Profile Photo

মানিকুল ইসলাম মানিক (কবি/সাহিত্যিক)Offline

  • আমার পৃথিবী
    মানিকুল ইসলাম মানিক

    বিশাল পাহাড় থেকে পড়ে যাচ্ছিলাম,
    হয়তো মৃত্যু অবধারিত ছিল।
    হঠাৎ তাঁর ইচ্ছায় তোমার উদয় হলো,
    হাতটা বাড়িয়ে দিলে,
    জীবনের আলো দেখালে।

    জীবনে কাউকে ভালোবাসিনি,
    ভালোবাসার মানে বুঝিনি।
    তুমি শেখালে ভালোবাসতে,
    সবসময় পাশে পাশে থাকতে,
    শেখালে ভালোবাসার যত্ন নিতে।

    তুমি ছাড়া আমি এক বিশাল শূন্যতা,
    অন্ধকার রাতে এক জোনাকি পোকা।
    না পারি নিজের আলোয় চলতে,
    না পারি কাউকে পথ দেখাতে,
    ভালোবাসায় ফিরে আসি তোমার বাহুডোরে।

    আমার জীবন সাজাতে পাড়ি দিয়েছো,
    আঁকাবাঁকা কণ্টকাকীর্ণ দুর্গম পথ।
    আরোহণ করেছো কত শত বৃক্ষ,
    বিসর্জন দিয়েছো নিজের কত শখ,
    এভাবেই রাত জেগেছি কত ভাবনায়!

    আজীবন ভালোবেসে পাশে থেকো,
    হৃদয়ে একটু জায়গা রেখো।
    আমার ভুলগুলো ক্ষমা করো,
    একটু অণুপ্রেরণা দিও বাঁচতে,
    তোমার হয়েই যেন পারি জীবন ফুরাতে।
    ।। অবসিত ।।

    4
    7 Comments
    • এই “তুমি”টা কে সেটা আমি পাঠক হিসেবে অজ্ঞাত হয়ে রইলাম! 😑 কিন্তু কবিতাটা অসাধারণ ❤️

    • ভালোবাসার হাত ধরে পতনের অন্ধকার পেরিয়ে এক মানুষ তার জীবনের আলো, আশ্রয় ও পূর্ণতার ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে…..🤍🖤

    • মানিকুল ইসলাম মানিক, আপনার কবিতার ‘তুমি ছাড়া আমি এক বিশাল শূন্যতা’ লাইনটা পড়লাম, খুব সুন্দরভাবে অনুভূতির গভীরতা ফুটে উঠেছে।

    • মানিকুল ইসলাম মানিক, আপনার লেখাটিতে ‘তুমি ছাড়া আমি এক বিশাল শূন্যতা’ এই পঙক্তিটির গভীর আবেগ আমাকে দারুণভাবে ছুঁয়ে গেছে এবং আপনি যদি ভালোবাসার এই ব্যাকুলতা প্রকাশের ক্ষেত্রে আরও কিছু রূপক অলঙ্কার ব্যবহার করেন তবে পাঠকদের জন্য তা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে, তাই আপনার এই সুন্দর লেখনী অব্যাহত রাখুন।

    • এখনও রহস্য রয়ে গেছে আমার.. কবি নিরব থাকবেন না! আমাকে উত্তরটা জানাবেন দয়া করে 🙂

    • তোমারই হয়ে যেন পারি জীবন ফুরাতে লাইনটি খুব চমৎকার।

    • খুব সহজ ভাষায় মনের গভীর কথাগুলো বলেছেন।

কবি: মানিকুল ইসলাম মানিক ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে রাজশাহীর বাগমারা থানার ভরট্ট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কবি ও সাহিত্যিক মানিকুল ইসলাম মানিক। বর্তমানে তিনি বাগমারা থানার ২নং নরদাশ ইউনিয়নের কুমারপুর গ্রামে বসবাস করছেন। শৈশব থেকেই সাহিত্য ও কবিতার প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে তিনি নিয়মিত কবিতা লেখা শুরু করেন। তাঁর কবিতায় প্রেম, প্রকৃতি, মানবিকতা, বিরহ ও জীবনের নানা অনুভূতি নান্দনিকভাবে ফুটে ওঠে। সহজ-সরল ভাষা, আবেগঘন প্রকাশভঙ্গি এবং জীবনঘনিষ্ঠ ভাবনা তাঁর কবিতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক সেবামূলক কাজের সঙ্গেও সম্পৃক্ত। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইংরেজি বিষয়ে বি.এ. (সম্মান), এম.এ. এবং এল.এল.বি. ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর লেখা বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা, সাময়িকী ও অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা কবিতার জগতে নিজস্ব কাব্যভাষা ও সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে অবদান রাখা এবং পাঠকের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেওয়াই তাঁর সাহিত্যিক প্রত্যাশা।

Skip to toolbar