<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | m. rashiduzzaman | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/m-rashiduzzaman/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/m-rashiduzzaman/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for m. rashiduzzaman.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 06 Jun 2026 07:23:19 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">c843ad61764494d8ee6c012e39565b21</guid>
				<title>নদীমাতৃক ও ভাটি অঞ্চলের দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। আমরা তো অস্বীকার করতে পারি না এই চরম সত্যকে। আমরা স্বীকার করি বা না করি পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণায়মান রীতির মতই এটা সত্যই থাকবে। ভাটি অঞ্চলের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট হলো অতি বৃষ্টি বা উজানের ঢলে এ অঞ্চল প্লাবিত হবে। যুগে যুগেই আমরা বাঙালীরা নদী ভাঙা, বানভাসী শব্দগুলির সাথে যথেষ্ট পরিচিত। সাম্প্রতিক সারাদেশে বিশেষভাবে সিলেটের বন্যা বা ব্যাপকভাবে স্থলভূমি প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। সার্বিকভাবেই মানুষের দুঃখ দুর্দশার সীমা নেই। প্রয়োজনের তুলনায় যে সাহায্য সহযোগিতা সরবরাহ হচ্ছে তা অপ্রতুল। সরকার সাধ্যানুযায়ী জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। উদ্ধার কাজে সেনাবাহিনীকে কাজে লাগাচ্ছে। জনসাধারণের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনও সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে সমানতালে। বিষয়গুলো হৃদয়ে স্বস্তি দেয়। কিন্তু মৃত্যুর মত চরম বিষয়গুলোকেও আমরা অস্বীকার করার চেষ্টা করছি। ভাটি অঞ্চলের দেশ হওয়া স্বত্তে¡ও আমাদের নদী-নালা, হাওর-বাওর, খাল-বিলকে অস্বীকার করি। অস্বীকার করি বলেই তাদের নিজস্ব গতি পথকে আটকে দেই। তাদের মৃত্যুকে নিশ্চিত করতে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করতে মুটে দ্বিধাবোধ করি না। জাতীয়ভাবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে আমরা নদীগুলোর চলার পথকে বাধাগ্রস্ত করে নদীগুলোকে মৃত্যুর মুখে পতিত করেছি। নদীর গভীরতা কমে নদীতল তীরের সমপর্যায়ে চলে এসেছে। সমতল ভূমি হয়ে গেছে অনেক জায়গাতেই। ফলশ্রতিতে নদীর জমি কেড়ে নিয়েছে দস্যুরা। হাওর বাওরের উপর অযাচিত বাধ তৈরী করেছি। এক্ষেত্রে পানির ইচ্ছেগুলিকে চরম হেয়ালীর সাথে অবজ্ঞা করা হয়েছে এবং পিষ্টে মারা হয়েছে। আর এসবই করা হয়েছে উন্নয়নের নামে। জনসাধারণ শুধু চোখের সামনের উন্নয়নকেই দেখতে পেয়েছে। কিন্তু অলক্ষ্যে যে কত বড় সর্বনাশ আমরা করে ফেলেছি তার খবর কেউ রাখিনি। প্রকৃতির সাথে যাচ্ছেতাই করার প্রতিফল যে কত ভয়ানক হতে পারে তা আমরা বিস্মৃত হয়ে গেছি।

শুধু যে নদীর পথ আটকে দেয়া, তাই নয়, বরং আমাদের বাঙালীদের জীবনে অদ্ভুত এক সংস্কৃতিই ঠাই করে নিয়েছে। সংস্কৃতিটি হল যে কোন বিষয়ে যে কারো স্বাভাবিক পথ আটকে দেয়া। আমরা অনেক সময় আঞ্চলিক বিরোধের সময় দেখি যে দল শহরে কাছাকাছি থাকে তারা অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী এলাকার পথ আটকে দেয়। মাঝে মাঝে হুংকার দেয়, ‘দেখি তোরা কোনদিক দিয়ে বাজারে যাস’। ক্রমশ এই পথ আটকে দেয়ার সংস্কৃতি সমস্ত জায়গায় সম্প্রসারিত হয়েছে। একজন গুণী আর্টিস্টের কথাই ধরুন না। আর্টিস্ট খুবই ভাল গান গায়। এমন গুণগ্রাহী শিল্পি পাওয়া মেলা ভার। সারাদেশে নিজের অত্যন্ত ক্যারিশম্যাটিক গুণের কারণে বিশেষ ভক্ত শ্রেণীরও আইডল তিনি। হঠাৎ তাকে একটি বড় রাজনৈতিক পদ সম্মানসূচক প্রদান করা হল। এরপর ক্ষমতার মোহে এই পদ-পদবীই তার মূল লক্ষ্য হয়ে দাড়াল। ঠিক এভাবেই তার চলার পথে বাধা প্রদান করা হল এবং ক্যারিশম্যাটিক শিল্পের মৃত্যু হল। একজন উচুমানের খেলোয়াড়। কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। তাঁকে তাঁর পথে চলতে দেয়া উচিত। সাময়িক পদ-পদবীর গ্ল্যামার লাইফ গ্রহণ না করে বরং খেলা সংক্রান্ত বিষয়াবলীকে আরও কত উচ্চস্থানের নিয়ে যাওয়া যায় তার পথ তৈরী করা উচিত। ঠিক একইভাবে একজন শিক্ষক, একজন গবেষক, একজন প্রযুক্তিবিদ বা একজন অভিনয় শিল্পীর পথকে আটকে দেয়ার সংস্কৃতি বর্জন করতে হবে। বরং প্রত্যেকে যেন তার নিজস্ব ক্ষেত্রে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে তার কর্মকে এগিয়ে নিতে পারে। প্রয়োজনে সরকারকে আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি অন্যান্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে যাতে তার শিল্প বা গবেষণা কোন ধরনের বাধাগ্রস্থ না হয় এবং অন্যান্য ক্ষুদে শিল্পি ও গবেষকদের চলার পথও আশাব্যাঞ্জক করে তোলে।

সাম্প্রতিক সময়ে আরও একটি নতুন কায়দায় কিছু মহৎ পেশার পথ আটকে দেয়া হচ্ছে। মাধ্যমিক পর্যন্ত সেরা ছাত্ররা অনেক সংগ্রামের পর দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান বুয়েট বা মেডিকেলে ভর্তি হয়। কিন্তু পাশ করার পর সেই মহৎ পেশায় জীবন না গড়ে প্রশাসনিক পদে চাকুরীতে যোগদান করছে এবং ভয়ানক ব্যাপার হল এর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এখানেও কোন না কোনভাবে তাদের চলার পথকে আটকে দেয়া হচ্ছে যা মূলত পথ আটকে দেয়ার সংস্কৃতিরই সম্প্রসারিত রূপ। এভাবেই আমরা প্রতিনিয়ত দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে এবং লক্ষ্য অর্জনে পথ আটকে দিচ্ছি। পথ আটকে মাদরাসা পড়–য়াকে বাধ্য করছি স্কুলে পড়তে, স্কুল পড়–য়াকে মাদরাসায়, সায়েন্স পড়–য়াকে আর্টসে, আর্টস পড়–য়াকে বিজনেসে। যে ছেলেটা হতে পারত একজন ভাল গল্পকার তাকে পথ আটকে বানিয়ে দিচ্ছি ব্যাংকার। ঠিক এভাবেই আমাদের এই সংস্কৃতি সম্প্রসারিত হচ্ছে।
আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, উন্নয়ন ঘটছে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছে, মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হচ্ছে এসবই ইতিবাচক খবর আমাকে আনন্দিত করে। কিন্তু দেশের এই সামগ্রিক উন্নয়ন তা যেন কোনভাবেই কারো পথ আটকে না হয়। প্রকৃতির পথ যেন আটকে না যায়। নদীগুলোর পথ যেন আটকে না যায়। প্রয়োজনের তাদের পথ চলার জন্য বাজেটে আর্থিক বরাদ্দ রেখে যাত্রা মসৃণ করা হোক। কল কল শব্দে বয়ে চলুক পানির স্রোত ধারা। পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নির্মিত হোক স্থায়ী টেকসই উন্নয়ন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121183/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Jun 2022 04:58:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নদীমাতৃক ও ভাটি অঞ্চলের দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। আমরা তো অস্বীকার করতে পারি না এই চরম সত্যকে। আমরা স্বীকার করি বা না করি পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণায়মান রীতির মতই এটা সত্যই থাকবে। ভাটি অঞ্চলের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট হলো অতি বৃষ্টি বা উজানের ঢলে এ অঞ্চল প্লাবিত হবে। যুগে যুগেই আমরা বাঙালীরা নদী ভাঙা, বানভাসী শব্দগুলির সাথে যথেষ্ট পরি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121183"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121183/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ade49d5642df916809478f387dec3484</guid>
				<title>m. rashiduzzaman and অনিন্দিতা দেব are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/115031/</link>
				<pubDate>Wed, 25 May 2022 16:24:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d0356a8ad4830c00cf81f23e7d61af7c</guid>
				<title>গানের মানুষ গান ছেড়ে দিয়েছে
হারমনিয়ামটা ব্যাগভর্তি করে রাখা আছে স্টোর রুমে
একটা শখের বেহালা ছিল
সেটাও ধুলো-মাখা পড়ে আছে অবহেলায়
নৃত্য শিল্পি নতুন চাকরী খোঁজে
একটা ছোট-খাটো, বা কোন সেলস ম্যানেজার
পরিবারের খরচা অনেক বেশী
স্ট্যাটাসের বালাই খোঁজে নাকো কোন হাহাকার
কবিরা আর কবিতা লিখে না
গীতিকার লিখে না গান
ভোগবাদী সমাজে কবিতায় পেট ভরে নাকো
সব ভেবে ধুলোয় যাচ্ছে মান
দু-চারটি কবিতা হয়ত আবৃত্তি হয়
তা কিছু পুরাতন কবিতা
কর্পোরেট স্টাইলকে জাতে তুলবার বা
সৃষ্টিশীল হয়ে উঠবার সবই-তা
বই লিখে না কেউ, গল্প লিখে না কেউ
এসব দিয়ে কাজ নেই কোন
অহেতুক সময়ে অবচয় মাত্র
গ্রামের মাঠগুলোও বিষন্ন পড়ে রয়
পড়ন্ত বিকালেও যেন ধু-ধু করে
ছেলেগুলো ফিরে গেছে অন্যত্র
পড়াশোনার অনেক চাপ
মা বলেছে, ভাল চাকরী পেতে হবে
একটা টুকটুকে বউ পেতে
তোমাকে হতেই হবে 
সরকারী বা কর্পোরেট দাস
তোমাকে হতে হবে একটা মেশিন, টাকার মেশিন
যবে সন্ধ্যে নামে শহর জুড়ে
লাল-নীল আলো ঝলকে উঠে
তখন, বিলের ফর্দ হাতে রেস্টুরেন্ট
তাই হওয়া চাই কনফিডেন্ট
যাত্রা পালা, বাউলারা, বিদেয় হয়েছে
পাপমুক্ত হয়ে জাত অনেক ধার্মিক
চাকচিক্যময় বহিরাবরণে
আমরা মানিয়ে নিয়েছি
আমরাই নির্ভিক।
সান বাঁধানো পুকুর ঘাটে 
পূর্নিমার চাঁদে মধ্য রাতে
এখন মোটেই কেউ স্বপ্ন দেখেনা
দু-কোটি টাকা খরচে
দেড়হাজার স্কয়ার ফিটের টাইলস করা
এই যে বৃহৎ ফ্লাট খানা
আমার বউ বাচ্চা নিয়ে কাটাচ্ছি সময়
এই আমরাই আছি বেশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/113889/</link>
				<pubDate>Sun, 22 May 2022 04:54:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গানের মানুষ গান ছেড়ে দিয়েছে<br />
হারমনিয়ামটা ব্যাগভর্তি করে রাখা আছে স্টোর রুমে<br />
একটা শখের বেহালা ছিল<br />
সেটাও ধুলো-মাখা পড়ে আছে অবহেলায়<br />
নৃত্য শিল্পি নতুন চাকরী খোঁজে<br />
একটা ছোট-খাটো, বা কোন সেলস ম্যানেজার<br />
পরিবারের খরচা অনেক বেশী<br />
স্ট্যাটাসের বালাই খোঁজে নাকো কোন হাহাকার<br />
কবিরা আর কবিতা লিখে না<br />
গীতিকার লিখে না গান<br />
ভোগবাদী&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-113889"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/113889/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5eb1505abe2710b25f34ae02d845402c</guid>
				<title>আর কত দূর নিয়ে যাবে আমায় বলো
টিএসসির রাস্তার কুকুরগুলো ঠিক চিনে নিয়েছে আমায়
ঘেও ঘেও শব্দ করে অথবা পথ আাটকে রেখে
জাত চেনাবার তাড়া আর তাদের নেই
শরীরের গন্ধটুকুই যথেষ্ঠ
দশ টাকা খরচা করে সাত্তারের দোকান থেকে
দুটো পাউরুটি আর দুটো টুস্ট কিনে হাতে রাখলেই হল..
সিগারেটের দোকানটাও বেশ পরিচিত
প্রতিদিন বসে থাকি বলে কিঞ্চিৎ বিরক্তি বোধ করলেও
এক গাল হাসি হেসে একধরনের উপহাস করার
দুঃসাহস দেখাতে মোটেও সংকোচবোধ করে না
এভাবেই সময় অতিক্রান্তের দিনগুলোতে তুমি
নিজের সাথে বয়ে নিয়ে যাও মুহুর্তগুলোকে
ক্লাশ শেষ করে চাইলেই তুমি গাড়ীতে উঠতে পারতে
মলচত্তরের পাথ থেকে
কিন্তু কোন এক নেশায় তোমাকে হয়ত পেয়ে বয়েছে
এনেশা হয়ত সুনামি সৃষ্টির হয়ত ঘূণিঝড়ে মুচড়ে দেবার
বাতাসের তান্ডবের সাথে সাথে প্রতিদিনই তো
তোমার যাওয়া আসা দেখি
পদ্ম ফুলের মত চোখ দুটি মেলে তাকাওনি কোনদিন
কিন্তু আজকের আসা ছিল ভিষন অন্যরকম
বৃষ্টিভেজা দুপুরে, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন গাছগুলোর পাতার ভিতর দিয়ে
মেঘে ঢাকা সূর্যের কিরন কিঞ্চিত এসে পড়েছিল
তখন দুটি কিরনের সঙ্গমে যেন বিদ্যুৎ চমকে
আছড়ে পড়েছিল আমার দুটি কর্নিয়াকে নিস্তব্দ করে
গোলাপী পেড়ে সাদা শাড়ী ভেদ করে
অপরূপার ঝাঝালো সৌন্দর্য
একটি বিদ্যুৎ ঝিলিক নয়তো আর কি?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/111471/</link>
				<pubDate>Mon, 16 May 2022 07:08:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আর কত দূর নিয়ে যাবে আমায় বলো<br />
টিএসসির রাস্তার কুকুরগুলো ঠিক চিনে নিয়েছে আমায়<br />
ঘেও ঘেও শব্দ করে অথবা পথ আাটকে রেখে<br />
জাত চেনাবার তাড়া আর তাদের নেই<br />
শরীরের গন্ধটুকুই যথেষ্ঠ<br />
দশ টাকা খরচা করে সাত্তারের দোকান থেকে<br />
দুটো পাউরুটি আর দুটো টুস্ট কিনে হাতে রাখলেই হল..<br />
সিগারেটের দোকানটাও বেশ পরিচিত<br />
প্রতিদিন বসে থাকি বলে কিঞ্চিৎ বিরক্তি বোধ করলেও<br />
এক গাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-111471"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/111471/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">89725690f9c397ef865bed71b9fc8dd3</guid>
				<title>আমি ঘন অরণ্য চাই
ফিকে ফুলের বাগান চাই না
চাই না রেস্টুরেন্টের চাকচিক্য খাবার 
নতুবা পেট ভর্তি হুইস্কি
ফুসফুস ভর্তি নিঃশ্বাস নিতে চাই
গাঢ় রঙের লিপিস্টিকে কামনার চুম্বন 
কেউ না দেখুক, আমি চাই।
গাছের শোকনো পাতার মরমর শব্দে
পাখির শব্দে অথবা অন্তত কাক পক্ষির
ভীড় তাড়িয়ে, প্রিয়তমার পুষ্পিত নরম হাত
ধরে, কাধে হাত রেখে, সম্মুখে হাটতে চাই।
দুপুরের প্রখর রৌদ্র থেমে যাক এখানে
ঘন পল্লবীর ফাকে নেমে আসুক রুদ্র এখানে
নগরীরর ক্লান্ত রিকশা চালক শ্রান্তি নিক এখানে
সিগারেটের ধোঁয়া নিমিষে মিশে যাক এখানে
শুধু বৃক্ষ ভালবাসা জীবীত থাক,
আমি এটা চাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/109256/</link>
				<pubDate>Tue, 10 May 2022 13:24:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি ঘন অরণ্য চাই<br />
ফিকে ফুলের বাগান চাই না<br />
চাই না রেস্টুরেন্টের চাকচিক্য খাবার<br />
নতুবা পেট ভর্তি হুইস্কি<br />
ফুসফুস ভর্তি নিঃশ্বাস নিতে চাই<br />
গাঢ় রঙের লিপিস্টিকে কামনার চুম্বন<br />
কেউ না দেখুক, আমি চাই।<br />
গাছের শোকনো পাতার মরমর শব্দে<br />
পাখির শব্দে অথবা অন্তত কাক পক্ষির<br />
ভীড় তাড়িয়ে, প্রিয়তমার পুষ্পিত নরম হাত<br />
ধরে, কাধে হাত রেখে, সম্মুখে হাটতে চাই।<br />
দু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-109256"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/109256/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f65232bbbbc1f8fb4a9fb5295df019a9</guid>
				<title>m. rashiduzzaman changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/108676/</link>
				<pubDate>Mon, 09 May 2022 09:21:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7547c18e98fb5cd5a5e958a81ed8dc98</guid>
				<title>২০১৯ সাল থেকে কোভিড-১৯ এর প্রভাবে পুরো বিশ^ নাকাল। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে গুণতে হচ্ছে ব্যাপক লোকসান। স্বশরীরের শিক্ষা প্রদান দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল। পৃথিবীব্যাপী সার্বিক পরিষেবা সংকোচিত হয়ে গেছে। করোনাকালীন এহেন পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্টারনেট ও  টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে জরুরী সেবা প্রদান কর্মসূচী জারি রাখা সম্ভব হয়েছে । করোনাকালীন মহামারির সময়েও অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রেখেছে অনলাইন মাধ্যমে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়ই মানুষের ডিজিটাল উপস্থিতি বৃদ্ধি ব্যাপকহারে বেড়েছে। ডিজিটাল তথ্যায়ন সেবা ও এর উপর গণমানুষের নির্ভরতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রন্থাগারের অধিকাংশ পরিষেবা যথাঃ রেফারেন্স সেবা, সার্কুলেশন সেবা ইত্যাদী স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সম্পন্ন হচ্ছে এবং ডিজিটাল আর্কাইভে রিমোট একসেসের মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্ট সংগ্রহ করা যাচ্ছে। গ্রন্থাগারের ডিজিটাল আর্কাইভের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে গ্রন্থাগার উপকরণসমূহকে ডিজিটাইজেশন করতে হচ্ছে। ডিজিটাইজ করতে উন্নত প্রযুক্তির স্ক্যানার, কম্পিউটার এবং অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন এডিটিং সফটওয়ার ও ডিজিটাল প্রিজারভিং সফটওয়ার ব্যবহার করতে হচ্ছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব অত্যাসন্ন। এই বিপ্লবের অন্যতম বৈশিষ্ট্য যথাঃ আইওটি, এডভান্স রোবটিক্স ও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর প্রভাব গ্রন্থাগারেও পরবে। সেক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের পাঠ্যোপকরণসমূহ ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরী করার প্রয়োজনীয়তা আরও বেশী বেড়ে যাবে এবং গ্রন্থাগার পরিষেবাও ডিজিটাল পন্থায়ই বিতরণ করতে হবে। ফলে ক্রমশঃ প্রকাশনা শিল্পের কপিরাইট একটি জটিল প্রক্রিয়ার মধ্যে সন্নিহিত হচ্ছে। প্রসঙ্গতই বর্তমান সময়ে গ্রন্থাগারে ব্যাপকহারে উপকরণসমূহ ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। ডিজিটাইজ করার সময় অবশ্যই যে বিষয়টিকে একজন গ্রন্থাগারিককে সাবধানতার সহিত আমলে নিতে হয় যে কোনভাবেই কপিরাইট আইন ভঙ্গ না হয়। গ্রন্থাগারে সংরক্ষণ করার জন্য যেসব গ্রন্থের রিপ্রিন্ট নেই এবং কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে সেগুলো স্বাভাবিকভাবেই পুনরুৎপাদন করতে পারবে। তবে কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়নি কিন্তু কোন রিপ্রিন্ট নেই সেগুলোও গ্রন্থাগারে পুনরুৎপাদন করে সংরক্ষণ করতে পারবে। কোন গ্রন্থের রিপ্রিন্ট ও কপিরাইট থাকার পরও গ্রন্থাগার যদি ডিজিটাইজ করে তবে তা দোষের হবে না যতক্ষণ না অনলাইনে সার্বজনীন না করে দেয়া হয়, পূর্ণ গ্রন্থের কপি সরবরাহ করা না হয় এবং ফেয়ার ইউজ ছাড়া অন্যকোথাও বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার না হয়। অরিজোন স্টেট ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরী ডিজিটাইজ পাঠ্যোপকরণ সমন্ধে বলে যে, You may occasionally encounter the idea that libraries should &quot;just digitize everything in the library and put it online!&quot;  Alas, this would constitute infringement if the works are protected by copyright and permission was not obtained.  Materials in the public domain may be digitized without permission or restrictions. বাংলাদেশের বিভিন্ন খোলা বাজার যথাঃ নিউ মার্কেট, ঢাকা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশী-বিদেশী কিছু উচ্চমানের বই বিশেষত কম্পিউটার সায়েন্স, মেডিক্যাল, এপ্লাইড ফিজিক্স বা ম্যাথ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের বিভিন্ন কন্টেন্ট যা দেশে উৎপাদিত নয় অথবা সহজলভ্য নয় এমন প্রকাশনার কপি বিক্রি হতে দেখা যায় যা স্পষ্টতই আইনের লঙ্ঘন। আইন লঙ্ঘন করে কপি বিক্রি করার প্রবণতার মূল কারণ হলো এসব প্রকাশনার উচ্চ মূল্য যা উন্নয়নশীল দেশের শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের বহন করা সম্ভব হয়ে উঠেনা এবং আইন ও অধিকার সমন্ধে সচেতনহীনতা। সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের প্রকাশনাগুলো সাধারণত উন্নত দেশগুলোতে উৎপাদিত হয় যার মূল্য নির্ধারিত হয় ২০০ থেকে ৫০০ ডলার পর্যন্ত। অথচ আমাদের দেশের শিক্ষার্থী ও গবেষকরা সেগুলো বাংলাদেশী মূল্য ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় ক্রয় করতে পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/108675/</link>
				<pubDate>Mon, 09 May 2022 09:14:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২০১৯ সাল থেকে কোভিড-১৯ এর প্রভাবে পুরো বিশ^ নাকাল। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে গুণতে হচ্ছে ব্যাপক লোকসান। স্বশরীরের শিক্ষা প্রদান দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল। পৃথিবীব্যাপী সার্বিক পরিষেবা সংকোচিত হয়ে গেছে। করোনাকালীন এহেন পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্টারনেট ও  টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে জরুরী সেবা প্রদান কর্মসূচী জারি রাখা সম্ভব হয়েছে । করোনাকালীন মহামারির স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-108675"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/108675/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>