Profile Photo

জান্নাতুল ফেরদাউসOffline

  • তোমাকেই চাই
    পাঠ–২
    সকালের মিষ্টি রোদ এসে পড়েছে মেহুর মুখে। কিন্তু আজও তার ঘুম ভাঙার কোনো ইচ্ছা নেই। হঠাৎ—
    “মেহু! আর কত ঘুমাবি? কলেজ না, ইউনিভার্সিটি পড়ে এখনো ছোট বাচ্চাদের মতো ঘুমাস!” — মুনিয়া জাহানের কড়া গলা।
    মেহু চোখ খুলে বালিশটা জড়িয়ে ধরে বলল,
    — “মা, আর পাঁচ মিনিট…”
    — “না, আর পাঁচ মিনিট না। তাড়াতাড়ি ওঠ, নয়তো আবার দেরি হবে।”
    অনিচ্ছা নিয়েই বিছানা ছাড়লো মেহু। ফ্রেশ হয়ে নিচে এসে দেখে টেবিলে নাস্তা সাজানো।
    — “আসসালামু আলাইকুম বাবা।”
    — “ওয়ালাইকুম আসসালাম মা। আজ এত শান্ত কেন?”
    মেহু হেসে বলল,
    — “আমি আবার কখন অশান্ত হই?”
    ঠিক তখনই দরজার বাইরে থেকে চিৎকার—
    — “মেহুউউ! তাড়াতাড়ি আয়!”
    কণ্ঠটা শুনেই মেহু বুঝে গেল নিশি এসেছে।
    — “এই মেয়ে! একটু আস্তে ডাকবি? পুরো এলাকা শুনে ফেলবে।”
    নিশি মুখ ফুলিয়ে বলল,
    — “তুই আসতে দেরি করিস কেন? চল, নয়ন আর ঈশান অপেক্ষা করছে।”
    চারজন একসাথে ইউনিভার্সিটির দিকে রওনা দিলো। পুরো রাস্তা জুড়ে শুধু মেহু আর নিশির কথা, আর নয়ন চুপচাপ মেহুর দিকেই তাকিয়ে আছে।
    ঈশান হালকা হেসে বলল,
    — “নয়ন, রাস্তা দেখ। না হলে পড়ে যাবি।”
    নয়ন একটু লজ্জা পেয়ে বলল,
    — “চুপ কর তো!”
    মেহু অবাক হয়ে তাকালো।
    — “কী হয়েছে তোমাদের?”
    নয়ন আর ঈশান একে অপরের দিকে তাকিয়ে হেসে উঠলো।
    মেহু কিছুই বুঝলো না, আর নিশি মনে মনে বলল—
    “মনে হচ্ছে এবার কিছু একটা শুরু হতে চলেছে…”
    চলবে… 🌸

    2
    2 Comments
    • খুবই চেনা আর মিষ্টি একটা সকালের বর্ণনা। বন্ধুদের এই খুনসুটিগুলো মন ভালো করে দেয়। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম!

    • সুন্দর লিখেছেন __”চারজন একসাথে ইউনিভার্সিটির দিকে রওনা দিলো ” চোখের সামনে দৃশ্যটি ভেসে উঠলো __মনে হচ্ছিলো আমিও ওদের সাথে সাথে হেঁটে চলেছি! শুভকামনা রইলো।

Skip to toolbar