<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Hasan Amin | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/hasanamin/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/hasanamin/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Hasan Amin.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 02 Oct 2026 10:12:29 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">9d30e83ac5618bd2007b6efb93929f7d</guid>
				<title>আমাদের হাইস্কুল
“হাসান আমিন“
*
-কিরে কি অবস্থা ?
মাসুম চুপ।
- মাষ্টের কি আবার পানিশমেন্ট দেছে ?
মাসুম আবারো চুপ।
- কিরে জুবান বন্ধ ----
মাসুমের মাথায় এবার রক্ত চড়ে গেল। দুম করে এক কিল বসিয়ে দিলো মুবিনের নাকে।
**
মাসুম হেডমাস্টারের সামনে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে। হেডমাস্টার সাহেব হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন, 
কিরে হারাম-- কিছু বলছিস না কেনো ? মুখে কুলুপ এটেছিস নাকি ?
মাসুমের চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে। মুবিন আর ও খুবই ভালো বন্ধু। তারপরও যে সে আজ কেনো যে এ কাজ করলো, সে নিজেই জানে না।
***
পুরো হাইস্কুলে খবর হয়ে গেছে যে, মাসুম তার সর্বোচ্চ বন্ধু মুবিনের নাক ফাটিয়ে দিয়েছে। তেমন কোন ঘটনা না। এই স্কুলে এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। কিন্তু আজকের ঘটনা ভিন্ন। মাসুম আর মুবিন এমন এক ডুয়ো, যাদের উপস্থিতি পুরো পরিবেশকে ঠান্ডা করে দেয়। মাসুমের কাছে সবসময় একটা ক্ষুর থাকে আর মুবিনের কাছে একটা ক্রিকেট ব্যাট। মুবিন এ পর্যন্ত দুই জনের ব্যাট দিয়ে মাথা ফাটিয়েছে তবে মাসুমের ব্যপারে কোন কমপ্লেন নেই। তবে ব্যপার যাই হোক , মাসুম যে মুবিনকে কেন মারলো, এ ব্যপারে সবাই এখন ধোয়াশার ভিতর আছে।
****
হেডমাষ্টার জয়নুল আবেদীন সাহেব ভালো টেনশনে পড়েছেন। অন্য কোন ছেলেপুলে হলে দু চারটা চড় থাাপ্পড় দিয়ে বিদায় করে দিতেন। কিন্তু এই মামলায় তিনি খুবই বড় ভেজালে জড়িয়ে যাবেন।মুবিনের বাবা বাজারের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। আর এদিকে মাসুমের বাবা করিম মাস্টার বর্তমান সরকার (বিএনপি) দলীয় একজন প্রভাবশালী নেতা। যদি কোনভাবে এ ঘটনা থানা পুলিশ বা মিডিয়া পর্যন্ত যায়, তাহলে সব শেষ। স্কুলের ইমেজ সব ধুলোয় মিশে যাবে।
- স্যার, ভিতরে আসবো ?
- আরে হেলাল স্যার যে , আসুন আসুন। আপনাকেই মনে মনে খুজছিলাম।
- ঘটনা কি শুনেছেন স্যার ?
- সেটা নিয়েই তো ভাবছিলাম স্যার ।
******
টিফিন টাইম। হিরণ আর বিধান দাবার বোর্ডে বসেছে। দুই দান খেলা হয়েছে। দুই দানই ড্র। হিরণ বললো, নাহ ! তুই খেলা শিখে গেছিস। বিধান বললো, আমি খেলা শিখিনি, বরং তুই খেলা ভুলে গেছিস।
- শালা, আমি খেলা ভুলে যাবো কেন রে ?
- কারণ আজকে কলেজে একটা বিশেষ ঘটনা ঘটেছে।
হিরণ চুপ করে গেল। আসলেই তো । আজ যা ঘটেছে , তা নিয়ে সবাই মোটামোটি নার্ভাস।
- একটা জিনিস মাথায় ঢুকছে নারে।
- কি ?
- মাসুম মুবিনের নাকে একশো ডিগ্রি এঙ্গেলে বসিয়ে দিলো, অথচ মুবিন কিছুই বললো না !
বিধানের ঠোঁটের বা কোণ এবার হেসে উঠলো।
- হাসছিস কেন রে ?
- মুবিন যে মাসুমের বেস্ট ফ্রেন্ড এটা তো জানিস।
- সেটা তো সবাই জানে ।
- স্কুল টাইম বাদে ওরা যখন একসাথে ঘোরে তখন একটা কমন বিষয় খেয়াল করেছিস ?
- কি কমন বিষয় ?
- মাসুম সবসময় গেন্জি আর লুঙ্গি পরে ঘোরে ।
- তাতে কি হয়েছে ?
- তাতে অনেক কিছু হয় রে পাগলা।
******
সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। মুবিন-মাসুম কেসের সবকিছু খুব সুন্দরভাবে মিটে গেছে। হেলাল স্যার বিষয়টাকে দারুনভাবে হ্যান্ডেল করেছেন। 
আজ বৃহঃবার। সাপ্তাহিক দাবা টুর্ণামেন্টের দিন। মুখস্থ টুর্ণামেন্ট। সব শেষে হিরণ আর ইরিনা ফাইনালে ওঠে। আজও তাই। খেলা শুরু হবে এমন সময় একটা বিপত্তি বাধলো। মাসুম আর মুবিন এসে উপস্থিত। ( বলে রাখা ভালো, মুবিন হাসপাতালে দুইদিন ভর্তি ছিল। রিলিজ পাওয়ার পর বাড়িতে এসে মাসুমের সাথে এমনভাবে মিশেছে যেন কিছুই হয়নি।) মুবিনের নাকে ব্যান্ডেজ হাতে ব্যাট। মাসুমের হাতে ক্ষুর। হলরুম অস্বাভাবিক রকমের ঠান্ডা হয়ে গেল। কারণ মাসুমের হাতে যে ক্ষুর তাতে রক্তমাখা। 
মাসুম ঘোষণা করলো, আজকের ফাইনাল খেলা সে খেলবে। সুতরাং কোনো একজন ফাইনালিস্টকে এখান থেকে উঠে যেতে হবে। হেলাল স্যার কিছু বলতে যাচ্ছিলেন , সাথে সাথে মুবিন হিরণের মাথায় ব্যাট ধরলো। হেলাল স্যার চুপ করে গেলেন। এই মুহুর্তে কোন ঝামেলা তিনি চাচ্ছেন না। হিরণ বেঞ্চ থেকে উঠে গেল। মাসুম আজ কার সাথে বাধিয়ে এসেছে কে জানে। 
মাসুম ইরিনার মুখোমুখি বসেছে। টাইমার চালু করে দিয়ে মাসুম ইরিনাকে বললো, এই ক্ষুরে কার রক্ত লেগে আছে জানিস ?
ইরিনার কলজে এমনিতেই শুকিয়ে গিয়েছিল। মাসুমের কথা শুনে আরও শুকিয়ে গেল। পুরো হলরুমে পিনপতন নীরবতা। কেউ বেরিয়ে যাবে সে সাহসও কারো হচ্ছে না। কারণ দরজায় মুবিন ব্যাট হাতে দাড়িয়ে আছে। 
ইরিনার সাদা গুটি। খেলা বিশ মিনিটের। চার মিনিট হয়ে গেছে। সে এখনও কোন চাল দেয়নি। মাসুম ক্রমাগত হাতের ক্ষুরটি চড়াৎ চড়াৎ করে ঘুরাচ্ছে। এমন সময় বাইরে শোরগোল শোনা গেল। মাসুম মুচকি হেসে উঠে দাড়ালো।
- ইরিনা !
- জ্বী ভাই ?
- বলতো ভালোবাসা কাকে বলে ?
ইরিনা ভয়ানক একটা চমক খেল। আর সবাইকে চমকে দিয়ে হুড়মুড় করে একদল পুলিশ হলরুমে ঢুকে পড়লো। 
- মিস্টার মাসুম ! আপনাকে আমাদের সাথে থানায় যেতে হবে।
ওসি সাহেবের গম্ভীর গলা। মাসুম সবার সামনেই নিজের হাতে হ্যান্ডকাফ পরলো।
মাসুমকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। সবার সাথে ইরিনাও তাকিয়ে আছে তাদের গমন পথের দিকে।

সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280858/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 08:30:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমাদের হাইস্কুল<br />
“হাসান আমিন“<br />
*<br />
-কিরে কি অবস্থা ?<br />
মাসুম চুপ।<br />
&#8211; মাষ্টের কি আবার পানিশমেন্ট দেছে ?<br />
মাসুম আবারো চুপ।<br />
&#8211; কিরে জুবান বন্ধ &#8212;-<br />
মাসুমের মাথায় এবার রক্ত চড়ে গেল। দুম করে এক কিল বসিয়ে দিলো মুবিনের নাকে।<br />
**<br />
মাসুম হেডমাস্টারের সামনে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে। হেডমাস্টার সাহেব হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন,<br />
কিরে হারাম&#8211; কিছু বলছিস ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280858"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280858/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">567eb852fda9f9fa0aba709f7f558130</guid>
				<title>দাবাড়ু 
~হাসান আমিন

ইরিনা দাবার বোর্ড সামনে নিয়ে বসে আছে। কালকে ফাইনাল খেলা। প্রতিপক্ষ হিরণ। তুখোড় দাবাড়ু। এ পর্যন্ত স্কুলের কোন স্টুডেন্ট তাকে হারাতে পারেনি। 

ইরিনা একমনে বোর্ডের দিকে তাকিয়ে আছে। গুটিগুলো সাজিয়েছে অনেকক্ষণ হয়ে গেছে। ইরিনা কোনো গুটি সরাচ্ছে না। কিছু একটা নিয়ে খুব ভাবছে। 
- কিরে এত কি ভাবছিস? 
ইরিনা মায়ের কথার কোন উত্তর দিল না। শীলা তার মেয়ের পাশে এসে বসলেন।
- মা!  এত কি ভাবছিস? 
ইরিনা এ কথারও কোন উত্তর দিল না। 
- ইদানীং এমন মনমরা হয়ে থাকিস কেন বলতো?  
- আমার কিছু হয়নি মা। কাল আমার ফাইনাল খেলা। প্র্যাকটিস করছি। বুঝতে পেরেছ? 
ইরিনা রেগে যাচ্ছে। ওকে আর ঘাটানো ঠিক হবে না। শীলা রান্নাঘরে চলে গেলেন। 
 
ইরিনা ক্লাস নাইনে পড়ে। ওদের ব্যাচের সবাই মোটামুটি দাবা খেলতে পারে। প্রত্যেক ক্লাসে দুটো করে দাবার বোর্ড আছে। একটা ছেলেদের অন্যটি মেয়েদের। পুরো স্কুলের মধ্যে ক্লাস নাইনের স্টুডেন্টরা সবচেয়ে বেশি প্র্যাকটিস করে। খেলা প্রতিদিন হয়। ছেলেদের মধ্যে খেলা খুব একটা  না জমলেও মেয়েদের খেলা দারুণ জমে যায়। পুরো টিফিন টাইম মেয়েরা দাবা খেলেই কাটিয়ে দেয়।  এজন্য পুরো স্কুলে ক্লাস নাইনের মেয়েদের পারফরম্যান্স দুর্দান্ত। বাধ সাধে শুধু হিরণ। এই একটা ছেলেই আছে যে কিনা দাবার বোর্ডে পুরো স্কুলকে কাৎ করে রেখেছে। 

ইরিনা এই মুহূর্তে হিরণকে নিয়ে ভাবছে। হিরণ কখনো মেয়েদের সাথে খেলেনা। ইরিনা কখনো তাকে কোন মেয়ের সঙ্গে খেলতে দেখেনি। কেন খেলে না? অন্য ছেলেরা তো ঠিকই খেলে! হারে জেতে। কত মেয়ে হিরণকে সাধে দাবা খেলার জন্য। কিন্তু না, হিরণ কখনো খেলে না। যদি ওকে কেউ জিজ্ঞেস করে, এই, তুই মেয়েদের সাথে কেন খেলিস না রে? জবাবে ও শুধু হাসে। কিছু বলে না।

ইরিনা ভাবতো, মেয়েদের কাছে হেরে যাওয়ার ভয়ে হয়তো খেলে না। ইজ্জত নিয়ে টানাটানি হয়ে যাবে।
ইরিনার এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হলো চলতি এই স্কুল টুর্নামেন্টে। চারটে মেয়ের সঙ্গে হিরণকে খেলতে হয়েছে। চারজনই খুব বাজেভাবে হেরেছে। 
 ইরিনা শুধু ভাবছে যে, কাল পুরো স্কুলের মেয়েরা ইরিনার দিকে তাকিয়ে থাকবে। কাল যদি ইরিনা হেরে যায়, পুরো স্কুলের মেয়েরা হারবে।

-কিরে মা!  দাবা নিয়ে চুপচাপ বসে আছিস? 
ইরিনা মাথা তুলে খানিকক্ষণ বাবার দিকে তাকিয়ে রইল। 
- এত টেনশনের কি আছে! খেলাই তো। হারজিত থাকবে। তুই যে এই পর্যন্ত জিতে আসতে পেরেছিস এই তো অনেক। 
ইরিনা মুচকি হাসলো। 
- আমাকে এই খেলাটা জিততেই হবে বাবা। আই নিড ইয়োর হেল্প। 
আনিস সাহেব মেয়ের সামনে বসলেন। 
- বল কিভাবে তোকে হেল্প করতে পারি? 

**********

হিরণ আজ সকাল সকাল স্কুলে চলে এসেছে। ফাইনাল খেলা যেখানে হবে সেখানে বসে আছে। হেলাল স্যারের জন্য অপেক্ষা করছে। হেলাল স্যার হচ্ছেন দীঘারপাড়া হাইস্কুলের দাবার মাষ্টার। প্রত্যেক বৃহস্পতিবারে স্কুলে একটা দাবা খেলা হয়। হেলাল স্যার একসঙ্গে দশজনের সাথে দাবা খেলেন। পাঁচটা ছেলে পাঁচটা মেয়ে। প্রায়ই মেয়েদের কাছে হেরে যান। তবে ছেলেদের সাথে কখনো হারেন না। ব্যাতিক্রম হিরণ এই একজন খেলোয়াড়ই আছে যার সাথে কিনা স্যার একা খেলেন।

হিরণ ভাবছে স্যারের কাছে একবার ফোন দেবে কিনা। ফাইনাল ম্যাচের আগে একটু প্র্যাকটিস করে নিলে ভালো হতো। এমন সময় বিধানের গলা শোনা গেল। 
- কিরে ফিশার! এত সকাল সকাল, কি মনে করে? 
-আরে তুই! 
- এই আসলাম। কেন জানি মনে হচ্ছিল তোকে এখানে পেয়ে যাবো। 
- এসেছিস যখন বোস, দুই দান হয়ে যাক।

গুটি সাজাতে সাজাতে বিধান বললো, হ্যা রে, আজ তোর   প্রতিপক্ষ কিন্তু খুব হার্ড। দ্যা গ্রেট ইরিনা।
হিরণ বললো, তাতে কি হয়েছে? 
- তোর কি মনে হয় না যে তোকে একটু সিরিয়াস হওয়া দরকার? 
- অত সিরিয়াস হয়ে কি হবে? 
- তুই সবকিছু এত ইজিলি কিভাবে নিস বলতো? 
- ইজিলি না নিয়ে উপায় নেই বন্ধু। আচ্ছা বাদ দে। এখন শোন আজকে আমার একটা প্ল্যান আছে। 
- কি প্ল্যান? 
- তোকে বলেছিলাম না একটা বিশেষ দিনে,,,,,, 
- তার মানে তুই,,,,
- ইয়েস, আজকেই সেই বিশেষ দিন।
বিধান বললো,  ওহ মাই গড!

হিরণের একটা ব্যাপার আছে। সেটা হিরণ আর বিধান ছাড়া তৃতীয় কেউ হয়তো জানে না। এমনকি হেলাল স্যারও না।যেখানে কিনা স্যার হিরণের সবরকমের সিক্রেট জানে। ব্যাপারটা হলো,  হিরণ ইরিনাকে অসম্ভব পছন্দ করে। এতটাই পছন্দ করে যে ইরিনার কথা ভাবলেই ওর মাথা হ্যাং হয়ে যায়। কি করবে কি না করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারে না। ইরিনা একদিন হিরণের কাছে নোট না কি যেন একটা চেয়েছিলো। তাতেই হিরণের কান-মাথা গরম হয়ে গিয়েছিলো। ইরিনা সেদিন হিরণকে বলেছিলো, তোকে দেখে মনে হচ্ছে তুই ফার্স্ট টাইম কোন মেয়ের সঙ্গে কথা বলছিস। হিরণ সেদিন এ কথার কোন উত্তর দিতে পারেনি। 

বিধান চাল দিয়ে বললো, এই নে তোর কাঁটাচামচ। কি যেন বলে,,, হা ফর্ক এ্যাটাক। এবার কি করবা বাছাধন? হা হা 
হিরণ মুচকি হেসে বললো, খেলা তো ভালোই শিখে গেছিস। তবে আর একটু খেয়াল করে খেলবি। এই নে চেক। 
বিধানের মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। 
- ধেৎ, তোর সাথে পারা যায় না।
- আর খেলবি? 
- না ভাই থাক, আর বেইজ্জতি করিসনে।
- কেউ তো আর দেখছে না। 
- না দেখুক, আচ্ছা সে যাই হোক তুই প্ল্যান করেছিলি এক বিশেষ দিনে ,,,,, 
- হ্যালো বয়েজ!! 
বিধান তার কথা শেষ করার আগেই হেলাল স্যারের এন্ট্রি হলো। 
- কি ব্যাপার আজ এত সকাল সকাল? 
হিরণ, বিধান দুজনেই দাঁড়িয়ে গেল। 
- আরে বোসো বোসো। 
হিরণ বললো, স্যার! ম্যাচ শুরু হতে এখনো অনেক সময়। ততক্ষণে আপনার সাথে একটু প্র্যাকটিস করি।
- তোমার তো আজ ফাইনাল খেলা। প্রতিপক্ষও শক্তিশালী। 
বিধান বললো, কিযে বলেন স্যার! হিরণের সাথে ইয়ার্কি নাকি।  great player of the school। 
স্যার বললেন, ইরিনা যেন তেন কোন প্লেয়ার না। বুঝেছ বিধান চন্দ্র রায়।
হিরণ বললো, ঠিক বলেছেন স্যার। দারুণ খেলে ইরিনা। মেয়েরা কেউ ওর সাথে পারে না। 
স্যার বললেন, আমি নিজেই ওর সাথে পারি না। হা হা,,, 
স্যারের কথায় হিরণ আর বিধানও হেসে উঠলো।
 
 **************

ক্লাস টেনের রুমে ফাইনাল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। ম্যাচ শুরু হওয়ার আর মাত্র বিশ মিনিট বাকি আছে।  এই মুহূর্তে হিরণকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
হেলাল স্যারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। প্রধান অতিথি চলে এসেছেন। তিনি প্লেয়ার দুজনকে সামনে নিয়ে বক্তৃতা দিবেন। এই মুহূর্তে একজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মেজাজটা তাহলে কি পরিমান খারাপ হয়। বিধানকে ডাকতে পাঠিয়েছে কতক্ষণ হলো, তারও খোঁজ নেই। হেলাল স্যার পাগলের মতো হিরণকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন, এমন সময় প্রধান অতিথির গলা শোনা গেল।  

&quot;প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা&quot; তোমরা নিশ্চয় জানো যে, দাবা খেলা এটা জ্ঞানী মানুষের খেলা, এমনকি এটা রাজা বাদশাদের অতিপ্রাচীন একটি খেলা।...... 

হেলাল স্যার দৌড়ে রুমের দিকে গেলেন। হিরণ আর ইরিনা মুখোমুখি বসে আছে। প্রধান অতিথি বক্তৃতা দিচ্ছেন। হেলাল স্যার হাফ ছেড়ে বাঁচলেন।

ফাইনাল খেলা শুরু হয়ে গেছে। মাত্র কয়েক চাল হয়েছে। এর মধ্যে একটা ঘটনা ঘটলো। হিরণের রাণী মারা পড়লো। হেলাল স্যারের ভ্রু কুচকে গেল।  মাত্র ছয় চালের মধ্যে রাণী মারা পড়বে এমন দূর্বল খেলোয়াড় হিরণ না। নিশ্চয় এখানে কোন কাহিনি আছে। হেলাল স্যার খুব ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন। আরে এতো, এতো ব্রিলিয়ান্ট উইনিং মুভ। আগামি দুই চালেই হিরণ জিতে যাবে। বিষয়টা ইরিনা মনে হয়  ধরতে পেরেছে, তবে মেয়েদের মধ্যে খুশির বন্যা বয়ে যাচ্ছে। সবাই উল্লাসে ফেটে পড়েছে। 

ইরিনার কান-মাথা ঝিমঝিম করছে। হিরণ হাতি দিয়ে চেক দিতে গিয়ে আবার ফিরিয়ে নিয়েছে।তখন আর ইরিনার বুঝতে বাকি নেই যে সে রাণী খেয়ে কত বড় ভুল করেছে। আর মাত্র দুই চালে খেলা শেষ।  এসময় বিস্ময়কর একটা ঘটনা ঘটলো। হিরণ রিজাইন করলো। পুরো স্কুলের মেয়েরা উল্লাসে ফেটে পড়লো। ইরিনা হতভম্ব হয়ে হিরণের দিকে তাকিয়ে আছে। কারণ রিজাইনের হাত মেলানোর সময় ইরিনার হাতের মধ্যে খচখচ করে উঠেছে। কিছু একটি দিয়েছে হিরণ ইরিনার হাতে। উঠার সময় কানে কানে বলে দিয়েছে, কাউকে দেখাস না প্লিজ। একটু একপাশে নিয়ে গিয়ে পড়িস।

****************

হেলাল স্যার হিরণকে ধরেছেন। 
- কি ব্যাপাার হিরণ! তোমার জিতে যাওয়া ম্যাচ এভাবে রিজাইন কে দিলে কেন? 
- স্যার কিছু মনে করবেন না প্লিজ। টপ সিক্রেট। 
- কি এমন টপ সিক্রেট রে ভাই  যেটা তুমি আমাকে বলতে পারবে না।
- sorry sir Don&#039;t mind please. তবে বিধানের কাছে আপনাকে বলে দেবে।যাই স্যার একটা কাজ বাকি আছে। 

চিরকুটটা পড়ে ইরিনার মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার মতো হলো। এই তাহলে কাহিনি। এই জন্য তাহলে হিরণ ম্যাচ হেরে গেছে। ইরিনা কমনরুমের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে। হিরণকে দেখা যাচ্ছে। ইরিনার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে। ইরিনাও হেসে ফেললো। আচ্ছা!  চিরকুটটাতে তাহলে কি লেখা ছিল?  লেখা ছিল, 
How can I win if my opponent is my queen?

সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280128/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 10:13:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দাবাড়ু<br />
~হাসান আমিন</p>
<p>ইরিনা দাবার বোর্ড সামনে নিয়ে বসে আছে। কালকে ফাইনাল খেলা। প্রতিপক্ষ হিরণ। তুখোড় দাবাড়ু। এ পর্যন্ত স্কুলের কোন স্টুডেন্ট তাকে হারাতে পারেনি। </p>
<p>ইরিনা একমনে বোর্ডের দিকে তাকিয়ে আছে। গুটিগুলো সাজিয়েছে অনেকক্ষণ হয়ে গেছে। ইরিনা কোনো গুটি সরাচ্ছে না। কিছু একটা নিয়ে খুব ভাবছে।<br />
&#8211; কিরে এত কি ভাবছিস?<br />
ইরিনা মায়ের কথার কোন উত্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280128"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280128/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c147d98c563f99f95c25cf14236ecdd</guid>
				<title>তোমার নীড়ে
~রুহী (ছদ্মনাম) 

বক পাখিটা আসছে দেখো উড়ে
 আমরা সবাই ফাঁদ পেতেছি বসে 
হয়তো পাবো নয়তো যাব দূরে 
রাস্তা দিয়ে আম জনতার বেশি বেশে।

 চিনবে না কেউ চিনবে না কেউ আমায় 
ঘুরবো আমি সবার সাথে  মিশে 
থাকবো আমি কোন সে গলির কোণায়
 তার কবিতা লিখব বসে বসে।

রাস্তা দিয়ে চলছে গাড়ির বহর
 আমার প্রাণের দীঘার পাড়া গায়ে
 গ্রামটা আমার হয়ে গেছে শহর
 ক্লান্ত আমি প্রিয়তমার ঘায়ে। 

হয়তো আমার ক্লান্তি মুছে যাবে 
সেদিন তুমি আসবে আবার ফিরে 
মুষলধারে বৃষ্টি সেদিন হবে 
ফেরত যেদিন আসবে তোমার নীড়ে। 

তাং ১২।৯।২০২৫ ইং</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268691/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 09:34:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমার নীড়ে<br />
~রুহী (ছদ্মনাম) </p>
<p>বক পাখিটা আসছে দেখো উড়ে<br />
 আমরা সবাই ফাঁদ পেতেছি বসে<br />
হয়তো পাবো নয়তো যাব দূরে<br />
রাস্তা দিয়ে আম জনতার বেশি বেশে।</p>
<p> চিনবে না কেউ চিনবে না কেউ আমায়<br />
ঘুরবো আমি সবার সাথে  মিশে<br />
থাকবো আমি কোন সে গলির কোণায়<br />
 তার কবিতা লিখব বসে বসে।</p>
<p>রাস্তা দিয়ে চলছে গাড়ির বহর<br />
 আমার প্রাণের দীঘার পাড়া গায়ে<br />
 গ্রামটা আমার হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-268691"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/268691/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">26c65e282d10df891d3377c9d173d832</guid>
				<title>কবির নিরবতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/267248/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Aug 2026 00:55:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবির নিরবতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f8111cb8e2e2c494a3c591a1aaccee8d</guid>
				<title>Hasan Amin changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/267247/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Aug 2026 00:52:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7861b50d113f6fea9b0e9e975f288544</guid>
				<title>চলো হারিয়ে যাই
~ রুহি

আমরা সবাই হারিয়ে যেতে চাই, 
দূর গগনে ধূসর নীলিমায় 
মেঘ রূপসীর রূপের মহিমায়
 আমরা সবাই হারিয়ে যেতে চাই।

 আমরা সবাই হারিয়ে যেতে চাই 
রূপকথার ঐ রঙিন সীমানায় 
দুঃখের সাগর পাড়ি দিয়ে আজ 
সুখের দেশে হারিয়ে যেতে চাই। 

  আমরা সবাই হারিয়ে যেতে চাই 
যেথায় পাখির কুজন শোনা যায় 
মন ভাসিয়ে নদীর মোহনায় 
সেই শহরে হারিয়ে যেতে চাই। 

তাং: ৫ই অক্টোবর ২০২১</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266983/</link>
				<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 09:34:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> চলো হারিয়ে যাই<br />
~ রুহি</p>
<p>আমরা সবাই হারিয়ে যেতে চাই,<br />
দূর গগনে ধূসর নীলিমায়<br />
মেঘ রূপসীর রূপের মহিমায়<br />
 আমরা সবাই হারিয়ে যেতে চাই।</p>
<p> আমরা সবাই হারিয়ে যেতে চাই<br />
রূপকথার ঐ রঙিন সীমানায়<br />
দুঃখের সাগর পাড়ি দিয়ে আজ<br />
সুখের দেশে হারিয়ে যেতে চাই। </p>
<p>  আমরা সবাই হারিয়ে যেতে চাই<br />
যেথায় পাখির কুজন শোনা যায়<br />
মন ভাসিয়ে নদীর মোহনায&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266983"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266983/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>