<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Fatema Urme | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/fatema-urme/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/fatema-urme/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Fatema Urme.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 08 Jun 2026 11:26:32 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">e5dca9a4b02d776511ca1e6a44ccbe9b</guid>
				<title>“এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি ”
পর্ব - ৪ 
এই এলাকায় এসেই যে হোস্টেলটা তে উঠেছি , সেটা এখন ছেড়ে দিতে হবে।  হোস্টেল এর ফ্লাটটা অনেক বড় আর পরিষ্কার ছিল।  কোনো সমস্যাই হচ্ছিলোনা। কিন্তু, বাড়ির মালিক এই বিল্ডিং এ আর হোস্টেল ভাড়া দিতে চাচ্ছেন না।  হোস্টেল পরিচালক আন্টি আমাদের সবাইকে ডেকে সমস্যা খুলে বললেন।  রোজা শুরু হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি।  এর মধ্যে এই বিপদ।  এখন আমি কই যাই।  আমার তো আর পরিচিত কেউ নেই এখানে।  ফারহানা আপু ও তো ফার্মগেটে হোস্টেলে চলে যাচ্ছেন। সেখানে তার ক্লাসমেটদের সাথে থাকবেন।  আন্টি বলেছিলেন অবশ্য যে, তার আরেকটা হোস্টেল আছে যারা থাকতে চায় সেখানে উঠতে পারে।  আমার ততদিনে কোনো চাকরি বাকরি হয়নি। কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না।  আমার এক স্কুল বন্ধুকে সব খুলে বললাম।  সে তার আর্ট স্কুল এ জয়েন করতে বললো। উত্তরা তে আমার জন্য সাবলেট বাসা ও ভাড়া করে দিলো।  আমি ওখানে চলে গেলাম।  এক সপ্তাহ ওখানে কাটানোর পর আমি আর থাকতে পারছিলাম না।  কিছুতেই শান্তি পাচ্ছিলাম না।  বাসা ছিল ৫ তলায় একেবারে রোদ টা  সরাসরি এসে পড়তো ফ্ল্যাটে।  সারাদিন তো গরম থাকতোই রাতেও ঠান্ডা হতোনা।  এইদিকে আবার, আমাকে ভাড়া দেয়া রুমে তাদের গেস্ট থাকতে দিয়েছে।  তাই  যতদিন গেস্ট থাকবে, ততদিন  আমাকে ওই বাসার মহিলার সাথে তার বিছানায় থাকতে হবে।  অনেক কষ্টে মাত্র ৩ দিন ছিলাম।  তার পর বলতে গেলে অনেকটা পালিয়েই চলে এসেছি।  আন্টি তার আরেকটা হোস্টেল এর কথা বলেছিলো। সেখানে, আমার আগের রুম- মেটদের সাথে উঠে পড়লাম। 
আর চাকরি খুঁজতে লাগলাম।  এর মধ্যেই ফারহানা আপু আমাকে একটা চাকরির খবর পেপার দিয়ে একটা কোম্পানি নাম মেনশন করে বললেন ওখানে সিভি দিতে।  আমিও গিয়ে দিয়ে আসলাম।  (এই অফিস খুঁজে পাওয়ার আরেক মজার ঘটনা -সেটা আরেকদিন বলবো )
অপেক্ষা করতে লাগলাম কবে কোথায় চাকরির ইন্টারভিউ ডাক আসে।  এর মধ্যে একটা ইন্টারভিউ ডাক আসলো। অফিস গুলশান।  আমার বড় ভাইকে নিয়ে ইন্টারভিউ দিতে গেলাম। ভালোই হলো কিন্তু তাদের কন্ডিশন আমার কাছে ভালো লাগেনি।  তাই না করে দিয়ে চলে এসেছি। এর মধ্যে ফারহানা আপুর দেয়া অফিস থেকে মেসেজ আসলো যাওয়ার জন্য।  ওখানে ইন্টারভিউ এর পরদিন -ই ট্রেনিং শুরু হলো।  আলহামদুলিল্লাহ।  এই কোম্পানীটাতে আমি গত ৫ বছর টানা চাকরি করলাম। ১ম বছর পার করেই , সেক্টর চেঞ্জ হয়ে প্রমোশন হয়ে গেলো।  আমি এখনো এই কোম্পানিটা কে ভালোবাসি।  এমনকি, এখনো আমি ওদের একটা সেক্টর এর প্রজেক্ট এর সাথে জড়িত আছি।  একজন  অনলাইন ফ্রীলান্সার অপারেটর হিসেবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195754/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Mar 2023 10:10:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি ”<br />
পর্ব &#8211; ৪<br />
এই এলাকায় এসেই যে হোস্টেলটা তে উঠেছি , সেটা এখন ছেড়ে দিতে হবে।  হোস্টেল এর ফ্লাটটা অনেক বড় আর পরিষ্কার ছিল।  কোনো সমস্যাই হচ্ছিলোনা। কিন্তু, বাড়ির মালিক এই বিল্ডিং এ আর হোস্টেল ভাড়া দিতে চাচ্ছেন না।  হোস্টেল পরিচালক আন্টি আমাদের সবাইকে ডেকে সমস্যা খুলে বললেন।  রোজা শুরু হতে আর মাত্র এক সপ্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195754"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195754/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb9107ecd954dbbc9efbe839761ff585</guid>
				<title>“এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি ” 
পর্ব - ৩
একা একটা মেয়ে হোটেলে বসে চা পান অথবা খাবার খাওয়া খুব সহজ বিষয় ছিলনা। এলাকার ভিতর ছোট ছোট হোটেল গুলোতে নানান কিসিমের লোকজন বসা থাকে। আমাকে সবাই দেখছিল। কেউ আড়চোখে আবার কেউ সরাসরি। আমার বেশ অস্বস্তি হচ্ছিল। কিন্তু কিছু করার নাই। আমি চাইছিলাম, কখনো প্রয়োজন হলে একটা মেয়েও যেন হোটেলে খেতে ঢুকলে তাকে অস্বস্তিতে পরতে না হয়। সাধারন মানুষ ও যেন মেয়েটার প্রয়োজন টা কে উপলব্ধি করতে পারে। তাই আমি পরপর কয়েকদিন একটানা বিভিন্ন সময়ে হোটেলে যেতে লাগলাম। কিছুদিন পর উপলব্ধি করলাম, এখন আর কেউ সেভাবে তাকাচ্ছেনা। যাক, বিষয়টা তাহলে সহজ হয়ে গিয়েছে। 
দেখতে দেখতে, এই এলাকায় এসেছি, আজ প্রায় ৫ বছর হয়ে আসলো। এলাকায় ছোট একটা পরিচিতিও হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। নানান ঘটনা নিয়ে আসব ইন শা আল্লাহ সামনে আরও ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194758/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Feb 2023 04:59:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি ”<br />
পর্ব &#8211; ৩<br />
একা একটা মেয়ে হোটেলে বসে চা পান অথবা খাবার খাওয়া খুব সহজ বিষয় ছিলনা। এলাকার ভিতর ছোট ছোট হোটেল গুলোতে নানান কিসিমের লোকজন বসা থাকে। আমাকে সবাই দেখছিল। কেউ আড়চোখে আবার কেউ সরাসরি। আমার বেশ অস্বস্তি হচ্ছিল। কিন্তু কিছু করার নাই। আমি চাইছিলাম, কখনো প্রয়োজন হলে একটা মেয়েও যেন হোটেলে খেতে ঢুকলে তাকে অস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194758"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194758/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc9cd804c68778df13ffd377ce25b458</guid>
				<title>&quot; ভালবাসায় কেউ পুড়ে ছাই হয়, কেউ হয় অঙ্গার!
   তবুও জীবনে ভালবাসার দরকার।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194744/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Feb 2023 04:17:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8221; ভালবাসায় কেউ পুড়ে ছাই হয়, কেউ হয় অঙ্গার!<br />
   তবুও জীবনে ভালবাসার দরকার।&#8221;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c0577e5f7de3b7c00b0abbb51d0746b6</guid>
				<title>রিয়্যাল লাইফ অভিজ্ঞতা - (০৩) 
ভূতুরে বাসা-

সরকারি কলোনি তে থাকি। একটা পরিবারের সাথে সাবলেট থাকছি । বাসা টায় উঠার পর থেকেই আমার সাথে খুব অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটতে শুরু করল। এই ধরনের ঘটনা তে,আমি তেমন গুরুত্ব দিইনা সাধারণত। 
কিন্তু, গত ২ দিন আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমাকে ভাবতে বাধ্য করল। ঘটনাটা আমাকে এক এক করে বিগত দিনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো মনে করিয়ে দিল ।
প্রথম যেদিন আমি এই বাসাটায় উঠি , সেদিন- ই রাতে, আমার জুতা জোড়ার একটি হারিয়ে গেলো ।  মাত্রই দুপরে, আমি এই বাসায় এসে উঠলাম । আর এখন সন্ধ্যায় আমার জুতা খুঁজে পাচ্ছিনা । ঘরের সবকিছু গুছিয়ে, ভাবলাম জুতাটা বাইরে আছে , ঘরে নিয়ে আসি । দরজা খুলে যেই বাইরে গেলাম আর জুতার দিকে তাকালাম হাতে নিবো - ওমা ! আমার আরেকটা জুতা গেলো কই ? পুরো বারান্দা চোখ দিয়ে চষে ফেললাম । কী আশ্চৰ্য , জুতা একটা আছে আরেকটা নাই । আমার তো , পুরাই মাথা নষ্ট অবস্থা । সিঁড়ী দিয়ে নীচে নেমে একদম গেইট এর বাইরে পর্যন্ত একটা চক্কর দিয়ে আসলাম । কিন্তু নাহ, কোথাও নেই । ভাবলাম , হয়ত বাচ্চারা কেউ দুষ্টামি করে জুতা সিঁড়ীর গ্রিল দিয়ে সানসেটে ফেলে দিয়েছে । আমি তাই বাইরের সানসেটে খোঁজার চেষ্টা করলাম । নাহ - পেলামনা । এইবার বাধ্য হয়ে বাড়িওয়ালী কে ডেকে বলতে হল । আপু বলল, অনেক সময় কুকুর এসে কিছু না পেলে , জুতা নিয়ে যায় । নিচে গিয়ে দেখো আর নয়তো , পিছনের বাগানে পুলাপান মনে হয় ফেলে দিয়েছে । আমি তার কথা শুনে , নিচে নেমে গেলাম । নিচে নেমে অনেক খুঁজলাম কিন্তু পেলামনা । একটা কুকুর ও নেই আশে পাশে । তারপর গেলাম , পিছনের বাগানে । সেখানেও অ....নেক খুঁজলাম কিন্তু পেলামনা । ছাদে গিয়ে খুঁজে আসলাম তাও পেলামনা । নেই তো নেই - ই । আর খুঁজেই পেলামনা । আমি মাত্রই কিছুদিন আগে জুতা জোড়া টা কিনেছি । তখন ভাগ্যিস কোরোনার জন্য লোকডাউন চলছিল বলে অফিস যাওয়ার ঝামেলা ছিলোনা। 
এইটা তো গেলো প্রথম ঘটনা। 
তার কিছুদিন পর, আমার মাত্র দেড় বছর হওয়া নতুন তোষোকটা তে হটাৎ করে ছারপোকা ধরে ফেললো। আর কোনকিছুতে না।  স্রেফ তোষোকটা তে। টানা এক সপ্তাহ রোদে দিয়ে।  ওষুধ দিয়ে। ২ মাস ধরে চেষ্টার পর ও আমি ছারপোকা তাড়াতে পারলামনা। শেষ পর্যন্ত আর টিকতে না পেরে তোষোকটা বাতিল করে দিতে হলো।  এরমধ্যে, ঘর মুছতে গিয়ে দরজার চৌকাঠে পা পিছলে আমার পায়ের আঙুলের হাড় টা মচকে গেলো। আজ প্রায় আড়াই বছর হতে চললো , এখনো এই ব্যথাটা ভোগায়। 
তারপরের ১ মাসের মধ্যে , আমার এত শখ করে মালয়েশিয়া থেকে কিনে আনা, আইফোনটা এক্সিডেন্ট করে ভেঙে গেলো। 
আমি সবসময় অল্প করে বাজার করি , যেন নষ্ট না হয়।  অপচয় আমার খুবই অপছন্দ। কিন্তু সেই অল্প জিনিস ও আমার খুব দ্রুত নষ্ট হতে লাগলো।  অথচ গত ২/২.৫ বছরে আমার এমন হতোনা যতটা এখন হচ্ছে।  খরচ যেন হটাৎ করে এমন বেড়ে গেলো- আমি কুল খুঁজে পাইনা কোথায়,  কিভাবে খরচ হয়ে যাচ্ছে।  অথচ আমি একা মানুষ।  আমার এত খরচ হয়না।  যেকোনো জিনিস-ই কিনিনা কেন , সেটা খুব দ্রুত নষ্ট হচ্ছিলো।    
প্রতি মাসেই আমি কোনো না কোনো বিপদে পড়ছিলাম। 
এই তো গত মাসে, ওয়াশরুমের পানির কল টা ভেঙে গেলো। তাও আবার যেন-তেনো ভাঙা নয় , একদম ভেঙে গেলো।  আর পানি যেন স্রোতের গতিতে গড়িয়ে পড়ছিলো। কিছুতেই বন্ধ হচ্ছিলো না। তার উপর, বাসায় কেউ নেই। ছাদে গিয়ে যে ট্যাংকির চাবি বন্ধ করে এসব সেটাও পারছিনা।  ছাদে লাগানো হয়েছে সরকারি তালা। চাবি নাই আমার কাছে তখন। বাড়িয়ালীকে ফোন কল করলে আজ পর্যন্ত কোনো দিন তাকে পাওয়া যায়নি। তারপর ও যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে, শেষ পর্যন্ত গেটের দারোয়ানকে বলে -কয়ে মিস্ত্রি ডাকা হলো। আমার বাড়তি টাকা , সময় , নামাজ সবকিছু সেদিন নষ্ট হলো।  
আর সাম্প্রতিক ঘটনা হলো এই সেদিন। ছাদে গাছে পানি দেয়া হয় সপ্তাহে ২/৩ দিন।  কোনোদিন সকালে যাই , আবার কোনোদিন সন্ধ্যায়।  সাধারণত দিনের অন্য সময়ে আমি ছাদে যাইনা।  কিন্তু , সেদিন শুক্রবার। মাথায় কি ভুত চেপেছিল জানিনা। দুপুর বেলা রেডি হয়েছি ছাদে যাওয়ার জন্য। এমনিতে বাইরে গেলে সবসময় আগে মেইন দরজার চাবি আমি হাতে নেই।  কিন্তু সেদিন আমি ছাদের চাবি নিয়েছি ঠিকই অথচ , ঘরের দরজার চাবি নেইনি।  এতটাই আনমনা ছিলাম যে , হাতে ছাদের চাবি নিয়েছি , বালতি নিয়েছি , তাড়াতাড়ি করে দরজার লকে চাপ দিয়ে দরজা বন্ধ ও করে ফেলেছি। 
ছাদের দরজার কাছে গিয়ে মনে হলো - নাহ ! অনেক লোকজন দেখা যাচ্ছে ছাদে।  এখন তাহলে যাবোনা। সন্ধ্যার পরেই আসবো নাহয়। নিচে নেমে আসলাম। এসে যখন দরজার লকে হাত দিলাম অমনি আমার কলিজায় চাপ লাগলো। মুহূর্তের জন্য, হার্টবিট বন্ধ হয়ে গেলো। যা ভয় পেয়েছি তাই হলো। এখন পাশের বাসার লোকজন ও নেই।  অনেক সময় ওদের কাছে এক্সট্রা চাবি রাখা হয়। সেটা তো পেতে হলে, রাত ১০ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এই শীতের মধ্যে এইভাবে তো দরজার বাইরে অপেক্ষা করাও সম্ভব না। এখন উপায়? কাউকে যে ফোন করবো, সেটাও তো সম্ভব হচ্ছেনা। আমার ফোন ও তো ঘরের ভিতরে। শেষ পর্যন্ত, আবারো যেতে হলো গেইটের দারোয়ানের কাছে। গিয়ে বলে আসা হলো লোক নিয়ে আসতে। মিস্ত্রি এসে দরজা খুলে দিলো।  তারপর আমি ঘরে ঢুকলাম। অপেক্ষার সময়গুলো তে আমার কান্না আসছিলোনা। আমি অবাক হয়ে ভাবতে লাগলাম ! আমার কান্না পাচ্ছেনা কেন ? আমার ভাবনায় শুধু, যে দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে আমার সাথে সেসব একের পর এক চোখের সামনে দিয়ে ভেসে যাচ্ছিলো। প্রতিটি দুর্ঘটনা ঘটেছে যখন বাসায় আমি একা থাকি তখন। দুর্ঘটনাগুলো ও ছোটোখাটো নয়। বেশ বড়সড়। 
এই রকম কি শুধু আমার সাথেই হচ্ছে ? নাকি আমার আগে যারা ছিল তাদের সাথেও হয়েছে ? আমার জানা নেই। জানার উপায়ও নেই। এইরকম আরো কিছু ঘটনা আছে। সব বলতে গেলে আরো বড়ো হয়ে যাবে লিখা। 
বাসা টা রীতিমতো আমার কাছে এখন ভুতুড়ে লাগছে। 

 #সবাইকে ধন্যবাদ ধৈর্য্য ধরে আমার লেখা পড়ার জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188450/</link>
				<pubDate>Sun, 08 Jan 2023 09:45:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রিয়্যাল লাইফ অভিজ্ঞতা &#8211; (০৩)<br />
ভূতুরে বাসা-</p>
<p>সরকারি কলোনি তে থাকি। একটা পরিবারের সাথে সাবলেট থাকছি । বাসা টায় উঠার পর থেকেই আমার সাথে খুব অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটতে শুরু করল। এই ধরনের ঘটনা তে,আমি তেমন গুরুত্ব দিইনা সাধারণত।<br />
কিন্তু, গত ২ দিন আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমাকে ভাবতে বাধ্য করল। ঘটনাটা আমাকে এক এক করে বিগত দিনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো মনে কর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-188450"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/188450/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">09cc1e8da7fbda29ea03593353b0abc1</guid>
				<title>তুলট -এর সবাইকে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা। 
A very Happy New Year of 2023 to all.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187807/</link>
				<pubDate>Wed, 04 Jan 2023 16:20:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুলট -এর সবাইকে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা।<br />
A very Happy New Year of 2023 to all.</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2cc185d9a1faa6d69055221b3d28ffa5</guid>
				<title>Fatema Urme changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187806/</link>
				<pubDate>Wed, 04 Jan 2023 16:18:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bc4b15678e324f1239b41cfc35dc750c</guid>
				<title>রিয়াল লাইফ অভিজ্ঞতা -০২
(৪/১১/২০২২)

গত ৩১শে অক্টোবর ছিল আমার প্রায় সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে করে আসা চাকরির শেষ দিন। 
অনেক কষ্ট মনে নিয়ে চাকরিটা আমি ছেড়ে দিয়েছিলাম।  তারপর ও মনে হয়নি যে , আমাকে যে যেভাবে কষ্ট দিয়েছে আমিও তাদের প্রত্যেক কে সেভাবে অপমান করে আসি।  শুধু সবার কাছে দুআ চেয়েছি আর নিজেকে শান্ত রেখেছি।  আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছিলাম। 
অবশেষে , আল্লাহর পক্ষ থেকে এলো সেই কাঙ্খিত সাফল্য।  আসলেই , আমরা যদি আল্লাহর উপর , নিজের উপর আস্থা - বিশ্বাস রাখি , অন্যের ক্ষতি না করি তাহলে আমাদের ভাগ্য কখনোই আমাদের কে ঠকায়না। প্রকৃতিও প্রত্যেকের কর্মের ফল তাকে দিয়ে দেয়। সেটা আজ হোক আর কাল।  
তো ঘটনা টা বলি , ১লা নভেম্বর একটা নতুন কোম্পানিতে ইন্টারভিউ এর জন্য গেলাম। সেখানে কথা বার্তা শেষে তারা যা অফার করলো আমাকে, সেটা আমার জন্য এই দুঃসময়ে স্বর্ণের খনির মতো মনে হলো।  যদিও কাজ মাত্র ২ মাসের কন্ট্রাক্ট -এর।  চা - কফি , নাস্তা , ফল , দুপুরের খাবার আর ডিউটি টাইম সপ্তাহে ৬ দিন / ৮ ঘন্টা। কর্পোরেট চাকরি জীবনে ৩.৬ মাস চাকরি করেও এত্তোসব সুযোগ সুবিধা পাইনি। 
এটা যেন আমার কাছে অলস বসে থাকার চেয়ে ভালো উপায় লাগলো, তাই রাজি হয়ে গেলাম। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো , আমি ঘুনাক্ষরেও ভাবিনি যে , ৩১ তারিখে আগের চাকরি শেষ হয়েই আমি ১ তারিখেই কোথাও জয়েন করতে পারবো।  এতটাই অলৌকিক লাগছিলো আমার কাছে। 
আমাকে পূর্বের চাকরি থেকে যারা চাপ দিয়ে রিজাইন দিতে বাধ্য করেছিল তাদের একটু খোঁজ খবর নেয়ার জন্য চেষ্টা করে জানতে পারলাম কিছু অবাক করা ঘটনা।  তারা এখন কেউ ভালো নাই।  এবং এই বিষয় টা আমি আমার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখে আসছি যে, যারাই আমাকে অপদস্ত করেছে তারা প্রত্যেকেই প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী শাস্তি ও পেয়েছে।  হতে পারে সেটা তাদেরই কর্মের ফল।  কিন্তু আমি কখনো কারো খারাপ হোক সেই দুআ করিনি।  
আমার আজকে অনেক ভালো লাগছে নিজেকে একটা সম্মানিত অবস্থায় দেখতে পেয়ে। আমি মনে মনে চেয়েছিলাম , যারা আমাকে অবহেলা - অপদস্ত করেছে তারা যেন দেখে আমি, তাদের চেয়ে আল্লাহর রহমতে ভালো অবস্থা ই পেয়েছি। 
সবশেষে , আমার পাঠক ও লেখক মঞ্চের বন্ধুদের কাছে দুআ চাই আমার চাকরি জীবনের সফলতার জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/171580/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Nov 2022 15:26:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রিয়াল লাইফ অভিজ্ঞতা -০২<br />
(৪/১১/২০২২)</p>
<p>গত ৩১শে অক্টোবর ছিল আমার প্রায় সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে করে আসা চাকরির শেষ দিন।<br />
অনেক কষ্ট মনে নিয়ে চাকরিটা আমি ছেড়ে দিয়েছিলাম।  তারপর ও মনে হয়নি যে , আমাকে যে যেভাবে কষ্ট দিয়েছে আমিও তাদের প্রত্যেক কে সেভাবে অপমান করে আসি।  শুধু সবার কাছে দুআ চেয়েছি আর নিজেকে শান্ত রেখেছি।  আল্লাহর কাছে সাহায্য প্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-171580"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/171580/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62876eabf3c5a1930db9ecaa80b9e1d9</guid>
				<title>রিয়াল লাইফ অভিজ্ঞতা -০১ 
(২২/১০/২০২২)
গতকাল একটা ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলাম। পার্টিসিপিয়েন্ট অনেক ছিল। সম্ভবত, শুক্রবার হওয়াতে তারা সবাই-ই ইন্টারভিউ দিতে চলে এসেছে। সেখানকার পরিবেশ, ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং আরো অনেক বিষয় নিয়ে ক্যান্ডিডেটসরা নিজেরাই অনেক রকম আলোচলা -সমালোচনা, মন্তব্য, এবং সল্যুশন ও দিয়ে দিচ্ছিলো। আমি শুধু সবার কথা শুনছিলাম। কিছুই বলছিলাম না।  সেসব থাকুক , আমি আসলে আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা টা বলতে চাচ্ছি। ইন্টারভিউ -টা আমার জন্য অনেক চমকপ্রদ ছিল!
আমি কখনোই আমার বাবার রেফারেন্স ব্যবহার করিনা, চাকরি প্রাপ্তির জন্য। তো, আমার যখন ভিতরে ডাক আসলো। তখন সময় এত অতিবাহিত হয়ে গিয়েছিলো যে, ইন্টারভিউ বোর্ডে যারা ছিলেন, তারা আর প্রশ্ন করে বেশি সময় নষ্ট করতে চাচ্ছিলেন নাহ। বসার সাথে সাথেই প্রশ্ন করলেন কিছু এবং সেটা খুব ঝটপট প্রশ্ন -উত্তর পর্বের মতোই লাগছিলো। কয়েকটা প্রশ্নের পর যখন জিজ্ঞেস করলেন, আমার বাবার নাম কি? আমি উত্তর দিলাম। প্রশ্ন করলেন, তিনি কি করেন? আমি উত্তর দিলাম, তিনি এখন রিটায়ার্ড পার্সন। জিজ্ঞেস করলেন, কি করতেন? আমি উত্তর দিলাম, অমুক ব্যাংক - এর ডিজিএম ছিলেন। বললেন , আপনার মোবাইল এ কি তার ছবি আছে? দেখাতে  পারবেন? আমি বললাম হ্যা আছে। বলে, মোবাইল বের করে ছবি দেখলাম।  ছবি দেখে, উনি বললেন, উনাকে তো আমি চিনি! আমি সেখানে কাজ করেছি। তিনি এই বিল্ডিং এর এই পাশে নিচ তলায় বসতেন। আমি তো শুনে অবাক হবার পালা। জীবনের এই প্রথম কোনো ইন্টারভিউ তে , আমার বাবা কে চিনে ফেলেছে এমন একজন কে পেলাম! এটা ছিল আমার ইন্টারভিউ লাইফ এ সবচেয়ে অবাক করা অভিজ্ঞতা। 

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমি আজ বহুদিন পর আমার তুলট একাউন্ট টিতে লগইন করতে পেরেছি। আস্তে আস্তে আরো লিখা আসবে, ইনশাল্লাহ। সবাই সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165614/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Oct 2022 06:16:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রিয়াল লাইফ অভিজ্ঞতা -০১<br />
(২২/১০/২০২২)<br />
গতকাল একটা ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলাম। পার্টিসিপিয়েন্ট অনেক ছিল। সম্ভবত, শুক্রবার হওয়াতে তারা সবাই-ই ইন্টারভিউ দিতে চলে এসেছে। সেখানকার পরিবেশ, ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং আরো অনেক বিষয় নিয়ে ক্যান্ডিডেটসরা নিজেরাই অনেক রকম আলোচলা -সমালোচনা, মন্তব্য, এবং সল্যুশন ও দিয়ে দিচ্ছিলো। আমি শুধু সবার কথা শুনছিলাম। ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-165614"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/165614/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a418caaef1fc3a01e724b151ae6a2ea2</guid>
				<title>আমি দুঃখিত যে, আমার “এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি ” আর্টিকেল-এর পরবর্তী লেখা বেশ সময় লেগে যাচ্ছে দিতে।  আমি আসলে একটু , না ! আসলে, মানসিক ভাবে বেশ একটু চাপে ছিলাম। পরের লিখাগুলো দিতে আরো একটু সময় নিবো।  ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে। যারা অপেক্ষা করছেন আমার লিখার জন্য।  আসলে লিখাটা -জীবনঘনিষ্ঠ হবার কারণে সময় নিবে লিখাটা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/74452/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Dec 2021 10:30:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি দুঃখিত যে, আমার “এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি ” আর্টিকেল-এর পরবর্তী লেখা বেশ সময় লেগে যাচ্ছে দিতে।  আমি আসলে একটু , না ! আসলে, মানসিক ভাবে বেশ একটু চাপে ছিলাম। পরের লিখাগুলো দিতে আরো একটু সময় নিবো।  ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে। যারা অপেক্ষা করছেন আমার লিখার জন্য।  আসলে লিখাটা -জীবনঘনিষ্ঠ হবার কারণে সময় নিবে লিখাটা। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">864c52dd013b1dfdf547b6d0865b2b58</guid>
				<title>“এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি ”
২. প্রথম দিন মহাখালী থেকে আগারগাঁও যেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।  ফোনকলে ফারহানা আপু কে অনেকবার বিরক্ত করে কিভাবে যেতে হবে, কোন গাড়িতে উঠতে হবে -সব হদিশ নিতে হয়েছে।  ওহ , ফারহানা আপুর কথা তো বলা হয়নি।  উনি হচ্ছেন আমার প্রথম পরিচিতি এই ঢাকা শহরে। উনার মাধ্যমেই একটা মেয়েদের হোস্টেলে থাকা আর খাবার ব্যবস্থা হয়েছে।  শহরে একা, একটা মেয়ে কখনো একটা ফ্লাট বা বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে পারেনা।  নানান সমস্যা।  তাদের জন্য তাই এই হোস্টেল গুলো নিরাপদ।  আর আমি যেহেতু একদম ই নতুন।  আমার জন্য হোস্টেল-ই ফরজ! বেশ ভয় লাগছিলো, যদিও শুধু মেয়েরা ই এখানে থাকে।  তারপর ও -আমার জন্য তো একদম ই নতুন পরিবেশ।  অন্যদিকে আমি আবার আমার , এই একাকিত্ব, নতুন পরিবেশ , নতুন মানুষ , নতুন এলাকা সব কিছু উপভোগ করছিলাম।  মনে মনে ছক আঁকছিলাম , কিভাবে কথা থেকে শুরু করবো। কার কার সাথে আমাকে যোগাযোগ করতে হবে। ডাইরিতে যত পরিচিত মোবাইল নাম্বার আছে সেগুলো বের করলাম।  আমি খুব ভালো করে জানি যে , আজকাল কাউকে বললেই ছু -মন্তর দিয়ে চাকরি হয়ে যাবেনা। তাই ভয় হচ্ছিলো।  কি কি ধরণের পরিস্থিতির শিকার হতে হয় কে জানে !! রাতে কান্না আসছিলো , ভয়ে -শঙ্কায় , খুব একা একা ও লাগছিলো।  অন্য মেয়েদের দেখছি। ওরা কত সুন্দর করে গল্প করছে, বাইরে যাচ্ছে।  ব্যাপারটা যেন এরকম -আমরা সবাই এখানে একই পথের পথিক।  সবাই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে এসেছি।  সতরাং ভয় পেয়ে চলবেনা। 
সাহস করে সন্ধ্যায় বের হয়েছি।  উদ্দেশ্য , একটু এলাকা টা  ঘুরে ঘুরে দেখা।  সেই সাথে কোনো কম্পিউটার এর সাইবার ক্যাফে আছে কিনা খুঁজে নেয়া। আর এমন একটা টি ষ্টল খুঁজে বের করা , যেখান থেকে আমি চা এনে খেতে পারবো।  হোস্টেলে আবার চা বানিয়ে খাবার সুযোগ নেই। তাই বাইরে বসেই পান করতে হবে অথবা মগ ভর্তি করে নিয়ে এসে খেতে হবে।  আমার আবার চা না হলে চলেনা! এবারের চা খাবার বিষয়টা আমার জন্য একটা এক্সপেরিমেন্ট বলা চলে।  আমি কখনোই বাইরে কোনো রেস্টুরেন্ট বা ছোট হোটেলগুলোতে বসে চা খাইনি। একা -দোকা কোনোভাবেইনা।  ভাবলাম , এইবার তাহলে নিজের সাহসের একটা পরীক্ষা হয়ে যাক। শুরু হলো আমার প্রথম এক্সপেরিমেন্ট। একা , হোটেলে বসে চা খাওয়ার এক্সপেরিমেন্ট। (চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33018/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 09:15:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি ”<br />
২. প্রথম দিন মহাখালী থেকে আগারগাঁও যেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।  ফোনকলে ফারহানা আপু কে অনেকবার বিরক্ত করে কিভাবে যেতে হবে, কোন গাড়িতে উঠতে হবে -সব হদিশ নিতে হয়েছে।  ওহ , ফারহানা আপুর কথা তো বলা হয়নি।  উনি হচ্ছেন আমার প্রথম পরিচিতি এই ঢাকা শহরে। উনার মাধ্যমেই একটা মেয়েদের হোস্টেলে থাকা আর খাবার ব্যবস্থা হয়েছে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-33018"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/33018/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b3aedadba3a4e96c6899a8a7fe84d86</guid>
				<title>&quot;এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি &quot;
১. ঢাকা শহর।  হ্যা , এক অজানা আকর্ষণের নাম ঢাকা শহর। এই শহরের দিনের ব্যস্ত পথ প্রতিনিয়ত যোদ্ধ করতে শিখায়।  রাতের নিয়ন আলো রোমাঞ্চের ইশারা করে। কত রূপান্তরের স্বাক্ষী এই জাতীয় সংসদ ভবন, তার- ই পাশে জিয়া উদ্যান। পুরাতন বিমান বন্দর এলাকা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সব ই যেন কত শত ঘটনার এক একটি বই। বড় শহরে বড় কিছু করার ইচ্ছায়, শহরে প্রবেশ করা টা, আমার কাছে অনেকটাই যেনো - দুই আঙুলে টুক করে ধরে একটা ছোট্ট বাক্স থেকে তুলে এনে ফেলে দেয়ার মতো হলো। কিছুটা ভয় , কিছুটা অনিশ্চয়তা চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছিলো।  মনে জেদ ছিল, আমার ক্যারিয়ার এখানেই গড়তে হবে। হাতের জমানো টাকা নিয়ে নেমে গেলাম বড় শহরের পথে। চলতে চলতে অনেকের সাথেই পরিচয় হলো।  কেউ বন্ধু হলো। কেউ শত্রু হলো।  কেউবা আবার সুযোগ নিতে চাইলো। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে , এখনো নারী হয়ে একা পথচলা -টা আসলে হজমযোগ্য হয়ে উঠেনি। (চলবে )</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/32271/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Sep 2021 08:46:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                                  &#8220;এ লোনলি গার্ল ইন দি সিটি &#8221;<br />
১. ঢাকা শহর।  হ্যা , এক অজানা আকর্ষণের নাম ঢাকা শহর। এই শহরের দিনের ব্যস্ত পথ প্রতিনিয়ত যোদ্ধ করতে শিখায়।  রাতের নিয়ন আলো রোমাঞ্চের ইশারা করে। কত রূপান্তরের স্বাক্ষী এই জাতীয় সংসদ ভবন, তার- ই পাশে জিয়া উদ্যান। পুরাতন বিমান বন্দর এলাকা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সব ই যেন কত শত ঘ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-32271"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/32271/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c5063b75059f950e612c2dceec44754b</guid>
				<title>আমি ভাবছি হয়তো আমার নিজের লেখাগুলোর পাঠক এখানেই পাবো। অনেকদিন ধরে নিজের লেখাগুলো প্রকাশ করার জন্য  একটা উপযুক্ত  প্লাটফর্মের অপেক্ষাতে ছিলাম ।
জানিনা , পাঠক প্রিয়তা কতটুকু পাবে লেখাগুলো।  তাই খুব শীঘ্রই একটা আর্টিকেল নিয়ে আস্তে চাইছি সবার সামনে -টপিক হচ্ছে &quot; A Lonely Girl In The City&quot; .............&quot;এক শহরতলি থেকে উঠে আসা একাকী এক নারীর গল্প।  যে কিনা নিজের সাথে আর আসে পাশের মানুষগুলার সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে কিভাবে অল্প অল্প করে এগিয়ে যাচ্ছে  তার জীবন যুদ্ধে।  যার একাকিত্বের সুযোগ নিতে চেয়েছে অনেকেই আর বড্ডো উদারতার সাথে করতে চেয়েছে তাকে কলংকিত ! -----------&quot;
সবার আগ্রহ দেখলে ইনশা আল্লাহ আমি খুব শীঘ্রই এই লিখাটা সবার জন্য পোস্ট করবো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18140/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Jul 2021 07:15:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি ভাবছি হয়তো আমার নিজের লেখাগুলোর পাঠক এখানেই পাবো। অনেকদিন ধরে নিজের লেখাগুলো প্রকাশ করার জন্য  একটা উপযুক্ত  প্লাটফর্মের অপেক্ষাতে ছিলাম ।<br />
জানিনা , পাঠক প্রিয়তা কতটুকু পাবে লেখাগুলো।  তাই খুব শীঘ্রই একটা আর্টিকেল নিয়ে আস্তে চাইছি সবার সামনে -টপিক হচ্ছে &#8221; A Lonely Girl In The City&#8221; &#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.&#8221;এক শহরতলি থেকে উঠে আসা একাকী এক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-18140"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/18140/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">428f3861c31bb8c05d0a8c55b6064e42</guid>
				<title>Fatema Urme and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18125/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Jul 2021 06:59:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">428f3861c31bb8c05d0a8c55b6064e42</guid>
				<title>Fatema Urme and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18124/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Jul 2021 06:59:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">428f3861c31bb8c05d0a8c55b6064e42</guid>
				<title>Fatema Urme and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18123/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Jul 2021 06:59:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">428f3861c31bb8c05d0a8c55b6064e42</guid>
				<title>Fatema Urme and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18122/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Jul 2021 06:59:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>