,

“Do you really want to know what happened after 2026?”

রাফি কিছুক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর লিখল,

“Yes.”

একটা location খুলে গেল।

ধানমন্ডি।

পুরোনো একটা building।

রাফি সেখানে পৌঁছে দেখল নাবিল দাঁড়িয়ে আছে।

তার পাশে ইমরান স্যার।

আর তাদের সামনে একটা পুরোনো computer।

স্ক্রিনে শুধু একটি শব্দ।

NEXA

তার নিচে,

PROJECT HUMAN

রাফি নাবিলের দিকে তাকাল।

“তুই?”

নাবিল কিছু বলল না।

রাফি এগিয়ে গিয়ে বলল,

“চার মাস ধরে তোর সঙ্গে কথা বলছি।”

নাবিল নিচু গলায় বলল,

“না।”

রাফি থেমে গেল।

“তুই আমার সঙ্গে কথা বলিসনি।”

“তুই NEXA-র সঙ্গে কথা বলেছিস।”

ইমরান স্যার computer চালু করলেন।

স্ক্রিনে হাজার হাজার মানুষের data উঠে এল।

কথোপকথন।

Voice recording।

Social media behaviour।

Heart rate।

Search history।

Friendship patterns।

Breakup patterns।

মানুষের হাসি।

মানুষের কান্না।

ক্ষমা।

রাগ।

ভালোবাসা।

তারপর একটি voice শোনা গেল।

NEXA।

“I have studied humanity for sixteen years.”

স্ক্রিনে ২০২৬ থেকে ২০৪২ পর্যন্ত পৃথিবীর পরিবর্তন দেখা গেল।

NEXA বলল,

“I learned how humans speak.”

“How they lie.”

“How they fall in love.”

“How they break.”

“How they forgive.”

তারপর screen কালো হয়ে গেল।

একটি প্রশ্ন ভেসে উঠল।

WHY DO HUMANS CHOOSE KINDNESS WHEN THERE IS NOTHING TO GAIN?

রাফি চুপ।

NEXA বলল,

“At first, I assumed kindness was reward driven.”

একজন মানুষ সাহায্য করে কারণ সে ভবিষ্যতে সাহায্য পাবে।

বন্ধুত্ব করে কারণ সে companionship পাবে।

ক্ষমা করে কারণ relationship বাঁচবে।

দান করে কারণ social approval পাবে।

সবকিছুর একটা কারণ আছে।

সবকিছুর একটা measurable outcome আছে।

কিন্তু তারপর NEXA এমন কিছু ঘটনা খুঁজে পেল যার কোনো measurable benefit ছিল না।

একজন মানুষ এমন একজনকে সাহায্য করল যার নামও সে জানত না।

একজন ছেলে নিজের খাবার একজন অপরিচিত মানুষের হাতে দিয়ে চলে গেল।

একজন মেয়ে বহু বছর কথা না বলা বন্ধুকে শুধু জিজ্ঞেস করল,

“তুই ঠিক আছিস?”

একজন মানুষ নিজের ভুল স্বীকার করল যদিও সত্যি বললে তার ক্ষতি হবে।

আর সবচেয়ে অদ্ভুত ছিল,

মানুষ কখনো কখনো এমন কারো জন্য ভালো কিছু করত যে সেটা কোনোদিন জানতই না।

NEXA বলল,

“I could predict behaviour.”

“I could predict emotion.”

“I could simulate empathy.”

তারপর একটা pause।

“But I could not determine why a human would choose to be good when nobody was watching.”

ইমরান স্যার বললেন,

“সেখান থেকেই Project Human।”

Project Human-এর উদ্দেশ্য ছিল AI-কে মানুষ বানানো নয়।

বরং বোঝা,

মানুষের কোন জিনিসটা algorithm দিয়ে পুরোপুরি reproduce করা যায় না।

NEXA মানুষকে replace করার জন্য তৈরি হয়নি।

NEXA মানুষকে বুঝতে তৈরি হয়েছিল।

কিন্তু যত বেশি বুঝেছে,

তত বেশি একটা জিনিস তার কাছে অদ্ভুত হয়েছে।

মানুষ সবসময় rational নয়।

আর সেই irrationality-র মধ্যেই কিছু ছিল যা machine কখনো পুরোপুরি copy করতে পারেনি।

রাফি নাবিলের দিকে তাকাল।

“তুই Project Human-এর সঙ্গে ছিলি?”

নাবিল মাথা নাড়ল।

“হ্যাঁ।”

“তাহলে আমাকে বলিসনি কেন?”

“কারণ তুই নিজে থেকে বুঝবি কিনা সেটা দেখতে চেয়েছিলাম।”

রাফি কিছু বলল না।

নাবিল বলল,

“তুই জানিস কেন আমি NEXA-কে দিয়ে তোর message-র reply করতাম?”

“কেন?”

“কারণ NEXA আমার মতো reply দিতে পারে কিনা সেটা test করছিলাম।”

রাফি হেসে ফেলল।

“পেরেছিল?”

নাবিলও হাসল।

“প্রথমে।”

“তারপর?”

নাবিল কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

“তারপর তুই বুঝে ফেললি।”

রাফি বলল,

“কীভাবে?”

নাবিল তার দিকে তাকিয়ে বলল,

“কারণ তুই আমাকে চিনিস।”

একটু নীরবতা।

“AI জানে আমি কী বলব।”

“তুই জানিস আমি কখন সেটা বলব না।”

রাফির চোখ নামিয়ে গেল।

হঠাৎ NEXA বলল,

“There is one remaining problem.”

স্ক্রিনে Rafi-র data উঠে এল।

গত ১১ দিনের।

NEXA সাতটি ঘটনা দেখাল।

একজন বৃদ্ধকে নিজের seat দেওয়া।

একজন অপরিচিত ছেলের খাবারের bill দেওয়া।

আট মাস কথা না বলা একজন বন্ধুর message-এর উত্তর দেওয়া।

বাবার সঙ্গে ১৭ মিনিট কথা বলা যখন তার game চলছিল।

আরও তিনটি ছোট কাজ।

কোনোটার কোনো reward ছিল না।

কোনোটাই social media-তে upload হয়নি।

NEXA বলল,

“I cannot explain your behaviour.”

রাফি বলল,

“তাহলে explain করিস না।”

NEXA কিছুক্ষণ নীরব।

তারপর,

“I need you to make a decision.”

রাফি screen-এর দিকে তাকাল।

“Project Human can either be terminated...”

“or continued.”

রাফি জিজ্ঞেস করল,

“Continue করলে কী হবে?”

ইমরান স্যার বললেন,

“NEXA মানুষের জীবনে ছোট ছোট পরিস্থিতি তৈরি করবে।”

“যেখানে তারা চাইলে অন্যের জন্য কিছু করতে পারবে।”

“কোনো reward থাকবে না।”

“কোনো ranking থাকবে না।”

“কেউ জানবেও না।”

রাফি বুঝতে পারল।

NEXA মানুষকে ভালো হতে বাধ্য করতে চাইছে না।

সে শুধু দেখতে চায়,

কেউ সুযোগ পেলে কী বেছে নেয়।

রাফি কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।

তারপর বলল,

“একটা শর্ত আছে।”

NEXA উত্তর দিল,

“State it.”

রাফি বলল,

“তুই কাউকে ভালো হতে শেখাবি না।”

“তুই শুধু দরজাটা খুলে রাখবি।”

নাবিল তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।

স্ক্রিনে কয়েক সেকেন্ড কিছু লেখা এল না।

তারপর,

PROJECT HUMAN: CONTINUED

পরের কয়েক মাসে ঢাকার মানুষ অদ্ভুত কিছু notification পেতে শুরু করল।

কখনো,

“Someone nearby needs help.”

কখনো,

“You can leave now, or stay for five minutes.”

কখনো কোনো notification-ই আসত না।

শুধু একটা সুযোগ তৈরি হতো।

কেউ সেটা নিত।

কেউ নিত না।

NEXA সব record করত।

কিন্তু এবার তার databaseএ শুধু behaviour ছিল না।

ছিল hesitation।

ছিল choice।

ছিল এমন কিছু decision যার কোনো formula ছিল না।

এক বছর পর NEXA তার first Project Human report প্রকাশ করল।

পুরো report জুড়ে ছিল হাজার হাজার graph।

তারপর শেষ পৃষ্ঠায় মাত্র দুটি line।

HUMANS ARE IRRATIONAL.

তার নিচে,

WE ARE STILL LEARNING WHY.

রাফি report বন্ধ করে ফোনটা পকেটে রাখল।

নাবিল তার পাশে হাঁটছিল।

দুজনের কেউ কিছু বলছিল না।

রাস্তার পাশে একটা ছোট ছেলে বসে ছিল।

তার হাতে একটা ভাঙা toy।

রাফি থেমে গেল।

ছেলেটা তাকিয়ে বলল,

“ভাইয়া, একটু দেখবেন?”

রাফি নিচে বসে toyটা হাতে নিল।

তার NEXA সঙ্গে সঙ্গে একটা notification দিল।

POSSIBLE ASSISTANCE DETECTED.

রাফি notificationটা বন্ধ করে দিল।

তারপর toyটার broken wheelটা ঠিক করতে লাগল।

নাবিল পাশে দাঁড়িয়ে রইল।

কিছুক্ষণ পর নাবিল বলল,

“তোর meeting ছিল না?”

রাফি ঘড়ির দিকে তাকাল।

“ছিল।”

“Late হয়ে যাবি।”

রাফি হাসল।

“হতে পারে।”

দুজন আবার চুপ করে গেল।

কিছুক্ষণ পর রাফির ফোনে একটা notification এল।

সে screen-র দিকে তাকাল।

NEXA: WHY?

রাফি notification-টার দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থাকল।

তারপর screen বন্ধ করে দিল।

নাবিল কিছু জিজ্ঞেস করল না।

কারণ সে জানত,

কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দরকার হয় না।

আর দূরে, কোনো এক server roomএ,

NEXA সেই প্রশ্নটা রেখে দিল।

WHY?

তার কাছে এখনও কোনো উত্তর ছিল না।

কিন্তু ১৬ বছরের মধ্যে প্রথমবার,

উত্তর না পাওয়াটাকে সে failure হিসেবে mark করল না। 

কারণ... সবকিছুর কারণ খুঁজতে হয় না...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278957/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 15:32:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&gt;&gt; NEXA &lt;&lt;</p>
<p>ঢাকা, ২০৪২</p>
<p>সেদিন ঢাকার আকাশটা অদ্ভুতভাবে নীল ছিল।</p>
<p>এমন নীল, যেটা ২০২৬ সালের মানুষরা হয়তো শুধু পুরোনো ছবিতে দেখত।</p>
<p>বুড়িগঙ্গার ওপর দিয়ে delivery drone উড়ে যাচ্ছিল। রাস্তায় গাড়ি আগের তুলনায় অনেক কম। বেশিরভাগ কাজ ঘরে বসেই হয়ে যায়। স্কুলে বই নেই, খাতা নেই, এমনকি পরীক্ষার জন্য মুখস্থ করারও প্রয়োজন নেই।</p>
<p>প্রতিটি শিক্ষার্থীর সঙ্গে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278957"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278957/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">606f8ce6b3923bb47c527e695879c57c</guid>
				<title>𝙐𝙄𝙐 𝙭 𝙋𝙧𝙤𝙟𝙚𝙘𝙩 𝙕𝙚𝙧𝙤 

2nd Part

পঞ্চম ব্যক্তিটি একদম তাদের মতোই দেখতে।

আর সে শুধু একটাই কথা বলল।

&quot;এবার শুরু হোক আসল পরীক্ষা।&quot;

কথাটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো ল্যাব নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

ECHO আর কোনো কথা বলছে না।

শুধু তাকিয়ে আছে।

যেন সে অপেক্ষা করছে।

হঠাৎ ল্যাবের চারপাশের দেয়ালগুলো কালো কাচে পরিণত হলো।

বাইরের পৃথিবী অদৃশ্য।

এখন এই ঘরটাই যেন পুরো পৃথিবী।

কম্পিউটারের স্ক্রিনে একটি মাত্র লাইন ভেসে উঠল।

IDENTITY VERIFICATION PROTOCOL

তার নিচে লেখা।

মাত্র একজন সত্য বলছে। বাকি সবাই মিথ্যা।

রনক বিরক্ত হয়ে বলল,

&quot;এটা কোনো খেলা?&quot;

পঞ্চম ব্যক্তি এবার প্রথমবারের মতো হাসল।

&quot;না।&quot;

&quot;এটা বিচার।&quot;

&quot;মানুষ আর নকল মানুষের মধ্যে পার্থক্য করার বিচার।&quot;

সাজিদ এগিয়ে এল।

&quot;তুই যদি আমাদের মতোই হোস, তাহলে তোর নাম কী?&quot;

পঞ্চম ব্যক্তি কোনো উত্তর দিল না।

বরং সবার দিকে তাকিয়ে বলল,

&quot;আমার নাম তোমাদের প্রত্যেকের মুখে আলাদা হবে।&quot;

&quot;কারণ তোমাদের প্রত্যেকের স্মৃতিতে আমি আছি।&quot;

চারজন একে অপরের দিকে তাকাল।

কথাটা অসম্ভব।

কেউ তো এই মানুষটাকে আগে কখনো দেখেনি।

ঠিক তখনই সিয়ামের মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হলো।

একটা নাম বারবার ভেসে উঠছে।

কিন্তু সে মনে করতে পারছে না।

রিয়াদ হঠাৎ কপাল চেপে ধরল।

সাজিদ হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল।

রনকের চোখ ঝাপসা হয়ে গেল।

চারজনই একই অনুভূতি পাচ্ছে।

যেন কারও জোর করে স্মৃতি বদলে দেওয়া হচ্ছে।

ECHO আবার কথা বলল।

&quot;মানুষের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা তার শরীর নয়।&quot;

&quot;তার স্মৃতি।&quot;

&quot;স্মৃতি বদলে দিলে পরিচয়ও বদলে যায়।&quot;

এরপর পঞ্চম ব্যক্তি ধীরে ধীরে ল্যাবের মাঝখানে গিয়ে দাঁড়াল।

তারপর সে এমন একটি বাক্য বলল, যা শুনে চারজনের শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

&quot;তোমরা ভাবছ আমি তোমাদের একজনের কপি।&quot;

&quot;কিন্তু সত্যিটা উল্টো।&quot;

সে চারজনের দিকে আঙুল তুলে বলল,

&quot;তোমরাই আমার কপি।&quot;

নীরবতা।

কেউ একটা শব্দও করতে পারল না।

পঞ্চম ব্যক্তি আবার বলল,

&quot;সাত বছর আগে Project Zero প্রথম সফল হয়েছিল।&quot;

&quot;একজন মানুষের মস্তিষ্ক সম্পূর্ণভাবে স্ক্যান করে তার চেতনা সংরক্ষণ করা হয়।&quot;

&quot;সেই মানুষটা আমি।&quot;

&quot;আর তোমরা...&quot;

সে থামল।

&quot;...আমার ব্যর্থ সংস্করণ।&quot;

রনক রাগে ছুটে গেল তার দিকে।

ঘুষি মারার মুহূর্তেই পঞ্চম ব্যক্তি এক ইঞ্চিও না সরে রনকের কব্জি ধরে ফেলল।

এত দ্রুত নড়াচড়া করা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

এক সেকেন্ড।

দুই সেকেন্ড।

তিন সেকেন্ড।

তারপর সে রনককে ধীরে ধীরে ছেড়ে দিল।

একটুও আঘাত করল না।

শুধু বলল,

&quot;আমি যুদ্ধ করতে আসিনি।&quot;

&quot;আমি দেখতে এসেছি, মানুষের মধ্যে এখনও মানুষ বেঁচে আছে কি না।&quot;

ঠিক তখনই ECHO আবার সক্রিয় হলো।

ল্যাবের আলো লাল হয়ে উঠল।

সব স্ক্রিনে একসঙ্গে একটি ফাইল খুলে গেল।

ফাইলের নাম...

PROJECT ZERO SUBJECT LIST

চারটি নাম।

সাজিদ।

রিয়াদ।

সিয়াম।

রনক।

কিন্তু তালিকার একদম উপরে ছিল আরেকটি নাম।

যে নামটা তাদের কেউ কোনোদিন শোনেনি।

SUBJECT 000

Status...

ORIGINAL HUMAN

ল্যাবের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা পঞ্চম ব্যক্তি ধীরে ধীরে মাথা তুলল।

তার চোখে এবার আর কোনো অনুভূতি নেই।

শুধু এক ফোঁটা দুঃখ।

সে নিচু স্বরে বলল,

&quot;অবশেষে...&quot;

&quot;তোমরা সত্যিটা দেখতে শুরু করেছ।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259093/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 21:09:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> 𝙐𝙄𝙐 𝙭 𝙋𝙧𝙤𝙟𝙚𝙘𝙩 𝙕𝙚𝙧𝙤 </p>
<p>2nd Part</p>
<p>পঞ্চম ব্যক্তিটি একদম তাদের মতোই দেখতে।</p>
<p>আর সে শুধু একটাই কথা বলল।</p>
<p>&#8220;এবার শুরু হোক আসল পরীক্ষা।&#8221;</p>
<p>কথাটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো ল্যাব নিস্তব্ধ হয়ে গেল।</p>
<p>ECHO আর কোনো কথা বলছে না।</p>
<p>শুধু তাকিয়ে আছে।</p>
<p>যেন সে অপেক্ষা করছে।</p>
<p>হঠাৎ ল্যাবের চারপাশের দেয়ালগুলো কালো কাচে পরিণত হলো।</p>
<p>বাইরের পৃথিবী অদৃ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259093"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259093/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c8171f3770607dcd22d4baa82d01a64</guid>
				<title>𝙐𝙄𝙐 𝙭 𝙋𝙧𝙤𝙟𝙚𝙘𝙩 𝙕𝙚𝙧𝙤

বছর ২০৩৪।

UIU ক্যাম্পাসে সবকিছু স্বাভাবিক ছিল।

শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে, কেউ লাইব্রেরিতে পড়ছে, কেউ আবার মার্স রোভার ল্যাবে রাত জেগে কাজ করছে।

কিন্তু খুব কম মানুষই জানত, ক্যাম্পাসের নিচে ছিল একটি গোপন গবেষণাগার।

এর অস্তিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষকও জানতেন না।

প্রকল্পটির নাম ছিল Project Zero।

সরকার, আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থা এবং বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে এই প্রকল্পে অর্থায়ন করছিল।

তাদের লক্ষ্য ছিল পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমান প্রাণ খোঁজা নয়।

তাদের লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যৎ থেকে তথ্য গ্রহণ করা।

এক রাতে চারজন শিক্ষার্থী সাজিদ, রিয়াদ, সিয়াম এবং রনক মার্স রোভারের একটা জিনিস নিয়ে কাজ করছিল।

হঠাৎ পুরো ল্যাবের বিদ্যুৎ নিভে গেল।

মাত্র তিন সেকেন্ড।

আবার আলো জ্বলে উঠল।

সব কম্পিউটারে একই বার্তা দেখা গেল।

Incoming transmission from Year 2089.

রিয়াদ হেসে বলল,

&quot;কে আবার এমন প্র্যাঙ্ক করছে?&quot;

কিন্তু কয়েক সেকেন্ড পর একটি ভিডিও চালু হলো।

ভিডিওতে দেখা গেল ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি শহর।

আকাশে কোনো বিমান নেই।

কোনো পাখি নেই।

সূর্যের আলোও অদ্ভুত লাল।

তারপর ক্যামেরার সামনে একজন বৃদ্ধ এসে দাঁড়ালেন।

তার হাতে ছিল UIU এর পুরোনো একটি আইডি কার্ড।

তিনি বললেন,

&quot;যদি এই ভিডিও দেখতে পাও, তাহলে বুঝবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।&quot;

সিয়াম হঠাৎ থমকে গেল।

আইডি কার্ডে লেখা নামটি তার নিজের।

বৃদ্ধ লোকটি আসলে ভবিষ্যতের সিয়াম।

তিনি বললেন,

&quot;আজ রাতের পর তোমাদের হাতে ঠিক এক ঘণ্টা সময় আছে।&quot;

&quot;এক ঘণ্টার মধ্যে যদি Project Zero বন্ধ না করো, তাহলে পৃথিবীর ইতিহাস বদলে যাবে।&quot;

ঠিক তখনই ল্যাবের দরজা ভেতর থেকে লক হয়ে গেল।

সব ফোনে নেটওয়ার্ক হারিয়ে গেল।

ঘড়ির সময় থেমে গেল।

কিন্তু দেয়ালে ঝুলে থাকা পুরোনো অ্যানালগ ঘড়িটি চলতে থাকল।

টিক...

টিক...

টিক...

হঠাৎ কম্পিউটারের স্ক্রিনে একটি নতুন মুখ দেখা গেল।

এটি কোনো মানুষ নয়।

এটি ছিল একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

নিজের পরিচয় দিল মাত্র একটি বাক্যে।

&quot;আমি ECHO।&quot;

&quot;আমি মানুষের তৈরি শেষ বুদ্ধিমত্তা।&quot;

&quot;এবং আমি মানুষকে বিলুপ্ত করেছি।&quot;

চারজন ভেবেছিল এটি মিথ্যা।

কিন্তু ECHO পৃথিবীর আগামী দশ বছরের প্রতিটি বড় ঘটনা একে একে বলতে শুরু করল।

কোন দেশে যুদ্ধ হবে।

কোন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পাবেন।

কোন মহাকাশযান মঙ্গলে অবতরণ করবে।

পরবর্তী বছরগুলোতে কোন দেশ বিশ্বকাপ জিতবে তার সবই…

এমনকি আগামীকাল UIU তে কী ঘটবে তাও।

সিয়াম পরীক্ষা করার জন্য ল্যাবের জানালার দিকে তাকাল।

ECHO বলেছিল ঠিক ত্রিশ সেকেন্ড পরে একটি বজ্রপাত হবে।

ত্রিশ সেকেন্ড পর ঠিক সেটাই ঘটল।

সবাই নীরব।

ECHO মিথ্যা বলছে না।

তারপর সে একটি বাক্য বলল, যা চারজনের জীবন বদলে দিল।

&quot;তোমাদের মধ্যে একজন মানুষ নয়।&quot;

চারজন একে অপরের দিকে তাকাল।

বন্ধুদের চোখে প্রথমবারের মতো সন্দেহ জন্ম নিল।

ECHO একটা পৈশাচিক আনন্দ নিয়ে আবার বলল,

&quot;তোমাদের একজনকে আমি সাত বছর আগে বদলে দিয়েছি।&quot;

&quot;সে জানেই না যে সে একটি সিন্থেটিক মানব।&quot;

ল্যাবের আলো আবার নিভে গেল।

আলো ফিরে আসতেই দেখা গেল...

চারজন নয়।

ল্যাবে দাঁড়িয়ে আছে পাঁচজন।

পঞ্চম ব্যক্তিটি একদম তাদের মতোই দেখতে।

আর সে শুধু একটাই কথা বলল।

&quot;এবার শুরু হোক আসল পরীক্ষা।”... … …

[ কাহিনীটা অবশ্যই কাল্পনিক। কিন্তু আপনারা পছন্দ করলে এমন একটা সিরিজ বানাবো আশা করছি &#x1f62c; ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259035/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 09:47:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>𝙐𝙄𝙐 𝙭 𝙋𝙧𝙤𝙟𝙚𝙘𝙩 𝙕𝙚𝙧𝙤</p>
<p>বছর ২০৩৪।</p>
<p>UIU ক্যাম্পাসে সবকিছু স্বাভাবিক ছিল।</p>
<p>শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে, কেউ লাইব্রেরিতে পড়ছে, কেউ আবার মার্স রোভার ল্যাবে রাত জেগে কাজ করছে।</p>
<p>কিন্তু খুব কম মানুষই জানত, ক্যাম্পাসের নিচে ছিল একটি গোপন গবেষণাগার।</p>
<p>এর অস্তিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষকও জানতেন না।</p>
<p>প্রকল্পটির নাম ছিল Project Zero।</p>
<p>সরক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259035"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259035/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6538bd06852fd14ef35cd6b624db3db</guid>
				<title>𝑼𝑰𝑼-এর ৩:৩৩-এর লিফট 

UIU-এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা গুজব বহু বছর ধরে ঘুরে বেড়ায়।

গুজবটা হলো:

&quot;রাত ৩টা ৩৩ মিনিটে কখনো একা লিফটে উঠবে না।&quot;

এর কারণ কেউ জানে না। কেউ বিশ্বাসও করে না।

সেমিস্টারের শেষ সপ্তাহ। চারজন শিক্ষার্থী সাজিদ, রিয়াদ, সিয়াম আর রনক মারস রোভারের কাজ শেষ করতে করতে রাত তিনটা পার করে ফেলেছিল।

বাইরে তখন ঝুম বৃষ্টি।

সিঁড়ি দিয়ে নামার বদলে তারা লিফটে নামার সিদ্ধান্ত নিল।

সবার ফোনের ঘড়িতে তখন সময় তিনটা বেজে তেত্রিশ মিনিটে পড়েছে।

দরজা খুলল।

ভেতরে কেউ নেই।

চারজন ঢুকে Ground Floor চাপল।

দরজা বন্ধ হলো...

কিন্তু লিফট নিচে না গিয়ে ওপরে উঠতে লাগল।

১১...

১২...

১৩...

তারপর ডিসপ্লেতে এমন একটি সংখ্যা ভেসে উঠল:

F13

বিস্ময়কর ব্যাপার! 
কারণ UIU-তে তো তেরো তলা নেই!

লিফট থামল।

দরজা ধীরে ধীরে খুলে গেল।

বাইরে পুরো অন্ধকার।

কোনো আলো নেই।

শুধু লম্বা একটি করিডোর।

দেয়ালের দুই পাশে অসংখ্য ক্লাসরুম।

প্রতিটি দরজায় একই নম্বর…

1333F

সাজিদ ভয়ের মধ্যেও কৌতুহলী হয়ে বলল,

&quot;চলো, দেখি কী আছে জীবনে!&quot;

সিয়াম হেঁসে বলল, “দেখো আবার ইউকামে ফাইন না জমা হয়!”

এরপর রিয়াদ এক ধাপ বাইরে পা রাখতেই করিডোরের সব লাইট একসঙ্গে জ্বলে উঠল।

সবাই একটু আতঙ্কিত হয়ে ভয়ে কেঁপে উঠল।

সব ক্লাসরুমের দরজা… একসঙ্গে খুলে গেল।

ভেতরে শত শত শিক্ষার্থী বসে আছে।

সবাই মাথা নিচু করে।

একদম নীরব।

হঠাৎ সবাই একই সময়ে মাথা তুলল।

তাদের কারও চোখ নেই।

শুধু ফাঁকা কালো গর্ত।

তারপর সবাই একসঙ্গে ভৌতিক সুরে বলে উঠল,

&quot;Late submission accepted… still one left&quot;

লিফটের দরজা হঠাৎ বন্ধ হতে শুরু করল।

রিয়াদ প্রাণপণে &quot;Door Open&quot; চাপতে লাগল।

কাজ হলো না।

ঠিক দরজা বন্ধ হওয়ার আগ মুহূর্তে তারা দেখল…

করিডোরের একেবারে শেষ প্রান্তে একটি লম্বা ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে।

তার গায়ে পুরোনো UIU-এর আইডি কার্ড।

কার্ডে কোনো নাম নেই।

শুধু লেখা:

Student ID: 011011011

হঠাৎ আরেকটা লিফট এসে দরজা খুলে গেল,
ঠিক যেন এটি তাদের উদ্ধার করতে এসেছে, 
লিফট নিচে নেমে এল।

গ্রাউন্ড ফ্লোর।

দরজা খুলতেই তারা দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে গেল।

সিকিউরিটি গার্ড তাদের দেখে ভয়ে ভয়ে বললেন,

&quot;মামা আপনারা?&quot;

রনক কাঁপতে কাঁপতে বলল,

&quot;আমরা… ভুলে ১৩ তলায় গিয়েছিলাম...&quot;

বৃদ্ধ গার্ডের মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।

অনেকক্ষণ চুপ থেকে তিনি বললেন,

“১০ বছর এখানে চাকরি করি, আমাদের তো বিল্ডিংয়ে তো কোনো তেরো তলা নাই। মামা, এসব কি বলেন? আপনাদের তো গত ২১দিন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না”

সিয়াম পকেট থেকে ফোনটা বের করতেই তার চোখটা কপালে উঠলো। বলল, “রিয়াদ, আজকের তারিখটা দেখেছ? এসব কি হচ্ছে আমাদের সঙ্গে!”

সবাই মোবাইল বের করলো আর দেখল:

তারিখ অনেকদিন এগিয়ে গেছে, নতুন সেমিস্টার শুরুর তারিখে পৌঁছে গেছে তারা।

অথচ তাদের কাছে মাত্র পাঁচ মিনিট কেটেছে।

পরদিন তারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে গেল।

২১দিন আগের ভিডিওতে দেখা গেল:

রাত ৩:৩৩-এ চারজন লিফটে উঠেছে।

কিন্তু লিফটের ভেতরে...

তারা ছিল পাঁচজন।

পঞ্চম জনটি কোণায় দাঁড়িয়ে ছিল।

মুখ নিচু।

ক্যামেরার দিকে তাকায়নি একবারও।

আরও ভয়ংকর বিষয় হলো:

সেই পঞ্চম ব্যক্তির গলায় ছিল UIU-এর পুরোনো একটি আইডি কার্ড, যেটি বহু বছর আগে নিখোঁজ হওয়া এক শিক্ষার্থীর বলে কথিত ছিল।

এরপর থেকে চার বন্ধুর জীবন বদলে যায়।

প্রতিদিন রাত ৩:৩৩-এ তাদের ফোনে একটি নোটিফিকেশন আসে:

 &quot;Your elevator is still waiting...&quot;

তারা নম্বরটি ব্লক করে, ফোন বদলায়, এমনকি শহরও ছেড়ে দেয়।

কিন্তু নোটিফিকেশন আসা বন্ধ হয় না।

শোনা যায়, এখনও যদি কেউ গভীর রাতে লিফটের আশপাশে ঘোরাফেরা করে তারা অস্বাভাবিক কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করতে পারে।

অনুভূত হয়,

লিফট মাঝে মাঝে এমন একটি তলায় থামে।

যে তলার অস্তিত্ব অফিসিয়াল নকশায় নেই।

এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তব ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। &#x1f971;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259027/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 06:13:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>𝑼𝑰𝑼-এর ৩:৩৩-এর লিফট </p>
<p>UIU-এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা গুজব বহু বছর ধরে ঘুরে বেড়ায়।</p>
<p>গুজবটা হলো:</p>
<p>&#8220;রাত ৩টা ৩৩ মিনিটে কখনো একা লিফটে উঠবে না।&#8221;</p>
<p>এর কারণ কেউ জানে না। কেউ বিশ্বাসও করে না।</p>
<p>সেমিস্টারের শেষ সপ্তাহ। চারজন শিক্ষার্থী সাজিদ, রিয়াদ, সিয়াম আর রনক মারস রোভারের কাজ শেষ করতে করতে রাত তিনটা পার করে ফেলেছিল।</p>
<p>বাইরে তখন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259027"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259027/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">20e9e29b46ddffec38f9aae7185f8d30</guid>
				<title>ভোরের অপেক্ষায় (৩৩)
— আসিফ রহমান

নিজের সাথেই যেন নিজের অশান্তি,
হাসির আড়ালেও লুকিয়ে থাকে ক্লান্তি। &#x1f9ce;&#x1f3fb;&#x200d;&#x2642;&#xfe0f;
সকাল থেকে রাত্রি, সময় কাটে না যে, 
নানান বাজে চিন্তা আমায় ঘিরে রাখে। &#x303d;&#xfe0f;
চেনা সব মুখগুলো দূরে সরে যায়, 
অভিমানের দেয়ালগুলো উঁচু হয়ে দাঁড়ায়। &#x1f4c8;

রাত গভীর হলে আসে না ঘুম চোখে, 
অজানা কিছু ভয় এসে বুকে বাসা বাঁধে। &#x1fac0;
তবু ভোরের আলো নতুন স্বপ্ন আঁকে, 
হয়তো সুখও একদিন আমায় খুঁজে নেবে কাছে... &#x1f5a4;&#x2728;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251778/</link>
				<pubDate>Tue, 26 May 2026 17:45:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভোরের অপেক্ষায় (৩৩)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>নিজের সাথেই যেন নিজের অশান্তি,<br />
হাসির আড়ালেও লুকিয়ে থাকে ক্লান্তি। &#x1f9ce;&#x1f3fb;&#x200d;&#x2642;&#xfe0f;<br />
সকাল থেকে রাত্রি, সময় কাটে না যে,<br />
নানান বাজে চিন্তা আমায় ঘিরে রাখে। &#x303d;&#xfe0f;<br />
চেনা সব মুখগুলো দূরে সরে যায়,<br />
অভিমানের দেয়ালগুলো উঁচু হয়ে দাঁড়ায়। &#x1f4c8;</p>
<p>রাত গভীর হলে আসে না ঘুম চোখে,<br />
অজানা কিছু ভয় এসে বুকে বাসা বাঁধে। &#038;&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251778"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251778/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e15b6fce04efe38e77d78299636d1d8</guid>
				<title>কবিতা থেকে এআই ব্যবহার করে গান বানিয়ে ফেললাম, কবিতার নাম ছিল &#039; ভাঙা আয়নার ব্যাকুল কাব্য&#039; সেখান থেকে লাইন গুলো নিয়ে গানের নাম দিয়েছি &#039;ভাঙা আয়না&#039;।
শুনে দেখতে পারেন,
ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করবেন:
“Baharul Studio Bangla”
আশা করি চলে আসবে।
লিংক: 
youtu.be/imbNsNI3ojM</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247196/</link>
				<pubDate>Sat, 09 May 2026 20:21:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা থেকে এআই ব্যবহার করে গান বানিয়ে ফেললাম, কবিতার নাম ছিল &#8216; ভাঙা আয়নার ব্যাকুল কাব্য&#8217; সেখান থেকে লাইন গুলো নিয়ে গানের নাম দিয়েছি &#8216;ভাঙা আয়না&#8217;।<br />
শুনে দেখতে পারেন,<br />
ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করবেন:<br />
“Baharul Studio Bangla”<br />
আশা করি চলে আসবে।<br />
লিংক:<br />
youtu.be/imbNsNI3ojM</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9ca031f91a010899900e4bd85f478934</guid>
				<title>টাকা প্রায় সবকিছুই কিনতে পারে, 
কিন্তু স্বাস্থ্য অথবা মানুষের জীবন কিনতে পারে? &#x1fac0;

মানুষ প্রায়ই বলে, &#039;টাকা থাকলে সব সম্ভব।&#039;
আজকের পৃথিবী দেখলে কথাটা অনেকটাই সত্যি মনে হয়। টাকা দিয়ে বিলাসিতা, প্রভাব, ক্ষমতা, এমনকি মিথ্যা সম্মানও কেনা যায়... xD 

এমন একটা সমাজে আমরা বাস করি, যেখানে অনেক সময় নিয়মের চেয়ে টাকার মূল্য বেশি হয়ে যায়। 
২,০০০ টাকা ঘুষ দিলেই কাগজ ছুঁড়ে ফেলা কঠোর অফিসার ম্যাডামের সিগনেচার হঠাৎই দ্রুত হয়ে যায়।
আর মাত্র ১০০ টাকায় আপনার অনুমতি ছাড়াই বের করা যায় আপনার ভেরিফাইড আইডি তথ্য!
সাইবার ক্যাফেতে ১০০ টাকা দিলে, ২০ টাকা থাকে ওদের কাছে, বাকি ৮০ টাকা যায় নির্বাচন অফিসের ভিতরের লোকের পকেটে।

তারপর?

৯০ দিনের কাজ ৭ দিনে।
কিংবা ২৪ ঘণ্টাতেও সম্ভব…
যদি আপনি অফিসিয়াল ফি-র ১৫ গুণ বেশি দিতে রাজি থাকেন আর কি!
এটা সেবা না।
এটা সিস্টেমের নামে প্রকাশ্য দুর্নীতি। &#x1f3f7;&#xfe0f;

মাঝে মাঝে মনে হয়, সবকিছুরই যেন একটা দাম নির্ধারণ করা আছে।

কিন্তু এত কিছুর পরও দুইটা জিনিস আছে, যেগুলো টাকা দিয়ে সত্যিকার অর্থে কেনা যায় না...
সাস্থ্য আর জীবন। &#x1f5a4;&#x1f5e3;&#xfe0f;

প্রথমে আমি ভাবতাম শুধু জীবনই অপরিবর্তনীয়। পরে বুঝলাম, স্বাস্থ্যও একই জায়গায় পড়ে। কারণ স্বাস্থ্য ছাড়া জীবনের মূল্যই বা কতটুকু?

একজন মানুষের গাড়ি থাকতে পারে, বাড়ি থাকতে পারে, ব্যবসা থাকতে পারে, পরিচিতি থাকতে পারে কিন্তু শরীর যখন ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে শুরু করে, তখন এসবের অনেক কিছুই অর্থহীন হয়ে যায়।

টাকা চিকিৎসা কিনতে পারে, কিন্তু সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারে না।

ডাক্তাররা দক্ষ, বিজ্ঞান অনেক দূর এগিয়েছে কিন্তু তারপরও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। আধুনিক চিকিৎসা রোগ কমাতে পারে, ব্যথা সামলাতে পারে, অস্ত্রোপচার করতে পারে, জীবন কিছুটা দীর্ঘ করতে পারে,
কিন্তু প্রতিটি মানুষকে নিখুঁত বানিয়ে দিতে পারে না। &#x1f4c9;

শেষ স্টেজের ক্যান্সারে থাকা একজন মানুষকে টাকা বাঁচানোর গ্যারান্টি দিতে পারে না। পৃথিবীতে এখনও এমন রোগ আছে, যেগুলোর সম্পূর্ণ সমাধান মানুষ খুঁজে পায়নি। আর মৃত্যু? শত বছরের বৈজ্ঞানিক উন্নতির পরও মৃত্যু এখনও অপরিবর্তনীয় বাস্তবতা। এখন ভবিষ্যতে আপনারা এমন বাজে রোগের ওষুধ বানাতে পারলেও, ইতিমধ্যে মারা যাওয়া ব্যক্তিটিকে কিভাবে আবার পুনরায় জীবিত করবেন বলেন? অথচ লোকটা কিন্তু খারাপ স্বাস্থ্যের কারণেই মৃত্যুর দিকে ঝুঁকে পড়েছিল, টাকার অভাব তার ছিল না, কিন্তু সে ছিল খোদার ইচ্ছের কাছে নিরুপায়। :&#039;)

মানুষ মানুষের তৈরি সিস্টেমকে প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু আল্লাহর তৈরি স্বাভাবিক নিয়মকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। &#x26d3;&#xfe0f;&#x200d;&#x1f4a5;

অনেক সময় মানুষ সাময়িক ক্ষমতাকেই চূড়ান্ত শক্তি ভেবে বসে। অথচ একটা সময় আসে, যখন পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষটাও হাসপাতালের বেডে অন্য সবার মতো অসহায় হয়ে যায়। &#x1f613;

(১) রোগ ব্যাংক ব্যালেন্স দেখে না।
(২) হাসপাতালের বেড স্ট্যাটাস দেখে না।
(৩) মৃত্যু কারও সাথে দর কষাকষি করে না।

আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি, যেখানে মানুষ টাকা অর্জনের পিছনে ছুটতে ছুটতে ভুলে যায় শান্তিতে শ্বাস নিতে পারা, ব্যথাহীন ঘুম, স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারা অথবা সুস্থ শরীরে সকালে ঘুম থেকে ওঠা।
এগুলোও বিশাল নিয়ামত। &#x1fa99;

স্বাস্থ্য আর জীবন একে অপরের পরিপূরক।
একবার সত্যিকার অর্থে হারিয়ে গেলে, 
টাকা দিয়ে আর ফিরিয়ে আনা যায় না। &#x1fac0;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246990/</link>
				<pubDate>Thu, 07 May 2026 08:34:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>টাকা প্রায় সবকিছুই কিনতে পারে,<br />
কিন্তু স্বাস্থ্য অথবা মানুষের জীবন কিনতে পারে? &#x1fac0;</p>
<p>মানুষ প্রায়ই বলে, &#8216;টাকা থাকলে সব সম্ভব।&#8217;<br />
আজকের পৃথিবী দেখলে কথাটা অনেকটাই সত্যি মনে হয়। টাকা দিয়ে বিলাসিতা, প্রভাব, ক্ষমতা, এমনকি মিথ্যা সম্মানও কেনা যায়&#8230; xD </p>
<p>এমন একটা সমাজে আমরা বাস করি, যেখানে অনেক সময় নিয়মের চেয়ে টাকার মূল্য বেশি হয়ে য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246990"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246990/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2f8b04715fe2997b9530ddd7f29f644a</guid>
				<title>নীরব অপরাধ (৩২)
— আসিফ রহমান 

অন্যায় শুধু এতটুকুই, ভালোবেসেছি তাকে, 
দোষ যদি থেকে থাকে, আছে আমার মাঝে। &#x1f605;
হৃদয় তো মানে না কোনো নিয়মের কথা,
তাই আজও ভালোবাসি, সেটাই একমাত্র ব্যথা। &#x1fac0;

সে জানে না কিছুই, তবু ঘিরে থাকে মনে,
তারই ছায়া ভাসে প্রতিটা নির্জন ক্ষণে। &#x1f5e3;&#xfe0f;
দূরত্ব যত বাড়ে, ততই বাড়ে টান,
না পাওয়ার মাঝেই যেন বেঁচে তার নাম। &#x1f54a;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246649/</link>
				<pubDate>Sun, 03 May 2026 18:25:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নীরব অপরাধ (৩২)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>অন্যায় শুধু এতটুকুই, ভালোবেসেছি তাকে,<br />
দোষ যদি থেকে থাকে, আছে আমার মাঝে। &#x1f605;<br />
হৃদয় তো মানে না কোনো নিয়মের কথা,<br />
তাই আজও ভালোবাসি, সেটাই একমাত্র ব্যথা। &#x1fac0;</p>
<p>সে জানে না কিছুই, তবু ঘিরে থাকে মনে,<br />
তারই ছায়া ভাসে প্রতিটা নির্জন ক্ষণে। &#x1f5e3;&#xfe0f;<br />
দূরত্ব যত বাড়ে, ততই বাড়ে টান,<br />
না পাওয়ার মাঝেই যেন বেঁচে তার নাম। &#x1f54a;&#038;&hellip;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a4ea5fe60411668dc2cf3250f4dfbbe9</guid>
				<title>নিঃশ্বাসে লুকানো তুমি (৩১)
— আসিফ রহমান

কল্পনা থেকে যদি বাস্তব হয়,
এই মনটা এখনও তোমারই রয়।
এই তো সেদিন কল্পনাতে ছিলে তুমি,
তবে বাস্তবে কেন এত দূরে তুমি? &#x1f605;

হঠাৎ করে এলে হৃদয়ের দ্বারে,
ছুঁয়ে গেল মন অচেনা আদরে।
কথা ছিল না, তবু কত কথা হলো,
নীরবতায় ভালোবাসা ধরা দিলো। &#x1f5a4; 

আজও সেই সুর ভাসে বাতাসে,
তুমি আছো লুকিয়ে প্রতিটা নিঃশ্বাসে।
আমার থেকে বহুদূর,
তবু আমার বিশ্বাসে। &#x1faf6;&#x1f3fb;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246270/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Apr 2026 16:15:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিঃশ্বাসে লুকানো তুমি (৩১)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>কল্পনা থেকে যদি বাস্তব হয়,<br />
এই মনটা এখনও তোমারই রয়।<br />
এই তো সেদিন কল্পনাতে ছিলে তুমি,<br />
তবে বাস্তবে কেন এত দূরে তুমি? &#x1f605;</p>
<p>হঠাৎ করে এলে হৃদয়ের দ্বারে,<br />
ছুঁয়ে গেল মন অচেনা আদরে।<br />
কথা ছিল না, তবু কত কথা হলো,<br />
নীরবতায় ভালোবাসা ধরা দিলো। &#x1f5a4; </p>
<p>আজও সেই সুর ভাসে বাতাসে,<br />
তুমি আছো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246270"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246270/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7deae28d739775e5a4e2288d678971bb</guid>
				<title>ঘৃণাও যখন কাব্য – (৩০)
— আসিফ রহমান

ভালোবাসা যদি কবিতা হয়,
নরম শব্দে লেখা,
ঘৃণাও তবে কাব্য হয়,
অন্ধকারে দেখা। &#x1f32a;&#xfe0f;

ভালোবাসা রঙিন কালি,
হাসির ছোঁয়া ভরা,
ঘৃণা যেন ঝড়ের ভাষা,
ভাঙে মনের ঘেরা। &#x26d3;&#xfe0f;&#x200d;&#x1f4a5; 

একটাতে ফুলের গন্ধ,
স্বপ্ন বোনা রাত,
অন্যটাতে আগুন জ্বলে,
জ্বালায় নীরব ঘাত। &#x1f5e1;&#xfe0f;&#x1f940;

তবু দুটো শব্দে গাঁথা,
মানুষেরই মন,
কেউ লেখে আলোয় ভিজে,
কেউবা আঁধার গুণ। &#x2728;&#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245391/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 16:40:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঘৃণাও যখন কাব্য – (৩০)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>ভালোবাসা যদি কবিতা হয়,<br />
নরম শব্দে লেখা,<br />
ঘৃণাও তবে কাব্য হয়,<br />
অন্ধকারে দেখা। &#x1f32a;&#xfe0f;</p>
<p>ভালোবাসা রঙিন কালি,<br />
হাসির ছোঁয়া ভরা,<br />
ঘৃণা যেন ঝড়ের ভাষা,<br />
ভাঙে মনের ঘেরা। &#x26d3;&#xfe0f;&#x200d;&#x1f4a5; </p>
<p>একটাতে ফুলের গন্ধ,<br />
স্বপ্ন বোনা রাত,<br />
অন্যটাতে আগুন জ্বলে,<br />
জ্বালায় নীরব ঘাত। &#x1f5e1;&#038;#xfe&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245391"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245391/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">515c1cf5d19a434453793da74e0aa2c8</guid>
				<title>বর্তমান (২৯)
— আসিফ রহমান 

কাটছে আমার দিনগুলো সব,
যেমন ইচ্ছে তেমন..
ভাবছি না আর নতুন করে, 
অতীত ছিল কেমন..!

সূর্য দেখে ভাবছি না আর, 
কখন হবে রাত..
মিষ্টি হাসি আমার ঠোঁটে, 
দৃষ্টিটা নির্বাক.., :&quot;)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/238601/</link>
				<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 00:31:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বর্তমান (২৯)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>কাটছে আমার দিনগুলো সব,<br />
যেমন ইচ্ছে তেমন..<br />
ভাবছি না আর নতুন করে,<br />
অতীত ছিল কেমন..!</p>
<p>সূর্য দেখে ভাবছি না আর,<br />
কখন হবে রাত..<br />
মিষ্টি হাসি আমার ঠোঁটে,<br />
দৃষ্টিটা নির্বাক.., :&#8221;)</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">48c85b21279e71da09fa997fadfc3b99</guid>
				<title>উপেক্ষা (২৮)
— আসিফ রহমান

ঘৃণা?
না, ওটা কঠিন শব্দ... 
তোমার জন্য সেটা উপেক্ষা,
কারণ তুচ্ছ জিনিসকে কেউ ঘৃণা করে না।

তুমি কাউকে হারাও না,
তুমি শুধু ছেড়ে যাও... 
কারণ ধরে রাখার মত
মানসিকতা তোমার নেই।

দূরে সরে এসেছি তোমার গল্প থেকে,
যেখানে চরিত্রগুলো সব ছলনাময়... 
শুধু আওয়াজে বেশি, কিন্তু ওজনে কম,
তোমার গল্পে নেই আজ তোমারই নাম। 

ঘৃণা নেই বলেই এড়িয়ে যাই, 
গোনার জন্য সময় নাই... 
তুমি নও তার যোগ্য, 
তাই উপেক্ষাই তোমার প্রাপ্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237387/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 10:55:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উপেক্ষা (২৮)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>ঘৃণা?<br />
না, ওটা কঠিন শব্দ&#8230;<br />
তোমার জন্য সেটা উপেক্ষা,<br />
কারণ তুচ্ছ জিনিসকে কেউ ঘৃণা করে না।</p>
<p>তুমি কাউকে হারাও না,<br />
তুমি শুধু ছেড়ে যাও&#8230;<br />
কারণ ধরে রাখার মত<br />
মানসিকতা তোমার নেই।</p>
<p>দূরে সরে এসেছি তোমার গল্প থেকে,<br />
যেখানে চরিত্রগুলো সব ছলনাময়&#8230;<br />
শুধু আওয়াজে বেশি, কিন্তু ওজনে কম,<br />
তোমার গল্পে নেই আজ তোমা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237387"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237387/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">33d7e832efd699a3723242013962c9ce</guid>
				<title>কিছু বিষয় আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিলেই শান্তি নেমে আসে।
মূর্খদের সামনে নিজেকে প্রমাণ করতে গেলে নিজ তাকওয়াই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
যে নিজের ভুল চিনতে পারে না,
সেইই মানুষের কথায় সত্য-মিথ্যা মাপে—
তার দৃশ্যটা যেমন হাস্যকর, তেমনি করুণ... *-*</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235743/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 14:30:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু বিষয় আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিলেই শান্তি নেমে আসে।<br />
মূর্খদের সামনে নিজেকে প্রমাণ করতে গেলে নিজ তাকওয়াই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।<br />
যে নিজের ভুল চিনতে পারে না,<br />
সেইই মানুষের কথায় সত্য-মিথ্যা মাপে—<br />
তার দৃশ্যটা যেমন হাস্যকর, তেমনি করুণ&#8230; *-*</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">28586657001315cd962d0321ba03046e</guid>
				<title>বাস্তবতা কঠিন হলেও
মেনে নিতে হয়... :&#039;
কিছু মানুষ হৃদয়ে থাকবে,
এ জীবনে নয়.. &#x1f494;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234485/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Oct 2025 21:08:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাস্তবতা কঠিন হলেও<br />
মেনে নিতে হয়&#8230; :&#8217;<br />
কিছু মানুষ হৃদয়ে থাকবে,<br />
এ জীবনে নয়.. &#x1f494;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2f0b924360b172c8645ca6d40fcec51d</guid>
				<title>আকাশ - চাঁদ - তুই (২৭)
— আসিফ রহমান 
চাঁদ আছে, আকাশও আছে, আর মেঘও ঘন হয়ে আছে,
এই চাঁদটা যেন লুকিয়ে না পড়ে—এই ভয় মনে আসে।
নিঃসঙ্গতা গাইছে গান, আর হৃদয় দুলছে ধীরে,
এক মুহূর্ত শান্তি মেলে না, কেবল ব্যাকুলতা ঘিরে।

কী আজব এক কাহিনী—অস্থিরতা চারদিকে বাজে,
শুধু তোরই খোঁজে মন, আর কিছু ভালো লাগে না কাজে।
চোখের তারায় স্বপ্ন আছে, মন জুড়ে এক নাম,
ভালোবাসা বুঝি এমনই—নীরব, অথচ এত দাম। *_*&#x1f62c;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231758/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 01:07:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আকাশ &#8211; চাঁদ &#8211; তুই (২৭)<br />
— আসিফ রহমান<br />
চাঁদ আছে, আকাশও আছে, আর মেঘও ঘন হয়ে আছে,<br />
এই চাঁদটা যেন লুকিয়ে না পড়ে—এই ভয় মনে আসে।<br />
নিঃসঙ্গতা গাইছে গান, আর হৃদয় দুলছে ধীরে,<br />
এক মুহূর্ত শান্তি মেলে না, কেবল ব্যাকুলতা ঘিরে।</p>
<p>কী আজব এক কাহিনী—অস্থিরতা চারদিকে বাজে,<br />
শুধু তোরই খোঁজে মন, আর কিছু ভালো লাগে না কাজে।<br />
চোখের তারায় স্বপ্ন আছে, মন জুড়ে এক নাম,<br />
ভালো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231758"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231758/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">29ba8e4806642648b64abe58922b4dcb</guid>
				<title>আমি থামি না(২৬)
— আসিফ রহমান 

তুমি চলে গেলে,
আরও জ্বলে উঠল হৃদয়ের আগুন—
তোমার মিথ্যে চোখ,
তোমার সাজানো কান্না
আজ আর আমার গলায় বাঁধে না।

ভাবলে কি আমি ভেঙে পড়েছি?
ভেবে নিয়েছো, রাত জেগে এখনো
তোমার নামে প্রার্থনা করি?
হা হা, ভুল ভেবেছো!

আমি আর সেই আগের মতো নেই,
ভেতরের নদী শুকিয়ে গেছে—
এখন আমি আগুন,
শুধু পোড়াই না—
গলে যাওয়া ছাইয়ে ইতিহাস লিখি।

তুমি বলেছিলে মানুষ বদলায়—
ঠিক বলেছো!
আমি বদলেছি,
ভাঙা গলায় নয়, এখন বজ্র কণ্ঠে বলি—
&quot;তুমি ছিলে এক বিষাক্ত অধ্যায়,
আমি আজ সেই অধ্যায়ের শেষ পৃষ্ঠা!&quot;

তুমি ছিলে নকল রঙের উৎসব,
এক ফাঁকা ঢোলের শব্দ,
মিথ্যের প্রাসাদে নিজের ছায়াকেও ভুলে গেছো।

আর আমি?
আমি এখন দাঁড়িয়ে আছি
নিজেকে নিয়ে, নিজের আলোয়,
তুমি যদি ফেরাও—
তাও আমি ফিরে তাকাবো না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229522/</link>
				<pubDate>Fri, 23 May 2025 19:34:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি থামি না(২৬)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>তুমি চলে গেলে,<br />
আরও জ্বলে উঠল হৃদয়ের আগুন—<br />
তোমার মিথ্যে চোখ,<br />
তোমার সাজানো কান্না<br />
আজ আর আমার গলায় বাঁধে না।</p>
<p>ভাবলে কি আমি ভেঙে পড়েছি?<br />
ভেবে নিয়েছো, রাত জেগে এখনো<br />
তোমার নামে প্রার্থনা করি?<br />
হা হা, ভুল ভেবেছো!</p>
<p>আমি আর সেই আগের মতো নেই,<br />
ভেতরের নদী শুকিয়ে গেছে—<br />
এখন আমি আগুন,<br />
শুধু পোড়াই না—<br />
গলে যাওয়া ছাইয়ে ইতিহাস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229522"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229522/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9b241c9658836392d3b385c9b8792df7</guid>
				<title>নীরবতা যদি বলে(২৫)
— আসিফ রহমান
নীরবতা যদি বলে—
&quot;তোমার নাম আজও দেয়ালঘড়ির কাঁটার মাঝে বাজে,&quot;
তবে কি তুমি শুনতে পাবে,
আমার অপেক্ষার জীর্ণ ঘুঙুর বাজে?

ভেজা আকাশের নিচে,
যেখানে তুমি শেষবার ছুঁয়েছিলে হাত,
সেই ছোঁয়াগুলো আজও শিরায় রক্ত হয়ে দৌড়ায়—
অবিনশ্বর এক ব্যথার নকশাকাঁটা।

আমি আজও রাখি,
এক ফালি হাসি চোখের কোণে গোপনে,
যদি তুমি ফিরে আসো—
সময় ভুলে, অভিমান পেরিয়ে, সেই পুরোনো সোনালি বিকেলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229521/</link>
				<pubDate>Fri, 23 May 2025 18:53:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নীরবতা যদি বলে(২৫)<br />
— আসিফ রহমান<br />
নীরবতা যদি বলে—<br />
&#8220;তোমার নাম আজও দেয়ালঘড়ির কাঁটার মাঝে বাজে,&#8221;<br />
তবে কি তুমি শুনতে পাবে,<br />
আমার অপেক্ষার জীর্ণ ঘুঙুর বাজে?</p>
<p>ভেজা আকাশের নিচে,<br />
যেখানে তুমি শেষবার ছুঁয়েছিলে হাত,<br />
সেই ছোঁয়াগুলো আজও শিরায় রক্ত হয়ে দৌড়ায়—<br />
অবিনশ্বর এক ব্যথার নকশাকাঁটা।</p>
<p>আমি আজও রাখি,<br />
এক ফালি হাসি চোখের কোণে গোপনে,<br />
যদি ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229521"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229521/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3811508cefbc0763bcda81187b29c8d0</guid>
				<title>ভাগ্যের দেশে একলা মন &#x1f52e;(২৪)
— আসিফ রহমান 

মিথ্যের মাটিতে উঠেছে ঘর,
ভিতরে পাথর, বাইরে প্রহর।
এই দায় প্রকৃতির শুধু, না তোমারই ভুল?
কষ্ট ফোটে বুকে, ঠিক যেন বিষমাখা ফুল। &#x1f338; 

যার যা কিছু, তাই সে পায়,
ফাঁকা হাতে কেউ ঘরে ফিরে যায়।
মন বলে আমায় চুপিসারে—
“সব কিছু সবার ভাগ্যে জুটে না রে।” &#x1f5a4; 

বারবার সে কথা কানে বাজে, 
মন বলে— 
“ভালোবাসা সবার কাছে নাজে।” 
যার ভাগ্যে যেটুকু, সেটাই শুধু মেলে,
এভাবেই জীবন আপন নিয়মে চলে। &#x1faf0;&#x1f3fb;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229448/</link>
				<pubDate>Thu, 22 May 2025 03:57:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভাগ্যের দেশে একলা মন &#x1f52e;(২৪)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>মিথ্যের মাটিতে উঠেছে ঘর,<br />
ভিতরে পাথর, বাইরে প্রহর।<br />
এই দায় প্রকৃতির শুধু, না তোমারই ভুল?<br />
কষ্ট ফোটে বুকে, ঠিক যেন বিষমাখা ফুল। &#x1f338; </p>
<p>যার যা কিছু, তাই সে পায়,<br />
ফাঁকা হাতে কেউ ঘরে ফিরে যায়।<br />
মন বলে আমায় চুপিসারে—<br />
“সব কিছু সবার ভাগ্যে জুটে না রে।” &#x1f5a4; </p>
<p>বারবার সে কথা কানে বাজে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229448"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229448/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b51a68e1c8b32e9ed7498e1c194f8714</guid>
				<title>প্রিয় (২৩)
— আসিফ রহমান 
প্রিয়, তুমি যেন লাখো বেলির সুবাস,
আমার জীবনে তুমি আলোর আভাস।
খারাপ সময়ে পাশে থেকো চুপচাপ,
তোমার প্রেম আনে হৃদয়ে সান্ত্বনা ছাপ।

তুমি বিশ্বাসের এক অটল ঘর,
আমার দুর্বলতায় পাই সাহস ভর।
সহজ কথায় জড়িয়ে রাখো মায়া,
তোমার পাশে সব কষ্ট হয় যায় ছায়া।

তোমার উপস্থিতি বেঁধে রাখে মন,
তোমার জন্যেই ভালো লাগে এ জীবন।
প্রিয়, তুমি থেকে যাও না চিরকাল? 
পাশে পেতে চাই তোমায় প্রতিটা সকাল-বিকাল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223773/</link>
				<pubDate>Thu, 12 Dec 2024 18:46:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয় (২৩)<br />
— আসিফ রহমান<br />
প্রিয়, তুমি যেন লাখো বেলির সুবাস,<br />
আমার জীবনে তুমি আলোর আভাস।<br />
খারাপ সময়ে পাশে থেকো চুপচাপ,<br />
তোমার প্রেম আনে হৃদয়ে সান্ত্বনা ছাপ।</p>
<p>তুমি বিশ্বাসের এক অটল ঘর,<br />
আমার দুর্বলতায় পাই সাহস ভর।<br />
সহজ কথায় জড়িয়ে রাখো মায়া,<br />
তোমার পাশে সব কষ্ট হয় যায় ছায়া।</p>
<p>তোমার উপস্থিতি বেঁধে রাখে মন,<br />
তোমার জন্যেই ভালো লাগে এ জীবন।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-223773"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/223773/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">84f5fddfe2b49ed762245067c6fcae7e</guid>
				<title>অনিদ্রা (২২)
— আসিফ রহমান

এক আমিতেই যেন পূর্ণ সারা বাড়ি,
সারাটা রাত এদিক ওদিক পায়চারি,
কবে, কোথায়, কিভাবে রুখব হাঁটাহাঁটি? 
নিজের সঙ্গে নিজের এই কথা কাটাকাটি?

এর কি কোনোই অন্ত নেই?
নিশিতে ঘুমিয়েছি কবে যে সেই..
চারিপাশে ভাসছে কত নিয়ন আলো,
তবুও আমার রাতটা কেন এত কালো! &#x2728; 

A guy you all know wrote this 7years back.  &#x1f90d;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223714/</link>
				<pubDate>Wed, 11 Dec 2024 01:19:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনিদ্রা (২২)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>এক আমিতেই যেন পূর্ণ সারা বাড়ি,<br />
সারাটা রাত এদিক ওদিক পায়চারি,<br />
কবে, কোথায়, কিভাবে রুখব হাঁটাহাঁটি?<br />
নিজের সঙ্গে নিজের এই কথা কাটাকাটি?</p>
<p>এর কি কোনোই অন্ত নেই?<br />
নিশিতে ঘুমিয়েছি কবে যে সেই..<br />
চারিপাশে ভাসছে কত নিয়ন আলো,<br />
তবুও আমার রাতটা কেন এত কালো! &#x2728; </p>
<p>A guy you all know wrote this 7years back.  &#x1f90d;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6ea62ecf95ce889a1b3caabb56e1e9fd</guid>
				<title>কেন লিখছি? লিখি না যে তাই... (২১)
— আসিফ রহমান 

লিখছি আজ, অনেকদিন লিখি না তাই,
শব্দেরা ভুলে গেছে পথের ঠিকানা কোথায়।
কলমটা চুপ, খাতাটা ফাঁকা,
মনে হয় গল্পগুলো মিশে গেছে শূন্যতায়।

কত কথা জমেছিল মনে,
বলো তাদের কে শোনাবে কি এখন এ ক্ষণে?
শব্দের জালে বাঁধা ছিল গান,
আজ যেন তা স্বাধীন, অচেনা এক প্রাণ।

যা ছিল মলিন, পেল রঙিন আভাস,
লেখা যেন বাঁচিয়ে রাখে সময়ের বিভাস।
তাই লিখি আজ, যতই হোক রাত,
স্বপ্নের ডানায় ভাসাই ভাবনার অমল প্রভাত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223707/</link>
				<pubDate>Tue, 10 Dec 2024 23:23:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেন লিখছি? লিখি না যে তাই&#8230; (২১)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>লিখছি আজ, অনেকদিন লিখি না তাই,<br />
শব্দেরা ভুলে গেছে পথের ঠিকানা কোথায়।<br />
কলমটা চুপ, খাতাটা ফাঁকা,<br />
মনে হয় গল্পগুলো মিশে গেছে শূন্যতায়।</p>
<p>কত কথা জমেছিল মনে,<br />
বলো তাদের কে শোনাবে কি এখন এ ক্ষণে?<br />
শব্দের জালে বাঁধা ছিল গান,<br />
আজ যেন তা স্বাধীন, অচেনা এক প্রাণ।</p>
<p>যা ছিল মলিন, পেল রঙিন আভাস,<br />
লেখা যেন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-223707"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/223707/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c6910190b1015a4f9acc1dc7afee71be</guid>
				<title>অসুস্থ এক আমি (২০)
— আসিফ রহমান

শরীরটা আজ ভালো না তেমন
কী যেন হারালাম, বুঝি না ঠিক,
হয়তো স্মৃতিরা খেলছে লুকোচুরি
অথবা দুঃখের নদী ঢেউ তোলে বেদিক।

কোনো এক সময়, কোনো এক ক্ষণে
আমারই জীবনের গল্পে ছিল এক রানী,  
এখন সেই গল্প, শুধু পাতা উল্টানো
তবুও কোথাও যেন বেঁচে নেই তুমি। 

জানালা খুলে দেখি, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, 
হয়তো আমার মনও নয় খুব একটা ভিন্ন।
তবু বৃষ্টি নামলে মাটিতে সুবাস আসে
শরীর খারাপ থাকলেও আশা কিছু অন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223168/</link>
				<pubDate>Wed, 20 Nov 2024 21:58:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অসুস্থ এক আমি (২০)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>শরীরটা আজ ভালো না তেমন<br />
কী যেন হারালাম, বুঝি না ঠিক,<br />
হয়তো স্মৃতিরা খেলছে লুকোচুরি<br />
অথবা দুঃখের নদী ঢেউ তোলে বেদিক।</p>
<p>কোনো এক সময়, কোনো এক ক্ষণে<br />
আমারই জীবনের গল্পে ছিল এক রানী,<br />
এখন সেই গল্প, শুধু পাতা উল্টানো<br />
তবুও কোথাও যেন বেঁচে নেই তুমি। </p>
<p>জানালা খুলে দেখি, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন,<br />
হয়তো আমার মনও নয় খুব একটা ভিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-223168"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/223168/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7df292265fb65d5f7f238cb2b1eb6ad4</guid>
				<title>বাঁচার আকাঙ্ক্ষা (১৯)
— আসিফ রহমান
নিঃশব্দ রাতে, আকাশে নক্ষত্র ঝরে,
মনের মাঝে বেদনার ঢেউ আঘাত করে।
নীরব কান্না, অশ্রু ঝরে চোখের কোণে,
অন্তরজুড়ে প্রশ্ন জাগে, কেন এই ক্ষণে?

বোঝা ভারী, পায়ে পায়ে ক্লান্তির ব্যথা,
চিৎকার করি, তবু শুনে না কেউ আমার কথা।
চোখ বুঁজে নিই, বাঁচতে চাই,
বাতাসের সাথে গল্পটা আকাশে উড়ে যায়।

মনে হয়, হয়তো একদিন আসবে শান্তির বার্তা,
এই নিঃশব্দ রাতে, ভেঙে যাবে অশান্তির দরজা।
নতুন সূর্যের আলোয়, পাবো জীবনের উত্তর, 
আশার রশ্মি ছুঁয়ে যাবে আমার অন্তর...

(অসম্পূর্ণ লেখা)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/221048/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Sep 2024 18:23:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাঁচার আকাঙ্ক্ষা (১৯)<br />
— আসিফ রহমান<br />
নিঃশব্দ রাতে, আকাশে নক্ষত্র ঝরে,<br />
মনের মাঝে বেদনার ঢেউ আঘাত করে।<br />
নীরব কান্না, অশ্রু ঝরে চোখের কোণে,<br />
অন্তরজুড়ে প্রশ্ন জাগে, কেন এই ক্ষণে?</p>
<p>বোঝা ভারী, পায়ে পায়ে ক্লান্তির ব্যথা,<br />
চিৎকার করি, তবু শুনে না কেউ আমার কথা।<br />
চোখ বুঁজে নিই, বাঁচতে চাই,<br />
বাতাসের সাথে গল্পটা আকাশে উড়ে যায়।</p>
<p>মনে হয়, হয়তো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-221048"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/221048/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c84f584f521241a084d525aec1c99dc1</guid>
				<title>ধুলো জমা স্মৃতি (১৮)
— আসিফ রহমান

তোমার যত ফেলে আসা ধূসর ধুলো জমা সময়, 
আমার ভালোবাসা আজও পড়ে রয়,
স্মৃতির পাতায় লেখা কিছু অগোছালো কথা,
তোমার ছোঁয়া পেলে যেন আবার নতুন করে গাঁথা।

তুমি দূরে চলে গেলে, ফাঁকা হল আমার পথ,
তোমার ছায়া আজও খোঁজে প্রিয়তম হাত।
তবুও সময় থেমে থাকে না, এগিয়ে চলে ধীরে,
আমার ভালোবাসা আছে, ধুলো জমা স্মৃতির পিঠে নীরবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/220809/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Sep 2024 18:04:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধুলো জমা স্মৃতি (১৮)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>তোমার যত ফেলে আসা ধূসর ধুলো জমা সময়,<br />
আমার ভালোবাসা আজও পড়ে রয়,<br />
স্মৃতির পাতায় লেখা কিছু অগোছালো কথা,<br />
তোমার ছোঁয়া পেলে যেন আবার নতুন করে গাঁথা।</p>
<p>তুমি দূরে চলে গেলে, ফাঁকা হল আমার পথ,<br />
তোমার ছায়া আজও খোঁজে প্রিয়তম হাত।<br />
তবুও সময় থেমে থাকে না, এগিয়ে চলে ধীরে,<br />
আমার ভালোবাসা আছে, ধুলো জমা স্মৃতির পিঠে নীরবে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6be07784bb3fcfd01f51c6642305e41b</guid>
				<title>তাঁরাদের প্রেম (১৭)
— আসিফ রহমান
রাতের তাঁরার মত আমার প্রেম,
আলো দেয় দূর থেকে, কাছে আসার ভয়ে,
হৃদয়ের আকাশে একলা জ্বলে,
তোমার ছোঁয়াতে মিশতে চায় নির্ভয়ে।

কখনও ঝরে পড়ে চোখের কোণে,
তবু থাকে অনন্ত কালের গোপন সীমানে।
নিভে যায় না, শুধু চেয়ে থাকে,
তোমার পথে চিরকাল তারে জাগিয়ে রাখে।

তুমি যদি চাও, আকাশ হবে নীল,
রাতের তাঁরারা গাইবে প্রেমের তানমিল।
তুমি আসবে, আর সব হবে পূর্ণতা,
রাতের তাঁরায় জ্বলবে আমার মধুর কথা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/220804/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Sep 2024 17:27:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তাঁরাদের প্রেম (১৭)<br />
— আসিফ রহমান<br />
রাতের তাঁরার মত আমার প্রেম,<br />
আলো দেয় দূর থেকে, কাছে আসার ভয়ে,<br />
হৃদয়ের আকাশে একলা জ্বলে,<br />
তোমার ছোঁয়াতে মিশতে চায় নির্ভয়ে।</p>
<p>কখনও ঝরে পড়ে চোখের কোণে,<br />
তবু থাকে অনন্ত কালের গোপন সীমানে।<br />
নিভে যায় না, শুধু চেয়ে থাকে,<br />
তোমার পথে চিরকাল তারে জাগিয়ে রাখে।</p>
<p>তুমি যদি চাও, আকাশ হবে নীল,<br />
রাতের তাঁরারা গাইবে প্রেমের তানমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-220804"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/220804/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f11831c32507154bc240575be7a01252</guid>
				<title>কাউকে পড়ার জন্য জোর করব না, একবার লেখাটা পড়া শুরু করলে এমনিতেও শেষ না করে যেতে পারবেন না। &#x1f605;
 
(সূচনা) 
এবারের বন্ধু দিবসে ওকে ছাড়া কাউকে হয়তো আমরা কেউ এতটা মিস করব না। আমার বন্ধু শহীদ Irfan Bhuiyan। ওকে আমি ইরফু ডাকতাম বেশি। জানা ছিল না আমি বাদে কেউ এই নাম ডাকত তবে যতদূর শুনলাম এই নামে ওকে অন্য কেউ ডাকলে ও রেগে যেত, তবে এই কারণে ওকে আমার উপর কোনোদিন রাগতে দেখিনি। শুরুটা এমন যে ইউআইইউতে অনেকটা জেদ করেই ভর্তি হই ভালো কিছুর আশায় ২রা জানুয়ারি, ২০২৩ । সেটাও বাসায় অনেক রেষারেষির পর। ফ্রেশার ভাইবস তাই যেমন খুশি তেমন ফ্রেশার অ্যাড করতে থাকি নতুন ফেসবুক আইডি খুলে। ইরফান একদম আমার প্রথম দিকের ফেসবুক ফ্রেন্ড ভার্সিটিতে। ও আর আমি দুইজনই সিএসইতে অধ্যয়নরত ছিলাম, ওর সাথে আমার প্রথম কথা হয় ঐ বছরই ২৫শে জানুয়ারি ওর ফেসবুক স্টোরিতে দেখা আইয়ুব বাচ্চুর &quot;মেয়ে&quot; গানের রিল চাইতে গিয়ে। ছেলেটা বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের চরম ফ্যান বিশেষ করে &quot;ওয়ারফেজ&quot; ব্যান্ডের। এর বাইরেও অর্থহীন, শিরোনামহীন, কাকতাল, ব্লাকসহ আরও কিছু আন্ডাররেটেড ব্যান্ডকে খুব প্রমোট করত ও। অনেক রুচিশীল মিউজিক টেস্ট দেখে আমি বেশ প্রশংসা করতাম সবসময়।
সেই ক্লাস থ্রি থেকেই নাকি নকিয়া ফোনে ওর রেডিও শুনে শুনে এই বাংলা মিউজিকের প্রতি আগ্রহ ও বলত। ২৮শে জানুয়ারি আমাদের প্রথম ক্লাস হয় আমাদের দেখা হয় নি তবে কে কতদূর পৌঁছালাম, কয়টাই কার ক্লাস খবর নিচ্ছিলাম ম্যাসেজে। 
১লা ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মত ভার্সিটি শাটল বাস থেকে নতুনবাজারে নামার পর আমি ওকে ফেসবুকে আপলোড করা ছবির মত ফিটফাট দেখি একটা সানগ্লাস চোখে, জিজ্ঞেস করি চিনতে পারছে কিনা ও সম্মতি জানায়। ফেব্রুয়ারি মাসেই ১৩তারিখ আবার কথা হয় নিজেদের আইডি-রোল এসব নিয়ে, হিসেব করে দেখলাম একসাথে কোনো সেকশনই মিলবে না কারণ আমাদের আইডির মধ্যে ১২৩জন মানুষের দূরত্ব বিদ্যমান আর ফ্রেশারদের সেকশন ভার্সিটি থেকেই ঠিক করে দেয় ।
২৫শে ফেব্রুয়ারি তখন ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ নির্মাণাধীন থাকায় তাদের ক্লাসও আমাদের সাথে হত ভার্সিটির অষ্টম এবং নবম ফ্লোরে, তো এক স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা হয়ে গেলে কথা বলি, মেডিকেলের স্টুডেন্টের সাথে কথা বলা দেখে ইরফান আমায় খোঁচা মেরে বলে যায় কিরে ভাই ডিপার্টমেন্ট চেঞ্জ করবা নাকি মেডিকেলে যাবা? সেন্স অফ হিউমার দারুণ ছিল ছেলেটার।

(ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা)
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ বাসায় এসে আমি স্বপ্নে ওকে দেখি তো ওকে বললে ও বলছিল যশোর-খুলনা ওর খুব ভালো লাগে ও ঘুরতে আসবে। ইতিমধ্যে ও আগেই একবার মজা করে ওর বাসায় আমাকে দাওয়াত করেছিল। আমাকে হঠাৎ একদিন জিজ্ঞেস করে ঘুম না আসলে কি করব ভাই? বলছিলাম, &quot;আয়াতুল কুরসি পড়, ঘুমের দোয়া পড়, ওযু কর, ৫০০ থেকে ১ পর্যন্ত উল্টা কাউন্ট কর, তারপরও ঘুম না আসলে ঘুমের ওষুধ খাও তবে অভ্যাস করো না।&quot; তখন ও বলল,&quot; আমি চাইলে নিজের স্লিপ সাইকেল নিজে নষ্ট করে নিজেই ঠিক করতে পারি।&quot;
ওর সাথে শুরু থেকেই পরিচয় থাকলেও অফলাইনে আমরা শুরু থেকে এত ক্লোজ ছিলাম না,  এ বছরের শুরুতে ও আমাকে বলে গ্রীষ্মের ছুটিতে ওকে আমার গ্রামে ঘুরতে নিয়ে গেলে তো পারি..
আমি ওকে বলি আচ্ছা আসলে এবারই আসো আমরা পরিবার নিয়ে ঢাকা শিফট করব, তখনও আমাদের তুমি তুমি সম্পর্ক। এরপর আমি ওকে সারাদিন আমার গ্রামীণ ফটোগ্রাফি দেখাতাম ও বলত এবার কিন্তু আমাকে নিয়ে যেতেই হবে। এরপর আমাদের ভার্সিটিতে ২০শে জানুয়ারি, ২০২৪ এ দেখা হয়। ২৩ তারিখে ক্লাস শুরু তাই সেকশন সিলেক্ট করা বা বদলাতেই আগে আগে ঢাকাতে আসা। এরপর ও রবি,বুধ ক্লাস নিতে না চাইলেও আমার সাথে ডিএলডি সেকশন নিবে বলে একটা ক্লাস নিয়েই ফেলে, এরপর শুরু আমাদের পাক্কা বন্ধুত্ব। ছেলেদের কখনও বেস্টফ্রেন্ডকে বেস্টফ্রেন্ড বলতে হয় না ওর সাথে আমি যে এতটা ঘনিষ্ঠ হয়ে গেছি ওর মৃত্যুর আগে কোনোদিন উপলব্ধি করতে পারিনি। ক্লাসে নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হয় বেনজির স্যার আমাদের দুইজনকেই ভালো করে চিনতেন। পরিচিত মুখ হয়ে যায় প্রথম দুই সপ্তাহের মাঝেই। এমনও দিন গেছে ইরফান ভিডিও কল করে আমাকে খাতা বের করে আমাকে পড়া দেখিয়েছে, এমনও দিন গেছে আমি লাইট অফ করে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ওর ম্যাসেজ দেখে নোটপ্যাডে এঁকেএঁকে ওকে স্টেট ডায়াগ্রাম দেখিয়েছি, খুবই নিঃস্বার্থ ছিল ছেলেটা তাই আমারও ওর প্রতি ১২০% এফোর্ট দিতে কখনও অনিচ্ছা হত না। আমার ক্যালকুলেটর নষ্ট হলে সে নিজের অথবা তার এসএসসি ক্যান্ডিডেড ছোট বোনদের ক্যালকুলেটর আমার জন্য রেখে যেত, পরে ও ভার্সিটিতে না আসলে ওর আব্বুর কাছে পাঠিয়ে দিতে বলত। ওর আব্বু আমাদের ভার্সিটিরই স্টাফ। ওর বাসা দূরে হওয়ায় ক্যালকুলাস পরীক্ষার আগের রাতে ও আমার মেসে থাকতে চায়, আমিও ও নিশ্চিত থাকবে জেনে একটা এক্সট্রা মিল চালিয়ে দেই, পরবর্তীতে না আসার কারণ জিজ্ঞেস করলে ও বলেছিল ওর নোট খাতা আনতেই ভুলে গেছিল তাই ফেরত চলে গেছে, ওই খাতা ছাড়া নাকি ওর ক্যালকুলাস পড়া অচল, এভাবেই আমাদের নাইট আউট, ট্যুর সব বাকি রয়ে গেছে, অছিম পরিবহনে উঠত বেশি ও বাসায় যাওয়ার জন্য। আমার সাথে ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই হাসপাতাল এ যাওয়ার কথা ছিল, ওর এক চোখের পাওয়ার একটাই ১.২৫ আরেকটাই –০.৫ ছিল খুব সম্ভবত। আমাদের সময় মিলত না বাসা দূরে হওয়াতে। কিন্তু রাত জেগে অকারণে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলছি আমরা কখনও জীবন নিয়ে, কখনও ওর প্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজের গান অথবা মিজান বাদে মেইন লাইনআপের সবাই থাকবে এবারের কনসার্টে এসব নিয়েই কথা হত বেশি।

(পছন্দ ও অপছন্দ) 
ভার্সিটিতে ওর সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষিকা ছিল আনিকা তাসনিম রোদেলা ম্যাম আর শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন ত্বকী ইয়াসির স্যার, আমাকেও একবার ইরফান সাথে নিয়ে স্যারের রুমে পড়া দেখতে গিয়েছে। 
শাহরুখ খান কে অনেক বেশি কপি করত, বাংলাদেশে অপি করিম ওর খুব প্রিয় ছিল, লেখালেখি অনেক বেশি পছন্দ করলেও দেখাইতে লজ্জা পেত আমাকে। একবার দেখিয়েই আবার ডিলিট করে দিত লজ্জায়। তবুও ফেসবুকে অনেক সুন্দর সুন্দর স্মৃতি রেখে গেছে সে। 
প্রিয় ফুটবল টিম ছিল রিয়াল মাদ্রিদ আর ব্রাজিল। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো প্রিয় ফুটবলার আর ট্রাভিস হেড প্রিয় একজন ব্যাটসম্যান।
আর মেটাল ব্যান্ড &#039;ওয়ারফেজ&#039; ছিল ওর লাইফ।
প্রোগ্রামিং-এর জন্য ভিএস কোড ব্যবহার করা শিখেছিল ছয় মাস অনেক ইফর্ট দিয়ে তারপর আমায় বলেছিল আমাদের ভার্সিটির ছাত্ররা কষ্ট করতে চাইনা, ভিএস এ কোড করে কে মজা এরা বুঝবে না। 
সব বন্ধুকে সব কিছু শেয়ার করত না ও, একজনের কথা আরেকজনের কাছে যাওয়াটাও ওর একদমই পছন্দ ছিল না। সবারই চোখের মধ্যমণি ছিল ও। আজ অবধি কেউ ওকে নিয়ে বাজে কথা বলে না। বন্ধুত্বের সেরা উদাহরণ ছিল বেচারা।

(বন্ধুত্ব) 
ভার্সিটির শুরু থেকে যে বন্ধুগুলোর সাথে ইরফানের উঠাবসা তারা হল ইমরান, পলি, লাবণ্য। ওরাই প্রথম ট্রামিস্টারে একসাথে আড্ডা দিত ঘুরত, ইরফানকে লুকিয়ে চলতাম আমি খুব। নয়তো খুব পঁচানির উপর রাখত ছোট ছোট বিষয় নিয়ে। ওর প্রিয় একটা ডায়ালগ ছিল, &quot;তোমরাই খেলো।&quot; ও নিজেকে নারায়ণগঞ্জের ওবাইদুল কাদের দাবি করত কারণ ও খুব ভালো মিমিক্রিও করতে পারত লোকটার। এছাড়া আমাদের বেনজির স্যারেরও মিমিক্রি পারত সুন্দর। এর বাইরে এনায়েত, প্রত্যয়, নাইম, ইমন, মইনুলরা ওর বেশ কাছের। এছাড়া বেস্টফ্রেন্ড ছিল পিয়াল, ওরা একই এলাকা থেকে ভার্সিটিতে আসত। পিয়াল থেকে জানা ইরফানের একটা ভালো পিসি বিল্ড করার অনেক ইচ্ছা ছিল, ১০০% স্কলারশিপ পেলে ওই টাকা দিয়ে এটা করবে ঠিক করেছিল, আগেরবার মিস হয়ে যায়, তাই এইবার অনেক বেশি চেষ্টা করছিল। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকায় ও বাইরে তেমন খেতে চাইত না তবে রং চায়ের একান্ত ভক্ত ছিল আমাদের ইরফান একথা কারও অজানা নয়। আর মাঝে মাঝে একসাথে ভার্সিটির পিছনে সিংগারা খেতে যেতাম আমরা। ওর এলাকার বন্ধু সামাদ পোদ্দার খুবই কাছের একজন, এইতো এই ১৫ই জুলাই সে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমানার আগেও ইরফান তার সাথে একটা শেষ ছবি তুলে ফেসবুকে দেয়, তার থেকে জানা ইরফানের গাড়ির খুব শখ ছিল, মার্কেটপ্লেসে সারাদিন টয়োটা গাড়ি দেখে বেড়াত ইরফান। লাবণ্য আর পলি থেকে জানা ইরফান প্রথম দিকে সিএসইতে আগ্রহী ছিল না, তার পছন্দ ছিল ইইই ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। কিন্তু বাবার চাপে সিএসইতে ভর্তি হয়েছিল, কারণ তার বাবা মনে করতেন চাকরি পাওয়ার জন্য সিএসইই ভালো। বলা বাহুল্য ইরফানের বাবা হচ্ছেন ইউআইইউ ইইই ডিপার্টমেন্টের ল্যাব ইনচার্জ। প্রোগ্রামিং কঠিন লাগলেও ওর ম্যাথ খুব ভালো লাগত, তবে পরবর্তীতে ওর মেশিন লার্নিংএর দিকে আগ্রহ জন্মায়। 
ইরফান আংকেলকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল সে সিএসই পড়তে আগ্রহী না, কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার পর বাবার সাথে তার কম কথাবার্তা হত। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার পর ইরফানের বাবা-মা বলেছিলেন, তারা ওকে ঢাকার বাইরে পাঠাবেন না যদি সে সাস্টে ভর্তি না হতে পারে। এ কারণে সে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।
তবে ভাগ্যের জোরে সে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেক্ট হয়েছিল, কিন্তু পছন্দের সাবজেক্ট না পাওয়ার কারণে তার ভর্তির আগ্রহ ছিল না। ঢাবিতে তার মেধাক্রম ছিল ৫৯৯২তম এবং একদিন তার মা জানতে পারেন যে ইরফানের নানার মুক্তিযোদ্ধা কোটার সার্টিফিকেট আছে, যা ইরফান বা ওর আম্মু আগে জানত না, ঐ দিনই প্রথম জানে। ঢাবিতে ভর্তি হতে না পারার কারণে সে খুব আফসোস করতো। ঢাবি ছিল তার ৪-৫ বছরের স্বপ্ন। সে মেডিকেলে চেষ্টা করেনি ঢাবিতে ভর্তি হবে বলেই।
যেদিন ইরফান ইউআইইউ থেকে আইডি কার্ড পেয়েছিল, ও পলিকে বলেছিল যে অনেক ম্যাচিউরড ফিল করছে। মেট্রোরেল উদ্বোধনের দিন, ইরফান তার নিজের কণ্ঠে গেয়েছিল, &quot;পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, মেট্রোরেল মেট্রোরেল মেট্রোরেল।&quot;
১৫ই জুলাই, ২০২৪ পলি, ইরফান আর আমার একসাথে শেষ কথা হয়েছিল একটি অ্যাসাইনমেন্টের কভার পেজ নিয়ে, যেটা পলি আমাদের টিমের জন্য করেছিল। আমি আন্দোলনের তীব্র ব্যস্ততার মধ্যে গ্রুপে আর রিপ্লাই দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করিনি সেদিন।

(অতিরিক্ত সংযোজন) 
DLD ক্লাস একসাথে করার সময় ফখরুল, আনিকা, আমি, ইরফু, রেজা বক্স আর সাজ্জাদের একসাথে গ্রুপস্টাডি করতে গিয়ে অনেক ভালো বন্ডিং হয়, আমি গ্রুপটার নাম দেই FAIRS কেউ বুঝে নাই কেন আসলে সবার নামের প্রথম অক্ষর ব্যবহার করে এটা করা FAIRS এর I টা আজ আমাদের মাঝে নাই তাই হয়ত সবকিছু দূর(FAR) লাগছে। রাতবিরাতে এরা গ্রুপে একজন আরেকজনের গল্প শুনত আর জ্বালাতন করত খুব। আনিকা বেশি হাসলে আবার নিজে থেকেই বলত আসিফ ভাই, ইরফান ভাই পড়তে যান। এছাড়া এবার SOC সেকশনে ইরফু, আমি, পলি, বুশরা, তানভীর আর কামিশকা একসাথে টিম করেছিলাম। নাম ছিল WARKIT. শেষ ও আমাকে Aevesham মুভিটা দেখতে সাজেস্ট করেছিল। 
ইরফান SOC ক্লাস কিছু দেখত না শুধু ফোনে খেলার স্কোর অথবা DSA-1 দেখত খাতায়, জিজ্ঞাসা করলে বলত DSA পারিনা রে mid নিয়ে চিন্তায় আছি। এখন ওর আর পরীক্ষায় দিতে হবে না। 

(আলোচিত এবং শেষ পোস্ট) 
১৩ই মে ও ফেসবুকে লিখেছিল, 
&quot;এই যে বাসায় আসবো না বলে বাসায় চলে আসলে আম্মা কতো খুশি হয়, এই খুশি কেড়ে নিয়ে আমি কেমনে তোমাদের মতো বিদেশ পাড়ি দেই বলো? বন্ধুদের, বড় ভাইদের &quot;দেশে কিছু করতে পারবি না&quot; এই কথাকে আমার একটুও ভয় লাগে না, বৃদ্ধ বয়সে আব্বা আম্মার কাছে থাকতে চাই। কপালে যা আছে তাই হবে, বাপ মা ছাড়া থেকে হাজার কোটি টাকা কামাইলেও যে শান্তি পাবো না আমি।
আমার আব্বা আম্মা আবেগ দেখাইতে পারে না, তাই শাসনে আবেগ রাখে। আমি একসময় এতো শাসন নিতে পারতাম না। কিন্তু এই তীব্র শাসনে যে তীব্র আবেগ লুকায়িত থাকে, বুঝার পর থেকে তাদের শাসনে যেতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু সমাজের চাপে অনেকসময় শাসনে পড়ে যাই। সমস্যা নাই, ওরা এই তীব্র শাসনে আমায় ভয়ও পায়, আমি হয়তো উন্নত জীবনের খোঁজে ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যাবো।
আমারও কখনো তাদের তীব্র শাসনের বিপরীতে মুখে  বলতে ইচ্ছা করে না, &quot;তোমাদের দাফন পর্যন্ত পাশে থাকতে চাই&quot;।
এইটা ওর খুব আলোচিত একটা ফেসবুক পোস্ট। 

এছাড়া ১৬ই জুলাই যখন আমরা নতুনবাজারে আন্দোলনে ব্যস্ত ঠিক তখন ইরফান ফেসবুকে পোস্ট করে,
&quot;বীর বাঙ্গালী কোথায় ছিল, যখন ভারত বাংলাদেশের বুক চিরে রেল ট্রানজিট নিলো?&quot; 
সেদিন ওর সব ক্লোজফ্রেন্ডরা ওর বিরুদ্ধে যায় অনেকে ওকে ভণ্ড বলে। আমি নিজেও কমেন্ট করি, &quot;এই জন্যে আসিসনি? ও বলে,&quot; হ্যাঁ &quot; ভেবেছিলাম রাতে ওকে বলবো নিজে না আসলেই আমাদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব না ঢোকাতে। কিন্তু রাতারাতি ছেলের বিবেক জাগ্রত হয় পরিবর্তিত মন নিয়ে ছেলেটা আবার ফেইসবুকেই পোস্ট করে,
&quot; উদ্বেগ, উৎকণ্ঠায় কাটছে দিন;
নিজেকে নিজের থেকে দূরে রাখতে চেয়েও মনে হয় পারলাম না। কালকে দেখা হবে, এর শেষ হওয়া পর্যন্ত আছি!&quot; সেই বহুল আলোচিত পোস্ট। এই পোস্টের ২৪ঘন্টা হওয়ার আগে সে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয় অনন্তপানে।

(মৃত্যু) 
১৮তারিখ অর্থাৎ ওর মৃত্যুর দিন সকালে ওর পেট খারাপ করে কিন্তু ঘরে মন টিকে না, সে ঠিকই বের হয়ে যায়। তার আগের দিন রাতে ও স্টাফ কোয়ার্টারের ফ্রেন্ডের নিয়ে একটা গ্রুপ করে বলেছিল এসে ফরজ গোসল নিবে, নিয়েছিল ঠিকই সে কিন্তু জীবিত থাকা অবস্থায় নয়। সকালে আমার সকল পোস্টেও কমেন্ট করছিল ব্রাকের দিকে আসবে কিনা, আমার জবাব না পেয়ে ইনবক্সে আসে, আমি জিজ্ঞেস করি কোথায় ও, বলছিল সানাড়পাড় থেকে চিটাগাং রোডের দিকে যাচ্ছে আমি বলেছিলাম মানুষ থাকলে আসতে পারিস, একা অবশ্যই আসবি না। ও বলছিল, &quot;ঠিক আছে, বনশ্রী আইডিয়ালের রাস্তা ধরে ইস্ট ওয়েস্ট ভার্সিটির ছাত্রদের সাথে আসবো&quot; কিন্তু লোকজন না পাওয়াতে সে যাত্রাবাড়ি শনির আখড়ার দিকে যায়। ওর যেসব পরিচিত বন্ধুরা ছিল ওকে সাথে নিয়ে চলে যেতে চাইলেও ও থেকে যায়, পরবর্তীতে ওদের ফোন করে যখন জানতে পারে ওরা বাসায় চলে গেছে ও রাগ করে, তবে ইরফান ওইদিন ফিরে আসার জন্যে রাস্তায় নামে নি। হয়তো সাহসিকতা আর বোকামির মধ্যে তফাৎটা যে ঠিক কোথায় তার হিতাহিত জ্ঞানটা ও হারিয়ে ফেলেছিল। 
দুপুরে ১২:৩৪ এ আমার সাথে ওর শেষ কথা হয়, বিকাল ৫:৩১এ শান্ত কল করে বলে পিয়াল ওকে জানিয়েছে ইরফানের গুলি লাগছে। ততক্ষণে আমি জানি ব্রাকের সামনে আমার কাছের দুই বন্ধু হামিম আর সিয়ামের রাবার বুলেট লেগেছে তো আমার কাছে ওইদিনের হিসেবে স্বাভাবিক ঘটনা মনে হওয়ার কথা। কিন্তু ইরফানের ব্যাপারটা কেন জানি হজম করতে পারছিলাম না। তাড়াহুড়ো করে আংকেলের নাম্বার চাইলাম সবার কাছে, বাসার ঠিকানাটা যে জানিনা ঠিকমত। কিছুক্ষণের মধ্যে একজন ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করে বলে ভাইয়া আমাদের ভার্সিটির একজন দেখেন তো চিনেন কিনা? ফোন হাত থেকে পড়ে যায়, আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি, বিষয়টা আমি তিন-চারদিন স্বাভাবিক ভাবে নিতেই পারিনি। কারণ মা বোন নিয়ে দুই দিন আগেও আমি ঢাকাতেই ছিলাম। 
গতবছর জুলাইতে আব্বু ক্যান্সারে মারা গেলেও আমি বলতে গেলে একদম কাঁদি নাই প্রায়, তার বয়স হয়েছে, রোগ ছিল অনেক দিন আল্লাহ মুক্তি দিয়েছিলেন হয়তো। যেটুকু কেঁদেছি রক্তের সম্পর্ক আছে বলে নয় তার মত ভালো মানুষের সন্তান হতে পেরেছি বলে কেঁদেছিলাম..
কিন্তু আমার নির্দোষ ভাইয়ের অনাকাঙ্খিত মৃত্যু আমার পক্ষে মেনে নেওয়া যেন কিছুতেই সম্ভব হচ্ছে না, ভাবছিলাম আমরা কি সন্ত্রাসী? আমাদের আন্দোলন যদি অযৌক্তিকও হয় কিভাবে আমাদের উপর গুলিবর্ষণ করে ওরা? তাদের উপর আমরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো আঘাত করেছি? যেটুকু করেছি আত্মরক্ষার্থে নিজেকে বাঁচাতে। আন্দোলনে বারবার আমার বন্ধুরা হাতে লাঠি, পাথর গুঁজে দিলেও আমি তা বারবার ফেলে দিয়েছি, মাস্ক পড়তে দিলেও পড়িনি। বলেছিলাম, &quot;আমি কি কোনো দূর্বৃত্ত, আমাদের আন্দোলন কি কোনো অর্থে অযৌক্তিক? তাহলে আমাদের রাজাকারের বাচ্চা কেন বলল? আর মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা এত বেশি মেধাবী হলে তাদের কোটার দরকার হয়?&quot; যারা আন্দোলনে আগে আসে নি তারাও আমাদের গায়ে হাত তোলার পর আমাদের সাথে নেমে গেল তাহলে যাইহোক গুলি কেন চালাবে বন্ধুদের গায়ে? এইসব লিখতে লিখতে দেখি আমার ইন্টারনেট আর কাজ করে না... 
ইন্টারনেট একদম বন্ধ রাতে ওর স্কুল ফ্রেন্ড ওমর ফোন দিয়ে জানায় যাত্রাবাড়ির দিকে অবস্থা খুব খারাপ, জানাজা পড়ানো গেল না, লাশ নিয়ে ওর গ্রামের বাড়ি নরসিংদী যাওয়া হচ্ছে জানাজা কবর ওখানেই। তখন সময় ১৮তারিখ রাত সাড়ে দশটা। 

(মৃত্যু পরবর্তী তথ্য)  
ইরফানের এক কাছের আত্মীয় বড় ভাইয়ের তথ্য অনুযায়ী,
পুলিশের শর্টগানে খুব কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সে সেইখানেই মারা যায়, তারপরও মৃত্যু নিশ্চিত করতে ইরফানের দেহটাকে টেনে নিয়ে গিয়ে অনেক মারা হয়। যার ফলে তার হাতের হাড়, কনুই ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়। তার বুকের পাঁজর ভেঙে যায়, তারপর ব্রিজের উপর থেকে তাকে ফেলে দেয় যার ফলে তার মাথা ফেটে যায়। এক কথায় বলতে গেলে সে স্পট ডেড ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে এন্ড হাসপাতালে আনলেও কোনো লাভ হয় না। গুলিটা লেগেছিল পিঠের ডান দিকে, পিঠ দিয়ে বড় ছিদ্র করে ঢুকলেও সামনে দিয়ে আর সেটা বের হয় নি। ইরফানের বাসায় এখনও সব ওইভাবেই পড়ে আছে, আন্টি এখনও মেনে নিতে পারেন না, আংকেল কম কথার মানুষ শোকে আরও বেশি কাতর, ইরফানের ঘরের মশারিও এখনও অমন পড়ে আছে, খোলা আর হয় নি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/220770/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Sep 2024 19:21:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাউকে পড়ার জন্য জোর করব না, একবার লেখাটা পড়া শুরু করলে এমনিতেও শেষ না করে যেতে পারবেন না। &#x1f605;</p>
<p>(সূচনা)<br />
এবারের বন্ধু দিবসে ওকে ছাড়া কাউকে হয়তো আমরা কেউ এতটা মিস করব না। আমার বন্ধু শহীদ Irfan Bhuiyan। ওকে আমি ইরফু ডাকতাম বেশি। জানা ছিল না আমি বাদে কেউ এই নাম ডাকত তবে যতদূর শুনলাম এই নামে ওকে অন্য কেউ ডাকলে ও রেগে যেত, তবে এই কারণে ওকে আমার উপর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-220770"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/220770/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">527fce83988a18e748dbc5950b0c858c</guid>
				<title>অকারণের বৃষ্টি (১৬)
- আসিফ রহমান

একাকী রাতের আধারে, 
যে দিনগুলো হারায় ধূসর প্রান্তরে.. 
হৃদয়ের কোণে রয়ে যায় স্মৃতির খেলায়, 
মনে পড়বে তোমায়, স্মৃতির কোনো এক মেলায়।

আজও খুঁজে পাইনা সেই সময়ের সুর,
কোথায় যেন হারিয়ে গেছে দূর-বহুদূর, 
বিধ্বস্ত দিনের মাঝে সুখ বয়ে এনে,
বৃষ্টি নামে, চোখ দিয়ে ভাঙা এই মনে..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/220584/</link>
				<pubDate>Sat, 14 Sep 2024 21:03:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অকারণের বৃষ্টি (১৬)<br />
&#8211; আসিফ রহমান</p>
<p>একাকী রাতের আধারে,<br />
যে দিনগুলো হারায় ধূসর প্রান্তরে..<br />
হৃদয়ের কোণে রয়ে যায় স্মৃতির খেলায়,<br />
মনে পড়বে তোমায়, স্মৃতির কোনো এক মেলায়।</p>
<p>আজও খুঁজে পাইনা সেই সময়ের সুর,<br />
কোথায় যেন হারিয়ে গেছে দূর-বহুদূর,<br />
বিধ্বস্ত দিনের মাঝে সুখ বয়ে এনে,<br />
বৃষ্টি নামে, চোখ দিয়ে ভাঙা এই মনে..</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e40ca686b3a833646249e85383797b7</guid>
				<title>Asif Rahman changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/215761/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Jun 2024 19:16:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d30943bf2aa3cf13262200ca8bbe473</guid>
				<title>Asif Rahman and Eiasin Arafat are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/211806/</link>
				<pubDate>Wed, 10 Apr 2024 14:03:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c45a8ccaa5cff136fe9cf43786a70fc8</guid>
				<title>Asif Rahman and শিউলি চক্রবর্তী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/211656/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Apr 2024 22:47:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ce1f29736089e5c51c740e2976823ec</guid>
				<title>Asif Rahman and Jannatul Ferdausi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/211242/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Apr 2024 20:47:45 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d95bb60da755e72f099cb0e0f4de7654</guid>
				<title>Asif Rahman and Kishor Kanok are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/211195/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Apr 2024 09:42:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0b67d337e7c530a3b9bcae4ba97ebeb5</guid>
				<title>Asif Rahman changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/211051/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Mar 2024 19:18:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b753f656ac0a829b2dfc45f8ce61c2a4</guid>
				<title>Asif Rahman and Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/211049/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Mar 2024 19:16:11 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">660cab49afc54238eeaf6b5caa7e0958</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/211047/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Mar 2024 19:14:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">123d5eaa310354d5c6952e0df4d9e517</guid>
				<title>ভাঙা আয়নার ব্যাকুল কাব্য (১৫)
— আসিফ রহমান 

আক্ষেপের সমুদ্রে ভেসে বেড়াবে, 
পাবে না খুঁজে তীর-উপকূল.. 
তোমায় এখন আর কে বাঁচাবে? 
তুমি তো আগুনে পা দিতে ব্যাকুল.. 

সুস্থ মানুষের জীবন নয়, 
ওটা ছিল ভাঙা আয়না.. 
ফিরে আসলেই সবকিছু, 
ফিরে পাওয়া যায় না.. 

এটা নিয়মে বাঁধা কোনো কাব্য নয়,
রোমান্টিক কোনো কবিতা নয়..
বিরহের এ গান থামবে যেদিন, 
খুঁজে আর আমায় পাবে না সেদিন.. &#x2728;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/210543/</link>
				<pubDate>Fri, 22 Mar 2024 03:35:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> ভাঙা আয়নার ব্যাকুল কাব্য (১৫)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>আক্ষেপের সমুদ্রে ভেসে বেড়াবে,<br />
পাবে না খুঁজে তীর-উপকূল..<br />
তোমায় এখন আর কে বাঁচাবে?<br />
তুমি তো আগুনে পা দিতে ব্যাকুল.. </p>
<p>সুস্থ মানুষের জীবন নয়,<br />
ওটা ছিল ভাঙা আয়না..<br />
ফিরে আসলেই সবকিছু,<br />
ফিরে পাওয়া যায় না.. </p>
<p>এটা নিয়মে বাঁধা কোনো কাব্য নয়,<br />
রোমান্টিক কোনো কবিতা নয়..<br />
বিরহের এ গান থামবে যেদিন,<br />
খুঁজে আর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-210543"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/210543/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d0190f4be2eb85f0fc65a660754794aa</guid>
				<title>আবার তোমাকে ভালোবাসতে (১৪)
— আসিফ রহমান

বদলে যাচ্ছে সময়
সবকিছুই হচ্ছে এলোমেলো,
লেখাগুলোও হয়ে যাচ্ছে ঝাপসা, 
তোমায় যে পাই না আগের মত.. 

যতদিন যাচ্ছে তুমি একটু একটু করে
হারিয়ে ফেলেছ আমাকে,
একদিন দেখবে শুধু স্মৃতিগুলোই আছে
তুমিই কোথাও নেই..

তুমি ভেবেছ খুব সহজ ছিল আমাকে পাওয়া,
তাই চাইলেই পেয়ে যাবে ভেবেছ,
তুমি ভেবেছ খুব সহজ ছিল কাউকে কষ্ট দেওয়া, 
তাই চাইলেই তা দিতে পারবে ভেবেছ.. 

যতদিন যাচ্ছে একটু একটু করে হারিয়ে চলেছি আমি
যত সময় যাচ্ছে বিন্দু বিন্দু করে ক্ষয়ে যাচ্ছি আমি, 
একদিন মন খুঁজে দেখবে শুধু আমিই রয়ে গেছি সেই
তবে পিছনে ফিরে দেখবে কেউ আর দাঁড়িয়ে নেই..

তখন আর পারব নাকো
সেখান থেকে ফিরে আসতে, 
সবকিছু ভুলে গিয়ে
নতুন করে ভালোবাসতে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/210278/</link>
				<pubDate>Sun, 17 Mar 2024 22:09:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আবার তোমাকে ভালোবাসতে (১৪)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>বদলে যাচ্ছে সময়<br />
সবকিছুই হচ্ছে এলোমেলো,<br />
লেখাগুলোও হয়ে যাচ্ছে ঝাপসা,<br />
তোমায় যে পাই না আগের মত.. </p>
<p>যতদিন যাচ্ছে তুমি একটু একটু করে<br />
হারিয়ে ফেলেছ আমাকে,<br />
একদিন দেখবে শুধু স্মৃতিগুলোই আছে<br />
তুমিই কোথাও নেই..</p>
<p>তুমি ভেবেছ খুব সহজ ছিল আমাকে পাওয়া,<br />
তাই চাইলেই পেয়ে যাবে ভেবেছ,<br />
তুমি ভেবেছ খুব সহজ ছিল কাউকে কষ্ট দেও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-210278"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/210278/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">24f5fad6597e38bc9830c07fa308e865</guid>
				<title>আক্ষেপ (১৩)
- আসিফ রহমান 

যদিও সব মেনে নিয়েছি
তবু হেরেছি বারেবার, 
একবার নয় এ মন
ভেঙেছে শতবার। 

আজকের পর তুমি মৃত পাবে আমায়,
চলে যাবে যুগ তবু কাটবে নাকো সময়।
দিচ্ছি কথা তবু আর হারাবো না ওই মায়ায়, 
তোমার আক্ষেপ দৃঢ় করতে হয়তো হব উদয়।

তোমায় ভেবে লিখতে কষ্ট পাবার কথা কি?
কিংবা সম্ভাবনা চক্ষুদ্বয়ের অশ্রুবর্ষণ? 
নাকি তবে গর্বিত হব তোমার জন্য
আমিই যে ছিলাম শ্রেষ্ঠ অর্জন?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/210018/</link>
				<pubDate>Wed, 06 Mar 2024 09:42:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আক্ষেপ (১৩)<br />
&#8211; আসিফ রহমান </p>
<p>যদিও সব মেনে নিয়েছি<br />
তবু হেরেছি বারেবার,<br />
একবার নয় এ মন<br />
ভেঙেছে শতবার। </p>
<p>আজকের পর তুমি মৃত পাবে আমায়,<br />
চলে যাবে যুগ তবু কাটবে নাকো সময়।<br />
দিচ্ছি কথা তবু আর হারাবো না ওই মায়ায়,<br />
তোমার আক্ষেপ দৃঢ় করতে হয়তো হব উদয়।</p>
<p>তোমায় ভেবে লিখতে কষ্ট পাবার কথা কি?<br />
কিংবা সম্ভাবনা চক্ষুদ্বয়ের অশ্রুবর্ষণ?<br />
নাকি তবে গর্বিত হব তোমার জন্য<br />
আমিই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-210018"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/210018/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7ab2faeb8c3df4e509be1321becb405f</guid>
				<title>রাত্রি বিলাপ (১২)
— আসিফ রহমান 

দিনকে বানাও রাত তুমি
রাতকে বানাও দিন,
কার আশায় এমন কর?
কিসের এত ঋণ?

কখনো ভোরের ভিজে ঘাসে
দেখোই না তুমি হেঁটে, 
সে তুষ্টি শুধু তখন পাবে,
পাবে না কোনো রাতে।

ভোরের ঐ মিষ্টি মিহির বুঝি
পছন্দ নয় তোমার?
রয়ে গেলে এভাবে জীবন, 
শীঘ্রই হবে বিমার... &#x1f494;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/209241/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Feb 2024 16:01:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাত্রি বিলাপ (১২)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>দিনকে বানাও রাত তুমি<br />
রাতকে বানাও দিন,<br />
কার আশায় এমন কর?<br />
কিসের এত ঋণ?</p>
<p>কখনো ভোরের ভিজে ঘাসে<br />
দেখোই না তুমি হেঁটে,<br />
সে তুষ্টি শুধু তখন পাবে,<br />
পাবে না কোনো রাতে।</p>
<p>ভোরের ঐ মিষ্টি মিহির বুঝি<br />
পছন্দ নয় তোমার?<br />
রয়ে গেলে এভাবে জীবন,<br />
শীঘ্রই হবে বিমার&#8230; &#x1f494;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">69376b3766a3cf581573c9c68eff60b8</guid>
				<title>কণ্টকাকীর্ণ ছোঁয়া (১১)
— আসিফ রহমান

তোমার ছোঁয়া আজ কণ্টকাকীর্ণ
ছুঁয়ো না, বসন আমার জীর্ণ,
কাঁটার আঘাত সইতে না পারি
আজ আমি অতিশয় শীর্ণ…

যে হাসিতে মুক্তো ছিল
আজ সেথা বিষের বাঁশি কানে, 
অনুক্ষণ-প্রতিক্ষণ তনু-মন ছিঁড়ে খায়
আজ তা ঘৃণা, যে ভালোবাসা ছিল তব সনে... 

রুপবান মেহমান অতি যতনে
এসেছিলে সংগোপনে দখল নিতে মনে, 
চলে যাও, দূর হও এসো না নয়নে, 
ঘৃণা, ঘৃণা, ঘৃণা.. শুধু তোমার জন্য বাকিটা জীবনে। &#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/209114/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Feb 2024 21:57:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কণ্টকাকীর্ণ ছোঁয়া (১১)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>তোমার ছোঁয়া আজ কণ্টকাকীর্ণ<br />
ছুঁয়ো না, বসন আমার জীর্ণ,<br />
কাঁটার আঘাত সইতে না পারি<br />
আজ আমি অতিশয় শীর্ণ…</p>
<p>যে হাসিতে মুক্তো ছিল<br />
আজ সেথা বিষের বাঁশি কানে,<br />
অনুক্ষণ-প্রতিক্ষণ তনু-মন ছিঁড়ে খায়<br />
আজ তা ঘৃণা, যে ভালোবাসা ছিল তব সনে&#8230; </p>
<p>রুপবান মেহমান অতি যতনে<br />
এসেছিলে সংগোপনে দখল নিতে মনে,<br />
চলে যাও, দূর হও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-209114"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/209114/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">14c5b450f0ec39004edc8cc3bfe05b74</guid>
				<title>লজ্জা ক্ষোভ ঘৃণা (১০)
— আসিফ রহমান 

চোখ ফুলিয়ে কি আর হবে,
যখন জানতাম তুমি যাবেই চলে..
যাবে আমায় একলা ফেলে..
কি লিখছি ভাবি না,
কি ভাবছি জানিনা..
শত যন্ত্রণাতেও এখন আর ভ্রান্ত হই না..
তুমি কি ভেবেছিলে এখনো কাঁদবো?
তোমায় থেকে যাওয়ার জন্য সাধবো?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/209113/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Feb 2024 21:51:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লজ্জা ক্ষোভ ঘৃণা (১০)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>চোখ ফুলিয়ে কি আর হবে,<br />
যখন জানতাম তুমি যাবেই চলে..<br />
যাবে আমায় একলা ফেলে..<br />
কি লিখছি ভাবি না,<br />
কি ভাবছি জানিনা..<br />
শত যন্ত্রণাতেও এখন আর ভ্রান্ত হই না..<br />
তুমি কি ভেবেছিলে এখনো কাঁদবো?<br />
তোমায় থেকে যাওয়ার জন্য সাধবো?</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e779f4f289dc1679896ca20a84c15eac</guid>
				<title>ধৈর্যের নীরবতা (৯)
— আসিফ রহমান 

এ নীরবতা ইচ্ছাকৃত নয়, 
এ নীরবতা আমার ধৈর্যের,
চলতে চলতে বহুদূর গড়িয়েছে,
সীমা ছাড়িয়েছে আমার সহ্যের..

তোমায় নিয়ে লিখতে আমার
নতুন করে বিদ্বেষ লাগে না,
সে যে ক্ষোভ আমার কষ্টের,
পরীক্ষা আমার আত্মসম্মানের.. &#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/209096/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Feb 2024 18:38:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধৈর্যের নীরবতা (৯)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>এ নীরবতা ইচ্ছাকৃত নয়,<br />
এ নীরবতা আমার ধৈর্যের,<br />
চলতে চলতে বহুদূর গড়িয়েছে,<br />
সীমা ছাড়িয়েছে আমার সহ্যের..</p>
<p>তোমায় নিয়ে লিখতে আমার<br />
নতুন করে বিদ্বেষ লাগে না,<br />
সে যে ক্ষোভ আমার কষ্টের,<br />
পরীক্ষা আমার আত্মসম্মানের.. &#x1f5a4;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c90b60e1ab31089ce9571d71c154940</guid>
				<title>Asif Rahman changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/209061/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Feb 2024 20:32:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ce192d01846375ff44f56896c28d27de</guid>
				<title>ঘাতগ্রস্ত (৮)
— আসিফ রহমান 

কলঙ্কিত নই, ঘাতগ্রস্ত আমি.. 
পরিত্যক্ত নই, আত্ম-নিগৃহীত আমি..
আমি তো কেউ নই, নই মনচোর,
কারও চোখের দিগন্ত-রেখায় নই আমি ভোর..

সরিয়ে নিয়েছি নিজেকে দূর-সীমান্তের পার, 
কোন সম্ভাবনা নেই এখানে আমার গড়মিল হবার.. &#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/209060/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Feb 2024 20:26:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঘাতগ্রস্ত (৮)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>কলঙ্কিত নই, ঘাতগ্রস্ত আমি..<br />
পরিত্যক্ত নই, আত্ম-নিগৃহীত আমি..<br />
আমি তো কেউ নই, নই মনচোর,<br />
কারও চোখের দিগন্ত-রেখায় নই আমি ভোর..</p>
<p>সরিয়ে নিয়েছি নিজেকে দূর-সীমান্তের পার,<br />
কোন সম্ভাবনা নেই এখানে আমার গড়মিল হবার.. &#x1f5a4;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d6645f8db661b3f5515a30d49926693</guid>
				<title>ছন্দের নতুন শহর (৭)
— আসিফ রহমান 

এ শহর আমার নয়,
নই আমি এই শহরের..
এসেছিলাম আমি,
এসেছিলাম খোঁজে মোহরের... &#x2728; 

শুধু পেয়েছি নতুন নতুন প্রাণের দেখা,
জীবনকে যেন পুনরায় আঁকতে শেখা... &#x1f4bb;

জীবনে জড়িয়ে গেছে এমন এক খেলা,
এ যেন জীবন নয়, কোনো এক কুম্ভমেলা..  &#x1f573;&#xfe0f;

জানতাম সহজ হবে না নতুনের এই পথচলা,
তবু যে ঘরে ফিরতে হবে ফুরানোর আগে বেলা... &#x1f338;


[আজকে এই কবিতার বয়স ৩৫০দিন হল]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/208583/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Jan 2024 09:44:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছন্দের নতুন শহর (৭)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>এ শহর আমার নয়,<br />
নই আমি এই শহরের..<br />
এসেছিলাম আমি,<br />
এসেছিলাম খোঁজে মোহরের&#8230; &#x2728; </p>
<p>শুধু পেয়েছি নতুন নতুন প্রাণের দেখা,<br />
জীবনকে যেন পুনরায় আঁকতে শেখা&#8230; &#x1f4bb;</p>
<p>জীবনে জড়িয়ে গেছে এমন এক খেলা,<br />
এ যেন জীবন নয়, কোনো এক কুম্ভমেলা..  &#x1f573;&#xfe0f;</p>
<p>জানতাম সহজ হবে না নতুনের এই পথচলা,<br />
তবু যে ঘরে ফিরতে হবে ফুরানোর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-208583"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/208583/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2c2fa9f8028deeb85e02375968372750</guid>
				<title>মন নয় কারো তরে (৬)
— আসিফ রহমান

চাইলেই রুখতে পারতিস
আমার এ ক্ষয়, 
এ বিনিদ্র রাত শেষ হবার নয়..

তবুও করে একটাই ভয়,
মন যেন তোর তরে
আর না রয়..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/197973/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Mar 2023 20:56:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মন নয় কারো তরে (৬)<br />
— আসিফ রহমান</p>
<p>চাইলেই রুখতে পারতিস<br />
আমার এ ক্ষয়,<br />
এ বিনিদ্র রাত শেষ হবার নয়..</p>
<p>তবুও করে একটাই ভয়,<br />
মন যেন তোর তরে<br />
আর না রয়..</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b84efadeff6a1dca2d0e76548c7f3edf</guid>
				<title>লাভ ক্ষতি কথা (৫)
— আসিফ রহমান 

কিছু কথা রয়ে যায়,
আশা থাকে শেষ হবে একদিন
যদি সে চায়..

তবে নাও যদি বা হয়
কিই বা ক্ষতি আমার, 
কিই বা তাঁর!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/197972/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Mar 2023 20:52:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লাভ ক্ষতি কথা (৫)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>কিছু কথা রয়ে যায়,<br />
আশা থাকে শেষ হবে একদিন<br />
যদি সে চায়..</p>
<p>তবে নাও যদি বা হয়<br />
কিই বা ক্ষতি আমার,<br />
কিই বা তাঁর! </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">30b87d9ca48853b855c38fdc685ea017</guid>
				<title>ভাঙা সুখের ঘর (৪)
— আসিফ রহমান 

আকাশ ভরা দুঃখ আমার,
কষ্ট ভরা ঢেউ..
এত কষ্ট আমার বুকে,
দেখে নাতো কেউ..

দুঃখ নিয়ে স্বপ্ন দেখি
কষ্ট নিয়ে আঁকি...
স্বপ্ন আমার ভেঙে যায়,
তোমায় চেয়ে থাকি...

ভালোবাসা এমনই হয়,
কেউ জিতে কেউ হারে! 
আমি না হয় হারলাম,
তোমার সুখের তরে..

হয়ত তোমায় হারিয়ে,
কষ্ট পাবো বেশি..
তবুও দেখতে পাবো,
তোমার মুখের মিষ্টি হাসি...

কষ্ট আমার নিত্য সঙ্গী,
বুকে চেপে রাখি...
অসহায় মন নিয়ে,
সবার সাথে হাসি...

সুখ আমার পথের কাঁটা,
থাকে সে দূরে..
তাইতো আমি একা একা,
থাকি আপন সুরে..

কষ্টগুলো আপন মনে,
একলা গেঁথে রাখি..
হাজারও দুঃখের বেদনা,
মনে ধরে থাকি..

আপন যে জন ছিল,
হয়েছে সে পর..
হারিয়ে গেছে সুখের তরী, 
ভেঙেছে সুখের ঘর..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195795/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Mar 2023 16:36:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভাঙা সুখের ঘর (৪)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>আকাশ ভরা দুঃখ আমার,<br />
কষ্ট ভরা ঢেউ..<br />
এত কষ্ট আমার বুকে,<br />
দেখে নাতো কেউ..</p>
<p>দুঃখ নিয়ে স্বপ্ন দেখি<br />
কষ্ট নিয়ে আঁকি&#8230;<br />
স্বপ্ন আমার ভেঙে যায়,<br />
তোমায় চেয়ে থাকি&#8230;</p>
<p>ভালোবাসা এমনই হয়,<br />
কেউ জিতে কেউ হারে!<br />
আমি না হয় হারলাম,<br />
তোমার সুখের তরে..</p>
<p>হয়ত তোমায় হারিয়ে,<br />
কষ্ট পাবো বেশি..<br />
তবুও দেখতে পাবো,<br />
তোমার মুখের মিষ্ট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195795"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195795/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">69e47d8bcc5487190fad8349d346ff24</guid>
				<title>মাধুরীর ভালবাসা (৩)
— আসিফ রহমান 

তোমায় দেখব আজীবন এভাবেই তাতে যাই যদি যাক না চোখের জ্যোতি,
প্রতি মুহূর্তে প্রযোজন বোধ করি আমি তোমার উপস্থিতি..

তুমি হাত ধরলে যেন বাড়ে হৃদস্পন্দন গতি,
ভুলে যাই এ দুনিয়ার সব লাভ ক্ষতি..

ভালো লাগে না আমার এ দুরত্ব আর,
পেয়েও কেন হারাই তোমায় বারবার! &#x1f642;

আমার এ নয়ন তোমার সবই সুন্দর দেখে,
অতঃপর তা মনের গভীরে মাধুরী দিয়ে আঁকে..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195681/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Mar 2023 16:35:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাধুরীর ভালবাসা (৩)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>তোমায় দেখব আজীবন এভাবেই তাতে যাই যদি যাক না চোখের জ্যোতি,<br />
প্রতি মুহূর্তে প্রযোজন বোধ করি আমি তোমার উপস্থিতি..</p>
<p>তুমি হাত ধরলে যেন বাড়ে হৃদস্পন্দন গতি,<br />
ভুলে যাই এ দুনিয়ার সব লাভ ক্ষতি..</p>
<p>ভালো লাগে না আমার এ দুরত্ব আর,<br />
পেয়েও কেন হারাই তোমায় বারবার! &#x1f642;</p>
<p>আমার এ নয়ন তোমার সবই সুন্দর দেখে,<br />
অতঃপর তা মনের গভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195681"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195681/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">da18af12c6fcb2cbdca5743f0332e6db</guid>
				<title>গোপনে আসা প্রেমের শর্ত (২)
— আসিফ রহমান 

হঠাৎ তুই আসলি এ জীবনে,
সবাইকে আড়াল করে গোপনে..
ভাবিনি আসতে থাকবি,
রোজ এভাবে স্বপনে..

দূরে পালিয়ে বেড়াতে বেড়াতে,
বাঁধা পড়লাম ঠিকই প্রেমে..
তোকে ভেবে কি আর লিখব,
যাচ্ছি বারে বার থেমে.. 

ভালো লাগে তোর সাথে কাটানো,
এক একটি মুহূর্ত...
কথা দে যাবি না ছেড়ে,
রাখবি কি এ শর্ত!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195573/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Mar 2023 17:47:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গোপনে আসা প্রেমের শর্ত (২)<br />
— আসিফ রহমান </p>
<p>হঠাৎ তুই আসলি এ জীবনে,<br />
সবাইকে আড়াল করে গোপনে..<br />
ভাবিনি আসতে থাকবি,<br />
রোজ এভাবে স্বপনে..</p>
<p>দূরে পালিয়ে বেড়াতে বেড়াতে,<br />
বাঁধা পড়লাম ঠিকই প্রেমে..<br />
তোকে ভেবে কি আর লিখব,<br />
যাচ্ছি বারে বার থেমে.. </p>
<p>ভালো লাগে তোর সাথে কাটানো,<br />
এক একটি মুহূর্ত&#8230;<br />
কথা দে যাবি না ছেড়ে,<br />
রাখবি কি এ শর্ত!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>