<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | জান্নাতুল ফেরদাউস | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ferdawsejannatul343gmail-com/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ferdawsejannatul343gmail-com/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for জান্নাতুল ফেরদাউস.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 16 Jun 2026 03:18:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">f0f0f352e619c69fb60b42c948766859</guid>
				<title>শুধু তোমাকেই চাই
পাঠ–৫
নয়নের মুখের হাসিটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল। সে কিছু বললো না, শুধু চুপচাপ অন্যদিকে তাকিয়ে রইলো।
মেহু ব্যাপারটা খেয়াল করলেও কিছু বুঝতে পারলো না।
ক্লাস শেষ হওয়ার পর সবাই ক্যাম্পাসে বসে আড্ডা দিচ্ছিল।
ঈশান হঠাৎ বলল,
— “চল আজ সবাই নিজেদের সিক্রেট বলি!”
নিশি সাথে সাথেই বলে উঠলো,
— “না না! তোর সিক্রেট শুনলে পুলিশ ডাকতে হবে!”
সবাই হেসে উঠলো।
ঈশান নাটকীয়ভাবে বুকের ওপর হাত রেখে বলল,
— “আমাকে কেউ বুঝে না!”
মেহুও হেসে ফেললো।
নিশি বলল,
— “আচ্ছা মেহু, তুই বল। তোর কোনো সিক্রেট আছে?”
কথাটা শুনে মেহু কয়েক সেকেন্ড চুপ হয়ে গেল।
তারপর হেসে বলল,
— “না তো।”
কিন্তু মিথ্যা বলার সময় চোখের ভেতর অদ্ভুত একটা দ্বিধা চলে এসেছিল।
ওদিকে রাত...
রুমের লাইট বন্ধ করে বিছানায় শুয়ে ফোন হাতে নিল মেহু।
সাথে সাথেই ভিডিও কল।
স্ক্রিনে ভেসে উঠলো—
আরিয়ান।
বয়স ২৬। একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে কাজ করে। প্রায় ১ বছর আগে ফেসবুকে পরিচয় হয়েছিল তাদের।
প্রথমে একটা পোস্টে কমেন্ট, তারপর রিপ্লাই, তারপর ইনবক্স।
ধীরে ধীরে প্রতিদিনের অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল মানুষটা।
মেহু কল ধরতেই ওপাশ থেকে হাসির শব্দ—
— “কি ম্যাডাম? আজ এত দেরি হলো?”
মেহু বালিশ জড়িয়ে বলল,
— “ফ্রেন্ডদের সাথে ছিলাম।”
— “হুম…”
আজ আরিয়ানের কণ্ঠে অন্যদিনের মতো উচ্ছ্বাস ছিল না।
মেহু একটু অবাক হয়ে বলল,
— “কি হয়েছে?”
কিছুক্ষণ চুপ থেকে আরিয়ান বলল,
— “মেহু... যদি কোনোদিন আমি হঠাৎ দূরে চলে যাই?”
মেহুর মুখের হাসিটা থেমে গেল।
— “মানে?”
— “এমনিই বললাম…”
— “না, তুমি এমন কথা বলছো কেন?”
ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।
তারপর খুব শান্ত গলায় আরিয়ান বলল,
— “সব কথা সময়ের আগে বলা যায় না, মেহু...”
মেহুর বুকের ভেতর হঠাৎ কেমন যেন করে উঠলো।
কারণ এই প্রথম সে অনুভব করলো—
হয়তো কিছু একটা আছে... যা সে জানে না।
চলবে… &#x1f338;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250221/</link>
				<pubDate>Fri, 22 May 2026 04:44:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> শুধু তোমাকেই চাই<br />
পাঠ–৫<br />
নয়নের মুখের হাসিটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল। সে কিছু বললো না, শুধু চুপচাপ অন্যদিকে তাকিয়ে রইলো।<br />
মেহু ব্যাপারটা খেয়াল করলেও কিছু বুঝতে পারলো না।<br />
ক্লাস শেষ হওয়ার পর সবাই ক্যাম্পাসে বসে আড্ডা দিচ্ছিল।<br />
ঈশান হঠাৎ বলল,<br />
— “চল আজ সবাই নিজেদের সিক্রেট বলি!”<br />
নিশি সাথে সাথেই বলে উঠলো,<br />
— “না না! তোর সিক্রেট শুনলে পুলিশ ডাকতে হবে!&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250221"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250221/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b58a8e9d850d0d21ba82bcb19ee2646b</guid>
				<title>জান্নাতুল ফেরদাউস changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250097/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 17:07:29 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d794214f7475960f3a91887b02ccd181</guid>
				<title>শুধু তোমাকেই চাই
পাঠ– ৪
পরদিন সকালে মেহুর ঘুম ভাঙলো ফোনের ভাইব্রেশনের শব্দে। চোখ আধা বন্ধ অবস্থাতেই ফোনটা হাতে নিল সে।
স্ক্রিনে মেসেজ—
“Good morning, ঘুমকাতুরে &#x1f338; এখনো ঘুমাচ্ছো?”
মেহুর ঠোঁটের কোণে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠলো।
— “উঠছি এখন…” — রিপ্লাই দিল সে।
ওপাশ থেকে সাথে সাথেই মেসেজ এলো—
— “তোমার এই ‘উঠছি’ বলতে আবার আধা ঘণ্টা লাগে!”
মেহু মুচকি হেসে ফোনটা বুকে জড়িয়ে ধরলো।
কিছু সম্পর্ক খুব অদ্ভুত হয়। মানুষটাকে কখনো সামনে দেখা হয়নি, তবুও মনে হয় কত আপন!
ফ্রেশ হয়ে ইউনিভার্সিটির উদ্দেশ্যে বের হলো মেহু।
আজ ক্যান্টিনে ঢুকতেই দেখে নিশি, নয়ন আর ঈশান আগে থেকেই বসে আছে।
মেহুকে দেখেই নিশি বলল,
— “আরে! আজকে কার মুখ দেখে উঠেছিস? এত হাসিখুশি লাগছে কেন?”
মেহু একটু থেমে বলল,
— “আমি তো সবসময়ই হাসিখুশি থাকি।”
নিশি চোখ ছোট করে তাকিয়ে বলল,
— “না না, ব্যাপার আছে!” 
আর ঈশান ওদের কথা শুনে হাসতে থাকে।
নয়ন চুপচাপ বসে ছিল, কিন্তু সেও আজকে মেহুর দিকে কয়েকবার তাকালো।
ঈশান হঠাৎ বলল,
— “আমার মনে হচ্ছে, কারো জীবনে গোপনে বসন্ত এসে গেছে!”
মেহুর বুকটা হঠাৎ ধক করে উঠলো।
সে তাড়াতাড়ি বলল,
— “আজেবাজে কথা বলিস না!”
নিশি আর ঈশান একে অপরের দিকে তাকিয়ে হেসে উঠলো।
ঠিক তখনই মেহুর ফোনে আবার মেসেজ এলো।
ফোনের স্ক্রিন জ্বলে উঠতেই নয়নের চোখ হঠাৎ সেদিকে চলে গেল।
আর এক সেকেন্ডের জন্য সে শুধু এটুকুই দেখতে পেল—
&quot;Miss you...&quot; &#x2764;&#xfe0f;
নয়নের মুখের হাসিটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল।
চলবে… &#x1f338;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250051/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 14:22:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> শুধু তোমাকেই চাই<br />
পাঠ– ৪<br />
পরদিন সকালে মেহুর ঘুম ভাঙলো ফোনের ভাইব্রেশনের শব্দে। চোখ আধা বন্ধ অবস্থাতেই ফোনটা হাতে নিল সে।<br />
স্ক্রিনে মেসেজ—<br />
“Good morning, ঘুমকাতুরে &#x1f338; এখনো ঘুমাচ্ছো?”<br />
মেহুর ঠোঁটের কোণে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠলো।<br />
— “উঠছি এখন…” — রিপ্লাই দিল সে।<br />
ওপাশ থেকে সাথে সাথেই মেসেজ এলো—<br />
— “তোমার এই ‘উঠছি’ বলতে আবার আধা ঘণ্টা লা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250051"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250051/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8ccc5b132b237391350eba8b1964280e</guid>
				<title>শুধু তোমাকেই চাই
পাঠ–৩
মেহু কিছুই বুঝলো না, আর নিশি মনে মনে বলল—
&quot;মনে হচ্ছে এবার কিছু একটা শুরু হতে চলেছে…
ঈশান মুখ চেপে হাসতে হাসতে বলল,
— “কিছু না, কিছু না। কিছু মানুষ নাকি আজকাল আকাশ-পাতাল দেখতেও খুব ব্যস্ত।”
নিশি ভ্রু কুঁচকে বলল,
— “কোন মানুষ?”
ঈশান এবার হো হো করে হেসে উঠলো। নয়ন সাথে সাথে ওর পিঠে হালকা একটা থাপ্পড় দিয়ে বলল,
— “তুই একদম চুপ থাক!”
এগুলো দেখেও মেহু কিছুই বুঝলো না।
ইউনিভার্সিটিতে পৌঁছে চারজন ক্যান্টিনে গেলো। নিশি গিয়ে সবার জন্য সিঙ্গারা আর জুস নিয়ে এলো।
মেহু সিঙ্গারায় কামড় দিতে না দিতেই ঈশান বলল,
— “এই নিশি, তুই কি দোকানদারকে বলেছিলি মরিচ একটু বেশি দিতে?”
নিশি অবাক হয়ে বলল,
— “না তো, কেন?”
ঠিক তখনই মেহুর চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করলো।
— “আল্লাহ! এত ঝাল!”
ঈশান আর নয়ন হেসে গড়িয়ে পড়লো।
মেহু রাগী চোখে তাকিয়ে বলল,
— “তোরা হাসছিস কেন?”
নয়ন হাসি চাপতে চাপতে পানির বোতল এগিয়ে দিলো,
— “নাও ম্যাডাম, আগে বাঁচো।”
মেহু বোতল নিয়ে মুখ ফুলিয়ে বলল,
— “খুব খারাপ তোরা!”
নিশি মেহুর কাঁধে হাত রেখে বলল,
— “আরে রাগ করিস না, তোর ওই ঝাল খেয়ে কান্নার চেহারা দেখলে যে কেউ হাসবে!”
চারজনের হাসি-আড্ডায় সময়টা ভালোই কাটছিল।
কিন্তু এই হাসির আড়ালে মেহুর একটা গোপন জগৎও ছিল।
ক্লাস শেষ হতেই মেহুর ফোনে ছোট্ট একটা নোটিফিকেশন আসলো। শব্দটা শুনেই তার চোখে অন্যরকম একটা ঝিলিক ফুটে উঠলো।
চুপচাপ ফোনটা খুলে দেখলো—
“ক্লাস শেষ? আজ আমাকে একবারও মনে পড়েনি?”
মেহুর ঠোঁটের কোণে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠলো।
ফেসবুকে পরিচয় হয়েছিল তাদের। প্রথমে শুধু হ্যালো-হাই, তারপর বন্ধুত্ব, আর ধীরে ধীরে সম্পর্কটা অন্যরকম হয়ে গেল।
এখন প্রতিদিন কথা না হলে দুজনেরই ভালো লাগে না।
কিন্তু একটা কথা কেউ জানে না।
না নিশি, না নয়ন, না ঈশান… এমনকি তার পরিবারও না।
কারণ মেহু এখনো তার ছোট্ট গোপন পৃথিবীটা সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছে।
আর ওদিকে নয়নও হয়তো বুঝতে পারছে না— যার দিকে সে চুপচাপ তাকিয়ে থাকে, সেই মেয়েটার হৃদয়ে হয়তো আগে থেকেই অন্য কেউ জায়গা করে নিয়েছে...
চলবে… &#x1f338;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249938/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 07:08:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শুধু তোমাকেই চাই<br />
পাঠ–৩<br />
মেহু কিছুই বুঝলো না, আর নিশি মনে মনে বলল—<br />
&#8220;মনে হচ্ছে এবার কিছু একটা শুরু হতে চলেছে…<br />
ঈশান মুখ চেপে হাসতে হাসতে বলল,<br />
— “কিছু না, কিছু না। কিছু মানুষ নাকি আজকাল আকাশ-পাতাল দেখতেও খুব ব্যস্ত।”<br />
নিশি ভ্রু কুঁচকে বলল,<br />
— “কোন মানুষ?”<br />
ঈশান এবার হো হো করে হেসে উঠলো। নয়ন সাথে সাথে ওর পিঠে হালকা একটা থাপ্পড় দিয়ে বলল,<br />
— “তুই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249938"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249938/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fdf030712c4e1931ff46497fdca8ee65</guid>
				<title>তোমাকেই চাই
পাঠ–২
সকালের মিষ্টি রোদ এসে পড়েছে মেহুর মুখে। কিন্তু আজও তার ঘুম ভাঙার কোনো ইচ্ছা নেই। হঠাৎ—
“মেহু! আর কত ঘুমাবি? কলেজ না, ইউনিভার্সিটি পড়ে এখনো ছোট বাচ্চাদের মতো ঘুমাস!” — মুনিয়া জাহানের কড়া গলা।
মেহু চোখ খুলে বালিশটা জড়িয়ে ধরে বলল,
— “মা, আর পাঁচ মিনিট…”
— “না, আর পাঁচ মিনিট না। তাড়াতাড়ি ওঠ, নয়তো আবার দেরি হবে।”
অনিচ্ছা নিয়েই বিছানা ছাড়লো মেহু। ফ্রেশ হয়ে নিচে এসে দেখে টেবিলে নাস্তা সাজানো।
— “আসসালামু আলাইকুম বাবা।”
— “ওয়ালাইকুম আসসালাম মা। আজ এত শান্ত কেন?”
মেহু হেসে বলল,
— “আমি আবার কখন অশান্ত হই?”
ঠিক তখনই দরজার বাইরে থেকে চিৎকার—
— “মেহুউউ! তাড়াতাড়ি আয়!”
কণ্ঠটা শুনেই মেহু বুঝে গেল নিশি এসেছে।
— “এই মেয়ে! একটু আস্তে ডাকবি? পুরো এলাকা শুনে ফেলবে।”
নিশি মুখ ফুলিয়ে বলল,
— “তুই আসতে দেরি করিস কেন? চল, নয়ন আর ঈশান অপেক্ষা করছে।”
চারজন একসাথে ইউনিভার্সিটির দিকে রওনা দিলো। পুরো রাস্তা জুড়ে শুধু মেহু আর নিশির কথা, আর নয়ন চুপচাপ মেহুর দিকেই তাকিয়ে আছে।
ঈশান হালকা হেসে বলল,
— “নয়ন, রাস্তা দেখ। না হলে পড়ে যাবি।”
নয়ন একটু লজ্জা পেয়ে বলল,
— “চুপ কর তো!”
মেহু অবাক হয়ে তাকালো।
— “কী হয়েছে তোমাদের?”
নয়ন আর ঈশান একে অপরের দিকে তাকিয়ে হেসে উঠলো।
মেহু কিছুই বুঝলো না, আর নিশি মনে মনে বলল—
“মনে হচ্ছে এবার কিছু একটা শুরু হতে চলেছে…”
চলবে… &#x1f338;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249800/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 18:17:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> তোমাকেই চাই<br />
পাঠ–২<br />
সকালের মিষ্টি রোদ এসে পড়েছে মেহুর মুখে। কিন্তু আজও তার ঘুম ভাঙার কোনো ইচ্ছা নেই। হঠাৎ—<br />
“মেহু! আর কত ঘুমাবি? কলেজ না, ইউনিভার্সিটি পড়ে এখনো ছোট বাচ্চাদের মতো ঘুমাস!” — মুনিয়া জাহানের কড়া গলা।<br />
মেহু চোখ খুলে বালিশটা জড়িয়ে ধরে বলল,<br />
— “মা, আর পাঁচ মিনিট…”<br />
— “না, আর পাঁচ মিনিট না। তাড়াতাড়ি ওঠ, নয়তো আবার দেরি হবে।”<br />
অনিচ্ছা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249800"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249800/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6ae3f9f165a80dec8bf09a6a3ebd457</guid>
				<title>শুধু তোমাকেই চাই
পাঠ-১
ভালোবাসার সংজ্ঞা এক এক জনের কাছে এক এক রকম।আমার কাছে ভালোবাসা মানে যত্ন, আর এক অদ্ভুত অনুভূতি 
আজ এক বছর হতে চললো আমার সাথে তার কোনো যোগাযোগ নেই।কেমন আছে, কোথায় আছে কিছু জানি না। আচ্ছা সে ও কি আমার মতো আমার কথা ভাবে, আমার কথা কি তার মনে পড়ে। হয়তো পড়ে না। পড়বেই বা কেন, কি হই আমি তার! 
কিন্তু আমার তো তার কথা প্রতিদিন মনে পড়ে। 
কেন ভুলতে পারছি না আমি তাকে। আজ একটা বছর ধরে এই কষ্ট বহন করে চলছি। কবে এই কষ্ট থেকে মুক্তি পাবো। 
আমি একজন সাধারণ পরিবারের সন্তান মেহেরিমা জাহান মেহু। 
বাবা -আসলাম হোসেন
একজন সরকারি চাকরিজীবী। মা -মুনিয়া জাহান 
বাবা মার একমাত্র সন্তান মেহু খুবই আদরের চঞ্চল স্বভাবের। সারাদিন তার বন্ধু -বান্ধবদের সাথে আড্ডা দেওয়া,ঘুরতে যাওয়া। মেহু, নিশি,ঈশান আর নয়ন এই চার জনের বন্ধুত্ব। ছোট বেলা থেকেই তারা চারজন একসাথে বড় হয়ছে। চারজন ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ডিপার্টমেন্টের ২য় বর্ষের স্টুডেন্ট। 
নয়ন অনেক ভালো স্টুডেন্ট। সবসময় প্রথম হয় ক্লাসে(first boy) দেখতে ও মাশাআল্লাহ মেয়েদের ক্রাশ বয়। ক্লাসের সবাই তার জন্য পাগল। কিন্তু সে পাগল মেহুর জন্য। 
ঈশান  ওদের ফ্রেন্ড এর মধ্যে সবথেকে কম কথা বলে। লেখাপড়া তে ভালো। সে ও নয়নের থেকে কোনো অংশে কম না। 
নিশি অনেক মিশুক মেয়ে, মিষ্টি একটা মেয়ে গোলগাল চেহারার গঠন আকৃতি। বড় বড় চুল, ফসা গায়ের রং।লেখাপড়া তে মোটামুটি। 
মেহু হলো ওদের গ্রুপের মধ্যে সবথেকে খারাপ স্টুডেন্ট , যার মাথায় সারাদিন কে ড্রামা থাকে। তাদের নিয়েই ওর সারাদিন কেটে যাই।
চলবে......
(প্রথম লিখা,ভুল হলে মাফ করবেন, আর বলবেন কেমন হয়েছে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249640/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 08:40:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শুধু তোমাকেই চাই<br />
পাঠ-১<br />
ভালোবাসার সংজ্ঞা এক এক জনের কাছে এক এক রকম।আমার কাছে ভালোবাসা মানে যত্ন, আর এক অদ্ভুত অনুভূতি<br />
আজ এক বছর হতে চললো আমার সাথে তার কোনো যোগাযোগ নেই।কেমন আছে, কোথায় আছে কিছু জানি না। আচ্ছা সে ও কি আমার মতো আমার কথা ভাবে, আমার কথা কি তার মনে পড়ে। হয়তো পড়ে না। পড়বেই বা কেন, কি হই আমি তার!<br />
কিন্তু আমার তো তার কথা প্রতিদি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249640"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249640/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3e7918e3418f8344dc7b30cc3847d1c7</guid>
				<title>জান্নাতুল ফেরদাউস changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249560/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 05:42:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>