<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | যুবক অনার্য | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/jajan/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/jajan/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for যুবক অনার্য.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 26 Jul 2026 08:30:17 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">ba741b2aee4b6f8c357a686528028e79</guid>
				<title>যুবক অনার্য and Syed Farah are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254302/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Jun 2026 18:27:48 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">907aa414def8184177203cd2eee40f3b</guid>
				<title>রামিসার গল্প
- যুবক অনার্য 

আমরা একটি রামিসার গল্প লিখতে চেয়েছিলাম
যে-গল্পে রামিসা হাসবে খেলবে গাইবে- আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরি...
কিন্তু গল্পটা ওরকম হলো না
আততায়ীরা রামিসার গল্পটা 
রামিসার মতো হতে দিলো না
গল্পটা যেরকম হলো তা আসলে লেখা যায় না
শুধু চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হয়-
এ ধ/র্ষ/ন/পু/রি আমার দেশ না</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250341/</link>
				<pubDate>Fri, 22 May 2026 12:37:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রামিসার গল্প<br />
&#8211; যুবক অনার্য </p>
<p>আমরা একটি রামিসার গল্প লিখতে চেয়েছিলাম<br />
যে-গল্পে রামিসা হাসবে খেলবে গাইবে- আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরি&#8230;<br />
কিন্তু গল্পটা ওরকম হলো না<br />
আততায়ীরা রামিসার গল্পটা<br />
রামিসার মতো হতে দিলো না<br />
গল্পটা যেরকম হলো তা আসলে লেখা যায় না<br />
শুধু চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হয়-<br />
এ ধ/র্ষ/ন/পু/রি আমার দেশ না</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">576cf4ab755cc1344f36e26839f7b086</guid>
				<title>একটি দেশের গল্প
-যুবক অনার্য 


আমি একটি কবিতা লিখতে চাই
কবিতায় থাকবে একটি দেশ
সেই দেশ অন্য এক দেশের ফাঁদে পড়ে
দুই  টুকরো হবে
একটি টুকরোর নাম বাংলাদেশ
সেই টুকরো ফাঁদ পাতা দেশের কাছে পরাধীন হবে
স্বাধীন হতে চেয়ে  মানুষেরা গুম খুন লাশ হবে
সেই দেশে একদিন একটি জুলাই বিপ্লব হবে
একজন হাদি সেই দেশের মুখপাত্র হবে
হাদিকে হত্যা করা হবে
একদিন জুলাই বিপ্লব অস্বীকার করা হবে
মুছে দিতে চাইবে জুলাইয়ের চিহ্ন যাবতীয়
আন্দোলন মিছিল বিপ্লব
স্বাধীনতা পেতে হলে সেই দেশের মানুষকে
আবু সাঈদ মুগ্ধ আনাস ওসমান হাদি হতে হবে
জুলাইয়ের মতো লাল দগদগে ক্ষত নিয়ে
বিক্ষত হতে হতে
সেই দেশ একদিন স্বাধীন বাংলাদেশ হবে
তবে তার আগে কালো কালো অক্ষরে লেখা
ধার করা সংবিধানটি ছুড়ে ফেলতে হবে
প্রকাশের সময়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244554/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 12:47:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি দেশের গল্প<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>আমি একটি কবিতা লিখতে চাই<br />
কবিতায় থাকবে একটি দেশ<br />
সেই দেশ অন্য এক দেশের ফাঁদে পড়ে<br />
দুই  টুকরো হবে<br />
একটি টুকরোর নাম বাংলাদেশ<br />
সেই টুকরো ফাঁদ পাতা দেশের কাছে পরাধীন হবে<br />
স্বাধীন হতে চেয়ে  মানুষেরা গুম খুন লাশ হবে<br />
সেই দেশে একদিন একটি জুলাই বিপ্লব হবে<br />
একজন হাদি সেই দেশের মুখপাত্র হবে<br />
হাদিকে হত্যা করা হবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244554"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244554/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ab6c1138fb3b3b810b96d52e3911305e</guid>
				<title>জঙ্গী নাটক
- যুবক অনার্য

সোন রে হেঁদো সোন বুজতে পারচিস না কেনো
ওকে দিয়ে কাজটা আমরাই করাবো করিয়ে আমাদের কাছে নিয়ে আসবো এনে লুকিয়ে রাখবো রেখে ছেড়ে দোবো ছেড়ে দিয়ে গেরেপ্তার করাবো করে রিমান্ডে দোবো দিয়ে রিমান্ড থেকে বের করে সাংবাদিকদের কাছে ওর মুখ দিয়ে বলাবো এতো যে  হাদি হাদি কচ্চেন হাদি তো ছিলো একটা জঙ্গী  মাইরি বলচি ও সালা ছিলো সাক্ষাত একটা জঙ্গী
কি রে হেঁদো খেলা জমিয়ে দিয়েচি কিনা বল</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240520/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 20:32:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জঙ্গী নাটক<br />
&#8211; যুবক অনার্য</p>
<p>সোন রে হেঁদো সোন বুজতে পারচিস না কেনো<br />
ওকে দিয়ে কাজটা আমরাই করাবো করিয়ে আমাদের কাছে নিয়ে আসবো এনে লুকিয়ে রাখবো রেখে ছেড়ে দোবো ছেড়ে দিয়ে গেরেপ্তার করাবো করে রিমান্ডে দোবো দিয়ে রিমান্ড থেকে বের করে সাংবাদিকদের কাছে ওর মুখ দিয়ে বলাবো এতো যে  হাদি হাদি কচ্চেন হাদি তো ছিলো একটা জঙ্গী  মাইরি বলচি ও সালা ছিলো সাক্ষা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240520"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240520/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">08ff56c55fe6ed43e8d206c6d9a1515a</guid>
				<title>ইনকিলাব জিন্দাবাদ 
-যুবক অনার্য 

ওরা ওরা এবং ওরা 
রাজপথে 
এ দেশ স্বাধীন করতে চেয়ে
শহিদ 
আর
গাজী হলো
অত:পর
ফেরাউন এন্ড গং-এর পতন 
ফেরাউন এন্ড গং পালিয়ে গেলো
ওরা ওরা এবং ওরা এখনো রাজপথে 
এখনো লড়াই এখনো ইনকিলাব 
এখনো কে বা কাহারা 
এখনো সে বা তাহারা 
গোপনে ও প্রকাশ্য তরিকায়
মাটি ধরে হ্যাঁচকা টানের করছে পায়তারা

রাজপথের কসম
খুন হতে হতে খুনি হবো
তবু জুলাই দিবো না
তবু বাংলাদেশ দিবো না</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237408/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Jan 2026 16:19:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইনকিলাব জিন্দাবাদ<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>ওরা ওরা এবং ওরা<br />
রাজপথে<br />
এ দেশ স্বাধীন করতে চেয়ে<br />
শহিদ<br />
আর<br />
গাজী হলো<br />
অত:পর<br />
ফেরাউন এন্ড গং-এর পতন<br />
ফেরাউন এন্ড গং পালিয়ে গেলো<br />
ওরা ওরা এবং ওরা এখনো রাজপথে<br />
এখনো লড়াই এখনো ইনকিলাব<br />
এখনো কে বা কাহারা<br />
এখনো সে বা তাহারা<br />
গোপনে ও প্রকাশ্য তরিকায়<br />
মাটি ধরে হ্যাঁচকা টানের করছে পায়তারা</p>
<p>রাজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237408"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237408/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a4a78b46b850ae162f0b6bab0384321</guid>
				<title>লিঙ্গসমাচার
- যুবক অনার্য

তেনারা এসেছিলেন
অমুককে চেয়ারে বসালেন 
তেনারা এসেছেন 
তমুককে চেয়ারে বসাবেন 
আবারও আসবেন
এসে তমুককে সরিয়ে 
আবার অমুককে বসাবেন 
তেনারা যেভাবে চাইবেন
সেভাবেই চলবে বসাবসি
করাকরি মরামরি
হায় আমাদের কোনো লিঙ্গ নেই 
কেবল যোনি আছে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236842/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Jan 2026 11:04:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লিঙ্গসমাচার<br />
&#8211; যুবক অনার্য</p>
<p>তেনারা এসেছিলেন<br />
অমুককে চেয়ারে বসালেন<br />
তেনারা এসেছেন<br />
তমুককে চেয়ারে বসাবেন<br />
আবারও আসবেন<br />
এসে তমুককে সরিয়ে<br />
আবার অমুককে বসাবেন<br />
তেনারা যেভাবে চাইবেন<br />
সেভাবেই চলবে বসাবসি<br />
করাকরি মরামরি<br />
হায় আমাদের কোনো লিঙ্গ নেই<br />
কেবল যোনি আছে</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3cacbb810f9d1d3c78e233af6f7831e9</guid>
				<title>একটি দেশ 
- যুবক অনার্য 

মেয়েটির বয়স ১৭ বছর
মেয়েটি জুলাইযুদ্ধে রাজপথে 
মিছিলে 
বেয়নেটের সন্মুখে 
দাঁড়িয়ে ছিলো
প্রাগৈতিহাসিক আবু সাঈদের মতো
শহিদ হাদি ভাইয়ের মতোই বলেছিলো-
জান দেবো জুলাই দেবো না
একদিন জুলাই শেষ হলো
জনৈক কুলাংগার
মেয়েটিকে কুপ্রস্তাব দিলো
মেয়েটি প্রত্যাখ্যান করলো
সেই জনৈক মেয়েটির বিরুদ্ধে 
৫০ কোটি টাকার 
চাঁদাবাজির মামলা ঠুকে দিলো 
জনৈক আইনশৃংখলা 
মেয়েটির কাছে চাঁদা চেয়েছিলো
চাঁদা দেয় নি বলে মেয়েটির বয়স
১৮ বছরের বেশি দেখানোর চক্রান্ত হলো
মেয়েটিকে কারাগারে নেয়া হলো
রিমান্ডে দেয়া হলো
কারাগারে নেয়া হলো বস্তুত বাংলাদেশ
রিমান্ডে দেয়া হলো বস্তুত বাংলাদেশ

বাংলাদেশ
যে দেশটি স্বাধীন হবার পরেও বার বার পরাধীন
কোন এক জনৈকদের কাছে 
কোনো এক অন্য ভূগোলের কাছে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236769/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 17:15:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি দেশ<br />
&#8211; যুবক অনার্য </p>
<p>মেয়েটির বয়স ১৭ বছর<br />
মেয়েটি জুলাইযুদ্ধে রাজপথে<br />
মিছিলে<br />
বেয়নেটের সন্মুখে<br />
দাঁড়িয়ে ছিলো<br />
প্রাগৈতিহাসিক আবু সাঈদের মতো<br />
শহিদ হাদি ভাইয়ের মতোই বলেছিলো-<br />
জান দেবো জুলাই দেবো না<br />
একদিন জুলাই শেষ হলো<br />
জনৈক কুলাংগার<br />
মেয়েটিকে কুপ্রস্তাব দিলো<br />
মেয়েটি প্রত্যাখ্যান করলো<br />
সেই জনৈক মেয়েটির বিরুদ্ধে<br />
৫০ কোটি টাকার<br />
চাঁদা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236769"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236769/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">930c9e7d590ab78fbd19857187e3d499</guid>
				<title>শহিদ ওসমান হাদি 
-যুবক অনার্য 

গ্রীষ্মের দাবদাহে এক গ্লাস ঠান্ডা জল 
হতে চেয়েছিলো সে
আষারে তুমুল বর্ষণে 
মাথার উপরে একটি অদম্য ছাতা 
হতে চেয়েছিলো সে
শরতে নদীনগ্নঘাসে সাদা সাদা কাশফুল 
আকাশে অহিংস মেঘ 
হয়ে
ভাসতে চেয়েছিলো সে
হেমন্তে নবান্ন-উৎসব
ফসলের সোনালি রূপালি গান
হতে চেয়েছিলো সে
প্রচন্ড শীতের রাতে 
খড়ের নাড়ায় এক টুকরো আগুন 
হয়ে 
জ্বলতে চেয়েছিলো সে
বসন্তে কোকিকের ঠোঁটে 
স্বাধীনতার কুহু হয়ে বাজতে চেয়েছিলো সে

দাসত্বের মানচিত্রে লড়াইয়ের জায়নামাজ 
হতে চেয়েছিলো সে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236702/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 11:19:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শহিদ ওসমান হাদি<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>গ্রীষ্মের দাবদাহে এক গ্লাস ঠান্ডা জল<br />
হতে চেয়েছিলো সে<br />
আষারে তুমুল বর্ষণে<br />
মাথার উপরে একটি অদম্য ছাতা<br />
হতে চেয়েছিলো সে<br />
শরতে নদীনগ্নঘাসে সাদা সাদা কাশফুল<br />
আকাশে অহিংস মেঘ<br />
হয়ে<br />
ভাসতে চেয়েছিলো সে<br />
হেমন্তে নবান্ন-উৎসব<br />
ফসলের সোনালি রূপালি গান<br />
হতে চেয়েছিলো সে<br />
প্রচন্ড শীতের রাতে<br />
খড়ের নাড়ায় এক টুকরো আগুন<br />
হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236702"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236702/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aba49f0013c7a2cf31c26322fa7216d2</guid>
				<title>এমন স্বপ্ন এক
যুবক অনার্য 

যদি বলতেই হয় বলো এমন এক স্বপ্নের কথা 
যে স্বপ্ন সকলের 
যে স্বপ্ন স্বপ্নের কথা বলে 
যে স্বপ্নে তুমি আছো আমি আছি  
যিনি নেই আছেন তিনিও 
এমন এক স্বপ্ন যে স্বপ্নে বুকভরা স্তন 
স্তনের ভেতরে শালদুধ  
সাদা ভাত ভাতে দুধ দুধে সর
যে স্বপ্নে তোমার দুঃস্বপ্নে 
আমার পাঁজরে বেজে উঠবে কর্কট ক্ষত
তোমার কান্নায় লেখা হবে 
আমার আবর্ণ অশ্রুর প্যানোরামা
এমন স্বপ্ন এক
যেখানে ভিনদেশি কেউ বলবে না
অমুককে চেয়ারটা দাও চেয়ারে বসিয়ে রাখো
তমুককে লাথি মারো সরিয়ে দাও চিরতরে
যে স্বপ্নে আমরাই অভিভাবক আমাদের 
অন্য কোনো দেশ নয় জাতি নয়
এমন স্বপ্ন এক যেখানে অন্য কেউ নয় 
যদি মারতেই হয় তো আমরাই যেনো 
মারতে পারি আমাদের পোঁদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236624/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 13:13:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এমন স্বপ্ন এক<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>যদি বলতেই হয় বলো এমন এক স্বপ্নের কথা<br />
যে স্বপ্ন সকলের<br />
যে স্বপ্ন স্বপ্নের কথা বলে<br />
যে স্বপ্নে তুমি আছো আমি আছি<br />
যিনি নেই আছেন তিনিও<br />
এমন এক স্বপ্ন যে স্বপ্নে বুকভরা স্তন<br />
স্তনের ভেতরে শালদুধ<br />
সাদা ভাত ভাতে দুধ দুধে সর<br />
যে স্বপ্নে তোমার দুঃস্বপ্নে<br />
আমার পাঁজরে বেজে উঠবে কর্কট ক্ষত<br />
তোমার কান্নায় লেখা হবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236624"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236624/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0b6cc62b227041a8c89c3015bc844a89</guid>
				<title>শহিদ হাদি চত্বর 
- যুবক অনার্য 

আমি যখন শহিদ হাদি চত্বরে যাই
চাদ্দিক চিকচিক করছে রোদ্দুর
জনসমুদ্রে ব্যাপক স্লোগান -
আমরা সবাই হাদি হবো 
গুলির মুখে কথা কবো
আগুনমুখর হাদি চত্বরের প্রতিটি মানুষ  
মৃত্যুর মিছিলে হাদি হতে চায়
কারণ মানচিত্রে আধিপত্যের ছোবল
এই ছোবল থেকে মুক্তি-লড়াইয়ে
অগ্রনায়ক শরিফ ওসমান হাদি
আমি যখন হাদি চত্বরে যাই
তখন সমগ্র বাংলাদেশ হাদি হয়ে গেছে

রাত পোহাবার দেরি নেই পাঞ্জেরি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236474/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Dec 2025 09:17:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শহিদ হাদি চত্বর<br />
&#8211; যুবক অনার্য </p>
<p>আমি যখন শহিদ হাদি চত্বরে যাই<br />
চাদ্দিক চিকচিক করছে রোদ্দুর<br />
জনসমুদ্রে ব্যাপক স্লোগান &#8211;<br />
আমরা সবাই হাদি হবো<br />
গুলির মুখে কথা কবো<br />
আগুনমুখর হাদি চত্বরের প্রতিটি মানুষ<br />
মৃত্যুর মিছিলে হাদি হতে চায়<br />
কারণ মানচিত্রে আধিপত্যের ছোবল<br />
এই ছোবল থেকে মুক্তি-লড়াইয়ে<br />
অগ্রনায়ক শরিফ ওসমান হাদি<br />
আমি যখন হাদি চত্বরে যাই<br />
তখন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236474"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236474/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9789a01d126a0b3d1b103503168c0b50</guid>
				<title>তুমি চইলা গিয়া ভালাই করসো 
-যুবক অনার্য 


তুমি চইলা গিয়া ভালাই কর&#x200d;সো
থাইকা গেলে নিসঃঙ্গতা আমারে
বুড়া আঙ্গুল দেখাইতে পারতো না
দিন শেষে মনে হইতো
বাসায় ফিরা লাগবো
সারেং বউয়ের মতো আমার লইগাও
অপেক্ষা করতাসে মিষ্টি একটা বউ
আমার কুনু রুটিন নাইকা
টাইমের ব্যাপারে আমি চিরদিন টেরবেটর
তুমি থাকলে রুটিন মাইনা চলার
প্যারা লইতে হইতো
চইলা গিয়া প্যারা থাইকা বাঁচায়া দিলা
তুমি থাইকা গেলে
নিয়মিত বাজারে যাইতে হইতো
আমি শালার মাছ খাই
কিন্তু কুনটা কী মাছ- চিনি না
তোমার লইগা বাজারে গিয়া
বোকার লাহান জিগাইতে হইতো:
ভাই এইটা কি নলা
নাকি কাইলাবাউশ
একটা রেগুলার চাকরি পাওয়ার লইগা
কতো জনের হাত পাও ধরতে হইতো
গরিব হইলে কি হইবো
আমগো কি ব্যক্তিত্ব নাই
তুমি থাকলে ব্যক্তিত্বের মায়রে বাপ
কইয়া ছোট লোকগুলার কাছে
গলা নিচু কইরা চাকরির কথা কয়া
পরাজয়ের গ্লানি লইয়া
নিজেরে ধিক্কার দিতে হইতো
বড়ো বাঁচান বাঁচাইয়া দিলা
রাইতের বেলা জাইগা থাকি
আকাশের তারাগুলি আমারে গুনে
নিজেরে কবি কবি লাগে
মনে মনে কই হে অধম মানুষেরা
তোমরা আমারে না চিনলে কি হইবো
আকাশের নক্ষত্রগুলান
আমারে ঠিকই চিনে
তুমি থাইকা গেলে এইসব হাইথট
ব্যাপার স্যাপার ক্যামনে হইতো -কও
এখন আমি স্বাধীন বাঙ্গালির চাইতেও
বেশি স্বাধীন
আমার কুনু পিছুটান নাই
আমার লইগা কেউ অপেক্ষা করে না
শুধু মাঝরাইতে পকেট দরজা দিয়া
ঢুকবার টাইমে
রাস্তার পুরান কুত্তাটা কিঁউ কিঁউ
কইরা উঠে
তুমি থাইকা গেলে মাঝরাইতের নেশা
আমারে পাইতো না
মনে হইতো জীবনের হিসাবগুলা
মিলা যাইতাসে
মিলা গেলে আমি আর আমি
হইতে পারতাম না
তুমি চইলা গিয়া ভালাই করসো
থাইকা গেলে পোড়া গন্ধ কারে কয়-
জানা হইতো না
জানা হইতো না – আমারে পায় নাই কেউ
শুধু তুমি পাইসিলা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236219/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 08:08:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি চইলা গিয়া ভালাই করসো<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>তুমি চইলা গিয়া ভালাই কর&#x200d;সো<br />
থাইকা গেলে নিসঃঙ্গতা আমারে<br />
বুড়া আঙ্গুল দেখাইতে পারতো না<br />
দিন শেষে মনে হইতো<br />
বাসায় ফিরা লাগবো<br />
সারেং বউয়ের মতো আমার লইগাও<br />
অপেক্ষা করতাসে মিষ্টি একটা বউ<br />
আমার কুনু রুটিন নাইকা<br />
টাইমের ব্যাপারে আমি চিরদিন টেরবেটর<br />
তুমি থাকলে রুটিন মাইনা চলার<br />
প্যারা লইতে হইতো<br />
চইলা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236219"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236219/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">05b80f2afcbda63a95982725cd117c81</guid>
				<title>বিপ্লব জ্বেলে দি
-যুবক অনার্য 

এখন সময় নয় কথার বুলেটে কাচ ভাঙা 
এখন সময় নয় কাব্যের খই দিয়ে রাঙা
এখন সময় হলো রক্তের বদলা রক্তের
এখন সময় হলো সশস্ত্র যুদ্ধের

এখন-

যখন চাদ্দিক ছেয়ে আছে ঘাতকের নিঃশ্বাস 
বিচারবিহীন এক অবিচারী ত্রাস
ভিনদেশেী বীর্যের ইশারায় দেশীয় কুকুরছানা
খুঁজে ফেরে স্বপ্নের হাড়
ওসমান হাদি ভাই বুলেটবিদ্ধ আর
আততায়ী পালতক শেমিজের তলে
যখন রাষ্ট্র নিজেই যেনো বা খুনি
অপর এক রাষ্ট্রের দাস 
তখন সশস্ত্র যুদ্ধের খুব প্রয়োজন

তখন-

এখনই সময় মৃত্যুকে চুমু দিয়ে 
জন্মের স্বাদ নিতে রাজপথে নামি
কথা নয় বিপ্লব জ্বেলে দি অস্ত্রগন্ধময়
জুলাই আসুক নেমে 
এদেশে শোভা পাক সার্বভৌমত্বময়
এক অথই আগামী</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236218/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 08:00:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিপ্লব জ্বেলে দি<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>এখন সময় নয় কথার বুলেটে কাচ ভাঙা<br />
এখন সময় নয় কাব্যের খই দিয়ে রাঙা<br />
এখন সময় হলো রক্তের বদলা রক্তের<br />
এখন সময় হলো সশস্ত্র যুদ্ধের</p>
<p>এখন-</p>
<p>যখন চাদ্দিক ছেয়ে আছে ঘাতকের নিঃশ্বাস<br />
বিচারবিহীন এক অবিচারী ত্রাস<br />
ভিনদেশেী বীর্যের ইশারায় দেশীয় কুকুরছানা<br />
খুঁজে ফেরে স্বপ্নের হাড়<br />
ওসমান হাদি ভাই বুলেটবিদ্ধ আর<br />
আততা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236218"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236218/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">570633833d221bfe096ead7a5523963a</guid>
				<title>একজন হাদি ভাই

গুলিটা ছোঁড়া হয়েছিলো মাথা বরাবর
টার্গেট মিস হয়ে চোয়াল ভেদ করে চলে গেছে
এই গুলিটা ছোঁড়া হচ্ছে বহুকাল আগে থেকে
বার বার ছুঁড়ে দিচ্ছে 
যেনো দেশ দখল করে নিতে পারে 
প্রকাশ্য দিবালোকে 
বিশ্ববাসীকে কাচকলা দেখিয়ে
সম্প্রতি হাদী ভাইকে সরিয়ে দিয়ে 
দখলের কাজ এগিয়ে নিতে চাইলো 
আরো এক ধাপ

কিন্তু
আসলে
বাংলাদেশ দখল করার কোনো গুলি 
এই পৃথিবীতে কোথাও নাই
কারণ বাংলাদেশে আছে একজন হাদী ভাই</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236110/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 08:13:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একজন হাদি ভাই</p>
<p>গুলিটা ছোঁড়া হয়েছিলো মাথা বরাবর<br />
টার্গেট মিস হয়ে চোয়াল ভেদ করে চলে গেছে<br />
এই গুলিটা ছোঁড়া হচ্ছে বহুকাল আগে থেকে<br />
বার বার ছুঁড়ে দিচ্ছে<br />
যেনো দেশ দখল করে নিতে পারে<br />
প্রকাশ্য দিবালোকে<br />
বিশ্ববাসীকে কাচকলা দেখিয়ে<br />
সম্প্রতি হাদী ভাইকে সরিয়ে দিয়ে<br />
দখলের কাজ এগিয়ে নিতে চাইলো<br />
আরো এক ধাপ</p>
<p>কিন্তু<br />
আসলে<br />
বাংলাদেশ দখল করার কোনো গুলি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236110"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236110/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d377e7b4bad74c15e94ed4c3463aa441</guid>
				<title>মৎসগন্ধা নারী
- যুবক অনার্য 

একদিন চাঁদপ্রহরে তবে এসো;কচুরি ফুলের মালা জড়াবো তোমায়,তুমি স্বপ্ন ভেঙে দিতে তবু এসো
দুঃস্বপ্ন দু’হাতে তুলে। বিলের সংগোপনে ওধারে মাছলাগা নদী, তুমি মৎস্যগন্ধা সুরে ভেসে এসে
সেই জলে জলছবি এঁকো- সে ছবি 
যে আমাকে রেখেছে দূরে নিরর্থ দর্শক করে
আমি – তাই হতে পেরে এ জীবনে
যেনো পূর্ণরপ্রাণ ফিরে পাবো- ততোধিক
মাকালচূড়া বুঝি!
গ্রামের মধ্য দিয়ে মৌসুমি ফুল, কাহাদের বাড়ি, সে গন্ধবিলিয়ে দিয়ে আসে; আমি সেই পথ বেয়ে
পেছনে হেঁটে হেঁটে নিজেকে বামন করে রাখি নি কোনোদিন তবু ‘রঙ্গিলা কারো সাথে প্রেম করে নি’-
কি করে বোঝাবো আমিও চাইনি তাহারে ঘুমঘোরে।
 হে শঙ্খিনী মৎস্যগন্ধা এক অনির্ণেয় নারী
বাজঝড় প্রতিবার হবে জানি 
কেউ তো শ্মশানগামী হবে 
তোমার সিথানে রবে ঘুম; 
বিলের ওধারে সংগোপনে নদী ও মিন জন্ম যাহাদের আমি তো সেই জল
পেরিয়ে গেছি কোন কালে সেই কতো আগে,
এখনো ভাবছো কেনো ভুলে গিয়ে বার বার শুধুই আমারে!
গণিতে কাঁচা পাঠশালা সেই কথা জানে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235870/</link>
				<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 10:03:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মৎসগন্ধা নারী<br />
&#8211; যুবক অনার্য </p>
<p>একদিন চাঁদপ্রহরে তবে এসো;কচুরি ফুলের মালা জড়াবো তোমায়,তুমি স্বপ্ন ভেঙে দিতে তবু এসো<br />
দুঃস্বপ্ন দু’হাতে তুলে। বিলের সংগোপনে ওধারে মাছলাগা নদী, তুমি মৎস্যগন্ধা সুরে ভেসে এসে<br />
সেই জলে জলছবি এঁকো- সে ছবি<br />
যে আমাকে রেখেছে দূরে নিরর্থ দর্শক করে<br />
আমি – তাই হতে পেরে এ জীবনে<br />
যেনো পূর্ণরপ্রাণ ফিরে পাবো- ততোধিক<br />
মাকালচূড়া ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235870"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235870/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2ce921bd840def0c123626c927fa6924</guid>
				<title>প্রেমের কবিতা 
- যুবক অনার্য 


প্রেমে যাচ্ছো ফেঁসে, মাহবুবা
আজ তবে থাক

নিরালায় থেকো না একা
দেয়ালের ওপাশে
অপেক্ষার মতো

এই যে অবারিত
বুকের পাঁজর
যেখানে চিরদিন
দুঃস্বপ্ন করে বসবাস
এসবের মানে হয় কোনো

সুখ তোমাকে থাকে ছুঁয়ে
চিরদিন অন্ধের মতো
এসবের আদতে মানে হয় কোনো

এই তুমুল বর্ষণে
অথবা অকারণে
কেমন কেমন করে মন
মানে হলো
প্রেম এসে গেছে
এ কথা বুঝতে কি পারো

মন ভরে কাঁদো, মাহবুবা
পৃথিবীতে আজ
ভুল কারো হাতে
প্রেম
ছিনতাই হয়ে গেছে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235525/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 17:53:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেমের কবিতা<br />
&#8211; যুবক অনার্য </p>
<p>প্রেমে যাচ্ছো ফেঁসে, মাহবুবা<br />
আজ তবে থাক</p>
<p>নিরালায় থেকো না একা<br />
দেয়ালের ওপাশে<br />
অপেক্ষার মতো</p>
<p>এই যে অবারিত<br />
বুকের পাঁজর<br />
যেখানে চিরদিন<br />
দুঃস্বপ্ন করে বসবাস<br />
এসবের মানে হয় কোনো</p>
<p>সুখ তোমাকে থাকে ছুঁয়ে<br />
চিরদিন অন্ধের মতো<br />
এসবের আদতে মানে হয় কোনো</p>
<p>এই তুমুল বর্ষণে<br />
অথবা অকারণে<br />
কেমন কেমন করে ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235525"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235525/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">97e9ab01d8a534dffb623c1ed287af68</guid>
				<title>আমি
-যুবক অনার্য 


আমি। প্রাতিষ্ঠানিক নই। প্রতিষ্ঠান-বিরোধী হতে গিয়ে নিজেই হয়ে উঠিনি এক প্রতিষ্ঠান।
বড়োজোর তোমাদের অই পারফিউম মাখা আধুনিকতাকে স্রেফ অস্বীকার করেছিলাম।
স্বীকৃতি দিতে চেয়েছিলাম আমার ঘাম আর জমাটবদ্ধ রক্তের দুর্গন্ধকে।

আমি। প্রেমিকাকে বুকে নিয়ে ভাবি গণিকাগমনের কথা।
গণিকালয়ে গিয়ে প্রেমিকার মুখ ভেসে উঠে বোলে অনুতপ্ত হইনি কোনোদিন কারণ আমি জানি- প্রেম ও কাম
এক নয়, কারণ আমি জানি – প্রেম ও কাম আলাদা নয়।

আমি। যাকে প্রতিষ্ঠান বলেছিলো ” সাহিত্যের জারজ”, কারণ আমি কবিতায়
অবমুক্ত করে দিয়েছিলাম শাব্দিক অবদমন।

আমি। মনীষার সংগে প্রেম করতে গিয়ে জেনে গেছি- অধিকাংশ সিঁদুর পরিহিত মহিলার
ধর্ম নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা নেই যেরকম আছে সেইসব পুরুষের যারা সিঁদুর পরান এক রমণীকে আর ভালোবাসেন অন্য রমণী।

আমি। কথা বলার সময় পোঁদ ব্যবহার না করে ব্যবহার করি মুখ। মল ত্যাগ করার জন্য
মুখ নয়, ব্যবহার করি পোঁদ। তাই প্রতিষ্ঠান আমাকে ঘোষণা করেছিলো “সাহিত্যের বাতিলমাল”।

আমি। হ্যাঁ, আমি। সুদর্শনাকে ভালোবাসি বোলে বন্ধুরা হয়ে উঠেছিলো ঈর্ষাপরায়ণ,
এ কথা জানবার পরেও যে- সুদর্শনা আমাকে ভালোবাসেনি কোনোদিন।
সুদর্শনাও আমাকে ভালোবেসে ফেললে বন্ধুরা আমাকে ও আমার কবিতাকে খুন ক’রে
এক সংগে চালান করে দিতো সুদর্শনাদের বাড়ির কাছে শ্মশানঘাটায়।
বন্ধুদের ঈর্ষাকাতরতায় আমি এক ধরনের অর্থহীন পরাজয়ের গন্ধ পেয়েছিলাম যেরকম দেবতা পরাজিত হয়ে যায় পূজারীর কাছে!

আমি। না ঘুমিয়ে দুই যুগ কাটিয়ে দিয়েছিলাম শুধু কবিতায় একটিমাত্র সত্যকে আবিষ্কার করতে গিয়ে – “শব্দের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই”!

আমি। গার্হস্থ্য জীবন শিখিনি- শিখিনি সন্ন্যাসব্রত। আমি কেবল মৃত্যুর বিনিময়ে পেতে চেয়েছিলাম জীবনের স্বাদ,
যে-জীবন ভালোবেসে আজীবন থেকে যায় ফেরারি আসামি যেমন।

তাই গঙ্গাজল আর সমুদ্রজলের মধ্যে মিঠা-নোনা ছাড়া অন্য কোনো তফাৎ আছে কিনা আমার জানা হলো না আজও!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231819/</link>
				<pubDate>Fri, 01 Aug 2025 22:12:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>আমি। প্রাতিষ্ঠানিক নই। প্রতিষ্ঠান-বিরোধী হতে গিয়ে নিজেই হয়ে উঠিনি এক প্রতিষ্ঠান।<br />
বড়োজোর তোমাদের অই পারফিউম মাখা আধুনিকতাকে স্রেফ অস্বীকার করেছিলাম।<br />
স্বীকৃতি দিতে চেয়েছিলাম আমার ঘাম আর জমাটবদ্ধ রক্তের দুর্গন্ধকে।</p>
<p>আমি। প্রেমিকাকে বুকে নিয়ে ভাবি গণিকাগমনের কথা।<br />
গণিকালয়ে গিয়ে প্রেমিকার মুখ ভেসে উঠে বোলে অনুতপ্ত হই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231819"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231819/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">359640c8c217e71a2ccc06b7c22fa770</guid>
				<title>আমার একটা তুমি চাই
যুবক অনার্য 

আমার হতে না হতেই 
হয়তো বা অন্য কারো তুমি,
হাত বদলে নেবে বহুবার-
রোদ্দুরে তুমি আমি কাটবে সারাটা দুপুর রিক্সায় নামিয়ে হুড,তার পর 
বৃষ্টিতে জলভেজা হবে আরও কনজাস্টেড
অন্য কারো সঙ্গে হুড উঠিয়ে যখন সন্ধাবেলা কোমল অন্ধকার।
অন্য কত জনের সঙ্গে একসঙ্গে আমাকেও রাখবে অপেক্ষমান নীলক্ষেতে তেহারি-দোকানে-দোতলায়
ফুরাতে ফুরাতে এশট্রেতে ক্লান্ত হবে আমারও সিগ্রেট
পার্কের বেঞ্চিতে শিল্পীত ভঙিমায় রবীন্দ্র সংগীত শোনাতে গিয়ে কতজনের এলিয়ে পড়বে কাধে
আমার স্ক্যাজুল হয়তো নেক্সট রবিবার 
এক হপ্তা ধরে সে কি তোলপাড় করা অপেক্ষা আর প্রহর গুণে গুণে রক্তচাপ 
অতিক্রম করে যাওয়া ২০০/১২০ প্লাস
বন্ধুর ফ্ল্যাটে ১০০ রাত রক্তক্ষরণ গোপন অভিসার,
তবু সংঘাত সংঘর্ষ ভুলভুঝাবুঝি ছাড়াই হয়তো বলে দেবে- তুমি নক করবে না আমাকে কোনোদিন আর..
মেরুন রঙা বিয়ে-কার্ড পাঠিয়ে দেবে ২০০ অতিরিক্ত জনের কাছে যারা প্রত্যেকেই তোমার ব্যক্তিগত প্রতিটি ভাঁজ চিনে নেয়া প্রাক্তন
সেই কার্ড আমার কাছে পৌঁছুবে 
ঠিক কতজন পেরিয়ে - জানতে পাবো কি বিন্দু বিসর্গ তার! 
বিয়ের পর দৈবাৎ নিউমার্কেট কিংবা দেখা হলে রবীন্দ্র সরোবর, 
বরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে - এ হলো ক্লাসমেট ক্যাম্পাসে আমাদের লাজুক আর কবিতায় নিলাজ অবিনাশ।
বরকে নিয়ে রিক্সায় তার পর - বলবে যেতে যেতে- জানো অবিনাশটা আমাকে জ্বালাতো দ্বিগুণ, সারাক্ষণ পেছনে ঘুর ঘুর ;ধমকে দিলেও অশ্লীল -শুনতো না কিছুতেই।হা হা হা।

এসব কিছুই সত্য তুমুল - ধ্রুব তারকার মতো
সত্য যে তুমি কখনোই আমার ছিলে না,
হবেও না কোনোদিন 
বাসো নি বাসবে না ভালো মুহুর্ত কাল;
তবু আমার একটা তুমি চাই
তবু আমি নষ্ট হয়ে যাওয়া তোমাকেই চাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/227719/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Mar 2025 19:52:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার একটা তুমি চাই<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>আমার হতে না হতেই<br />
হয়তো বা অন্য কারো তুমি,<br />
হাত বদলে নেবে বহুবার-<br />
রোদ্দুরে তুমি আমি কাটবে সারাটা দুপুর রিক্সায় নামিয়ে হুড,তার পর<br />
বৃষ্টিতে জলভেজা হবে আরও কনজাস্টেড<br />
অন্য কারো সঙ্গে হুড উঠিয়ে যখন সন্ধাবেলা কোমল অন্ধকার।<br />
অন্য কত জনের সঙ্গে একসঙ্গে আমাকেও রাখবে অপেক্ষমান নীলক্ষেতে তেহারি-দোকানে-দোতলায়<br />
ফুরাতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-227719"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/227719/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">617b98f81fd6cab0c6604d527fdd82e5</guid>
				<title>ঘুমন্ত বৌদির পাশে
-যুবক অনার্য 


সত্যদা, কেমন আছো তুমি?তুমি কেমন আছো- সে কথা আমার জানা হয়ে যায়।
 তোমার সঙ্গে যোগাযোগ আছে মনিষার, আমারও ওর সঙ্গে আছে যোগাযোগ। বৌদি বিনি আর মান্তুকে নিয়ে তোমার সুখদ ব্যস্ততা ১০ টা ৫ টা অফিস পৌষ পার্বণ উৎসব মুখর সন্ধ্যাচার সম্বৎসর হাওয়া বদল আর যা কিছু প্রথানুগ- কেটে যাচ্ছে যাপিত জীবন। এর মাঝখানেও কোথাও একটা অদ্ভুত শূন্যতা তোমার বুকের মধ্যে জেগে থাকে গুপ্ত ঘাতকের মতো সহস্র নীরবতা নিয়ে।এসব কিছু আমার জানা হয়ে যায় মনিষার কাছেই।জানি- তোমার এই শূন্যতার জন্য যে মেয়েটি দায়ী সে আর কেউ নয়, সে হলো আমি।কী করবো বলো- তোমার আর বৌদির মাঝখানে কোথাও একটা কিন্তু’র
 সাময়িক নড়বড়ে ভূমিকায় তৈরি হলো যে-স্পেস, সেখানে আমি আগন্তুকের মতো গেঁথে গেলাম- নিয়তিবিদ্ধ হয়ে – এরকম হওয়াই হয়তো স্বাভাবিক। তারপর যা হবার হলো তাই।তোমাদের ঝামেলা চুকেবুকে সব ঠিকঠাক হয়ে গেলো।তখন আমি নিশ্চয়ই ভীষণ বেমানান আর অনাকাঙ্ক্ষিত ঝড়ের মতন খুব অপাংক্তেয় কেউ।বরং নিজেকেই আমার খুব দায়ী মনে হলো।অথচ তুমি আমাকে কখনোই দায়ী করো নি।সমস্ত দায় তুমি নিজের কাঁধেই নিয়েছিলে আর সমস্ত অপরাধবোধ।সত্যদা, আমি হয়তো অতোটা বুদ্ধিমতি নই কিন্তু এটুকু বুঝতে পারি – উদ্ভুত পরিস্থিতির কাছে তুমি ছিলে অসম্ভব অসহায় ঠিক যেনো পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়া পাথরের মতো।জানি- এসব ভেবে এখনো তুমি প্রায়শ নিদ্রাহীন রাত্রি কাটিয়ে দাও ঘুমন্ত বৌদির পাশে নিঃসঙ্গ জানালার মতো।থাক না ওসব।এরচে’ বরং সেই সরল বাক্যটি মেনে নাও- ঈশ্বর যা করেন মঙ্গলের জন্যই  করেন।
তবে আজ মনিষার কাছে একটি কথা শুনে আমার ভালোই লাগছে। মনিষা বলছিলো- তুমি আমার আর তোমাদের জামাইবাবুর সাম্প্রতিক একটি ফটোগ্রাফ দেখে বলেছো- আমি আমার বরকে নিয়ে খুব সুখে আছি।ফটোগ্রাফে নাকি স্পষ্ট ভেসে উঠেছে আমার উপচে পড়া সুখ।নিজেকে তুমি নাকি ক্ষমা করতে  পেরেছো কিছুটা হলেও, কিছুটা হলেও তোমার কেটে গেছে অপরাধবোধ।
আমি সুখী হই বা না হই, তুমি যে হালকা বোধ করছো- এটা আমার অনেক বেশি পাওয়া, যা পেলে মনে হয়- পাওয়ার খুব কিছু তো বাকী নেই আর।
ছবির হাসি আর মুখের হাসি কখনো এক নয় – এ কথা, সত্যদা, আমি তোমার কাছে পোঁছে যেতে দেবো না কোনোদিন কেননা পৌঁছে গেলে ঘুমন্ত বৌদির পাশে তোমার রাত্রিগুলো থেকে যাবে নির্ঘুম আর দুঃস্বপ্নময়।তারচে’ বরং এই ভালো – ছবির অই কৃত্রিম হাসিটুকু অকৃত্রিম ভেবে তুমি ঘুমিয়ে পড়ো খুব কল্পিত সান্ত্বনা নিয়ে।আমি না হয় তোমার কাছে থেকে গেলাম সত্যদাহীন সুখের এক মিথ্যে ছবি হয়ে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/227136/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Mar 2025 21:04:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঘুমন্ত বৌদির পাশে<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>সত্যদা, কেমন আছো তুমি?তুমি কেমন আছো- সে কথা আমার জানা হয়ে যায়।<br />
 তোমার সঙ্গে যোগাযোগ আছে মনিষার, আমারও ওর সঙ্গে আছে যোগাযোগ। বৌদি বিনি আর মান্তুকে নিয়ে তোমার সুখদ ব্যস্ততা ১০ টা ৫ টা অফিস পৌষ পার্বণ উৎসব মুখর সন্ধ্যাচার সম্বৎসর হাওয়া বদল আর যা কিছু প্রথানুগ- কেটে যাচ্ছে যাপিত জীবন। এর মাঝখানেও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-227136"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/227136/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">67065022817a3dda0679db647c8b3c30</guid>
				<title>মঞ্চস্থ দৃশ্যহীনতা
-যুবক অনার্য 



সাঁইজির আখড়া থেকে ফেরার পথে সেদিন আমার পাশে বিনি খুব ক্লান্ত আর ঘুমে ঢুলু ঢুলু চোখ।গোপন দীর্ঘশ্বাস লুকোনোর মতো বাসনা নিয়ে আমি চাইছিলুম – সে তার মুখের পার্শ্বদেশ আমার অপেক্ষমাণ কাঁধে  এলিয়ে দিক।চাইলেই কি সবকিছু হয়! যা চাই কখনো হয়ে ওঠে না,হয়নি সেদিনও। বিনি কিছু না বোলেই একদম পেছনে গিয়ে রিলেক্স ভঙিমায়  মাইক্রোর সিটে নিজেকে এলিয়ে দিলো আর ঘুমিয়ে পড়লো  কিছুক্ষণের মধ্যেই। মাইক্রোর অই জড় সিটটাকেও আমার ভারী ঈর্ষা হচ্ছিলো।না,সম্ভাব্য সুযোগ থাকা স্বত্ত্বেও সেদিন কিছুই হলো না।
মেয়েদের সঙ্গে একটু যেচে কথা বোলবার অভ্যেস  আমার ততোদিনে রপ্ত হয়ে গেছে।ইচ্ছে ছিলো নদীর সঙ্গে হয়ে যাক না হয় আলতোরঙের খুনসুটি আজ।কলেজ করিডোর।বিপরীত দিক থেকে হেঁটে আসছিলো নদী – আনমনে।আমিও কি ছিলাম অন্যমনস্ক কোনো কবি! ধাক্কাটা প্রায় লেগেই যাচ্ছিলো।সম্পুর্ণই দু’জনের অনিচ্ছেয়।ইচ্ছে করে ধাক্কা লাগানো কোনো কাব্যিক কথা নয় বরং এক ধরনের অসভ্যতা।অনিচ্ছাকৃত লেগে গেলে দোষের কিছু নেই। ইশ্ কেনো যে লাগলো না- ভাবলেই সকালটা মাটি হয়ে যায়। লেগে গেলে অন্তত একটা ছোটোখাটো মধুর স্মৃতি  দাঁড়িয়ে যেতো, আটকে থাকতো স্মৃতির ফ্রেমে।হলো না! অগত্যা নদীকে বোল্লাম: ডান হাতটা মেলে ধর।বুঝতে না পেরে বোল্লো: বুঝি নি।বোল্লাম : পেট্রোল ঢেলে  হাতের তালু আগুনে পুড়িয়ে দেবো।মেলে ধর।  কিছুমাত্র অবাক না হয়ে সে মেলে ধরলো কারণ ওর জানা ছিল আমি এইরকমই। ওর হাতের তালুতে আমি লিখে দিলাম ০৯৮৭৬৫৪৩২১। লিখবার সময় ওর ডান হাতটা আমার বাম হাতে ধরে আমার ডান হাত দিয়ে ডিজিটগুলো লিখে দিলে  বেশ কেমন কেমন একটা অনুভূতির অভিজ্ঞতা হয়ে যেতো নিশ্চয়ই। শুধু আমার উদ্দেশে মেলে ধরা নদীর হাত ছুঁতে গিয়ে যেনো বা সংকোচ হলো।ছোঁয়াছুঁয়ি সংস্কার অতিক্রম করতে পারি নি তখনো। না ধরেই মুদ্রিত ক’রে দিলাম আমার ব্যক্তিগত সেল নাম্বার।মঞ্চস্থ্য হলো না কাঙ্খিত দৃশ্যের অনুভুতিমালা।নদীও আমাকে বাজায় নি মানে রিং করে নি কোনোদিন।
সেবার পিকনিক ঈঁশা খা লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর। যাদুঘরের ভেতরে ঘরগুলো রহস্যময় সুরঙের মতো বহমান।আমি জরির পেছনে পেছনে যাচ্ছিলাম যেভাবে গোয়েন্দা বিভাগের লোক উদ্দিষ্ট কাউকে অনুসরণ করে সন্তর্পণে। জরি কি টের পাচ্ছিলো!আমার প্ল্যান – কোনো একটা  ঘরে জরিকে একলা পেলেই আকস্মিক মুখোমুখি দাঁড়িয়ে খুব গাঢ় চোখে অনন্তকাল ধরে তাকিয়ে থাকবো ওর চোখের গভীরে কাচভাঙা পাথরের মতো। না,কোনো কক্ষেই জরি একলা নয়,কেউ না কেউ আমাদের বা অন্য দলের প্রতিটি কক্ষেই জরির সঙ্গে একসঙ্গে হেঁটে যাচ্ছিলো।যেনো সবাই মিলে আমার বিরুদ্ধে গোপন আর প্রকাশ্য ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলো।জরির চোখে তাকিয়ে থাকবার সেই  প্রাগৈতিহাসিক ঘটনাটি ঘটে উঠলো না কিছুতেই।
পরের বার ময়নামতি। পাহাড়গুলো দেখলেই বুকের মধ্যে কেমন একটা শূন্যতা দুলে ওঠে। মনে হয় কেউ একজন – যার ঠোঁটে ভেসে ওঠে মন্দিরের ফেলে আসা নিঃসঙ্গতা – যেনো কিছুতেই উঠতে পারছে না পাহাড়ি শরীর বেয়ে।আমি হাত ধরে একটু একটু করে তার- উঠিয়ে নেই,উঠে যাই পাহাড় চূড়ায়। তার পর পাহাড়  থেকে ঝাঁপ দিয়ে দু’জনে একসঙ্গে  মরে যাই।মনিষা চাইছিলো পাহাড় বেয়ে উঠে  যেতে- সঙ্গে কৃষ্ণা,তিথি আর আরো কেউ কেউ।একি! মনিষার সঙ্গে তো কেউ নেই।কোথায় গেলো সব? মনিষা যদি গড়িয়ে পড়ে যায়!  অইতো হাতটা তো আমার দিকেই বাড়িয়ে আছে।নিশ্চয়ই মনিষা আমাকে ধরেই উঠতে চাইছে।আমি ছাড়া যে পাহাড়ের কোথাও কেউ নেই।শুধু আমি আর শুধু মনি।মনিষাকে হাত ধরে তুলে আনবার জন্য অই মুহূর্তে আমার উপস্থিতিই একমাত্র যোগ্যতা। অন্য কোনো বিশেষণে তখোন যোগ্য হয়ে উঠবার সত্যিই কোনো প্রয়োজন নেই।বাহ্ আমি তো অবিকল এইভাবে চেয়েছিলাম-এমন আবহমান কাল ধরেই।একগুচ্ছ হাসির শব্দে আমার বিভ্রম ভেঙে গেলো। কল্পিত দৃশ্যসজ্জা ছিলো আমার অবচেতন- ঘোর।মনিষার সঙ্গে আছে সকলেই ঠিক পাঠশালার অই বাক্যটির মতো-” নুরু পশি আয়শা শফি সবাই এসেছে/ আম বাগিচার চলায় যেনো তারা হেসেছে”। আমাকে ওর দিকে স্ট্রেইট তাকিয়ে থাকতে দেখে ওরা হেসে উঠেছিলো।লজ্জা কাটানোর উপায় খুঁজে না পেয়ে মনে হচ্ছিলো পাহাড় থেকে ঝাঁপ দিয়ে সত্যি সত্যি মরে যাই।মনিষা সেইদিন বা অন্য কোনোদিন আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় নি। আসলে আমার উদ্দেশে বাড়িয়ে রাখবে হাত – পৃথিবীতে এমন কোনো মনিষা নেই।আমার কাঁধে এলিয়ে দিবে মুখ – এমন কোনো বিনি নেই।
নেই কোনো জরি যার চোখে প্রাগৈতিহাসিক আমার চোখ।মুঠোফোনে বোলবে না কোনো নদী: অবিনাশ,আজ বোলবো না কিছুই,শুধু লুট করবো সমস্ত দীর্ঘশ্বাস। আমাকে তুই এমন করে খুন করলি কেনো!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/227067/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Mar 2025 15:15:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মঞ্চস্থ দৃশ্যহীনতা<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>সাঁইজির আখড়া থেকে ফেরার পথে সেদিন আমার পাশে বিনি খুব ক্লান্ত আর ঘুমে ঢুলু ঢুলু চোখ।গোপন দীর্ঘশ্বাস লুকোনোর মতো বাসনা নিয়ে আমি চাইছিলুম – সে তার মুখের পার্শ্বদেশ আমার অপেক্ষমাণ কাঁধে  এলিয়ে দিক।চাইলেই কি সবকিছু হয়! যা চাই কখনো হয়ে ওঠে না,হয়নি সেদিনও। বিনি কিছু না বোলেই একদম পেছনে গিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-227067"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/227067/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aad7662c48575c9f5b50b404bf5c74f7</guid>
				<title>যুবক অনার্য changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226346/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 11:26:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1beacdb9e4fe8086fc96de5b66a8bfd6</guid>
				<title>যুবক অনার্য changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226340/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 08:30:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d1aaa76b9a5a7d828bf87911632cd7b3</guid>
				<title>আয়নাঘর
যুবক অনার্য 

কবেকার পুরনো এক সংক্ষিপ্ত ঘর, 
দেয়ালের পলেস্তারা খসে গেছে
মাকড়শা নীরবে বুনেছে জাল 
সিলিং পড়েছে ঝুলে
সারাক্ষণ এগজোস্ট ফ্যানের বিকট আওয়াজ
নিরাপদ দূরত্বে সাদা পোশাকের
 জ্যামিতিক পায়চারী 
শীতল স্যাঁতসেঁতে গন্ধের কলরব -
এ ঘরে আমি খুব একা 
মেঝেয় আত্মক্ষরণের ঘন দাগ  
লালচে হয়ে গেছে ;
জমে আছে অজস্র 
অনিদ্রিত রাতের নস্টালজিয়া - 
পারুদি&#039; র হলদে মাখা হাত,
চাদরে ঢেকে রাখা কাটা রাইফেল 
বুক পকেটে কার্তুজ । 
অনেক বছর যেন সহস্র বছর 
ধরেই এ ঘর হয়েছে পোয়াতি 
স্পষ্টভাষী মানুষের ভিড়ে!
কী আছে এ ঘরে- শূন্যতা 
একবুক দীর্ঘশ্বাস 
সমুহ মৃত্যুর অপেক্ষায় প্রহর 
গুনে চলা, চোখে নিয়ে 
নিস্ফল দুফোঁটা জল। 
এখানে কোনোরকম ঢুকে পড়লেই 
বুঝে নিতে হয় -  বেঁচে থাকা 
এক আশ্চর্য ম্যাজিক।

নির্জন এ ঘরে বৃষ্টি গড়িয়ে 
পড়বার মতন 
অস্পষ্ট শব্দে মনে পড়ে- 
আমি  বলতে চেয়েছিলাম  - 
আমাকে মেরে ফেললেও  
মেরে ফেলতে পারবে না 
আমার বেঁচে থাকবার কৌশল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226337/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 07:09:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আয়নাঘর<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>কবেকার পুরনো এক সংক্ষিপ্ত ঘর,<br />
দেয়ালের পলেস্তারা খসে গেছে<br />
মাকড়শা নীরবে বুনেছে জাল<br />
সিলিং পড়েছে ঝুলে<br />
সারাক্ষণ এগজোস্ট ফ্যানের বিকট আওয়াজ<br />
নিরাপদ দূরত্বে সাদা পোশাকের<br />
 জ্যামিতিক পায়চারী<br />
শীতল স্যাঁতসেঁতে গন্ধের কলরব &#8211;<br />
এ ঘরে আমি খুব একা<br />
মেঝেয় আত্মক্ষরণের ঘন দাগ<br />
লালচে হয়ে গেছে ;<br />
জমে আছে অজস্র<br />
অনিদ্রিত রাতের নস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-226337"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/226337/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b902939e205f160703e2a495765376de</guid>
				<title>বিষণ্ন আত্মা
-যুবক অনার্য 

&#039;বিষণ্ন আত্মার আত্মীয় তুমি,
আমি আমি সঙ্গী- নিঃসঙ্গতার।&#039;
&#039;অনন্ত সুখের অস্তিত্ব তুমি,
আমি চিহ্ন- অস্তিত্বহীনতার&#039;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226312/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 08:40:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিষণ্ন আত্মা<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>&#8216;বিষণ্ন আত্মার আত্মীয় তুমি,<br />
আমি আমি সঙ্গী- নিঃসঙ্গতার।&#8217;<br />
&#8216;অনন্ত সুখের অস্তিত্ব তুমি,<br />
আমি চিহ্ন- অস্তিত্বহীনতার&#8217;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3952c08c0608a318c576719a59c3d659</guid>
				<title>লগ্ন
—যুবক অনার্য

বিয়ের দিন আমার লগ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিলো
তাই ধর্ম আর সমাজ আমাকে চিহ্নিত করেছে লগ্নভ্রষ্টা বোলে
আমার আর কোনোদিন বিয়ে হবে না
আমি এসব বিধির বাইরে ছিলাম আজীবন
আর বাইরে ছিলাম বোলেই আলফ্রেডের সঙ্গে আমার প্রেম হয়ে গেলো
আলফ্রেড জানতে চেয়েছিলো লগ্নভাঙা
কাকে বলে
ভেঙে গেলে সমস্যাটা কী
ইংরেজি অনুবাদে আমি ওকে
বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলাম-
লগ্নভ্রষ্টা নারীর বিয়ে হলে
মানুষেরা দলবেঁধে নরকে যাবে
কিন্তু আমি ওকে কিছুই পারিনি বোঝাতে
যখন সে প্রশ্ন করেছিলো-
লগ্নভ্রষ্টার বিয়ে হলে স্রষ্টার সমস্যা কোথায়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225887/</link>
				<pubDate>Sat, 01 Feb 2025 07:39:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লগ্ন<br />
—যুবক অনার্য</p>
<p>বিয়ের দিন আমার লগ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিলো<br />
তাই ধর্ম আর সমাজ আমাকে চিহ্নিত করেছে লগ্নভ্রষ্টা বোলে<br />
আমার আর কোনোদিন বিয়ে হবে না<br />
আমি এসব বিধির বাইরে ছিলাম আজীবন<br />
আর বাইরে ছিলাম বোলেই আলফ্রেডের সঙ্গে আমার প্রেম হয়ে গেলো<br />
আলফ্রেড জানতে চেয়েছিলো লগ্নভাঙা<br />
কাকে বলে<br />
ভেঙে গেলে সমস্যাটা কী<br />
ইংরেজি অনুবাদে আমি ওকে<br />
বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলাম-&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225887"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225887/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f46fb910c5d06889fa93fb7a1c281217</guid>
				<title>প্রেম একদিন 
যুবক অনার্য

কী এক নীল বেদনা নিয়ে ঘুরি ফিরি
প্রশ্ন করি- আমার যৌবন আজ কোথায় দাঁড়াবে।
প্রশ্ন করি -এই যে সবুজস্নাত প্রেমময় স্বদেশ আমার,
কোথায় দাঁড়িয়ে আছে সে!
নাকি ভেসে গেছে অথই জলে,
চলে গেছে অন্য কোনো ঘরে!
হে আকাশ হে মাটি হে অনাবৃতগোপন পৃথিবী আমার, চাই নি তো চেতনার ঘরে
অস্পৃশ্য অমানিশা
চাইনি শুধু আমার কলসেই জল
চেয়েছিলাম -তুমি তোমার কথা বলো
বলতে দাও আমার কথা আমাকেও
চেয়েছিলাম- আমাদের আঙিনায়
খেলে যাক সুর্দোয়ের লালনীল দীপাবলি
তারপর তোমার সকাশে এসে
মনে হলো- যদিও রাত্রি তরুণী
তবু যেনো রাত হয়ে গেছে
হয়ে গেছে আরও কতোকিছু!
যেমন -পবিত্রতমা স্বরসতী দেখে
আমি ভুলে গিয়েছিলাম – ‘ শহিদের রক্তের চেয়ে বিদ্যানের কালি উত্তম’
ভুলে গিয়েছিলাম- ‘ দুর্জন বিদ্যান হইলেও পরিত্যাজ্য’ -পরস্পরবিরোধী এসকল সুসমাচার, হয়তোবা বাণী।
যেমন- কবিতার কাছে গিয়ে আমি শিখেছিলাম ছন্দপতনের ছন্দময়তা
যেমন -পর্নো গ্রাফির বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে তমালিকা করে নিচ্ছে এক গুচ্ছ
পর্নো প্রদর্শন।
আমার দেখার মধ্যেই নাকি ভুল ছিলো! –
এ কথা প্রমাণ করতে উঠে পড়ে
লেগে গেলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রদায়
আমি বক ধার্মিকদের দেখে
হতে চেয়েছিলাম ধর্মহীন বালক
কম্যুনিজম ক্রাশ করলেও মিথ্যে নয় ‘ডাস ক্যাপিটাল’ – এরকম আমার বিশ্বাস জানবার পরেও ‘যুবক অনার্য’
শব্দবন্ধের পাশে মৌলবাদির ট্রেডমার্ক
বসিয়ে দিতে চেয়েছিলো আজিজপাড়ার
কতিপয় শব্দহন্তারক অপুরুষ
আমি তসলিমার লেখাকে ধ্রুপদী নয়- বোলবার
সঙ্গে বলে দিতে পারি –
তসলিমা শিল্প করে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন
কাগজে লেখা ‘যৌনতা’ তার
শুধু কি জনপ্রিয়তা প্রিয় বোলে তার
নাকি তিনি ‘তসলিমা নাসরিন’ বোলে!
আমি আমার ভেতর আটকে রেখেছি
এক মস্ত জেলখানা
আমি সমুদ্রকে ডুবিয়ে দিয়েছি
আমার ভেতর
আমি জরি-কে লুকিয়ে রেখেছি কতোদিনভর, জানবার পরেও যে,
জরি আজ ভুলে গেছে কে ছিলো জরি আর
নীল ছিলো কে।
ঠা ঠা করে হাসতে গিয়ে আমি
গুলিয়ে ফেলি মন্ত্রধ্বনি আর উলুধ্বনির
তফাৎ থাকলেও উলুধ্বনিই আমার কাছে প্রিয়
কেননা সে সময় জরির দিকে তাকিয়ে আমি
চেয়ে থাকতাম তার বিশেষ কিছুর দিকে,
সেই বিশেষ কিছু ব্যবহৃত হতো কেবল উলুধ্বনি হ’লে।
কিন্তু এসবের সংগে কবিতা কিংবা সম্পর্ক নেই রাজনীতির
সম্পর্ক নেই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের
যদিও ভাগ্যের সংজ্ঞাটিও রয়ে গেছে অনির্ণীত
বিংশ শতাব্দি পেরিয়ে যাবার পর
যখন একবিংশ এসেও প্রমাণ করে দিলো
একসঙ্গে মরে গেছে মানুষ এবং তার ঈশ্বর- দুজনেই !
আসলে আমি তাই হতে চেয়েছিলাম
যা আমি নই
তা আমি নই বোলেই স্বপ্ন দেখি –
একদিন প্রেম প্রেগন্যান্ট হয়ে, এসে
জড়িয়ে ধরবে আমাদের
বোলবে সেইদিন- নীল বেদনার সঙ্গে সখ্য হলেও
ফিরে আসবে না জরি
ফিরবে না প্রিয়তমা স্বদেশ তোমার
যদি চলে যায় অন্য কোনো ঘরে
উলুধ্বনি আর মন্ত্রধ্বনির মধ্যে তফাৎ থাকলেও
সাদৃশ্য থেকে যায় যেহেতু দুটোই এক ধরনের
সংস্কারের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
প্রেম, প্রেগন্যান্ট হয়ে বোলবে সেইদিন
– পৃথিবীতে কবিতার দিন
ফিরিয়ে আনতে হ’লে
সভ্যতার পোশাক খুলে দেখে নাও
অসভ্য শরীর!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225771/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Jan 2025 07:23:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেম একদিন<br />
যুবক অনার্য</p>
<p>কী এক নীল বেদনা নিয়ে ঘুরি ফিরি<br />
প্রশ্ন করি- আমার যৌবন আজ কোথায় দাঁড়াবে।<br />
প্রশ্ন করি -এই যে সবুজস্নাত প্রেমময় স্বদেশ আমার,<br />
কোথায় দাঁড়িয়ে আছে সে!<br />
নাকি ভেসে গেছে অথই জলে,<br />
চলে গেছে অন্য কোনো ঘরে!<br />
হে আকাশ হে মাটি হে অনাবৃতগোপন পৃথিবী আমার, চাই নি তো চেতনার ঘরে<br />
অস্পৃশ্য অমানিশা<br />
চাইনি শুধু আমার কলসেই জল<br />
চেয়েছিলাম -তু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225771"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225771/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ae1f5503303b9350625a1b518f784d5</guid>
				<title>জৈব বারুদ
যুবক অনার্য 

সে।লিখে।খুব ভালো। কবিতা।তার দশকের, সে, উল্লেখযোগ্য একজনা।আমার সঙ্গে সে- নয়,
বরং তার সঙ্গে আমি- এড আছি।এও প্রাপ্তি।আমার।সৌভাগ্য। এতো বড় কবি।সে।এড তার সঙ্গে আমার।কথা কি চাট্টিখানি!লাইক দিতে ইচ্ছে হয়।ইচ্ছে হয় বলে দি কমেন্ট বক্সে- তাকে- বিরুদ্ধ বাতাসে- আপনার দশকে আপনিই সেরা। একজনা।

একদিন। নক তার। ইনবক্সে আমার ।যোগাযোগ। চ্যাটিং।রাতভর।ধুন্দুমার।

একদিন।দেখা- রবীন্দ্র সরোবর। গত শীতে 
হয়েছিলো শুরু।এই শীতে
 পূর্তি একটি বছর।এক বছর পর- পুনরায়
 রবীন্দ্র সরোবর। কম্পমান অধরোষ্ঠ। আমার।
যেনো বা কৈশোরোত্তীর্ণ কন্ঠস্বর, বলি- 
ভালোবাসা কখনো মধুর নয়,তবু ভালোবাসি।

কেঁপে ওঠে সে।

মাঘমেসে শীতে নাকি অবরুদ্ধ ইন্দ্রয়জ, জৈব বারুদে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225712/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Jan 2025 17:43:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জৈব বারুদ<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>সে।লিখে।খুব ভালো। কবিতা।তার দশকের, সে, উল্লেখযোগ্য একজনা।আমার সঙ্গে সে- নয়,<br />
বরং তার সঙ্গে আমি- এড আছি।এও প্রাপ্তি।আমার।সৌভাগ্য। এতো বড় কবি।সে।এড তার সঙ্গে আমার।কথা কি চাট্টিখানি!লাইক দিতে ইচ্ছে হয়।ইচ্ছে হয় বলে দি কমেন্ট বক্সে- তাকে- বিরুদ্ধ বাতাসে- আপনার দশকে আপনিই সেরা। একজনা।</p>
<p>একদিন। নক তার। ইনবক্সে আমা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225712"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225712/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07c1311c02b094ca17c95f0b8fb57e30</guid>
				<title>প্রলেতারিয়েত 
যুবক অনার্য

চিমনি ওড়ানো ধোঁয়া
এক টুকরো বিরতি
আর বিরতিহীন সাইরেন
বাজিয়ে বেড়ায়

এ সকল জীবনবিরোধী ঈশ্বর
ঈশ্বরের বিরুদ্ধে জিহাদ
তিন প্রস্থ লংমার্চ
যদিও প্রত্যাদিষ্ট আমি নই

আমি প্রলেতারিয়েত
যন্ত্রণার নাভিমূলে
একপায়ে দাঁড়িয়ে থাকা দু’পায়া মানুষ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225650/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Jan 2025 08:50:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রলেতারিয়েত<br />
যুবক অনার্য</p>
<p>চিমনি ওড়ানো ধোঁয়া<br />
এক টুকরো বিরতি<br />
আর বিরতিহীন সাইরেন<br />
বাজিয়ে বেড়ায়</p>
<p>এ সকল জীবনবিরোধী ঈশ্বর<br />
ঈশ্বরের বিরুদ্ধে জিহাদ<br />
তিন প্রস্থ লংমার্চ<br />
যদিও প্রত্যাদিষ্ট আমি নই</p>
<p>আমি প্রলেতারিয়েত<br />
যন্ত্রণার নাভিমূলে<br />
একপায়ে দাঁড়িয়ে থাকা দু’পায়া মানুষ</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42d95788fbd120f03d561eb06616515d</guid>
				<title>নারীকাব্য 
যুবক অনার্য 


১.
নারী
অসহ্য সুন্দর
অসহ্য যন্ত্রণার
২.
নারী
এক চোখে জল
অন্য চোখে ছল
৩.
নারী
পুরুষ যাকে দেবী বানিয়ে রাখে
তারপর আগুনে পুড়িয়ে ফেলে
৪.
নারী
কবির চোখে – ” পাখির নীড়ের মতো চোখ”
পুরুষের কাছে- মদের গ্লাস
৫.
নারী
অংক ( গণিত) কম বুঝলেও
টাকার অংকটা বেশি বোঝে
৬.
নারী
অতৃপ্ত শরীরে
তৃপ্ত গহনা
৭.
নারী
অল্পতেই খুশি
অল্পতেই বেজার
৭.
নারী
পুরুষতন্ত্রের প্রধান শিকার
৮.
নারী
রাবণ যাকে ছল করে হরণ করে
রাম যাকে ছল করে নির্বাসনে পাঠায়
৯.
নারী
পেছনে কেউ না থাকলেও
মনে করে- পেছন থেকে কেউ তার
পেছনটা দেখছে
১০.
নারী
সামনের দিকে রমণীয়
পেছন দিকেও তাই
দু’দিক দিয়েই জাগিয়ে তুলতে পারে
১১.
নারী
নিজে কাঁদে অন্যকে হাসায়
নিজে হাসে অন্যকে কাঁদায়
১২.
নারী
প্রেমিক পুরুষের উপর ক্ষার মেটাতে হ’লে
প্রেমিকের শত্রুকেও বিয়ে করতে রাজি হয়ে যায়
কিংবা এতোদিন যাকে ঝুলিয়ে রেখেছিলো এমনকি সেই অপছন্দের অপুরুষকেও
১৩.
নারী
মুখে মধু অন্তরে বিষ
অন্তরে মধু মুখে বিষ
১৪.
৯৯ ভাগ খাঁটি
১০০ ভাগ খাদ
১০০ ভাগ খাঁটি
৯৯ ভাগ খাদ
১৫.
নারী
পুরুষ যাকে ভাবে মাংস
অথচ ভুলে যায়- নারী হলো মাতৃ-অংশ
১৬.
নারী
মুখ দিয়ে বলে
প্রয়োজনে বুক দিয়ে বলে
১৭.
নারী
না গ’লেও সলতেটা জ্বালিয়ে রাখতে জানে
১৮
নারী
আগুন সাক্ষী রেখে বলে- ভালোবাসি
আগুন নিভে গেলে- কই,ভালোবাসি?- এ কথা কখনো বলিনি তো!
১৯.
পুরুষ আশ্রয় চাইলে
নারী
পুরুষের কাছে প্রশ্রয় চায়
২০.
নারী
দাগ না বসিয়ে দিলে ভালোবাসবে না
শ্রেষ্ঠতম পুরুষটিকেও
২১.
নারী
প্রচন্ড অভিমানী
চলে গেলে-
একদা যে ছিলো সে-কথাও ভুলে যায়
কিংবা অস্বীকার করে
২২.
নারী
রক্তমাখা একটি সবুজ শাড়ি
২৩.
নারী
এমন এক দেবী
পূজা গ্রহণ করলেও
পূজারীকে গ্রহণ নাও কর&#x200d;তে পারে
২৪.
নারী
এক বর্ণে বহু রূপ
এক রূপে বহুবর্ণ
২৫.
নারী
অসামান্য বিশেষণে বিশেষায়িত
তখোনও- যখোন সে ঈশ্বরের বুকে লাথি মেরে শয়তানের বুকে শায়িত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225610/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Jan 2025 02:18:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারীকাব্য<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>১.<br />
নারী<br />
অসহ্য সুন্দর<br />
অসহ্য যন্ত্রণার<br />
২.<br />
নারী<br />
এক চোখে জল<br />
অন্য চোখে ছল<br />
৩.<br />
নারী<br />
পুরুষ যাকে দেবী বানিয়ে রাখে<br />
তারপর আগুনে পুড়িয়ে ফেলে<br />
৪.<br />
নারী<br />
কবির চোখে – ” পাখির নীড়ের মতো চোখ”<br />
পুরুষের কাছে- মদের গ্লাস<br />
৫.<br />
নারী<br />
অংক ( গণিত) কম বুঝলেও<br />
টাকার অংকটা বেশি বোঝে<br />
৬.<br />
নারী<br />
অতৃপ্ত শরীরে<br />
তৃপ্ত গহ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225610"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225610/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">830a210df4f56b77e34e02ae6f21c18d</guid>
				<title>জীবন যেরকম
যুবক অনার্য 


জীবন এরকম নয়। জীবন এরকম –
একদিন ঘরে ফিরে দেখবো- তুমি নেই! দেখবো – কারো ইশারায় খুন হ’য়ে
হাত ধরে গন্তব্যের ওপারে গেছো চলে,
গেছো দূরত্ব ডিঙিয়ে আরও বহুদুরে
দেখবো – লিখে গেছো –
‘আমাকে ক্ষমা কোরো,
তিথিকে নিয়ে থেকো সুখে’;
পৃষ্ঠার ডান দিকে
হৃদয়ের মতো একটি চিহ্ন- লাল-
যেনো এক হাহাকার সমগ্র চিঠি জুড়ে
জীবন এরকম -চিরদিন বাঘ
হরিণকেই যাবে খেয়ে
চিরদিন শুধু নারীরাই ধর্ষিতা হবে
আর পুরুষ সেঞ্চুরি ক’রে
করবে উল্লাস বিশ্ববিদ্যালয়ের
ময়দানে ঝড় তুলে;
আর মাননীয় তিনি যিনি ভিসি,
চোরের মতন থাকবে লুকিয়ে
টয়লেট ঘরে!
জীবন এরকম – ‘মা,আমি খুব শীঘ্রই
আসবো ফিরে ‘ বোলে ফাহাদ আবরার
আর আসবে না ফিরে।
জীবন এরকম -একদিন
ঘুম ভেঙে এলে,দেখবো-
আমার এই রাষ্ট্র চুরি হয়ে গেছে আর আমি বেঁচে আছি কৃতদাস হয়ে!
জীবন এরকম,জীবনের গল্পগুলি
বেজে চলে চিরদিন অসুরের সুরে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225609/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Jan 2025 01:55:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন যেরকম<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>জীবন এরকম নয়। জীবন এরকম –<br />
একদিন ঘরে ফিরে দেখবো- তুমি নেই! দেখবো – কারো ইশারায় খুন হ’য়ে<br />
হাত ধরে গন্তব্যের ওপারে গেছো চলে,<br />
গেছো দূরত্ব ডিঙিয়ে আরও বহুদুরে<br />
দেখবো – লিখে গেছো –<br />
‘আমাকে ক্ষমা কোরো,<br />
তিথিকে নিয়ে থেকো সুখে’;<br />
পৃষ্ঠার ডান দিকে<br />
হৃদয়ের মতো একটি চিহ্ন- লাল-<br />
যেনো এক হাহাকার সমগ্র চিঠি জুড়ে<br />
জীবন এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225609"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225609/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3136b345a7e4b1af19ae6cd7aa41db95</guid>
				<title>তুমুল অপ্রেমের কবিতা 
যুবক অনার্য

আজ মাঝরাত থেকে বৃষ্টি হবে
প্রচন্ড বৃষ্টিপাত ভয়ংকর জলোচ্ছ্বাস দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ থেকে
ছুটে আসবে গোঁয়ার বাতাস
সমুদ্রবন্দরসমূহকে সতর্কসংকেত
দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে
জাহাজডুবি কনফার্ম
এদিকে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে
জনৈক  আগন্তুক ভারী লেন্সের
চশমা জড়িয়ে একটি বহুবর্ণ
প্রজাপতির দিকে
বিলোল তাকিয়ে আছে
মাঝরাতের আগেই স্তিমিত হয়ে পড়বে সানাইয়ের বিসমিল্লাহ খাঁ
অতঃপর লোকোত্তর অন্ধকারে
বর্ণবিধুর সেই প্রজাপতি
ভারী লেন্সের কাছে দ্বিধাহীন
সঁপে দেবে তেইশ বছরের
জমানো আশ্চর্য গোপন
এসবের মধ্যে তেমন নতুনত্ব নেই
এমন হয়েই আসছে দশদিক
সীমাশূন্য ক’রে
সুতরাং একটি নীল রঙের কবিতা
কিংবা ‘চার্বাক লেনে দ্বিভাষিক
পায়ের ছাপ’ রকমের কোনো গ্রন্থ
মেলে ধরতে হবে অক্ষিগোলক বরাবর
 আজ মাঝরাত থেকেই।…
একি! হতচ্ছাড়া সূর্যটা
এখনই জ্ব’লে উঠছে কেনো-
তাহলে কি মাঝরাত শেষ হয়ে গেছে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225583/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Jan 2025 11:47:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমুল অপ্রেমের কবিতা<br />
যুবক অনার্য</p>
<p>আজ মাঝরাত থেকে বৃষ্টি হবে<br />
প্রচন্ড বৃষ্টিপাত ভয়ংকর জলোচ্ছ্বাস দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ থেকে<br />
ছুটে আসবে গোঁয়ার বাতাস<br />
সমুদ্রবন্দরসমূহকে সতর্কসংকেত<br />
দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে<br />
জাহাজডুবি কনফার্ম<br />
এদিকে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে<br />
জনৈক  আগন্তুক ভারী লেন্সের<br />
চশমা জড়িয়ে একটি বহুবর্ণ<br />
প্রজাপতির দিকে<br />
বিলোল তাকিয়ে আছে<br />
মাঝরাতের আগেই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225583"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225583/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d0ce371df8f007a5cb426b0c19d21e20</guid>
				<title>বেলাইজ্জা প্রেমিক 
—যুবক অনার্য


তোমার বাড়ির সামনে পুস্কুনি-পাড়
দিনে দুই একবার বারান্দায় আইসা
তুমি  রোইদ পোহাইতা
গ্রিলে শুকা দিতা জামা জাপড়
আমি সারাদিন পুস্কুনির পাড়ে
দাঁড়াইয়া থাকতাম
তুমি যে সময়টা আসবা তোমারে যেনো
 এক নজর দেখতে পারি
প্রথম প্রথম তচ্ছিল্যের ভাব দেখাইতা কপালে বিরক্তি – কপট
তোমারে এক নজর দেখতে পাইতাম
 সেইটাই তো স্বর্গ আমার
এর বেশি কিছু চাওয়ার দুঃস্বপ্ন
আমার নাই।
দিন যায় মাস যায়
কপট বিরক্তির ভাঁজ মুইছা যায়
তোমার গোলাপি ঠোঁটে ক্যামন একটা  আশ্চর্য রকমের হাসি
আমার ভিতরে সমস্ত শিরা উপশিরা
 কাঁইপা উঠে।
দিন যায় মাস যায়
একদিন তোমারে পালকি কইরা
দূরের গেরামে লইয়া যায় দূরের মানুষ
আমি কিন্তু পুস্কুনি- পাড় ছাড়ি নাই
দাঁড়াইয়াই থাকি
কবে না কবে তুমি
শ্বশুর বাড়ি থেইকা বাপের বাড়ি আসো – সেই বাড়ি যার সামনে
আমার মতো এক আউলা মানুষ
জীবন উড়াইয়া দেয় ধলপহরে
আর উজানি হাওয়ায়।
তুমি শ্বশুর বাড়ি থেইকা আসো ঠিকই
 কিন্তু বারন্দায় আসো না আগের মতো
 রোইদ পোহাইতে প্রতিদিন
যখন আসো  ঘোমটা পরা
 তোমার চান্নি- মুখ ভালা কইরা
দেখাই মুশকিল
গোলাপি ঠোঁট আছে কিন্তু ঠোঁটে
আত্মা কাঁপাইন্না হাসি নাই
তবু আমার আত্মা কাঁইপা উঠে।
দিন যায় মাস যায়
ঘটনা কানাকানি হয়
আমারে সাবধান কইরা কয়
আমি যেনো পুস্কুনি-পাড়
দাঁড়াইয়া না থাকি
আমি দাঁড়াই নাই
মাত্র কয়েকটা দিন
তারপর আবার শুরু
সেই যে শুরু আর থামি নাই
কিন্তু গেরামের মানুষ আমারে আর
কিছুই কইতো না শুধু আমার নাম
হইয়া গেলো খাড়াইন্না পাগল।
আমি বুঝি না
তোমারে দেখতে চাওয়ার সঙ্গে
পাগল ঠাওরানের সম্পর্ক কী
মাইনসে আমারে পাগলা কয়
আমি তো জানি আমি পাগল না
আমি আসলে বেলাইজ্জা প্রেমিক
পরাণের পাখি, তোমারও কি আমারে
 পাগল মনে হয়!
অবশ্য তুমি আমারে পাগল মনে করলেও আমার সাত কপাইল্লা সুখ
মনে করা মানেই তো মনে রাখা
মাইনসের চোখে পাগল না হইলে
দাঁড়ান যায় না পুস্কুনি-পাড়,
দেখা যায় না স্বর্গের লাহান জ্বইলা উঠা  তোমারে।
শুনতাছি তুমি নাকি এখন আর
 বারান্দায় আসো না
আমি কিন্তু তোমারে ঠিকই দেখি
দেখি -রোইদ বারান্দা গ্রিল
স্বর্গের লাহান তুমি।
দেখি – পুস্কুনির পাড়ে এক আউলা মানুষ মনের পিঞ্জিরায় প্রেম বাইন্ধা
জীবন উড়াইয়া দেয় ধলপহরে
আর উজানি হাওয়ায়।
পরাণের পাখি
প্রেম নয়,
আজকাল বেলাইজ্জা প্রেমিকেরা
 প্রেমকে পোড়ায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225510/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Jan 2025 10:50:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বেলাইজ্জা প্রেমিক<br />
—যুবক অনার্য</p>
<p>তোমার বাড়ির সামনে পুস্কুনি-পাড়<br />
দিনে দুই একবার বারান্দায় আইসা<br />
তুমি  রোইদ পোহাইতা<br />
গ্রিলে শুকা দিতা জামা জাপড়<br />
আমি সারাদিন পুস্কুনির পাড়ে<br />
দাঁড়াইয়া থাকতাম<br />
তুমি যে সময়টা আসবা তোমারে যেনো<br />
 এক নজর দেখতে পারি<br />
প্রথম প্রথম তচ্ছিল্যের ভাব দেখাইতা কপালে বিরক্তি – কপট<br />
তোমারে এক নজর দেখতে পাইতাম<br />
 সেইটাই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225510"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225510/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea99b66d60cde5b43ac9629a8e69c55d</guid>
				<title>ফেরারি
যুবক অনার্য 


তারপর কত কৃষ্ণচূড়া ভোর হলো আমি কুষ্ঠ রোগীদের মতো মানুষের কাছে নিগৃহীত হয়ে পালিয়ে যেতে চাইলাম এই পুরনো শহর ছেড়ে, যে শহর আমার জন্মদাতা আর যে শহর জন্মদাত্রী আমার। মানুষ ডাস্টবিনে হাড় ছুড়ে না ফেলে কুকুর ভেবে ছুড়ে দিয়েছিল আমার ৩৬ ইঞ্চি বুক বরাবর। আমি মোটেও অবাক হইনি কারণ পৃথিবীতে এক দল মানুষ ছুড়ে দেবে আর আরেক দল হজম করবে- এরকমই নিয়ম! আমি তো এও দেখেছি- কখনো কখনো ইতিহাস বদলে গেছে এভাবে, যারা ছুড়ে দিত এক সময় তাদের দিকেই ছুড়ে দেয়া হয়েছে নাকশা বরাবর। এ সব ভাবনা আমাকে নতুন কোনো খোরাক দিতে ব্যর্থ হয় বলে আমি নীলাদ্রির বাড়ির সামনে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে চলে আসি। আমি চলে আসি চৈতি জরি নিরূপমা এমনকি সুদর্শনার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও চলে আসি কারণ আমার মনে হয় ওরা আজ সবাই আমাকে তাড়িয়ে দিত! কেন দিত সেই উত্তর আমার কাছে নেই তবে ধারণা করে নিতে পারি যে আমি একটি হাংরি কবিতা লিখে পোস্ট করে দিলে ফেসবুকবাসীদের অ্যাবর্শন হয়ে যায় আর এ কারণেই যেহেতু ওরা বন্ধু আমার, না পারে আনফ্রেন্ড করতে না পারে আমাকে বাধা দিতে কারণ ওরা এত দিনে খুব ভালোভাবেই জেনে গেছে- বাধা মেনে নেয়ার মতো পুরুষ আমি নই আর আমি প্রকৃতই ক্ষুধার্ত যে ক্ষুধা সম্পর্কে শক্তিদা বলেছিলেন সর্বগ্রাসী ক্ষুধা। আসলে এসব আলোচনা এখন স্বস্তিদায়ক কিছু নয় তারচেয়ে বরং আমি ভেবে নিই আমার কোনো বন্ধু নেই সেটাই বরং স্বস্তিদায়ক। বন্ধুরা আমাকে বারবার বুঝতে ভুল করেছে- বহুবার, আর এ থেকে আমার মনে হয়েছে ভুল বোঝাই বুঝি বন্ধুত্বের প্রধান শর্ত আর এ কথা মনে পড়লেই আমি হো হো করে হেসে উঠি; কারণ আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু সুদর্শনা একবার আমাকে গঙ্গার পাড়ে নিয়ে বলে ফেলেছিল তার ধারণা আমি নাকি তাকে প্রেমিকার মতো ভালোবাসি। আমি যদিও ওসব গঙ্গা জলটল বিশ্বাস করি না, তবু জল ছুয়ে ওকে বলেছিলাম- আমার এ চোখের তারার দিকে তাকিয়ে দেখো এখানে লেখা আছে সুদর্শনা আমার খুব ভালো বন্ধু, বন্ধুই কেবল আর কিছু নয়। সুদর্শনা সম্ভবত লাল হয়ে গিয়েছিল। তবে সুদর্শনা কি আমাকে বন্ধু ভাবে না আরও বেশি কিছু- এ কথা আমার মনে উদ্রেক হতেই আমি চাকু দিয়ে আমার বুকের বাঁ পাশটা ইনজুর্ড করে ফেলেছিলাম! ছি ছি কি সব ভাবছি আমি! আমাকে এরকম মানায় না কখনোই। আজ আমি এ শহর ছেড়ে সত্যিই সত্যিই পালিয়ে যাচ্ছি। এর আসলে নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। কারণ বড়জোর একটাই- আমি আসলে সুদর্শনার কাছ থেকে পালিয়ে যেতে চাইছি। এর কারণ হতে পারে সুদর্শনা কিংবা অবিনাশ অর্থাৎ আমি নিজেই। কি অদ্ভুত যে প্রেম-ভালোবাসা পবিত্র মানুষকে সেই পবিত্রতা থেকেই পালিয়ে যেতে হয় কখনো শুধু নিজের দৃষ্টিভঙ্গির কাছে পরাজয় থেকে বেঁচে যাওয়ার উদ্দেশে। পালিয়ে যেতে যেতে নিজেকেই প্রশ্ন করি- কোনটা বেশি প্রয়োজন, দৃষ্টিভঙ্গি নাকি ভালোবাসা। নিজের কাছে আমি নিজে কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। শুধু মনে পড়ে গঙ্গাজল সত্য বা মিথ্যে হতে পারে: কিন্তু আমি যে সুদর্শনাকে এবং সুদর্শনা আমাকে অন্যভাবে দেখে বা দেখতে চেয়েছিল তা কিন্তু মোটেই মিথ্যে নয়। শুধু এই একটি গোপন সত্যের জন্যই আমার প্রিয়তম শহর থেকে আজ আমাকে পালিয়ে যেতে হচ্ছে দূরে যেখানে গন্তব্য বলে কিছু নেই- আছে কেবল একটি ছেঁড়া স্মৃতি যে স্মৃতির নাম- সুদর্শনা!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225497/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Jan 2025 06:07:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফেরারি<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>তারপর কত কৃষ্ণচূড়া ভোর হলো আমি কুষ্ঠ রোগীদের মতো মানুষের কাছে নিগৃহীত হয়ে পালিয়ে যেতে চাইলাম এই পুরনো শহর ছেড়ে, যে শহর আমার জন্মদাতা আর যে শহর জন্মদাত্রী আমার। মানুষ ডাস্টবিনে হাড় ছুড়ে না ফেলে কুকুর ভেবে ছুড়ে দিয়েছিল আমার ৩৬ ইঞ্চি বুক বরাবর। আমি মোটেও অবাক হইনি কারণ পৃথিবীতে এক দল মানুষ ছুড়ে দেবে আর আরেক দল হজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225497"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225497/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1cd1a22e61cbee8c0a7b79cf1979ed21</guid>
				<title>প্রিয়াঞ্জনা 
যুবক অনার্য 


যদি কৃষ্ণচূড়া হও,ঝড় তোলো যদি, 
যদি শতচ্ছিন্ন করো নদীর কাফন 
আমি দেবো না তো বাধা, বোলবো না - প্রিয়াঞ্জনা, আজ অন্য কথা হোক 
আজ তুমি অন্তত একবার 
আমাকে  খুব ভুলে যাও, ভুলে যাও 
কষ্টের মোহ মায়া, ভুলে থাকো- মানুষকে ভালোবাসা পাপ! 
এই রোরুদ্যমান ক্লান্তির 
মজ্জাগত ছাপ -সে আমার 
পদচিহ্ন নয়। আমি তো মরি নি আজও 
বুকে নিয়ে গহীন গোপন। মৃত্যুকে আমৃত্যু মেহন 
কর&#x200d;তে গিয়ে এসেছি তো ফিরে বহুবার 
অন্তশীলার,শৈলীর, আর কতো 
নাম না-জানা বসন্তমাছির 
কতোবার হয়েছিলো শুরু এইভাবে - কে এই হরিৎ কংকালসার! 
সে কি আমার মতন 
পায়ের নিচ থেকে সরে গেছে মাটি সেই কবে তার! 
এসব রেখোনা মনে, প্রিয়াঞ্জনা 
আজ অন্য কিছু বলো। 
নতুন স্বরের সন্ধানে অনুসন্ধানী আমি গিয়েছি শ্মশানে লাশকাটা ঘরে 
নিষিদ্ধ আমিষাশী পাড়ায় 
খুন হওয়া রক্তের কাছে গিয়ে দেখি- 
অণুচক্রিকা, দেখি- অনিচ্ছুক 
নারীরও ভুল হয়। তবু সেই ভুল নারী 
হৃদয় কুঠুরি সেঁচে 
পুরুষের আরাধ্য হয়ে তন্ত্র ত্রিবেণীর সুত্র গেঁথে দিয়ে 
নক্ষত্রমদিরার মতো 
কী যে এক মুগ্ধ বিস্ময়! 
না,যাই নি তো  ভুলে- 
হোক না সে ভুল ,ভুল সে হয়তো বা নয় । 
পার্বতী হয়ে সে যে শিবের অঙ্গ 
ভূমধ্যখননে বেছে নেয়,এ পৃথিবী 
সংহার মুক্ত তবে হয়,এ কথা পুরাণের,         
এ কথা পুরান তবু নয়।

প্রিয়তমা  প্রিয়াঞ্জনা, তুমি
পুরুষনির্ণিত এ বুনো সংসারে এসে 
শতাব্দীবাহিত ক্ষত ছেনে 
দেখে নিও এই বুকে যে কথা 
লেখা আছে- প্রান্তিক অথবা ব্রাত্য সেই কথা, 
সে কথা পরাগরেণুর পুষ্পগাথা 
যেনোবা কাঁদছে এ পৃথিবী 
আর কাঁপছে এ স্বদেশ আমার 
কিশোরীর কুমারীত্ব হরণের 
অনুভব নিয়ে! 
অথচ কী অদ্ভুত
হে প্রিয়াঞ্জনা, এমন ভোরের ক্রন্দনে - 
মিথ্যে লগ্ন গেছে ভেঙে- বার বার-
 শুধু মনে হয়!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225459/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Jan 2025 13:35:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয়াঞ্জনা<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>যদি কৃষ্ণচূড়া হও,ঝড় তোলো যদি,<br />
যদি শতচ্ছিন্ন করো নদীর কাফন<br />
আমি দেবো না তো বাধা, বোলবো না &#8211; প্রিয়াঞ্জনা, আজ অন্য কথা হোক<br />
আজ তুমি অন্তত একবার<br />
আমাকে  খুব ভুলে যাও, ভুলে যাও<br />
কষ্টের মোহ মায়া, ভুলে থাকো- মানুষকে ভালোবাসা পাপ!<br />
এই রোরুদ্যমান ক্লান্তির<br />
মজ্জাগত ছাপ -সে আমার<br />
পদচিহ্ন নয়। আমি তো মরি নি আজও<br />
ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225459"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225459/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">894d32ee2ae7012d82faad00b44b174c</guid>
				<title>হাঁটু ভাঙ্গা দ
-যুবক অনার্য 

তোমার লগে দেখা নাই বহুদিন
শ্যাষবার দেখা হইসিলো
বলদা গার্ডেনের কাছে র&#x200d;্যাংকিন স্ট্রিট
তোমার লগে যে লোকটা আছিলো
হেই লোকটাই নাকি তোমার স্বামী
দেখতে ভালাই
মাথায় টাক
এইটা কুনু সমস্যা না
মেলা ট্যাকার মালিক
ট্যাকাই আসল কথা
তুমি সেই স্বামী লোকটার লগে
আমারে পরিচয় করাইতে গিয়া
কেমন যেনো একটু মেলান
হইয়া গেছিলা
তোমার অমন অসহায় চেহারা দেইখা
 আমিই কইলাম- আমি রইসুদ্দি
গেরাম মাইন্নারচর
জরিনাগো গেরামের লগেই- কইতে পারেন পোরতিবেশি গেরাম।
উনি অবাক হইয়া জিগাইলেন:
জরিনা কে?
আমি ফাপড়ে পইড়া গেলাম
ভাগ্যিস তুমি কী মনে কইরা কইলা –
বাসায় আমাকে আদর করে
জরিনা বোলে ডাকতো।
উনি কইলো : ও মাই সুইট হার্ট
বড্ড মজা পেলাম জেনিস।
ভাবলাম জামাইয়ের ট্যাকা থাকলে
 জরিনা হইয়া যায় জেনিস
কথায় কয় বড়োলকের বিরাট কারবার
জরিনারে জেনিস না বানাইলে
বিরাট কারবার ক্যামনে হইবো!
তোমার স্বামী ভদ্দরলোক
‘বাসায় আসবেন’
কইয়া আমার সামনেই
তোমার হাত ধইরা কইলো: জেনি
লেট হয়ে যাচ্ছে
হারি আপ।
আমি কিছু একটা কইতে নিসিলাম
কিন্তু তার আগেই তোমার হাত ধইরা
টাক মাথা ঝটকা টান মাইরা
তোমারে লইয়া উধাও হইয়া গেলো।
অই মুহুর্তে আমার মনে হইলো
ট্যাকা থাকলে ঝটকা টান
মারা যায় যখন তখন
ট্যাকা হইলো দুনিয়ার খোদা- কথাটা হাচাই।
তারপর বহুদিন কাইটা গেলো
দেখা হইলো না আর
দ্যাশে আছো না বৈদ্যাশে গেছোগা
কিছুই জানি না
আজ সকাল থেইকা তোমারে খুব
মনে পড়তাসে
খুব বেশি মনে পড়তাসে পুস্কুনির পাড়ে একদিন চান্নি পসর রাইতে
তোমার দুই হাতে আমার মুখ ধইরা কইসিলা- তুমি কি আমারে কুনু দিন
ছাইড়া চইলা যাইবা!
গেলে কিন্তু আমি তোমারে
ডাইরেক্ট খুন কইরা ফালামু।
আমি হো হো কইরা হাসতে হাসতে
কইসিলাম:
তোমার হাতে খুন হইলে শহীদ হমু
আর বাঁইচা থাকলে গাজী।
জরিনা, তুমি আমারে খুন করো নাই বোইলা আমার আর হইলো না
বাঁইচা থাকা
পুস্কুনির  পাড়ে এখনও চান্নি পসর রাইত নামে
কেউ কাউরে খুন করে না
শুধু জরিনারা জেনিস হইয়া যায়
টাকারে খোদা বানাইতে না পারলে
ঝটকা টানের সুখ পাইবার আশায় রউসুদ্দিগো লইগা অপেক্ষা করে না
নরম কুনু হাত
রইসুদ্দি বাঁইচা থাকে হাঁটু ভাঙ্গা দ- এর
লাহান
জীবনভাঙ্গা হইয়া পুস্কুনির পাড়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225453/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Jan 2025 09:35:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হাঁটু ভাঙ্গা দ<br />
-যুবক অনার্য </p>
<p>তোমার লগে দেখা নাই বহুদিন<br />
শ্যাষবার দেখা হইসিলো<br />
বলদা গার্ডেনের কাছে র&#x200d;্যাংকিন স্ট্রিট<br />
তোমার লগে যে লোকটা আছিলো<br />
হেই লোকটাই নাকি তোমার স্বামী<br />
দেখতে ভালাই<br />
মাথায় টাক<br />
এইটা কুনু সমস্যা না<br />
মেলা ট্যাকার মালিক<br />
ট্যাকাই আসল কথা<br />
তুমি সেই স্বামী লোকটার লগে<br />
আমারে পরিচয় করাইতে গিয়া<br />
কেমন যেনো একটু মেলান<br />
হইয়া&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225453"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225453/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">063fd2322aa6809128c37877d74e63d7</guid>
				<title>গুয়ের্নিকা 
যুবক অনার্য 


একটি নারী
যে হারিয়েছে সন্তান
একটি আহত ষাঁড়
চিঁ হিঁ শব্দময় ঘোড়া

একজন সৈনিক
এক হাতে ফুল অন্য হাতে ক্রুশ চিহ্ন
টর্চারসেল – বিজলী বাতি
প্রদীপ নিয়ে জানালায় উঁকি দিচ্ছে
একটি নারী

অপর এক নারী প্রথিত মাটির গভীরে
একটি নারী চাইছে পালিয়ে যেতে
একটি শিশু – মৃত
মরণোত্তর খুলি

একটি শহর
তিন ঘন্টা বোমা বর্ষণ-

সেই তখোন ২৬ এপ্রিল ১৯৩৭
এখনও
আগামী দিনেও
বর্ষাবে
বোমা

মানুষেরা – অমানুষ -পৃথিবীতে- চিরদিন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225418/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Jan 2025 18:11:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গুয়ের্নিকা<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>একটি নারী<br />
যে হারিয়েছে সন্তান<br />
একটি আহত ষাঁড়<br />
চিঁ হিঁ শব্দময় ঘোড়া</p>
<p>একজন সৈনিক<br />
এক হাতে ফুল অন্য হাতে ক্রুশ চিহ্ন<br />
টর্চারসেল – বিজলী বাতি<br />
প্রদীপ নিয়ে জানালায় উঁকি দিচ্ছে<br />
একটি নারী</p>
<p>অপর এক নারী প্রথিত মাটির গভীরে<br />
একটি নারী চাইছে পালিয়ে যেতে<br />
একটি শিশু – মৃত<br />
মরণোত্তর খুলি</p>
<p>একটি শহর<br />
তিন ঘন্টা বোমা বর্ষণ-&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225418"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225418/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">82c9f653ac8057c136fdd2efa84ebcc6</guid>
				<title>দ্য লাস্ট জাজমেন্ট 
যুবক অনার্য 

সিস্টিন চ্যাপেল
ফ্রেস্কৌ –

জিসাস এবং তাঁর পবিত্র আসন
পবিত্র আত্না সকল
পাপী আত্না সকল
স্বর্গ
নরক
কতিপয় সাধু
স্বর্গের চাবি নিয়ে পিটার
রহস্যসন্ধানী এঞ্জেল
শিংগায় ফু
মৃতগণ হয়ে উঠছেন জীবিত
বাম দিকে জীবিত হয়ে উঠছেন
পবিত্র আত্না সকল
ডানে- যুদ্ধ -এঞ্জেল ও দুষ্ট আত্না সকল
নিচে আগুন লালচে আকাশ
চ্যারন নিয়ে যাচ্ছেন নরকে
দুষ্ট আত্না সকল
সর্প বেষ্টিত কারাগার
মিনোসের অভিবাদন

মাইকেল এঞ্জেলো
দ্য লাস্ট জাজমেন্ট
শিল্পের আঁতুড় যন্ত্রনায়
দ্বৈত সত্তার পুনশ্চ সঙ্গীত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225379/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Jan 2025 06:01:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দ্য লাস্ট জাজমেন্ট<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>সিস্টিন চ্যাপেল<br />
ফ্রেস্কৌ –</p>
<p>জিসাস এবং তাঁর পবিত্র আসন<br />
পবিত্র আত্না সকল<br />
পাপী আত্না সকল<br />
স্বর্গ<br />
নরক<br />
কতিপয় সাধু<br />
স্বর্গের চাবি নিয়ে পিটার<br />
রহস্যসন্ধানী এঞ্জেল<br />
শিংগায় ফু<br />
মৃতগণ হয়ে উঠছেন জীবিত<br />
বাম দিকে জীবিত হয়ে উঠছেন<br />
পবিত্র আত্না সকল<br />
ডানে- যুদ্ধ -এঞ্জেল ও দুষ্ট আত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225379"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225379/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e99ef952bc5acc5ac21aaff1404e5b11</guid>
				<title>প্রেম
যুবক অনার্য 

পাওয়া বলে কিছু নেই শুধু প্রত্যাখ্যান আছে
নীরবে চলে যায় প্রেমিক প্রেমিকাকে উপেক্ষা করে
সমস্ত প্রেম সবটুকু ভালোবাসা
কলংকের কালিমা ছেনে
মিশে যায় দহনের গোপন প্রদেশে
প্রেমের শপথ নিয়ে তবু তুমি আমি
শুধু কেনো লীন হই অথই অনলে
শুধু কেনো নির্জনে দুজনে একা হই
তারপর প্রেম মুছে গেলে
শূন্যতা ছুঁয়ে দেখি
বস্তুত শূন্যতা বলে কিছু নেই
কারণ তুমি আছো সমস্ত শূন্যতা জুড়ে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225339/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Jan 2025 13:02:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেম<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>পাওয়া বলে কিছু নেই শুধু প্রত্যাখ্যান আছে<br />
নীরবে চলে যায় প্রেমিক প্রেমিকাকে উপেক্ষা করে<br />
সমস্ত প্রেম সবটুকু ভালোবাসা<br />
কলংকের কালিমা ছেনে<br />
মিশে যায় দহনের গোপন প্রদেশে<br />
প্রেমের শপথ নিয়ে তবু তুমি আমি<br />
শুধু কেনো লীন হই অথই অনলে<br />
শুধু কেনো নির্জনে দুজনে একা হই<br />
তারপর প্রেম মুছে গেলে<br />
শূন্যতা ছুঁয়ে দেখি<br />
বস্তুত শূন্যত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225339"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225339/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c9dcedfb4a7b34f36b0d6948b3cab6c8</guid>
				<title>একদিন শীতের রাত্রিতে 
যুবক অনার্য 

একদিন শীতের রাত্রিতে তুমি এসো
আগুনে পোড়াবো তোমায় দেবো ভাপা পুলি খেতে 
মাটিলগ্ন উনুনের পাশে আর্দ্র কেঁপে কেঁপে  
দীর্ঘ মনোযোগ মেপে আবিষ্কার করে নেবে 
ভাপার কতোটা গভীরে লুকিয়ে আছে চাকভাঙা গুর বহিরাংসে মাংসের স্বাদ 
দেখবে কাকে শীত ঋতু বলে  
অভিমানে কতোটা বিহ্বল জমে ওঠে 
কড়ে আঙুলের ছাপ 
সাপমাসি উড়ে যাবে কুয়াশার দিকে ক্ষণে ক্ষণে-
এইসব অনুভব করে মনে মনে-
দেখবে- সাটার নামানো দোকানের পাপোশ কম্বল করে কীভাবে কিশোর এক শীতের রাত্রিতে আছে শুয়ে একদিন শীত এলে তুমি কার্ডিগানে
উষ্ণ বুক ঢেকে এসো- সারারাত কুয়াশা কাফন হয়ে জড়িয়ে রাখবে তোমায় 
তুমি গিজারে ব্যক্তিগত অঙ্গ ভিজিয়ে
 নিজেকে দর্পণে দেখে খুব সুখী ভেবো 
তোমার ব্যক্তিগত অই মাংসল সুখ বস্ত্রহীন কবিকে এক কবি করে তোলে সংগোপনে 
অসহ্য শীতের রাতে তার ব্যক্তিগত অঙ্গ উষ্ণ করে কবিতায় লেখা  আছে তোমার ছদ্ম যন্ত্রণা তোমাকে সুখের আঘাতে ক্লান্ত করে
তোমার কম্পিত কামরাঙা ঠোঁটে অই লেপ্টে আছে প্রেমিকের বাসি দাঁত দাঁতের কামড় 
শীতের রাত্রিতে তুমি শীতের কামড়ে খুব তবে কেঁপো দেখবে- শীতকালও বড্ড প্রেমিক হতে জানে, 
জানে বেহায়া বেলাজ হতে তোমার মতন এক
 কর্পোরেট রমণীকে তোলপাড় করে 
মাটির পিড়ায় গইডা লাগানো দেশে 
একদিন শীতের রাত্রিতে প্রেম
পূর্ণমাত্রায় অস্বীকার করে হৃদয় পোড়াতে তুমি এসো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225334/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Jan 2025 11:49:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একদিন শীতের রাত্রিতে<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>একদিন শীতের রাত্রিতে তুমি এসো<br />
আগুনে পোড়াবো তোমায় দেবো ভাপা পুলি খেতে<br />
মাটিলগ্ন উনুনের পাশে আর্দ্র কেঁপে কেঁপে<br />
দীর্ঘ মনোযোগ মেপে আবিষ্কার করে নেবে<br />
ভাপার কতোটা গভীরে লুকিয়ে আছে চাকভাঙা গুর বহিরাংসে মাংসের স্বাদ<br />
দেখবে কাকে শীত ঋতু বলে<br />
অভিমানে কতোটা বিহ্বল জমে ওঠে<br />
কড়ে আঙুলের ছাপ<br />
সাপমাস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225334"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225334/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">309a086f6c2cb09efb660e2f04cbe375</guid>
				<title>তুমি ভালোবাসলে 
যুবক অনার্য 

তুমি ভালোবাসলে একটা নদী হতো
নদীতে নৌকাডুবি হতো
দ্বিপাক্ষিক প্রেমে ভাসতো যমুনার জল
তুমি ভালোবাসলে তারপর দুই পয়সার আলতা হতো
একটা ঘর একটা সংসার বাচ্চা কাচ্চা বিয়ে শাদি
অত:পর তুমি আমি পুনরায় নিঃসংগ আর হতাম দু’জনে দু’জনার
ঝড় বৃষ্টি বাদল কতো কিছু হতো
অজস্র দিন রাত হয়ে যেতো
আর রাতগুলি হয়ে যেতো দিন
কৃষ্ণ চুড়ার সংগে রাধাচুড়ার হতো প্রেম হতো বিচ্ছেদ
এক কাপ চায়ের উড়ন্ত ধোঁয়া- মনে হতো
কিশোরীর প্রথম পরশ
তুমি ভালোবাসলে দুঃখগুলি প্রেম হতো আর
প্রেম পোয়াতি হতো জনম জনম
তুমি ভালোবাসলে আমিও বিপ্লবী হতাম
হতে পারতাম দুর্ধর্ষ প্রেমিক
নরকের আগুন চুরি করে পোড়াতাম স্বৈরিনী-সুখের-সংসার
রাজপথে দেয়ালে লেখা হতো –
গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া মানি না মানবো না
সমগ্র পৃথিবী ঈশ্বরের আইন অমান্য করে
স্বর্গ হয়ে যেতো

তুমি ভালোবাসো নি তাই গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া আজো পৃথিবীতে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225323/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Jan 2025 04:25:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি ভালোবাসলে<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>তুমি ভালোবাসলে একটা নদী হতো<br />
নদীতে নৌকাডুবি হতো<br />
দ্বিপাক্ষিক প্রেমে ভাসতো যমুনার জল<br />
তুমি ভালোবাসলে তারপর দুই পয়সার আলতা হতো<br />
একটা ঘর একটা সংসার বাচ্চা কাচ্চা বিয়ে শাদি<br />
অত:পর তুমি আমি পুনরায় নিঃসংগ আর হতাম দু’জনে দু’জনার<br />
ঝড় বৃষ্টি বাদল কতো কিছু হতো<br />
অজস্র দিন রাত হয়ে যেতো<br />
আর রাতগুলি হয়ে যেতো দিন<br />
কৃষ্ণ চু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225323"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225323/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ee4824d2942b1a76cc3bb99fb792c9f5</guid>
				<title>মেয়েরা যেভাবে চলে যায়
যুবক অনার্য

চলে যাবার আগে ঠোঁটে লিপস্টিক নয়, থাকবে হালকা লিপ লাইনার; কপালে থাকবে না টিপ।পরনে পশ বা চোস্ত কোনো জামা নয়, থাকবে ট্রাডিশনাল থ্রি পিস- সালোয়ার কামিজ ওড়না।বিগত দিনগুলির মতন দেরি করে নয়,ডেটিং প্লেসে পৌঁছুবে যথাসময়ে। অনির্ধারিত একটি জায়গায় বসবে ধীরে ধীরে।শুরু হবে কথোপকথন। কথা বলতে বলতে যদি তুমি উত্তেজিত হয়ে রেগে যাও, প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে তোমাকে কুল করার চেষ্টা করবে সে।তুমি কুল হবে।হ’লে শেষ বাক্যের আগের বাক্যটি হবে- আমাকে ভুলে যেও।আর শেষ বাক্যটি- শরীরের যত্ন নিও। তোমার কাছে তাকে সম্পূর্ণ অচেনা মনে হবে। দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনীর আবেগাহত মানুষ আজ সংযত ও আবেগ সংহত।

‘আমাকে ছেড়ে যেও না’- এ কথা বোলবার কোনো সুযোগ থাকবে না তোমার।সে হেঁটে যাবে তোমার বিপরীত দিকে ৭৫ ডিগ্রি এঙ্গেলে যেনো বা এতোক্ষণ তাড়া না থাকলেও এই মুহুর্তে হঠাৎ খুব তাড়া তৈরী হয়ে গেছে যেনো বা ফোন করেছে অফিসের বস,এক্ষুনি যেতে হবে দ্রুত।যেতে যেতে একবারও পিছু ফিরে না তাকিয়ে যেতেই থাকবে কৃত্রিম উদাসী ভঙিমায় যদিও সে জানে তুমি পিছু ফিরে তার দিকে তাকিয়ে থাকবে অনন্তকাল।
তোমার চোখের আড়াল হবার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে মনে মনে ভেবে নেবে: যাক ভালোয় ভালোয় সব শেষ হলো।তারপর তার একমাত্র কাজ হলো কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তোমাকে ভুলে যাওয়া।

অথবা এসব কিছুই করবে না সে।হঠাৎ একদিন তোমার ফোন রিসিভ করে একটুও না কেঁপে স্ট্রেইট বলে দেবে: আজকের পর তুমি আমাকে আর কোনোদিন নক করবে না।মাইন্ড ইট।

বস্তুত চলে যাবার বহু আগেই মেয়েরা চলে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225299/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Jan 2025 17:37:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মেয়েরা যেভাবে চলে যায়<br />
যুবক অনার্য</p>
<p>চলে যাবার আগে ঠোঁটে লিপস্টিক নয়, থাকবে হালকা লিপ লাইনার; কপালে থাকবে না টিপ।পরনে পশ বা চোস্ত কোনো জামা নয়, থাকবে ট্রাডিশনাল থ্রি পিস- সালোয়ার কামিজ ওড়না।বিগত দিনগুলির মতন দেরি করে নয়,ডেটিং প্লেসে পৌঁছুবে যথাসময়ে। অনির্ধারিত একটি জায়গায় বসবে ধীরে ধীরে।শুরু হবে কথোপকথন। কথা বলতে বলতে যদি তুমি উত্তেজিত হয়ে রেগে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225299"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225299/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8b60a9c8344d481552d9dc61340a5284</guid>
				<title>তুমি ভালোবাসলে
যুবক অনার্য

তুমি ভালোবাসলে একটা নদী হতো
নদীতে নৌকাডুবি হতো
দ্বিপাক্ষিক প্রেমে ভাসতো যমুনার জল
তুমি ভালোবাসলে তারপর দুই পয়সার আলতা হতো
একটা ঘর একটা সংসার বাচ্চা কাচ্চা বিয়ে শাদি
অত:পর তুমি আমি পুনরায় নিঃসংগ আর হতাম দু’জনে দু’জনার
ঝড় বৃষ্টি বাদল কতো কিছু হতো
অজস্র দিন রাত হয়ে যেতো
আর রাতগুলি হয়ে যেতো দিন
কৃষ্ণ চুড়ার সংগে রাধাচুড়ার হতো প্রেম হতো বিচ্ছেদ
এক কাপ চায়ের উড়ন্ত ধোঁয়া- মনে হতো
কিশোরীর প্রথম পরশ
তুমি ভালোবাসলে দুঃখগুলি প্রেম হতো আর
প্রেম পোয়াতি হতো জনম জনম
তুমি ভালোবাসলে আমিও বিপ্লবী হতাম
হতে পারতাম দুর্ধর্ষ প্রেমিক
নরকের আগুন চুরি করে পোড়াতাম স্বৈরিনী-সুখের-সংসার
রাজপথে দেয়ালে লেখা হতো –
গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া মানি না মানবো না
সমগ্র পৃথিবী ঈশ্বরের আইন অমান্য করে
স্বর্গ হয়ে যেতো

তুমি ভালোবাসো নি তাই গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া আজো পৃথিবীতে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225295/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Jan 2025 14:27:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি ভালোবাসলে<br />
যুবক অনার্য</p>
<p>তুমি ভালোবাসলে একটা নদী হতো<br />
নদীতে নৌকাডুবি হতো<br />
দ্বিপাক্ষিক প্রেমে ভাসতো যমুনার জল<br />
তুমি ভালোবাসলে তারপর দুই পয়সার আলতা হতো<br />
একটা ঘর একটা সংসার বাচ্চা কাচ্চা বিয়ে শাদি<br />
অত:পর তুমি আমি পুনরায় নিঃসংগ আর হতাম দু’জনে দু’জনার<br />
ঝড় বৃষ্টি বাদল কতো কিছু হতো<br />
অজস্র দিন রাত হয়ে যেতো<br />
আর রাতগুলি হয়ে যেতো দিন<br />
কৃষ্ণ চু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225295"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225295/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">726f13a3e37d9b5992d7dab39b859975</guid>
				<title>মেয়েটি
যুবক অনার্য

মেয়েটি
তার চোখের কোনে পিঁচুটি
পরনে ছেঁড়া ফ্রক
ফ্রকের নিচে
ডুরি লাগানো হাফপ্যান্ট
খালি গা
চুলে এক মাথা উকুন
কিছুদিন পর হবে বয়ঃসন্ধি তার
অপুষ্ট শরীরে দুই একটি তীব্র এলাকা
বদলে যাবে
নগরসভ্যতার গোড়াপত্তনের মতো
দুর্বৃত্তগণ জোর করে খুলে ফেলবে
গিট

রক্তের লালচে গন্ধ
তলপেটে ব্যাথা

এই গল্পটির নাম- বাংলাদেশ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225224/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Jan 2025 16:08:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মেয়েটি<br />
যুবক অনার্য</p>
<p>মেয়েটি<br />
তার চোখের কোনে পিঁচুটি<br />
পরনে ছেঁড়া ফ্রক<br />
ফ্রকের নিচে<br />
ডুরি লাগানো হাফপ্যান্ট<br />
খালি গা<br />
চুলে এক মাথা উকুন<br />
কিছুদিন পর হবে বয়ঃসন্ধি তার<br />
অপুষ্ট শরীরে দুই একটি তীব্র এলাকা<br />
বদলে যাবে<br />
নগরসভ্যতার গোড়াপত্তনের মতো<br />
দুর্বৃত্তগণ জোর করে খুলে ফেলবে<br />
গিট</p>
<p>রক্তের লালচে গন্ধ<br />
তলপেটে ব্যাথা</p>
<p>এই গল্পটির নাম- বাংলাদেশ</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3056a09cc15c21e2d7fc771afe89ca0a</guid>
				<title>নষ্ট প্রেমের পদ্য 

যুবক অনার্য
১.
নারী
তুমি ভাসতে থাকো
আমি আসছি
দু’জনে একসঙ্গে ডুবে মরবো
ভেসে যেতে যেতে
২.
তুমি ‘না’ বোল্লে নিজেকে নষ্ট মনে হয়
তুমি ভালোবাসলে নিজেকে ঈশ্বর মনে হয়
৩.
আমি কৃষ্ণ হতে চেয়েছি তোকেই তো রাধা ভেবে
তুই দ্রৌপদী হতে চাইলি না আমাকেই অর্জুন ভেবে
৪.
আমি না হয় কলঙ্ক আর তার পাশে চাঁদ তুই
কতো যে শ্যাম শরীরে তোর কাটছে সাঁতার
বুঝতে পারি যখন তোকে ছুঁই
৫.
নারী
চলে গেলে অর্ধেক পুড়িয়ে চলে যায়
মায়াবী মোড়কে ফিরে আসে যদি তবে বাকীটা পোড়ায়
৬.
নীল রাত কালো রাত আর সাদা রাত
আমার হাতের কাছে নেই তোর হাত
আগুনে আগুন জ্বলে
জ্বলে যাক পুড়ে যাক
আমাদের নামহীন নষ্ট প্রেমের ধারাপাত
৭.
অশ্লীল কিংবা অযৌক্তিক নয়
যাপিত জীবনে অন্তত একবার
একটি অবৈধ প্রেমের পূর্ণাঙ্গ নিশ্চয়তা চাই
৮.
তোমার কাছে রেখেছিলাম নীলাভ কররেখা
রেখেছিলাম হৃদয়-আঁকা লাল খামে নীল গদ্য
কররেখা মুছে দিয়ে
উড়ো খামে পাঠিয়েছিলে নষ্ট প্রেমের পদ্য
৯.
আজকাল তোমার মধ্যবর্তী আগুনে
ভাড়াটে শেয়ালের ছাপ
আজকাল তোমার ষোড়শী উনুনে
নষ্ট কষ্টের ক্ষুধার্ত সন্তাপ
১০.
প্রেমের পুরানো পাপী আমি
তুমি রাই বিনোদিনী
আভরণে নগ্ন তুমি বেশরীরে ঢাকা
পাপের ছোবলে  বিশুদ্ধ ক’রে দিয়ে
তোমাকে করে যাই নিদারুণ ঋণী</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225167/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Jan 2025 15:52:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নষ্ট প্রেমের পদ্য </p>
<p>যুবক অনার্য<br />
১.<br />
নারী<br />
তুমি ভাসতে থাকো<br />
আমি আসছি<br />
দু’জনে একসঙ্গে ডুবে মরবো<br />
ভেসে যেতে যেতে<br />
২.<br />
তুমি ‘না’ বোল্লে নিজেকে নষ্ট মনে হয়<br />
তুমি ভালোবাসলে নিজেকে ঈশ্বর মনে হয়<br />
৩.<br />
আমি কৃষ্ণ হতে চেয়েছি তোকেই তো রাধা ভেবে<br />
তুই দ্রৌপদী হতে চাইলি না আমাকেই অর্জুন ভেবে<br />
৪.<br />
আমি না হয় কলঙ্ক আর তার পাশে চাঁদ তুই<br />
কতো যে শ্যাম শরীরে তোর কাট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225167"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225167/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b5be6181ba704e4752e550db812c8884</guid>
				<title>আড়াই ইঞ্চি 
যুবক অনার্য 

সুলিখিত মন বেহুলা পবন ঝাউডাঙা
 আপ্লুত ভিড় প্রসিদ্ধ চাহনি তোর,
সঙ্গে চাহনি মোর তীর্যকোত্তর
নিষিদ্ধ  কলেবর
আলুথালু চাঁদ বাসনার পোস্টমর্টেম

তারপর...

পলেস্তারা খসে পড়া দরদালান
হিমাঙ্কের নিচে অনুভব 
এক প্যাকেট সিগ্রেটে একটি গান
ফিলোসফি - নীৎসে কান্ট
কবিতার হাটবাজার- কুহুকেকা
প্রবহমান ভূখন্ডের কাটাছেঁড়া... 

তোমাদের এই শহরে ঈশ্বর এসে ফিরে গেছেন
বিবিধ ঈশ্বরের আড়াই ইঞ্চি দৌরাত্ম্য দেখে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/98436/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Feb 2022 18:48:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আড়াই ইঞ্চি<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>সুলিখিত মন বেহুলা পবন ঝাউডাঙা<br />
 আপ্লুত ভিড় প্রসিদ্ধ চাহনি তোর,<br />
সঙ্গে চাহনি মোর তীর্যকোত্তর<br />
নিষিদ্ধ  কলেবর<br />
আলুথালু চাঁদ বাসনার পোস্টমর্টেম</p>
<p>তারপর&#8230;</p>
<p>পলেস্তারা খসে পড়া দরদালান<br />
হিমাঙ্কের নিচে অনুভব<br />
এক প্যাকেট সিগ্রেটে একটি গান<br />
ফিলোসফি &#8211; নীৎসে কান্ট<br />
কবিতার হাটবাজার- কুহুকেকা<br />
প্রবহমান ভূখন্ড&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-98436"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/98436/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dcb4e6c9bfd85d03e09672e2841c2b86</guid>
				<title>ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা ভালোবাসা দিবসের কবিতা
যুবক অনার্য 
 

তার সাথে একটি দীর্ঘ বিরতি কেটে গিয়েছিলো
আমাকে খুঁজে বের করা তার কাছে সহজ ছিলো না
কারণ আমি কখনো চাইনি সে আমাকে খুঁজে পাক
সাত বছর পর দেখা হলো স্বাধীনতা উদ্যানে
আমি পছন্দ করি বলে কবিতার মতন
কপালে পরেছিলো কালো টিপ
&#039;কাকতালীয়’ বলে যে একটা ব্যাপার আছে
বিশ্বাস না করে পারলুম না
সে পরেছিলো একটি কালো জামদানি
আমার পরনেও কালো পাঞ্জাবি আর জিন্স
মন্দিরের সামনে অচল মুদ্রার মতন পুকুর, তার সিঁড়িতে
বসলাম পাশাপাশি। মাঝখানে শূন্যতা। সংস্কারের দেয়াল
ঝুপঝুপ বৃষ্টি শুরু হলো
আমরা মন্দিরের বাউন্ডারির ভেতরে ঢুকে পড়লাম
পশ্চিম পাশে একটি নতুন ঘর তখোন অর্ধনির্মিত
তার বারান্দায়- কী অদ্ভুত- দুইটি চেয়ার
আমাদের উদ্দেশেই বুঝি রাখা ছিলো!
ওখানটায় বসে চেয়ার দুইটির শূন্যতা উড়িয়ে দিলাম
তার ঠোঁট কাঁপছিলো। কথা বলতে পারছিলো না
অপরাধীর মতন মাথা নিচু করে বসে আছে
এতোদিন পরেও কি মানুষ ওসব মনে রাখে!
বেশ কিছুক্ষণ পর
ব্যাগ থেকে সে বের করলো আটটি লাল গোলাপ
প্রথমে একটি গোলাপ কম্পিত হাতে
আমার দিকে বাড়িয়ে দিলো
তারপর চারটি গোলাপ
তারপর তিনটি গোলাপ
আমি তাকে ধন্যবাদ দেই নি
আমার চোখের ভাষায় সম্ভবত
সে তা টের পাচ্ছিলো
আর তাকিয়ে ছিলো-
কী গাঢ় আর স্নিগ্ধ দু’টি চোখ
করতলে অন্ধকার নিয়ে অনন্তকালের মতো বহমান
আমি তার সমস্ত অপরাধ ক্ষমা করে দিয়েছিলাম
কিন্তু তখোন অনেক দেরি হয়ে গ্যাছে
সে ফিরে গিয়েছিলো আমার ক্ষমা আর অক্ষমতা নিয়ে
আমিও ফিরে এসেছি তার বিলম্বিত ভালোবাসা নিয়ে
আমার শুধু মনে পড়ছিলো- ভলোবাসা হয়তো শেষ কথা নয়!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97428/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Feb 2022 04:50:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা ভালোবাসা দিবসের কবিতা<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>তার সাথে একটি দীর্ঘ বিরতি কেটে গিয়েছিলো<br />
আমাকে খুঁজে বের করা তার কাছে সহজ ছিলো না<br />
কারণ আমি কখনো চাইনি সে আমাকে খুঁজে পাক<br />
সাত বছর পর দেখা হলো স্বাধীনতা উদ্যানে<br />
আমি পছন্দ করি বলে কবিতার মতন<br />
কপালে পরেছিলো কালো টিপ<br />
&#8216;কাকতালীয়’ বলে যে একটা ব্যাপার আছে<br />
বিশ্বাস না করে পারলুম না<br />
সে পরেছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-97428"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/97428/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3a37ceeda3e1f055112f292f057eb16a</guid>
				<title>বিলুপ্ত সাঁকোর পদচিহ্ন
যুবক অনার্য 

গলিটা এখানে এসে শেষ হয়ে গেছে।

নিকটেই রেললাইন। লাইনের পাড় ঘেঁষে মজা নর্দমা।উপরে বিলুপ্ত সাঁকোর পদচিহ্ন।রাখাল তাকিয়ে আছে।ওর চোখ ক্লোজ সার্কিটের  মতো ঘুরছে।
দুয়েকদিন আগে সাঁকোটির পদচিহ্নে একজন খুন হলো।কেউ বলে দলীয় খুন।কেউ - &#039;রাজনৈতিক&#039;। &#039; নারী বিষয়ক নিষিদ্ধ গন্ধ&#039; বলে কেউ কেউ।

রাখালের বাম চোখটা একটু ফুলে আছে।রাতে ঘুম হয় নি।অথবা হয়েছে- সে পারছে না নিশ্চিত হতে।হওয়া সম্ভবত জরুরি নয়, যেমন জরুরি নয় জানা- রিতুর ক্ষরণ হবে ঠিক কতো তারিখে।তবু সে একবার জেনে নিয়েছিলো জিজ্ঞেস ক&#039;রে ওর পেইন হবার কারণ এবং  কবে পেইন হবে পুনরায়। 
বলেছিলো রিতু : জেনে কি হবে?
বলেছিলো রাখাল: কিছুই হবে না।
বলেছিলো তারপর : একজন সোমত্ত রমণীর  ২৮ দিনে ক্ষরণ হয় একবার।আর এই রাষ্ট্রটির ক্ষরণ হচ্ছে প্রতিদিন।কারা কারা প্রতিদিন করছে রক্তাক্ত করছে প্রতিদিন রেইপ।হায় রে জননী আমার।
 
-ওসব ভারী কথা আমি বুঝি না।আমাকে হালকা কিছু বল।
:আজ পারবো না। অন্যদিন।
-অন্যদিন আসবে না কোনোদিন!
:আসবে।আসতেই হবে।নবজাতকের তীব্র কান্নার মতো করে। যাইহোক,  তুই বাসায় চলে যা।বিল্লুর ঠেকে আমার একটু কাজ আছে।

বিল্লুর ঠেকে কাউকে পাওয়া গেলো না।বিল্লুটা টাল হয়ে আছে।রাখালকে দেখে জড়ানো গলায় গাইতে শুরু করলো- &#039;মদিরা স্বপনে রঙিলা বসনে...&#039;

:বিল্লু
-আজ্ঞে কত্তা
:নাঙ্গাকে বলিস- আজ কোনো বিলাই আসবে না।
বিল্লুর উত্তর- &#039; মদিরা স্বপনে রঙিলা বসনে...&#039;

বিলাই আসার মানে কী - বিল্লুটা কখনো জানতে চায়নি।জানতে চায়নি- কাউয়া থ্রি পিছ  টিকটিকি মিডা রাইত ইত্যাদি আসা না আসার মানে - কোনোদিন।

এখানে বেশিক্ষণ  দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছে না ।রোদ চড়ে উঠেছে।রাখাল কিছুক্ষণ কী ভেবে ডানদিকের গলি দিয়ে ঢুকে প্রধান সড়কে নেমে এলো।বেলা ২ টার মধ্যে যেতে হবে নাইক্কারঘাট,চিনুদার কাছে।একটা রিক্সায় উঠে পড়লে ৪৫ মিনিট।

দরোজা খুলে দিলো লুনি।১২/১৩ বছর বয়স থেকে এ বাড়িতে আশ্রিতা।লুনিকে দেখলে মনে হয় বাংলাদেশ ভালো আছে। এরকম কেনো মনে হয়  , তা রাখালের কাছে অজানা।লুনি ভেতরে যাবার ৫ মিনিট পর চিনুদা এলেন।ঘরের দেয়ালে ঝুলে আছে ম্যানডেলা মার্কস ফিদেল চে....

চিনুদা কর্ণারে সিঙ্গেল সিটে বসলেন।৭ মিনিট পর চা দিয়ে গেলো লুনি যার চেহারায় ফুটে থাকে একটি সুখী বাংলাদেশ। 

চিনুদার &#039;হয়ে ওঠা&#039; নব্বইয়ের দশকে। নব্বইয়ের দশক নিয়ে আমাকে একটি নাতিদীর্ঘ ধারণা চিনুদা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন। বলেছিলেন- &#039;বাবা চলে গেলেন অকালে।৮০ দশকের বাংলাদেশ নিয়ে বাবার কাছে প্রত্যক্ষ ধারণা পাওয়া যেতো। হলো না।তার আগেই  স্ট্রোক করলেন।&#039;

দেশলাই জ্বেলে সিগ্রেটে একবার টান দিয়ে চিনুদা দেয়ালের দিকে তাকিয়ে আছেন শূন্য দৃষ্টিতে।এভাবে মিনিমাম ৭/৮ মিনিট তাকিয়ে থাকবার পর কথা বলেন চিনুদা।আজ আমিই শুরু করলাম।

: চিনুদা
-বল
ভাবছি জিতুকে না করে দেবো।
-কেনো?
:ওর খুব শীঘ্রই চাকুরী আয় রোজগার দরকার।সংসারে বাবা নেই।এতোদিন সেতু আপু চালিয়ে নিয়েছেন।বিয়ের পর আর ওভাবে সম্ভব নয়।তাই ভাবছিলাম না বলে দেই কিন্তু ওর এসব করার ইচ্ছে প্রবল।
-রাখাল, জিতুকে নয় শুধু, আপাতত সবাইকে একটু অফ থাকতে হবে।আমাদের কন্সেপ্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চলে গেছে।সময়টা তুমুল বদলে গেছে।আগের মতো কোনো কিছু নেই।যা কিছু হচ্ছে টুকটাক বিচ্ছিন্ন প্রয়াস।এসবে এখন পজিটিভ কিছু আসবে না।সময়টাকে বুঝতে হয়।বুঝতে পারে খুব কম সংখ্যক।

চিনুদাকে বলার মতো তাত্বিক কিছু আমার জানা নেই।

:দাদা, সময়টাকে আরও বদলে দিতে চাই, তবে অন্যভাবে।
-সময়কে বদলে দিতে হলে বিবর্তনকে প্রভাবিত করবার থিসিস এন্টিথিসিস এমনকি জেনে নিতে হবে সিন্থিসিস।যেমন ধর ফিতা ক্যাসেট গিয়ে এলো সিডি তারপর ব্লুটুথ ইউটিউব।যারা এই কনভার্টেড ধারার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পেরেছে তারাই টিকে গেছে, বাকিরা মার্কেট আউট।- এটা অবশ্য মামুলি চলতি আর সস্তা উদাহরণ। মূল বিষয়টা অন্য জায়গায়।

আমি যে চিনুদার দিকে আরেকটু সিরিয়াস ভঙিমায় দু&#039;চোখ তীর্যক করে দি, চিনুদা বুঝতে পারেন।

-রাখাল, তুই আবেগ দিয়ে ভাবছিস দেখছিস।তোর ক্ষেত্রে এটাই স্বাভাবিক। পৃথিবীতে এমন ইতিহাসও আছে - একটি সমগ্র জাতি একটি ভূখন্ড বা একটি বিশেষ মনস্তত্ত্ব নিয়ে প্রথম যিনি ভেবেছেন,তার নাম মানুষের কাছে অজানা থেকে গেছে দীর্ঘ দীর্ঘ বছর। 

আমি চিনুদাকে মাঝপথে বাধা দিয়ে  কিছটা যেনো অপ্রাসঙ্গিক ভাবেই বলি
: বেলাদি কাল ফোন  করেছিলো। জানতে চেয়েছিলো- দিদি এখন কী সিদ্ধান্ত নেবে।

চিনুদা একটুও অপ্রস্তুত না হয়ে বললেন- অঞ্জনদা&#039;র গানে  বেলাকে বলা হয় চাকরি পেয়ে যাবার সংবাদ।আমি অঞ্জন দত্ত হতে পারি নি।কী আর বলবি।বলিস প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেতে।

সিগ্রেটে টান।ধোঁয়া।৭ মিনিটের নীরবতা। নীরবতা ভঙ্গ হলো।

-রাখাল
:দাদা
-জানি, হতাশ হচ্ছিস।ভাবছিস দাদা তো হাল ছেড়ে দেবার লোক নয়,তাহলে এসব কেনো বলছেন- তাইতো?

আমার মুখে অগত্যা কাষ্ঠহাসি।

-শোন, আমাদের এখন একটি অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তের সময়।আপাতত ব্যক্তিজীবন নিয়ে ভাবতে পারছি না।জানি বেলা সহজ মেয়ে নয়।তুই বললেও সে তার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।না হয় চালাতে দে।এর বেশি কিছু, অন্যকিছু কী  হতে পারে আমি সত্যিই জানি না। 

চিনুদা আর বেলাদির জন্য আমার শিরা-উপশিরায় কিংবা কোথাও চিনচিন করে ওঠে। 

লুনি এসে বলল- দাদা, তোমার ফোন।

চিনুদাদের বাসায় এখনো ল্যান্ডফোনের লাইন আছে।বাবার স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেছে।

আমি উঠবার জন্য উঠে যাবার প্রসঙ্গে আসতেই দাদা বললেন - আমি বলার আগে  কিছুদিন  বিল্লুর ঠেক এড়িয়ে চলিস।
আমি &#039; ওকে, দাদা&#039; বলে উঠে পড়লাম।লুনি ভেতর দরোজার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলো।ওর মুখে ফুটে আছে  সেই সুখী বাংলাদেশ। 

***        ***      ***

চোখের সমুখে সবকিছু কতোটা  বদলে গেলো।রেললাইনের পাড়ে মজা নর্দমা আর নেই, ওখানে একটি শপিং মল দাঁড়িয়ে আছে তিনতলাসম উঁচু হয়ে।এ পাড়ায় বেশিরভাগ ছিলো সেমি দালান টিনশেড; এখন রাখালদের বাড়ি ছাড়া আরও দুটি মাত্র বাড়ি টিনশেড,বাকি সব বহুতল দালান।মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে কী বিশাল পরিবর্তন। শুধু কি রাখালদের এলাকা, পুরো শহরটাই তো আর আগের মতো নেই।আসলে এটাইতো স্বাভাবিক। তবু আগের সেই পুরনো পাড়াটাকেই রাখালের ভালো লাগে,সেই যে বাবা মার হাত ধরে ৫ বছর বয়সে র&#x200d;্যাংকিন স্টিট থেকে সে চলে এসেছিলো আধা গ্রাম আধা শহর আধা মফস্বল এই  চরপাথালিয়া এলাকায়।এখন এটি আর সেই নামে নেই।এখন বলতে হয় অমুক ব্লক তমুক লেন।পাড়া বলে কিছু নেই।

কিছুদিন পর বইমেলা।মেলাও বিস্তৃত হয়েছে মূল একাডেমি ভবন থেকে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে।
মেলার কথা মনে পড়লেই কবিতা মনে পড়ে।মনে পড়ে গান নাটক আরও কতো  কিছু।মনে পড়ে - &quot; নেতা ভুল নারী ভুল  বাগানে নষ্ট ফুল অকথিত কথার বকুল।&quot;
সেই কবেকার কবিতা।আজও বড় সত্যি।রাখালের মনে পড়ে- সেদিন নাইক্কারপাড় চিনুদা&#039;র বাড়ি থেকে এসে বিকেলে চাট্টে খেয়ে  রাখাল ঘুমিয়ে পড়েছিলো।পরদিন সবাইকে ফোন করে জানিয়ে দিলো চিনুদা&#039;র সর্বসাম্প্রতিক দিকনির্দেশনা। সেই মোতাবেক রাখালরা সতর্ক হয়ে গেলো।সপ্তাখানেক পর রাখাল চিনুদা-কে ফোন দিলো।ল্যান্ডফোনে বলা হলো- চিনুদা বাড়ি নেই।এভাবে মাসখানেক ল্যান্ডফোনে- &#039; চিনুদা বাড়ি নেই&#039; - শুনে রাখাল আর ফোন দেয়নি।বছর খানেক চিনুদা&#039;র কোনো খবর না পেয়ে রাখালের কাছে চিনুদা বিষয়টি কিছটা স্তিমিত হয়ে আসছিলো।একদিন অনেকদিন পর রনোর সঙ্গে দেখা।রনো জানালো- চিনুদা দীর্ঘদিন গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন।
একদিন  অনেকদিন পর জিতুর সঙ্গে দেখা। বলল- চিনুদা কক্সবাজার চলে গিয়েছিলেন।ওখানে এক্সপোর্ট ইম্পোর্টের ব্যবসায় করতেন।

ঘটনা সত্য কিনা রাখাল নিশ্চিত হতে পারেনি।তবে একদিন কিছুদিন পর নিশ্চিত হলো - চিনুদা আপোষ করে সরে গিয়েছিলো।বেলাদিকে বিয়েও করেছিলো।তাদের একটি বাবু আছে।ভরপুর সংসার।
কেউ কেউ বলতো - মজা নর্দমার উপরে বিলুপ্ত সাঁকোর পদচিহ্নে যে খুনটি হয়েছিলো তার সঙ্গে চিনুদার যোগসাজশ ছিলো।

রাখাল মনে মনে বলে : চিনুদা তুমি সত্যিই  অঞ্জনদা হতে পারো নি।2441139 নম্বরে কাঁদছিলো অঞ্জনের বেলা বোস কিংবা বেলা নয়,কাঁদছিলো হয়তো অন্য কেউ কারণ চাকরিটা পেতে অঞ্জনদা&#039;র বড্ড দেরি হয়ে গেছিলো।বেলা বোসকে অঞ্জনদা পাননি।তুমি কিন্তু বেলা রায়কে ঠিক ঠিক পেয়েছিলে।

তারপর রাখালের মনে পড়লো লুনির কথা যে মেয়েটির মুখে বাংলাদেশ ফুটে থাকতো মিথ্যেভাবে সুখী হয়ে।আচ্ছা, লুনি এখন কোথায় আছে কেমন আছে- লুনিকে রাখালের খুব দেখতে ইচ্ছে হলো।রাখাল দেখলো- তিনটি মাঝিচিত্র অথবা তিনটি নদীচিত্র অথবা তিনটি নৌচিত্র।প্রথম নৌকায় কোনো মাঝি নেই বৈঠা নেই।দ্বিতীয়  নৌকায় বৈঠা আছে মাঝি নেই। তৃতীয় নৌকা মাঝি ভাসিয়ে দিয়েছে মাঝ দরিয়ায়।যাত্রীদের নিজস্ব গন্তব্য আছে কিন্তু সেই গন্তব্যের সঙ্গে মাঝির বৈঠা বাওয়ার কোনো সাদৃশ্য খুঁজে পাচ্ছে না  নিরীহ যাত্রীগণ।

***     ***      ***

এইখানে গলিটা শেষ হয়ে গিয়েছিলো।নিকটেই রেললাইন মজা নর্দমা উপরে বিলুপ্ত সাঁকর পদচিহ্ন।একটি খুন হয়েছিলো।কেউ বলেছিলো- দলীয়। কেউ- &#039;রাজনৈতিক&#039;। নারী বিষয়ক নিষিদ্ধ গন্ধ পেয়েছিলো কেউ কেউ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/95652/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Feb 2022 11:33:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিলুপ্ত সাঁকোর পদচিহ্ন<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>গলিটা এখানে এসে শেষ হয়ে গেছে।</p>
<p>নিকটেই রেললাইন। লাইনের পাড় ঘেঁষে মজা নর্দমা।উপরে বিলুপ্ত সাঁকোর পদচিহ্ন।রাখাল তাকিয়ে আছে।ওর চোখ ক্লোজ সার্কিটের  মতো ঘুরছে।<br />
দুয়েকদিন আগে সাঁকোটির পদচিহ্নে একজন খুন হলো।কেউ বলে দলীয় খুন।কেউ &#8211; &#8216;রাজনৈতিক&#8217;। &#8216; নারী বিষয়ক নিষিদ্ধ গন্ধ&#8217; বলে কেউ কেউ।</p>
<p>রাখালের বাম চোখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-95652"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/95652/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f1687ca408f1ba9dffc05d501936c3d</guid>
				<title>তৃতীয় নম্বর লাশ
যুবক অনার্য 

একটি আধা হাসপাতাল। আধা পূর্নাঙ্গ ও কোয়ার্টার রুগী। এরা এডমিটেড।চিকিৎসা হচ্ছে আধা, কোয়ার্টার। চিকিৎসকগণ আধা কোয়ার্টার।পূর্নাঙ্গ থাকবার সম্ভাবনা আপাতত উড়িয়ে দেবার তালিকায় থেকে যাক।

করিডোর।পায়চারি।
আমি। সুজয়া।

অবিনাশ আধা এই হাসপাতালের আইসিইউতে এডমিটেড ও অপেক্ষমাণ।

অবিনাশ একদিন মিছিলে গিয়েছিলো একদিন মানব বন্ধন একদিন ইটপাটকেল  টিয়ার শেল।আজ অনশনে যেনো এক অদৃশ্য ইশারায় আকস্মিক ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া - এলোপাতাড়ি।  কেউ পেছন দিক থেকে কিছু একটা দিয়ে প্রচন্ড ইনজুর্ড করে দিয়েছে।মাথা থেকে তীব্র ব্লিডিং।অতঃপর আধা হাসপাতাল। আইসিইউ।

-মান্তু
:বল 
-আমি আর নিতে পারছি না।
:নিতে পারার কথা তো নয়।
-মান্তু
:হুম
-অবি কি ফিরে আসবে?
:ফিরে আসবে - এই অবি না হোক অন্য কোনো অবি।
-নতুন সেই অবিও ইনজুর্ড হবে- এ রকম আইসিইউ-
এভাবে কতোদিন!
:নতুন কিছু  নয় ইতিহাস অভিন্ন বরাবর।
-ইতিহাস দিয়ে আমরা কী করবো।আমি আমাদের কথা বলছি।
:এভাবে বলতে পারে কয়জন!
-সিরিয়াসলি টেক কর।
:আমি কে? আমার টেক করায় কিছু এসে যায় না।
-মান্তু
:শুনছি
-তুই জানিস অবিকে ফুপি পেয়েছেন বিয়ের ১৪ বছর পর।অনেক চিকিৎসা। অনেক কিছু।অনেক বেশি শেষ হয়ে যাবার পর অবির ফুটফুটে মুখ। ফুপির একমাত্র অবি... কীভাবে হয়,বল!
:এরকমই হয়।নিয়ম ও নিয়তি ঠিক যেন এরকম!
-তুই দাঁড়িয়ে থাকছিস কীভাবে! আমি যে শূন্যে ভেসে আছি পায়ের নিচে আমার মাটি নেই।
:সমগ্র এ ভূখন্ডের নিচেও মাটি নেই
-ওসব ভূখন্ড করে টরে কী হবে বল!
:ভূখন্ড করে করেই তো হয় যেভাবে ৮৭ তে হয়েছিলো,
হয়েছিলো একাত্তরে।
-মান্তু, ওসব এখন আর হবে না হচ্ছে না।
:Time will say. Wait and watch.
-স্বপ্নবাদীতা বড্ড disgusting!

আজ অনেকটা বছর হয়ে গেলো। অবির  লাশের সামনে ফুপি মুর্ছা গিয়েছিলেন।সেন্স ফিরে ৩৯ মিনিটের মাথায় স্ট্রোক। দ্বিতীয় লাশ।ফুপা লন্ডলের সড়কে পাগল হয়ে ঘুরছেন।সুজয়া টেক্সাস  থেকে ডালাস,ডালাস থেকে টরোন্টো - জীবন জেরবার করেও  ভুলতে পারছে না অবিকে হারাবার তীব্রতম হাহাকার।

২০২২ সালের একটি বিকেল।খুব শীত।আমি দাঁড়িয়ে আছি একটি হাসপাতালের সামনে।সুরম্য অট্টালিকায় গাঁথা হাসাতালটি আধা নাকি পুরো আমার জানা নেই।শুধু কোনো এক মান্তু,কেবলি জেনে নেয়--এক দলীয়
এই ভুখন্ডে মানুষের জীবন কোয়ার্টারের নিচে অথবা 
তৃতীয় কোনো লাশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/95284/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Feb 2022 12:57:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তৃতীয় নম্বর লাশ<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>একটি আধা হাসপাতাল। আধা পূর্নাঙ্গ ও কোয়ার্টার রুগী। এরা এডমিটেড।চিকিৎসা হচ্ছে আধা, কোয়ার্টার। চিকিৎসকগণ আধা কোয়ার্টার।পূর্নাঙ্গ থাকবার সম্ভাবনা আপাতত উড়িয়ে দেবার তালিকায় থেকে যাক।</p>
<p>করিডোর।পায়চারি।<br />
আমি। সুজয়া।</p>
<p>অবিনাশ আধা এই হাসপাতালের আইসিইউতে এডমিটেড ও অপেক্ষমাণ।</p>
<p>অবিনাশ একদিন মিছিলে গিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-95284"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/95284/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3a786f254de1c8682df5a8bb1fe444aa</guid>
				<title>আমি কলিমুদ্দি সিনা ৩৮
যুবক অনার্য 

সময় ফুরায়া আইছে
মানুষের পেটে পাথর
গৃহকর্তা দর্জি হয়া গেছে
সিলাই মাইরা আটকাইয়া দিসে ঠোঁট
নাটক চলতাছে দ্যাশ লইয়া
চলতাছে মগের মুল্লুক কনসার্ট 
দুইদিনের যোগি ভাতেরে কয় অন্ন

আমি কিন্তু সলিমুদ্দি&#039;র পুত কলিমুদ্দি
বাপের কইলজা আছিলো ৩৬ ইঞ্চি আমার কইলজা ৩৮ 
না হইলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া- জোলাভাতি খেলার সাহস পাই  ক্যামনে
বাঁইচা থাকতে সাহস লাগে
আমি উপরঅলা ছাড়া ডরাইনা কাউরে
নূর হোসেনের দ্যাশে দিনদুপুরে ডাকাতি
হইতাছে চুরি লোপাট কইরা সব বৈদেশে পাঠাইয়া দিতাছে আমাগো রক্তমাংস ঘাম ঝরাইন্না ট্যাকাগুলি
দিন যায় না একমতন
কবিতা কওনের টাইম শ্যাষ  এখন কইতে হইবো একশন একশন ডাইরেক্ট একশন কইয়া একশন চালায়া দিতে হইবো

গেদু&#039;র মা অ গেদু&#039;র মা 
তোমার শইল্লের মাখনে কারা নাকি হাত দিছে
গেদু&#039;র মা লুকাইতে চায়
আরে গেদু&#039;র মা আর কয়টাদিন সইহ্য করো
হাতগুলা ভাইঙ্গা দিমু
নির্বাচনটা শেষ হোক
গেদু&#039;র মা কৌতুকের হাসি দেয়- &#039; নির্বাচন হইলে তো!&#039;
আমি কলিম  সিনা ৩৮ 
নির্বাচন না হইলেও সময় কিন্তু ফুরায়া আইছে
আবার খিক খিক কইরা কৌতুকের হাসি

আমি এখন দাদার অফিসে 
দাদা জানেন কে কে মূলত কবি এ নিয়ে তার একটি সংকলন বেশ জনপ্রিয়
দাদা নিজেকে মনে করেন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি 
এরকম নিজেকে শ্রেষ্ঠ কবি মনে করবার
লোক নেহাৎ কম নয়
যাদের কবিতা হয় না তারাও অনেকেই তো এমন নিজেকে ভেবে নিয়েছেন যেমন অমুক দশকের তমুক, তমুক দশকের অমুক- মুর্খতা, মানসিক সিকনেস
দাদা তার কবিতা নিয়ে আমাকে লিখতে বলেন আমি লিখি
নিজের পয়াসায় বই ছাপি
একদিন মিথ্যে অজুহাতে  হাজার পঞ্চাশেক টাকা চান
আমি দেই
উনি মেরে দেন গোটা পঞ্চাশ হাজার
আমি সরে আসি
দাদারা এমনই হন
তিনি আছেন গৃহকর্তার ছত্রছায়ায়
মুখে অসাম্প্রদায়িক বুলি
আদতে গভীর সাম্প্রদায়িক 
মুখে মিথ্যের ফুলঝুরি
দাদারা আসলে এমনই 
না হলে কৃতঘ্ন কেনো এমন 

দাদা,কিছুদিন পর আপনার মাথার উপরের   ছাতাটি সরে যাবে তখন কি হবে উপায় - আমি ভাবি
দাদা স্বপ্নের কথা বলেন
দাদার স্বপ্ন  - এই দেশ অমুক জাতি আর তমুক জাতি ভাগেযোগে নিয়ে নেবে ; নিলে নাকি অভিমত দাদার - ভালোই হবে
অমুক জাতি  নাকি নাস্তিক -তাই ভালো,আর
 তমুক জাতি হলে দাদার নাকি  পোয়াবারো
মুখে নাস্তিক্যবাদ নিয়ে পঞ্চমুখ আদতে  গোঁরা সুবিধাবাদী বক ধার্মিক

 চাদ্দিক ছেয়ে আছে আঁধার কালোয় 

দাদা কবিতায় যাপন করেন এ কথা মিথ্যে নয় মিথ্যে নয় যে তিনি এই দেশ নিজের দেশ মনে না করে তমুক দেশকে আপন ভেবে আসছেন বংশপরম্পরায়
 দাদা - রইলো অনুরোধ - কিছুদিন পর তমুক দেশকে আসতে বোলবেন  আমাদের দেশে আর কিছু না হোক অন্তত দেখিয়ে দেবো কবিতা কাকে বলে কাকে বলে বাংলা ভাষা

 আমি বাংলার খাই পরি বাংলার গান করি

সকাল বেলা বার হয়া দেখি দেয়ালে চিকা &#039;সুবোধ তুই পালিয়ে যা তোর ভাগ্যে কিছু নেই&#039;
কয়দিন পর চ্যানেলে নিউজ
কইতাছে গ্রাফিত্তির ইতিহাস কইতাছে সুবোধরে পালাইতে হইবো কারণ এই দ্যাশের  শুভ বোধ হারায়া গেছে
হারায়া যাক সুবোধরে পালাইলে চলবো না
রাহমান ভাইয়ের সুধাংশু যেমন পালায় নাই সুবোধও থাইকা যাইবো জীবন দিয়া  নূর হোসেনের মতো ছিনাইয়া আনবো গণতন্ত্র

একশন একশন ডাইরেক্ট একশন

আগে শুনি নি দেখিনি এরকম
  বোম- বোতলে পেট্রোল 
ছুঁড়ে মারছে বাসে মানুষ মুহুর্তে পুড়ে হচ্ছে ছাই কে মারছে কেনোই বা
 চরম দুঃসময়ে পতিত আমার প্রিয়তম দেশ 
ক্ষমতা শুধু ক্ষমতার লোভ
ক্ষমতা একদিন ঢুকে যাবে গুহ্যদ্বারে তোমাদের 
ক্ষমতা একদিন পালাবে তোমাদের ছেড়ে একদিন তোমরাও পালাবে ক্ষমতাকে ছেড়ে

ট্রা লা লা লারা ট্রা লা লা লারা

ধর্ম অনেক ধরনের হয়ে আছে প্রাগৈতিহাসিক কাল ধরে উঁচু নিচু সাদা কালো লাল নীল জাত পাত সব কিছুই তো ধর্ম সেজে আছে মানব ধর্ম নামেও পুস্তকে একটি অধ্যায় দেখা গেছে মুখে আর পুস্তকের বাইরে এর অস্তিত্ব কোথায় নেড়ে ঘেটে দেখা যেতে পারে
সমগ্র পৃথিবী জুড়েই ধর্ম বড়ো আত্মকেন্দ্রিক 
ইনি বলেন - আমার ধর্মই সত্য বাকি সব ঝুট হ্যায় তিনি বলেন - আমার ধর্মই সত্য বাকি সব ঝুট হ্যায়
এই নিয়ে মারামারি খুনাখুনি ধর্ষন দেশ দখল রোহিঙ্গা পিটিয়ে পুড়িয়ে ছাই আরও কতোকিছু ধর্ম  হয়ে ছিলো আছে থেকে যাবে অথচ যে ঈশ্বরের দোহাই পেড়ে হচ্ছে করা এসব তিনি কি এরকমই চেয়েছেন- প্রশ্ন রয়ে গেলো

ইতিহাস ছাইনা  দেখি- শুনছি এক, হইছে আরেক
ইতিহাস ছড়াইয়া যাইতাছে গুগলে থামানোর ক্ষমতা নাই কোনো ক্ষমতার 
ইতিহাস বদলাইয়া লাভ নাই মানুষ এতো চদু না ভালা মন্দ লাভ লোকসান বুঝে
এই দ্যাশ কার? এই দ্যাশ শুধু আমার বাপ সলিমুদ্দি&#039;র না এই দ্যাশ আমার রহিমের করিমের বেবাক মাইনষের
এই দ্যাশ ক্ষমতারও না
এই মাটি তিরিশ লক্ষ শহিদের
আমরা কি ভুইলা গেছি  - জহির রায়হান ক্যান লিখসিলো  &#039;স্টপ জেনোসাইড&#039;, কারা খুন করছিলো বুদ্ধিজীবী 
স্বাধীনতার পরে কারা এই দ্যাশ করতে চাইছিলো লোপাট এখনো কারা চাইতাছে দ্যাশটারে গিল্লা খাইতে - বুঝি আমরা সব ;সময়টা ভালা না - গেদু&#039;র মার মাসিক সারা রাষ্ট্রের  মাসিক চলতাছে কেউ কথা কয় না মুখে সিলি দিয়া দিছে
আমি সলিমের পুত কলিম কইতাছি খোদার কসম মাসিক ছুটাইয়া দিমু
সারা দ্যাশ আবার স্বাধীন হইতাছে দেইখা লইয়ো খুব শিগগিরই হইতাছে সময় বদল
একটু থাইমা আবার কপালে ভাঁজ পড়ে -  দ্যাশটার ভবিষ্যৎ কী অমুক ভাইগো নাকি তমুক  দাদাগো পেটে যাইবো নাকি নতুন কইরা আবার রাজাকারের হাতে গণতন্ত্র রেপড হইয়া চোখের জলে ভাইসা যাইবো বাংলা মায়ের মাটি।

একশন একশন ডাইরেক্ট একশন

এক্ষণে আসিয়া কিঞ্চিৎ সাধুকথনে নামাইবো বারিধারা - রবি কহিছেন - বহিছে আনন্দধারা
আমরা তদ্রুপ না হইলেও যাথাযোগ্য আগুনে হৃদয় মন্দির পুড়িবার করিনু শপথ।এ মন্দিরতটে যাহা বস্তুত হৃদয় জারিত পুস্পপ্রাসাদ হেথায় রচিনু 
সর্বাংশকৃত প্রকাশ্য কাহিনি - রহিলো গোপনাচ্ছাদনে যাহা -তাহা বোধকরি এইমতো- আপনি কী চাহিতেছেন হে  জনগণ,
চাহিতেছেন শান্তিধারা বহিয়া যাক থরে বিথরে প্রবজ্যায় প্রান্তিকে হাওয়ার ডানায় বহিয়া যাক ষড়ঋতু
কীভাবে হইবে  সেইমতো যেমন শিক্ষক শিক্ষাকর্ম সম্পাদনে চরম সত্য করিলে উন্মোচন উহাদের চলিয়া যাইবে চাকুরী  মরিবে ভাতে মরিবে জলে কবি যদিচ করিতে  চান সত্যের উন্মোচন  উহাদের উদ্দেশে জারি হইবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর সাংবাদিক?  হা হা হাসাইলেন বড়ো,  সত্য কহিলে চাকুরী নাই পথের ফকির হইয়া ঘুরিবে দিগ্বিদিক 
কীভাবে বহিবে তবে শান্তিধারা কুসুমিত ধারাপাত  কেননা এখন যে সময় -রাবিন্দ্রীক নহে,নহে নজরুলীয়।আহা হে জনগন কী হইবে উপায়- অতিরেক এই অতিমারি বিধৌত
পাটাতনে - এই হিজলতালতমাল জামরুল সমতটে?

উপসংহার : সলিমুদ্দির পুত কলিমুদ্দি ৩৮ ইঞ্চি সিনা লইয়া কোথায় হারাইয়া গেলো এই দেশে তাহার  সন্ধান মিলিলো না আর।প্রসঙ্গত গেদু&#039;র মা&#039;র মাসিক থামে নাই থামে নাই মাসিক পরাধীনতাময় এক স্বাধীন রাষ্ট্রের।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/94755/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Jan 2022 18:18:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি কলিমুদ্দি সিনা ৩৮<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>সময় ফুরায়া আইছে<br />
মানুষের পেটে পাথর<br />
গৃহকর্তা দর্জি হয়া গেছে<br />
সিলাই মাইরা আটকাইয়া দিসে ঠোঁট<br />
নাটক চলতাছে দ্যাশ লইয়া<br />
চলতাছে মগের মুল্লুক কনসার্ট<br />
দুইদিনের যোগি ভাতেরে কয় অন্ন</p>
<p>আমি কিন্তু সলিমুদ্দি&#8217;র পুত কলিমুদ্দি<br />
বাপের কইলজা আছিলো ৩৬ ইঞ্চি আমার কইলজা ৩৮<br />
না হইলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া- জোলাভাতি খেলার সাহস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-94755"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/94755/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e1bb2736acad140c80380bb20df2b679</guid>
				<title>যে- সুখ সম্প্রদায়প্রবণ
যুবক অনার্য  

আমার সম্মুখে ওরা বসে আছে। একজন হিন্দু অপর জন মুসলমান। এই বিভাজন
ধর্মীয় কিংবা সামাজিক। সমাজ বা ধর্ম ওদের নামকরণ করেছে- হিন্দু আর
মুসলমান। ইসলাম ধর্মে খোদাই করা আছে- মুসলমান মুসলমানের ভাই
মানুষ মানুষের ভাই- এই কথা কোনো ধর্মে উৎকীর্ণ হয়ে আছে কিনা
আমার জানা নেই। বলছিলাম ওদের কথা। ব্যাপারটা এই- ওদের সঙ্গে
আমি কথা বলছিলাম। একজন বিউটি রানী সাহা-সামাজিক বা ধর্মীয় হিন্দু
অপরজন মোসাম্মৎ রুবিনা- সামাজিক বা ধর্মীয়ভাবে মুসলমান
তৃতীয় ব্যক্তি আবদুল্লাহ্ আল মামুন। নাম থেকে আঁচ করা সহজ-
ইনি একজন মুসলমান। কিছুক্ষণ পর মামুন চলে গিয়েছিল। হিন্দু মুসলমান
ধর্ম ঈশ্বর- এইসব সম্ভবত মামুনের ভালো লাগছিলো না। যা-কিছু কথা
আমিই বলে যাচ্ছিলাম। ওরা তেমন কিছু রা করছিল না। আমি বলছিলাম-
এখানে আমরা চারজন আছি। ছুরি দিয়ে পোছ দিলে আমাদের হাত থেকে
যে-রক্ত বের হবে তার রঙ- লাল। আমরা চারজন পৃথিবীতে একই পদ্ধতিতে
এসেছি। একটি দ্বীপে চার ধর্মের চারটি শিশু রেখে আসলে ওদের
সাদা চোখে দেখে চিহ্নিত করার উপায় নেই- কে কোন ধর্মের। একটি শিশু
কিছু বুঝে উঠবার আগেই তাকে বিশেষ কোনো ধর্মের তকমা
এঁটে দেয়া হয়। সামাজিক ও পারিবারিক ভাবে তার মননের শার্সিতে
ঢুকিয়ে দেয়া হয়- হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান। অথচ সকল মানুষের
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা একই রকম। অর্থাৎ সকল মানুষের রক্ত মাংস হাড়
জেনেটিক্স জন্ম-পদ্ধতি অভিন্ন প্রকারের। যদি তা-ই হয় তাহলে
মানুষকে বিভিন্ন ধর্মে বিভক্ত করে দেয়া নিশ্চিতভাবেই অবৈজ্ঞানিক
এবং অদ্ভুত। আমি ওদেরকে একটি প্রস্তাবনার কথা বলি- চলো
পৃথিবীর মানুষকে আমরা আহ্বান জানাই- যারা আস্তিক কিংবা
ঈশ্বরের একত্ববাদে বিশ্বাসী তারা সবাই একদিন বিশালতম ময়দানে
দাঁড়িয়ে তাদের ঈশ্বর ভগবান খোদার উদ্দেশে প্রার্থনা করবে-
হে খোদা হে ঈশ্বর হে ভগবান যদি তুমি সত্য হও তবে
নেমে আসো লৌকিক পৃথিবীতে। ঘোষণা দাও তুমি আছো। আজ থেকে
কোনো ধর্ম নেই কিংবা সকলেই একটি ধর্ম পালন করবে
কারো কাছে যাবে যিশু, কারো কাছে গৌতম, কারো কাছে মুহম্মদ,  কৃষ্ণ কারো কাছে- 
মহাপুরুষদের এরকম গোষ্ঠীবদ্ধতা আমাদের কাছে বিভ্রান্তিকর। আমাদের
কোনো মহাপুরুষ প্রয়োজন নেই। অক্ষিগোলক বরাবর হে ঈশ্বর
স্বয়ং তোমাকে চাই। মহাপুরুষদের প্লাটফর্ম নিয়ে মানুষেরা মানুষ না হয়ে
হয়ে গ্যালো হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান মুর্খ আর
অবৈজ্ঞানিক প্রাণী। আমাদের আহ্বানের পর যদি কোনো ঈশ্বর
বা ভগবান নেমে না আসেন তখন সকলেই ধর্ম ত্যাগ করে
রূপান্তরিত হবো সমস্বরে একটি মাত্র অভিধায়- মানুষ মানুষ মানুষ
কথা শেষ করে জানতে চাইলাম- তোমরা কি আমার এই প্রস্তাবে
সম্মত আছো? ওরা ম্লান হেসে উচ্চারণ করেছিল- এটা কি
আদৌ সম্ভব! উত্তরে কিছুই না বলে আমিও হেসেছিলাম
হেসেছিলাম এই ভেবে- আমার স্ট্রেইট প্রস্তাবনায় পৃথিবীর
তাবৎ ধর্ম বিশ্বাসী লোকেরা- এটা কি আদৌ সম্ভব- এই কথার
মধ্য দিয়েই উত্তর বা প্রস্তাবনা এড়িয়ে যাবেন অনায়াসে। বস্তুত
পৃথিবীর মানুষেরা শুধুই মানুষ না হয়ে ধার্মিক বা
ধর্মকেন্দ্রিক মানুষ হিন্দু মুসলমান হয়ে বেঁচে থাকতে সুখ পায়

সম্প্রদায়প্রবণ এই সুখ শুধু জন্ম দিয়ে যেতেছে একটি আদিম ও অবৈজ্ঞানিক পৃথিবী যেখানে একদিন ক্ষমতাই হবে মানুষের শেষ ধর্ম!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91776/</link>
				<pubDate>Wed, 19 Jan 2022 11:34:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যে- সুখ সম্প্রদায়প্রবণ<br />
যুবক অনার্য  </p>
<p>আমার সম্মুখে ওরা বসে আছে। একজন হিন্দু অপর জন মুসলমান। এই বিভাজন<br />
ধর্মীয় কিংবা সামাজিক। সমাজ বা ধর্ম ওদের নামকরণ করেছে- হিন্দু আর<br />
মুসলমান। ইসলাম ধর্মে খোদাই করা আছে- মুসলমান মুসলমানের ভাই<br />
মানুষ মানুষের ভাই- এই কথা কোনো ধর্মে উৎকীর্ণ হয়ে আছে কিনা<br />
আমার জানা নেই। বলছিলাম ওদের কথা। ব্যাপারটা এই- ওদের সঙ্গে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-91776"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/91776/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">58a54163bb5ec59bc8c1c4097364e6a6</guid>
				<title>একটি অরাজনৈতিক মৃত্যু
যুবক অনার্য 

সারারাত মান্তুর শরীরে জ্বর বইয়ে গেলো।তারপর সকাল হলো ; হলো না ভোর।ভোর হয় কেটে গেলে মানুষের মনের ভিতরে বিচরিত অন্ধকার।

আজ সারাদিন হেঁটে হেঁটে হেঁটে দেখা হোক দৃশ্যযন্ত্রণা কিছু।  কারো কাছে অতি অনেকের কাছেই এ সকল তো যন্ত্রণা  নয়; বরঞ্চ এ বড়ো সুখ- সমাদৃত। যেমন ছুরিপতি সমাজপতি অধিপতিদের কাছে!
সুখ,যেমন,যেহেতু, গাছের পাতা ঝরে গেলো সেই কবে,
ফের তো এলো না ফিরে।খোকা দুপুর বেলা বেরিয়েছিলো কলেজে ফেয়ারওয়েল,বিকেল রাত্তির পরদিন সকাল গেলো, কই এলো না তো আজ অব্দি।

এ শহরের সাইনবোর্ড আর বিলবোর্ডগুলি প্রায়শ ভুল; আরও বেশি ভুল,বলা ভালো - মিথ্যে-মুদ্রিত কথামালা, 

&#039;তুমি তো অতোটা পথ হেঁটে এলে&#039; - প্রশ্ন করে মান্তু নিজেকেই - এসবের মধ্যে কোনো সঙ্গতি আছে কি কিংবা যোগসুত্র? 

না না অতো করে ভাবতে  নেই।এমনিতেই জ্বর বয়ে গেলো, মাথা ঝিম ঝিম।
তারচেয়ে বরং ভেবে নেয়া- ইরার সঙ্গে দেখা হবে আজ;  ভেবে নেয়া নাকি সত্যিই দেখা হবে!

দুপুর ১.৪৫

ঘাসের বুক কিংবা বুকের মধ্যে ঘাস এবং ঘাসের বুকে ইরা - ঘাস ফড়িঙের মতো আর মান্তু যেনো হাঁটু ভাঙা &#039;দ&#039;! 

ইরা: জ্বর নিয়ে হেঁটে বেড়াচ্ছিস। - মানে হয় কোনো! 
মান্তু: &quot; মানুষ জাগবে ফের ফের জাগবে মানুষ &quot; - তাই মানে হয়। 
ইরা: &quot; সে অনেক শতাব্দীর মনিষীর কাজ&quot;। তুই বুঝি মনিষী হয়ে উঠছিস!
মান্তু: ইরা
ইরা: বল
মান্তু: এ শহর চেয়ে দেখ - মাটির নিচে দেবে গেছে।
পুস্তকের প্রাতিষ্ঠানিক পাতা উড়ছে এলোপাতাড়ি। অক্ষরগুলি প্রাতিষ্ঠানিক ততোধিক, শুধু বলছে অবদমনের কথা আর বলছে মৌন থেকে যেতে।
ইরা: তো কি করতে চাইছো হে কমরেড?
 মান্তু: মনে কর তুই মানে ইরা একটি স্থাপত্য কলা।
তোর নাকের উপর চোখ, ঠোঁট বসে গেলো হাঁটুর উপর।
তোর অষ্টাদশী স্তনযুগলের একটি  চলে গেল  ঘাড়ের উপর, অন্যটি তলপেটে- এভাবে এমন এলোমেলো। তুই কিংবা তোর মত কেউই মেনে নিতে পারবে না।কিন্তু মেনে নিচ্ছে সমাজপতিগণ।

ইরা: স্তব্ধ প্রহর স্তব্ধতম করে দিচ্ছিস কেনো!
মান্তু:&quot; সুন্দর -কে যেভাবেই রাখো সে সুন্দর&quot;-
এটা যে contexual, মোটেই literal  নয়,বলতে চাইছিলাম সে কথাই।
ইরা:  মান্তু,  সময় গড়িয়েছে। তলপেটে স্তন নিয়েই আমাকে ছুটতে  হবে ন্যুনতম আহার্য খুঁজে নিতে এবং সহস্র ইরাকে।আমি উঠছি।সাবধানে বাড়ি ফিরে সেল করিস।
মান্তু: ইরা, এই যে তুই ফোন করাকে সেল করা বলিস এটাই তোর স্বকীয়তা এবং মৌলিকত্ব। figure of speech or like coining। 
ইরা:কাছে আয় মান্তু তোকে একটু ছুঁয়ে দি।
মান্তু:দূর থেকে আমার চোখ ছুঁয়ে দে।
ইরা: কীভাবে?
মান্তু: চোখে চোখ রাখ, তাহলেই ছোঁয়া হয়ে যাবে।

ইরা চলে গেল আহার্য সন্ধানে। 

ইরার ছুটন্ত ছায়ার দিকে চেয়ে মান্তুর মন পড়ে- বিনিকে কখনো জানতেই হয় নি আহার্য সন্ধান কী।
জ্যাক্সন হাইটের বাইশ তলায় সকল বৈভব পৌঁছে যায় তার পায়ের কাছে। &quot;পৃথিবীর এইসব ইতিহাস রয়ে যাবে চিরদিন /এশিরিয়া ধুলো আজ বেবিলন ছাই হয়ে আছে&quot;।

হেঁটে হেঁটে এই পথ দীর্ঘ  হয়ে গেছে।সড়কের শেষ মাথা - একটি লেজের মত - এখানে শতবর্ষী এক পা ওয়ালা তালগাছ। ব্রিটিশ ভারত, পাক ভারত, পূর্ব ও পশ্চিম  পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে যেনো এক &quot;নিঃসঙ্গ  পাইন&quot;।-
ইরা এসব ভাবতে চাইছে না।দূরন্ত  কৈশোরে ইরার যখন অকস্মাৎ রক্তক্ষরণ হলো- ইশকুলে- কী মনে করে মান্তুকে বলেছিলো।অইটুকুন ছেলে - বিজ্ঞের মতন বলেছিলো -সেরে যাবে, বাসায় চলে যা।
ইরার কাছে আজও প্রশ্ন হয়ে আছে - অই বয়সেই কি মান্তু মেয়েলি ওসব জেনে গিয়েছিলো!

সূর্যটা স্থির নয় যেমন অস্থির হয়ে আছে ইরার মন।
বহুদিন পর আজ মনে হচ্ছে - মৃত্যুর চেয়ে জীবন রহস্যময়।কিন্তু এসব ভাবনা ইরা চাইছে না আজ ভেবে নিতে।আজ তবে কী! পোড়া মন ভাঙা বাসন! - ওসবও পুরনো, ভীষণ ন্যাকা।

বাম দিকে চোখ চলে যায়। একটি কিশোরী একটি যুবক হাঁটছে। হাত ধরে আছে। সংযত গতিবিধি।- তবে কি প্রেমের চেয়ে অধিক কিছু- প্লেটোনিক অথবা পেত্রার্কীয়!  হঠাৎ শূন্যতার নেমে এলো বৃষ্টিমেঘছায়াপটভূমি।হ্যাঁ জীবন তো এরকমই হয়;
পথ ফুরিয়ে  এলে মনে হয় - আরও কিছু পথ বাকি থেকে যাক - ইচ্ছে মতো বাঁক নেয়া যেতো তবে। 

পুঁজিবাদের পাথরে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া পোকার  মতো মানুষগুলির দিকে দৃকপাত করে দেখা গেলো- এরা হেঁটে চলেছে পেছন দিকে।  ট্রেনের স্লিপারে গাড়ি সড়কে নৌকো সমুদ্রে উড়োজাহাজ,স্টেডিয়ামে রেফারি খেলছে আর খেলোয়ার বসে ঝিমুচ্ছে। হ্যাঁ এমন হবারই কথা এই মধ্যদুপুরে আজ।
এই মধ্যদুপুরে ইরার ব্যাগে এক মুঠো আহার্য,তাই মনে হলো - জীবন খুব বেশি মন্দ নয়।

দুপুর ২.৪৫

মান্তু আধশোয়া।
বিনি: তুই আজ হেঁটে এসেছিস ৫০০ বছর নাকি তারও চেয়ে বেশি!
মান্তু: অন্তত হাজার বছর না হেঁটে বাংলা কবিতা বোঝা তো সম্ভব নয়।
বিনি: কবিতা আজ দুইটি চা&#039;য়ে ভিজিয়ে খেয়েছি।ভালো অভিজ্ঞতা হলো আবার জিভ তেতো হয়ে গেলো।সম্ভবত অফ  ট্র্যাক।
মান্তু: তোর বাড়িতে কোনো কবিতা নেই।
তুই নেটে প্রেস করলে  কিছু সর্প বেরিয়ে আসে।ওরা তোর সমগ্র শরীর করে নেয় রোমন্থন। 
বিনি: কিন্তু মনকে নয়।
মান্তু: তোর মন এক আয়না বৃহৎ- যেখানে অদৃশ্যাদি হচ্ছে দৃশ্যমান কিন্তু দেখা যাচ্ছে না নিজেকেই। 
বিনি: তবে তোর মন?
মান্তু: একটি গরম কড়াই।তেল ঢেলে পুরি ভাজা হচ্ছে।পুরিগুলি পার্সেল হবে জ্যাক্সন হাইট এলসেশিয়ানের উদ্দেশে।
বিনি: আমি এলসেশিয়ান  কতোবার ডিনাই করেছি কিন্তু সে বড্ড আমায় ভালোবাসে। 
মান্তু:  হয়েছে কী শোন, যা হয় কিংবা হয়েই গেছে-  এ শহরে জেগে উঠেছে পুরনো পুকুর যেখানে মাছগুলি মরে ভেসে আছে। অসংখ্য ভেসে উঠেছে সালু কাপড়- বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা। 
এ শহরে একটি কিশোরীকে  আত্মহত্যার দায়ে ফাঁসি দেয়া হলো। আদালত জানতেই চাইলো না কী ছিলো নেপথ্য কাহিনী - আত্মহননের। আহা এ শহরে তোর মত এক শহরপতি কমরেড মান্তুর ঘরে বসে ফলাচ্ছে আধা দাদাবাদ আধা পরাবাস্তব বিলাসিতা। কেনো তুই বিনি হলি, তুই কেনো হলি না ক্ষুধার্ত বাঘিনীর মতো ইন্দ্রিয়জ! কেনো তুই অমন তেজস্ক্রিয় মাখনেও কী ভীষণ নিষ্পাপ।অসংগতি, কেবলি ডেবিট ক্রেডিট অমীমাংসিত   ফাইনাল একাউন্ট - মৃত  এ শহর!

বিনি দেখতে পায় - মান্তু তুমুল চিৎকারে আরও কিছু চলেছে ব&#039;লে কিন্তু এ শহর ভাইব্রেট, শব্দ কম্পাংক বন্ধ করার বসিয়ে রেখেছে মেশিন। মান্তুর কথা শুনতে পাচ্ছে না কেউ।প্রবল শক্তি যোগ করে মান্তু তীর্যক চাইছে তাকিয়ে থাকতে খুব দেখে নিতে এবং চাইছে দেখিয়ে যেতে ; এ শহর মান্তুর চোখে গ্লুকোমা সেঁটে দেবার যন্ত্র রেখেছে বসিয়ে!

বিনি মান্তুকে ছুঁতে চাইলো।মাঝখানে দেয়াল- এ শহর দিয়েছে নির্মাণ করে।

অগত্যা প্রস্থান। 

মৃত নগরীর প্রধান সড়ক।ভি - সিক্স।
বিনির মনে পড়ে -একদিন ইরা-কে সে প্যাকেট আহার্য পাঠিয়েছিলো।মান্তুর কাছ থেকে প্যাকেটটা নিয়ে ইরা তুমুল উত্তেজিত কলেবরে ছুঁড়ে ফেলেছিলো নিকটতম ডাস্টিবিনে।ইরা জানবেও না - বিনি প্রত্যাশা করেছিলো ঠিক ওরকম প্রতিবাদ - ইরাময়।
বহুদি পর আজ মনে হচ্ছে- এখনও এ শহরে নিভে যায় নি আগুন।কিন্তু একি! মানচিত্র  আজ ওরকম শূন্যে ঝুলে আছে কেনো!

আর মাত্র ৩০ মিনিট পর পৃথিবীতে থাকবে না কমরেড মান্তু নামে কেউ।বিনি মান্তুকে মনে মনে বলে নেয়- কমরেড মান্তু, তুই জেনে যেতে পারলি না বিনির সমস্ত বিত্ত বৈভবের চেয়ে এই পৃথিবীতে তোর এক সেকেন্ড বেশি সময় নিঃশ্বাস নেয়া আমার কাছে অনেক বেশি অনিবার্য।খুব খুব খুব বেশি।

স্টেয়ারিং ধরে আছেন-  যিনি একজন জামশেদ কিংবা কৈলাস -ব্যাক ভিউ মিররে দেখতে পায়-বিনির লাল টুকটুকে গালে কাজলভাঙা জল।মানচিত্র এখনও  শূন্যে ঝুলে আছে।

৩০ মিনিট শেষ হতে আর কয় মিনিট বাকি!- বিনির কাছে কোনো ঘড়ি নেই।নেই,  কেননা ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে অদৃষ্টের  কোনো সম্পর্ক নেই।

বিনির সমুখে গড়িয়ে চলেছে আজ একটি দুপুর- অটিস্টিক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87834/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Jan 2022 04:07:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি অরাজনৈতিক মৃত্যু<br />
যুবক অনার্য </p>
<p>সারারাত মান্তুর শরীরে জ্বর বইয়ে গেলো।তারপর সকাল হলো ; হলো না ভোর।ভোর হয় কেটে গেলে মানুষের মনের ভিতরে বিচরিত অন্ধকার।</p>
<p>আজ সারাদিন হেঁটে হেঁটে হেঁটে দেখা হোক দৃশ্যযন্ত্রণা কিছু।  কারো কাছে অতি অনেকের কাছেই এ সকল তো যন্ত্রণা  নয়; বরঞ্চ এ বড়ো সুখ- সমাদৃত। যেমন ছুরিপতি সমাজপতি অধিপতিদের কাছে!<br />
সুখ,যেমন,যেহেত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-87834"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/87834/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>